Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৩৬

    ৩৬

    মুনিয়াকে চমকে দিয়ে পরদিন সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে হাজির হলো জাফর। সে সরাসরি অফিস থেকে এসেছে। সাদা শার্টের হাতা গোটানো ঘর্মাক্ত ক্লান্ত জাফরকে দেখে বহুকাল পর কেমন অদ্ভুত এক অনুভূতি হলো মুনিয়ার। জাফর নির্বিকার ভঙ্গিতে বলল, ‘তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও।’

    ‘রেডি হয়ে নাও মানে?’

    ‘রেডি হয়ে নাও মানে বাড়ি যেতে হবে। আজ আমার গাড়িও ছেড়ে দিতে হবে। ড্রাইভার ছুটিতে যাবে। বেশিক্ষণ দেরি করা যাবে না।’

    মুনিয়া জাফরের ভাবভঙ্গি কিছু বুঝছে না। তার আচরণে ভারি অবাক লাগছে। সে বলল, ‘তুমি এভাবে বললেই আমি তোমার সাথে চলে যাব, এটা কীভাবে ভাবলে?’

    ‘তাহলে কীভাবে বললে যাবে?’

    ‘কোনোভাবে বললেই যাব না।’

    ‘তাড়াতাড়ি করো প্লিজ। ড্রাইভার বসে আছে। ওকে ছেড়ে দিতে হবে। আর আমার শরীরটাও ভালো লাগছে না। চলো চলো।’

    জাফরের গলার স্বর যেন নিশ্চিন্ত। যেন সে জানে, মুনিয়া তাকে উপেক্ষা করতে পারবে না। জাফরের এই ভঙ্গিটা কি মুনিয়ার ভালো লাগছে? এই আত্মবিশ্বাসী, এই কর্তৃত্বপরায়ণ ভঙ্গি? যেন মুনিয়ার ওপর কী প্রবল অধিকার তার। মুনিয়া না চাইতেও বিষয়টা একটু বেশিই ভালো লাগছে তার। মনে মনে খানিক অবাকও হলো সে। শেষ কবে জাফরকে দেখে এমন অনুভূতি হয়েছিল জানেনা মুনিয়া।

    নিজেকে হঠাৎ খুব স্বার্থপর আর দ্বিচারী মনে হতে লাগল তার। হয়তো শেষ কদিনে রাফির কথাগুলো তাকে সমূলে নাড়িয়ে দিয়েছে। হয়তো ওই সম্পর্কটাতে নিজের অস্তিত্ব সংকটের শুরুটাও টের পেতে শুরু করেছে সে। আর এসব কারণেই কি অবচেতনেই ঘরে ফিরতে চাইছে সে? দিনশেষে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত প্রতিটি মানুষ যেমন ঘরে ফেরে? তবে কি জাফরই তার ঘর? তাহলে রাফি কী?

    এতকাল পরও জীবন যে এমন অনির্বচনীয় উপলব্ধি নিয়ে এভাবে সামনে এসে দাঁড়াবে কে জানত! মুনিয়া ভাবেনি জাফর তাকে নিতে আসতে পারে। বা আসলেও সেটি তার কাছে আলাদা কোনো অর্থ বহন করবে বলে সে ভাবেনি। কিন্তু জাফরের এই আসাটুকু অদ্ভুত এক ভালোলাগা হয়ে তার বুকের বাঁ পাশে লেপ্টে রইলো। আচ্ছা, এই অনুভূতিটুকুও কি শারীরিক? এখানে শরীর কোথায়? এটা মোটেও শরীরী অনুভব নয়। কিন্তু রাফির কথাগুলোও মাথা থেকে তাড়াতে পারছে না সে, পুরোপুরি অস্বীকারও করতে পারছে না। তবে নানা ঘটনা, নানান সম্পর্ক, সম্পর্কের অলিগলিগুলো যেন মুহুর্মুহু তাকে ভাবাতে লাগল। জাফর কি এই এতদিন তার অনুপস্থিতি একটুও অনুভব করেছে?

    মুনিয়া রাতেই বাড়ি ফিরল। কিন্তু বাড়ি ফিরে খানিক আগের সেই ভালোলাগার অনুভূতির অনেকটাই যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। জাফর তাকে আনতে গিয়েছিল ভালোবেসে কিংবা তার অনুপস্থিতি অনুভব করে নয়। সে তাকে আনতে গিয়েছিল অন্য কারণে। বাড়িতে তখন তুমুল কুরুক্ষেত্র। অথচ সে কীনা জাফরকে দেখেই কত কিছু ভাবল, কত কী অনুভব করল। এত বোকা কেন সে! এমনতো নয় যে সে জানেনা, এ বাড়িতে কারো প্রিয়জন নয়, কেবলই প্রয়োজন সে। তাহলে জাফরকে দেখেই অমন বেহায়ার মতো কেন চলে এলো? ভেতরে ভেতরে জাফরের ভালোবাসার জন্যও এতটাই কাঙাল হয়েছিল সে! এই ভাবনাগুলো মুনিয়াকে স্বস্তি দিচ্ছিল না। তবে সেগুলো গুছিয়ে ভাবার সময়ও পেল না।

    বাড়িতে মোটামুটি যুদ্ধাবস্থা। গতকাল সন্ধ্যায় রুবেল এসে হাজির হয়েছে। তার সাথে লাল শাড়ি পরা এক মেয়ে। সেই মেয়ে এসে লাজুক ভঙ্গিতে আফজাল আহমেদের পা ছুঁয়ে সালাম করল। একদম টিভি সিনেমার দৃশ্যের মতো রুবেলও মিনমিন করে বলল, ‘তোমাদের বউমা বাবা। ‘

    ‘আমাদের বউমা মানে?’

    ‘হুট করেই বিয়েটা করে ফেললাম। কাউকে কিছু জানাতে পারিনি।’

    আফজাল আহমেদ একবার ভেবেছিলেন একটু রাগ-টাগ করবেন কিন্তু মছিদা বেগম তাকে চোখের ইশারায় জানালেন, রুবেল যে বিয়ে করেছে এতেই তিনি খুশি। এই নিয়ে রাগ বা ক্ষোভের কিছু নেই। বাড়িতে ছোটখাটো একটা হুলুস্থুল লেগে গেলেও এই বিয়ে নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাল সেলিনা। সে তার মাকে আড়ালে টেনে নিয়ে গিয়ে বলল, ‘বিয়ে যে করছে, রাতে থাকবে কই?’

    ‘রাতে থাকবে কই মানে? তোর ঘরে থাকবে।’

    ‘আমার ঘরে কেন থাকবে? আর আমার ঘরে থাকলে আমি থাকব কই?’

    ‘তুই দিপুর ঘরে থাকবি।’

    ‘তাহলে দিপু কই থাকবে?’

    ‘দুয়েক রাত ড্রইংরুমে শোবে। তারপর ওরা চলে গেলে তখন আবার যার যার ঘরে সে সে থাকবি। যা এখন দিপুকে বল কিছু ফুল-টুল এনে তোর ঘরটা সাজাতে।’

    ‘মা!’ প্রায় চিৎকার করে উঠল সেলিনা। ‘এরা যে দুয়েকদিন থাকবে তোমাকে বলেছে?’

    ‘বলতে হবে কেন? রুবেল কি আর ঘরে থাকার ছেলে?’

    বিয়ে করলে প্রথম প্রথম সব ছেলেই ঘরের ছেলে হয়ে যায় মা।’

    ‘হলে হবে, সমস্যা কী? তুই তো দিপুর ঘরেই থাকছিস।’

    ‘ওই অতটুকু ঘরে আমি থাকতে পারব না মা। আর ওই ঘর কি মানুষের বসবাসযোগ্য আছে? ওটাতো আস্ত এক গোয়ালঘর।’

    ‘কটা দিন একটু কষ্ট কর। দেখবি, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    ‘আমি পারব না মা। আর তারপর যদি দেখো, এরা পার্মানেন্টলি এখানে থেকে যাচ্ছে, তখন কী করবে?’

    ‘শুধু শুধু ঝামেলা করছিস। যদি থাকেও বউ থাকবে। রুবেলতো আর থাকবে না। ওর বাইরে বাইরে কাজ। তুই তখন বউর সাথে থাকলি!’

    মছিদা বেগমের কথা শুনে সেলিনা হাঁ হয়ে রইলো। তার বিশ্বাস হচ্ছে না তার মা তাকে এমন কথা বলতে পারে। সে বলল, ‘তোমার মাথা ঠিক আছে মা?’

    ‘আমার মাথা ঠিকই আছে, তোদের মাথা ঠিক নেই। আমি যখন প্রথম তোর বাবার বাড়িতে আসি তখন তাদের দুই রুমের বাসা। সেই বাসায় লোক থাকে ছয় জন…।’

    ‘এইসব পুরনো কাসুন্দি আমাকে শোনাবে না মা। আমি আমার রুম কাউকে দেব না। মরে গেলেও না। আমি এক্ষুনি গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ছি।

    সেলিনা গেলও। তবে সেই রাতের জন্য অনেক অনুনয় বিনয় করে তাকে রাজি করানো গেল। কিন্তু পরের সারাটাদিন এই নিয়ে মছিদা বেগমের সাথে সেলিনার তুমুল বাগবিতন্ডা হয়ে গেল।

    বিকেলে রুবেল বলল, ‘মা, তুলিদের বাড়ি থেকেতো দুয়েকজন মেহমান আসতে চাইছে। তারা কোথায় তাদের মেয়ে বিয়ে দিয়েছে, সেটা তারা দেখতে শুনতে চায়। এমনিতেইতো জামাই বুড়া। তারপর বংশ-পরিচয় কিছু না জেনেই মেয়ে দিয়ে দিয়েছে। এখন যদি দেখে জামাই ঠেলাওয়ালা, তাহলেতো বিপদ। হা হা হা।’

    রুবেলকে কখনো এভাবে হাসতে দেখেননি মছিদা বেগম। তিনি ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘কবে আসবে?’

    ‘আগামী সপ্তাহে।’

    ‘ওহ। তুই তাইলে একদিন আগেই চলে আসবি। বাজার সদায়তো করতে হবে।’

    ‘কোত্থেকে চলে আসব?’

    ‘কাজে থেকে। কাজে যাবি না তুই?’

    ‘না মা। তুলি আমাকে স্পষ্ট বলে দিয়েছে, আগামী একমাস নো কাজ কর্ম। ও ঘর সাজাবে। তোমাদের ঘরও সাজাবে। ড্রইংরুমের জন্য কী কী কিনবে, তার লিস্টও করেছে। আমরা আপাতত কয়েকদিন ঘুরে ঘুরে বাজার করব।’

    মছিদা বেগমের এতক্ষণে মনে পড়ল বউয়ের নাম তুলি। তিনি আর কিছু বললেন না। দুদিনেই ছেলের পরিবর্তন দেখে তিনি মোটামুটি হতভম্ব। তারপরও রুবেল যে শেষ পর্যন্ত বিয়েটা করেছে, এটা ভেবেই তিনি খুশি। তিনি মেয়ের বিষয়ে টুকটাক কথাও বলেছেন। রুবেলের সাথে তুলির পরিচয় পুরনো ফার্নিচার কিনতে গিয়ে। তুলিরা থাকত উত্তরা। সেখান থেকে তারা চলে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ। যাওয়ার আগে বাসার পুরনো ফার্নিচারগুলো তারা বিক্রি করে দিতে চায়। সেই ফার্নিচার দেখতে গিয়েই তুলির সাথে রুবেলের পরিচয়। প্রেমের বিষয়টা অবশ্য কীভাবে কী হয়ে গেল, রুবেল তা জানে না। তবে তুলি মেয়ে ভালো। সে ডিগ্রী পড়ে। দেখতেও মোটামুটি ভালো। তার বাবা থাকে সৌদি আরব। ভাই-বোনদের মধ্যে সেই বড়। তার ছোট দুই ভাই রয়েছে। সেই দুই ভাইয়ের অত্যাচারে সবাই অতিষ্ট। বড় বোনের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তারা খুবই একা বোধ করছে। দুই ভাই একসাথে বায়না ধরেছে, তাদের দুজনকে বোনের বাড়িতে রেখে আসতে হবে। তারা বড় বোনের বাসায় থেকেই পড়াশোনা করবে।

    দিন গড়ানোর সাথে সাথেই বাড়ির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল। সেলিনা বারকয়েক রান্নাঘরে এসে মায়ের সাথে চোটপাট করে গেল। মছিদা বেগম কিছু বললেন না। বলার অবশ্য কিছু নেইও তার। যে সমস্যা শুরু হয়েছে, তার সমাধান তিনি জানেন না। এই বাড়িতে এই সমস্যার একমাত্র সমাধান যে করতে পারতো সেও বাড়িতে নেই। সুতরাং চুপ করে থাকা ছাড়া আর উপায় কী? দুপুর নাগাদ সেলিনা মোটামুটি অনশন করে বসল। শুধু যে অনশনই করে বসল, তাই নয়। সে রান্নাঘরে ঢুকে মুরগির মাংসের হাড়ির ভেতর পানি ঢেলে দিল। মছিদা বেগম হায় হায় করে তেড়ে এলেও কোনো লাভ হলো না।

    সেলিনা কঠিন চোখে তাকিয়ে বলল, ‘এখনতো কেবল মুরগির হাড়িতে পানি ঢেলেছি। এরপর ঢালবো পোলাও কোর্মার হাড়িতে। এক বয়াম লবণ সব ঢেলে রেখে দেব। দেখব আমাকে ঘর থেকে বের করে এ বাড়িতে কে শান্তিতে থাকে।’

    মছিদা বেগম খানিক শক্ত হলেন, ‘তোর বয়স হয়েছে না শেলী? বয়স হলে মানুষের বিচার বুদ্ধি বাড়ে, আর তোর বিচার বুদ্ধি দেখি দিনদিন কমছে। ঘটনা কী?’

    ‘ঘটনা হচ্ছে আমি মেয়ে খারাপ। তুমি খারাপ মেয়ে পেটে ধরেছো, এইতো বলবে? বলো, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’

    ‘যায় আসে না মানে? এই বাড়িতে নতুন একটা বউ এসেছে, তোর আপন ভাইয়ের বউ। তার প্রতি তোর কোনো দায় দায়িত্ব নেই?’

    ‘এই বাড়িতে আমিও একটা মেয়ে এসেছি। ডিভোর্সড হয়ে এসেছি। রুবেলের আপন মায়ের পেটের বোন। সেই বোনের প্রতি তার কোনো দায় দায়িত্ব নেই? সে সেই দায় দায়িত্ব কিছু পালন করেছে? জীবনে কোনোদিন আমাকে একটা ফোন করেছে? জিজ্ঞেস করেছে, আমি কেমন আছি, কী অবস্থায় আছি?’

    ‘সবাই কি একরকম হয়? ও ছোটবেলা থেকেই একটু আলাভোলা। সাংসারিক জ্ঞানবুদ্ধি একটু কম তার। এতকিছু সে বোঝে না।’

    ‘আহালে, আমাল দুই দিনেল বাচ্চা।’ সেলিনা ব্যাঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে বলল। ‘সে কিছুই বোঝে না, আর বিয়ে করার এক দিনের মাথায় সব বুঝে গেল! বউয়ের প্রতি কী দায়িত্ব, বউয়ের সংসারের প্রতি কী দায়িত্ব, সব?’

    সেলিনার সাথে বেশিক্ষণ কথা চালানো সম্ভব না। মছিদা বেগমের নিজেরও এখন ভয় হচ্ছে। এই ভর দুপুরেই সে এই অবস্থা করছে। রাত হলে না জানি নতুন বউয়ের সামনে কী অঘটন ঘটিয়ে ফেলে। তিনি ফোন করলেন জাফরকে, ‘জাফর, যে করেই হোক মেজো বউকে সাথে নিয়ে আজ বাড়ি ফিরবি।’

    জাফর রাজ্যের কাজে ডুবে ছিল। সে বলল, ‘মেজো বউ কে?’

    মছিদা বেগম হতাশ গলায় বললেন, ‘মুনিয়া। মুনিয়াকে নিয়ে বাড়ি ফিরবি।’

    ‘কেন?’

    ‘কেন টেন আমি বলতে পারব না। আমার কলিজাটা কালা করে দিছিস তোরা সবাই মিলে। যেমন বাপ, তেমন তার ছেলে- মেয়ে। ইচ্ছে হয়, যেদিকে দু চোখ যায়, চলে যাই। কিন্তু তাতো আর পারি না। তাই দুনিয়াতেই হাবিয়া দোজখের যন্ত্রণা ভোগ করে যাচ্ছি।’

    ‘কী হয়েছে? তুমি অকারণে চ্যাঁচাচ্ছো কেন?’

    ‘আমি চ্যাঁচাচ্ছি না? অকারণে চ্যাঁচাচ্ছি? হ্যাঁ, আমার কথাতো এখন সবার কাছে চ্যাচানোই মনে হবে। কোন কুক্ষণে যে আমি এই বাড়িতে…।’ মছিদা বেগম কান্না শুরু করলেন। জাফর কাজ রেখে শান্ত হয়ে মায়ের কথা শুনল। এবং বুঝতে পারল যে বাড়ির অবস্থা আসলেই ভয়ানক। মুনিয়া ছাড়া এই পরিস্থিতি সামলানোর কোনো উপায় নেই। তবে মছিদা বেগমের ভাগ্য ভালো, তুলির বাড়ি থেকে আসা মেহমান বেশি রাত হওয়ার আগেই চলে গেল। মছিদা বেগম ভেবেছিলেন, তারা বুঝি মেয়েজামাই সঙ্গে করে নিয়ে যাবে। এই আশা দিয়েই তিনি সেলিনাকে নিরস্ত করে রেখেছিলেন। কিন্তু অনেক বুঝিয়েও তুলির বাবা-মা তুলিকে সাথে নিয়ে যেতে পারল না। তুলি তাদের বলল, ‘মা, এখন থেকে এটাইতো আমার আসল বাড়ি। আর এ বাড়ির সবাই আমাকে খুব স্নেহ করেন। কয়েকটা দিন থেকে, বাসা বাড়ি গোছগাছ করে, তারপর আসব।’

    তখন থেকে মছিদা বেগমের বুক ধড়ফড় করছে। আফজাল আহমেদের কাছ থেকে নিয়ে দু দফা তিনি প্রেসারের ওষুধ খেয়েছেন। কিন্তু তাতেও তার প্রেসার কমছে না। সেলিনার ভাব-ভঙ্গি সুবিধার মনে হচ্ছে না। সে যেকোনো সময় যে কোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে।

    জাফর মুনিয়াকে নিয়ে বাড়ি ফিরল রাত দশটায়। অদ্ভুত ব্যাপার হলো গেটের কাছে তখন মছিদা বেগম দাঁড়িয়ে। মছিদা বেগমের সাথে দাঁড়িয়ে আছে ঋদ্ধিও। দৃশ্যটা দেখে মুনিয়ার কেন যেন কান্না পেয়ে গেল। সেদিন খুব ভোরে কাউকে কিছু না জানিয়ে এই বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিল সে। বুকের ভেতর অমিত উপেক্ষার যন্ত্রণা তার দৃষ্টি ঝাপসা করে রেখেছিল। আজও সেই চোখজোড়া ঝাপসাই। কিন্তু বুকভর্তি হয়ে আছে পরিপূর্ণ ভালোলাগায়। মছিদা বেগম মুনিয়াকে দেখেই অসহায় শিশুর মতো কাঁদতে লাগলেন। যেন মুনিয়া ছাড়া এই ভয়াল বিপদ থেকে তাকে রক্ষা করার আর কেউ নেই। মুনিয়া অবশ্য কোনো তাড়াহুড়া করল না। সে মছিদা বেগমকে জড়িয়ে ধরে তার ঘরে গিয়ে বসল। তারপর সবকিছু শুনে সে বলল, ‘আপনি চিন্তা করবেন না মা। এটা এমন কোনো সমস্যা না। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    মছিদা বেগম অবশ্য চিন্তা করছেনও না। তিনি জানেন মুনিয়া যখন এসেছে তখন আর তার চিন্তা নেই। মুনিয়া নতুন বউয়ের সাথে দেখা করল। তুলি একটু ছটফটে স্বভাবের সহজ এক মেয়ে। প্রথম দেখাতেই তাকে ভালো লেগে গেল মুনিয়ার। সমস্যা হচ্ছে সেলিনা। সেলিনা কেঁদে কেটে মুখভার করে বসে আছে। মুনিয়া তাকে দোতলায় নিজের ঘরে নিয়ে বসাল। তারপর বলল, ‘তোমার সাথে আমার জরুরি কিছু কথা আছে শেলী।’

    সেলিনা অবশ্য তাতে আগ্রহ দেখাল না। সে যেমন ছিল, তেমনই বসে রইলো। মুনিয়া বলল, ‘সেই কথাগুলো বলার জন্য আমার সময় দরকার। এ কদিনে আমি অনেক ভেবেছি, কথাগুলো কার সাথে শেয়ার করা যায়, কিন্তু ভেবে পাচ্ছিলাম না। গত কিছুদিন থেকেই মনে হচ্ছিল, যদি তোমার সাথে কথাগুলো শেয়ার করা যেত, তাহলে বোধহয় ভালো হতো।’

    সেলিনা জানে, এটা মুনিয়ার একটা কৌশল। সে কৌশলে তাকে সহজ করার চেষ্টা করছে। মুনিয়া বলল, ‘কথাগুলো খুবই ব্যক্তিগত। এমনকি এই কথাগুলো আমি কারো সাথেই শেয়ার করতে পারছি না। তোমার থেকে আমার পরামর্শ দরকার। আমি একটা জটিল সমস্যায় ঢুকে পড়েছি। কিন্তু সেই সমস্যা থেকে আমি বের হতে পারছি না।’

    সেলিনা বিষয়টাতে আগ্রহ দেখাবে না ভাবলেও ভেতরে ভেতরে সে এক ধরনের কৌতূহল বোধ করছে। মুনিয়া বলল, ‘তুমি কী কথাগুলো শুনবে?’

    ‘কী কথা?’

    ‘একটু সময় লাগবে আমার। সবচেয়ে ভালো হয় তুমি যদি আজ রাতে আমার সাথেই থাকো।’

    ‘আমি থাকলে ভাইয়া কই থাকবে?’

    ‘সে নিচে দিপুর ঘরে থাকতে পারে। বা ঋদ্ধির সাথেও থাকতে পারে।’

    বিষয়টা সেলিনার কাছে স্বাভাবিক মনে না হলেও সে তার সহজাত কৌতূহলের কাছে হেরে গেল। বলল, ‘কিন্তু ভাইয়া কিছু মনে করবে না?’

    ‘সেটা আমি দেখছি। তুমি এক কাজ করো, নিচে তোমার ভাইয়ার থাকার ব্যবস্থা করে এখানে চলে এসো। এর মধ্যে আমিও একটু ফ্রেশ হয়ে নেই।’

    সেলিনা স্পষ্ট বুঝতে পারছে বাড়িতে সৃষ্ট অস্থির পরিস্থিতিটা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে মুনিয়া। কিন্তু তারপরও সে মুনিয়াকে উপেক্ষা করতে পারছে না। মুনিয়াকে সে যতই অপছন্দ করুক, যতই মুনিয়ার এই সর্বপ্লাবী ক্ষমতাটাকে অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করুক, তারপরও মুনিয়ার এই আমন্ত্রণ সে এড়িয়ে যেতে পারল না।

    রাতভর মুনিয়ার সাথে সেলিনার কথা হলো। অদ্ভুত ব্যাপার হলো সেই কথায় মুনিয়া তার ব্যক্তিগত কোনো গোপন কথা বলার আর সুযোগ পেল না। বরং সেলিনা হড়বড় করে একের পর এক তার দুঃখ, তার অপ্রাপ্তি আর অপমানের গল্প বলে যেতে লাগল। সেই গল্প শেষ হলো আহসানের প্রসঙ্গে এসে। আহসানের সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ গল্প শুরু করল সে। মুনিয়া খুব আগ্রহ নিয়ে সেই গল্প শুনল। গল্পের শেষে হাউমাউ করে কাঁদল সেলিনা, এমন একটা ভালো মানুষ, অথচ দেখো ভাবি ভাগ্যটা কী খারাপ! মাঝে মাঝে এত মন খারাপ হয় যে মানুষটার জন্য কিছুই করতে পারছি না। আল্লাহ যদি আমাকে সেই ক্ষমতা দিত, তাহলে আমার সবকিছু দিয়ে হলেও তাকে আমি একটু শান্তি দিতাম।

    মুনিয়া বলল, ‘অবশ্যই পারবে।’

    সেলিনা খানিক উত্তেজিত কণ্ঠে বলল, ‘আমার মাথায় একটা প্ল্যান আছে ভাবি।’

    ‘কী প্ল্যান?’

    সেলিনা দ্বিধামিশ্রিত কণ্ঠে বলল, ‘আগে বলো তুমি কিছু মনে করবে না। আর এক্ষুনি কাউকে কিছু বলবে না?

    ‘বলব না।’

    ‘প্রমিজ করো।’

    ‘প্রমিজ।’ মুনিয়া হাসল। সেলিনা ভেতরে ভেতরে খুবই সহজ একটা মানুষ। সেটা তার সাথে না মিশলে টের পাওয়া যায় না। সেলিনা অবশ্য সাথে সাথেই তার অতিগুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনাটির কথা বলল না। বরং তার মন খারাপ হয়ে গেল। সে বিষণ্ণ গলায় বলল, ‘কিন্তু প্ল্যানটা এখন আর হবে না ভাবি।’

    ‘কেন হবে না?’

    ‘রুবেল ভাইয়া যে বিয়ে করে ফেলল! ও বিয়ে না করে ফেললে একদম সব ঠিকঠাক মিলে যেত। তুমি শুধু বাবা-মাকে একটু বোঝালেই হতো।’

    ‘আগে বলো তুমি। শুনেতো দেখি!’

    ‘ধরো আহসান আর আমি যদি বিয়ে করে ফেলি তাহলে কেমন হয়?’

    মুনিয়া একটু ভেবে বলল, ‘ভালোই হয়। কিন্তু সাবধান, একবার কিন্তু চুন খেয়ে মুখ পুড়েছে।’

    ‘তা কী আর আমাকে বলতে হবে ভাবি! এইজন্যইতো কত ছেলে কত কিছু করল, কিন্তু কাউকেই পাত্তা দিলাম না। অথচ দেখো, আহসানকে দেখেই মনে হলো, ওর সাথে আরো আগেই দেখা হওয়া উচিত ছিল আমার।’

    ‘আচ্ছা, প্ল্যানটা বলো।’

    ‘ভাবি, ঢাকায়তো আহসানের কেউ নেই। এখন ওর সাথে যদি আমার বিয়ে হয়, তাহলেতো এটাই ওর একমাত্র ফ্যামিলি তাই না?’

    ‘হুম।’

    ‘তাহলে, ধরো আমরা বিয়ে করার পর আলাদা না থেকে যদি এখানেই থাকি, সেটাই সবচেয়ে ভালো হয় না? দূরে গিয়ে কই থাকব বলো? ছেলেটার বাবা-মা নেই, ভাই-বোন থেকেও নেই। ছোটবেলা থেকে একা একাই বড় হয়েছে। এখন এখানে এলে কিন্তু ও সবাইকে পাবে। তা ছাড়া সবাই মিলে-মিশে থাকার একটা আনন্দওতো আছে। তাই না?’

    ‘হুম।’

    তারপর ধরো, আরো একটা ব্যাপার আছে। এখনতো ওর বিজনেসে একটু ঝামেলা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আলাদা একটা বাসা ভাড়া করা। সেই বাসায় ফার্নিচার কেনা। বাসা ভাড়া দেয়া। অফিস ভাড়া দেয়া। বুঝতেইতো পারছো, ওর জন্য প্রায় অসম্ভব। এখন আমরা যদি নিচে আমার ঘরটায় থাকতাম। ও তো একাই মানুষ। আলাদা কোনো খরচ তো আর নেই। মাঝে মাঝে না হয় বাজার সদায় করে দিল। কিন্তু কত বড় একটা সাপোর্ট হবে, বুঝতে পারছো?’

    ‘পারছি।’

    তারপর ধরো, আমাদের ছাদটাতো ফাঁকাই পড়ে আছে, ওখানে যদি কোনোভাবে ও দুটো ঘর তুলে একটা অফিস মতো করে ফেলে, তাহলে ওর অফিসের পেছনে যে টাকাটা প্রতি মাসে দিতে হয়, সেটাও আর দিতে হবে না। এমন না যে ওর অফিসে বাইরের কোনো লোকজন আসবে। এই ধরনের অফিসে বাইরের লোকজন আসে না। বরং আমাদেরই বাইরে বিভিন্ন অফিসে যেতে হয়। ফলে বাড়ির কারো কোনো সমস্যাই হবে না। তা ছাড়া তুমি আর ভাইয়াও ওর অনেক উপকার করতে পারবে। যেহেতু ওর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম।’

    ‘এগুলো আহসানকে বলেছো?’

    ‘পাগল! এগুলো শুনলে আমার সাথে ও আর কথাই বলবে না। ঘরজামাই থাকার মতো ছেলে ও? ইম্পসেবল। আর ওকে যদি এসব বলে কেউ রাজি করাতেও পারে, তবে তা একমাত্র তুমিই ‘

    মুনিয়া কী বলবে ভেবে পাচ্ছে না। তবে সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে, বাড়িতে যে ঝামেলা শুরু হয়েছে, সামনের দিনগুলোতে তা আরো ভয়াবহ রূপ নেবে। বিষয়টা ভাবতেই অস্থির লাগা শুরু করেছে তার।

    সেলিনা বলল, ‘তা ছাড়া আরেকটা জিনিস ভাবোতো ভাবি।’

    ‘কী?’

    ‘আমার কি বয়স কম হয়েছে? কয়েকদিন পর আর বিয়ের জন্য ভালো পাত্র পাওয়া যাবে? আহসানের মতো দূরের থাক, দুই-তিন বাচ্চার বাপ বুড়া-ধুরা লোকও দেখবে কত বাহানা করবে। তুমিই বলো, এর চেয়ে ভালো কি আর কিছু হয়?’

    সেলিনার কথার এই অংশের সাথে একমত মুনিয়া। কিন্তু তারপরও পুরো বিষয়টাতে তার মন সায় দিচ্ছে না। তা ছাড়া রুবেল বিয়ে করায় পরিস্থিতি এখন ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় সেলিনা যদি সত্যি সত্যি এভাবে বিয়ে করতে চায়, তাহলে সে ছেলেটাকে নিয়ে থাকবে কই? তারা যদি দিপুর ঘরেও থাকে, তাহলে দিপু কই থাকবে? সমস্যা হচ্ছে, সেলিনা যেহেতু মনে মনে এই সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছে, সেহেতু তাকে সেখান থেকে নড়ানো প্রায় অসম্ভব কাজ হবে। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান কীসে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }