Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ২৪

    ২৪

    বাড়ি থমথমে। বিষয়টা প্রথম আফজাল আহমেদ বুঝতে পারেননি। তিনি রাতের বেলা মছিদা বেগমকে ডেকে বললেন, ‘তুমি কি মেজো বৌমাকে একটু এই ওষুধটা দেখিয়ে আনতে পারবে?’

    মছিদা বেগম টিপ্পনী কাটার স্বরে বললেন, ‘তোমার মেজো বৌ যে এত বড় ডাক্তার, তাতো জানতাম না!’

    ‘ডাক্তার হতে হবে কেন? ডাক্তার না হলে বুঝি ওষুধ দেখে বোঝা যায় না রকমটা কী? অনেকদিন আগে আনা ছিল বলেই নাম দেখে বুঝতে পারছি না। মেজো বৌমা ওই ছোট লেখাটা দেখে বলতে পারত।’

    ‘সে পারলে তুমিও পারবে। সারাক্ষণ শুধু মেজো বউ মেজো বউ। যেন এ বাড়িতে মেজো বউ ছাড়া আর কেউ থাকে না!’

    ‘তুমি হঠাৎ তার ওপর ক্ষেপলে কেন বলোতো?’

    ‘ক্ষেপেছি তোমাকে কে বলল? উচিত কথা বললেই ক্ষেপা হয়ে গেল?’

    আফজাল আহমেদ বুঝতে পারছেন কোনো একটা সমস্যা হয়েছে। কিন্তু সেই সমস্যা আসলে কী, সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি বিড়বিড় করে বললেন, ‘আমিতো এত ছোট ছোট লেখাগুলো পড়তে পারি না। তুমি বরং সেলিনা বা দিপুকে ডেকে দাও।’

    ‘দিপু এখনো ফেরেনি। আর সেলিনাকে এখন ডাকা যাবে না।’

    ‘ডাকা যাবে না কেন?’

    ‘কেন ডাকা যাবে না, সেটা তুমি তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করো। মেয়েতো একা আমার না, আমার?’

    আফজাল আহমেদ কিছু বলতে গিয়েও বললেন না। তিনি বিছানা থেকে নেমে সেলিনার ঘরের দিকে গেলেন। তার কোমরের ব্যথাটা হঠাৎ করেই আবার বেড়েছে। সেলিনার ঘরের দরজা বন্ধ। তাকে বেশ কয়েকবার ডাকা হলো, দরজায় নক করা হলো, কিন্তু সে দরজা খুলল না। আফজাল আহমেদ ফিরে আসতে গিয়ে সেলিনার কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন। ঘরের ভেতর খুব নিচু স্বরে সে কাঁদছে। সেলিনা এমনিতেই কারণে-অকারণে কান্নাকাটি করেই থাকে। কিন্তু এতরাতে সে একা ঘরে অন্ধকারে কাঁদছে দেখে বিষয়টা স্বস্তি দিল না তাকে। তিনি মছিদা বেগমকে ডেকে কারণ জিজ্ঞেস করলেন। মছিদা বেগম মুখ ঝামটা মেরে বললেন, ‘সেটা তোমার কলিজার টুকরা মেজো বৌকেই গিয়ে জিজ্ঞেস করো।’

    আফজাল আহমেদ এতক্ষণে সতর্ক হয়ে গেলেন। মুনিয়ার সাথে সেলিনার কোনো ঝামেলা হতে পারে এটা তিনি কস্মিনকালেও ভাবেননি। এমন নয় যে এ বাড়িতে সবাই-ই মুনিয়াকে পছন্দ করে। কিন্তু তারপরও মুনিয়ার সাথে সরাসরি কারো সমস্যা হতে তিনি দেখেননি। এমনকি সেলিনা আসার পর তার সাথে সবারই একটু-আধটু খটোমটো লেগে থাকলেও মুনিয়ার সাথে তার একটা সহাস্য হৃদ্যতা তিনি সবসময়ই দেখেছেন। কিন্তু মুনিয়ার কারণে এই রাতে ঘরের দরজা বন্ধ করে সেলিনা কাঁদছে, বিষয়টা নিতে পারছেন না আফজাল আহমেদ। তার খুবই মন খারাপ হয়ে গেল। নানা কারণেই সেলিনার হাসি-কান্নাকে খুব একটা গুরুত্ব দেন না তিনি। সে ছোটবেলা থেকেই প্রচণ্ড একগুঁয়ে, জেদি। কারো কোনো মতামত সে শুনবে না, কারো পরামর্শ নেবে না। একের পর এক ভুল করেও আবার সেই কাজটিই করবে। এই নিয়ে মনে মনে তিনি ভীষণ বিরক্ত হলেও আজ এই মুহূর্তে ওই বন্ধ ঘরের দরজার ওপাশে অন্ধকারে থাকা একাকী মেয়েটার জন্য হঠাৎ তার মন কেমন করে উঠল।

    তিনি কাউকে কিছু না বলেই ধীর পায়ে সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠতে লাগলেন। এত রাতে সবারই ঘুমিয়ে পড়ার কথা। কিন্তু তারপরও আফজাল আহমেদ মুনিয়ার ঘরের সামনে এসে দাঁড়ালেন। তার ঘরের দরজাটা ভেজানো। দরজার ফাঁক দিয়ে এক চিলতে আলো এসে পড়েছে বাইরে। তিনি বার দুয়েক নক করতেই ভেতরের বারান্দা থেকে মুনিয়ার কণ্ঠ শোনা গেল, ‘কে?’

    আফজাল আহমেদ মৃদু গলা খাকড়ি দিয়ে বললেন, ‘আমি বউ মা।’

    ‘বাবা, আপনি এত রাতে!’

    এই তো, শরীরটা একটু খারাপ লাগছিল মা। এই ওষুধটা একটু তোমাকে দেখানো দরকার ছিল।’

    ‘তা আপনি আসতে গেলেন কেন বাবা? আমাকে একটা ফোন করলেইতো হতো।’

    আফজাল আহমেদ জবাব দিলেন না। তিনি ঘরে ঢুকে বসলেন। মুনিয়া ওষুধের গায়ে ছোট ছোট অক্ষরে লেখা কথাটা পড়ে বলল, ‘বাবা, এখনতো অনেক রাত হয়ে গেছে, আমি আমার ডাক্তার ফ্রেন্ডটাকে কাল সকালে ফোন করে জেনে আপনাকে জানাই?’

    ‘কোন সমস্যা নেই।’ বলে একটু থামলেন আফজাল আহমেদ। তারপর বললেন, ‘ তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি মা?’

    ‘কী কথা বাবা?’

    মানে ধরো, তুমিতো আমার মেয়ের মতোই। আর এ বাড়ির অঘোষিত অভিভাবকও কিন্তু তুমিই। তাই সবকিছুতে তোমার কাছেইতো সবাই ছুটে আসে। এটা কিন্তু কম প্রাপ্তি না মা। এই জায়গাটা তুমি তৈরি করেছো। এমন না যে এ জন্য তোমাকে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। বা কষ্ট করতে হয়নি। সবই করতে হয়েছে। কিন্তু মা, জায়গাটাও কিন্তু তুমিই তৈরি করেছো। এখন সবারই তোমার কাছে অনেক প্রত্যাশা।’

    ‘আপনি বলুন বাবা।‘

    আফজাল আহমেদ সামান্য সময় নিয়ে বললেন, ‘সেলিনার কী হয়েছে বলোতো মা?’

    ‘সেলিনার? সেলিনার আবার কী হবে বাবা?’

    ‘সে সন্ধ্যা থেকে কাঁদছে। দরজা বন্ধ করে শুয়ে আছে। দরজা খুলছে না।’ তাই নাকি! কই, আমিতো কিছু জানি না বাবা।’

    ‘শোনো মা, আমাদের সবারই কিন্তু আলাদা একটা জগৎ আছে। সেই জগতে অন্য কেউ ঢুকতে পারে না। সেই জগতের দুঃখ কষ্ট, যন্ত্রণা, সব আমাদের একান্ত নিজের। তোমার, আমার, আমাদের সবারই। সেগুলো অন্যরা জানতেও পারে না। তাই না মা?’

    ‘জি বাবা।’

    ‘এগুলো তোমাকে বলার কিছু নেই। তুমি আমার চেয়ে অনেক বেশি জানো, বোঝো। তারপরও মা, তুমিতো একটা মেয়ে মানুষ, সেলিনার অবস্থাটাতো তুমি বুঝবে। আমরা সবাই-ই হয়তো বাইরে ওর খিটখিটে মেজাজ, বিরক্তিকর আচরণ এগুলোই দেখি। এগুলো দেখে দেখে হয়তো ওর প্রতি আমাদের সবারই এক ধরনের বিরক্তিও তৈরি হয়েছে। এইজন্য ওর সত্যিকারের কষ্টগুলোকেও হয়তো আমরা গুরুত্ব দিই না। ভাবি, ও তো এমনই! একবার ভাবোতো, এই বয়সে ডিভোর্সড, বাবার উপার্জন নেই। ভাইদের উপার্জনের ওপর নির্ভর করে থাকতে হয়, এটা কেমন কষ্টের? বোঝো?’

    মুনিয়া চুপ করে রইলো। সে বুঝতে পারছে না কী বলবে!

    ‘শোনো মা, একটা কথা আছে, বাপের আয়ে রাজা, ভাইয়ের আয়ে প্রজা। এইটা দুনিয়ারই নিয়ম। যতই ভাই, ভাবি, বোনরা আদর করুক, যত্ন করুক। দামি দামি পোশাক দিক, টাকা-পয়সা দিক, তারপরও সবসময় মনে হয়, আমি পরনির্ভরশীল। কিন্তু বাপে যদি দুই টাকাও আয় করে, সন্তান যদি ছিঁড়া জামাও পরে, তারপরও সে ভাবে আমি বাপের হোটেলে খাই, মায়ের হোটেলে ঘুমাই। আমিই রাজা। এইটাই দুনিয়ার নিয়ম মা।’

    ‘কী হয়েছে একটু বলবেন বাবা?’

    ‘আমিতো জানি না মা। তোমরাই ভালো জানো। তোমরা এক মেয়ে যদি আরেক মেয়ের দুঃখ না বোঝো, তাহলে কীভাবে হবে? মেয়েদের নিজস্ব কিছু কষ্ট থাকে, এইগুলো কিন্তু মা পুরুষরা বোঝে না। শুধু মেয়েরাই বোঝে। সেলিনার অবস্থা একবার চিন্তা করো? তার ভবিষ্যৎ কী? বর্তমান কী? তার বন্ধু নাই, বান্ধবী নাই। ভাই-বোনও নাই। কারণ সবাই সবাইকে নিয়ে ব্যস্ত। কারো কি একটু সময় আছে তাকে সময় দেয়ার? এই সময়ে তার মানসিক সাপোর্ট দরকার। কিন্তু উল্টা আমরা সবাই কিন্তু তাকে প্রেসারে রাখি। কারণে-অকারণে সবসময় ভয় দেখাতে থাকি, সামনে কী হবে, সামনে কী হবে! কী এক আতঙ্কে তার প্রত্যেকটা মুহূর্ত কাটে? ‘

    ‘বাবা, এটা আমি বুঝতে পারছি। আপনি সেলিনাকে জিজ্ঞেস করে দেখবেন, আমি সবসময়ই চেষ্টা করি, যতটা সম্ভব ওকে ভালো রাখা যায়, আনন্দে রাখা যায়।’

    ‘তাহলে মা, কী এমন হলো যে সে সন্ধ্যা থেকে কাঁদছে?’

    মুনিয়া বলবে না বলবে না করেও শেষ অবধি বলল, ‘বাবা, কথাটা আপনাকে কীভাবে বলব আমি জানি না। কিন্তু আমার বিশ্বাস, অন্যরা না বুঝলেও আপনি বুঝবেন। আপনি বড় চাকরি করেছেন, চাকরির সিস্টেম, রিক্রুটমেন্ট পলিসি, প্রসেস সম্পর্কে আপনার ধারণা আছে। মা আর সেলিনার হয়তো এই ধারণাটা না থাকার কারণে তারা আমাকে ভুল বুঝছে।’

    ‘কী হয়েছে?’

    ‘আমাদের স্কুলে দুজন টিচার রিক্রুট হচ্ছে। এখন মা বলছেন সেখানে সেলিনাকে একটা চাকরি দিয়ে দিতে। কিন্তু বাবা, প্রথমত, যে রিকোয়ারমেন্টস চাওয়া হয়েছে, সেলিনার তা নেই। দ্বিতীয়ত, আমার কী সেই অথোরিটি বা ক্ষমতা আছে যে আমি চাইলেই যে কাউকে আমার একক সিদ্ধান্তে চাকরি দিয়ে দিতে পারি? এখন এটা নিয়ে মা আর সেলিনা খুব রিয়্যাক্ট করছেন। উনাদের ধারণা আমি ইচ্ছে করেই সেলিনাকে চাকরিটা দিচ্ছি না, কিন্তু আমি চাইলেই এটা করতে পারি।’

    ‘ওওওহ, আচ্ছা।’ আফজাল আহমেদ ঘটনা শুনে যেন খানিক হতাশ হলেন।

    ‘এখন বাবা আপনিই বলুন, এটা কি কোনোভাবেই সম্ভব? আর আমার ক্ষমতা থাকলে আমি সেলিনাকে চাকরিটা কেন দেব না বাবা, আপনিই বলুন? ওকে চাকরিটা দিতে পারলেতো আমার কোনো ক্ষতি নেই, তাই না? বরং লাভই। স্কুলে ও কতভাবে আমাকে হেল্প করতে পারত, তাই না?’

    আফজাল আহমেদ এতক্ষণে বিষয়টা সম্পর্কে পরিষ্কার হলেন। মনে মনে তিনি মছিদা বেগম এবং সেলিনার ওপর খুবই বিরক্ত বোধ করছেন। এই সামান্য বিষয়টা তারা বুঝবে না! শুধু শুধু এই এতরাতে এসে তিনি মেয়েটাকে বিরক্ত করলেন, কী সব কথাও শোনালেন। এখন নিজের কাছেই নিজের লজ্জা লাগছে তার। তিনি উঠতে উঠতে বললেন, ‘আমি বুঝতে পারছি মা। তুমি কিছু মনে করো না। ওরাতো এই সব বোঝে না। তুমি চিন্তা করো না। আমি যতটা সম্ভব ওদের বুঝিয়ে বলব।’

    আফজাল আহমেদ অবশ্য কিছুই বোঝাতে পারলেন না। বরং তার কথা শুনে মছিদা বেগম এবং সেলিনা তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠল। সেলিনা বলল, ‘তোমাকে যা বোঝালো আর তুমি তা-ই বুঝে এলে, না?’

    আফজাল আহমেদ বোঝানোর চেষ্টা করলেন, ‘সবকিছুরই একটা সিস্টেম আছে বুঝলি? একটা স্কুলতো আর একজনের সিদ্ধান্তে চলে না। এটা একটা প্রতিষ্ঠান। সব প্রতিষ্ঠানেরই কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ব্যক্তি যত ক্ষমতাবানই হোক না কেন, সেই নিয়ম-কানুনের বাইরে সে যেতে পারে না।’

    মছিদা বেগম বললেন, ‘এসব আমাকে বোঝাতে এসো না।’

    আফজাল আহমেদ হতাশ ভঙ্গিতে মাথা নাড়লেন। সেলিনা বলল, ‘সে কী করে এতবড় স্কুলে চাকরি পেল? আমরা কিছুই বুঝি না ভেবেছো? কত কথা আমাদের কানেও আসে। কেবল আর দশজনের ননদের মতো কিছু বলি না বলে ভেবো না, কিছু জানি না আমরা। চাকরি পাওয়ার কদিনের মধ্যেই অত বড় বড় সব সিনিয়রদের টপকে কীভাবে সে হেড টিচার হয়ে গেল? এতই যদি নিয়ম কানুন থাকে?’

    আফজাল আহমেদের এবার লজ্জাই লাগছে। তিনি ছি ছি করতে করতে ঘর থেকে বের হয়ে গেলেন। লজ্জায় তার মাথা নিচু হয়ে আসছে। মাঝে মাঝে তিনি সেলিনাকে চিনতেই পারেন না। মছিদা বেগমকেও না। মনে হয়, এই মছিদা বেগম অন্য কেউ। এর কোনো হিতাহিত কাণ্ডজ্ঞান নেই। ভালো-মন্দের বোধ নেই। এ যেন প্রবল প্রতিহিংসা বুকে পুষে রাখা ভয়ানক এক মানুষ।

    পরদিন সন্ধ্যায় সেলিনা যেন আটঘাট বেঁধেই তার সাথে দেখা করতে এলো। কিন্তু সেটি প্রথমে তার আচরণে বোঝা গেল না। সে খুব শান্ত, স্বাভাবিক কণ্ঠে বলল, ‘আমার একটা কথা আছে বাবা?’

    ‘কী কথা?’

    ‘শুনে আবার রেগে যেও না।’

    আফজাল আহমেদ হাসলেন, ‘সেই সুযোগ কি আমার আছে?’

    সেলিনা আফজাল আহমেদের কথার জবাব দিল না। সে সরাসরি প্রসঙ্গে চলে গেল, ‘এই বাড়িতে এখন সবচেয়ে অসহায় মানুষ কে বাবা?’

    আফজাল আহমেদ বুঝতে পারছেন, নিশ্চয়ই আবারো কোনো গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। তিনি নিরীহ মানুষের মতো বললেন, ‘কে আবার? আমি।’

    ‘উহু, তুমি না।’

    ‘তাহলে কে?’

    ‘এই বাড়িতে সবচেয়ে অসহায় মানুষ এখন আমি।’

    ‘তুই অসহায় কেন হবি?’

    সেলিনা মলিন হাসল, এটা তুমি বা তোমরা কেউই বুঝবে না বাবা। যে অসহায় সে-ই কেবল তার কষ্টটা বোঝে। যাই হোক, তোমাকে একটা কথা বলতে চাই বাবা।’

    ‘কী কথা?’

    ‘তোমার বয়স হয়েছে না?’

    ‘হ্যাঁ, হয়েছে।’

    ‘ধরো, এখন তোমার যদি কিছু হয়ে যায়, তখন আমার কী হবে?’

    ‘তোর কী হবে মানে? এই এত বড় বাড়ি আছে। তোর ভাইয়েরা আছে। তোর মা আছে। তারপর আবার তোর কী হবে মানে কী?’

    ‘একটা কথা বলি বাবা, আমাকে খারাপ মনে করো না। কিন্তু শান্ত মাথায় কথাটা শোনো।’

    ‘কী কথা?’ ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন আফজাল আহমেদ।

    ‘আল্লাহ না করুক, তোমার যদি হঠাৎ কিছু হয়ে যায়, তারপর এ বাড়ি থেকে যদি কেউ আমাকে বের করে দেয়, বা মাকেও বের করে দেয়, তখন আমরা যাব কই?’

    আফজাল আহমেদের প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হচ্ছে। গতরাতে বন্ধ ঘরে সেলিনাকে একা একা কাঁদতে দেখে সেলিনার প্রতি যে মায়া তিনি অনুভব করেছিলেন, তা যেন ক্রমশই কর্পূরের মতো উড়ে যাচ্ছে। তবুও যতটা সম্ভব নিজেকে সংযত রেখে তিনি বললেন, ‘কে বের করে দেবে তোদের?’

    ‘যে কেউ বের করে দিতে পারে বাবা। তুমিতো একটা ঘোরের ভেতর থাকো, এ কারণে তুমি বাস্তব চোখে দেখতে পারো না। এই যে পেপার-পত্রিকা পড়ো, টেলিভিশন দেখো, তাতে কখনো দেখো নাই যে বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল ছেলেরা? দেখো নাই, পিতৃসম্পত্তি থেকে বোনকে উচ্ছেদ করল ভাইরা?’

    ‘ছি ছি ছি।’ আফজাল আহমেদ এবার রেগেই গেলেন, ‘দিন দিন এ কী নোংরা চিন্তা-ভাবনা হচ্ছে তোর সেলিনা? তুই তো আগে এমন ছিলি না? এগুলো কে ঢোকাচ্ছে তোর মাথায়? তোর মা? কোথায় সে? কোথায়?’

    মছিদা বেগম আশপাশে কোথাওই ছিলেন। তিনি আড়াল থেকে বের হয়ে এসে বললেন, ‘ও তো ভুল কিছু বলে নাই। তা ছাড়া তোমার সন্তানদের মধ্যে ও-ই তো এখন সবচেয়ে অসহায়। ওর কথাই তোমার সবার আগে ভাবতে হবে। কোন একটা বিপদ আপদ হলে, সবাই যার যার মতো একটা ব্যবস্থা করে নিতে পারবে। কিন্তু ও কী করবে?’

    আফজাল আহমেদ আক্ষরিক অর্থেই অসহায় বোধ করছেন। তার তুলনায় মছিদা বেগমের বাস্তব জ্ঞান-বুদ্ধি ভালো। তিনি হতাশ গলায় বললেন, ‘তাহলে এখন আমার কী করা উচিত?’

    ‘বাড়ির কোন অংশ কে পাবে, সেটা সেটেল করে লিখে দেয়া উচিত।’ বলে মছিদা বেগম একটু থামলেন। তারপর আবার বললেন, ‘ধরো এখন যদি রুবেল হঠাৎ বিয়ে করে, তাহলে সেলিনা কই থাকবে?’

    ‘রুবেলের বিয়ের কথা আবার কোত্থেকে এলো?’ আফজাল আহমেদ অবাক চোখে তাকালেন, ‘সে তো বলেছে সে বিয়েই করবে না। আর এই বয়সে তাকে মেয়েই বা দেবে কে?’

    ‘এই দেশে মেয়ের অভাব নেই। তুমিও এখনো বিয়ে করতে চাইলে বলো, আমি মেয়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’ ঝাঁজের সাথে বললেন মছিদা বেগম। ‘তিন তলায় আশফাকদের থাকতেই সমস্যা হয়। দোতলায় জাফররা থাকে। ওখানে আর কারো যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আর এখানে দিপু আর রুবেল এক রুমে থাকে। রুবেল রেগুলার থাকে না বলে ওই ছোট ওইটুক রুমটাতে দিপু একা কোনোমতে থাকতে পারে। সেলিনার বিয়ের পর তার রুমটা ফাঁকা ছিল, মাঝেমধ্যে রুবেল বা অতিথ-মেহমান আসলে সেখানে থাকতো। কিন্তু এখনতো সেই রুমে সেলিনাই থাকে।

    ‘হুম।’

    ‘হুম কী? আজ হোক কাল হোক, দিপুওতো বিয়ে করবে, করবে না? তখন কী হবে? তখন সেলিনা কই যাবে? তার যাওয়ার কোনো জায়গা আছে?’

    আফজাল আহমেদ রেগে যেতে যেতেও নিজেকে সংবরণ করলেন। আসলে মছিদা বেগমের কথার যুক্তিসংগত কোনো উত্তর তিনি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। বাকিটা সময় তিনি থম মেরে বসে রইলেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পর মছিদা বেগম যেন খানিকটা নরম হলেন। তিনি বললেন, ‘আমি জানি তুমি আমার ওপর রাগ করছো। ভাবছো, আমি কী আজেবাজে চিন্তা করছি। কিন্তু আমিতো মা। মা না?’

    আফজাল আহমেদ কোনো কথা বললেন না। মছিদা বেগম বললেন, ‘শোনো, আমার সব সন্তানের জন্যই সমান মায়া, স্নেহ, মমতা। কিন্তু যেই সন্তানটা একটু দুর্বল, তার জন্য দুশ্চিন্তাটা একটু বেশিই হয়।’

    তিনি আফজাল আহমেদের খানিকটা কাছে এসে তার বাহুতে হাত রেখে বললেন, তোমার চিন্তা না থাকলেও আমার অনেক চিন্তা। তুমিতো সেলিনাকে চেনোই। ছোটবেলা থেকেই ও একটু অন্যরকম। এখন অন্যরকম বলেতো আর আমরা ওকে ফেলে দিতে পারব না, তাই না? আমরা হলাম মা-বাবা। সন্তান যেমনই হোক, সে আমাদেরই। এখন অন্যরা কিন্তু সেটা বুঝবে না। তারা ঠিকই সহ্য করতে পারবে না। দূর দূর করে তাড়িয়ে দেবে। আর তখন যদি আমরাও না থাকি, ও যাবে কই? একবার ভেবেছো?’

    আফজাল আহমেদ এবারও কথা বললেন না। মছিদা বেগমই বললেন, ‘আল্লাহ না করুক, আমার বা তোমার যদি কিছু একটা হয়ে যায়, তখন এই মেয়েটা কই যাবে? একটু ভাবোতো? হয়তো অন্য সবাই তাকে ফেলে দেবে না। আদর-যত্নই করবে। কিন্তু একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, এখন সবারই কিন্তু নিজেদের সংসার আছে, জীবন আছে। আছে না? সেই জীবন নিয়ে তারা ব্যস্ত। তাদেরও নানা প্রয়োজন আছে। একবার ঠাণ্ডা মাথায় ভাবো, এখনই কারো সময় নেই সেলিনার খোঁজ-খবর নেয়ার। আজ দুই মাস হলো জাফর তাকে কোনো টাকা-পয়সা দেয় না। সে হয়তো ভুলেই গেছে সেলিনার কথা।’

    ‘ভুলে যাবে কেন?’

    ‘কারণ সে ব্যস্ত। ইচ্ছে করে যে ভুলেছে তা তো না। কিন্তু তার অফিস, চাকরি, এই ট্যুর সেই ট্যুর। এই সমস্যা, সেই সমস্যা। মনে থাকবে কী করে! সেদিন সেলিনার জন্য একটা চাকরির কথা বললাম জাফরের কাছে, সে গ্রাহ্য করল না। মুনিয়াকে বললাম, সেও বলল পারবে না। তাহলে আমরা না থাকলে তখন কী হবে, ভেবেছো? তখন কি কারো সময় হবে তার খোঁজখবর নেয়ার? তখন তার পায়ের নিচেতো একটু মাটি থাকা দরকার। মাথার ওপর একটু ছাদ থাকা দরকার। দরকার না?’

    এই এতক্ষণে মছিদা বেগমের কথাগুলো যেন বোধগম্য হতে লাগল আফজাল আহমেদের কাছে। তিনি বাঁ হাতের উল্টো পিঠে তার দাড়ি ঘষতে ঘষতে বললেন, ‘কিন্তু এখনই এভাবে বাড়ি ভাগ করে দেয়া কি ঠিক হবে? আমার একটুও মন সায় দিচ্ছে না। এতে ছেলেমেয়েদের মধ্যে না আবার একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়! তা ছাড়া অন্যদের মতামতওতো নেয়ার দরকার আছে, আছে না?’

    ‘বাড়ি তোমার, মতামতও তোমার। তুমি যা বলবে তাই অন্যরা শুনতে বাধ্য। এখানে আবার এই সেই কী!’

    আফজাল আহমেদ রাতভর মছিদা বেগমের কথা ভাবলেন। এবং রাত যত বাড়তে থাকল, ততই মছিদা বেগমের কথাগুলো তার যুক্তিসংগতও মনে হতে লাগল। কিন্তু তারপরও তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারলেন না যে তার জীবদ্দশায়ই তার ছেলে মেয়েদের মধ্যে এই বাড়ি ভাগ করে দিতে হবে তাকে! এ যেনো শুধু বাড়িই ভাগ নয়, এ যেন তার বুকের ভেতর আদরে, ওমে, মমতায় বড় করে তোলা সেই তুলতুলে তুলোর বলের মতো সুবাসিত শরীর আর নিষ্পাপ মুখগুলোর মধ্যেও স্পষ্টই একটা বিভাজন তৈরি করে ফেলা। বিষয়টা তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না। বুকের ভেতর এলোমেলো করে দেয়া এক অস্থিরতা নিয়ে রাত কাটালেন তিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }