Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ২৩

    ২৩

    দিপুর ধারণা ছিল সেদিনের ঘটনার জন্য সুমি অনুতপ্ত হবে। রাগের মাথায় উল্টাপাল্টা যে কথাগুলো সে দিপুকে বলেছে তার জন্য ক্ষমা চাইবে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সুমি তার কিছুই করল না। এমনকি দিপুকে ফোনও করল না। ঘটনার দিন কয়েক বাদে দিপু ফোন করতেই সুমি বলল, ‘আমার ক্লাস টেস্ট চলছে দিপু, আপাতত কয়েকদিন ফোন দিও না।’

    ‘ক্লাস টেস্ট চললে ফোন দেয়া যাবে না?’

    ‘না যাবে না।’

    ‘কেন?’

    ‘কারণ লাস্ট কতগুলো পরীক্ষায় আমার রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। এই নিয়ে বাবার সাথে খুব ঝগড়া হয়েছে। বাবার খুব মন খারাপ। তার ধারণা আমি টিউশন করছি বলে আমার রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে। কিন্তু আসল ঘটনাতো তা নয়।’

    ‘আসল ঘটনা তা হলে কী?’

    ‘আসল ঘটনা এখন বলা যাবে না।

    ‘কেন? বলা যাবে না কেন?’

    ‘বললে সমস্যা আরো বাড়বে। পড়াশোনায় কনসার্ট্রেট করতে পারব না। রেজাল্ট আবারো খারাপ হবে। মন খারাপ হবে।’

    ‘তোমার বাবার মন খারাপটাই তোমার কাছে সব? আর আমার মন খারাপ কিছু না? তোমার জীবনে আমারতো কোনো মূল্যই নেই।’

    ‘মূল্য না থাকাই ভালো।’

    মূল্য না থাকাই ভালো মানে?’

    ‘মূল্য থাকলে যেমন মূল্যস্ফীতি হয়, তেমনি আবার মূল্যহ্রাসও হয়। দেখবে খুব দামি জিনিসেরও হঠাৎ হঠাৎ ভয়াবহ দরপতন হয়ে যায়। তখন বিপদ।’

    সুমির কথায় দিপু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল। সে বলল, ‘এতকিছুর পরও তুমি আমার সাথে এভাবেই কথা বলবে?’

    ‘নাহ।’

    ‘তাহলে?’

    ‘তাহলে, আমি তোমার সাথে কোনোভাবেই কথা বলব না।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে এখন আমি ফোনটা রাখব। কাল সকাল দশটায় আমার পরীক্ষা। আজ সারারাত আমি পড়ব। তারপর কাল সকালে পরীক্ষা দিয়ে এসে লম্বা ঘুম দেব। ঘুম থেকে উঠে তোমাকে ফোন করব। সেজেগুজে তোমার সাথে বাইরে ঘুরতে বের হব। চটপটি, ফুচকা খাব। হুডতোলা রিকশায় ঘুরব। তখন একসাথে সব কথা বলব।’

    ‘তার মানে তুমি এখন আমার সাথে কথা বলবে না?’

    সুমি বলল, ‘নাহ। এখনো আমার অনেক পড়া বাকি দিপু। আমি শেষ করতে পারব না। এখন রাখছি…।’ দিপু কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার আগেই ফোন কেটে দিল সুমি। দিপু ফোন হাতে হতভম্ব হয়ে বসে রইলো। তার বিশ্বাস হচ্ছে না এতদিন পরে ফোন করার পরও সুমি এভাবে তার ফোন কেটে দিতে পারে, এমন ভঙ্গিতে কথা বলতে পারে। সেই সারাটা দিন সে থম মেরে বসে রইলো ঘরে। প্রচণ্ড রাগে, অভিমানে, কষ্টে হতবিহ্বল হয়ে রইলো সে। এই দীর্ঘ সময়ে দিপু অসংখ্যবার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল যে সে আর কখনোই নিজ থেকে সুমিকে ফোন করবে না। সুমি ফোন করলেও যতটা সম্ভব উপেক্ষা করার চেষ্টা করবে। কিন্তু দিপু তার সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারল না। সন্ধ্যার পরপরই সে সুমিকে ফোন করল। দিপু ভেবেছিল সুমি এবার ফোন ধরে নিশ্চয়ই তার সাথে ভালোভাবে কথা বলবে। তখন সে সুমিকে বুঝিয়ে বলবে যে সুমির আচরণগুলো তাকে কষ্ট দিচ্ছে।

    বিস্ময়কর ব্যাপার হলো সুমির ফোন বন্ধ। দিপু বারবার চেষ্টা করেও তাকে পেল না। সেই সারাটা রাত প্রবল অস্থিরতায় কাটল দিপুর। ভোরের দিকে ঘুমিয়ে পড়ল সে। মছিদা বেগম তাকে বারকয়েক খেতে ডাকলেন। কিন্তু সে উঠল না। তার ঘুম ভাঙল দুপুরে। একটা মিহি সুরের একটানা সঙ্গিত তার ঘুম ভাঙিয়ে দিল। সে চোখ মেলে তাকাল। ফোনটা বাজছে। সুমি ফোন করেছে। দিপু ফোন ধরল না। একবার ফোন বন্ধ করে দেয়ার কথাও ভাবল সে। তারপর কী মনে করে আর সেটা করল না। উঠে বাথরুমে গেল। সময় নিয়ে গোসল করল। অনেকটাই ঝরঝরে লাগছে তার। সবচেয়ে বেশি ঝরঝরে লাগছে সুমির ফোন দেখে। কোনোভাবেই সে সুমির ফোন ধরবে না। অপেক্ষা আর উপেক্ষা জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ দুই যন্ত্রণা। এই দুই যন্ত্রণা পেতে যতটা কষ্ট, ফিরিয়ে দিতে ঠিক ততটাই আনন্দ। সুমি এখন বুঝুক, ফোন না ধরার কী কষ্ট!

    সুমির ফোন বেজেই চলছে। দিপুর মনে হচ্ছে গতকাল সারাদিন, সারারাত যে পাথরভার কষ্ট জমেছিল তার বুকে, তা ফোনের ওই রিংটোনের শব্দে ক্রমশই হাওয়ায় ভেসে ভেসে মিলিয়ে যাচ্ছে। সে এখন আয়েশ করে ভাত খাবে। গত প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা কিছু খায়নি সে। তারপর টিভিতে খেলা দেখবে। খেলা দেখার সময় ফোন অফ করে রাখবে। পুরো বিষয়টা ভাবতেই দিপুর কেমন ফুরফুরে লাগতে লাগল। কিন্তু এতবার একনাগাড়ে ফোন দিচ্ছে কেন সুমি? এক মিনিটের জন্যও থামছে না। কোনো সমস্যা নয়তো?

    দিপু ফোনটা হাতে নিল। তেতাল্লিশ বার ফোন করেছে সুমি। মাঝখানে মেসেজও করেছে অসংখ্য। মেসেজ দেখে দিপু চকিতে বারান্দায় উঁকি দিল। বারান্দার ঠিক উল্টো দিকে রাস্তার ওপাশে রিকশায় বসে আছে সুমি। সে হালকা নীল শাড়ি পরেছে। তার হাতে ফোন। সে নিবিষ্টচিত্তে ফোনের দিকে তাকিয়ে আছে। দিপুর বুকটা হঠাৎ ধক করে উঠল। এই এতক্ষণে মনে মনে যে কঠিন সংকল্প সে করেছিল তা সুমির মেসেজ দেখেই টলোমলো হয়ে গেছে। দিপুকে ফোনে না পেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তার বাসার সামনে অপেক্ষা করছে সুমি। এখন এই অবস্থায় দিপু যদি ফোন না ধরে তবে পরিস্থিতি খারাপই হবে। সুমি যেকোনো সময় বাসায়ও চলে আসতে পারে। তাহলেই সেরেছে! সেলিনা নির্ঘাৎ একটা কেলেংকারি কাণ্ডই ঘটিয়ে ছাড়বে। দিপু সবই বুঝতে পারছে। সে আর ভাত খেতে বসল না। হাতের কাছে থাকা শার্টটা গায়ে চড়িয়ে দ্রুত বের হয়ে গেল। রিকশায় দুজন চুপচাপ বসে রইলো দীর্ঘ সময়। কেউ কারো দিকে তাকাল না অবধি। অনেকক্ষণ বাদে সুমি বলল, ‘আমার খুব ক্ষিদে পেয়েছে, মাথাটাও ধরেছে। কিছু একটা না খেলে দুম করে পড়ে যাব।’

    দিপু কথা বলছে না। যেমন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বসে ছিল তেমন বসেই রইলো। সুমি আবারো বলল, ‘এই চলন্ত রিকশায় রাস্তার মাঝখানে এরকম সাজগোজ করা কোনো মেয়ে ফিট হয়ে পড়ে গেলে দৃশ্যটা দেখতে কিন্তু মোটেই ভাল্লাগবে না দিপু।’

    দিপু এবার কথা বলল, ‘আমি না হয় সারাদিন কিছু খাইনি। তুমিতো খেয়েদেয়ে সেজেগুজে এসেছো। তোমার কেন এত ক্ষিদে পেল?’

    ‘আমিও খাইনি।’

    ‘খাওনি মানে? তুমি সারাদিনে কিছু খাওনি?’

    ‘উহু।’

    ‘কেন?’

    ‘কারণ আমি এক্সাম হল থেকে সরাসরি এখানে চলে এসেছি।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে আমি এই শাড়ি-টাড়ি পরেই পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। পরীক্ষা শেষে হল থেকে সোজা এখানে চলে এসেছি।’

    ‘তুমি না সারারাত জেগে ছিলে?’ দিপু অবাক গলায় বলল।

    ‘হুম।’

    ‘তাহলে?’

    ‘তাহলে কী?’

    ‘তুমি না বলেছিলে পরীক্ষা শেষ হলে গিয়ে খানিক ঘুমিয়ে নেবে, তারপর বের হবে।’

    ‘হ্যাঁ, বলেছিলাম। কিন্তু সারাক্ষণ মাথার ভেতর ঘুরঘুর করছিল যে তোমার সাথে খুব বাজে আচরণ করে ফেলেছি। এটা নিয়ে মনটা খচখচ করছিল। এখন পরীক্ষা শেষে হলে গেলেও আর ঘুম হতো না। তোমার সাথে দেখা না হওয়া পর্যন্ত অস্থির লাগছিল।’

    রিকশাওয়ালা টুং শব্দে বেল চাপল। দিপুর মনে হলো ওই শব্দটুকু তার বুকের ভেতর টুংটাং প্রতিধ্বনি তুলে বাজতেই লাগল। বাজতেই লাগল। সে বলল, ‘তুমি গত দুদিন একটানা পড়ে, সারারাত না ঘুমিয়ে পরীক্ষা দিয়ে, কিছু না খেয়ে সরাসরি এখানে চলে এসেছো?

    সুমি মৃদু হাসল, ‘আগে কিছু খাওয়াবে প্লিজ, তারপর বলি? না হলে কিন্তু আমি সত্যি সত্যিই পড়ে যাব। তখন বুঝবে কত ধানে কত চাল।’

    দিপু কী বলবে জানে না। সে হাত বাড়িয়ে সুমির হাতখানা শক্ত করে ধরলো। তারপর বলল, ‘তাহলে গতকয়েক দিন অমন করছিলে কেন?’

    সুমি বলল, ‘আগে কিছু খেতে দাও প্লিজ। মৃত মানুষ কিন্তু কথা বলতে পারে না।’

    চারুকলার উল্টো দিকে ছবির হাটে, খোলা আকাশের নিচে ভাঙা বেঞ্চির ওপর বসে বসেই ভাত খেল দুজন। যেন কতকাল ক্ষিদে পুষে রেখেছিল আজ খাবে বলে। একটা দুটো চড়ুই পাখি এসে গা ঘেঁষে বসল। একটা দুটো কাক। সুমি ভাতের গ্রাস মুখে পুড়তে পুড়তে হাভাতের মতো বলল, ‘ডিয়ার ক্রোজ অ্যান্ড স্প্যারোজ, আই এম রিয়েলি রিয়েলি সরি। ক্যান্ট ওয়েস্ট এ পিস অফ রাইস টুডে।’

    সুমির অবস্থা দেখে হো হো করে হাসল দিপু। গতকাল রাত, সারাটা দিন, আজকের দুপুর অবধি সেই অসহ্য যন্ত্রণাকাতর সময়টুকু হঠাৎ কোথায় যে মিলিয়ে গেল কে জানে!

    দুপুর থেকে বিকেল টইটই করে ঘুরল তারা। কতদিন পর আবার এমন হাওয়ায় ভেসে ভেসে রঙিন প্রজাপতির ডানায় কেটে গেল মুগ্ধ সময়! সেই সময়ে দিপু বলল, ‘এখন বলো, তুমি আমার সাথে অমন করছিলে কেন?’

    সুমি ভ্রু উঁচিয়ে হাসল, ‘কেমন?’

    ‘ওই যে সেদিন হলে ঢুকবার আগে, তারপর আর ফোন করলে না, তারপর আমি নিজ থেকে ফোন করার পরও কী যাচ্ছেতাই আচরণটাই করলে।’

    ‘সত্যি কথা বলব?’

    ‘মিথ্যে কেন বলবে?’

    ‘আবার যদি বেশি লাই পেয়ে মাথায় চড়ে বসো?’

    ‘বসলে বসব।’

    ‘উহু, তা হবে না। মাথায় চড়া যাবে না।’

    ‘আচ্ছা, বলো।’

    সুমি সামান্য সময় নিলো। তারপর হঠাৎ গম্ভীর গলায় বলল, ‘তুমি হয়তো বিশ্বাস করবে না, কিন্তু তোমার সাথে ঝগড়া হলে আমার খুব মন খারাপ হয়ে যায়। ওই সময়টায় আমি কিচ্ছু করতে পারি না। পড়াশোনাতো না-ই। সারাক্ষণ কেমন অস্থির লাগে। এইজন্য পরীক্ষার সময়গুলোতে যতটা সম্ভব কম কথা বলতে চাই আমি।’

    দিপু বার দুই কাশলো। তারপর বলল, ‘আর?’

    ‘আর আমার রেজাল্ট খুব খারাপ হচ্ছে। এই নিয়ে বাবার প্রচণ্ড মন খারাপ। যে করেই হোক আমি রেজাল্টটা ভালো করতে চাই। কিন্তু তোমার সাথে এমন কথায় কথায় ঝগড়া হলে আমার ভালো লাগে না দিপু।’

    ‘আর?’

    ‘আর কী?’

    ‘এই যে আরেকটা পূর্ণিমা চলে এলো! অথচ আমাদের এখনো সমুদ্র দেখা হলো না। পাহাড় দেখা হলো না। সেটা নিয়ে কিছু বলবে না?’

    ‘মানে?’

    ‘মানে প্লিজ, চলোনা নীলগিরি যাই, প্লিজ। পাহাড়ের ওপর মেঘের ভেতর বসে আস্ত কাঁসার থালার মতো একটা চাঁদ দেখব। তারপর…

    দিপু আরো কিছু বলতে যাচ্ছিল। তার আগেই সুমি ডান হাতে তার কান চেপে ধরে বলল, ‘তোমার না কোনো কিছুতেই শিক্ষা হবে না, বুঝলে?’

    দিপু একঘেয়ে গলায় দ্বিরুক্তি করতে থাকল, ‘প্লিজ, একবার চলো না, প্লিজ। জাস্ট একটা রাত। তারপর আর কখনো কোনোদিন বলব না। এমনকি বিয়ের পরও না।’

    সুমি রেগে যেতে গিয়েও রাগল না। তবে সামান্য গম্ভীর হলো, ‘গেলে শুধু বিয়ের পরেই যাব, তার আগে না।’

    ‘তুমি এমন কেন?’

    ‘কেমন?’

    ‘প্রাগৈতিহাসিক কালের প্রেমিকাদের মতো।’

    ‘কারণ আমি পুরনো, আমি আটপৌরে।’

    ‘গেলে কী হয়?’

    ‘না গেলে কী হয়?’

    দিপু এই প্রশ্নের জবাব দিল না। সুমি বলল, ‘প্রিয়তম মানুষ কাছে থাকলে পৃথিবীর সব জায়গাই সুন্দর মনে হওয়া উচিত। প্রতিটি মুহূর্তই আরাধ্য মনে হওয়া উচিত। তাই না? সে জন্য জোছনা হতে হয় না বা নীলগিরিও যেতে হয় না।’

    দিপু আবারও মুখ ভার করে রইলো। সন্ধ্যার আগে আগে টিএসসির সামনে রাফির সাথে দেখা হয়ে গেল তাদের। রাফির গায়ে সেই বুক খোলা কালো শার্ট আর তার ভেতরে সাদা টিশার্ট। কিছু একটা তাড়া ছিল রাফির। দিপুর সাথে এটাসেটা নিয়ে সামান্য কথাও হলো। চলে যাওয়ার আগে সুমির দিকে তাকিয়ে হাই বলল সে। সুমিও জবাব দিল। তবে কিছু একটা খচখচ করছিল তার মনে। রাফি চলে যেতেই সুমি দিপুকে ডেকে বলল, ‘একটা মজার বিষয় কি জানো?’

    ‘কী?’

    ‘এই ছেলেটার শার্টের ভেতরের টিশার্টে একটা লাইন লেখা আছে, খেয়াল করেছো?’

    ‘নাতো! কী লাইন?’

    ‘আমাকে হারাতে দিলে নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তিতে ছেয়ে যাবে তোমার শহর।’

    ‘খেয়াল করিনি তো।’

    ‘সুন্দর না কথাটা?’

    ‘হুম সুন্দর।’

    ‘কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার কি জানো?’

    ‘কী?’

    ঠিক এই কথাটিই আমি তোমাদের বাড়ির উল্টোদিকের ফুটপাত ঘেঁষে রাস্তার দেয়ালে লেখা দেখেছি।’

    ‘কী বলো!’

    ‘হুম। আমিতো ওখানে অনেকক্ষণ ধরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তখন হঠাৎ খেয়াল করলাম লেখাটা। সাদা দেয়ালে লাল রঙে ছোট ছোট করে লেখা। এই দেখো, আমি ফোনে ছবিও তুলে এনেছিলাম। চট করে খুব ভালো লেগে গিয়েছিল কথাটা।’

    সুমি ফোন বের করে ছবিটা দেখাল। দিপু অবশ্য তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাল না। বরং খানিকটা আনমনাই লাগল তাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }