Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ১৮

    ১৮

    আনন্দে ঋদ্ধির শরীর কাঁপছে। এই চৌদ্দ বছরের জীবনে এমন আনন্দময় অনুভূতি সে এর আগে কখনো অনুভব করেনি। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে রাফি। রাফির গায়ে কালো শার্ট। শার্টের বোতাম খোলা। ভেতরে ধবধবে সাদা টি-শার্ট। টি- শার্টের বুকের ওপর লেখা, ‘আমাকে হারাতে দিলে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তিতে ছেয়ে যাবে তোমার শহর…।’ লেখার নিচে রাফির নিজের নামটাও সুন্দর করে লেখা। রাফি এসেছিল স্কুল থেকে রখিকে নিয়ে যেতে। মুনিয়ার আজও মিটিং চলছে। ফলে তার বের হতে খানিক দেরি হচ্ছে। ঋদ্ধি তাই মার জন্য অপেক্ষা করছিল। রাফি বলেছিল, ‘তুমি কি একা একা অপেক্ষা করবে? নাকি মা আসা অবধি আমরাও থাকব তোমার সাথে?’

    ঋদ্ধি কী বলবে বুঝে উঠতে পারছিল না। এই এক সমস্যা তার, রাফির সামনে কোনোকিছুই গুছিয়ে বলতে পারে না সে। সহজ, সাধারণ কথাটাও না। বাড়িতে বসে কতবার যে সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার অনুশীলন করেছে, কিন্তু লাভ হয়নি। রাফি সামনে এলেই তার জগৎসংসার এলোমেলো হয়ে যায়। সে কী বলতে গিয়ে কী বলে ফেলে। তবে এক্ষেত্রে তাকে রক্ষা করল রথি। রথি বলল, ‘একটু থাকি ভাইয়া। ম্যাডামের যদি মিটিং শেষ করতে দেরি হয়ে যায়?’

    ‘ওতো তাহলে ওর আম্মুর রুমেই গিয়ে বসতে পারে?’ রাফি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিল।

    রথি বলল, ‘ওখানেও অনেক লোকজন বসে আছে।‘

    রাফি অবশ্য আর কথা বাড়াল না। সে ওদের থেকে দূরে গিয়ে একটা বেঞ্চিতে বসে হেডফোনে গান শুনতে লাগল। ঋদ্ধি কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। রথি বলল, ‘তোর মা কি চলে এসেছে?’

    ঋদ্ধি উত্তর দিল না। সে হনহন করে হেঁটে রাফির সামনে গিয়ে দাঁড়াল।

    তারপর বলল, ‘আপনি আমাকে একটা কবিতা লিখে দেবেন?’

    রাফি তার কান থেকে হেডফোনটা খুলে উৎসুক চোখে তাকাল। তারপর বলল, ‘একবার না তোমাকে কবিতা লিখে দিলাম?

    ‘উহুম। ওরকম কবিতা না।’

    ‘তাহলে কী রকম কবিতা?’

    ‘স্কুলের ফাংশানে মার ডায়েরিতে যেমন লিখে দিয়েছিলেন।’

    রাফি ভ্রু কুঁচকে তাকাল, ‘কী লিখেছিলাম তাতো ভুলে গেছি!’

    ঋদ্ধি খানিক চুপ করে থেকে বলল, ‘চোখ নিয়ে।’

    ‘চোখ নিয়ে?’ রাফি অবাক হলো। এবং এই প্রথমবারের মতো সে আবিষ্কার করল ঋদ্ধি দু চোখ ভর্তি করে কাজল পরেছে। যদিও তার আনাড়ি হাতে পরা সেই কাজল লেপ্টে গিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে চোখের দু পাশে। দেখতে কেমন অদ্ভুত লাগছে। আবার ওই সলজ্জ, সঙ্কোচে গুটিয়ে থাকা দ্বিধান্বিত কিশোরী মুখখানায় ওই লেপ্টানো কাজলটুকুই যেন ছড়িয়ে দিয়েছে প্রগাঢ় মায়া। সে ঋদ্ধির হাত থেকে নোটবুকটা নিল। এই মুহূর্তে লেখার মতো কিছুই তার মাথায় আসছে না। তবুও ঋদ্ধির নোটবুকটাতে সে খসখস করে আগে লেখা তার একটা কবিতার দু লাইন লিখে দিল।

    ‘দহনের দিনে, কিছু মেঘ কিনে, যদি ভাসে মধ্য দুপুর,
    তবু মেয়ে জানে, তার চোখ মানে, কারো বুক পদ্ম পুকুর।’

    নোট বুকটা হাতে নিয়ে ঋদ্ধি মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইলো। তার বিশ্বাস হচ্ছে না রাফি তাকে এই লাইনগুলো লিখে দিয়েছে! এই কথাগুলো কেবল তার। সে বারবার বিড়বিড় করে কথাগুলো পড়ল। কিছু বুঝল, কিছু বুঝল না। কিন্তু শেষ লাইনের কথা কটি তার ছোট্ট বুকের খুব গহীনে কোথাও যেন তিরতির করে বইয়ে দিতে লাগল এক স্রোতস্বিনী নদী।

    .

    মুনিয়া বের হলো তারও কিছুক্ষণ পর। এই পুরোটা সময় ঋদ্ধি তন্ময় হয়ে বসে রইলো। খটখটে দুপুর, খাঁখাঁ রোদ্দুর, তীব্র গরম আর একটা লু হাওয়া বয়ে যাচ্ছে শহরজুড়ে। কিন্তু ঋদ্ধির সবই ভালো লাগছে। অজানা কোনো এক ফুলের রেণু যেন তার ভাবনার জগৎটাকে সুবাসিত করে রাখল পুরোটা সময়। বাড়ি ফেরার সময় রিকশায় সে মাকে বলবে না বলবে না করেও কথাটা বলে ফেলল, ‘আচ্ছা মা, দহনের দিন মানে কী?’

    মুনিয়া আনমনা ভঙ্গিতে বলল, ‘দহন মানে জানিস না তুই?’

    ঋদ্ধি ভয়ে ভয়ে বলল, ‘ইটস বার্নিং, মানে বার্নিং ডে, তাই না মা?’

    ‘বাংলা শব্দের অর্থ ইংরেজিতে বুঝতে হচ্ছে, এই হলো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ার ফলাফল?’

    ‘তা না মা। আমি বুঝতে পারছি, আবার পারছিও না।’

    ‘কী বুঝতে পারছিস না?’

    ‘ধরো, দহনের দিনে, কিছু মেঘ কিনে, যদি ভাসে মধ্য দুপুর, এই লাইনটা আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না।’

    মুনিয়ার আনমনা ভাবটা হঠাৎ কেটে গেল। সে ঋদ্ধির দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কী ব্যাপার বলতো? এই লাইন তুই কই পেলি?’

    ঋদ্ধির আচমকা মনে হলো সে মাকে কথাটা বলতে চায় না। বা বলাটা ঠিকও হবে না। মা হয়তো রেগে যাবে। এমনিতেই বেশ কিছু দিন থেকে মা প্রয়োজনে- অপ্রয়োজনে তার ওপর রেগে যাচ্ছে। সে কাঁচুমাচু ভঙ্গিতে বলল, ‘একজন বলল লাইনটা।’

    ‘কে বলল?’

    ‘আমাদের ক্লাসের একজন, তুমি চিনবে না।’

    ‘আর কিছু ছিল না?’

    ‘উহু। শুধু এটুকুই।’

    ‘আবার বলতো?’ ঋদ্ধির কথাটা কেন যেন বিশ্বাস হলো না মুনিয়ার।

    ঋদ্ধি আবার বলল। মুনিয়া খানিক ভেবে বলল, ‘হয়তো বৃষ্টি হচ্ছে না এমন কোনো একটা প্রচণ্ড গরমের দুপুরে মেঘের কাছ থেকে বৃষ্টি প্রার্থনা করছে কেউ। মানে কিনতে চাইছে। তারপর মেঘ বৃষ্টি ঝরাতেই সে সেই বৃষ্টিতে ভিজে শীতল হলো।’

    ‘মেঘ কি কেনা যায় মা?’

    ‘ধুর বোকা, এটাতো আর সরাসরি কেনা নয়। কবিতায় এমন থাকে। কোনো একটা শব্দ বা বাক্য দিয়ে ভাবটা বোঝানো হয়।’

    ‘রাফি ভাইয়ার কবিতাগুলো খুব ভালো, তাই না মা?’

    মুনিয়া হঠাৎ সতর্ক হয়ে গেল, ‘সেটা আমি কী করে বলব? আমিতো আর রাফির কবিতা পড়িনি।’

    ‘কেন? তোমাকে যে একবার কী সুন্দর একটা কবিতা লিখে দিল!’

    মুনিয়া তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে বলল, ‘কী জানি! অত কী আর মনে আছে আমার? এই বয়সের সব ছেলেপুলেরাই এমন ছাইপাশ লেখে। এগুলোকে তেমন গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই।‘

    ‘সত্যি?’

    ‘হুম। কিছুদিন গেলে একটু ম্যাচিওর হলে তারা নিজেরাই বুঝতে পারবে, এতদিন যা লিখেছে, তার কিচ্ছুই হয়নি। সব ফালতু।’

    ‘ওহ।’ ঋদ্ধি মনে মনে খুবই আহত হলো। কিন্তু মাকে সেটি বুঝতে দিল না সে। হতে পারে মা ঠিক কথাই বলছে। তাকেও তো মা সবসময়ই বলে, ‘আরেকটু বড় হ, তারপর সব বুঝবি। এখনো বোঝার বয়স হয়নি।’

    কে জানে, হয়তো সে ছোট বলেই এসব তার ভালো লাগে। কিংবা এমনও হতে পারে রাফি ভাইয়াকে তার ভালো লাগে বলে সে যা করে তার সবকিছুই তার ভালো লাগে। এমন নানা এলোমেলো ভাবনায় চুপ করে রইলো ঋদ্ধি। বাকিটা পথ আর একটা কথাও বলল না সে। কিন্তু আজ ঋদ্ধির এমন অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন, কৌতূহল তারপর হঠাৎ এমন চুপ হয়ে যাওয়া চোখ এড়াল না মুনিয়ার

    কেমন একটা অব্যক্ত অস্থিরতা বুকে পুষে বাড়ি ফিরল সে।

    .

    বাড়ি ফিরেও স্বস্তি পেল না সে। বরং একটা চাপা, একটা সূক্ষ্ম কিন্তু তীব্র অস্বস্তি ভেতরে ভেতরে অগোছালো করে রাখল তাকে। জাফর বাড়ি ফিরল সন্ধ্যার খানিক পর। মুনিয়া তখন ক্লাস টেস্টের খাতাগুলো নিয়ে বসেছিল। জাফর পোশাক পাল্টেই শুয়ে পড়ল বিছানায়। এই ভর সন্ধ্যায় তাকে শুয়ে পড়তে দেখে মুনিয়া বলল, ‘কী হলো, শরীর খারাপ লাগছে?’

    জাফর বলল, ‘উহু।’

    ‘তাহলে? এখুনি শুয়ে পড়লে যে!’

    অফিসে হঠাৎ করেই অনেক কাজের চাপ। একটা ফরেন ডেলিগেটস টিম এসেছে। সারাটা দিন বকবক করে মাথাটা ধরিয়ে দিয়েছে।’ জাফরের গলাটা খুব ক্লান্ত আর ম্লান লাগল মুনিয়ার কাছে। সে আড় চোখে তাকাল। জাফর কি কিছুটা মোটা হয়ে গেছে? তার চোখের নিচে কি কালি জমেছে? মনে মনে একটু ধাক্কার মতো খেল মুনিয়া। এক ঘরে একই বিছানায় থেকেও কতদিন সে জাফরকে দেখার মতো করে দেখে না? সামনে ছড়ানো-ছিটানো খাতাগুলো সরিয়ে রেখে উঠে এলো মুনিয়া। তারপর জাফরের পাশে এসে দাঁড়াল, ‘তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে শরীর খারাপ।’

    ‘শরীর খারাপ নাতো!’

    ‘তাহলে চোখের নিচে কালি কেন? রাতে ঘুম হয় না?’

    ‘সেটাতো আমার চেয়ে তোমারই ভালো জানার কথা। আমার নাক ডাকায়তো উল্টো তোমারই ঘুম হয় না।’ জাফর হাসল। তার হাসিটা বড় ফ্যাকাশে লাগল মুনিয়ার কাছে। সে জাফরের গা ঘেঁষে বসল। কতদিন পরে এভাবে বসল সে নিজেও জানে না। তারপর বলল, ‘তোমার কি ওয়েট বাড়ছে?’

    ‘বুঝব কী করে!’

    ‘কেন, মাপাও না?’

    ‘উহু। ওটাতো তোমাদের মেয়েদের কাজ।’

    ‘ওয়েট মাপা মেয়েদের কাজ হবে কেন?’

    ‘ওজন বাড়া-কমা নিয়ে তোমরা যা কনসার্ন! এক কেজি বাড়লে-কমলেই যেন পৃথিবী ওলট-পালট হয়ে গেল।’

    ‘ভালো স্বাস্থ্য কিন্তু কেবল মেয়েদের ব্যাপার না জাফর। তোমারও বয়স হচ্ছে, এই বয়সে হুট করে ওজন বাড়া ভালো লক্ষণ না। তুমি কী রেগুলার ব্লাড টেস্ট- ঠেস্ট করাও? কোলেস্টেরল দেখো?’

    ‘সময় পাই কই?’

    ‘উহু। সময়ের অজুহাত দিও না। এটা সিরিয়াসনেসের অভাব।’

    জাফর হাই তুলতে তুলতে বলল, ‘আমি রাতে আর খাব না। বাইরে থেকে ভারী খাবার খেয়ে এসেছি।’

    মুনিয়া আরো কিছু বলবে বলে ভেবেছিল। কিন্তু তার আগেই জাফর পাশ ফিরে শুইলো। আর সাথে সাথেই তার নাক ডাকার শব্দ শোনা গেল। মুনিয়ার একটু দুশ্চিন্তাই হচ্ছে। এমনিতে জাফরের ভালো ঘুম হয়। অন্য কোনো সমস্যাও নেই। তারপরও হঠাৎ করেই আজ তাকে দেখে খানিকটা ধাক্কার মতোই খেয়েছে মুনিয়া। কোথায় যেন বড় ধরনের একটা শারীরিক পরিবর্তন ঘটে গেছে জাফরের। এবং পরিবর্তনটা ভালো নয়। তাকে ভালো একজন ডাক্তার দেখানো দরকার। কিন্তু মুনিয়ার হাতেও একদমই সময় নেই। তা ছাড়া দুজনের সময় মেলানোটাও প্রায় অসম্ভব। সবচেয়ে ভালো হয় জাফর একা গিয়েই ডাক্তারটা দেখিয়ে এলে। কিন্তু এসব ব্যাপারে তার যে অনীহা, মনে হয় না সে একা যাবে।

    মুনিয়া আবার খাতা দেখতে বসল। কখন যে অনেক রাত হয়ে গেছে টেরই পেল না সে। এর মধ্যে রাফি বার কয়েক ফোন করেছে তাকে। কিন্তু কেন যেন রাফির ফোন ধরতে ইচ্ছে করছিল না মুনিয়ার। সে খাতাগুলো গুছিয়ে রেখে ঋদ্ধির ঘরে উঁকি দিল। ঋদ্ধি ঘুমিয়ে পড়েছে। প্রতিদিনকার মতোই তার চারপাশে ছড়ানো-ছিটানো এলোমেলো বই-খাতা। মুনিয়া আলতো পায়ে ঘরে ঢুকল। তার চোখ সতর্ক। দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে ঋদ্ধির বলা কথাগুলো একটা অস্বস্তির কাঁটা হয়ে এখনো কোথায় যেন বিঁধে আছে। খানিক খুঁজতেই নোট বুকটা পেয়ে গেল সে। সেখানে গোটা গোটা অক্ষরে রাফির হাতের লেখা—

    ‘দহনের দিনে, কিছু মেঘ কিনে, যদি ভাসে মধ্য দুপুর,
    তবু মেয়ে জানে, তার চোখ মানে, কারো বুক পদ্ম পুকুর।‘

    লেখাটার দিকে এক দৃষ্টিতে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে রইলো মুনিয়া। তার হঠাৎ মনে হলো, সময় বুঝি থমকে গেছে। স্থির হয়ে গেছে সবকিছু। সেই অনন্ত স্থিরতায় একমাত্র তার অনুভব করার ক্ষমতাটুকুই কেবল সচল। সেই সচল অনুভূতিটুকু তাকে ক্রমশই তীব্র এক যন্ত্রণার চোরা কাঁটায় ক্রমাগত ক্ষতবিক্ষত করতে লাগল।

    রাফির সাথে সেই রাতে আর কথা হলো না মুনিয়ার। তবে দিন দুই বাদে দেখা হলো তাদের। অফিসের ফরেন ডেলিগেটসদের নিয়ে আবারও চট্টগ্রাম অফিসে যেতে হলো জাফরকে। অফিস থেকে পাওয়া তার গাড়িটা পড়ে আছে বাড়ির গ্যারেজে। এই গাড়িটা যখন প্রথম অফিস থেকে পেয়েছিল জাফর, তখন কী যে উত্তেজনা কাজ করেছিল মুনিয়ার! শখ করে ড্রাইভিংটাও শিখে ফেলেছিল সে। মাঝেমধ্যে চালাতোও। কিন্তু তারপর কিছু কিছু ব্যাপারে জাফরের সাথে দূরত্ব তৈরি হতে থাকল। আর ধীরে ধীরে জাফরের সবকিছুর প্রতি আগ্রহও হারিয়ে ফেলতে শুরু করল সে।

    মুনিয়া এখনো জানে না দোষটা আসলে কার ছিল? তার না জাফরের? ঋদ্ধির বয়স তখন তিন কী চার। দীর্ঘ বিরতির পর মুনিয়া আবার চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এখানে সেখানে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল সে। আর ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ করেই একদিন জাফর তাকে বলল, ‘তোমার কি আর চাকরি করার দরকার আছে?’

    ‘থাকবে না কেন? অবশ্যই আছে।’

    ‘কেন বলোতো?’

    ‘কেন বলোতো মানে কী জাফর? আমি কনসিভ করার আগেওতো জব করতাম, করতাম না?’

    ‘হ্যাঁ করতে। কিন্তু তখনতো আর ঋদ্ধি ছিল না। এখন ঋদ্ধি আছে। ওকে দেখাশোনার ব্যাপার আছে। তাই না?’

    ‘হ্যাঁ আছে। তো?’

    ‘তো তুমি চাকরিতে ঢুকলে ওর দেখাশোনা কে করবে?

    ‘তুমি করবে।’

    ‘মানে?’ জাফর চমকে ওঠা গলায় বলল।

    মুনিয়া ভাবলেশহীন ভঙ্গিতে বলল, ‘ঋদ্ধির জন্যতো আমি চার বছর চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলাম, নাউ ইটস ইওর টার্ন। তুমি এখন চার বছরের জন্য চাকরি ছেড়ে দাও।‘

    ‘কী বলছো তুমি?’

    ঠিকই বলছি। ঋদ্ধিতো আর আমার একার না, তাই না? সে তোমারও। তাহলে তার জন্য কেন একা আমাকে চাকরি ছাড়তে হবে?’

    ‘তুমি কিন্তু খামখেয়ালি করছো।’

    ‘আমি মোটেই খামখেয়ালি করছি না। খামখেয়ালি করছো তুমি।’ মুনিয়া কিছুটা উত্তেজিত ভঙ্গিতেই কথাগুলো বলল। তারপর আবার সাথে সাথেই নিজেকে সংযত করল সে। বলল, ‘আচ্ছা, তুমি আমাকে বলোতো যাদের বাচ্চা কাচ্চা আছে তারা জব করে না?’

    জাফর বলল, ‘করবে না কেন? প্রয়োজন থাকলে নিশ্চয়ই করবে। কিন্তু তোমারতো প্রয়োজন নেই।’

    ‘আমার প্রয়োজন নেই?’ মুনিয়া কপাল কুঁচকে তাকাল।

    ‘কী প্রয়োজন বলো? তোমার হাত খরচের টাকা আমি দেই। তুমি চাকরি ছাড়ার পর থেকে এই তিন চার বছর আমি তোমার সব খরচ দিইনি? তোমার যাতায়াতের জন্য গাড়ি রয়েছে। থাকার জন্য বাড়ি রয়েছে। আর কী দরকার তোমার?’

    মুনিয়া সাথে সাথেই জবাব দেয়নি। সেদিন তার হঠাৎই মনে হয়েছিল সে এক নতুন জাফরকে তার চোখের সামনে আবিষ্কার করছে। শিক্ষিত, আধুনিক, উদার যে জাফরকে সে এতদিন চিনত, সেই জাফর এ নয়। এই জাফরকে সে আগে কখনো দেখেনি।

    অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে সে বলল, ‘মানুষের প্রয়োজন কি শুধু এগুলোই জাফর? মানুষের আর কোনো প্রয়োজন নেই?’

    ‘আর কী প্রয়োজন থাকবে মানুষের? এসবের জন্যই মানুষ এত পরিশ্রম করে, এত ছোটা-ছুটি করে রাতদিন।’

    ‘আমি যদি তোমাকে টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ির ব্যবস্থা করে দিই, তুমি ঘরে বসে থাকবে জাফর? ঘরে বসে বাচ্চা-কাচ্চা পালবে, ঘর-সংসার করবে?’

    ‘এসব কী বলছো তুমি? তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?

    মুনিয়া দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল, ‘জানি না জাফর। তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে সত্যি সত্যিই আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। আচ্ছা একটা কথা বলোতো, এই যে আমি এত পড়াশোনা করলাম। এতকিছু জানলাম, বুঝলাম, শিখলাম। বাকিটা জীবন আমার সেই জানা, পড়াশোনা মূল্যহীন হয়ে রইবে? এই ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে আমি হেঁশেল ঠেলে কাটিয়ে দেব? তুমি তাই চাও?’

    ‘তুমি বিষয়টাকে এভাবে কেন দেখছো? তুমিতো বিষয়টাকে এভাবেও দেখতে পারো যে আমরা দুজন মানুষ, সংসারে আমাদের দুজনের আলাদা কিছু রোল আছে। উই হ্যাভ টু প্লে আওয়ার ওউন রোলস। তাই না?’

    ‘তোমার রোলটা কী? চাকরি করা, টাকা উপার্জন করা? আর আমার রোল হচ্ছে ঘরে বসে বাচ্চা পালা আর সংসার করা?’

    জাফর যা বলতে চাইছে, তা যেন ঠিক মতো বুঝিয়ে বলতে পারছিল না। সে খানিক নরম গলায় বলল, বিষয়টা তা না মুনিয়া। আমি তোমাকে বোঝাতে পারছি না। এই বয়সের একটা বাচ্চা বাবা-মা থাকা সত্ত্বেও যে অন্যের হাতে মানুষ হবে। এটা তোমার ভালো লাগবে?’

    ‘অন্যের হাতে কেন মানুষ হবে? এ বাড়িতে তার দাদা-দাদি আছে। তারা কি অন্য মানুষ? আর আমি জব করা মানেতো এই নয় যে আমি দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টা বাইরে পড়ে থাকব। আমি তেমন জবই খুঁজছি যাতে আমাকে খুব একটা বেশি সময় বাইরে থাকতে না হয়। হয়তো পেয়েও যাব। কিন্তু এবার তোমাকে একটা প্রশ্ন করি আমি?’

    ‘কী প্রশ্ন?’

    ‘এই যে তুমি তোমার সন্তানের অন্য কারো হাতে মানুষ হওয়া নিয়ে এত চিন্তিত কিন্তু তুমি আমাকে বলোতো, গত তিন বছরে তুমি তোমার সন্তানের জন্য কী করেছো? কদিন তুমি ঋদ্ধিকে খাইয়েছো? কয় রাত তুমি ঋদ্ধির জন্য না ঘুমিয়ে জেগেছিলে? কতবার তুমি তার ন্যাপি বদলেছো? বলো?’

    জাফর এই প্রশ্নের জবাব দেয়নি। মুনিয়াই বলেছিল, ‘শুধু তাই-ই না, তুমি বলোতো মাসে কদিন তুমি ঢাকায় থাকো? কদিন তুমি রাত দশটার আগে বাড়ি ফেরো? আর সেই তুমি যদি তোমার সন্তানের অন্য মানুষের হাতে মানুষ হওয়া নিয়ে টেনশন করো, তাহলে সেটা মাছের মায়ের পুত্র শোকের মতো হয়ে যায় না?’

    সেদিন কথা আর বেশিদূর এগোয়নি। তবে দুজনের মাঝখানে একটা অদৃশ্য দেয়ালের সেই শুরু। একটা থমথমে হাওয়া। সেই হাওয়া মাঝেমাঝেই ঝড় তুলেছে। লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে সম্পর্কের ঘর-দোর, খুঁটি। তারপর হয়তো আবার নতুন করে জোড়াও লেগেছে। কিন্তু কে না জানে, ভেঙে যাওয়া আয়না এবং ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক আর কখনো আগের মতো জোড়া লাগে না।

    মাসখানেক বাদে মছিদা বেগম মুনিয়াকে ডেকে বলেছিলেন, ‘শুনলাম তুমি নাকি চাকরি খুঁজছো?’

    ‘এখন আর খুঁজছি না মা।

    ‘আলহামদুলিল্লাহ। তোমার আর চাকরি খোঁজার কী দরকার বৌমা? ঘরের বৌ ঘরে থাকবা। আল্লাহ তো তোমার স্বামীকে কম দেয়নি। কম দিয়েছে?’

    ‘জি না।’

    হুম। সে আল্লাহর রহমতে ভালো আয়-রোজগার করে। তুমি এখন বাচ্চাটাকে ঠিক ঠাকভাবে মানুষ করবা। সারাদিন পরিশ্রম করে রোজ অতোরাতে বাসায় ফেরে জাফর, তার একটু সেবা-যত্ন দরকার। সেটা করবা। এমনতো না যে তোমার বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়ি তোমার কাছ থেকে আলাদা কোনো সেবা-যত্ন আশা করে। তারা চায়, তোমাদের সংসার নিয়ে তোমরা যেন ভালো থাকো

    মুনিয়া তার শাশুড়ির সব কথা মন দিয়ে শুনল। তারপর বলল, ‘মা আমি চাকরি করব না বলে চাকরি খুঁজছি না, বিষয়টা তা না।’

    ‘তাহলে?’

    ‘আসলে আমি অলরেডি একটা চাকরি পেয়ে গেছি। আগামী মাসেই জয়েন করব। এ জন্য আর চাকরি খুঁজছি না।’

    মুনিয়ার কথা শুনে মছিদা বেগম ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন। তিনি মুনিয়ার কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করেন নি। তবে এ বিষয়ে আর কথাও বাড়ালেন না মছিদা বেগম। তিনি প্রতিশোধ নিলেন অন্যভাবে। মুনিয়া চাকরি শুরু করার পর প্রায়ই বাসায় ফিরে দেখে তার জন্য খাবার নেই। থাকলেও বাসী কনকনে ঠাণ্ডা খাবার। কাজের মেয়েরা তার ঘর মুছে রাখেনি। কাপড় ধোয়নি। ঋদ্ধির ময়লা কাঁথা-কাপড় সে যেমন রেখে গিয়েছিল, ঠিক তেমনই পড়ে রয়েছে। এমন চূড়ান্ত অসহযোগীতার পরও চাকরিটা ছাড়ল না মুনিয়া। বরং সে বাইরে থেকে ফিরে চুপচাপ তার কাজগুলো করতে লাগল। এতে তার দ্বিগুণ তিনগুণ পরিশ্রম হলেও দাঁতে দাঁত চেপে সে চাকরিটা চালিয়েই গেল। চাকরিটা তখন তার কাছে একটা চ্যালেঞ্জের মতো। এই চ্যালেঞ্জে সে হারতে চায় না। হারেওনি মুনিয়া। বাসা থেকে অতদূরের স্কুলটা তিন বছর চালিয়ে গেল সে। তারপর ভাগ্য যেন তার দিকে ফিরে তাকাল। বছর তিন অমানুষিক কষ্ট করার পর অপ্রত্যাশিত সুযোগ পেয়ে গেল বাড়ির কাছের টুমরো’স গ্লোরি স্কুলটাতে। তারপর কেমন কেমন করে অল্পদিনে প্রধান শিক্ষকও হয়ে গেল সে।

    এই পুরোটা সময় জাফরের সাথে তার দূরত্ব বাড়তে থাকল ভয়ংকরভাবে। মুনিয়া ভাবত, জাফর হয়তো মছিদা বেগমের এসব অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করবে। কিন্তু দিনের পর দিন সবকিছু দেখেও যেন না দেখার ভান ধরে থাকত জাফর। এমনকি মুনিয়া বারকয়েক বলার পরও কোনো উচ্চবাচ্চ্য করেনি সে। বরং কখনো কখনো মুনিয়াকেই দুষেছে। যেন বিশাল এক অন্যায় করে ফেলেছে মুনিয়া। এখন সেই অন্যায়ের যথাযথ শাস্তি পাচ্ছে সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }