Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৩১

    ৩১

    নাদিয়ার বিয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি উন্মুখ হয়েছিল আফসানা। গত পাঁচ বছরে এই নিয়ে আশফাকের সাথে তার তুমুল দ্বন্দ্ব। কিন্তু সেই দ্বন্দ্বেও আশফাক এতটুকু নড়েননি। তিনি কিছুতেই চাননি এক্ষুনি নাদিয়ার বিয়ে হোক। এ কারণে আফসানার একের পর এক প্রবল দাবির মুখেও তিনি তার সংকল্প থেকে এতোটুকুও বিচ্যুত হননি। নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার কিংবা বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি এখন এমন অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে যে আশফাককে কোনো না কোনোভাবে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেই হবে। তবে সেদিন রাতে আফসানার নমনীয় আচরণ কিছুটা হলেও আশ্বস্ত করেছে আশফাককে। তিনি জানেন, আফসানা তার নিজের জীবন নিয়েই শঙ্কিত, সন্দিগ্ধ, উদ্বিগ্ন হয়ে আছে। সুতরাং তার অস্থিরতার জন্য তাকে দোষও দেয়া যায় না। কিন্তু আশফাকের পক্ষে চট করে একটা ভালো পাত্র দেখে নাদিয়ার বিয়ে দেয়াটাও প্রায় অসম্ভব। কারণ এই কাজটি করার জন্য যে ধরনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, সেগুলোর জন্যও উপযুক্ত মানুষ আশফাক নন। তারপরও কেবল আফসানার অবস্থা বিবেচনা করেই তিনি মাঝেমধ্যে চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু সেই চেষ্টা খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। তবে আফসানা নিজেই যেহেতু এবার দায়িত্বটা নিতে চাইছে, সেহেতু কিছুটা হলেও নির্ভার বোধ করছেন আশফাক। এমনিতেও নাবিলা ও নাদিয়ার জন্যতো কম কিছু করেনি আফসানা। নাবিলার বিয়ে থেকে শুরু করে দু বোনের পড়াশোনা, হাফসার চিকিৎসা সহ নানা ক্ষেত্রে অভাবনীয় সহযোগিতা করেছে আফসানা। আর আফসানার অনুযোগটাও মিথ্যে নয়, নাবিলা-নাদিয়ার ওপর নিঃসন্দেহে একটা অধিকার তার রয়েছেই। আশফাকের বিশ্বাস, নাদিয়ার ক্ষতি হয় এমন কিছুই আফসানা করবে না। তা ছাড়া, নাদিয়ার যদি ভালো একটা বিয়ে হয়, তাহলে তাতে মূলত আফসানারই লাভ। সে তখন নির্বিঘ্নে আশফাকের সাথে তার বিয়ের ঘোষণা দিতে পারবে।

    কিন্তু কথাটা বাসায় বলবে কী করে আশফাক? এই কথা কোনোভাবেই বাসায় বলা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় নাদিয়াকে একবার আফসানার কাছে নিয়ে আসতে পারলে। তারা দুজন প্রথমে নিজেদেরকে জানুক, বুঝুক। পরস্পরের প্রতি একটা আস্থার জায়গা তৈরি হোক। তারপর না হয় সেই অনুযায়ী নাদিয়ার জন্য একটা ভালো পাত্রের ব্যবস্থা করবে আফসানা। তা ছাড়া নাদিয়ার পছন্দ-অপছন্দ জানাটাও তার জন্য জরুরি। কিন্তু নাদিয়াকে কীভাবে এখানে আনবে আশফাক? এটাই এখন তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    বেশ কিছুদিন পরে এক ভরদুপুরে বাড়িতে এলেন আশফাক। আফজাল আহমেদ ছেলেকে দেখে খুবই অবাক হলেন। তিনি বললেন, ‘তুই ঠিক আছিস?’

    ‘আছি বাবা। তুমি?’

    ‘আমি?’ আফজাল আহমেদের কণ্ঠে সামান্য বিস্ময়। আশফাক কখনো তাকে এই কথা জিজ্ঞেস করেছে বলে তার মনে পড়ে না। তিনি বললেন, ‘এই বয়সেতো আর নিজের পক্ষে ভালো-মন্দ থাকার উপায় থাকে না। অন্যরা যেমন রাখে, তেমনই আছি।’

    ‘আমার ওপর তোমার অনেক রাগ, তাই না বাবা?’ আশফাক হঠাৎই প্রশ্নটা করলেন। আফজাল আহমেদ হাসলেন, ‘রাগ থাকবে কেন? রাগ নেই।’

    আমি টের পাই বাবা। আর এইজন্যই তোমার সামনে এসে দাঁড়াতে ভয় পাই।’

    ‘সামনে আসতে ভয় পাবি কেন? সন্তান যদি তার বাবার সামনে এসেই দাঁড়াতে না পারে, তবে সেই লজ্জা যতটা না সন্তানের তারচেয়ে অনেক বেশি বাবার। সে সন্তানকে অতটুকু শক্ত করে তৈরি করতে পারে নি।’

    একটু থেমে আফজাল আহমেদ বললেন, ‘কী হয়েছে তোর?’

    ‘তেমন কিছু না বাবা। মাঝে মাঝে এমন হয় না যে মনে হয়, জীবনটা খুব অর্থহীন? মনে হয় যা করেছি সবই ভুল!’

    আফজাল আহমেদ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘জীবনতো ভুলই। যাকে দেখে মনে হয় তার জীবনে কোনো ভুল নেই, শতভাগ সফল মানুষ, তার কাছে গিয়ে দেখ, তার বুকেও কত দীর্ঘশ্বাস জমা আছে! আফসোস আর আক্ষেপের দীর্ঘশ্বাস। আসলে জীবন হলো আক্ষেপের অন্য নাম।

    ‘তাহলে জীবনে সফলতা-ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই?

    ‘থাকবে না কেন, অবশ্যই আছে। তবে জীবনে আসল সফলতা হলো সন্তুষ্টি। এখন ওটা কে কীভাবে নেয়, কে কীভাবে দেখে, সেটা হলো ইম্পর্ট্যান্ট।’

    ‘আমাকে নিয়ে তোমার কোনো আক্ষেপ নেই বাবা? আমাকে নিয়ে কত স্বপ্ন ছিল তোমার!’

    ‘হ্যাঁ, আছে। কিন্তু আমার প্রত্যাশা পূরণের দায়তো তোর নয়। তুই কেন অন্য একজনের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পেরে আজীবন কষ্টে থাকবি?’

    ‘কিন্তু বাবা, তুমিই তো বললে তোমার জীবনের ভালো থাকা মন্দ থাকা আর তোমার ওপরে নির্ভর করে না, অন্যদের ওপর নির্ভর করে। নিশ্চয়ই তোমার পরিবার, তোমার সন্তানদের ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে। তাই না?’

    আফজাল আহমেদ আনমনে হাসলেন, ‘কিন্তু দিন শেষেতো যার যার জীবন তার তারই।’

    ‘তারপরও বাবা। একজনের জীবনেতো অন্যজনের জীবনের ছায়া পড়ে। পড়ে না?’

    ‘তা পড়ে। তবে মানুষতো আর গাছ নয় যে স্থির দাঁড়িয়ে থাকবে। মানুষকে ওই ছায়া আর মায়া কাটাতে পারতে হয়।’

    ‘তুমি পারো বাবা?’

    ‘চাইলে হয়তো পারা যায়। কিন্তু কাটাতে চাই না।’

    ‘কেন?’

    অভ্যাস হয়ে যায়। আর মায়া কাটানো সহজ ব্যাপার না। যাকে সহ্য হয় না, অসহ্য লাগে। মনে হয় তার থেকে দূরে গেলেই বোধহয় ভালো থাকব। কিন্তু দূরে যেতেই দেখি তার জন্যও কষ্ট হয়। তখন আর ভালো থাকা হয় না। মায়া বড় ভয়ানক, রহস্যময় এক ব্যাপার।

    কথাটা কোথায় যেন গেঁথে রইলো আশফাকের। তিনি এক তীব্র আক্ষেপের, অশান্তির জীবন কাটাচ্ছেন। তার এই জীবনে তিনি আসলে কী চান? আফসানার কাছ থেকে মুক্তি? কিন্তু যদি মুক্তিই চাইবেন, তাহলে বন্দিই বা হলেন কেন? এই বন্দিত্বে আসলেই কি কোনো দায় নেই তার?

    এই প্রশ্নের উত্তর থেকেও যেন পালিয়ে বেড়াতে চান আশফাক। যেন নিজের ভেতরের একটা সত্ত্বাকে তিনি অস্বীকার করতে চান। কেন অস্বীকার করতে চান সেটিও তিনি জানেন, কিন্তু মানতে চান না। তার নিজেকে প্রবল পরাধীন মনে হয়। মনে হয়, তার চারপাশের জগতের কাছে তিনি এক মুখোশ মানব। এই মুখোশ খুলতে তার তীব্র ভয়। কিন্তু মুখোশের ওজনটাও তিনি আর বইতে পারছেন না।

    নাদিয়া ক্লাস থেকে ফিরে দেখে আশফাক বসে আছেন বারান্দায়। সে বলল, ‘এই অবেলায় তুমি বাবা?’

    ‘এটা অবেলা হলো?’ আশফাক মুগ্ধ চোখে নাদিয়ার দিকে তাকিয়ে আছেন। নাদিয়ার পরনে হালকা সবুজ রঙের শাড়ি। তাকে দেখতে যে কী সুন্দর লাগছে!

    ‘তোমার জন্যতো অবেলাই বাবা।’ বলল নাদিয়া।

    ‘অবেলা কেন হবে?’

    ‘কখনোতো এসময়ে আসো না!’

    ‘এলে কী লাভ? তুইতো এমন সময় থাকিস না।’

    ‘আমি না থাকলে কী? আম্মা তো থাকে। বাড়ির অন্যরাতো থাকে।

    ‘তা থাকে।’ আশফাক আর কথা বাড়ালেন না। তিনি যে কারণে এসেছেন সেই কথাটি কীভাবে বলবেন সেটি ভাবছেন।

    নাদিয়া বাইরের পোশাক ছেড়ে এসে বাবাকে ভাত খেতে দিল। হাফসা শুয়ে আছেন বিছানায়। তিনি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন আশফাকের দিকে। নাদিয়ার বিয়ের ব্যাপারে এক্ষুনি কিছু বলা যাবে না আশফাককে। মুকিতের মতো এত ভালো একটা পাত্র পেয়েছেন, সেটি বলার লোভ সম্বরণ করাও কঠিন। কিন্তু তারপরও সংযতই রইলেন হাফসা। বলা যায় না, নাদিয়ার বিয়ের কথা শুনে আশফাক না আবার একটা গোলমাল বাধিয়ে ফেলে। কিন্তু একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে চিন্তিত বোধ করছেন হাফসা। কোনো এক অদ্ভুত কারণে আশফাককে খুব অস্থির আর অগোছালো লাগছে। বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করছেন তিনি। আশফাক বললেন, ‘তোমার শরীর এখন কেমন?’

    হাফসা হাসলেন, ‘কী ব্যাপার বলোতো?’

    ‘কী ব্যাপার মানে?’

    ‘শেষ কবে আমার খবর নিয়েছো মনে পড়ছে না!’

    ‘আমি তোমার খবর নেই না?’

    ‘কেন নেবে না? নিশ্চয়ই নাও। আমার খবর না নিলে এমন অসময়ে তুমি বাড়ি আসো?’ হাফসা টিপ্পনী কাঁটলেন।

    আশফাক সামান্য বিরক্ত হলেন, ‘তুমি কখনো আমার সাথে ভালো করে কথা বলতে পারো না?’

    হাফসা শান্ত ভঙ্গিতে বললেন, ‘লাভ নেই।

    ‘মানে?’

    ‘পুরুষ যখন পর নারীতে আসক্ত হয়, তখন সবচয়ে রূপবতী স্ত্রীকেও লাগে দাসী-বান্দি। আর স্ত্রীর সুরেলা কণ্ঠকেও মনে হয় হাইড্রোলিক হর্ন।’

    নাদিয়া সামনে দাঁড়ানো। আশফাকের ভারি অস্বস্তি হতে লাগল। হাফসা অবশেষে প্রশ্নটা করল, ‘তোমার উদ্দেশ্যটা কী বলোতো?’

    ‘কী উদ্দেশ্য?’

    হাফসা ম্লান হাসলেন, ‘তোমার চেহারা দেখলেই সব বোঝা যায়। ঘটনা খুলে বলো?’

    নাদিয়া কথা বলল, ‘তুমি এমন করে কথা বলছো কেন আম্মা?’

    হাফসা আচমকা ধমকে উঠলেন, ‘তুই চুপ থাক! যেটা বুঝিস না সেটার মধ্যে কথা বলবি না। এই লোককে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি। বাইরে আলাভোলা একটা ভাব ধরে থাকে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে আস্ত বদমাশ।’

    ‘আম্মা!’ নাদিয়া প্রায় আর্তনাদ করে উঠল।

    হাফসা আগের চেয়েও উচ্চকিত হলেন, ‘একদম চিৎকার করবি না। চুপ, একদম চুপ। সবাই মিলে আমাকে কী পেয়েছিস তোরা, হ্যাঁ? আমি পাগল, বদ্ধ উন্মাদ?’

    হাফসা থামলেও কেউ কোনো কথা বলল না। ঘরে একটা অস্বস্তিকর নীরবতা। হাফসা এবার আশফাককে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘তোমার বউ অসুস্থ। ঘরে মরার মতো পড়ে আছে। তো তুমি আরেকটা বিয়ে করতেই পারো। এতেতো অসুবিধার কিছু নাই। কিন্তু মুখে ওরকম সাধু সাধু ভাব ধরে সবার কাছে মহাপুরুষ সেজে আছো কেন?’

    হঠাৎ হাফসার এই রণাঙ্গিনী মূর্তি দেখে কেউ কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না। হাফসা নিজেই বললেন, ‘এখন বলো, কী উদ্দেশ্যে এসেছো?’

    ‘উদ্দেশ্য আবার কী?’ আশফাক মিনমিন করে বললেন। ‘আমার বাড়িতে আমি আসতে পারি না?’

    ‘পারবে না কেন? অবশ্যই পারো। তুমি চাইলে তোমার বাড়ি থেকে আমাকে বেরও করে দিতে পারো। সেটা যে দিচ্ছো না সে জন্য তোমার কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ। আমার উচিত দিনরাত তোমার পা ধরে বসে থাকা। কিন্তু ধরবো কী করে? তুমিতো সারাক্ষণ অন্য একজনের আঁচলের তলায় পড়ে থাকো।’

    লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করছে আশফাকের। তার সামনে নাদিয়া। তিনি নাদিয়ার দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারছেন না। হাফসা অবশ্য নাদিয়াকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘এত বড় মেয়ে হইছিস, বাপ-মায়ের কোন কথার মধ্যে থাকতে হয় আর কোন কথার মধ্যে থাকতে হয় না এইটা বোঝোস না? যাহ এখান থেকে। যাহ।’

    নাদিয়া কী করবে বুঝে উঠতে পারছে না। আশফাক অবশ্য মনে-প্রাণে চাইছেন নাদিয়া তার সামনে থেকে না যাক। তিনি একা হাফসার মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন। নাদিয়া অবশ্য উঠল। একবার ভাবল মাকে কিছু বলে। কিন্তু পরক্ষণেই আবার সিদ্ধান্ত বদলাল। কিছু না বলে চুপচাপ ঘর থেকে বেরিয়ে গেল সে।

    হাফসা হঠাৎ যেভাবে উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন, ঠিক সেভাবেই আবার শান্ত হয়ে গেলেন। তারপর নরম গলায় বললেন, ‘তোমার যা ইচ্ছা তুমি করো, আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমার একটা কথা তোমাকে রাখতেই হবে।’

    আশফাক বিভ্রান্ত ভঙ্গিতে, ‘কী কথা?’

    ‘আমার মেয়ের কোনো ক্ষতি তুমি করোনা।’

    ‘মানে!’ যেন আকাশ থেকে পড়লেন আশফাক।

    হাফসা প্রায় কাঁদো কাঁদো গলায় বললেন, ‘আমি তোমার পায়ে পড়ি। আমার যা করার করো। কিন্তু আমার মেয়ের কোনো ক্ষতি তুমি করো না।’

    আশফাক এবার সত্যি সত্যি দিশেহারা বোধ করছেন। এসব কী বলছেন হাফসা? তিনি উঠে হাফসার কাছে গিয়ে বসলেন। তারপর আলতো করে হাফসার হাত ধরে বললেন, ‘এসব তুমি কী বলছো? আমি নাদিয়ার ক্ষতি করব? নাদিয়ার?’

    হাফসা কম্পিত কণ্ঠে বললেন, ‘তোমাকে দিয়ে বিশ্বাস নেই। তুমি এখন যে কারো ক্ষতি করতে পারো। তুমি এক কাজ করো।’

    ‘কী কাজ?’

    ‘আমাকে গলা টিপে মেরে ফেলো। বিষও খাওয়াতে পারো। আমাকে গুলে দিলে আমি এক চুমুকে খেয়ে ফেলব। তাও আমার মেয়েকে মেরো না। তার কোনো ক্ষতি করো না।’

    আশফাক অসহায়ের মতো বললেন, ‘আমি তোমাদের কেন ক্ষতি করব?’

    আরেক বউ ঘরে আনার জন্য। সেই ঘরের বউয়ের কি বাচ্চা আছে? কী বাচ্চা? ছেলে না মেয়ে? তাদের জন্য তুমি নাদিয়ার কোনো ক্ষতি করো না।’

    হাফসা কেঁদে ফেললেন। তার চোখের কোল গড়িয়ে জল ঝরে পড়ছে বালিশে। আশফাক হাত বাড়িয়ে জল মোছানোর চেষ্টা করলেন, কিন্তু পারলেন না। তিনি বললেন ‘এগুলো তুমি কী বলছো হাফসা! নাদিয়া-নাবিলা তোমার একার মেয়ে? তারা আমার মেয়ে না?’

    হাফসা কান্নাজড়িত গলায়ই হাসলেন, ‘ছোটবেলায় দাদিজানের কাছে শুনছিলাম, মা মরলে বাপ হয় তালুই। এই কথা সত্য। এই কথা এক শ ভাগ সত্যি। আমি নিজের চোখে এমন কত দেখেছি।’

    ‘তুমিতো মরে যাও নাই! ‘

    হাফসা অবাক হবার ভঙ্গিতে বললেন, ‘আমি তাইলে এখনো বেঁচে আছি! কী বলো তুমি? আমি এখনো বেঁচে আছি!’ বলেই আবার কাঁদতে লাগলেন তিনি, ‘আচ্ছা, যে মহিলা বেঁচে থাকতেও তার স্বামী আরেকটা বিয়ে করে, সেই মহিলা কি আসলেই বেঁচে থাকে? তার বাঁচা-মরার পার্থক্য তুমি বোঝো? বোঝো?’

    ‘আমি বিয়ে করেছি এই কথা তোমাকে কে বলেছে?’

    ‘কেউ বলে নাই। এইগুলা কারো বলতে হয় না। শোনো নাই, মায়ের সন্তান যদি দূর দেশেও মারা যায়, সেই খবর কেউ জানার আগেই মা জেনে যায়! এই কথা যেমন সত্যি, তেমনি এই কথাও সত্যি, স্বামী যদি অন্য মেয়ের কাছে যায়, সেই কথা কেউ জানার আগে স্ত্রী জেনে যায়।’

    আশফাক চুপ করে বসে রইলেন। তার বুকের ভেতর বিশাল এক হাতুড়ি দিয়ে কেউ যেন পাথুরে দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করছে। কিন্তু সেই কঠিন দেয়াল সে ভাঙতে পারছে না। অথচ প্রতিটি আঘাতে তার বুক ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে।

    রাতে কথাটা নাদিয়াকে বললেন আশফাক, ‘তোর ইউনিভার্সিটির কী অবস্থা?’

    ‘আগামী মাসে ফার্স্ট ইয়ার ফাইনাল শেষ হবে বাবা।’

    ‘তারপর?’

    ‘তারপর আর কী! অনেকদিন বন্ধ।’

    ‘ওহ। বন্ধে কী করবি তুই?’

    ‘কী আর করব? আমারতো আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। বাড়িতেই থাকব।’

    তোর আপুর বাসায় যাবি না?’

    ‘না বাবা। আপুর বাসায় যেতে আমার ভালো লাগে না।’

    আশফাক চট করে কথাটা পাড়লেন, ‘তুই তাহলে তখন কিছুদিনের জন্য

    আমার সাথে ঘুরতে যেতে পারিস!’

    ‘কী বলো বাবা!’ নাদিয়ার যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না। ‘সত্যি বলছো?’

    ‘হ্যাঁ সত্যি। ধর দু-চার দিনের জন্য গেলি। আমরা বাপ বেটি মিলে সারাদিন ঘুরলাম। ওদিকটা তে কী সুন্দর বন আছে। গেলে মনে হবে অন্য এক জগৎ। কত রকমের পাখি যে ডাকে! হুটহাট দেখবি গাছের মাথায় বানর!’

    ‘বানর! গায়ে এসে পড়ে যদি?’

    ‘ধুর! গায়ে এসে পড়বে কেন? আর বনের মাঝখান দিয়ে কী সুন্দর রাস্তা। পাশে একটা নদীও আছে। ছবির মতো সুন্দর।’

    ‘বাবা! এমন করে বলোনাতো। আমার ভাগ্য খুব খারাপ, যেটা নিয়ে খুব এক্সাইটেড থাকি সেটা আর হয় না।’

    ‘আচ্ছা, আর বলব না। তবে তুই মনে মনে রেডি হয়েই থাকিস।’

    ‘আচ্ছা বাবা।’

    ‘আরেকটা কথা?’

    ‘কী?’

    ‘তোর মাকে কিন্তু এখনই কিছু বলিস না!’

    ‘কেন? বলব না কেন?’

    ‘এমনি। এই যে দেখিস না, সারাক্ষণ কীসব আবোল-তাবোল বকতেই থাকে! শুধু শুধু অশান্তি করবে।’

    ‘তাও ঠিক।’ নাদিয়া বিষয়টা বুঝল। সে তার মাকে কিছু বলল না। কিন্তু আশফাক চলে যাওয়ার পর রাতে হাফসা তাকে ডাকলেন, ‘তোর বাবা কী বলল?’

    ‘কই? কিছু নাতো?’

    ‘আমার সাথে মিথ্যা বলিস না নাদিয়া। মা মরা হোক, আধমরা হোক দুনিয়াতে মায়ের চেয়ে আপন কেউ নেই। এই কথা যেই মুহূর্তে ভুলবি, সেই মুহূর্ত থেকে দুনিয়া জাহান্নাম হওয়া শুরু করবে। বল সে কী বলেছে?’

    ‘তুমি শুধু শুধু অশান্তি করো মা। বাবা কিছু বলেনি।’

    হাফসা নাদিয়ার কথা বিশ্বাস করলেন না। তার কেন যেন খুব ভয় হতে লাগল। সেই রাতে তিনি আবারও ভয়াবহ এক দুঃস্বপ্ন দেখলেন। একটা মেয়ে অন্ধকারে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে দৌড়াচ্ছে। পেছন থেকে তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। মেয়েটাকে কারা যেন তাড়া করছে। হাফসা খুব চেষ্টা করছেন মেয়েটার মুখ দেখতে। একবার তার মনে হচ্ছে মেয়েটা নাবিলা। একবার মনে হচ্ছে নাদিয়া। আবার পরক্ষণেই মনে হচ্ছে অন্য কেউ। মেয়েটা আচমকা মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। মেয়েটার চুলগুলো এলোমেলো ছড়িয়ে পড়ে তার মুখ ঢেকে দিল। হাফসা নিজ হাতে সেই চুল সরালেন। মেয়েটার চেহারা দেখে তার দম বন্ধ হয়ে এলো। বুকের ভেতর থেকে যেন কলিজাটা ছুটে বের হয়ে আসতে চাইছে। তিনি দেখলেন, মেয়েটা নাদিয়া। সে অসহায়, ভীত, রক্তাক্ত চোখে হাফসার দিকে তাকিয়ে আছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }