Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ২২

    ২২

    বেশ কিছুদিন হলো রাফির ঘুমের খুব সমস্যা হচ্ছে। রাতের পর রাত ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করছে সে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ঘুম খানিক গভীর হওয়া মাত্রই ভয়ানক দুঃস্বপ্ন দেখে তার ঘুম ভেঙে যায়। সেই দুঃস্বপ্নে কোনো এক ভয়াল দর্শন মানুষ তাকে মুগুর হাতে তাড়া করে। রাফি ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়াতে থাকে। এই দৌড়ানোর সময়টুকুই সবচেয়ে ভয়ংকর। আতঙ্কে দম বন্ধ হয়ে আসে তার। পা চলে না। বুক ধুকফুক করে। মনে হয়, যেকোনো মুহূর্তে কলিজাটা ছিঁড়ে বেরিয়ে আসবে। ছুটতে ছুটতে আচমকা হোচট খেয়ে পড়ে যায় সে। উঠতে গিয়ে দেখে, একটা পুরনো আমলের বাড়ির গেটে দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে ভয়াল দর্শন সেই লোকটা আর নেই। বরং তার সামনে হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি পরে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে। যদিও রাফি শুনেছে স্বপ্নে নাকি সবকিছুই সাদাকালো দেখায়। কিন্তু সে স্পষ্ট হালকা গোলাপি রং দেখতে পায়। সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটা মুনিয়া। মুনিয়াকে দেখে তার ভয় কেটে যায়। স্বপ্নের মধ্যেই তার মনে হয় এতক্ষণ সে দুঃস্বপ্ন দেখছিল। আশপাশে কোথাও সেই ভয়াল মানুষটা আর নেই। কিন্তু মুনিয়ার দিকে হাত বাড়াতেই রাফির শরীর হিম হয়ে আসে। মুনিয়ার হাতে সেই ভয়াল দর্শন মানুষটার হাতে থাকা মুগুরটা। মুনিয়া নির্বিকার ভঙ্গিতে সেই মুগুরটা রাফির মাথায় নামিয়ে আনে। আতঙ্কে রাফির চোখজোড়া যেন কোটর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চায়। তারপর আর কিছু মনে থাকে না তার। তবে ঘুম ভেঙে যায়। সে ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসে। তারপর মাথার পেছনে যে জায়গাটাতে মুনিয়া বাড়ি মেরেছে, সেখানে হাত দিয়ে দেখে। অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, রাফির মনে হয় জায়গাটা ফুলে আছে এবং ব্যথাও করছে।

    এই কথা সে মুনিয়াকে বলেছেও। মুনিয়া স্বপ্নের কথা শুনে গম্ভীর হয়ে গেছে। সে বলেছে, ‘তুমি কি আমাকে ভয় পাও রাফি?’

    রাফি বলেছে, ‘ভয় পাবো কেন?’

    ‘ভয় না পেলে আমাকে নিয়ে এমন স্বপ্ন তুমি দেখো কী করে?’

    ‘স্বপ্নের ওপর কি কারো নিয়ন্ত্রণ থাকে? স্বপ্নতো স্বপ্নই।’

    ‘উহু, স্বপ্ন কেবল স্বপ্ন না। মানুষ অবচেতন মনে যা ভাবে, তা-ই স্বপ্ন।’

    ‘আমি অবচেতন মনে ভাবি যে তুমি আমার মাথায় আঘাত করেছো?’

    ‘সেটা আমি কী করে বলব! তবে তুমি নিয়মিত যখন এই একই স্বপ্ন দেখছো, তখনতো তেমনই মনে হচ্ছে।’

    এই নিয়ে মুনিয়া আর রাফির মধ্যে মাঝেমধ্যে একটু-আধটু সমস্যাও হয়েছে। মুনিয়া খুব মন খারাপও করেছে। কিন্তু রাফি জানে, জগতে এই একটা মাত্র গোপন কিংবা আপন জায়গা রয়েছে মুনিয়ার। যেখানে সে বাইরের খোলস ছেড়ে পুরোপুরি নিরাভরণ হতে পারে। অকপট, ভানহীন হতে পারে। রাগী মা, প্রচণ্ড ব্যক্তিত্ববান স্কুল শিক্ষক, দায়িত্বশীল গৃহকর্ত্রী থেকে এখানে এসে সে মুহূর্তেই হয়ে যেতে পারে অন্য এক মানুষ। এখানে সে চল্লিশোর্ধ্ব অভিজাত, গম্ভীর, সমীহ জাগানো প্রখর ব্যক্তিত্বের কোনো নারী নয়, বরং প্রবল অভিমানী, আহ্লাদি এক কিশোরী, খেয়ালি তরুণী, তুমুল তেষ্টায় কাতর ছটফটে এক প্রেমিকা। এ তাদের অদ্ভুত এক জগৎ। এখানে সে আর রাফি ছাড়া অন্য কারো কোনো প্রবেশাধিকার নেই। মুনিয়ার ভেতরকার একান্ত গোপন এই অন্য মানুষটাকে এই পৃথিবীতে শুধু একজন মাত্র মানুষই জানে। সেই মানুষটা রাফি। রাফির মাঝে মাঝে খুব অবাক লাগে। অবাক লাগে মুনিয়ারও। এমনও হয়?

    তারা কেউই এই প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক জানে না। তবুও এটি প্রবল রহস্যময় অনুদঘাটিত এক বর্তমান। এখানে মুনিয়া রোজ রোজ চমকে দেয় রাফিকে। রাফি সেসব চমক বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নেয়। মুনিয়ার রাগ, ক্ষোভ, অভিমান, জেদ, খামখেয়ালিপনা সকলই হাওয়ায় মিলিয়ে দিতে জানে রাফি। সে একটু আদর করে কথা বললেই মুনিয়ার রাগ ভেঙে যায়। আবার আগের মতো হয়ে যায় সে। রাফি মাঝে মাঝে ভাবে, মানুষের বুকের ভেতর কত অসংখ্য রকমের তেষ্টা থাকে। কিন্তু সেসব তেষ্টার খবর কে রাখে?

    না হলে এমন একটু আদুরে কথা, একটু মনোযোগ, একটু পাগলামি আর খানিক ক্ষ্যাপাটে ভালোবাসার জন্য মুনিয়ার মতো অমন একজন মানুষও যে ভেতরে ভেতরে এমন কাঙাল হয়ে ছিল, তা কে জানত!

    সমস্যা হচ্ছে, বেশ কিছুদিন থেকে মুনিয়া কেমন অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে। কী যেন একটা লুকানোর চেষ্টা করছে সে। কিন্তু সেটি লুকিয়েও মনে মনে স্বস্তি পাচ্ছে না। সারাক্ষণ একটা অস্থিরতা কাজ করছে তার মধ্যে। আগের মতো রাফির সাথে যোগাযোগটাও হচ্ছে না তার। এর মূল কারণ অবশ্য রফিকুল আলমের মৃত্যু। সেই রাতে ঠিক ওই জায়গাটাতেই ছিল রাফি। একটু এদিক-সেদিক হলেই যেকোনো ভাবে ফেঁসে যেতে পারত সে। ফলে আরো সতর্ক হয়ে গেছে মুনিয়া। তা ছাড়া বাড়িতেও একটা স্পষ্ট ফিসফিসানি টের পাচ্ছিল সে। এরমধ্যে রাফিকে যদি কারো সন্দেহজনকভাবে চোখে পড়ে যায়, তাহলে বিপদ।

    রাফির ধারণা, এসব নানাবিধ কারণেই রাফিকে যতটা সম্ভব দূরে দূরেই থাকতে বলেছে মুনিয়া। এমনকি স্কুলে রথিকে আনতে যেতেও নিষেধ করেছে। বিষয়টা নিয়ে রাফি মনে মনে খুবই বিরক্ত। কিন্তু কিছু করার নেই তার। কারণ সে জানে, অপ্রয়োজনে মুনিয়া কিছুই করে না।

    তবে এটা সত্যি, ক্রমাগত ওই বিদঘুটে দুঃস্বপ্নের কারণে হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক, মুনিয়ার প্রতি ইদানীং একটা ভয় কাজ করে রাফির। তার কেবল মনে হয়, মুনিয়া যেকোনো সময় যেকোনো কিছু করে ফেলতে পারে। বারবার ওই দুঃস্বপ্নটাই ঘুরেফিরে মনে পড়ে যায় তার। বহু চেষ্টা করেও মাথা থেকে তাড়াতে পারেনি সে। আজকাল মুনিয়ার সাথে যখনই দেখা হয়, তখনই চট করে বিষয়টা মাথায় চলে আসে রাফির। মনে হয়, এই বোধহয় মুনিয়ার হাতে কিছু একটা দেখতে পাবে সে। এবং সাথে সাথেই মুনিয়া তাকে আঘাত করবে। এ এক ভয়ানক অস্থিরতা। এই ভয়ানক অস্থিরতা ঢাকতেই মুনিয়ার সাথে খুব হাসিখুশি আচরণ করার চেষ্টা করে রাফি। যেন মুনিয়া কিছুতেই বুঝতে না পারে, তার মনে কী চলছে। মুনিয়া যদি ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারে যে রাফির মনে কী চলছে, তাহলে একটা তুলকালাম কাণ্ড ঘটে যাবে।

    বহুদিন পরে আজ রাতে মুনিয়ার সাথে কথা হলো রাফির। মুনিয়ার একটা গোপন ফোন নম্বর আছে, সেই নম্বরে তাদের কথা হয়।

    মুনিয়া বলল, ‘এতরাতে এখনো জেগে? ঘুমাওনি যে?’

    ‘ঘুম আসছে না।’

    ‘ঘুম আসছে না কেন?’

    ‘দুঃস্বপ্ন দেখছি বলে।’

    ‘তোমার একটা ভালো ডাক্তার দেখানো উচিত রাফি।’

    ‘ডাক্তার দেখিয়েই তো ঘুমের ওষুধ খাচ্ছি।’

    ‘উহু। আমার মনে হচ্ছে না এটা ঘুমের ওষুধের সমস্যা। এটা সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম। ইউ শুভ কনসাল্ট আ সাইকিয়াট্রিস্ট।’

    ‘কিন্তু সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে গিয়ে আমি কী বলব?’

    এই কথায় মুনিয়া চুপ করে রইলো। আসলেইতো সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে গিয়ে কী বলবে রাফি? সে দুঃস্বপ্নের কারণে ঘুমাতে পারে না, নাকি দুঃস্বপ্নের কারণে তার ঘুম ভেঙে যায়। আর যে কারণে সে দুঃস্বপ্ন দেখে তাই বা ডাক্তারকে কী করে বলবে রাফি? আজকাল রাফির জন্য দুশ্চিন্তা বোধ করে মুনিয়া। সেই দুশ্চিন্তা নানামুখী। তার কিছু রাফিকে বলা যায়, কিছু যায় না। বলতে না পারা সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তাটি হচ্ছে ঋদ্ধি। মুনিয়া স্পষ্ট বুঝতে পারছে ঋদ্ধির অবস্থা। খুবই বিপজ্জনক একটা বয়স পার করছে সে। এ সময় নিজের ভাবনা, নিজের অনুভূতি ছাড়া পৃথিবীর আর সবকিছুই ভুল মনে হয়। মনে হয় তার চিন্তায় বাধা দেয়া প্রতিটি মানুষই বোধহয় তার সবচেয়ে বড় শত্রু। অথচ, সেই মানুষটিই হয়তো তার সবচেয়ে বড় বন্ধু।

    ঋদ্ধিকে এই অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত রাফি। কিন্তু রাফিকে লজ্জাজনক ওই কথাটা কী করে বলবে মুনিয়া? এটা সে কখনোই পারবে না। মরে গেলেও না। একজন নারীর জন্য এরচেয়ে বিব্রতকর, এরচেয়ে লজ্জাজনক কিছু আর হতে পারে না। আচ্ছা, রাফি বিষয়টা নিয়ে কী ভাবছে? সে কি বুঝতে পারছে যে ঋদ্ধি তাকে অন্যরকমভাবে পছন্দ করে? বিষয়টি নিয়ে মুনিয়া দ্বিধাগ্রস্ত। সেদিন ঋদ্ধির নোটবুকে রাফির ওই লেখাটা দেখার পর থেকে তার মাথায় উদ্ভট উদ্ভট সব চিন্তা ঘুরছে। কিন্তু তার কোনোটাতেই সে স্থির হতে পারছে না। দ্বিধাহীন হতে পারছে না। পাহাড় চাপা যন্ত্রণা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সে। কাউকে কিছু বলতেও পারছে না।

    আচ্ছা, ঋদ্ধির ব্যাপারে রাফির ভাবনা কী? কেন হঠাৎ সে ঋদ্ধিকে অমন কবিতা লিখে দিতে গেল? এর আগেতো এমন করেনি। বরং এর আগে ছোট্ট একটা বাচ্চার মতোই তাকে দেখেছে রাফি। তাহলে হঠাৎ কী এমন হলো! ঋদ্ধি যে বড় হয়ে উঠছে, সেটা কি তবে রাফির মনোজগতেও কোনো প্রভাব ফেলছে? বিষয়টা নিয়ে স্পষ্ট হওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।

    মুনিয়া বলল, ‘আজকাল আর লিখছো না?’

    ‘উহু।’

    ‘কেন?’

    ‘মাথায় কোনো লেখা আসছে না। খুব অস্থির লাগছে।’

    ‘অস্থির লাগছে কেন?’

    ‘তুমি জানো কেন অস্থির লাগছে।’

    ‘কিন্তু অস্থিরতা পুষে রাখলেতো হবে না, স্থির হতে হবে।’

    ‘পারছি না তো।’

    ‘পারি না এমন অনেক কাজই কিন্তু আমাদের করতে হয় রাফি।’

    ‘তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি?’ রাফি হঠাৎ প্রসঙ্গ পাল্টাল।

    ‘কী?’

    ‘এই যে আমাদের এই সম্পর্ক, এই সম্পর্কটা নিয়ে তুমি কী ভাবো?’

    ‘কী ভাববো?’

    ‘মানে, তুমি বিবাহিত বাট নট লয়্যাল টু ইওর হাজবেন্ড। তারপর আমি তোমার চেয়ে বয়সেও এত ছোট। ধরো অন্য কারো ক্ষেত্রে যদি এমন একটা সম্পর্কের কথা তুমি শুনতে, তখন কী করতে তুমি?

    মুনিয়া কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো। এই এতদিনে কখনোই এমন প্রশ্ন করেনি রাফি। আজ হঠাৎ কী এমন হলো তার? সে বলল, ‘আই ডোন্ট জাজ পিপল। যার যার জীবন তার তার সম্পর্ক। তার তার সিদ্ধান্ত। উই আর নোবডি টু জাজ।’

    ‘তা মানছি। কিন্তু তারপরও কিছু বিষয় থাকে না, আমরা যে মোরালিটিজ, যে ভ্যালুজ, যে এথিকসগুলো নিয়ে বেড়ে উঠি, সেগুলোর সাথেতো এই ধরনের সম্পর্কগুলো কনফ্লিক্ট করে। তাই না?’

    মুনিয়া দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, ‘হয়তো। কিন্তু আমার যন্ত্রণা, আমার একাকীত্ব, আমার ভালো থাকা-মন্দ থাকা এগুলোতো একান্তই আমার। আর সবকিছুই মানুষ নিজের প্রয়োজনেই বানিয়েছে। এমনকি এথিকস, মোরালিটিও।’

    ‘তা হয়তো বানিয়েছে। কিন্তু সমাজে সেগুলোর ইমপ্যাক্টতো পজেটিভ, তাই না?’

    ‘আমি সমাজবিজ্ঞানী না রাফি। আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। জীবনের দুই ভাগেরও বেশি সময় চলে যাওয়ার পর অবশেষে আমি বাঁচতে শিখেছি। আমি সমাজের জন্য না, এখন নিজের জন্য বাঁচতে চাই। নিজের ভালো থাকার জন্য, আনন্দের জন্য। সমাজের এথিকস, মোরালিটি আমাকে সেটা দেয়নি। বরং অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে।’

    ‘কিন্তু নিজেকে কখনো গিল্টি মনে হয় না এর জন্য? মনে হয় না অন্য কারো প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে?’

    মুনিয়া খানিক চুপ করে থেকে বলল, হয়তো হয়, হয়তো হয় না।’

    ‘তা কীভাবে?’

    ‘মানুষ যখন কোনো অপরাধ করে, তখন সে নানাভাবে নিজেকে নিজে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, সে যা করছে তা অপরাধ নয়। বা হলেও স্বল্পমাত্রার অপরাধ। এমন অপরাধ আরো অনেকেই করছে। কিংবা সে নিজেই নিজের কাছে নানা যুক্তি দিয়ে তার অপরাধটাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করে। এটা হিউম্যান ইন্সটিংকট। এটা সবাই করে।’

    ‘আসলেই কি তাই?’

    ‘হুম তাই। ধরো এই জীবনে যত মানুষের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে নির্যাতিত, বঞ্চিত, সৎ, লয়্যাল, প্রতারিত। প্রশ্ন হচ্ছে- তাহলে নির্যাতক, বঞ্চনাকারী, অসৎ, অবিশ্বস্ত, প্রতারক কিংবা খারাপ লোকের সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি কেন বলোতো?’

    ‘আমি তোমার কথা বুঝতে পারিনি।’ রাফি কৌতূহলী গলায় বলল।

    মুনিয়া বলল, ‘ধরো, স্কুলে-কলেজে বা কর্মক্ষেত্রে, যেখানেই কারো সাথে ভালো সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব হয়েছে, কিছুদিন যেতে না যেতেই তাদের জীবনের ব্যক্তিগত নানা গল্প শোনার সুযোগ হয়েছে। সেই গল্পগুলো কেমন জানো?’

    ‘কেমন?’

    ‘কেউ তার বাবা, দাদা বা নানার কথা বলতে গিয়ে বলেছে, জানো আমার নানার মতো, বাবার মতো এমন সৎ মানুষ আমি আমার এই জীবনে আর কখনো দেখিনি। সারাজীবন অতবড় চাকরি করেছেন কিন্তু একটা টাকা কোনোদিন ঘুষ খাননি। অন্যসবাই এই চাকরি করেই ঢাকা শহরে চার-পাঁচটা বাড়ি করেছে অথচ আমার বাবা বা নানা সারা জীবনের সঞ্চয় আর ব্যাংক লোন নিয়ে ওই একটামাত্র ভাঙা বাড়ি, তাও শেষ করতে পারেনি। বা কিছুই করতে পারেননি।’

    মুনিয়া সামান্য থেমে ঢোক গিলল। তারপর আবার বলল, ‘ধরো কারো ডিভোর্স হয়ে গেছে বা প্রেম ভেঙে গেছে, তার গল্পটা কেমন জানো?’

    ‘কেমন?’

    সে বলবে, আমি এই সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পারলাম না। ও আমার প্রতি লয়্যাল ছিল না, তারপরও আমি চেষ্টা করেছি। ওকে বারবার সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু সে বারবার আমার বিশ্বাস ভেঙেছে। শুধু আমি বলেই ওর মতো একটা মানুষের সাথে এতদিন ছিলাম। অন্য কারো পক্ষে এসব সহ্য করা সম্ভব হতো না। কী ভয়ংকর পজেসিভ, সন্দেহবাতিকগ্রস্ত আর হিপোক্রেট, তুমি চিন্তাও করতে পারবে না।’

    ‘আচ্ছা?’ রাফি খুব আগ্রহ নিয়ে শুনছে।

    মুনিয়া বলল, ‘এমন সবাইই। ধরো কেউ বলছে তার মাকে তার দাদা-দাদি, ফুপু বা চাচিরা মিলে ভয়ানক যন্ত্রণা দিয়েছে, তার বাবাকে সহজ-সরল পেয়ে বাবার বন্ধুরা ব্যবসায় ঠকিয়েছে, চাচারা সম্পত্তির ভাগ দেয়নি, মেরে দিয়েছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে, জগতের এমন সব নির্যাতিত নিপীড়িত, প্রতারিত, সৎ, নিরীহ, ভালো মানুষদের সাথেই কী করে আমার পরিচয় হয়? কেন অসৎ, নিপীড়ক, প্রতারক, অবিশ্বস্ত কোনো খারাপ মানুষের সাথে আমার পরিচয় হয় না? কেন কেউ এসে কখনো বলে না, জানো আমার নানা বা বাবা এই বাড়িটা ঘুষের টাকা দিয়ে কিনেছে বা জোর করে তার বন্ধুর কাছ থেকে দখল করে নিয়েছে? বা কেউ কেন কখনো বলেনা যে আমার পার্টনারের প্রতি আমি লয়্যাল ছিলাম না, বাট সে আমার প্রতি শতভাগ লয়্যাল ছিল। তার সাথে সম্পর্ক থাকা অবস্থায়ও আমি আরো একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলাম। সে আমাকে বারবার সুযোগ

    দিয়েছে, বুঝিয়েছে, তারপরও আমি থাকিনি। সে একটা অসাধারণ মানুষ। কিন্তু আমার মতো বাজে একটা মানুষের সাথে যে সে কী করে এতদিন থাকল, আমি জানি না। কেন কেউ এমন করে কখনো বলে না? তাহলে এই অসৎ, অবিশ্বস্ত, নিপীড়ক, প্রতারক মানুষগুলো কি সব মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছে?’

    মুনিয়া গ্লাস থেকে ঢকঢক করে পানি খেল। এক নাগাড়ে অনেকগুলো কথা বলে সামান্য হাঁপাচ্ছে সে। রাফি বলল, ‘হুম। মানুষ সবসময়ই নিজের কাজটাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করে। এ কারণেই সে সবসময় ভাবে অন্যজন ভুল। আর আমিই সঠিক।’

    ‘হুম। হয়তো আমিও তাদেরই দলে।’

    রাফি কথা বলল না। চুপ করে রইলো। মুনিয়ার হঠাৎ কী হলো, সে বলল, ‘তোমার কী হয়েছে?’

    ‘কী হবে? রাফি অবাক হলো।

    ‘তাতো জানি না। তবে সবসময় কেমন অন্যরকম হয়ে থাকো। ভীত, সন্ত্রস্ত।’

    ‘সেটাইতো স্বাভাবিক, তাই না? তুমিইতো কতভাবে সতর্ক করে দিয়েছো। এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না। তার একটা ইমপ্যাক্টতো আছেই। আছে না?’ মৃদু হাসল রাফি।

    ‘কী জানি, হয়তো।’ মুনিয়া সামান্য থেমে হঠাৎ মনে পড়েছে এমন ভঙ্গিতে বলল, ‘ওহ, তুমি সেদিন ঋদ্ধির নোটবুকে ওটা কী লিখে দিয়েছিলে?’

    রাফি অনুসন্ধিৎসু কণ্ঠে বলল, ‘কী? কিছু একটা লিখে দিয়েছিলাম, কিন্তু কী লিখেছিলাম, তাতো মনে নেই।’

    ‘ওহ। চোখ নিয়ে কিছু একটা লিখেছিলে।’

    রাফি খানিক ভেবে বলল, ‘ও হ্যাঁ, আমার আগের লেখা একটা কবিতার লাইন। ছোট মানুষতো, দেখা হলেই সারাক্ষণ এটা-সেটা আবদার করে। সেদিন বলল, চোখ নিয়ে কবিতা লিখে দিতে হবে। চট করে ওই লাইনটা মাথায় এলোতো, তাই দিয়ে দিলাম।’

    ‘হুম।’

    ‘কেন? কিছু হয়েছে?’

    মুনিয়া তটস্থ ভঙ্গিতে বলল, ‘না না কী হবে! এমনিতেই, পড়াশোনাটা ঠিকঠাক করছে না। রেজাল্ট নিয়েও টেনশন হচ্ছে। তা ছাড়া স্কুলে নানাবিধ ঝামেলায় আমিও সময় দিতে পারছি না। এর মধ্যে এদিক-সেদিক থেকে নানারকম প্রশ্রয় পায়। ফলে একটু অমনোযোগীও হয়ে যাচ্ছে। আসলে বয়সটাইতো অমন। এই বয়সের ছেলে-মেয়েরা একটু প্রশ্রয় পেলেই বখে যাওয়ার সুযোগ থাকে।’

    ‘ঋদ্ধি কিন্তু মোটেই তেমন নয়। খুব শান্ত আর স্থির! বয়সের তুলনায় অনেক ধীর-স্থির সে। আর কী সুন্দর করে হাসে, দেখতে এত ইনোসেন্ট লাগে! তোমার মেয়ে বলে বলছি না কিন্তু, ও অনেক লক্ষ্মী একটা মেয়ে। পড়াশোনায়ও তো আমাদের রথির চেয়ে অনেক ভালো।’

    মুনিয়া অস্ফুট শব্দ করল, ‘হুম।’

    তারপর আর কথা বাড়াল না। ঋদ্ধি আসলেই শান্ত, ধীর, স্থির। এই বয়সের অন্য মেয়েদের তুলনায় খানিকটা অন্তর্মুখী আর মা ঘেঁষাও সে। কোনো কিছু নিয়ে খুব একটা অভিযোগও নেই তার। তার হাসিও মিষ্টি। সে দেখতেও সুন্দর। মুনিয়া এই বিষয়গুলো জানে, বোঝে, উপলব্ধিও করে। আর এসব কারণেই মা হিসেবে ঋদ্ধিকে নিয়ে তার আলাদা একটা ভালো লাগাও কাজ করে। বিশেষ এক ধরনের গর্বও অনুভূত হয়। কিন্তু সেই একই কথাগুলোই রাফির মুখে শুনে কেমন সূক্ষ্ম অথচ তীব্র এক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল তার শরীরজুড়ে। সে প্রাণপণে চেষ্টা করছে এই অনুভূতিটাকে অগ্রাহ্য করতে। কিন্তু পারছে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }