Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ১২

    ১২

    সেলিনার ডিভোর্স হয়েছে মাস ছয়েক হলো। ডিভোর্সের সাথে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার কোনো সম্পর্ক আছে কী না কে জানে! এ বাড়ির প্রায় সবার সাথেই তার যখন তখন খটোমটো লেগে যায়। এই নিয়ে অন্যদের খুব একটা অভিযোগ না থাকলেও সেলিনার আছে। তার ধারণা সবাই ইচ্ছে করেই তার সাথে এমন করছে। যেহেতু তার ডিভোর্স হয়েছে, ফলে সবাই ভাবছে ঘাড়ে একটা উটকো আপদ এসে জুটেছে। এই আপদ যে করে হোক নামাতেই হবে। আর সেই নামানোর চেষ্টা হচ্ছে যখন তখন তার সাথে যাচ্ছেতাই আচরণ করা।

    আজ সকালেই যেমন দিপুর সাথে তার একচোট হয়ে গেল। ভাই-বোনের মধ্যে একমাত্র দিপুই তার চেয়ে ছোট। সে সকালে ইউনিভার্সিটতে যাচ্ছিল। সেলিনা বলল, ‘তুই শাহবাগের দিকে যাচ্ছিস?’

    দিপু বলল, ‘হু যাচ্ছি।’

    ‘তাহলে দশটা মিনিট একটু অপেক্ষা করবি?’

    ‘কেন?’

    ‘আমিও একটু ওইদিকে যাব। একসাথে গেলাম। আসলে আমার সাথে দুটো ব্যাগ থাকবেতো, তুই সাথে থাকলে একটু হেল্প হয়।

    দিপুর পক্ষে এই মুহূর্তে দশ মিনিট অপেক্ষা করা অসম্ভব। তার সকাল আটটায় টিএসসিতে থাকার কথা ছিল। এখন বাজে ৯টা। সে আজও ঘুম থেকে উঠতে দেরি করেছে। এই এক ঘণ্টায় সুমি কম করে হলেও কুড়িবার ফোন করেছে। ঘুম থেকে উঠে সে ফোন ধরে সুমিকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই হড়বড় করে বলল, ‘আর দশটা মিনিট। কী বিশ্রি জ্যাম রাস্তায়, উফ! এই শহরে মানুষ বাস করতে পারে! পারে, হ্যাঁ? তুমিই বলো? দেড় ঘণ্টা, পাক্কা দেড়টা ঘণ্টা আমি রাস্তায়। এই দেড় ঘণ্টায় মানুষ মোহাম্মদপুর থেকে সায়েন্স ল্যাব পৌঁছাতে পারে না। চিন্তা করো? চিন্তা করো তাহলে এই দেশের উন্নতি কেমনে হবে? অথচ দেড় ঘণ্টায় ঢাকা থেকে কাঠমাণ্ডু চলে যাওয়া যায়!’

    সুমি কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই ফোন কেটে দিয়েছে দিপু। এখন কিছু বলতে দেয়া যাবে না। ফোনও ধরা যাবে না আর। যতদ্রুত সম্ভব তাকে টিএসসি পৌঁছাতে হবে। সে মোবাইল ফোনের অ্যাপস থেকে মোটরবাইক ডেকেছে। দুয়েক মিনিটের মধ্যে বাইক চলে আসবে। এই মুহূর্তে কোনোভাবেই তার পক্ষে সেলিনার জন্য অপেক্ষা করা সম্ভব না। এক মিনিটও না। আর সেলিনার দশ মিনিট মানে ঘণ্টা পার। দিপু মিনমিন করে বলল, ‘তুই একটা উবার ডেকে চলে আয় আপা। আমার একটু তাড়া আছে।’

    ‘কীসের তাড়া তোর?’

    ‘আছে আপা। একটা জরুরি কাজ আছে।’

    ‘কী কাজ?’

    ‘কী কাজ সেটা শুনে তুই কী করবি?’

    ‘কী করব মানে? তুই কোথায় কী করে বেড়াচ্ছিস সেটা আমাকে জানতে হবে না?’

    দিপুর ভয়ানক মেজাজ খারাপ হচ্ছে। তার ইচ্ছে হচ্ছে সেলিনার মুখের ওপর শক্ত কিছু বলে দিতে। কিন্তু সে জানে, বলার সাথে সাথেই সেলিনা কান্নাকাটি করে একটা হুলুস্থুল বাঁধিয়ে ছাড়বে। আবোল তাবোল বকতে শুরু করবে। তারচেয়ে যতটা সম্ভব তাকে বুঝিয়ে বলাই ভালো। সে ঝট করে মিথ্যে বলে ফেলল, ‘আমার পরীক্ষা ছিল সকালে, আমি দেরি করে ফেলেছি আপা।’

    ‘কীসের পরীক্ষা তোর? আজ পরীক্ষা হলে গতরাতেতো তোর পড়াশোনা করার কথা ছিল। এ বাড়ি আসার পর কোনো দিনতো তোকে এক মিনিটের জন্যও বই ধরতে দেখলাম না। বড় হয়ে গেছিস না?’

    ‘আপা…’

    দিপুকে কথা শেষ করতে দিল না সেলিনা। সে একগুঁয়ে ভঙ্গিতে বলল, ‘কীসে পড়িস তুই? মাস্টার্সে? মাস্টার্সে পড়লেই কেউ বড় হয়ে যায় না। তোর বয়সেও মার হাতে রেগুলার মার খেয়েছি।’

    দিপুর মেজাজ রীতিমতো তিরিক্ষি হয়ে উঠেছে। তারপরও যতটা সম্ভব নিজেকে সংযত রেখেই সে বলল, ‘আপা, এসব নিয়ে পরে কথা বলি। এখন যাই?’

    সেলিনা কঠিন গলায় বলল, ‘না যাবি না। এখানে দাঁড়িয়ে থাকবি। আমি রেডি হয়ে আসছি।’

    সেলিনা রেডি হয়ে এসে দেখে দিপু নেই। সে দিপুকে ফোন করল। কিন্তু দিপু ফোন ধরলো না। সেলিনা ফোনের পর ফোন করতেই থাকল। রাগে তার দিশেহারা অবস্থা। আজ এর একটা বিহিত সে করেই ছাড়বে। কিন্তু তার রাগের সীমা- পরিসীমা পেরিয়ে গেল দিপুর ফোন বন্ধ পেয়ে। সে বারবার ফোন করছে বলে দিপু তার ফোন অফ করে রেখেছে! বিষয়টা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না সেলিনা। সে দুপুর পর্যন্ত একটানা ফোন করে গেল। রাগে তার মাথা ঝিমঝিম করছে। চোয়াল শক্ত হয়ে আছে। ভেতরে ভেতরে একটা জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি হয়ে আছে যেন সে। দিপু ফোন ধরা মাত্রই সেই আগ্নেয়গিরিতে বিস্ফোরণ ঘটবে। কিন্তু দিপুর ফোন আর খুলল না। সেলিনার এখন খুব কান্না পাচ্ছে। এই বাড়িতে সে এতটাই তুচ্ছ? এতটাই গুরুত্বহীন? অনাকাঙ্ক্ষিত?

    সেলিনার এই দিগন্তবিস্তৃত দুঃখ অসীম হয়ে গেল তার মা মছিদা বেগমের কথায়। মছিদা বেগম হন্তদন্ত হয়ে তার ঘরে ঢুকলেন। তারপর বললেন, ‘দিপুকে বললাম ফেরার সময় যেন আমার ওষুধগুলো নিয়ে আসে। কিন্তু প্রেসক্রিপশনটাতো পাচ্ছি না। তোর মোবাইলে না প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলা আছে? নামগুলো একটু বলবি?’

    সেলিনা বলল, ‘দিপুকে কই পেলে তুমি?’

    ‘কেন? ফোনে?’

    ‘কখন?’

    ‘এইতো এখনই। কেন, তোরও কিছু লাগবে?’

    সেলিনা হতভম্ব ভঙ্গিতে তার মায়ের হাত থেকে ফোনটা নিল। সে এতক্ষণ দিপুর যে নম্বরটি বন্ধ পাচ্ছিল, সেটিতেই মা দিপুর সাথে কথা বলছে। অথচ নিজের নম্বর থেকে দিপুর ফোন বন্ধ পাচ্ছে সেলিনা! তার মানে দিপু তার নম্বর ব্লক করে রেখেছে?

    সেলিনা হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করল। মছিদা বেগম অবাক গলায় বললেন, ‘কী হয়েছে তোর? এই শেলী, শেলী, হয়েছে কী, বল? এই…।’

    … সেলিনার কান্না আর থামলো না। সে তার মাকে ঠেলে ঘর থেকে বের করে দিল। তারপর দরজা বন্ধ করে দিয়ে বিছানায় মুখ গুঁজে সন্ধ্যা অবধি শুয়ে রইল।

    .

    এই পুরোটা সময় মছিদা বেগম তার দরজার পাশে বসে রইলেন। অনুনয় বিনয় করলেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না। সেলিনা দরজা খুলল না। সে মিহি স্বরে কাঁদতে লাগল। তার অভিশপ্ত জীবনকে শাপ-শাপান্ত করতে লাগল। মাগরিবের আজানের সময়ে সে সিদ্ধান্ত নিল, এ জীবন আর সে রাখবে না। ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করবে। সকলের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত, অভিশপ্ত এই জীবন থেকে সে মুক্তি পাবে।

    সেলিনার অবশ্য আত্মহত্যা করা হলো না। তাকে দরজা খোলাল মুনিয়া। এ বাড়িতে একমাত্র মুনিয়ার কথাই সে শোনে। অথচ সবচেয়ে বেশি অপছন্দও করে তাকে। কিন্তু সেটি সে মুনিয়ার সামনে প্রকাশ করতে পারে না। মুনিয়ার আচরণে কিছু একটা আছে, তাকে সরাসরি উপেক্ষা করা যায় না, অমান্য করা যায় না। অপছন্দ করলেও না। আচ্ছা, মুনিয়াকে অপছন্দ করার মতো কি কিছু আছে?

    এই প্রশ্নের উত্তর সেলিনা খুঁজেছে। কিন্তু খুঁজেও তেমন কিছু পায়নি। তার কেবল মনে হয়েছে, মুনিয়াকে সে সহ্য করতে পারে না। সে যখন হাসি হাসি মুখে মুনিয়ার সাথে কথা বলে, তখনো সে ভেতরে ভেতরে এক ধরনের প্রবল জিঘাংসা অনুভব করে। এই জিঘাংসার উৎস কোথায় কে জানে?

    বিষয়টা যে মুনিয়া বোঝে না তা নয়। সে সবই বোঝে। কিন্তু এগুলোকে সে পাত্তা দিতে চায় না। বেশির ভাগ সময় দেয়ও না। কিন্তু তার এই পাত্তা না দেয়াটাও সেলিনাকে আরো বেশি ক্রুদ্ধ করে তোলে। ভেতরে ভেতরে সারাক্ষণ সে ফুঁসতে থাকে। কিন্তু মুখোমুখি হলেই ভুবন ভোলানো হাসি হেসে মুনিয়াকে জড়িয়ে ধরে সে, ‘ভাবি, তুমি দিন দিন এত সুন্দর হচ্ছো কী করে, বলোতো!’

    মুনিয়া হাসে, ‘তোমার সাথে থাকতে থাকতে।

    ‘যাহ, আমি মোটেও তোমার মতো সুন্দর না।’

    ‘আমার মতো সুন্দর হতে যাবে কোন দুঃখে! তুমি আমার চেয়েও অনেক বেশি সুন্দর।’

    সেলিনা জানে, কথাটা ঠিক নয়। সে দেখতে মোটেও মুনিয়ার চেয়ে সুন্দর নয়। এই বয়সেও নিজেকে কী ফিট রেখেছে মুনিয়া। কম করে হলেও তার চেয়ে বছর দশেকের বড় হবে সে। অথচ এখনো রাস্তায় বের হলে সবাই আড় চোখে মুনিয়ার দিকেই তাকিয়ে থাকে। সেলিনার মাঝে মাঝে মনে হয়, মুনিয়া যে তার চেয়ে দেখতে বেশি সুন্দর, শুধু এই একটি কারণেই তাকে সে অপছন্দ করে। অবশ্য সেলিনার এই ভাবনা স্থির থাকে না। পরক্ষণেই অন্য কোনো ঘটনায় তার আবার মনে হয়, মুনিয়ার ব্যক্তিত্বকে সে অপছন্দ করে। যেভাবে মুনিয়া তার চারপাশের মানুষগুলোকে অবলীলায় নিয়ন্ত্রণ করে, সেটিকে সে অপছন্দ করে। অবচেতনেই নিজের সাথে তুলনা করতে থাকে। এটি তাকে ক্রমাগত আহত করে তোলে। হতাশাগ্রস্ত করে তোলে। সে আসলে কাউকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এমনকি নিজের স্বামীকেও না।

    মুনিয়া বলল, ‘তোমার কী হয়েছে সেলিনা?’

    সেলিনা বলল, ‘কিছু হয়নি ভাবি।’

    ‘তাহলে সেই বিকেল থেকে ওভাবে দরজা বন্ধ করে শুয়ে আছো কেন?’

    মাথাটা একটু ধরেছিল।’

    ‘মাথা ধরলে আজকাল কান্নাকাটি করো তুমি?’

    ‘আমি কেঁদেছি তোমাকে কে বলল?’

    ‘বলতে হবে কেন? তোমাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে।’

    ‘আমাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে আমি কান্নাকাটি করেছি?’

    ‘হুম।’

    ‘কীভাবে?’

    ‘তোমাকে খুব স্নিগ্ধ লাগছে। বাচ্চা বাচ্চা লাগছে। মনে হচ্ছে তোমার বয়স কমে গেছে।’

    ‘কাঁদলে স্নিগ্ধ লাগে?’

    ‘হুম, লাগে। সুন্দরও লাগে। অনেকক্ষণ কাঁদার পর মন খুব হালকা হয়ে যায়তো, তখন তার প্রভাব পড়ে শরীরেও।

    সেলিনা কিছু একটা বলতে গিয়েও পারল না। সে ভেবেছিল দিপুর বিষয়টি নিয়ে বাড়িতে একটা তুলকালাম বাঁধাবে সে, কিন্তু সেটি আর হলো না। মুনিয়া কেমন কেমন করে যেন তার বুক ভার কষ্টটা হাওয়ায় মিলিয়ে দিল। উত্তপ্ত পরিস্থিতিটা শান্ত করে ফেলল নিমেষেই। কিন্তু এই যে মুনিয়ার সবকিছু এত সহজ, স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বশ করে ফেলা, এই বিষয়টিই সে নিতে পারে না। নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হয় তার। খুব অকিঞ্চিৎকর মনে হয়। মনে হয় সবখানে সবচেয়ে সরবে নিজের উপস্থিতির সর্বোচ্চ জানান দেয়ার চেষ্টা করেও যেন কোথাও সে নেই। অথচ সবচেয়ে নীরবে, সবচেয়ে সাধারণ হয়ে থাকা মুনিয়া যেন সবখানে রয়ে যায় সবচেয়ে বেশি তীব্র হয়ে।

    .

    রাতে খাবার টেবিলে অনেকদিন পর সবাইকে পাওয়া গেল। আশফাক এ বাড়ির সবচেয়ে বড় ছেলে হলেও দায়িত্বের জায়গা থেকে সবচেয়ে ছোট জায়গাটাই যেন তার। অসুস্থ স্ত্রী হাফসা, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছোট মেয়ে নাদিয়া আর বিয়ে দিয়ে দেয়া বড় মেয়ে নাবিলার সকল দায়ভার ভুলে সে নিশ্চিন্তে যেখানে ইচ্ছে উধাও হয়ে যেতে পারে। আজ বহুদিন পরে তাকে খাবার টেবিলে পাওয়া গেল। তার স্ত্রী হাফসার শরীরটা খানিক ভালো আজ। ফলে আজ আর তার ঘরে খাবার পাঠানো হয়নি। নাদিয়া তার মাকে ধরে নিয়ে এসেছে।

    খাবার টেবিলে এসে আফজাল আহমেদের মন ভালো হয়ে গেল। বহুদিন পর টেবিলের চারপাশের সবগুলো চেয়ারই যেন আলো ছড়াচ্ছে। তিনি ঝলমলে গলায় বললেন, ‘রুবেলটা কী চিটাগং থেকে আর ফিরবে না?’

    রুবেল তার সেজো ছেলে। সে এখনো বিয়ে-শাদি করেনি। করবে বলে মনেও হচ্ছে না। চট্টগ্রাম শিপইয়ার্ড থেকে জাহাজের পুরনো মালামাল, আসবাবপত্র এনে সে বিক্রি করে। এই পুরনো মালামাল বিক্রির একটা দোকানও তার রয়েছে। পড়াশোনায় খুব একটা আগ্রহ ছিল না বলে রুবেলের এই ব্যবসাপাতি নিয়ে কখনো কোন অভিযোগও করেননি আফজাল আহমেদ। ব্যবসায় তার কী লাভ-লোকসান হচ্ছে, তা নিয়েও কখনো মাথা ঘামান নি। তবে আজকাল যে একটু আধটু দুশ্চিন্তা হয় না আফজাল আহমেদের, তা নয়। রুবেলের বয়সতো কম হয়নি। বোধহয় চল্লিশও পেরিয়ে গেছে। এই বয়সেও যদি বিয়ে-শাদি করে থিতু না হয়, তাহলে সেটি দুশ্চিন্তারই।

    জাফর বলল, ‘ও তো ফোনই ধরে না বাবা।’

    ‘সে তো আমাদেরটাও ধরে না! মানুষ যদি পরিবারের প্রতিই রেসপন্সিবিলিটি ফিল না করে, তাহলে আর তার থাকে কী?’ কথাটা বলতে বলতে তিনি আড় চোখে তার বড় ছেলে আশফাকের দিকে তাকালেন। আশফাক খালি প্লেট সামনে নিয়ে চুপচাপ বসে আছেন। এখনো টেবিলে খাবার দেয়া হয়নি। মুনিয়া আর সেলিনাকেও কোথাও দেখা যাচ্ছে না। তবে তাদের চেয়ারের সামনে টেবিলে খালি প্লেট রাখা। তার মানে তারা আশপাশেই কোথাও আছে। কাজের মেয়ে দুটো খুবই ব্যস্ত। আজ বাড়িতে কোনো বিশেষ দিন নাকি? আফজাল আহমেদ মনে করার চেষ্টা করেও পারলেন না। তিনি আশফাককে লক্ষ্য করে বললেন, ‘আর তোর কী খবর? আজ এতদিন পর হঠাৎ কোথা থেকে উদয় হলি তুই? তাও এই ভর সন্ধ্যাবেলা?’

    আশফাক অবশ্য জবাব দিলেন না। তার হয়ে উত্তর দিল নাদিয়া। সে ফিক করে হেসে বলল, ‘এখন ভর সন্ধ্যা দাদাজান? রাত প্রায় এগারোটা বাজে।’

    ‘সেটা আমাদের কাছে। ওর কাছেতো নয়। ওর কাছে এখন ভর সন্ধ্যাই। রাত একটা দুটার আগেতো তাকে কখনো বাড়ি ফিরতে দেখিনি।’

    ‘আজ কেন ফিরেছে জানো?’

    ‘কেন?’

    এই মুহূর্তে ঋদ্ধি ঘরে ঢুকল। তার হাতে বড়োসড়ো একটা ছবির ফ্রেম। ফ্রেমটা ওল্টানো বলে ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটা দেখা যাচ্ছে না। সে আড়াআড়িভাবে ছবিটা তার বুকের কাছে ধরে রেখেছে। ঋদ্ধির মুখ গম্ভীর। এই গাম্ভীর্য ধরে রাখতে অবশ্য তাকে পরিশ্রম করতে হয়েছে। সে আফজাল আহমেদের সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলল, ‘তুমি কী অন্ধকারে চোখে দেখতে পারো দাদাজান?’

    আফজাল আহমেদ ভারি অবাক হলেন, ‘অন্ধকারে দেখব কী করে?’

    ‘মন দিয়ে।’

    ‘মন দিয়ে আবার দেখা যায় নাকিরে!’

    ‘হ্যাঁ যায়।’

    ‘কীভাবে?’

    ‘দাঁড়াও দেখাচ্ছি…।’ ঋদ্ধি আর কিছু বলার আগেই ঘরের ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল। আর সাথে সাথেই ঋদ্ধি ফিসফিস করে বলল, ‘এবার মন দিয়ে আমাদের দেখতে পাও দাদাজান?’

    আফজাল আহমেদ কিছুই বুঝলেন না। অন্ধকারে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া মানুষগুলো যেন জেগে উঠল। সমবেত ফিসফিসানি, চাপা অস্থিরতা আর কতগুলো মানুষের এলোমেলো পায়ের শব্দে পুরো ঘরজুড়ে কেমন একটা অদ্ভুত ভৌতিক আবহ তৈরি হলো। আফজাল আহমেদ বিভ্রান্ত, দ্বিধাগ্রস্ত বোধ করছেন। তিনি তার পাশে বসা মছিদা বেগমের হাতটা শক্ত করে ধরলেন। তারপর নিচু গলায় বললেন ‘ঘটনা কী বলোতো? কী হয়েছে?’

    মছিদা বেগম তার কথার জবাব দিলেন না। তবে তিনি তার হাতের মুঠোয় শক্ত করে আফজাল আহমেদের হাতখানা নিয়ে নিলেন। আফজাল আহমেদ আরো কিছু বলতে যাবেন, ঠিক সেই মুহূর্তে লাল-নীল আলোর ঝলকে রঙিন হয়ে উঠল ঘর। এইটুকু ঘরের ভেতরও আঁতশবাজির মতো কী যেন একটা ছড়িয়ে পড়তে লাগল। তারপর একসাথে জ্বলে উঠল সবগুলো আলো। ঝলমলে ঝাঁজালো সেই আলোয় নিজের চোখ মানিয়ে নিতে খানিক সময় লাগল আফজাল আহমেদের। কিন্তু তারপর সবকিছু ক্রমশই স্পষ্ট হয়ে উঠতে লাগল। ঝকঝকে পরিষ্কার ছবির মতো স্পষ্ট। আর তারপর আবার সব ঝাপসা হয়ে যেতে লাগল। জলে ভেজা আয়নার মতো ঝাপসা, অস্পষ্ট। কারণ আফজাল আহমেদের চোখভর্তিও জল। তিনি তার জল টলমল চোখে সেই ঝলমলে রঙিন উজ্জ্বল আলোয় দেখলেন ঘরের এক পাশের দেয়ালে বড় করে তার আর মছিদা বেগমের একটা ছবি টানানো। আর সেই ছবির সামনে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে এ বাড়ির সবাই। আশফাক, জাফর, সেলিনা, দিপু, মুনিয়া, হাফসা, নাদিয়া, ঋদ্ধি! দরজার কাছে পর্দার আড়ালেও কী কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে? কে সে? রুবেল? ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি পরা রুবেলকে এতদিন পর দেখে কেমন অচেনা লাগছে। মুখভর্তি দাড়ি তার। গায়ের রং কেমন মলিন হয়ে গেছে। চোখ বসে গেছে কোটরে। সে দাঁড়িয়ে আছে দরজার কাছে! আফজাল আহমেদের বুক কাঁপছে। ঋদ্ধি খানিক এগিয়ে এসে তার হাতে থাকা ছবির ফ্রেমটা আফজাল আহমেদের হাতে তুলে দিয়ে বলল, ‘দেখো।’

    আফজাল আহমেদ দেখলেন। প্রায় তার কাছাকাছি চেহারার একজন মানুষ ছবিটাতে। হাতে আকা ছবি। ছবির নিচে ঋদ্ধির নাম লেখা আছে। ঋদ্ধি নিজে এঁকেছে এই ছবি! কতদিন লেগেছে তার এই ছবি আকতে? গত মাসখানেক ধরে সম্ভবত এ কারণেই স্কুল থেকে ফেরার পর খদ্ধির আর দেখা পাওয়া যেত না। আফজাল আহমেদের এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না। তিনি এক হাতে ঋদ্ধিকে কাছে টেনে নিলেন। আজ তার জন্মদিন? কততম জন্মদিন? কিছুদিন আগেই না তিনি সত্তর পেরোলেন? গতবছর অবশ্য সবাই তার জন্মদিনের কথা ভুলেই গিয়েছিল। যদিও আফজাল আহমেদ নিজেও এখন আর এসব মনে রাখেন না। কিন্তু আজ এরা সব করেছে কী! তিনি কাঁদছেন। ঋদ্ধি তার হাতের উল্টো পিঠে দাদাজানের চোখ মুছিয়ে দিতে দিতে বলল, ‘দেখেছো, ছবিটার নিচে কী লেখা আছে?’

    ‘কী?’

    ‘এই যে দেখো, নিভে গেলে আলো, জ্বেলে দেই মন। কথাটা সুন্দর না?’

    ‘খুব সুন্দর। কে লিখেছে তুই?’

    ‘উহু। রাফি ভাইয়া।’

    ‘রাফি ভাইয়া কে?’

    ‘দিপু চাচ্চুর ইউনিভার্সিটির বন্ধু।’

    ‘দিপু চাচ্চুর বন্ধু তোর ভাইয়া হয়?’ পেছন থেকে টিপ্পনি কাটল নাদিয়া। ঘরভর্তি সবাই হা হা করে হেসে উঠল। আচমকা অপ্রস্তুত হয়ে যাওয়া ঋদ্ধি অভিমানী গলায় বলল, দিপু চাচ্চুর ফ্রেন্ড হলেও উনি রথিরও বড় ভাই। আর রথিতো আমার ক্লাসমেট। তাহলে আমার বন্ধুর বড় ভাইকে কি আমি আঙ্কেল ডাকব?’

    গুরুতর প্রশ্ন। তার এই প্রশ্নে একমত হলেন আফজাল আহমেদ। তিনি গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘না না, সেটা কোনোভাবেই ঠিক হতো না। তা ছাড়া…।’

    এ প্রসঙ্গে কথা হয়তো আরো বাড়ত। কিন্তু তার আগেই সবাইকে তাড়া দিল মুনিয়া, ‘আজ আমি আর সেলিনা রান্না করেছি বাবা। বেশি দেরি হয়ে গেলে খাবার ঠাণ্ডা হয়ে মজাটাই নষ্ট হয়ে যাবে। সেটাতো হতে দেয়া যাবে না। এখুনি খাওয়া শুরু করতে হবে। আমার ধারণা খাওয়ার পর সবাই বলবে আমাদের দু’জনের একটা রেস্টুরেন্ট দিয়ে দেয়া উচিত।’

    ‘এত বাজে হয়েছে খাবার?’ দরজার পাশ থেকে বলল রুবেল।

    মুনিয়া বলল, ‘উহু। এতটাই ভালো হয়েছে।’

    ‘রেস্টুরেন্টের খাবার আবার ভালো হয় নাকি? সব রেস্টুরেন্টেতো বরং লেখা দেখি সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে ঘরোয়া খাবারের স্বাদ! হা হা হা।’ রুবেলের হাসির সাথে যোগ দিল বাদবাকিরাও।

    বহুদিন পর অদ্ভুত সুন্দর একটা রাত কেটে গেল এ বাড়িতে। রাতে ঘুমাতে গিয়ে আফজাল আহমেদের মনে হলো এমন একটা আলো ঝলমলে পরিবারই তিনি চেয়েছিলেন। বড় মেয়ে লাইজুর জন্য অবশ্য মনটা কেমন করছিল। শেষ পর্যন্ত তার সাথে ভিডিও কলে কথা হলো সবার। আফজাল আহমেদ গায়ের ওপর পাতলা কাঁথাটা টেনে দিতে দিতে বললেন, ‘দেখলে? মেজো বৌমা কেমন জাদুর মতো সব করে ফেলল!’

    ‘কী করে ফেলল?’ অন্ধকারে নিষ্প্রাণ গলায় জবাব দিলেন মছিদা বেগম।

    ‘এই যে কেমন কেমন করে সবাইকে একসাথে করে ফেলল! অন্য কেউ হলে মোটেও পারত না। তখন এটা সেটা বলে অজুহাত দেখিয়ে সবাই কেটে পড়ত।’

    ‘হুম।

    ‘কী হলো তোমার? শরীর খারাপ লাগছে?’

    ‘নাহ।’

    ‘তাহলে?’

    ‘তাহলে কী?’

    ‘এভাবে কথা বলছ কেন?’

    মুনিয়ার কোনো একটা সমস্যা চলছে।’

    মুনিয়ার? মানে মেজো বৌমার?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কী সমস্যা?’

    ‘তাতো জানি না। আমার কেন যেন মনে হলো, সে পরিকল্পনা করেই এই আয়োজনটা করেছে।’

    আফজাল আহমেদ হাসলেন, ‘পরিকল্পনা না করে কি এটা সম্ভব ছিল? কী যে বলো তুমি!’ যেন শিশুসুলভ কোনো কথা বলেছেন মছিদা বেগম, এমন ভঙ্গিতে হাসলেন তিনি। তারপর বললেন, ‘আগেভাগে পরিকল্পনা না করলে এতগুলো মানুষ কখনো এভাবে একসাথে হতো!’

    ‘উহু। তা না। অন্য কোনো বিষয় আছে। সে সবাইকে ব্যস্ত রাখতে চাইছে। কোনো একটা ব্যাপার থেকে সবার মনোযোগ সরিয়ে দিতে চাইছে।’

    ‘কী সব আবোল তাবোল বলছো তুমি? মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোমার? ‘আমার মাথা খারাপ হয়নি। বুড়ো বয়সে এত বড় জন্মদিনের পার্টি দেখে তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ‘

    মছিদা বেগমের কথায় আফজাল আহমেদ খুবই বিরক্ত হলেন। তিনি গজগজ করতে করতে পাশ ফিরে শুলেন, ‘এই হলো তোমার এক সমস্যা। সেই প্রথম থেকেই মেয়েটাকে সহ্য করতে পারো না তুমি। এ বাড়ির জন্য কত কী করছে মেয়েটা! একা হাতে সবকিছু সামলাচ্ছে। এ বাড়ির কারো কোনোকিছু নিয়ে কোনো টেনশন আছে? তারপরও তাকে দুই চোখে দেখতে পারো না তুমি। সাথে যুক্ত হয়েছে সেলিনা। দুজন মিলে কী সব ভাবছো কে জানে!’

    মছিদা বেগম বলল, ‘মেয়ে মানুষদের বোঝা পুরুষ মানুষের কাজ না। ওটা মেয়ে মানুষই ভালো পারে। আর তুমিতো জীবনে কখনোই কিছু বুঝলে না। এত বছর হয়ে গেল, ঋদ্ধির বয়স এখন চৌদ্দ, আরেকটা বাচ্চা নেয়া যেত না? নেয়নি। কেন নেয়নি সে? তার শরীর, ফিগার, সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে বলে? সৌন্দর্য বড়, না বাচ্চাকাচ্চা বড়?’

    ‘ছি ছি ছি। এসব কী বলছো তুমি?’

    ‘ঠিকই বলছি। জাফরের দিকে তাকিয়ে দেখেছো কখনো? সন্তানের বাবা হয়েইতো তুমি খালাস। ছেলে-মেয়ের কোনো সমস্যার দিকে কখনো খেয়াল রেখেছো তুমি? জাফরের সাথে যে মুনিয়ার কোনো সম্পর্ক নাই, এটা টের পাও?’

    আফজাল আহমেদের এবার বিরক্ত লাগছে। তিনি বললেন, ‘মাঝরাতে আর আজেবাজে বকো না প্লিজ। তারচেয়ে ঘুমাও।’

    ‘আমি আজেবাজে বকছি না। প্রায়ই মাঝরাতে মুনিয়া এক ছেলের সাথে ফোনে কথা বলে। সেই ছেলে বাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকে।

    ‘কী বলছো তুমি মছিদা! ‘

    ‘হুম।’

    ‘এই কথা কে বলেছে তোমাকে? তুমি নিজ চোখে দেখেছো?’

    ‘নিজ চোখে দেখতে হবে কেন? যে দেখেছে, সেই আমাকে বলেছে।’

    ‘কে দেখেছে? তোমার গুণবতী কন্যা সেলিনা? সে তোমাকে বলেছে?’

    মছিদা বেগম এবার আর জবাব দিলেন না। আফজাল আহমেদ বললেন, তুমি দয়া করে আর কখনো এসব কথা আমাকে বলবে না। আর যতদ্রুত সম্ভব সেলিনার একটা ব্যবস্থা করো।’

    ‘আমি কী ব্যবস্থা করব? মেয়ে কি একা আমার? তোমার কোনো দায়িত্ব নেই?’

    ‘আমিতো দায়িত্ব নিয়েই বিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু সেই বিয়ে সে টেকাতে পারল?’

    ‘বিয়ে না টেকাতে পারার দোষ একা তার না। তুমি বাবা হয়ে কেবল মেয়ের দোষটাই দেখছো?’

    ‘আমি তোমাদের মতো জোর করে কারো দোষ-গুণ দেখি না। যেটা সত্যি, শুধু সেটাই দেখি।’

    ‘আহারে! তো এবার তোমার মতো একটা খাঁটি মাটির মানুষ দেখে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করো।’

    ‘আমি বললেইতো আর সে ঝট করে রাজি হয়ে যাবে না। এ বাড়িতে আমার কথা কেউ শোনে? কারো কাছে আমার কোনো গুরুত্ব আছে?’

    ‘কারো কাছে তোমার কোনো গুরুত্ব না থাকলে আজ রাতে হঠাৎ এতোকিছু কেন হলো? অন্য কোনো কারণ আছে?’

    আফজাল আহমেদ আর কথা বাড়ালেন না। তিনি অসাধারণ এক অনুভূতিতে তিক্ত একপোঁচ অস্বস্তি নিয়ে ঘুমাতে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }