Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ১৬

    ১৬

    সুমির মন খারাপ। মন খারাপের কারণ তার বাবা আব্দুল আজিজ মাস্টার। তার আবার শরীর খারাপ করেছে। আজিজ মাস্টারের বয়স বড়জোর পঞ্চাশ। কিন্তু নানাবিধ অসুখের কারণে তাকে দেখতে লাগে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের মতো। তিনি হাজিগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার একমাত্র কন্যা সুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সে হলে থাকে। আজিজ মাস্টার স্কুল থেকে যে বেতন পান তাতে গ্রামে তার সংসার মোটামুটি ভালোই চলে যাওয়ার কথা। কিন্তু মেয়ের পড়াশোনা আর নিজের চিকিৎসার খরচ জোগাতেই তাকে হিমশিম খেতে হয়। সবচেয়ে বেশি ভোগায় হাঁপানির সমস্যা। দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে, তার এই হাঁপানির অসুখটা পেয়েছে সুমিও।

    দুপুরে বাড়িতে ফোন করার পর থেকে সুমির মন খারাপ। বাবার শরীরটা বেশ খারাপ। দুদিন স্কুলে যেতে পারেননি আজিজ মাস্টার। সুমি ফোন দিতেই বললেন, ‘এ মাসের টাকা পাঠাতে দেরি হয়ে গেলরে মা।’

    ‘সমস্যা নেই আব্বা। ‘

    ‘সমস্যা নেই মানে? অবশ্যই সমস্যা আছে। আমি কালই হাজিগঞ্জ বাজারে গিয়ে তোকে টাকা পাঠিয়ে দেব।’

    ‘তাড়াহুড়া করার কিছু নেই আব্বা। আমি টিউশনের বেতন পেয়েছি কাল।‘

    আজিজ মাস্টার আঁতকে উঠলেন, ‘তুই এখনো টিউশনি ছাড়িস নাই? তোকে না বললাম টেউশনির দরকার নাই?’

    ‘কেন দরকার থাকবে না আব্বা?’

    ‘কার না কার বাসায় গিয়ে পড়াবি। কেমন না কেমন মানুষ তারা। তার ওপর তোর পড়াশোনারও ক্ষতি হবে। হাজিগঞ্জের দশগ্রামের মধ্যে কেউ কোনোদিন ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে? পায় নাই। তুই এই হাজিগঞ্জের গর্ব। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো রেজাল্ট করে তুই ভার্সিটির টিচার হবি। একবার চিন্তা করত, কত বড় গর্বের বিষয়?’

    ‘এগুলো এখন থাক আব্বা।’

    ‘থাকবে মানে? আমিতো ঘুমালেও এই দৃশ্য স্বপ্নে দেখি। তুই ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হয়ে গ্রামে আসছিস, সেই আনন্দে গ্রামের স্কুল ছুটি দিয়ে দেয়া হয়েছে। রাস্তার দুই ধারে ছেলে-মেয়েরা ফুল হাতে দাঁড়াই আছে। গ্রামের বউ-ঝিয়েরা আড়াল থেকে তাদের বাচ্চা-কাচ্চারে বলতেছে, দ্যাখ দ্যাখ, দেইখ্যা রাখ তারে। বড় হইয়া তার মতন হওন চাই। আহারে, আহারে।’ আজিজ মাস্টারের গলা ধরে এলো।

    সুমি বলল, ‘ডাক্তার বলেছেন তোমার শরীর খারাপ হলে তোমাকে কথা কম বলতে। আর তুমি তখন কথা বলো সবচেয়ে বেশি। কেন আব্বা?’

    আজিজ মাস্টার সামান্য হকচকিয়ে গেলেন। তিনি বার দুই গলা খাকাড়ি দিয়ে বললেন, ‘আমার শরীর খারাপ তোকে কে বলেছে? তোর মা বলেছে?’

    ‘মার বলতে হবে কেন? আমি বুঝি না? আজ মাসের আট তারিখ। জীবনে কোনোদিন এমন হয়েছে যে তোমার বড় ধরনের শরীর খারাপ না হলে তুমি টাকা পাঠাতে দেরি করেছো?’

    আজিজ মাস্টার কিছু একটা বলতে গিয়েও থমকে গেলেন। অনেক ভেবেও বলার এত জুতসই কোনো কথা তিনি খুঁজে পেলেন না। সুমি বলল, ‘আব্বা?’

    ‘হুম।

    ‘তুমি কি আল্লাহরস্তে একটু নিজের খেয়াল নিবা? আমার সারাক্ষণ খুব দুশ্চিন্তা হয় আব্বা। কেন যে আমার পড়াশোনা শেষ হয় না! সেই কবে ভর্তি হলাম, মনে হয় এক যুগ। কিন্তু হিসেব করলে দেখি মাত্র দুই বছর। এখনো সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষাটা পর্যন্ত হলো না।’

    ‘হলে কী করতি? এত তাড়াতাড়ি পাশ করে কী করবি তুই?’

    ‘একটা চাকরি করব আব্বা। তারপর ঢাকা শহরে একটা বাসা নিবো। তারপর তোমাকে আর মাকে ঢাকায় নিয়ে আসব। আমার আর এত টেনশন ভালো লাগে না। সুস্থ থাকো আর অসুস্থ থাকো, সবসময় আমার চোখের সামনে থাকবা।’

    আজিজ মাস্টার কিছু বলতে গিয়েও পারলেন না। তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। গলা ধরে আসছে। তিনি চুপচাপ ফোনটা কেটে দিলেন। মেয়েটা তাকে এত ভালোবাসে কেন? পৃথিবীর সব মেয়েরাই কি বাবাদের এমন করে ভালোবাসে? তিনি জানেন না। তার কোনো বোন ছিল না। ছিল একগাদা ভাই। তারা বাবার সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ভয়াবহ ঝামেলা শুরু করেছিল। মামলা-মোকদ্দমা পর্যন্ত। সেসব দেখে তিনি ত্যক্তবিরক্ত হয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিলেন।

    .

    বাবার সাথে কথা বলার পর থেকে সুমির মন খারাপ। দিপু নানাভাবে তার মন ভালো করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। সুমি বলল, ‘আমি হলে চলে যাই দিপু?’

    ‘এখুনি? এই না কেবল এলে?’

    ‘আমার কিছু ভালো লাগছে না।’

    ‘কী করলে ভালো লাগবে বলো?’

    সুমি জবাব দিল না। কোথা থেকে একটা দোয়েল পাখি উড়ে এসে বসল তাদের পাশে। তারপর টুকটুক করে খুঁটে খেতে শুরু করল ঘাসের ফাঁকে। সেদিকে তাকিয়ে সুমি দীর্ঘশ্বাসের মতো করে বলল, ‘আব্বাকে সুস্থ করে দাও।’

    দিপু কী বলবে ভেবে পেল না। অসহায় মুখে তাকিয়ে রইলো সে। সুমিই আবার বলল, ‘আব্বার শ্বাসকষ্টটা যখন শুরু হয়, আমি তোমাকে বোঝাতে পারব না, কী কষ্টটা সে পায়!

    ‘আমি বুঝি।’ দিপু নরম গলায় বলল।

    ‘উহু, বোঝো না। ওই কষ্টটা যে নিজে কখনো পায়নি, সে কোনোদিনও বুঝবে না। মাঝে মাঝে আব্বার মতো আমারওতো হয়, এ জন্য আমি বুঝি। আমার না হলে কখনোই বুঝতাম না। আচমকা মনে হয়, বাতাসে কোনো অক্সিজেন নেই।’

    দিপু আলতো করে সুমির হাতটা তার হাতের মুঠোয় নিয়ে নিল। কিন্তু সেই হাত শীতল, নিরুত্তাপ। এইসব মুহূর্তে খুব অসহায় লাগে দিপুর। প্রিয়তম মানুষটির দুঃসহ যুদ্ধে নির্দিষ্ট দূরত্বে নিরাপদে দাঁড়িয়ে দেখা আর সহানুভূতি প্রকাশ ছাড়া যেন কিছুই করার নেই তার। একটা চাকরি-বাকরি জুটিয়ে ফেললেও হয়তো কিছু করা যেত। কিন্তু সেই উপায়ও এখন নেই। মাস্টার্স পরীক্ষার ডেটটা আজ-কাল করতে করতে পিছিয়েই যাচ্ছে। পরীক্ষাটা শেষ হওয়া অবধি তাকে অপেক্ষা করতেই হবে।

    আকাশ খানিক মেঘলা। সন্ধ্যার ঠিক আগে আগে ঝলমলে আলোর দিন ও কেমন বিষণ্ন হয়ে যায়। আকাশ মেঘলা থাকার কারণে আজ সেই বিষণ্ণতা যেন আরো গাঢ় হয়েছে। মন খারাপ সংক্রামক এক ব্যাধি। তা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। দিপুরও মন ভার হয়ে রইলো। সে চুপচাপ বসে রইলো সুমির পাশে। সুমি দীর্ঘ সময় পরে বলল, ‘আমার না কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে হয় দিপু। দূরে কোথাও।’

    ‘কোথায়?’

    ‘তাতো জানি না, তবে এমন কোথাও যেখানে কোনো দুশ্চিন্তা থাকবে না। কারো জন্য মন কেমন করবে না। কষ্ট হবে না। মনে হবে সবকিছু ঠিকঠাক। চারদিকে কেবল শান্তি আর শান্তি।’

    ‘এমন কোথাও কি আছে?’

    ‘নেই। তারপরও ইচ্ছে করে।’ মৃদু হাসল সুমি। তারপর বলল, ‘ক্রুয়েল রিয়েলিটি হচ্ছে, যেখানে যন্ত্রণার অনুভূতি নেই, সেখানে শান্তির অনুভূতিও অনুভব করতে পারার কথা না।’

    ‘একদম তাই…।’ দিপু যেন আরো কিছু একটা বলতে গিয়েও শেষ মুহূর্তে নিজেকে সামলে নিল। সুমি হঠাৎ বলল, ‘চলো কিছুক্ষণ রিকশায় ঘুরি?’

    দিপু বলল, ‘চলো।’

    একটা ভেজা হাওয়া আলতো করে ছুঁয়ে যাচ্ছে বিষণ্ন সন্ধ্যা। সেই সন্ধ্যাটা চড়ুই পাখির ডানায় ফুড়ুত করে উড়ে চলে গেল যেন। কত কত কথা হলো দুজনের। খানিক আগের বুক ভার ব্যথার শ্লথ সময়টুকু সন্ধ্যার সেই ভেজা হাওয়ায়

    ভেসে ভেসে কোথায় যেন চলে গেল!

    হলের গেটে সুমিকে নামিয়ে দিতে গিয়ে খানিক আগে বলতে চেয়েও বলতে না পারা কথাটা আচমকা বলে ফেলল দিপু, ‘চলো না দূরে কোথাও দুয়েকদিনের জন্য ঘুরে আসি?’

    ‘দূরে কোথাও মানে?’ সুমি চলে যেতে গিয়েও ঘুরে দাঁড়াল।

    ‘এই ধরো কক্সবাজার বা বান্দরবান কোথাও? বেশি না, দিন দুয়েকের জন্য? চট করে গিয়ে ফিরে এলাম। তোমার ভালো লাগবে।’

    ‘মানে কী!’ সুমির গলায় ঈষৎ বিরক্তি।

    দিপু এবার সপ্রতিভ হবার চেষ্টা করল, ‘মানে আবার কী? আমরা রাতের গাড়িতে চলে গেলাম। পরের সারা দিন, একটা রাত আর তার পরদিনটা থেকে আবার রাতের গাড়িতে ঢাকায় ফিরে এলাম।’

    ‘আচ্ছা। তারপর?’ সুমি সরাসরি দিপুর চোখে তাকাল।

    ‘তারপর কী?’

    তারপর হলো, তুমি আর কখনো এগুলো আমাকে বলবে না দিপু। কখনো না। তোমাকে আগেও আমি বলেছি। আমার এগুলো ভাল লাগে না।’

    ‘তুমি সবসময় কেন এমন করো? আমি বুঝি না।

    ‘কী বোঝো না তুমি?’ সুমির স্বর খানিক কঠিন।

    ‘আমাদের দুজনের মতো এমন উদ্ভট প্রেম আর কেউ করছে কী না!’

    ‘এটা উদ্ভট সম্পর্ক?’

    ‘নয়তো কী? তুমিই বলো আমরা দুজনই কি শুধু প্রেম করছি?’ দিপুর গলা একটু চড়ল, ‘আর কেউ করছে না? আশপাশে সবাই কত কত জায়গায় যাচ্ছে। নিজেদের মতো করে একটু সময় কাটাচ্ছে। কাটাচ্ছে না?’

    ‘হ্যাঁ কাটাচ্ছে।’ সুমির কণ্ঠ সামান্য কোমল হলো যেন।

    ‘তাহলে?’

    ‘তাহলে তুমি এক কাজ করো দিপু।’

    ‘কী কাজ?’

    ‘তুমি সেই অন্যদের সাথে প্রেম করো।

    ‘মানে?’

    ‘মানে আমার সাথে তোমার পোষাবে না। আমি ব্যাকডেটেড, পুরনো মানুষ। আর তোমরা আধুনিক। ওসব রুমডেট কিংবা হোটেল, রিসোর্টে গিয়ে রাত কাটানো আমাকে দিয়ে হবে না। কিন্তু তোমারতো এতে পোষাবে না। তাহলে আর উপায় কী!

    ‘সুমি! আমি কি এগুলো মিন করেছি? তুমি শুধু শুধু আমাকে ভুল বুঝছো।’

    সুমি স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই হাসল, ‘তাহলে কি মিন করেছো তুমি? আমি তোমার সাথে কক্সবাজার গিয়ে আলাদা হোটেলে আলাদা রুমে থাকব? নাকি একই রুমে আলাদা থাকব?’

    দিপু হতাশ ভঙ্গিতে হাত নাড়ল। সুমি বলল, ‘এমন না যে আজ প্রথম তুমি এই কথা বললে। এর আগেও একাধিকবার তুমি একই কথা বলেছো। বলোনি?’

    ‘হ্যাঁ, বলেছি। তো? তোমাকে বলব না তো কি অন্য কোনো মেয়েকে গিয়ে বলব?’

    ‘হ্যাঁ, বলবে!’

    ‘তাই করব।’

    যাও করো। এক্ষুণি যাও। আর এতদিনে যে অন্য কাউকে নিয়ে যাওনি, তারই বা নিশ্চয়তা কী? না হলে দুদিন পরপরই কেন এই একই কথা বলো? শুনেতো মনে হচ্ছে যেন কক্সবাজার, বান্দরবান সব তোমার নখদর্পণে। যখন তখন যে কাউকে নিয়ে চলে যাও। তাই না?’

    দিপু হতভম্ব ভঙ্গিতে সুমির দিকে তাকিয়ে রইলো। চারপাশে গিজগিজে ভিড়। সে এদিক-সেদিক তাকালও বারকয়েক। চেনা কোনো মুখ চোখে পড়ল না। অনেক চেষ্টা করেও সুমির কথার প্রত্যুত্তর দেয়ার মতো কোনো কথা খুঁজে পেল না সে। প্রবল রাগে তার গা কাঁপছে। সুমি বলল, ‘এমন করছো কেন? আমি কি ভুল কিছু বলেছি?’

    এবার জবাব দিল দিপু। শান্ত, স্বাভাবিক গলায় সে বলল, ‘না, ভুল কিছু বলোনি। একদম ঠিক বলেছ।’

    সুমি আরো কিছু বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু তাকে সেই সুযোগটুকু দিল না দিপু। তার আগেই ঘুরে হাঁটা দিল সে। টিপটিপ করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তখন।

    .

    বাড়ি ফেরার পথে মুনিয়ার সাথে দেখা হয়ে গেল দিপুর। সাথে ঋদ্ধি। ফুটপাত ধরে হাঁটছে তারা। মুনিয়া মাথার ওপর ছাতা ধরে আছে। ঋদ্ধি লম্বায় প্রায় মায়ের সমান হয়ে গেছে। দিপু পেছন থেকে ডাকল, ‘ভাবি?’

    মুনিয়া ঝট করে পেছনে ফেরল, ‘ও তুমি?’

    ‘কেন, রাস্তাঘাটে এমন কিন্নর কণ্ঠে ভাবি বলে ডাকার মতো আরও লোক আছে নাকি?’

    মুনিয়া হাসল, ‘যতদিন তোমাদের কিন্নরী কণ্ঠে ভাইয়া বলে ডাকার মতো মানুষ থাকবে, ততদিন আমাদেরও কিন্নর কণ্ঠে ভাবি বলে ডাকার মতো লোকের অভাব হবে না।

    ‘এতক্ষণে স্কুল থেকে ফিরছো?’

    ‘হু। দেরি হয়ে গেল। ওইতো এক ঝামেলা। রোজ এটা সেটা চলছেই।’

    ‘সেই লাশের ব্যাপারটা?’

    ‘হুম।’

    ‘এখনো কোনো কুল-কিনারা হয়নি? কী অবস্থা?’

    ‘পুলিশতো বলছে তারা সমাধানের প্রায় কাছাকাছি। কিন্তু পলিটিক্যাল কারণে অপরাধিকে ধরতে পারছে না।’

    ‘কেন?’

    ‘স্কুলে গভর্নিং বডির মধ্যে দুটা গ্রুপ। দুটোই পলিটিক্যাল। একটা বিরোধী দলের, আরেকটা সরকারি দলের। আবার সরকারি দলের মধ্যেও আলাদা গ্রুপ আছে।

    ‘ওহ। এখানেও এই অবস্থা?’

    ‘সবখানেই।’

    ‘আচ্ছা, ঋদ্ধির কী খবর?’ প্রসঙ্গ পাল্টালো দিপু।

    ‘এইতো চলছে।’ মুনিয়া যেন দায়সারা উত্তর দিল। দিপু ঋদ্ধির দিকে তাকিয়ে বলল, ‘পড়াশোনা কিছু করিস?।’

    ঋদ্ধি বলল, ‘মাকে জিজ্ঞেস করো চাচ্চু।’

    ‘কেন? মাকে কেন? তোর কি নিজের পড়াশোনা নিয়ে কথা বলা মানা?’

    ‘মানা না। আমি ভালো বললেই মা বলবে আমি ভালো-মন্দের কী বুঝি!’

    দিপু হাসল, ঠিকইতো, তুই আবার ভালো মন্দের কী বুঝিস, যেখানে তোর মা নিজেই হেড মাস্টার, হ্যাঁ?’

    মুনিয়া বলল, ‘তা না। তার ধারণা, সে অনেক বড় হয়ে গেছে। কিন্তু আমি সেটা মানতে চাইছি না। তার সবকিছুতে আমি আগের মতোই রেস্ট্রিকশন দিয়ে রাখছি। এ কারণে তার আমার ওপর অভিমান ‘

    ঋদ্ধির চুলের বেণী ধরে টানল দিপু। তারপর বলল, ‘তুই বড় হয়ে গেছিস?’

    ঋদ্ধি জবাব দিল না। সে গম্ভীর। দিপু অবশ্য বিষয়টা পাত্তা দিল না। সে বলল, ‘একটা কথা বলোতো ভাবি?’

    ‘কী কথা?’

    ‘ছোট আপাকে নিয়ে কী করি?’

    ‘কেন? আবার কিছু করেছে সেলিনা?’

    ‘নতুন করে আবার কী করবে? যন্ত্রণাতো সারাক্ষণই দেয়। উদ্ভট সব কথাবার্তা বলে, কাজকর্ম করে। কিচ্ছু বুঝতে চায় না।’

    মুনিয়া মৃদু হাসল, ‘ভালো একটা পাত্র দেখে বিয়ে দিয়ে দাও, দেখবে সব ঠিক হয়ে গেছে।’

    ‘মাফ চাই।’ দিপু হাত জোড় করার ভঙ্গি করল। তারপর বলল, ‘ওকে যে কেউ কী করে সহ্য করেছে, সেটা ভেবেই আমি অবাক হচ্ছি।’

    ‘ছিঃ। নিজের বোনকে নিয়ে ওভাবে বলতে নেই।’

    ‘সব মেয়েই কারো না কারো নিজের বোন-ভাবি। তুমিও। অবশ্য মেয়েরা কম-বেশি একইরকম।’

    ‘সবাই একইরকম হলে পুরুষরা মেয়েদের বুঝতে পারে না কেন? নারীর মন নাকি দেবা ন জানন্তি, দেবতারাও বোঝেন না?’

    ‘বোঝেন না কথাটা ঠিক না, আসলে বোঝার জন্য যে ঝামেলাটা করতে হয়, ওটা কেউ করতে চায় না। আর ছেলেরা সবসময় ঝামেলা এড়িয়ে চলতে চায়, বুঝলে?’

    ‘উহু, বুঝলাম না। সব মেয়েই যদি একরকম হয়, তাহলে আবার বুঝতে ঝামেলা হবে কেন?’

    দিপু কথা বলল না। মুনিয়া আড়চোখে তাকাল। তারপর ফোড়ন কাটার ভঙ্গিতে বলল, ‘ঘটনা কী খুলে বলো। সুমির সাথে ঝগড়া হয়েছে?’

    ‘আর ঝগড়া!’ দিপু হতাশ ভঙ্গিতে মাথা নাড়াল। তারপর বলল, ‘কোথায় যেন পড়েছিলাম, নারী আর মেশিনারি একই। সময়ে অসময়ে বিগড়ে যায়। তো সে আর আলাদা হবে কেন?’

    মুনিয়া এবার যেন গম্ভীর হলো, ‘আলাদাই। তবে সেই আলাদা জায়গাটুকু যত্ন করে বুঝতে হয়। না হলে একটা জীবন কেটে গেলেও অচেনাই রয়ে যায়।’

    ‘ভাইয়া তোমাকে চেনে?’

    মুনিয়া কী বলবে ভেবে পেল না। একটু সময় নিল। তারপর বলল, ‘না চিনলে এই যে এতদিন একসাথে থাকছি। তা থাকছি কী করে?’

    ‘থাকেতো সবাই।’

    ‘কই? সবাইতো থাকে না। সেলিনাতো থাকল না। এই যে চলে এলো।’ সবাইতো আর সেলিনার মতো একগুঁয়ে, স্ট্যাবোর্ন নয়। তাই না? অনেকেতো মানিয়েও নেয়।’

    হুম, এ জন্যই লোকে বলে, মেনে নেয়া আর মনে নেয়া এক নয়। আমরা সবাই-ই সম্ভবত কেবল মানিয়েই নিই, মনে আর নেই না।’ মুনিয়া শেষটায় এসে যেন দীর্ঘশ্বাস লুকাল। বিষয়টা চোখ এড়াল না দিপুর। সে বলল, ‘এই যে তুমি এক হাতে এতকিছু সামলে নাও, তোমাকে কম্প্রোমাইজ করতে হয় না? নিশ্চয়ই হয়। কিন্তু তোমাকে দেখে তা বোঝা যায়?’

    ‘যায় না?’

    ‘একদম না। কিন্তু এই কম্প্রোমাইজটুকু যদি তুমি না করতে, তাহলে কিন্তু সবার কাছে তুমি অন্য একটা মানুষ হয়ে যেতে। ছোট আপার মধ্যে এই মানিয়ে নেয়ার প্রবণতাটাই নেই। আর সবাই মানিয়ে নিতে পারলে সে কেন পারবে না?’

    ‘কেউ মানিয়ে নিয়ে ভালো থাকে। কেউ মানিয়ে না নিয়ে ভালো থাকে। দিন শেষে ভালো থাকাটাই আসল।’

    ‘সে কি মানিয়ে না নিয়ে ভালো আছে?’

    তোমার কী মনে হয়, কে ভালো আছে?’

    প্রশ্নটার উত্তর চট করে দিতে পারল না দিপু। হয়তো ঠিকঠাক বুঝলই না। তবে সামান্য চুপ করে থেকে বলল, ‘তুমি। তুমি ভালো আছো।’

    ‘তাই মনে হয়?’

    ‘হুম। এই যে সবসময় হাসি খুশি থাকো। নির্ভার থাকো। মনে হয় অযথা কোন সমস্যা নেই তোমার। উটকো কোনো ঝামেলা নেই। চারপাশের সবাইকে কেমন কেমন করে যেনো আপন করে ফেলো। আর সবাই খুব পছন্দও করে তোমাকে।’

    ‘সবাই পছন্দ করে?’

    ‘হুম।’

    মুনিয়া ছাতা আর ব্যাগ হাতবদল করতে করতে বলল, ‘তাহলে তো সমস্যা। ‘সমস্যা কেন?’

    ‘যাকে সবাই পছন্দ করে বলে মনে হয়, তাকে আসলে কেউই পছন্দ করে না। কিংবা বেশিরভাগই পছন্দ করার ভান করে। ভেতরে ভেতরে আসলে অপছন্দ করে।’

    ‘মানে কী?’

    ‘মানে, মানুষ সবসময় চায় তাকে সবাই পছন্দ করুক। কিন্তু সে যখন দেখে অন্য একজনকে সবাই পছন্দ করছে, তখন সে আপনা আপনি ঈর্ষাকাতর হতে থাকে। পরশ্রীকাতরতা যাকে বলে। সে তখন অবচেতনেই সে মানুষটাকে অপছন্দ করতে শুরু করে। কিন্তু সেটি সে সহজে প্রকাশ করতে পারে না। কারণ সে ভাবে, অন্য সবাই যেহেতু মানুষটাকে পছন্দ করছে, সেহেতু তাকে অপছন্দ করলে বিষয়টা অন্যরা ঠিকঠাকভাবে নেবে না। আসলে কিন্তু অন্যরা বেশির ভাগই তার মতো করে একই ডিলেমায় ভুগতে থাকে।’

    ‘এভাবেতো কখনো ভাবিনি!’

    মুনিয়া হাসল, ‘দেখবে খুব জনপ্রিয় কারো বিরুদ্ধে হঠাৎ যখন কেউ অভিযোগ করে বসে, তখন আরো অসংখ্য মানুষ নানা অভিযোগ করতে থাকে। অথচ এর আগে তারা কেউ কখনো কিছু বলেনি। কিন্তু একজন যখন বলল, তখন সবাই বলতে শুরু করে।

    ‘ইন্টারেস্টিং অবজার্ভেশন।’

    ‘হ্যাঁ। ইন্টারেস্টিং বাট টু।’

    মুনিয়ারা বাড়ির কাছে পৌছে গেল। দিপু গেটের তালা খুলে মাথা নিচু করে ভেতরে ঢুকল। তারপর ঢুকল ঋদ্ধি। ঋদ্ধির পরে মুনিয়া। মুনিয়া ভেতরে ঢুকে গেটের পাল্লাটা বন্ধ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে গেল। তার হঠাৎ মনে হলো, পাশের গলির মুখটাতে অন্ধকারে কেউ একজন দাঁড়িয়ে ছিল। মুনিয়ার চোখে চোখ পড়তেই মুহূর্তের মধ্যে মানুষটা অন্ধকারে আড়াল হয়ে গেল।

    মানুষটাকে কি আগে কখনো কোথাও দেখেছে মুনিয়া?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }