Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ১৩

    ।। তেরো ।।

    ড্রয়িং রুমের লাকি ব্যাম্বুর সেরামিক পটের নুড়িগুলো শুকনো খটখটে, পাশের রক জুনিপার বনসাইয়ের হিউমিডিটি ট্রেরও একই অবস্থা, জানলার পাশে লতিয়ে ওঠা মানি-প্ল্যান্টের পাতাগুলো কুঁকড়ে গেছে, বোঝা যাচ্ছে এ বাড়ির সব কিছুই এখন আউট অফ গিয়ার।

    নমিতা আর বিদ্যাদিকে বসতে বলে বুড়ি কাজের মহিলা সুইচ টিপে টিপে ঘরের সব ক’টা লাইট জ্বালিয়ে, এসি অন করে মনিবকে খবর দিতে গেল।

    বৈঠকখানার একদিকের দেওয়ালে বিশাল একটা জগদীশ বসুর ছবি, অন্যদিকের দেওয়ালে একটা অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট।

    ‘পিকাসো?’ নমিতা বিদ্যাদির দিকে তাকিয়ে বলল।

    ‘মাতিজ।’

    মডার্ন আর্টে নমিতার ইন্টারেস্ট একদমই নেই। বিদ্যাদির যে এদিকেও নলেজ তা দেখে অবশ্য নমিতা অবাক হল না। ওর খুব নার্ভাস লাগছে, কীভাবে আরুষির এই ডেডলক সিচুয়েশন ব্রেক করা যায়। না পারলে মিস বসাককে ফিরে যেতে হবে। ‘বিখ্যাত?’ নমিতা আগে কখনো এঁর ছবি দেখেনি।

    ‘পিকাসো যেমন কিউবিস্ট ফর্মের জন্য খ্যাত তখন ফ্রান্সে মাতিজ পাশাপাশি খ্যাত রঙকে ভাষা দেওয়ার জন্য। দু’জনেই খ্যাতির শিখরে উঠেছিলেন।’

    ‘আমার পিকাসো পছন্দ না,’ নমিতা বলল।

    ‘পিকাসো স্ট্যালিনের ছবিটা ওভাবে এঁকেছিল তাই?’ বিদ্যাদি বলল। ‘অনেক কমিউনিস্টই পিকাসোর খারাপ সমালোচনা করত। পিকাসো নিজে কমিউনিস্ট ছিলেন তাও—’

    ‘লোকটাকে পছন্দ করি না। লোকটা মেয়েদের কুকুরের সঙ্গে তুলনা করেছিল। আই হেট দ্যাট উমেনাইজার!’

    বিদ্যাদি অল্প হাসল। ‘এজন্যই তো সৃষ্টি দেখেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত, তার স্রষ্টাকে খুঁজে দেখতে গেলে আশাহত হতে হয়। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ‘

    ভিতরের দরজায় গলা খাঁকারি। একজন অশীতিপর বৃদ্ধ এসে দাঁড়ালেন ‘নমস্কার, আমি সুব্রত মিশ্র। সরি, উপরে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন নিচ্ছিলাম, তাই আসতে দেরি হল ‘

    বিদ্যাদি উঠে দাঁড়িয়ে বৃদ্ধের দিকে এগিয়ে গিয়ে ঝুঁকে পায়ে হাত দিয়ে প্ৰণাম করল। দেখাদেখি বাধ্য হয়ে নমিতাকেও প্রণাম করতে হল। বিদ্যাদি বলল, ‘মেসোমশাই, আমাকে চিনতে পারছেন? আমি বিদ্যাধরী। আপনাদের বাড়িতে অনেক বছর আগে আরুষির কাছে—’

    ‘হ্যাঁ চিনতে পেরেছি। তুমি তো তথাগতের পিসি। আর তুমি?’

    ‘ইনি ড. নমিতা স্যান্যাল, আমার বন্ধু। বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির ডিন অব আর্টস ফ্যাকাল্টি।’

    নমিতা কথা শুরু করল আরুষির কেসের জন্য কিছু সাহায্য চাইতে। উনি আমাকে সব বলেছেন।’

    ‘মিস মাধবী বসাক আমার কাছে এসেছিলেন

    মাধবী বসাকের নাম শুনেই বৃদ্ধের দু’চোখে যেন জ্যোতি ফিরে এল। বৃদ্ধ বিমর্ষ কণ্ঠে বললেন, ‘তোমরা তো সবই জানো। আরুষি মাকে এত ঘেন্না করে যে মা’র সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে চাইছে না।’

    ‘ওর মা ওর জন্য খুবই উদ্বিগ্ন,’ নমিতা বলল। ‘মেয়ের জন্য মানত করেছিলেন। আজ কালীঘাটে গেছেন। আপনাকে অতীতের তিক্ততায় না নিয়ে গিয়ে বর্তমানের আসন্ন বিপদ সম্বন্ধে সাবধান করতে আমি এসেছি,’ নমিতা শান্তভাবে বলল।

    বৃদ্ধের কপালে অনেকগুলো ভাঁজ জেগে উঠল।

    ‘অ্যামফার্মা সুশ্রুতের বিরুদ্ধে আট কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়েছে। মিস বসাক এই কেস হিস্ট্রিটা পড়েছেন। উনি বলেছেন বিচারে ওর প্রতিপক্ষের কুখ্যাত উকিল আহুজা আপনাদের সর্বস্বান্ত করে ছাড়বে।’

    ‘সর্বস্বান্ত তো আমাদের করেই ফেলেছে ওরা,’ বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। ‘আপনাদের এবার পথে নামিয়ে দেবে। আপনাদের একজন খুব বড় উকিল দরকার। কোনো উকিল এই সময়ে আপনাদের কেস নেবে না। একমাত্র মিস বসাকই আপনাদের ভরসা। ওকে আপনাদের এখন খুব দরকার মেসোমশাই। আমরাও আপনার নাতনির জন্য খুবই উদ্বিগ্ন।’

    বৃদ্ধ যে শিউরে উঠলেন এটা নমিতা পরিষ্কার দেখতে পেল। ‘আমার নাতনি হল আমার বুকের সবচেয়ে দুর্বল স্থান, বৃদ্ধ বললেন ‘ওই মেয়েটার জন্য আমি বেঁচে আছি। আমার দুই ছেলে একই দিনে মারা গেছিল। সে শোক বুকে পাথর রেখে সয়েছি। কিন্তু নাতনির কিছু খারাপ আমি সহ্য করতে পারব না। শুধু আরুষির কথা ভেবেই আমি আমার ডিভোর্সী পুত্রবধূকে নিজে ডেকে পাঠিয়েছিলাম।’

    ‘উনি আপনাকে সম্মান করেন মেসোমশাই। আর তাছাড়া আপনাদের দু’জনেরই একই উদ্দেশ্য—আরুষির যাতে মঙ্গল হয় সেই চেষ্টা করা।’

    ‘মেয়েটা খুবই দুঃখী, বৃদ্ধ ধরা গলায় বললেন। নমিতা বুঝতে পারছে বৃদ্ধ বড় একা। সহানুভূতি দেখাবার মতো মানুষ ওর কাছে নেই। কিন্তু কিছুতেই ওর মা’র সঙ্গে দেখা করবে না। মা’র মুখদর্শন পর্যন্ত করতে চায় না আরুষি।’

    ‘আমরা সেজন্যই এসেছি আজ আপনার এখানে। আমরা আরুষিকে কাল একটু বোঝাই?’ বিদ্যাদি বলল।

    ‘দেখ, যদি বোঝাতে পার। তবে মানবে বলে মনে হয় না। কাল আরুষিকে বাড়ি আনবো। সন্ধ্যাবেলা তাহলে এসো তোমরা।’

    নমিতা আর বিদ্যাদি উঠল। বাইরে বেরিয়ে নমিতা বলল, ‘কিপিং ফিঙ্গারস ক্রুশড।’

    বিদ্যাদি বলল, ‘আরুষিকে রাজি করাতেই হবে।

    ***

    ১০ আগস্ট, ২০১৯

    সন্ধ্যাবেলা নমিতা বিদ্যাদিকে সঙ্গে নিয়ে আবার আরুষিদের বাড়ি এল। একবার ভেবেছিল গোলপার্ক থেকে ফুলের তোড়া বা গেট ওয়েল সুন কার্ড কিনে নিয়ে যাবে, কিন্তু ভরসা হল না। খালি হাতেই গেল। আরুষি বেডরুমে শুয়ে ছিল। প্লাস্টার করা বাঁ পা স্লিংয়ে ঝোলানো। একজন নার্স চাদরটা টেনে আরুষির গা ঢেকে দিল।

    ‘আরুষি!’ বিদ্যাদি বিছানার কাছে এগিয়ে গেল।

    ‘তুমি আমার এনিমি ক্যাম্পের মানুষ,’ আরুষি ম্লান হাসল। ‘কিন্তু তুমি আমার ক্ষতি করবে না আমি জানি। তুমি বসো বিদ্যাপিসি। আপনি বসুন।’

    ‘ইনি নমিতা, ড. নমিতা স্যান্যাল। বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির আর্টস ফ্যাকাল্টির ডিন।’ বিদ্যাদি নমিতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল।

    ‘বসুন,’ আরুষি বলল। ‘দাদু বলেছে আপনারা আসবেন।’

    ‘কেমন আছিস রে?’ বিদ্যাদি বলল।

    ‘ভালো। তবে নড়তে চড়তে পারছি না। আর মাথায় ঘুরছে কেসের চিন্তা। আমাকে স্ট্রেস ফ্রি হতে দিচ্ছে না,’ আরুষি ক্লান্ত গলায় বলল।

    ‘আমরা সেজন্যই এসেছি রে এখানে। তোর লড়াইতে তোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মেলাতে। এটা তোর একার লড়াই না, আমাদের দেশের স্বার্থ এখানে জড়িত।’ মলিন হাসি হাসল আরুষি—‘আমি এ লড়াই জিততে পারব না, বিদ্যাপিসি। তোমার বাবলুই জিতবে।’

    ‘এরকম কথা বলিস না। আমি তোর সঙ্গে থাকব। বাবলুর বাবা বলছে মেয়েটা আমাদের দেশের জন্য লড়ছে, আমরা সব সময় ওর পাশে থাকব। ওঁর আশীর্বাদ তোর সঙ্গে সব সময় আছে।’

    ‘আশীর্বাদ দিয়ে তো আর লড়াই জেতা যায় না, বিদ্যাপিসি। একজন সৎ এবং ভালো উকিল লাগে। তাই তো পাচ্ছি না।’ আরুষি দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

    ‘তোর মা’র ওপর অভিমান থাকা অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু উকিল—বিদ্যাদি মাঝপথে কথা থামিয়ে দিল। বিদ্যাদির মতো নমিতাও লক্ষ করেছে মা’র কথা শুনেই আরুষির কপালের দু’পাশের শিরা বটগাছের শিকড়ের মতো জেগে উঠে দপদপ করতে লাগল।

    ‘মাধবী বসাক একজন লুজার,’ আরুষির দু’চোখ যেন প্রদীপশিখায় পতঙ্গ দপ করে জ্বলে উঠল। ‘আমি চাই না ওই মহিলার এতটুকু সাহায্য নিতে। ও তোমাদের ইউজ করবে কিন্তু তোমাদের কাছে নিজের সম্মানে এতটুকু ধুলো লাগতে দেবে না। আমি ওর স্বরূপটা তোমাদের কাছে পরিষ্কার করে দিই?’

    নমিতা দেখল বৃদ্ধ সুব্রত মিশ্ৰ খুবই অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। ‘তুই মা, এখন বিশ্রাম নে। এসব কথা থাক।’

    ‘না দাদু, আমি বলব। আমরা চুপ থাকি তাই সমাজে মুখোশ পরে লোকগুলো সম্মানের সঙ্গে ঘোরে। আমার মা আমাকে ছেড়ে আমেরিকায় পড়তে চলে গেল তখন আমার বয়স মাত্র পাঁচ বছর। কিন্তু মা যে আমার জীবনে কত বড় ক্ষতি করে গেল তা আমি ভাবতেই পারিনি। প্রথমে তো আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি যে একজন মা তার পাঁচ বছরের মেয়েকে এভাবে ফেলে রেখে যেতে পারে। আমি রোজ কেঁদে বিছানা ভাসিয়ে দিতাম। আমার শরীর খারাপ হয়ে গেল। বাবা দাদু সব অসহায় হয়ে পড়ল। দিদা কবে মারা গেছে, জেঠুও বিয়ে করেনি, মাও চলে গেল। বাড়িতে মায়ের মতো একজনও কেউ নেই যে আমাকে বুকে টেনে নেবে। বাবা নিজেকে ভিক্টিম ভাবতে লাগল, কোর্ট যাওয়া বন্ধ করে দিল, দিন-রাত মদ খেতে লাগল, বাইরে বাইরে গোটা সন্ধ্যা কাটিয়ে অনেক রাতে মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরত। সেসময় আমার জেঠুই আমার বাবা আর মা দু’জনের অভাব পূর্ণ করতে এগিয়ে এল। জেঠু সারাদিন ল্যাবে খাটাখাটুনির পর বাড়ি ফিরত আর আমায় নিজের হাতে খাইয়ে দিত, কোনোদিন কবিতা বলে, কোনোদিন গান করে, গল্প বলে ঘুম পাড়াতো। ছুটির দিন জেঠু সাইকেলে আমায় পিছন থেকে ঠেলে ঠেলে আমার সঙ্গে সঙ্গে চলত, চিড়িয়াখানা, গড়ের মাঠ, গঙ্গার পাড় নিয়ে যেত। আমার সব চেয়ে বড় বন্ধু ছিল আমার জেঠু। রাতে আমি রোজ জেঠুর সঙ্গে শুয়ে ঘুমাতাম। ধীরে ধীরে মায়ের অভাবটা যেন দূর হয়ে যাচ্ছিল। তারপর একদিন আরুষি চুপ করে সিলিং এর দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে ধীরে বলল, ‘একদিন অনেক রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। অন্ধকারে টের পেলাম একটা ছায়ামূর্তি বিছানায় বসে শ্বাপদের মতো আমার শরীর লেহন ‘ আরুষি আর বাকি কথা বলতে পারল না। ডান হাতের তালু দিয়ে দু’চোখ চেপে ধরল। শ্বাসরুদ্ধ করা পরিবেশ। নমিতার বিশ্বাসই হচ্ছে না। আরুষি এবার মাথা তুলল—‘জেঠুর মনের অন্ধকারের জগৎ। আমি এত ভয় পেয়ে গেলাম যে পাথর হয়ে গেলাম। কিন্তু এ কথাটা কাকে বলব? বাবা আর জেঠুর মধ্যে এত ভালো সম্পর্ক যে আমি কখনো বাবাকে এই কথা বলতে পারিনি। মা’র ওপর তখন রাগ হতো। খুব রাগ হতো। মেয়েকে ছেড়ে চলে গেছ, এ সমাজে এত হিংস্র আত্মীয় থাকে তা কি একজন আইনজীবী হয়ে তুমি কখনো জানতে না? তাহলে কেন তুমি আমায় ছেড়ে চলে গেলে?’ আরুষি মুখ চেপে পাথরের মতো শুয়ে রইল।

    নাস্তিক নমিতার হঠাৎ ঈশ্বরের ওপর তীব্র রাগ হল। মনে মনে বলল এজন্যই আমি তোমার অস্তিত্ব বিশ্বাস করি না! এ তোমার কেমন নিয়ম?

    বৃদ্ধ সুব্রত মিশ্র মাথা নীচু করে পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে। বিদ্যাদিও পাথর। নমিতার সাহস হচ্ছে না এগিয়ে গিয়ে মেয়েটার কাঁধে সহানুভূতির হাত রাখার। আরুষি আবার কথা বলল ‘যে কথাটা আমি বাবা দাদুকে কখনো বলতে পারিনি, সেকথা দীর্ঘদিন বুকের ভিতর জমিয়ে রেখে আমি বড় হয়ে তথাগতকে বলেছিলাম। উনিশ বছর বুকের ভিতর রাখা জমাট কান্নাকে বুক থেকে বের করে হালকা হয়েছিলাম। তথাগত প্রথমে খুব রেগে গেছিল। ও বলল আমার বাবাকে এবং মাকে এখবরটা জানানো দরকার। আমি ওকে অনেক কষ্টে রাজি করাই এ খবরটা পরিবারে না ছড়াতে। কিন্তু পরে তথাগত এই খবরটাকে নিজের সুবিধার জন্য ব্যবহার করল। তারপর দেখলাম জেঠুর সঙ্গে তথাগতের ঘনিষ্ঠতা বেড়ে গেল। খুব অবাক হয়েছিলাম, কিন্তু তথাগতকে এত বিশ্বাস করতাম যে আমি কখনো ওকে সন্দেহ করিনি,’ এবার আরুষি ভেঙে পড়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    বৃদ্ধ সুব্রত মিশ্র এবার ধীর কণ্ঠে বললেন, ‘তথাগত আরুষিকে ব্যবহার করেছিল আমাদের আয়ুর্বেদের ওষুধের ফর্মুলাগুলোকে হাতিয়ে নেবার জন্য। দরকারে আমাদের পরিবারের সম্পর্ক ভাঙতেও পিছপা হয়নি। ব্যাঙ্গালোর থেকে ফোনে শমীককে যখন এক সন্ধ্যায় সব কথা তথাগত বলে দিল তখন শমীক ক্রোধে অন্ধ হয়ে গেল। এত মদ ওর পেটে ছিল যে ও গাড়ি চালাবার মতো ক্ষমতায় ছিল না। জিঞ্জিরা বাজারের ফ্যাক্টরি যাওয়ার পথে শমীকের গাড়ি অ্যাকসিডেন্টে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। আর সেই সন্ধ্যাবেলায় ফ্যাক্টরিতে আমার বড় ছেলে প্রমিত ল্যাবরেটরিতে রাখা সাপের তীব্র বিষ শরীরে ইনজেক্ট করে আত্মহত্যা করে। সম্ভবত তথাগত ওকেও জানিয়েছিল যে ব্যাপারটা পরিবারে জানাজানি হয়ে গেছে। হাসপাতাল-পুলিশের ঝামেলা মিটলে আমি দুই ছেলেকে নিমতলার পাশাপাশি চুল্লিতে ঢুকিয়ে ভাবলাম আরুষির জন্য আমাকে বেঁচে থাকতে হবে।’ বৃদ্ধ সুব্রত মিশ্ৰ কিছুক্ষণ মৌন হয়ে বসে রইলেন। তারপর বললেন ‘আমার জন্য আরেকটা চমক অপেক্ষা করছিল। ব্যাঙ্গালোর থেকে তথাগত ফিরে এসে বলল আমার ওষুধের ফর্মুলাগুলো নিয়ে ও বিদেশে গিয়ে রিসার্চ করতে চায়। ব্যাঙ্গালোরে অ্যামফার্মা ওর এই ওষুধগুলোর জন্য ফাইনান্স করতে রাজি হয়েছে। শুধু পেটেন্টটা নিতে হবে। আমি রাজি হইনি। তাতে আমার সঙ্গে তথাগতের কথা কাটাকাটি হল। আমি অনড়। তখন তথাগত ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করল বলল তাহলে ও আমাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবে না। এমনকী আরুষির গর্ভের সন্তানের পিতৃত্বের সামাজিক দায়িত্ব ও নেবে না। আমি এ খবরে হতবাক। আমার কিছু করার নেই। অসহায়ের মতো ওর হাতে আমি ওষুধের ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস, ওষুধের ফর্মুলা সব তুলে দিলাম। কিন্তু আরুষি বেঁকে বসল। বলল দাদু তুমি কিছুতেই দেবে না। কিন্তু টু লেট। আমার বোকামো। তথাগত আমেরিকা চলে গেল। ওখানে গিয়ে কিছুদিন পর আরুষিকে ফোনে বলল—চাইল্ড অ্যাবর্ট করতে। আর ওদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।’

    আরুষি বলল, ‘বিদ্যাপিসি, তুমি নার্সিংহোমে আমার পাশে সেদিন ছিলে, আমায় সাহস দিয়েছ, আমি একটা কাঁধ পেয়েছিলাম কান্নার জন্য। আমার মায়ের অভাবটা মেটাবার চেষ্টা করেছ। তুমি বলেছিল আরুষি তোর জীবনের সঙ্গে খনার জীবনের অনেক মিল আছে।’

    ‘তবে আমরা খনা না,’ বিদ্যাদি বলল। ‘খনা যেটা পারেনি আমরা সেটা পারব। আমাদের পারতেই হবে। আর মাধবী বসাককে ছাড়া সে যুদ্ধ লড়া যাবে না। তুই ওকে একটা সুযোগ দে। তথাগতকে পাল্টা জবাব দিয়ে তারপর ভাবিস তোর মা’র সঙ্গে তুই কী ব্যবহার করবি।’

    আরুষি দু’চোখ বুজে একটা বড় শ্বাস নিয়ে সিলিংয়ের দিকে তাকাল। ‘আরুষি প্লিজ,’ বিদ্যাদির চোখে কাতর দৃষ্টি।

    ‘আমি ওই মহিলাকে কখনোই ক্ষমা করতে পারব না।’

    ‘তোকে ক্ষমা করতে হবে না। আমি কথা দিচ্ছি মিস বসাক কখনো তোর জীবনে মায়ের স্থান পূরণ করতে ফিরে আসবে না। তোর কেস মিটে গেলে উনি চুপচাপ দিল্লি ফিরে যাবেন। প্লিজ আরুষি!’

    আরুষি কিছুক্ষণ দেওয়ালে টাঙানো ওর বাবার ফটোর দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, ‘ঠিক আছে, তোমরা যখন বলছ তখন তাই হোক। কিন্তু উনি শুধু উকিল, আমার মা নন।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    Next Article সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 23, 2026
    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }