Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ১৪

    ।। চোদ্দ।।

    গাড়িতে ফেরার সময় বিদ্যাদি অনেকক্ষণ ধরে চুপ।

    ‘কী ভাবছ?’ নমিতা বলল।

    ‘খনার জীবনের সঙ্গে আরুষির জীবনের কী মিল তাই না?’ বিদ্যাদি অন্যমনস্ক হয়ে বলল। ‘বরাহমিহির যেমন খনাকে ব্যবহার করে কাজ হাসিল করে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল, তেমনি বাবলুও আরুষিকে ব্যবহার করে ওকে ডাম্প করে দিয়েছে।

    তথাগত যে কাজ শেষ করে আরুষিকে ডাম্প করেছে এব্যাপারে নমিতার মনে তিলমাত্র সন্দেহ নেই। নমিতা ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি অ্যাক্সিলারেট করল। ‘বরাহমিহির খনাকে ব্যবহার করেছিল?’

    ‘বেহুলা তাই বলে। আমিও সেটা বিশ্বাস করি, বিদ্যাদি জোর দিয়ে বলল। ‘বরাহমিহির উজ্জয়িনী থেকে বাংলায় এসেছিল তার বৃহৎসংহিতার জন্য ফলিত- জ্যোতিষের শিক্ষা নিতে। বাংলায় এসে বরাহমিহির প্রসিদ্ধ পণ্ডিত অটনাচার্য্যের কাছে শিক্ষাগ্রহণ করতে চায়, কিন্তু উনি বরাহমিহিরকে তাঁর ফলিত- জ্যোতিষশাস্ত্র শেখাতে রাজি হন না। অটনাচার্য্যের মেয়ে খনা। বরাহমিহির তখন প্রেমের জাল বুনে খনাকে নিজের প্রতি আকর্ষণ করে। খনাও সুদর্শন মিহিরের প্রেমে মত্ত হয়ে যায় এবং বাবাকে অনুরোধ করে তার প্রেমিককে ফলিত- জ্যোতিষ শিখিয়ে দিতে।’

    ‘যেমনটি তথাগত আয়ুর্বেদের ওষুধগুলোর ফর্মুলা সুশ্রুত থেকে কখনোই পাবে না জেনে সে সুশ্রুতের মালিকের নাতনিকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিল,’ নমিতা বলল। ‘তারপর যখন ফর্মুলা পাওয়া হয়ে গেল তখন উচ্চাকাঙ্খী তথাগত আরুষিকে ত্যাগ করে আমেরিকা চলে গেল। বরাহমিহিরও তাই করেছিল?’

    ‘হ্যাঁ। অটনাচার্য্য বরাহমিহিরকে বলেন যে তিনি ফলিত-জ্যোতিষ শেখাতে পারেন কিন্তু তাঁর মেয়ে খনাকে বিবাহ করতে হবে। বরাহমিহির খনাকে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং বরাহমিহির খনার বাড়িতে থেকে খনার বাবার থেকে ফলিত জ্যোতিষবিদ্যা শিখে তাঁর সংকলন শেষ করে। খনা-বরাহমিহিরের প্রেমের চিহ্ন খনার গর্ভে আসে। খনার গর্ভে বরাহমিহিরের সন্তান আসাকে বরাহমিহির ভালো চোখে দেখল না। তার চোখে তখন রঙিন স্বপ্ন—উজ্জয়িনীর রাজসভার আমোদ-আহ্লাদে এই নারী আর তার ভাবী সন্তান তাঁর পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। সমাজের ভয়ে সে গর্ভবতী পত্নী খনাকে নিয়ে রওনা দিল উজ্জয়িনীর পথে। পথে এক জঙ্গলে যত্নী বুড়ির কুটিরে খনাকে ত্যাগ করে বরাহমিহির উজ্জয়িনী চলে যায়। যত্নী বুড়ির কুটিরে খনা এক পুত্র সন্তান প্রসব করল। বরাহমিহির খবর পেয়ে ফিরে এসে সেই পুত্র সন্তানকে কলসির মধ্যে পুরে নদীর জলে ভাসিয়ে দিল। এতে খনা উন্মাদ হয়ে বরাহমিহিরকে বলল কেন আপনি আমার সন্তানকে হত্যা করলেন? বরাহমিহির বলল আমি গণনা করে দেখেছি যে পুত্রের আয়ু মাত্র এক বৎসর। খনা বলল কোথায় আপনার গণনা আমায় দেখান। বরাহমিহির তার গণনা দেখাতে খনা বলল আপনি একী অবাস্তব গণনা করেছেন? এ পুত্র দীর্ঘজীবী হওয়ার কথা। আর আপনি ভালোই জানেন যে পাঁচ বছর না হলে পুত্ররিষ্টি গণনা করা হয় না। আপনি আমার পুত্রকে হত্যা করেছেন। খনা কাঁদতে কাঁদতে বলল আমি সকলকে বলে দেব যে আপনি আমার পুত্রকে হত্যা করেছেন। বরাহমিহির স্থির করল খনাকে চিরতরে চুপ করাতে হবে। তখন সে খনাকে হত্যা করল।’

    ‘আর আজকের বরাহমিহির তথাগত তার প্রেমিকাকে বলল অ্যাবরশন করাতে,’ নমিতা বলল।

    ‘একটা শিশু হত্যা, অন্যটা ভ্রূণ হত্যা।’

    ‘ভাবা যায় না,’ নমিতা বলল। ‘তার মানে খনার স্বামী মিহির কখনো খনাকে ভালোবাসে নি। ও খনাকে অবজ্ঞা করত।’

    ‘বরাহমিহির যদি খনাকে ভালোবেসে বিয়ে করত তবে নিশ্চয়ই খনার জিভ কেটে খনাকে খুন করত না।’

    ‘কিন্তু বরাহমিহির যে খনার জিভ কেটে ফেলেছিল এটা কি সত্য? আমি ভেবে পাচ্ছি না এটা বাইরের মানুষ জানবে কীভাবে? খনার জিভ কাটার পর বরাহমিহির তো আর গর্ব করে বলে বেড়াবে না যে আমি খনার জিভ কেটে খনাকে মেরেছি। তবে?’

    ‘অন্য কেউ সেই দুষ্কর্মের সাথী ছিল। তাদেরই কেউ নিশ্চয়ই এই কথাটা ফাঁস করে দিয়েছিল। যদিও খনার উপকথা বলে মিহির খনার জিভ কেটে দিয়েছিল, কিন্তু সেটা কি সম্ভব? মানুষের জিভ থাকে মুখের ভিতর ঢোকানো। সত্যি কি মাত্র একজন মানুষের পক্ষে আরেকজনের জিভ কাটা সম্ভব?’ বিদ্যাদি বলল। ‘একবার দৃশ্যটা চিন্তা করো। জিভ কাটতে হলে একজনকে দু’হাত দিয়ে জোরে শিকারের মুখের উপরের চোয়াল আর নীচের চোয়াল টেনে ফাঁক করতে হবে। আরেকজনকে সেই ফাঁকের মধ্যে দিয়ে হাত ঢুকিয়ে খনার গুটিয়ে থাকা জিভটা বের করে আনতে হবে। তখন খনা কি বাধা দেবে না? জোরে জোরে মাথা ঝাঁকাবেই। তাই তখন অন্ততপক্ষে আরেকজনকে দরকার যে খনার মাথাটা জোর করে শক্ত করে ধরে রাখবে যাতে সে মাথাটা নাড়াতে না পারে। কীভাবে সেই বিদুষীর ওপর অত্যাচার হয়েছিল ভাবতে পারছো? অসহায় খনা তখন তারস্বরে চেঁচাচ্ছে, আর একদল পুরুষ –’ এক্সচ বিদ্যাদি হাঁফাচ্ছে। বিদ্যাদি শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ মুছে বলল, ‘এই খুনটা শুধু বরাহমিহির একা করেনি। ও আরো কয়েকজন হত্যাকারী নিযুক্ত করেছিল খনাকে খুনের জন্য।’

    খনার জিভ কাটার যেরকম নৃশংস বর্ণনা বিদ্যাদি যেভাবে দিচ্ছিল তাতে একসময় নমিতার মনে হলো যে বিদ্যাদি যেন সত্যি নিজের চোখে সেই খুন হওয়া দেখেছে। বিদ্যাদির দৃষ্টিতে বিবমিষা। নমিতার মনে হলো বিদ্যাদি হয়তো সত্যি সত্যি বমি করে দেবে। নমিতা তাড়াতাড়ি কথা ঘুরিয়ে বলল, ‘কিন্তু আমরা তো সকলে জানি যে বরাহমিহির খনার শ্বশুর ছিল? কিন্তু বেহুলা বলছে বরাহমিহির খনার স্বামী? খনার স্বামী তো মিহির!’

    ‘একটা খুনের ঘটনাকে চাপা দেওয়ার জন্য এসব আমাদের শেখানো হয়েছে। আমাদের বলা হয়েছে মিহির ছিলেন খনার স্বামী এবং বরাহমিহিরের পুত্র। কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে।’

    ‘কী বলে ইতিহাস?’

    ‘ইতিহাস বলে যে বরাহমিহির নিজেই মিহির।’

    ‘সে কী সাংঘাতিক কথা! মিহির তাহলে বরাহমিহিরের সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া ছেলে না?’

    ‘না,’ বিদ্যাদি বলল। বরাহমিহির সম্বন্ধে আমরা যেটুকু জানতে পারি তা ওঁর ভাষ্যকার কাশ্মীরী পণ্ডিত উৎপল এবং ইরানের পর্যটক ও পণ্ডিত আল বিরুনীর ভাষ্য থেকে। কিন্তু বরাহমিহিরের লেখা দৈবজ্ঞবল্লভ গ্রন্থের ৪১তম আর ৪৩ তম শ্লোকগুলোতে ইতিহাস লেখা আছে—’

    দৃষ্টাহদৃষ্টফলাপ্ত্যৈ শাস্ত্ৰং হৃদয়ে নিধায় মিহিরস্য।
    দৈবজ্ঞবল্লভাখ্যং দৃষ্টা প্রশ্নং বদেত্তজ্ঞঃ।। ৪১।।
    আদিত্যদাসতনয়স্তদবাপ্তবোধঃ কাপিখলঃ সবিতৃলব্ধবরপ্রসাদঃ।
    আবন্তিকো মুনিমতান্যবলোক্য যত্নাদেতাং বরাহমিহিরো রচয়াংচকার।। ৪৩।।

    ৪১তম শ্লোকে লিখছেন—দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য ফলাফলগুলি নির্ধারণ করার জন্য জ্যোতিষীদের ‘মিহির’ রচিত ‘দৈবজ্ঞবল্লভ’ শাস্ত্র বুঝে প্রশ্নের ব্যাখ্যা করা উচিত। আবার দৈবজ্ঞবল্লভ-এর ৪৩তম শ্লোকে লিখছেন অবন্তি দেশের অধিবাসী বরাহমিহির যিনি কাপিণ্ডুল আদিত্যদাসের পুত্র তিনি সূর্যের কাছ থেকে আশীর্বাদ পেয়েছিলেন, তিনি বিভিন্ন ঋষিদের মতামতকে যত্নসহকারে যাচাই- বাছাই করে এটি রচনা করেছিলেন। অতএব প্রমাণিত হয় এই মিহির আর বরাহমিহির একই মানুষ।’

    ‘তাহলে এত গল্পকথা যে মিহির সমুদ্রে কলসীতে ভেসে ভেসে সিংহলে গেল আর সেখানে খনার সঙ্গে দেখা হল! মিহির তাহলে বরাহমিহিরের পুত্র না?’

    ‘না। বরাহমিহিরের পুত্র ছিলেন সুপণ্ডিত হোরাশাস্ত্রকার পৃথুযশ, মিহির নয়।’

    ‘তাই নাকি?’

    ‘হ্যাঁ। পৃথুযশ ষটপঞ্চাশিকা নামক যে হোরাশাস্ত্র লিখেছেন তার প্রথম স্ট্যাঞ্জাতে আছে প্রশ্নজ্ঞানবিধৌ বরাহমিহিরাপত্যস্য স্বদুস্তনো। তার অর্থ বরাহমিহিরের পুত্রের রচিত। সুতরাং পৃথুযশই বরাহমিহিরের পুত্র, মিহির নন। মিহির ছিলেন স্বয়ং বরাহমিহির। যদি বরাহ এবং মিহির বাপ-বেটা দু’জন স্বতন্ত্র মানুষ হতো এবং নবরত্ন সভায় বরাহমিহির থাকত, তবে তাতে গণনায় গণ্ডগোল হচ্ছে না কি? কালিদাস, বররুচি, অমরসিংহ, বেতালভট্ট, ঘটকর্পর, ক্ষপণক, ধন্বন্তরি, শঙ্কু, বরাহ আর মিহির—দশ হয়ে যাচ্ছে। বরাহ এবং মিহির আলাদা মানুষ হলে রাজা বিক্রমাদিত্যের সভাটি দশরত্ন হয়ে যায়। যদি আমরা নবরত্ন মানি তবে বরাহমিহির পরিচয়ে একজন মানুষ ছিলেন।’

    ‘তাহলে বরাহ নামটা কীভাবে মিহিরের সঙ্গে জুড়ল?’

    ‘সে সম্বন্ধে একটি উপকথা আছে। সম্রাট বিক্রমাদিত্যের এক পুত্র জন্মালে মিহির জ্যোতিষ গণনা করে বলে যে পুত্রের যখন আঠারো বৎসর বয়স হবে তখন বরাহের আক্রমণে সেই পুত্রের মৃত্যু হবে। যুবরাজকে মৃত্যুর কবল থেকে বাঁচাবার জন্য সম্রাটের অনেক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মিহিরের ভবিষ্যৎবাণী ফলে যায় এবং সম্রাটের পুত্রের মৃত্যু হয়। বিক্রমাদিত্য গুণীর কদর করতে জানতেন। তিনি পুত্রশোকে মুহ্যমান হওয়া সত্ত্বেও মিহিরকে বরাহ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তার নাম হয় বরাহমিহির।’

    ‘বরাহ একটা উপাধি?’

    ‘হ্যাঁ। বরাহ উপাধি আমরা পরবর্তীকালেও দেখতে পাই। গুর্জর-প্রতিহাররাজ দুর্ধর্ষ মিহিরভোজ যিনি অন্তত কুড়ি বার সিন্ধু অঞ্চলে আরব বাহিনীকে থামিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর মুদ্রায় দেখা যায়, তিনিও ‘আদি বরাহ’ উপাধি নিয়েছিলেন।’

    ‘কিন্তু তাহলে উপকথা অনুযায়ী বরাহমিহিরকে কেন খনার শ্বশুর বলা হয়েছে? খনার কাহিনি অনুযায়ী খনা মিহিরকে বিবাহ করে তার সঙ্গে উজ্জয়িনীতে এসে শ্বশুর নবরত্নসভাখ্যাত বরাহমিহিরের সঙ্গে এসে সাক্ষাৎ করে ও শ্বশুরকে বলে–

    কিসের তিথি কিসের বার
    জন্ম নক্ষত্র কর আর
    কি কর শ্বশুর মতিহীন
    পলকে জীবন বার দিন।

    পুত্রবধুর যুক্তিতে বরাহর ভুল ভাঙে এবং পুত্র-পুত্রবধূকে সাদরে গ্রহণ করেন।’

    ‘ঠিক এখানেই মনে একটা খটকা লাগে। খনা এসে খ্যাতনামা বরাহমিহিরের জ্যোতিষের এতবড় একটা ভুল ধরিয়ে দিল! বরাহমিহির সম্রাট বিক্রমাদিত্যের পুত্রের আয়ু অভ্রান্ত ভাবে বলে দিল অথচ নিজের পুত্রের আয়ু গণনায় এত সাধারণ একটা ভুল করল যা কিনা খনা মাত্র চার লাইনে বলে বুঝিয়ে দিল! এটা বিশ্বাস করতে খুব অসুবিধা হয়।’

    নমিতা ভাবল এভাবে সে কখনো বিশ্লেষণ করেনি।

    ‘একটা বড় রহস্য চাপা দেবার জন্য এসব গল্প ফাঁদা হয়েছে,’ বিদ্যাদি বলল।

    ‘কিন্তু কী সেই রহস্য? আর কেন খনাকে বরাহমিহিরের পত্নী নয় পুত্রবধূ হিসেবে পরিচয় দেবার চেষ্টা হয়েছে?’

    ‘বরাহমিহিরের গায়ে যাতে কলঙ্কলেপন না হয় সেজন্য খনার সঙ্গে তার সম্পর্কের এত জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে। বরাহমিহির তার স্ত্রী খনাকে হত্যা করে খনাকে মুছে ফেলার জন্য অনেক কিছু করেছিল। প্রথমতঃ সে খনাকে তার স্ত্রীর বদলে পুত্রবধূ বানিয়ে দিয়েছিল, দ্বিতীয়তঃ সে তার পুত্রের জন্মের সম্বন্ধে বেশ কিছু অবিশ্বাস্য গল্পকথা জুড়ে দিয়েছিল যাতে ভাবী প্রজন্ম ভাবে যে খনা একটা মিথোলজিক্যাল ক্যারেক্টার। খনাকে শুধু হত্যা করে ওরা ক্ষান্তি দেয়নি, খনার অস্তিত্বটাই মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। আর সেজন্য খনাকে প্রায় দেবী বানিয়ে দিয়েছে।’

    ‘তাতে লাভ?’

    ‘তাহলে পাপ ঢাকা সহজ হয়ে যায়।’

    ‘মানে?’

    স্মিত হাসল বিদ্যাদি। বলল, ‘রাজস্থানে দেখেছ কি অনেক সতী মন্দির আছে? প্রতিটি মন্দির একজন সতীদাহে প্রজ্জ্বলিত মানবীকে দেবতায় রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টায় স্থাপন করা হয়েছিল। কেন হয়েছিল? যাতে যারা সেই মানবীকে আগুনে জ্বালিয়ে হত্যা করেছিল তারা সেই হত্যার শাস্তি থেকে রেহাই পায়। অগ্নিদগ্ধ নারীতে দেবত্ব আরোপিত করলে যারা সতীদাহের এই দুষ্কর্মটি করেছে তারা নিজেদের পাপবোধ থেকে রক্ষা পায়। আর সকলে সতীমা সতীমা বলে পুজো করে সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ থেকে এড়িয়ে যায়। খনার ক্ষেত্রে অনেকটা তাই হয়েছে। আজগুবি সব গল্প বানিয়ে খনাকে সুপার হিউম্যান বানিয়ে দিয়েছে। আর লজ্জার কথা এই যে আমরা তা মেনেও নিয়েছি।’

    গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের পিছনে স্ট্রীট পার্কিং করল নমিতা। বিদ্যাদি খুব গম্ভীর। নমিতা মিস বসাককে ফোন করল—‘আমরা ভিজিটার্স লবিতে আসছি।’

    একতলায় ভিজিটার্স লবির সোফায় বসে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না নমিতাদের। মিস বসাক নেমে এলেন।

    ‘ও রাজি হয়নি, তাই না?’ মিস বসাক বিষণ্ণ গলায় বললেন।

    ‘ও রাজি হয়েছে,’ নমিতা বলল।

    ‘কী বলছেন আপনি!’ যুগপৎ বিস্ময় ও আনন্দে প্রায় চেঁচিয়ে উঠলেন মিস বসাক। তারপর খেয়াল হল অন্যদিকের সোফায় আরো দু’জন মৃদুস্বরে কথা বলছে, তারা ওদের দিকে তাকিয়ে আছে। এটা পাবলিক প্লেস, জোরে কথা বলা নিষেধ। ‘থ্যাঙ্ক ইউ, ড. স্যান্যাল।’

    ‘এই ধন্যবাদের সমস্তটা বিদ্যাদির প্রাপ্য,’ নমিতা বলল। ‘বিদ্যাদির কথায়-’

    ‘ওসব তুচ্ছ কথা থাক, নমিতা তুমি পারিবারিক কথাটা বল,’ বিদ্যাদি গম্ভীর গলায় বলল।

    ‘হ্যাঁ, একটা কথা আছে এখানে, নমিতা বলল। ‘আপনাকে এই দায়িত্বটা দিয়ে আরুষি আপনার ওপর যথেষ্ট ফেভার করছে, মিস বসাক। আপনি মনে এতটুকুও ভাববেন না যে আপনি ওকে ফেভার করছেন।’

    ‘আমি ঠিক বুঝলাম না,’ মিস বসাক বললেন।

    ‘আমরা জানি আপনি কেন এভাবে ছুটে এসেছেন। আরুষি সব বলেছে আমাদের। তখন যদি মেয়েটাকে ফেলে রেখে না যেতেন তবে আজ আপনাকে এ দৃশ্য দেখতে হতো না। মেয়েটার মনের মধ্যে দিয়ে প্রতি নিয়ত কী ঝড় গেছে তা আপনি জানেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও এটা ওর মহানুভবতা যে ওর জেঠুকে সকলের সামনে অপদস্থ করেনি। তথাগত অন্তত একটা ভালো কাজ অজান্তে করে গেছে সেটা হল মানুষটার মুখোশ খুলে দিয়ে গেছে। আর আপনি এখনো সেই মানুষটাকে আড়াল করেছেন, আমাদের সত্য ঘটনাটা জানাননি। কারণ এই নোংরা কাজ হতোই না যদি আপনি আপনার হাই-রাইজিং কেরিয়ারের পিছনে দৌড়াতে গিয়ে মেয়েকে অবহেলা না করতেন। জানি না এরকম কত মা তাদের মেয়েকে এরকম পরিস্থিতিতে ঠেলে দিয়েছে—অসহায় মেয়েগুলো মুখ ফুটে বলতে পারেনা। ওদের বুক পাথর হয়ে যায়।’

    মিস বসাক একটা বড় শ্বাস নিয়ে দু’চোখ বুজলেন।

    ‘আরুষি বলেছে আপনি শুধু ওর উকিল হিসেবেই ওর সঙ্গে কথা বলবেন। আপনি ওর মা নন। এই শর্তেই ও রাজি হয়েছে। সুতরাং আপনাকে এই ইমপর্টেন্ট কথাটা কক্ষনো ভুললে চলবে না,’ নমিতা বলল।

    ‘আমি রাজি,’ মিস বসাক বললেন।

    আপনাকে এ লড়াইটা জিততেই হবে, মিস বসাক। এটা আপনার শেষ সুযোগ, বিদ্যাদি গম্ভীর গলায় বলল।

    আমি কাল আরুষির সঙ্গে দেখা করে কথা বলব। আমি এখনো মনে করি যে আমি কেসটাকে হয়তো আহুজার হিংস্র দাঁতের সারির ভিতর থেকে টেনে বের করে আনতে পারব,’ মিস বসাক বললেন। কিন্তু আমাকে অনেক রিসার্চ করতে হবে। আমার হাতে সময় খুব কম। আমাকে ট্রায়ালের স্ট্র্যাটেজি আউটলাইন করতে হবে, ডাইরেক্ট আর ক্রশ একজামিনেশনের মেইন পয়েন্টগুলোকে বারবার সাজাতে হবে, ইনিশিয়াল হিয়ারিং-এর ডিপজিশনে সাক্ষী কী কী ইচ্ছা করে বাদ দিয়ে গেছে, আর কী কী না ঘটা ঘটনাকে অম্লানবদনে ঘটেছে বলে গেছে সেগুলো ছেঁকে বের করতে হবে। আমার একটা টিমকে এখানে মোবিলাইজ করতে হবে। সুনার দ্য বেটার। আপনারা যদি কাল আমার সঙ্গে আরুষির কাছে আসতে পারেন আই উইল অ্যাপ্রিশিয়েট দ্যাট।’

    ‘কাল রোববার, আমার স্কুল ছুটি। আমি সকালে যেতে পারব,’ বিদ্যাদি বলল। নমিতাও রাজি।

    ‘আমি সুব্রত মিশ্রকে কল করছি, এক্ষুনি,’ মিস বসাক বললেন।

    মিস বসাক ফোন করলেন। সুব্রত মিশ্রের সঙ্গে ফোনে মৃদুস্বরে কথা হল। ফোন বন্ধ করে মিস বসাক বললেন, ‘কাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ আসতে বললেন।’

    ‘ঠিক আছে, তাহলে কাল আমরা একসঙ্গেই আরুষিদের বাড়ি যাব। সকাল সাড়ে নটায় এখানে –’ নমিতা বিদ্যাদির দিকে তাকালো।।

    ‘আমি চলে আসবো,’ বিদ্যাদি বলল।

    ‘গুড,’ মিস বসাক বললেন। তারপর বিড়বিড় করে বললেন ‘আই মাস্ট উইন দিজ ট্রায়াল।’ মিস বসাকের চোয়াল এমন দৃঢ় হয়ে গেল যে নমিতার মনে হলো আহুজার মুখগহ্বর হাঙরের হতে পারে, কিন্তু মিস বসাকের চোয়াল কংক্রিটের তৈরি যেখানে হাঙর দাঁত বসাতে পারবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    Next Article সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 23, 2026
    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ১ম খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    May 1, 2026

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    May 1, 2026

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }