Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৩

    ৩

    টুমরো’স গ্লোরি স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে রাফি। তার ছোটবোন রথি এই স্কুলে পড়ে। সে ঋদ্ধির ক্লাসমেট। ভালো বন্ধুও তারা। ক্লাস শেষে রথিকে স্কুল থেকে নিয়ে যাবে রাফি। কিন্তু কী এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কারণে স্কুল ছুটি হতে দেরী হচ্ছে। রাফি ভেবেছিল এই ফাঁকে যদি মুনিয়ার সাথে খানিক দেখা করা যেত! সে বার কয়েক ফোনও করেছে মুনিয়াকে। মুনিয়া অবশ্য রাফির ফোন ধরেনি। টেক্সট করে জানিয়ে দিয়েছে জরুরি মিটিং চলছে তার। মুনিয়া বসে আছে স্কুলের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান আকবর আলীর সামনে। সে বলল, ‘আমাদের একটা বড় অডিটরিয়াম খুব জরুরি হয়ে গেছে স্যার।

    আকবর আলী গম্ভীর গলায় বললেন, ‘আমিতো সেটা বুঝতে পারছি, কিন্তু গভর্নিং বডির অন্য সদস্যরাতো কেউ সেটা বুঝতে চাইছেন না। তারা নিজেদের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ভাবছেন। আর এ কারণে কমিটিতে ফজলে নূরের দল ক্রমশই ভারী হচ্ছে। আমি হচ্ছি দুর্বল। তারা চাইছেন আগের অডিটরিয়ামটাই সংস্কার করা হোক।’

    ‘কিন্তু স্যার, আমাদের স্টুডেন্ট বাড়ছে, একটিভিটিজ বাড়ছে। আগের অডিটরিয়াম সংস্কার করলে হয়তো ভেতরের ডেকোরেশন বা ফ্যাসিলিটিজ বদলানো যাবে, কিন্তু স্পেস বাড়ানোরতো আর সুযোগ নেই। অথচ আমরা আগের চেয়ে প্রায় দেড়গুণ বেশি স্টুডেন্ট ভর্তি করব সামনে। অ্যানুয়াল কোনো কম্বাইন প্রোগ্রামতো তখন আর এখানে করা যাবে না। বাইরের কোনো অডিটরিয়াম ভাড়া করে করতে হবে। সেটাও রেগুলার করতে গেলে কিন্তু খুব এক্সপেন্সিভ হয়ে যাবে।’

    ‘হুম।’ আকবর আলী আরো গম্ভীর হয়ে গেলেন। ‘সমস্যা হচ্ছে অন্যরা এই মুহূর্তেই অত টাকা খরচ করতে চাইছেন না।’

    কিন্তু স্যার, এই মুহূর্তে আমাদের ফান্ডেরতো কোনো সমস্যা নেই। ইভেন আমরা চাইলে অনেক ডোনেশনও ম্যানেজ করতে পারি।’

    আকবর আলী এবার হাসলেন, ‘তা পারি। কিন্তু সবাই কি আর চায় সেই ফান্ড বা ডোনেশনের সবটাই কেবল স্কুলের কাজেই খরচ হোক?’

    মুনিয়া জবাব দিল না। সাম্প্রতিক সময়ে ভেতরে ভেতরে স্কুলের নানান বিষয়ে যে একটা অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হয়েছে তা সে জানে। ফলে সব বিষয়ে নিজের মতামত সে দিতে চায় না। যতটা সম্ভব সতর্ক হয়েই চলার চেষ্টা করে।

    আকবর আলী বললেন, ‘এমন একটা প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলতো আর সবার কাছে কেবলই ওয়েলফেয়ার বা চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন না। বেশির ভাগের কাছেই এটা স্রেফ একটা বিজনেস। তাই না? সবাইতো আর আমার মতো করে ভাববে না। তা ছাড়া এতবছর পর যখন স্কুলের ফান্ড ফুলে ফেঁপে উঠেছে, তখন সবাইতো পারসোনাল প্রফিটের কথা ভাববেই। আমি একা কী করব বলুন? কোটি কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারার হিসেব চলছে। আপনি জানেন, ফজলে নূর কোনোভাবেই চান না এই মুহূর্তে নতুন আর কোনো কন্সট্রাকশনের কাজ স্কুলে হোক। হলেও সেটার টেন্ডার নিয়ে ঝামেলা। আমিতো পাশের খালি জমিটাও কিনে ফেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তার দল দিনকে দিন ভারী হচ্ছে। সবাই লাভের গুড় দেখে পিঁপড়ে হয়ে গেছে, বুঝলেন? ফজলে নূরতো সেদিন মিটিংয়ে আমাকে একভাবে থ্রেটই করে বসলেন! কত বড় সাহস একবার ভাবেন, আমি সরকারি দলের পলিটিকস করি, অথচ সে বিরোধী দলের পলিটিকস করেও আমাকে থ্রেট করে!’

    একটু থেমে আকবর আলী বললেন, ‘আমি নেহাতই একজন নিরীহ মানুষ বলে এখনো চুপচাপ রয়েছি। আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে এতদিনে কী হয়ে যেত বলুনতো!’

    মুনিয়া এবারও জবাব দিল না। সে এ সব বিষয়ে কথা বলতে চায় না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সে। তার কাজ স্কুলের সুবিধা-অসুবিধার কথা গভর্নিং বডির কাছে জানানো। কিন্তু সিদ্ধান্ত তাদের। উল্টাপাল্টা কিছু বলে কারো বিরাগভাজন হতে চায় না সে। তবে এটি স্পষ্ট যে স্কুলের পরিচালনা পর্ষদ দুটি দলে বিভক্ত হয়ে গেছে। তারা প্রায়ই মুখোমুখি দ্বন্ধেও জড়িয়ে পড়ছে। ফলে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে। স্কুল মাঠের দক্ষিণ দিকের চারতলা ও কলেজের একটি ভবনের কাজও অনেকদূর পর্যন্ত এগিয়ে এখন অসমাপ্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আছে। কাজটি যাদের দেয়া হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দিয়ে কাজ পাওয়ার অভিযোগ তুলেছে গভর্নিং বড়িরই একটা অংশ। ভেতরে ভেতরে এই দুই দলের মধ্যে একটা তীব্র স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। কখনো কখনো তা বিস্ফারিতও হচ্ছে। দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে, এই দু পক্ষই রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাধর। যদিও দু পক্ষেই সরকারি ও বিরোধী দলের প্রভাবশালী রাজনৈতিক লোকজন রয়েছে। ফলে পরিস্থিতি সবসময়ই উত্তপ্ত। এই নিয়ে মুনিয়ার মাঝে মাঝেই খুব ভয় হয়। কে জানে, কতদিন আর সে দুই পক্ষের কাছেই নিজের নিরপেক্ষ অবস্থান আর গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখতে পারবে! এমনিতেই এক পক্ষ মনে করে মুনিয়া অন্য পক্ষের বিশেষ সুবিধা পেয়ে সিনিয়র অনেক শিক্ষককে টপকে অল্পদিনেই প্রধান শিক্ষক হয়ে গেছে। তাদের এই অসন্তোষটাও মুনিয়া টের পায়।

    আকবর আলী কিছু বলতে যাবেন তার আগেই ঘরে ঢুকলেন গভর্নিং বডির সেক্রেটারি ফজলে নূর। তিনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তা কী ফিসফাস হচ্ছে?’

    মুনিয়াও হাসল, ‘আজকের মিটিংয়ে খাবারের মেন্যু কী হবে, তাই নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’

    ‘দেখেন, খাবারে আবার বিষ টিষ মিশিয়ে দিয়েন না।’ ফজলে নূর হাসলেন। ‘কই, আরতো কাউকে দেখছি না?’

    খুব বেশি অবশ্য কেউ এলোও না। এটি নিয়েও মুনিয়া বিরক্ত। জরুরি মিটিংগুলোতে কেউই আসতে চায় না। ফলে নানা বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিতেও সমস্যা হয়। আবার যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, তা নিয়ে পরে শুরু হয় অসন্তোষ। রফিকুল আলম এসেছেন। স্কুলের পরিচালনা পর্ষদে তিনি প্রভাবশালী মানুষ। সরকারি দলের স্থানীয় রাজনীতিতেও তার ভূমিকা রয়েছে। প্রথম দিকে মুনিয়ার সাথে তার সম্পর্কটাও বেশ ভালোই ছিল। যদিও নানা কারণে পরবর্তীতে তা আর ততটা মসৃণ থাকেনি।

    রফিকুল আলমকে দেখে অবশ্য ফজলে নূরের চেহারা কঠিন হয়ে গেল। দুজনের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। বার কয়েক মিটিংয়ে প্রায় হাতাহাতি পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছিলেন তারা। মুনিয়া প্রমাদ গুনলো। রফিকুল আলমের চেহারা থমথমে। তিনি বসতে বসতে বললেন, ‘আপনি যা শুরু করেছেন, তাতেতো আর বেশিদিন আপনাকে স্কুল কমিটিতে থাকতে দেয়া হবে না।’

    ফজলে নূর ঝট করে ঘুরে তাকালেন, ‘কী করবেন আপনি?’

    ‘কী করব সেটি সময় হলেই দেখতে পাবেন।

    ‘পাওয়ারের ভয় দেখাচ্ছেন?’

    ‘তা আর পারলাম কই? আমাদের কাউকে ভয় দেখাতে পাওয়ার লাগে না। ওটা আপনা আপনিই হয়ে যায়।’

    ফজলে নূর মৃদু হাসলেন, ‘এখন আছেন বলেই যে চিরকাল পাওয়ারে থাকবেন এটা ভাববেন না। অবশ্য আপনি পাওয়ারে থাকলেই কী, না থাকলেই কী! নিজের সরকার ক্ষমতায় থাকতেও সামান্য কমিশনার ইলেকশনেই জিততে পারলেন না। আবার বড় বড় কথা বলেন। সাধারণ মানুষের কাছেইতো আপনার গ্রহণযোগ্যতা নেই। ম্যাস পিপলের একসেপটেন্স ছাড়া পলিটিকস করা আর ক্যাডার পলিটিকস করা একই জিনিস।’

    রফিকুল আলম তেঁতে ওঠা গলায় বললেন, ‘কে কী পলিটিকস করে, সেটা আপনাকে আমি হাড়ে হাড়ে টের পাওয়াব। ‘

    ফজলে নূর ক্ষেপলেন না। শান্ত গলায় বললেন, ‘আপনি কী পারেন, সেটা আমরা জানি। আর আমরা আপনার মতো কথায় কথায় গর্জাই না, সময় মতো বর্ষাই। বুঝলেন?’ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে সময় লাগল না। মুনিয়া যথাসম্ভব চেষ্টা করল দুজনকেই শান্ত করার। কিন্তু তাতে লাভ কিছু হলো না। মিটিংও শেষ অবধি হলো না। আকবর আলীসহ আরো যে কজন ছিলেন তারাও রেগে মেগে বেরিয়ে গেলেন। রফিকুল আলম অবশ্য চুপচাপ বসে রইলেন। মুনিয়া বেরিয়ে যাচ্ছিল। রফিকুল আলম আচমকা ডাকলেন, ‘মুনিয়া!’

    মুনিয়া ফিরে তাকাল না। তবে থমকে দাঁড়াল। তার মুখ থমথমে। রফিকুল আলম আরো কিছু বলতে চাইছিলেন, কিন্তু তার আগেই মুনিয়া বলল, ‘আমার একটু তাড়া আছে স্যার, নেক্সট মিটিংয়ে কথা হবে।’

    রফিকুল আলম একা একা বসে রইলেন। মুনিয়ার সাথে তার আলাদা করে কী কথা ছিল কে জানে! তবে ফজলে নূরের ওপর তিনি যারপর নাই ক্রুদ্ধ। বারবার চেষ্টা করছেন নিজের এই ক্রোধটাকে সংবরণ করতে, কিন্তু পারছেন না। ফজলে নূরকে দেখলেই তার মাথাটা দপ করে জ্বলে ওঠে। সেই আগুন আর তিনি নেভাতে পারেন না। মানসিকভাবে ভয়াবহ অস্থির সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এই অস্থিরতার কারণে কোনো কাজ ঠিক মতো করতেও পারছেন না। সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। নিজের দল ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও কমিশনার ইলেকশনে তিনি ফজলে নূরের বড় ভাইয়ের কাছে হেরেছেন। এই নিয়ে দলের মধ্যেও একভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। অনেকেই চাইছেন দলের নীতিনির্ধারকরা যেন তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে তার স্থলাভিষিক্ত করেন। বিষয়গুলো নিয়ে প্রচণ্ড মানসিক চাপ যাচ্ছে রফিকুল আলমের। হয়তো এ কারণেই আজকাল অল্পতেই রেগে যান। যখন তখন ক্রোধোন্মত্ত হয়ে পড়েন। যে করেই হোক এই মানসিক অস্থিরতা তাকে কাটিয়ে উঠতেই হবে।

    .

    স্কুল ছুটি হয়েছে। ঋদ্ধি ছুটে এসে বলল, ‘মা একটা কথা বলি?’

    মুনিয়া বলল, ‘কী কথা?’

    ‘আগে বলো বকবে না।’

    ‘বকব কেন?’

    ‘আমি জানি তুমি বকবে।

    ‘যদি জানোই আমি বকব, তাহলে তেমন কথা বলবে কেন?’

    এই কথায় চুপ হয়ে গেল ঋদ্ধি। সে জানে মা যখন তাকে তুমি করে সম্বোধন করে, তখন হয় মায়ের মেজাজ খারাপ, কিংবা মন ভালো নেই। এই সময়ে তেমন কিছু না বলাই ভালো। খানিক আগে যে উচ্ছ্বাস নিয়ে সে মায়ের কাছে এসেছিল, ‘সেই উচ্ছ্বাস মুহূর্তেই হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। মুনিয়ারও মুখ থমথমে। সে গম্ভীর গলায় বলল, ‘তোমার ব্যাগ কই?’

    ‘রথির কাছে।’

    ‘রথির কাছে কেন তোমার ব্যাগ?’

    ঋদ্ধি কিছু বলতে গিয়েও নিজেকে সামলে নিল। স্কুলের গেটের বাইরে রথি আর রাফি দাঁড়িয়ে আছে। মুনিয়াকে দেখে রাফি সালাম দিল। মুনিয়া স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই সালামের জবাব দিল। রথি চট করে কথাটা বলল, ‘ম্যাম, ঋদ্ধি বলছিল আমাদের বাসায় যাবে। ভাইয়া নাহয় সন্ধ্যায় পৌঁছে দিয়ে আসবে।’

    মুনিয়া জানে না কেন, দপ করে তার মাথার ভেতরটা জ্বলে উঠল। সে নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করেও পারল না। ঝাঁজালো গলায় বলল, ‘সন্ধ্যায় আর বাড়ি ফেরার কী দরকার? তোমাদের বাসায়ই না হয় থেকে যাক। যেহেতু তার আর পড়াশোনা করার দরকার নেই, সো বন্ধু, আড্ডা-গল্প, কবিতা, নোভেল, টেলিভিশন এসব নিয়েই না হয় সে থাকুক।’ বলে ঋদ্ধির দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত ভঙ্গিতে বলল, ‘যাও, আজ আর ফেরারই দরকার নেই। ওখানেই থাকো।’

    ঋদ্ধি অবশ্য গেল না। সে রথির হাত থেকে তার স্কুল ব্যাগটা নিতে নিতে বলল, ‘না, আজ থাক।’

    রথিও অবশ্য আর জোর করল না। মুনিয়ার মেজাজ যে ভালো নেই তা সে বুঝতে পারছে। বুঝতে পারছে রাফিও। মুনিয়ার সাথে আলাদা করে কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছিল তার। কিন্তু সে জানে, ঋদ্ধি এবং রথির সামনে কোনোভাবেই বিশেষ কোনো কথা বলা সম্ভব নয়। রথির শিক্ষক এবং দিপুর ভাবি হিসেবেই যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক কথাবার্তাই চালিয়ে গেল রাফি। তবে সে স্পষ্টই বুঝতে পারছে মুনিয়ার মন ভালো নেই। হয় সে ঋদ্ধির ওপর কোনো কারণে রেগে আছে। কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে। সেই কারণটা এই মুহূর্তে জানার কোনো উপায় নেই। তাকে অপেক্ষা করতে হবে গভীর রাত অবধি। ঋদ্ধি এবং জাফর ঘুমিয়ে যাওয়ার পরই কেবল সে মুনিয়ার সাথে ফোনে কথা বলতে পারবে। তারপর ওই ফুটপাতে বসে সে মুনিয়াকে কবিতা পড়ে শোনাবে। মুনিয়া চুপচাপ কানে ফোন চেপে ধরে বারান্দা থেকে তার দিকে তাকিয়ে থাকবে। তারপর তার বুক চিড়ে নেমে আসবে এক সুদীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস। সেই দীর্ঘশ্বাস মিশে যাবে শহুরে বাতাসে।

    কে জানে, সেই বাতাসে আর কত শত সহস্র মানুষের দীর্ঘশ্বাস মিশে আছে!

    .

    বাড়ি ফিরতে ফিরতে ঋদ্ধি বলল, ‘তোমার মন খারাপ মা?’

    ‘মন খারাপ কেন হবে?’

    ‘এই যে আমি হুট করে রথিদের বাড়িতে যেতে চাইছিলাম।’

    ‘তোমার কি মনে হয়, এই কারণে আমার মন খারাপ করা উচিত?’ মুনিয়া পাল্টা প্রশ্ন করল।

    ঋদ্ধি চুপ করে রইল। মুনিয়া বলল, ‘তুমি বড় হয়েছো না?’

    ‘হুম।’

    ‘এখন কি তোমার যখন-তখন যেখানে সেখানে যাওয়ার বায়না ধরা ঠিক?’

    ‘উহু।’

    ‘তাহলে?’

    ঋদ্ধি কিছু একটা বলতে গিয়েও আর বলল না। মুনিয়া ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে ফেলতে বলল, ‘তুমি বড় হয়েছো, তারপরও তোমাকে আমি সব ধরনের স্বাধীনতা দিয়েছি। কখনো কিছু করতে বাধা দিইনি। বাট এর মানে এই নয় যে তোমার কোনো বিবেচনা বোধও থাকবে না।’

    ‘কিন্তু মা, ওখানেতো রথি, আঙ্কেল, আন্টি আর রাফি ভাইয়া ছাড়া…।’

    ঋদ্ধিকে কথাটা শেষ করতে দিল না মুনিয়া। তাকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে সে বলল, ‘তুমি যতটা বড় হয়ে গেছো বলে ভাবছো, ততটা বড় আসলে তুমি হওনি তোমাকে আরো অনেক কিছু বুঝতে হবে। তুমি আর কখনো রথিদের বাসায় যাওয়ার কথা বলবে না।’ কথাটা বলেই মুনিয়ার মনে হলো এভাবে কথাটা বলা তার ঠিক হয়নি। ঋদ্ধি হয়তো অন্য কিছুও ভাবতে পারে। সে সাথে সাথেই আবার বলল, ‘তোমার সামনে খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়, এ সময়টাতে তোমাকে পড়াশোনায় আরো মনোযোগী হতে হবে। আপাতত কোনো বন্ধুর বাসায়ই যাওয়া যাবে না।’

    ঋদ্ধি আর কোনো কথা বলল না। কিন্তু বাড়ি ফেরার বাকিটা সময় একটা তীব্র অস্বস্তিকর অনুভূতি খোঁচাতে লাগল মুনিয়াকে। সে পরিষ্কার বুঝতে পারছে, ঋদ্ধির আর কোনো বন্ধুর বাসায় যাওয়া নিয়ে তার সমস্যা নেই। তার সমস্যা কেবল রথির বাসা নিয়ে। কারণ সেখানে রাফি রয়েছে। মুনিয়ার আচমকা মনে হলো, সে অবচেতনেই তীব্র এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছে। তার এই নিরাপত্তাহীনতা রাফিকে কেন্দ্র করে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ, বিব্রতকর এবং লজ্জাজনক বিষয় হচ্ছে তার সেই নিরাপত্তাহীনতা সে অনুভব করছে ঋদ্ধির কারণে! ঋদ্ধি তার কন্যা। সে মা। অথচ সময় ও সম্পর্ক কী এক বিভৎস, দুর্বিষহ সমীকরণের মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়েছে তাকে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }