Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৬

    ৬

    নাবিলার শ্বশুরবাড়িতে আসার তিন দিন হয়ে গেল নাদিয়ার। এর মধ্যেও সাজ্জাদের কোনো খবর নেই। তার ফোন বন্ধ। বন্ধুবান্ধব কারো কাছেই কোনো খোঁজ খবর নেই তার। নাদিয়া অবশ্য এতে অবাক হলো না। সে সাজ্জাদের বিষয়ে আগে থেকেই কম বেশি জানে। তবে সে অবাক হয়েছে নাবিলাকে দেখে। নাবিলার বাঁ চোখ ফুলে গেছে। কিন্তু ডান চোখের নিচে গর্তের মতো হয়ে আছে। তার কপালে কাটা দাগের চিহ্ন। গলার কাছে কণ্ঠার হাড় বেরিয়ে আছে। নাবিলাকে দেখে প্রথমেই যে কথাটি মনে হলো নাদিয়ার, তা হলো এই অবস্থায় ঢাকায় না গিয়ে সবচেয়ে ভালো কাজটা করেছে সে। তাকে এই অবস্থায় দেখলে হাফসা বেগম নিশ্চিত করেই আরো অসুস্থ হয়ে পড়তেন। বাড়িতে একটা তুলকালাম লাগিয়ে দিতেন।

    নাদিয়া অবশ্য তার মনের এইসব ভাবনা কিছুই বুঝতে দিল না নাবিলাকে। সে বলল, ‘তুই অনেকটা শুকিয়েছিস, তাই না আপু?’

    নাবিলা সন্ত্রস্ত ভঙ্গিতে আঁচল টেনে কাঁধটা ঢেকে ফেলল। নাদিয়া অবশ্য আশ্বস্ত করার ভঙ্গিতে মৃদু হাসল, ‘তোকে কিন্তু শুকানোতে সুন্দর লাগছে আপু।’

    নাবিলা জবাব দিল না। সে নাদিয়ার কথার অর্থ বুঝতে পারছে না। তার আজকাল মনে হয় সে আর আগের মতো মানুষের কথাবার্তার অর্থও ঠিকঠাক বুঝতে পারে না। কোন কথাটায় কী ইঙ্গিত আছে, তা যেন ধরতে পারেনা সে।

    নাদিয়া বলল, ‘আমি যদি তোর মতো একটু শুকাতে পারতাম! দেখছিস না, কেমন ভুঁড়ি হয়ে যাচ্ছে! তোকে দেখে মনে হচ্ছে আমিই তোর চেয়ে বয়সে বড়, আর তুই আমার ছোট। কেমন লাগে বলত!

    নাবিলা লজ্জা পাওয়ার ভঙ্গিতে বলল, ‘যাহ! কীসব আজেবাজে কথা। তোর সামনে দাঁড়াতেতো আমার লজ্জাই করছে। দিন দিন কী সুন্দর হয়ে যাচ্ছিস তুই!’

    ‘সুন্দর না ছাই! দিন দিন বাচ্চা হাতি হয়ে যাচ্ছি।’

    ‘একদম না। এরচেয়ে কালেতো কঙ্কাল হয়ে যাবি।’

    ‘আজকাল কঙ্কালই ভালো বুঝলি? দেখিস না, সবাই কেবল জিরো ফিগার খোঁজে। হা হা হা।’

    নাদিয়া পরের কয়েকটা দিন যতটা সম্ভব নাবিলাকে সুস্থ করে তুলতে চেষ্টা করল। সমস্যা হচ্ছে, নাবিলার ভেতরে ভেতরে ক্রমাগত তীব্র এক ভয়, একটা প্রবল আত্মবিশ্বাসহীনতা বাসা বেঁধেছে। আর সব কাটানো গেলেও এই মানসিক দুর্বলতাটা কী করে কাটাবে সে! তা ছাড়া খুব বেশিদিন নাবিলার কাছে থাকতেও পারবে না নাদিয়া। তার ইউনিভার্সিটি খোলা। ক্লাস চলছে। তারপরও সেসব বাদ দিয়েই সে এসেছে। কিন্তু কতদিন আর থাকতে পারবে সে!

    শফিক ঢাকায় চলে গেলে নাদিয়ার পক্ষে একা ঢাকায় ফেরাটাও কষ্টকর হয়ে যাবে। এ কারণে শফিককেও আটকে রেখেছে সে। কিন্তু শফিকের পক্ষেও আর বেশি দেরি করা সম্ভব না। কিন্তু সেই কথাটা সে জোর দিয়ে বলতেও পারছে না।

    নাদিয়া তাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘আপনার ঢাকায় ফিরতে হবে কবে শফিক ভাই?’

    শফিক বলেছিল, ‘আজ কালের মধ্যেইতো ফেরা দরকার।’

    ‘কিন্তু আপনি চলে গেলে আমি কীভাবে যাব?’

    এই কথায় ভারি চিন্তিত হয়ে পড়ল শফিক। আসলেইতো, সে চলে গেলে নাদিয়া একা একা কী করে ঢাকায় ফিরবে! নাদিয়া বলল, ‘আপনি কি আর কটা দিন থেকে যেতে পারবেন না? খুব কি সমস্যা হবে?’

    শফিক বিগলিত গলায় বলল, ‘না না। সমস্যা কেন হবে?’

    শফিক না বললেও আসলে তার সমস্যা হবে। সে যেই এনার্জি বাল্ব কোম্পানিতে কাজ করে, সেখানে হয়তো বুঝিয়ে-সুঝিয়ে কিছু একটা বলে দেয়া যাবে। তা ছাড়া তার বেতন সেখানে কমিশন ভিত্তিক। অর্থাৎ যে পরিমাণ বাল্ব সে বিক্রি করতে পারবে, তার বিপরীতে কমিশন পাবে সে। ফলে, দুয়েকদিন দেরি করে গেলে তার রোজগারের পরিমাণ হয়তো কমে যাবে, কিন্তু চাকরির তাতে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। সমস্যা হচ্ছে তার টিউশন। যে দুজন ছাত্র সে পড়ায়, তাদের দুজনেরই সামনে পরীক্ষা। এই মুহূর্তে নিয়মিত পড়াতে না পারলে তার টিউশন থাকবে না। আর টিউশন না থাকলে আগামী কয়েক মাস খুব কষ্ট করেই কাটাতে হবে তাকে। শফিক অবশ্য এসবের কিছুই বলল না। সে হাসি হাসি মুখে বলল, ‘আপনি চিন্তা করবেন না। আমি থাকতে পারব, সমস্যা হবে না।’

    ‘কদিন থাকতে পারবেন?’

    ‘আপনি যে কদিন বলবেন।’

    নাদিয়া মুখ টিপে হাসল, ‘যদি বলি বাকি জীবন থেকে যেতে হবে?’

    ‘সমস্যা নেই, আমি পারব’ বলতে গিয়েও শেষ মুহূর্তে নিজেকে সামলে নিলো শফিক। সে বুঝতে পারছে নাদিয়া কথাটা দুষ্টুমির ছলে বলেছে। এবং সে নাদিয়ার কথাটা পুরোপুরি না শুনেই উত্তর দিতে যাচ্ছিল। কিন্তু তারপরও ওই কথাটুকুই তার বুকের ভেতর তিরতির করে কাঁপন ধরিয়ে দিল। এমন কেন হয় তার? এই হওয়াটা কি ঠিক? সেই প্রথম যেদিন এই মেয়েটাকে সে দেখেছিল, সেদিনই কেমন দম বন্ধ লাগছিল শফিকের। বুকের ভেতর স্পষ্ট ধুকফুকানি টের পাচ্ছিল সে। সেই ধুকফুকানি এই এতদিনেও আর একটুও কমেনি। বরং বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বাড়ে নাদিয়ার সাথে দেখা হলে। এ কারণে সহসা সে নাদিয়াদের বাড়িতে যায় না। ঢাকায় থাকা সত্ত্বেও কখনো ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ির পথ মাড়ায় না সে।

    তার চারপাশের অন্য মানুষদের ঠিকঠাক বুঝতে না পারলেও নিজেকে খুব স্পষ্ট বুঝতে পারে শফিক। সে জানে, তার চারপাশে এত এত রংচঙা মানুষের ভিড়ে সে খুব সাধারণ, যোগ্যতাহীন এক মানুষ। সে দেখতে সাধারণ। পড়াশোনায় সাধারণ। ঠিকঠাক কথা বলতে পারে না। তার ধারণা সে বোধ-বুদ্ধিতে আরো বেশি সাধারণ। তাকে কারো আলাদা করে চোখে পড়ে না। সে মেধাবী নয়। জীবন নিয়ে খুব উচ্চাশাও নেই তার। অথচ সেই শফিকের বুকের ভেতর থাকা খুব সাধারণ হৃদয়টা যে গোপনে গোপনে কারো জন্য এমন তীব্র অপেক্ষা নিয়ে দিন গুনছিল, কে জানতো!

    নাদিয়া হাসল, ‘কি ভয় পেয়ে গেলেন?’

    শফিক কথা বলল না। মেঝের দিকে তাকিয়ে চুপচাপ বসে রইল। নাদিয়া বলল, ‘আপনাকে একটা কথা বলি শফিক ভাই?’

    শফিক চোখ তুলে তাকাল। শেষ বিকেলের নরম আলোর এত মিষ্টি এক চিলতে হাসি ঝুলে আছে নাদিয়ার ঠোঁটে। শফিক চট করে চোখ ফিরিয়ে নিল। বুকের ভেতর কেমন চিনচিনে ব্যথার এত অনুভূতি। খুব সূক্ষ্ম অথচ তীব্র। তার উচিত এই মুহূর্তে নাদিয়ার সামনে থেকে চলে যাওয়া। কিন্তু সে তা পারছে না। একান্ত বাধ্যগত ছাত্রের মতো বসে আছে সে। নাদিয়া বলল, ‘আপনার সমস্যা হলে আপনি অবশ্যই ঢাকায় চলে যাবেন। কিন্তু তিন চারদিন পর কিন্তু আবার ফিরে আসতে হবে।’

    ‘কেন?’

    ‘কেন আবার! ফিরে এসে আমাকে নিয়ে যেতে হবে। আপনার যেহেতু ঢাকায় অনেক কাজ পড়ে আছে, সো আপনিতো আর এতদিন বাড়ি বসে থাকতে পারবেন না।’

    শফিক বলল, ‘জি।’

    নাদিয়া বলল, ‘আচ্ছা এক কাজ করলে কেমন হয়?’

    শফিক প্রশ্নবোধক চোখে তাকাল, তবে কথা বলল না। নাদিয়া বলল, ‘আপনি বরং আজই চলে যান। গিয়ে কাজটাজ একটু গুছিয়ে ফেলুন। না হলে হয়তো আপনার কাজে আরো বেশি সমস্যা হবে। তাই না?

    শফিক কী বলবে বুঝতে পারছে না। নাদিয়ার কথা ঠিক, তাকে যদি দিন চারেক পর আবার আসতে হয়, তবে আজই চলে যাওয়া ভালো। আগামী কয়েকদিন টিউশনটা করাতে পারবে সে। অফিসে নিজের উপস্থিতিটাও অন্তত দিন কয়েক দেখাতে পারবে। কিন্তু এই যে আজ এই মুহূর্তেই তাকে চলে যেতে হবে, এই ভাবনাটা শফিককে অস্থির করে তুলল। তার খুব বলতে ইচ্ছে করছে, আজ না, আগামীকাল যাবে। কিন্তু এই কথাটি সে কী করে বলবে নাদিয়াকে! নাদিয়া যদি তাতে অন্য কিছু মনে করে? সেই খটখটে দুপুরবেলা বুকভর্তি থমথমে মেঘলা আকাশ নিয়ে ঘর থেকে বের হলো শফিক। তার কেবল মনে হচ্ছিল, এই বুঝি নাদিয়া তাকে ডেকে বলবে, ‘আপনি কি পাগল শফিক ভাই? আমি বললাম আর অমনি আপনি ব্যাগ ট্যাগ গুছিয়ে রওয়ানা হয়ে গেলেন!’

    শফিক বড় বড় চোখে তাকিয়ে অবাক গলায় বলবে, ‘তাহলে?’

    নাদিয়া বলবে, ‘ধুর, এত বোকা আপনি! এমন কি হয় নাকি? আপনি এক কাজ করুন, ব্যাগ-ট্যাগ রাখুন, চলুন আমরা আশপাশে একটু ঘুরে দেখি। এখানে না নদী আছে? আজ আপনি আমাকে নৌকাতে চড়াবেন, পালতোলা নৌকায়। আপনি জানেন, আমি কখনো পালতোলা নৌকায় চড়িনি?’

    নাদিয়া অবশ্য এমন কিছুই বলল না। শফিকের মনে হচ্ছিল, পথে যদি ছোটখাটো একটা দুর্ঘটনাও ঘটে যেত? যদি রাস্তা বন্ধ হয়ে যেত কিংবা ফেরি না চলত! কিংবা অন্যকিছু! মা যদি হঠাৎ বলতেন, আজ এখুনি কেন যেতে হবে, রাতটা থেকে কাল যাস।

    কিন্তু তেমন কিছুই হলো না। আজ ঠিকঠিক ফেরি পেয়ে গেল শফিক। ফেরি থেকে নেমে ঢাকার বাস পেয়ে গেল। বাসে ভিড় নেই, সিট ফাঁকা। রাস্তায় কোনো জ্যাম লাগল না। সে সন্ধ্যা নাগাদ ঢাকায় পৌঁছে গেল। মেসে তার ঘরটাতে একটা কটকটে দুর্গন্ধ। অনেকদিন ধরে দরজা জানালা বন্ধ থাকার কারণে ভ্যাপসা দমবন্ধ পরিবেশ। তারপরও জানালাটা খুলতে ইচ্ছে হলো না তার। ধুলো জমা নোংরা ময়লা বিছানায় অন্ধকারে খানিক শুয়ে রইল সে। তারপর উঠে টিউশনে গেল। ঘণ্টাখানেক পড়ালোও সে। আরো কতকিছু যে হলো সেখানে, কিন্তু তার কিছুই শফিকের মাথায় ঢুকল না। তার কেবল মনে হলো বুকের ভেতর শূন্য এক তেপান্তরের মাঠ বয়ে বেড়াচ্ছে সে। সেই মাঠে কেউ নাই কেউ নাই মাতমে বয়ে যাচ্ছে হাহাকারের সুতীব্র হাওয়া। সেই হাওয়া তাকে অবশ করে দিচ্ছে।

    পরের তিনটা দিন সে অফিসে গেল, টিউশন করাল, রোজকার আর সবকিছুই করল। কিন্তু একটা মুহূর্তও বুকের ভেতর থেকে হাহাকারে পরিপূর্ণ তেপান্তরের ওই মাঠটাকে সে তাড়াতে পারল না।

    তৃতীয় দিন শেষে সবচেয়ে কষ্টকর মুহূর্তটা শুরু হলো শফিকের। সারাটাক্ষণ মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে বসে রইল সে। এই বুঝি নাদিয়ার ফোন এলো। এই বুঝি সে বলবে, শফিক ভাই, কই, আপনি এখনো বাড়ির বাস ধরেননি! আমি কখন থেকে অপেক্ষা করে আছি!

    আচ্ছা, সত্যি সত্যিই কি নাদিয়া তার জন্য অপেক্ষা করে আছে? হোক না প্রয়োজনে, তারপরও কি সে তাকে মনে করে? নিশ্চয়ই করে। ভালোবেসে না হোক, ঢাকায় ফেরার প্রয়োজনে হলেওতো করে। শফিকের আচমকা মনে হলো, সে নাদিয়ার প্রিয়জন হতে না পারুক, কেবল তার প্রয়োজন হয়েও একটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারবে।

    নাদিয়া তাকে ফোন করল পঞ্চম দিন সন্ধ্যায়। সে বলল, ‘শফিক ভাই, কাল চলে আসতে পারবেন?’

    শফিক বলল, ‘পারব।’

    ‘সমস্যা হবে না?’

    শফিকের খুব বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, সমস্যাতো হবেই। কিন্তু তুমি ডাকলে এক পৃথিবীর সকল সমস্যাকে আমি অবলীলায় পায়ে মাড়িয়ে দিতে পারি।

    কিন্তু এই কথা সে বলতে পারল না। নাদিয়া বলল, ‘সমস্যা থাকলে থাক। আমি একাই আসতে পারি। এটা এমন কঠিন কোনো কাজ না। জাস্ট ফেরি পার হয়ে বাসটা ধরতে হবে। ব্যাস। তারপরতো ঢাকায়ই পৌঁছে যাব।’

    শফিকের বুকটা হঠাৎ ধক করে উঠল। মনে হলো বুকের ভেতর থেকে সব বাতাস যেন বেরিয়ে গেল। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তার। সে প্রাণপণে চেষ্টা করছে কিছু একটা বলতে, কিন্তু পারছে না। কথা গুছিয়ে আনতে পারছে না সে। কিন্তু বুক হাঁসফাঁস করছে তার। নাদিয়া বলল, ‘আচ্ছা, থাক তাহলে। আমি একা একাই আসতে পারব। এটুকুর জন্য শুধু শুধু আপনাকে ঝামেলায় ফেলতে চাই না।’

    শফিক বারকয়েক চেষ্টার শেষে অবশেষে কথা বলতে পারল। কিন্তু এই কথাটা সে কোনোভাবেই বলতে চায়নি। সে মৃদু কণ্ঠে বলল, ‘আচ্ছা।’

    নাদিয়া ফোন কেটে দেয়ার পরও শফিক ফোন কানে চেপে ধরে বসে রইল। তার মনে হচ্ছে ফোনের ভেতর থেকে একটা শো শো শব্দ এসে তার মাথার ভেতর ঢুকে পড়ছে। সেই শব্দ ক্রমশই বাড়তে থাকল। অনেক চেষ্টা করেও সেই শব্দ সে মাথা থেকে তাড়াতে পারছে না। তার কপাল, চুলের গোড়া বেয়ে দরদর করে ঘাম ছুটছে। তার চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করছে। কাঁদতে কাঁদতে বুকের ভেতর জমা অভিমানের, অক্ষমতার কঠিন পাথরটাকে গলিয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু এই মুহূর্তে কাঁদা সম্ভব না। তার রুমমেট চলে এসেছে। সে এসে বলল, ‘আমার শরীরটা খুব খারাপ লাগছে শফিক। তুমি কি আজ রাতের রান্নাটা রাঁধতে পারবে?’

    এই মেসে তারা ছয়জন থাকে। সপ্তাহে ছয়দিন ছয়জন ভাগ করে বাজার ও রান্না করে। আজ তার রুমমেটের রান্না করার কথা। শফিক বিড়বিড় করে বলল, ‘বাজার করেছেন?’

    ‘বাজারতো করি নাই ভাই। শরীরটা ভালো না। তা ছাড়া আমার কাছে টাকাও নেই। তুমি আজকে চালাই নাও। আমি পরে দিয়ে দেব।’

    শফিক বাজার করতে গেল। বাজার থেকে এসে রান্না করল। তারপর গোসল করে শুয়ে পড়ল। কিছু খেতে ইচ্ছে করছে না তার। মাঝরাতের দিকে শফিক বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াল। তার শরীর থরথর করে কাঁপছে। মাথা ঘোরাচ্ছে। সে সন্তর্পণে দরজা খুলে বের হলো। এবড়োথেবড়ো রাস্তায় পা দিয়ে তার মনে হলো সে খালি পায়ে বের হয়েছে। এখন আর ঘরে ফিরে স্যান্ডেল পড়ে আসতে ইচ্ছে করছেনা। সে হাঁটতে হাঁটতে মহাখালী রেল ক্রসিং পেরিয়ে এলো। সুনসান ট্রেনলাইন। আশেপাশে কোথাও কেউ নেই। হলদে আলো ছড়িয়ে কেবল ল্যাম্পপোস্টগুলো দাঁড়িয়ে আছে। কতগুলো কুকুর চক্রাকারে ঘুরছে। শফিককে অবশ্য এসব কিছুই স্পর্শ করল না। সে হাঁটতে হাঁটতে একটা ল্যাম্পপোস্টের নিচে গিয়ে বসল। তারপর ল্যাম্পপোস্টে হেলান দিয়ে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলো দীর্ঘসময়। নিষ্পলক। নির্নিমেষ। তারপর হঠাৎ হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। এমন কেন সে? কেন এমন? কেন নিজের বুকের ভেতর থাকা ইচ্ছেগুলো, কথাগুলো সে নাদিয়াকে স্পষ্ট করে বলতে পারে না! বুকের ভেতর এত তীব্র যন্ত্রণা লুকিয়ে কি কেউ বাঁচতে পারে!

    শফিক জানে না। সে কাঁদতেই লাগল। কাঁদতেই লাগল। চক্রাকারে ঘোরা চুপচাপ কুকুরগুলো আচমকা থমকে দাঁড়ালো। তারপর হঠাৎই তীব্র স্বরে ঘেউ ঘেউ করতে লাগল। শফিকের কান্না অবশ্য তাতে থামল না। তার নিজের ওপর আজ খুব রাগ হচ্ছে। প্রবল অক্ষম আক্রোশে সবকিছু ভেঙেচুড়ে ফেলতে ইচ্ছে হচ্ছে। সে যেন সেই আক্রোশ মেটাতেই আরো জোরে চিৎকার করে কাঁদতে লাগল। কিন্তু তার সেই তীব্র কান্নার শব্দ ক্রমশই মিশে যেতে থাকল একদল কুকুরের সমবেত চিৎকারের সাথে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }