Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ৫৮

    ।। আটান্ন।।

    জমিদারের রক্তাক্ত শরীর দেখে দেওয়ান দুর্লভচাঁদ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে রবিন সাহেবকে বলল, ‘সাহেব, এ তো অনর্থ হয়ে গেল! এখন আমরা কী করব?’

    ‘ভালো করে দেখ লোকটা বেঁচে আছে কিনা?’ রবিন সাহেব একজন লেঠেলকে হুকুম দিল।

    পাইক নীচে খাতে নেমে রক্তে লাল জলের ভিতর থেকে জমিদারের শরীরটা তুলে দেখাল। জমিদারকে কুপিয়ে দিয়েছে জটা পাগলা। লেঠেল আর্তনাদ করে উঠল—‘সাহেব, জমিদারবাবু মারা গেছে!’

    ‘তোরা নীচে যা,’ রবিন সাহেব অন্য লেঠেলদের হুকুম দিল। ‘জমিদারের দেহটা তুলে নিয়ে আয়। পাগলটার দেহও তুলে আন।’

    ‘সাহেব, আমরা মেয়েটাকে ধরে আনতে জঙ্গলে লোক পাঠাই?’ সত্যঠাকুর বলল।

    আমার এখানে থাকাটা একদম নিরাপদ নয়, রবিন মনে মনে ভাবল। ফোর্ট উইলিয়ামে অফিসাররা এসব জানতে পারলে আমাকে এক্ষুনি ডিপোর্ট করে লন্ডনে ফেরত পাঠিয়ে ওখানে বিচার করবে। এক্ষুনি ফোর্ট উইলিয়ামে ফেরত যেতে পারলে সবচেয়ে ভালো হতো, রবিন ভাবল। কিন্তু ডেভিড অনেক কিছু জেনে ফেলেছে আমার সম্বন্ধে। ওর বেঁচে থাকাটা আমার পক্ষে বিপজ্জনক। ওকে খুন করিয়ে ওর ডেডবডি সঙ্গে নিয়ে ফোর্ট উইলিয়ামে ফিরতে হবে। কিন্তু রাত না হলে এসব কাজ করা সম্ভব না। রাতে ডেভিডের মৃতদেহ নিয়ে তবেই কলকাতার জন্য রওনা দিতে হবে। ‘ডেভিডকে গুমঘরে মেরে ফেলে চন্দ্র ডাকাতের ওপর সমস্ত দায় চাপিয়ে দিতে হবে,’ রবিন সাহেব দারোগাকে আদেশের স্বরে বলল।

    ‘সাহেব, আমাকে মাফ করবেন,’ দারোগা এবার হাত জোড় করে বলল। ‘আমি সাহেব হত্যা করতে পারব না। সাহেব হত্যা মারাত্মক অপরাধ।’

    এবার সত্যাচার্য বলল, ‘এর দায়িত্ব আমাদের ওপর ছেড়ে দিন সাহেব। আমাদের কাউকে হত্যাকারী হতে হবে না। চন্দ্র ডাকাতই একে হত্যা করবে।’

    ‘চন্দ্ৰ ডাকাত কিছুতেই আমাদের বিশ্বাস করে আমাদের গুমঘরে আসবে না,’ দেওয়ান বলল।

    ‘বেশ তাহলে আমার জ্যোতিষ-মন্দিরেই ডেভিড বিশ্বাসঘাতকের বলি দেওয়া হোক। আমি চন্দ্ৰ ডাকাতকে খবর পাঠিয়ে ওখানে ডেকে আনব। আজ রাতে ডেভিডের মৃতদেহ আমি সাহেবের নৌকায় এনে দেব,’ সত্যাচার্য বলল।

    ‘মৃতদেহগুলোকে এক্ষুনি নৌকায় তোল,’ দুর্লভচাঁদ ওর লেঠেলদের বলল। তারপর পাইকদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ডেভিড সাহেবকে গুমঘর থেকে তুলে বস্তায় মুড়ে সাঁঝের বেলা সত্যঠাকুরের আশ্রমে নিয়ে যাবি। কেউ যেন টেরটি না পায় ভিতরে কে আছে।’

    খুব সত্বর কাজ হল। কিছুক্ষণের মধ্যে নদীর ধারে জমিদার গোপীচরণ মল্লিকের আর জটার মৃতদেহ নিয়ে রবিন সাহেব আর দুর্লভচাঁদ বজরায় ফিরে গেল। শুধু খাতের জলে রক্তের লালিমা ছড়িয়ে গেল। তা দেখে জমিদারের নৌকার আবদুল মাঝি ফিসফিস করে মিজান মাঝিকে বলল, ‘মিজানচাচা, পীর বসির আলি বলেছিল বিদ্যেধরীর খাতে যেদিন রক্ত ছড়িয়ে যাবে সেদিনই এই গ্রাম ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে কি আজই কয়ামৎ আসবে?’

    ‘কী ফিসফিস করছিস?’ রবিন ওদের ভাষা না বুঝে মাঝিকে দাবড়ানি দিল। ‘তাড়াতাড়ি নৌকা নিয়ে ফিরিঙ্গি কুঠির ঘাটে চল।’ মিজান মাঝি জানে কয়াম‍ তার সামনে দাঁড়িয়ে। এর রাগ খুব তাড়াতাড়ি মাথায় চড়ে যায়। মিজান মাঝি চুপচাপ মালিকের হুকুম তামিল করল।

    ***

    জিভকাটির ঢিপির ভিতর ঢুকে বেহুলা অনেকক্ষণ অন্ধকারে বসে রইল। শরীরে ভয় জাঁকিয়ে বসেছে। বাইরে নিশ্চয়ই জমিদারের লেঠেলরা ওকে জঙ্গলে খুঁজে বেড়াচ্ছে। এই মন্দিরের প্রবেশ পথের সন্ধান তারা ক’জন ছাড়া বাইরের কেউই জানে না। ডেভিড সাহেব বুধনকে প্রাণে বাঁচিয়ে দিল, কিন্তু বেহুলাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের চরম ক্ষতিটা করে ফেলল সাহেব! বচনপিসি আর গণককাকার কী হল কে জানে? বেহুলার মন কেঁদে উঠল। জটাকাকাও ওকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিল। লোকটা ওর থেকে আমানি পান্তা খেতে চেয়েছিল। বুকের ভিতর হাহাকার করে উঠল বেহুলার।

    মন্দিরের ভিতরে অন্ধকার। বেহুলা ভাবতে লাগল কীভাবে এখান থেকে পালাবে? পাইকদের পাহারা এড়িয়ে এখন পালানো অসম্ভব। বরং অপেক্ষা করা যাক। বুধন ধৈর্য নিয়ে কত দিন এখানে শুধু সুযোগের অপেক্ষা করেছিল, তার ফল পেয়েছে। বেহুলাকে শুধু অপেক্ষা করতে হবে। আর সুযোগ খুঁজতে হবে।

    সন্ধ্যা হল। এবার গুহামুখে এসে দাঁড়ালো বেহুলা। মনে দুশ্চিন্তা। বচনপিসির কী হল? দারোগার পাইক ওর সামনে বচনপিসিকে বাঁশ দিয়ে মাথায় মেরে সংজ্ঞাহীন করে দিয়েছিল। তারপর কি জ্ঞান এল? বৃদ্ধ গণককাকা কি বচনপিসিকে রক্ষা করতে পারবে? এই পরিবার বেহুলাকে বিপদের সময় বুকে আগলে রক্ষা করেছে। যতবার কেউ বেহুলাকে আঘাত করার চেষ্টা করেছে বচনপিসি তেড়ে গেছে তার দিকে। যেভাবে বাঘিনী তার বাচ্চাকে রক্ষা করে, বচনপিসি দাঁত-নখ দিয়ে আক্রমণ করেছিল ওই বংশী লেঠেলকে। বেহুলা ঠিক করল সে এই গুহার মধ্যে বসে থাকবে না। কমপক্ষে সে বচনপিসি আর গণককাকাকে ও এই জিভকাটির মন্দিরের গুহায় নিয়ে আসবে।

    বাইরে আঁধার একটু ঘন হতেই বেহুলা মন্দিরের গুহা থেকে বাইরে বেরিয়ে এল। কাপাসডাঙার মাঠ জনশূন্য। বেহুলা ছুট লাগাল পাখমারা গণকের বাড়ির দিকে। দূরে ফিরিঙ্গি কুঠিতে আলো জ্বলছে। রবিন সাহেব কি এখনও ওখানে? ডেভিডকে কি ওরা ওখানে বন্দী করে রেখেছে? নাকি মেরে ফেলেছে? ওদিকে যাওয়া মানে মূর্খামি। বাইরে এখন থাকাটাও ঝুঁকিবহুল। বেহুলা দ্রুতপদে বাড়ির দিকে চলতে লাগল।

    সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, কিন্তু পাখমারা গণকের বাড়িতে আজ তুলসীতলায় সাঁঝবাতি জ্বলেনি, শঙ্খধ্বনি হয়নি। বচনপিসি দাওয়ায় বাঁশের খুঁটিতে পিঠ ঠেকিয়ে অবসন্নের মতো বসে আছে। মনে বিষাদ, শরীরে যন্ত্রণা। মাথায় অনেক রক্তক্ষরণে শরীর খুব দুর্বল। পাখমারা গণক বোনের সেবায় কবিরাজি চিকিৎসা করে মাথায় পট্টি বেঁধে দিয়েছে, কিন্তু এখনও চুঁইয়ে চুঁইয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। পাখমারা গণক কম্পিত হাতে চকমকি ঘষে প্রদীপ জ্বালাবার চেষ্টা করছে এমন সময় সদরের দরমার আগড় ঠেলে বেহুলা বাড়ির উঠোনে ঢুকল।

    ‘বেহুলা!’ বচনপিসির দু’চোখ আনন্দে ঝলমল করে উঠল। সারা শরীরে যেন শক্তি সঞ্চারিত হল। বচনপিসি উঠে দাঁড়াল। ‘তুই বেঁচে আছিস! হে ভগবান! তোমার অশেষ করুণা।’

    বেহুলা ছুটে এসে বচনপিসিকে জড়িয়ে ধরল। ‘তুই কোথায় ছিলি?’ বচনপিসির কণ্ঠস্বরে উদ্বেগ। বেহুলা এক নিশ্বাসে বলে চলল জটা কীভাবে আত্মবিসর্জন দিয়ে তাকে বাঁচিয়েছে। ‘আমাকে ধরতে রবিন সাহেব আবার পাইক পাঠাবে। এই মুহূর্তে তোমরা আমার সঙ্গে চল,’ বেহুলা বলল।

    ‘কোথায়?’

    ‘জিভকাটির মন্দিরে,’ বেহুলা বলল। ‘ওখানেই বুধন লুকিয়ে ছিল। আমরা কয়েকটা দিন ওখানে লুকিয়ে থাকতে পারব, এরা টেরটিও পাবে না। এখানে ওরা আমাকে না পাওয়ার রাগে তোমাদের মেরে ফেলবে। কিছু খাবার দাবার, পাঠকাঠির মশাল আর পিদিমের তেল সঙ্গে নিয়ে নাও। পিদিম জ্বালিও না এখন। আলো দেখলে ওরা সন্দেহ করবে।

    ঘরে আমানি পাস্তা ছিল। অন্ধকারে বচনপিসি ক্ষিপ্রহস্তে পাস্তাভাত একটা গামছায় বেঁধে নিল। রাতের খাবার। সেটা দেখে বেহুলার জটা পাগলার কথা মনে পড়ল। বেহুলার শরীর আড়ষ্ট হয়ে গেল। কিন্তু পরক্ষণেই সেই আড়ষ্টতা ঝেড়ে ফেলতে চাইল বেহুলা। শরীরে শক্তি চাই, কতটা লড়তে হবে কে জানে। কিন্তু বেহুলার মনে হচ্ছে অন্ধকারে হঠাৎ যেন মেদিনী দুলে উঠল। বেহুলা ভাবল ওর শারীরিক অবসাদের জন্য মাথা ঘুরছে। কিন্তু থালাগুলো ছিটকে ঘরে কোণে গিয়ে ধাক্কা মারল, জলের ঘটি উলটে গেল—বচনপিসি বেহুলাকে জাপটে ধরে বলল, ‘ভূমিকম্প। শিগগির উঠোনে চল।’

    ভূমিকম্প থামল বটে, কিন্তু কিছুক্ষণ পর শুরু হলো প্রচণ্ড ঝড়। ঝড়ের তাণ্ডব ক্রমশ বাড়তে লাগল, তার সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি। সারা পৃথিবী কাঁপিয়ে বাজ পড়তে লাগল, তার চোখ-ঝলসানি আলোতে ভয়ে বচনপিসি বেহুলাকে জড়িয়ে দুর্গানাম জপ করতে করতে আবার কুঁড়েতে গিয়ে ঢুকল। ঝড়ের বেগ ক্রমশ বেড়েই চলল, গোটা বাড়ি যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে। পাখমারা গণকের বাড়ির একটা খুঁটিও কাঠের না, সবকটা খুঁটিই বাঁশের, চাটাই এর বেড়াগুলোও তিন-চার বছর পুরোনো হয়ে জীর্ণ, তার জায়গায় জায়গায় বেতের বাঁধন খুলে গেছে। অর্থাভাবে মেরামত হয়নি। কুঁড়ের দেওয়াল দুলে দুলে উঠতে লাগল।

    বাইরে এবার মড়মড় করে বিশাল শব্দ হল। বেহুলা বুঝল বকুল গাছটা উপড়ে মাটিতে পড়ল। বাইরে কড়-কড়াৎ শব্দে একটা বাজ পড়ল, কান ফাটিয়ে দেওয়ার মতো আওয়াজ। আর হঠাৎ মড়-মড় শব্দে বাড়ির চাল বাঁশের খুঁটি থেকে আলগা হতে হতে প্রবল ঝড়ে আকাশে উড়ে গেল। ভয়ে বচনপিসি শ বাজাতে আরম্ভ করল। পাখমারা গণক অবিরাম শিবঠাকুরের মন্ত্র পড়ে চলল। ঝরঝর করে বৃষ্টি পড়ে ঘর জলে জলাকার। ভিজে চুবুচুবু হয়ে বেহুলা বলল ‘আর এখানে থাকা নিরাপদ না। শিগগির আমার সঙ্গে চল জিভকাটির মন্দিরের আশ্রয়ে, এই চালহীন ভিটে আর নিরাপদ নয়। এখানে থাকলে এবার আমরা ভিটে চাপা পড়ব।

    পাখমারা গণক আর বচনপিসিকে নিয়ে বেহুলা উঠোনে নেমে এসে দেখল বাইরে ওদের বাড়ির একদিকের বেড়া হাওয়ায় উড়ে গেছে। কড়কড় করে বাজ পড়ল, তার আলোয় দেখা গেল জ্যোতিষ-মন্দিরের ওপর বকুল গাছটা ভেঙে পড়ে জ্যোতিষ-মন্দির ধ্বংস হয়ে গেছে। নিজেদের ভিটেটার অর্ধেক উড়ে গেছে। হাওয়ার বেগ আরো বাড়ছে। আকাশে ঘনঘন বিদ্যুতের শাসানি, অবিরাম বৃষ্টির ছাঁট। ওরা জিভকাটির জঙ্গলের দিকে দৌড়াতে শুরু করল। কিন্তু একটু এগিয়ে ওরা দেখল গ্রাম থেকে কিছু মানুষ শাঁখ বাজাতে বাজাতে ওদের বাড়ির দিকে ছুটে আসছে।

    মানুষগুলো কাছে এল। এরা সকলেই ডিঙাডুবির বাসিন্দা। গ্রামবাসীদের দলের একজন শক্ত সমর্থ লোক হাঁফাতে হাঁফাতে এসে বলল, ‘বেহুলা মা, মহাপ্রলয় এসেছে। পীরের সেই কয়াম‍। তুমি বলেছিলে আমাদের চরম বিপদের সময় তোমার কাছে আসতে। আমরা তোমার কথা বিশ্বাস করে বাড়ি ঘর ছেড়ে এখানে ছুটে এসেছি। আমাদের বাঁচাও।’

    ‘আমি তোমাদের বাঁচাব। সকলে জিভকাটির ঢিপিতে চল। ওর ভিতরে যে খনার মন্দির আছে আমাদের সেখানে পৌঁছাতে হবে।’

    গ্রামবাসীরা প্রাণের দায়ে পড়িমরি করে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে লাগল জিভকাটির মন্দিরের দিকে। কেউ কখনো এত ভয়ঙ্কর ঝড় চোখে দেখেনি। সঙ্গে প্রবল বৃষ্টির ঝাপটা। দেখতে দেখতে যখন ঝড়ে তাদের ভিটের চালা, মাটি লেপা ছিটে বেড়ার দেওয়াল উড়ে যেতে শুরু করল, খড়ো-ঘরের মাথাল মড়মড় করে ভাঙতে শুরু করল তখন এরা বুঝল যে গ্রামের মহাপ্রলয়ের শেষদিন এসে গেছে, এখন তাদের প্রাণ সংশয়, বেহুলা বলেছিল বিপদে ওদের বাঁচাবে 1 বেহুলার ওপর অসীম বিশ্বাসে আজ প্রাণরক্ষার জন্য গ্রামের আতজন বেহুলার শরণাপন্ন হয়েছে।

    গ্রামবাসীরা প্রাণপণে দৌড়াতে লাগল জিভকাটির মন্দিরের দিকে। এবার নদীর দিক থেকে উড়ে আসতে লাগল ডিঙি, নৌকা, গোলপাতা ঘরের চালা, হাল, ভাঙা তাঁতঘরের মাকু, বাঁশ—সকলে ভয়ে চিৎকার করতে লাগল। কিন্তু হাওয়ার দাপট সেই চিৎকারকে ছাপিয়ে গর্জন করতে লাগল।

    ডিঙাডুবিতে যেন দক্ষযজ্ঞ চলছে। গোটা গ্রাম যেন রণক্ষেত্র। বাইরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে একটা ক্রুদ্ধ দানব যেন আকাশে ক্রোধে ফুঁসতে ফুঁসতে গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে আর পথে যা পাচ্ছে তা আকাশে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে ছুঁড়ে ছুঁড়ে যেদিকে খুশি আছড়ে ফেলছে।

    ঝড়ের প্রকোপ প্রবলভাবে বৃদ্ধি পেল। এমন সর্বনাশা করাল ঘাতক ঝড় বেহুলা জীবনে কখনো দেখেনি। বিদ্যাধরীর জল হঠাৎ ফুলে ফেঁপে কূলপ্লাবী ক্ষুধার্ত এক বিশাল দৈত্যের করালবদন বিস্তার করে পাড়ে বারবার এসে আছড়ে পড়তে লাগল। নদীর ঘাটে বাঁধা ছিপ, ডিঙি, ভেলা, সালতিগুলোর কাছি ছিঁড়ে আকাশে উড়িয়ে নিয়ে গ্রামে, মাঠে আছড়ে ফেলতে লাগল। ঠিক যেন আকাশ থেকে ডিঙির বর্ষণ হচ্ছে। এই ডিঙির বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য মানুষ এলোপাথাড়ি ছুটতে লাগল। কারোর বাচ্চা হারিয়ে গেল, কেউ নিজে ছুটতে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে মাটিতে পড়ে প্রাণভয়ে ছুটন্ত মানুষের পদদলিত হয়ে গেল। মানুষের আর্তনাদ, ঝড়ের ক্রুদ্ধ তর্জনগর্জন, উড়ে এসে আছড়ে পড়ে ভেঙে পড়া ডিঙির আওয়াজ আর তার সঙ্গে ভীষণ ত্রাসের সঞ্চার করে কূলপ্লাবী বিদ্যাধরী আজ ভয়ঙ্কর রুদ্ররূপে ডিঙাডুবি গ্রামের ওপর দিয়ে খরস্রোতে বইতে লাগল।

    গ্রামের যত ছেলে, বুড়ো, মেয়ে সকলে চেঁচাতে চেঁচাতে জিভকাটির মন্দিরের দিকে প্রাণপণে ছুটছে। কেউ কেউ পারল অতদূর পৌঁছাতে, আর যারা পারল না তারা বিদ্যাধরীর খরস্রোতে ভেসে গেল। বেহুলা ছুটে গিয়ে বচনপিসি আর গণককাকাকে জিভকাটির মন্দিরে ঢোকার ফাটল দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। দু’জনে ভিজে কাঁপছে। হুড়োহুড়ি করে গ্রামবাসীরা মন্দিরের ভিতর ঢুকতে লাগল। বেহুলা দেখল একজন বুড়িকে কাঁধে তুলে তার জোয়ান ছেলে ভিজে চুবুচুবু হয়ে ভিতরে ঢুকল। বুড়ি এই বিপদের মধ্যেও বকবক করে যাচ্ছে ‘ভগবানেরও বলিহারি ভাই, আর গাঁ পেলিনা নিজের দাপট দেখাবার জন্য? তবে ভগবান যেন আমার দামুর মতো ছেলে ঘরে ঘরে দেয়।’

    বেহুলা গলাটা চিনল। কুঁজো শান্তিপিসি। তাকে নিজের কাঁধে তুলে এতটা পথ ছুটে এসে অবশ্যম্ভাবী মৃত্যুর করাল গ্রাস থেকে বাঁচালো তার ছেলে দামু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    Next Article সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 23, 2026
    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }