Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ২৭

    ২৭

    নাদিয়াকে দেখাতে পাত্র নিয়ে এসেছেন নাদিয়ার খালা জাহানারা। তার ধারণা তার ছোটবোন হাফসা অথৈ পাথারে পড়েছে। এই অথৈ পাথার থেকে তার মুক্তির উপায় হচ্ছে ভালো দেখে নাদিয়ার একটা বিয়ে দিয়ে ঝাড়া হাত-পা হয়ে যাওয়া। এমনিতেই হাফসার শারীরিক অবস্থা ভালো না। তারপর তার স্বামী আশফাকেরও কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। এখন নাদিয়ার একটা গতি হয়ে যাওয়া সবচেয়ে জরুরি। এটা হলেই সে সব দিক থেকে নিশ্চিন্ত হতে পারবে। নাদিয়াকে পাত্রস্থ করার জাহানারার এই চেষ্টা আজকের নয়। নাদিয়া যখন এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তি হয়েছে, তখন থেকেই তিনি নাদিয়ার জন্য ছেলে দেখছেন। কিন্তু আশফাকের কারণে কোনো সম্বন্ধ নিয়েই বেশিদূর এগোতে পারেননি তিনি। কারণ আশফাক কখনোই চাননি, তার মেয়েদের এত তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যাক। তিনি বরং চেয়েছিলেন নাবিলা আর নাদিয়া আগে পড়াশোনাটা ঠিকঠাকভাবে শেষ করুক। তারপর চাকরি-বাকরি করুক। তারপর না হয় বিয়ে শাদির কথা ভাবা যাবে। কিন্তু নাবিলার অমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর ভেতরে ভেতরে প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছিলেন আশফাক। এরপর থেকে কেউ আর তার সামনে নাদিয়ার বিয়ে নিয়ে কোনো কথাও তোলেনি। বিষয়টা তাকে এতটাই বিধ্বস্ত করে ফেলেছিল যে তিনি নাদিয়ার বিয়ের ব্যাপারটা ভাবতে ভয়ই পাচ্ছিলেন। তার কেবল মনে হচ্ছিল, যদি নাবিলার মতো নাদিয়ার ভাগ্যটাও খারাপ হয়!

    নাদিয়া নিজে অবশ্য একদমই চুপচাপ। বড় বোন নাবিলার ঘটনার পর সে মনে মনে ভেবেই রেখেছে, সবাই মিলে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিই সে বিনাবাক্যে মেনে নেবে। নাবিলার ঘটনায় আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী থেকে শুরু করে সবার কাছে বাবা-মায়ের ছোট হওয়াটা যেমন সে দেখেছে, তেমনি দেখেছে তাদের সুতীব্র মানসিক যন্ত্রণাটাও। ফলে নিজে থেকেই সে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে, বাবা মায়ের অমতে কখনোই কিছু করবে না সে। বাবা-মা যেখানে, যেভাবে তাকে বিয়ে করতে বলবে, সে তা-ই চোখ বুজে মেনে নেবে

    এতদিন জাহানারার কথাকে গুরুত্ব না দিলেও আজকাল হাফসারও মনে হচ্ছে, যতদ্রুত সম্ভব নাদিয়াকে বিয়ে দিয়ে দেয়াটাই ভালো। তবে বিষয়টা চূড়ান্ত হওয়ার আগ অবধি আশফাকের কাছ থেকে আড়ালই রাখতে চান তিনি। জাহানারা যেই ছেলে নিয়ে এসেছে, সেই ছেলের নাম মুকিত। মুকিত পাস করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছে। সে দেখতে শুনতে ভালো। মার্জিত, ভদ্র। হাফসাকে দেখেই সে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করল। কথাবার্তার পুরোটা সময় মাথা নিচু করে বসে রইলো। জাহানারা হাফসাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বললেন ‘এখনই বাড়ির কাউকে কিছু জানাস না। সবাইকে বলবি আমার আত্মীয়। বেড়াতে আসছে এই বাড়িতে।’

    ‘আচ্ছা।’

    ‘বলাতো যায় না, কে কোনদিক দিয়া কোন ক্ষতি করে বসে। এমন সোনার টুকরা ছেলেতো আর পাওয়া যাবে না। এই ছেলেরে আমি গত দশ বছর থেকে চিনি। ইউনিভার্সিটিতে ফার্স্ট ছিল। পাস করার সাথে সাথে টিচার। ফ্যামিলিও ভালো। আর কী আদব-কায়দা, দেখলি?’

    ছেলেকে হাফসারও পছন্দ হয়েছে। সে বলল, ‘নাদিয়াকে একটু দেখানো দরকার না?’

    ‘অবশ্যই দেখানো দরকার। এটাতো আর ফর্মাল কোনো দেখা-সাক্ষাৎ না। আগে ছেলে মেয়েকে দেখুক। তারা কথাবার্তা বলুক। তারপর আলাপ করা যাবে।’

    নাদিয়া অবশ্য ছেলেকে দেখে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখাল না। জাহানারার ধারণা ছিল, এই ছেলেকে দেখে নাদিয়া উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠবে। শুধু নাদিয়া কেন, যেকোনো মেয়েই এই ছেলেকে দেখে হাসতে হাসতে বিয়ে করে ফেলবে। কিন্তু নাদিয়ার সংযত আচরণে তিনি খানিকটা শঙ্কিতই হলেন। বললেন, ‘কীরে, ছেলে পছন্দ হয় নাই?’

    নাদিয়া জবাব দিল না। জাহানারা বললেন, ‘এর রেজাল্ট জানোস? ইউনিভার্সিটিতে গোল্ড মেডেল পাইছে। দুই বছর বাদে পিএইচডি করতে যাবে আমেরিকার বোস্টনে। সাথে বউ নিয়ে যাবে। প্ল্যান আছে আমেরিকায়ই সেটেল করার।’

    নাদিয়া এবারও কোনো কথা বল্ল না। জাহানারা শঙ্কিত চোখে বললেন, ‘কী হলো? ছেলে মনে হচ্ছে তোর পছন্দ হয় নাই। কোনো সমস্যা?’

    নাদিয়া মৃদু মাথা নাড়ল, তার কোনো সমস্যা নেই। জাহানারা বললেন, ‘সমস্যা না থাকলে এখানে এসে এমন জড়ভরত হয়ে বসে আছিস কেন? যা, কফি নিয়ে যা। একটু গল্প-টল্প কর।’

    নাদিয়া অবশ্য উঠল না। যেমন ছিল, তেমনই বসে রইলো। জাহানারা প্রমাদ গুনলেন, ‘সমস্যা কী বলতো? তোর কোনো পছন্দ-টছন্দ আছে নাকি?’

    নাদিয়া মাথা নিচু করে বসে রইলো। এই প্রথম জাহানারার আশঙ্কাটা হাফসাকেও ছুঁয়ে গেল। তিনি নাদিয়ার কাঁধে থাক্কা দিয়ে কঠিন গলায় বললেন, ‘ঘটনা কী? আমার সাথে কোনো গেম খেলবা না। তোমার বড় বোন যা করার করেছে। তুমি খবরদার, এমন কিছু করবা না, যাতে আমার খারাপ কিছু করা লাগে!’

    নাদিয়া চুপচাপ বসেই রইলো। হাফসা বললেন, ‘তোমার বড় বোন যা করছে। তুমি কিন্তু সাবধান। প্রয়োজনে আমি বঁটি দিয়া কেটে দুই টুকরা করে ফেলব। তারপরও আমি অন্য কিছু মেনে নেব না। এই কথা মনে রাইখো।’

    নাদিয়া এবারও কথা বলল না। জাহানারা বললেন, ‘কী হলো? পছন্দের কেউ থাকলে সেটাওতো বলতে হবে, নাকি? থাকলে এখনো সময় আছে, বল।’

    নাদিয়া চোখ তুলে তাকাল। হাফসা আগুন চোখে কন্যার দিকে তাকিয়ে আছে। যেন নাদিয়া হ্যাঁ বলা মাত্র সে পুড়িয়ে ছাই করে ফেলবে নাদিয়াকে। নাদিয়া অবশ্য সাথে সাথেই জবাব দিল না। খানিক সময় নিল সে। সেই সময়টুকু রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার। হাফসা আর জাহানারার দুই জোড়া সন্ত্রস্ত, সন্দিগ্ধ চোখ নির্নিমেষ তাকিয়ে আছে তার দিকে। নাদিয়া অবশ্য উত্তেজনা প্রশমিত করে ফেলল। সে মৃদু কণ্ঠে জানাল তার পছন্দের কেউ নেই। হাফসা আর জাহানারা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।

    মুকিতকে অবশ্য ভালোই লাগল নাদিয়ার। ভদ্র, শিক্ষিত, পরিমিতিবোধ সম্পন্ন ছেলে সে। দিন দুই বাদে সে নাদিয়াকে মেসেজ পাঠাল, ‘আপনার যদি আপত্তি না থাকে আর অশোভন মনে না হয়, তাহলে আমি কি আজ আপনার সাথে দেখা করতে পারি?’

    মুকিত তার সাথে দেখা করতে এলো ইউনিভার্সিটিতে। অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে সে নাদিয়ার জন্য দোলনচাঁপা নিয়ে এসেছে। নাদিয়া ভারি অবাক হলো। মুকিত বলল, আপনি অবাক হয়েছেন?’

    এই বিষয়টিও ভালো লেগেছে নাদিয়ার। মুকিত ফট করে তাকে তুমি বলে বসেনি। সে তাকে আপনি করে বলছে। যথেষ্ট সমীহ ও সম্মান দেখাচ্ছে। নাদিয়া বলল, ‘হ্যাঁ।’

    ‘আপনি কি জানতে চান যে আমি কিভাবে জানলাম আপনার দোলনচাঁপা পছন্দ?’

    নাদিয়া কথা না বললেও উৎসুক চোখে তাকাল। মুকিত বলল, ‘আমি গত কয়েকদিন আপনার ফেসবুক স্টক করেছি। আশা করছি এ কারণে আপনি আমার ওপর বিরক্ত হবেন না। আসলে এটা ছাড়াতো আর কোনো উপায় ছিল না জানার।’

    ‘আচ্ছা।’

    ‘আমি যে এভাবে আপনার সাথে দেখা করতে চেয়েছি, আপনি কি এতে বিরক্ত হয়েছেন?’

    নাদিয়া ডানে-বাঁয়ে মাথা নাড়লো, সে বিরক্ত হয়নি। মুকিত বলল, ‘আমরা কি কিছুক্ষণের জন্য আশেপাশে কোথাও বসতে পারি?’

    নাদিয়া হ্যাসূচক মাথা নাড়ল। ছেলেটাকে তার পছন্দ হয়েছে। কথা বলতেও ভালো লাগছে তার। যদিও বেশির ভাগ সময় নাদিয়া শুধু শোনে। মুকিত সুন্দর গুছিয়ে কথা বলে। শুনতে ভালো লাগে। মুকিত বলল, ‘আমাকে দেখে বোঝা যায় না, আমি কিন্তু অনেক কথা বলি। আপনি বিরক্ত হলে বলবেন।’

    নাদিয়া অবশ্য বিরক্ত হলো না। সে আনন্দ নিয়েই মুকিতের কথা শুনল। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর একটা বিষয় তাকে অযথা অস্বস্তি দিতে থাকল। সেই অস্বস্তির স্পষ্ট কারণটা সে বুঝতে পারল না। বরং এই অস্বস্তি দিনদিন বাড়তেই থাকল। আজকাল মুকিতের সাথে তার প্রায় রোজই দেখা হয়। কথা হয়। তাদের মাঝখানের প্রাথমিক দূরত্বটা ক্রমশই ঘুচে যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও কোনো এক অজ্ঞাত অস্বস্তি ভেতরে ভেতরে বিচলিত করে তুলতে লাগল নাদিয়াকে। সে মুকিতের সাথে দেখা করে ঠিকই। কিন্তু দিনকয়েক পরে নাদিয়া আবিষ্কার করল, এ সবই হয় মুকিতের আগ্রহে। এমনকি মুকিত যখন কথা বলে, তখনও সে কেবল শ্রোতাই। কিছু বলার আগ্রহ পায় না সে। বরং মুকিতের বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তরই সে হ্যাঁ, না এর মতো নৈর্ব্যক্তিকতায়ই সীমাবদ্ধ রাখে। এর কারণটা বুঝতে পারে না নাদিয়া। কোথায় যেন একটা অবচেতন অদৃশ্য অস্বস্তি। মুকিত মানুষ হিসেবে নিঃসন্দেহে ভালো লাগার মতো। নাদিয়ার ভালোও লাগে। কিন্তু সেই ভালো লাগাটা পরিপূর্ণ নয়। সেই ভালো লাগাটা বিচ্ছিন্ন। হয়তো মুকিতের বলা কোনো গল্প ভালো লাগে। তার সৌজন্যতাবোধ ভালো লাগে। কিন্তু একজন প্রেমিক কিংবা স্বামী হিসেবে মুকিত কেমন, সেটি যেন ভাবনাতেই আসে না নাদিয়ার। কিন্তু কেন?

    এই প্রশ্নের উত্তর তার অজানাই রয়ে গেল। এমন নয় যে সে অন্য কাউকে পছন্দ করে। কিংবা কখনো করত। বরং বাবা-মার পছন্দ করা ছেলেকেই সে মেনে নেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়ার পর থেকেই মনে মনে একটা ভয়েই ছিল নাদিয়া। সেই ছেলে কেমন না কেমন হয় কে জানে! কিন্তু মুকিত সেখানে নিঃসন্দেহেই অসাধারণ এক পছন্দ।

    অনেক খুঁজেও নাদিয়া এমন কোনো কারণ এখন পর্যন্ত পায়নি যাতে মুকিতকে অপছন্দ করা যায়। কিন্তু তারপরও গলায় বিঁধে থাকা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মাছের কাঁটার মতো নাদিয়ার মনের কোথায় যেন একটা সূক্ষ্ম অস্বস্তির কাঁটা বিঁধে আছে! সেই কাঁটার উৎস সে জানে না।

    মুকিত অবশ্য এই নিয়ে কখনো অভিযোগও করেনি। দিন কয়েক আগে জাহানারা খালা হঠাৎ নাদিয়াকে বললেন, ‘সমস্যা কী তোদের? এখনো তোরা একজন আরেকজনকে আপনি আপনি করছিস কেন?’

    নাদিয়া জবাব দেয়নি। জাহানারা খালা বললেন, ‘কোনো সমস্যা নাদিয়া?’

    ‘উহু।’

    ‘তাহলে?’

    এই তাহলের উত্তরও নাদিয়া জানে না। মুকিতকে কেন যেন সে তুমি করেও বলতে পারছে না। মুকিত সরাসরি না বললেও বার কয়েক আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে সে নাদিয়াকে তুমি করেই বলতে চায়, কিন্তু নাদিয়ার কাছ থেকে স্পষ্ট কোনো বার্তা না পাওয়ায় সাহস করে উঠতে পারছে না। জাহানারা বললেন, ‘এখন তাহলে মুকিতের পারিবারিক পর্যায়ে কথা এগোই, কি বলিস?’

    নাদিয়া কী বলবে! হাফসা বললেন, ‘ওর বাবাকে এখনো কিছু জানাব না?’

    ‘নাহ। দেখা গেল আবার কোনো একটা ঝামেলা পাকাবে। তারচেয়ে ভালো সব ঠিকঠাক হওয়ার পর একেবারে জানাই। তা ছাড়া মুকিতের ফ্যামিলির লোকজনের আলাদা কোনো কথা নেই। তাদের কাছে আমার কথাই কথা। আর মুকিতেরতো নাদিয়াকে পছন্দই হয়েছে।’

    মুকিতের মা আর বড় বোন এক ফাঁকে এসে নাদিয়াকে দেখেও গেলেন। অনানুষ্ঠানিক দেখা। তারা এ বাড়িতে এমনভাবে এলেন যেন হাফসা আর জাহানারার শৈশবের বন্ধু বা আত্মীয় তারা। সেই সূত্রেই জাহানারার ছোট বোন হাফসার বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। বুদ্ধিটা অবশ্য জাহানারার। তিনি চান না বিয়ের চূড়ান্ত কথা হয়ে যাওয়ার আগে এ বাড়ির কাউকে কিছু জানাতে। নাদিয়াকে সামনাসামনি দেখে মুকিতের মাও ভীষণ পছন্দ করে ফেললেন। তিনি জাহানারাকে বললেন, ‘দুই মেয়ের মা আমি। মেয়ে বিয়ে দিয়ে এখন ঘর খাঁখাঁ। ছেলে যতই ঘরে থাকুক। ঘরে মায়া থাকে না। ঘরের মায়ার জন্য মেয়ে লাগে। আর এই মেয়েতো মায়াবতী মেয়ে। এই মেয়ে, তুমি সবসময় চোখে কাজল পরে থাকবে বুঝলে?’

    মুকিতের মা এত আপন করে কথা বলেন। মনে হয়, কতদিনের চেনা- পরিচিত! তারপরও ভারি লজ্জা লাগছিল নাদিয়ার। সে মাথা নাড়াল।

    জাহানারা হাসলেন, ‘দেখলিতো? এমন শাশুড়ি কটা মেয়ের ভাগ্যে জোটে, হ্যাঁ?’

    শাশুড়ি আবার কিগো আপা? আমি এসব শাশুড়ি-টাশুড়ির মধ্যে নেই। আমার দুই মেয়েতো বিয়ের পর থেকে অন্যের মেয়ে হয়ে গেছে। তো নাদিয়াও এখন থেকে আমার মেয়ে, বুঝলেন? আমি তার মা।’

    জাহানারার চোখ ঝলমল করছে আনন্দে। সেই আনন্দ আরো বাড়ল মুকিতের মাকে বিদায় দেয়ার সময়। তিনি ঘর থেকে বের হতে গিয়েও আবার ফিরে এলেন। তারপর নাদিয়াকে বললেন, ‘এদিকে আসোতো মা।’

    নাদিয়া তার কাছে গেল। তিনি বললেন, ‘তোমার হাতটা দেখি?

    নাদিয়া তার হাত বাড়িয়ে দিল। তিনি তার নিজের হাতের অনামিকায় থাকা আঙটিটা খুলে নাদিয়ার আঙুলে পরিয়ে দিতে দিতে বললেন, ‘মেয়ে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আমার করে রেখে গেলাম, বুঝলেন? যাতে আর কোনো ভয় ডর না থাকে। এই মেয়ে এখন থেকে আমার। আপনারা বিয়ের মাস তারিখ ঠিক করেন। আমার সমস্যা নেই। আমাকে কাল বললে আমি কালই মেয়ে নিয়ে যাব। কথা ফাইনাল।’

    হাফসা যেন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠলেন মনে মনে। আশফাককে নিয়ে ইদানীং তিনি নানা সংশয়ে ভোগেন কিংবা স্পষ্টই বুঝতে পারেন, কোথাও কিছু একটা সমস্যা চলছে। তবে তিনি এও জানেন, সেই সমস্যা কাটানোর ক্ষমতা তার নেই। তার যেটুকু ক্ষমতা, সেটুকু তিনি সর্বোচ্চ উপায়ে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন। নাদিয়ার জন্য ভালো একটা বিয়ের ব্যবস্থা করেছেন। এখন আশফাক যা ইচ্ছে করুক, তাতে কিছু আসে যায় না তার। তবে মুকিতের মা চট করে এভাবে আংটি পরিয়ে ফেলবেন, সেটি হাফসা ভাবেননি। ভদ্রমহিলাকে তার দারুণ পছন্দ হয়েছে। নাবিলার ঘটনার পর থেকে নাদিয়ার জন্য যে বুকভার শঙ্কার পাথর নিয়ে তিনি দিনের পর দিন নির্ঘুম রাত কাটিয়েছিলেন, আজ যেন তার অনেকটাই নেমে গেল। খুব ফুরফুরে আর হালকা লাগছে তার।

    নাদিয়া অবশ্য তার অনুভূতিটা ঠিকঠাক বুঝতে পারছে না। মুকিতের মা চলে যাওয়ার পর থেকে কেমন এক আগন্তুক, অচেনা অনুভূতি তাকে আচ্ছন্ন করে রাখল। তার হাতের ওই আংটিটা সারাক্ষণ যেন তাকে নতুন এক পরিচয় মনে করিয়ে দিতে লাগল। সেই পরিচয় কতটা আনন্দের নাদিয়া তা জানে না। তবে তা একটা অন্যরকম আবেশের। সেখানে ভালো লাগাও নিশ্চয়ই রয়েছে। সেই রাতে প্রথম মুকিত তাকে তুমি করে বলল। সে ফোন করে বলল, ‘আমি যদি আপনাকে আজ তুমি করে বলতে চাই, আপনি কি রাগ করবেন?

    নাদিয়া চুপ করে রইলো। মুকিত বলল, ‘আপনার আপত্তি থাকলে নিশ্চয়ই আমি আপনি করেই বলব। কিন্তু আমার খুব ইচ্ছে করছে…

    নাদিয়া অস্ফুটে বলল, ‘সমস্যা নেই।’

    মুকিত উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলল, ‘সত্যি!’

    ‘হু।’

    মুকিত অবশ্য তারপরও দীর্ঘসময় নাদিয়াকে তুমি করে বলতে পারল না। কোথায় যেন একটা অস্পষ্ট আড়ষ্টতা। একটা জড়তা। সে কথা বলতে থাকল ভাব বাচ্যে। নাদিয়া বলল, ‘আপনাকে একটা কথা বলি?’

    এই প্রথম নাদিয়া নিজ থেকে কিছু বলতে চাইল। মুকিতের জন্য এ যেন বিশাল এক প্রাপ্তি! সে উচ্ছ্বসিত গলায় বলল, ‘প্লিজ, প্লিজ।’

    নাদিয়া খানিক চুপ করে থেকে বলল, ‘আমাকে নিয়ে সবার খুব ভয় জানেন?’

    ‘কেন?’

    ‘কারণ আমার বড় আপু। বড় আপু খুব বড় একটা ভুল করে ফেলেছে তার জীবন নিয়ে। বছরের পর বছর সেই জের টানতে হচ্ছে সবাইকে। হয়তো সারাজীবনই টানতে হবে। তার জীবনটা ভয়ংকর। তাকে দেখলে আমারও খুব ভয় হয়।‘

    ‘কেন?’

    অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে নাদিয়া বলল, ‘কারণ একটা অমানুষকে সে তার জীবনের জন্য বেছে নিয়েছিল। একটা মানুষ এত খারাপ হতে পারে, এত জঘন্য হতে পারে, তাকে না দেখলে আমি জানতামই না। কিন্তু এই কথাগুলো বলার মতো একটা মানুষও নেই বড় আপুর। কারণ সবার বিরুদ্ধে গিয়ে ওই সিদ্ধান্তটা সে একা নিয়েছিল। বড় আপুর জন্য খুব কষ্ট হয় আমার। খুব।’

    মুকিত কী বলবে বুঝতে পারছিল না। তার খুব অসহায় লাগছিল। তার ইচ্ছে হচ্ছিল নাদিয়ার হাতটা শক্ত করে ধরতে। কিন্তু সে উপায় নেই। নাদিয়া বলল, ‘আপনি কখনো ওই মানুষটার মতো হবেন নাতো?’

    মুকিত সেই প্রথম তুমি করে বলল নাদিয়াকে। সে গাঢ় কণ্ঠে বলল ‘তুমি দেখে নিও, কখনোই না।’

    তারপর একটা রাত, একটা নিঃশব্দ কথোপকথনের অস্থির সময় কেটে গেল সীমাহীন সম্ভাবনা নিয়ে। কিন্তু সেই সম্ভাবনার আড়ালে, আবডালে কোথাও যেন মিশে রইলো অচেনা অন্য কোনো অনুভব। সেই অনুভবের উৎস নাদিয়া জানে না। পরের সারাটা দিন কী যে অস্থির লাগতে লাগল তার। হাতের ওই আংটিটা যেন ঠিকঠাক লাগছিল না তার অনামিকায়। যেন নরম মাংস কেটে তীক্ষ্ণ যন্ত্রণায় চেপে বসছিল হাড়ে। সন্ধ্যায় আংটিটা খুলে রাখল সে। হাফসা বললেন, ‘কী হলো? আংটি কই?’

    ‘খুলে রেখেছি।’

    ‘কেন?’

    ‘ছোট হয়ে গেছে অনেক। একদম হাড়ে গিয়ে বিঁধছে।’

    ‘তাই বলে বিয়ের আংটি খুলে রাখবি? এতে অমঙ্গল হয়। দুয়েকদিন পরলেই দেখবি ঠিক হয়ে যাবে।’

    নাদিয়া আর মায়ের সাথে কথা বাড়াল না। তবে সে আংটিটা পরল না। বিষয়টা চোখ এড়াল না হাফসার। তার অবচেতন মন সতর্ক হয়ে উঠল। তিনি কুঞ্চিত কপালে মেয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }