Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ১৫

    ১৫

    আফসানা তার নামের সাথে হঠাৎ করেই আহমেদ যোগ করতে শুরু করেছে। সে নুরুন্নবী চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞানের শিক্ষক। তবে সাহিত্য চর্চায়ও তার বিশেষ সুনাম রয়েছে। অনেকগুলো মৌলিক গল্প ও কবিতার বইও প্রকাশিত হয়েছে তার। এতদিন সে আফসানা চৌধুরী নামে লেখালেখি করলেও সম্প্রতি তার নামের সাথে চৌধুরীর পরিবর্তে আহমেদ যুক্ত হয়েছে। তার ধারণা একজন লেখিকার নাম হিসেবে আফসানা চৌধুরীর পরিবর্তে আফসানা আহমেদ অনেক বেশি আকর্ষণীয়। তবে তার নামের শেষে এই আহমেদ যুক্ত করা নিয়ে চারদিকে এক ধরনের ফিসফিসানিও শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা ‘নুরুন্নবী চৌধুরী ডিগ্রি কলেজে’র বাংলা শিক্ষক আশফাক আহমেদের সাথে মিলিয়ে সে তার নাম রেখেছে আফসানা আহমেদ। যদিও একথা প্রকাশ্যে বলার সাহস কারোরই নেই। কারণ এই কলেজের প্রতিষ্ঠাতা তার বাবা।

    .

    আফসানার বাবা নুরুন্নবী চৌধুরী নিজের নামেই এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ধনাঢ্য ব্যক্তি। ঢাকা শহরে তার নানান ব্যবসা বাণিজ্য রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ততাও। আর এ কারণেই নিজের এলাকায় এই কলেজটি স্থাপন করেছেন তিনি। কিন্তু কখনোই কলেজটি সরকারি করার চেষ্টা করেননি নুরুন্নবী চৌধুরী। তার ধারণা, কলেজটি সরকারি হয়ে গেলে কলেজের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ কমে যাবে। সেটি তিনি চাননি। আর চাননি বলেই তিনি তার বড় মেয়ে আফসানাকে কলেজের দায়িত্ব দিয়ে এখানে পাঠিয়েছেন। কাগজে-কলমে আফসানা একজন সাধারণ শিক্ষক হলেও এই কলেজ মূলত চলে তার নির্দেশেই। আফসানার বয়স প্রায় ছত্রিশ-সাইত্রিশ। গত দশ বছর ধরে সে এই কলেজেই শিক্ষকতা করছে। তার বাবা তাকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিয়েই পাঠাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আফসানার বয়সের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার মাঝামাঝি সময়ে আফসানা তার এক সহপাঠিকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু সেই বিয়ে বছর তিনেকের বেশি টেকেনি। না টেকার কারণও অবশ্য সে কাউকে বলেনি। তবে মানসিক দিক থেকে ভয়াবহ রকম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল আফসানা। আর ঠিক সেই সময়ে তার সাথে পরিচয় ঘটে আশফাক আহমেদের।

    আশফাক তখন কাজ করতেন একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সাহিত্য পাতায়। মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থা কাটাতেই কী না কে জানে, আফসানা নিয়মিত সেই পত্রিকায় লেখা পাঠাত। কিন্তু সেসব লেখা কখনোই ছাপা হয়নি। বাংলা সাহিত্যের ছাত্র আশফাক আহমেদের সম্পাদনার অতি সূক্ষ্ম আতশি কাঁচ পেরিয়ে সেই লেখা কখনোই ছাপার ছাড়পত্র পায়নি।

    কিন্তু টানা বছর খানেক প্রায় প্রতি সপ্তাহে যখন বিরামহীন লেখা পাঠিয়ে গেল আফসানা, তখন কৌতূহলী হয়েই আফসানার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন আশফাক। সেই যোগাযোগ ক্রমশই বাড়তে থাকল। নিজের জীবনের নানা দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সে বলতে থাকল আশফাককে। পরস্পরের গল্প আর ভাবনা বিনিময় করতে করতেই নিজের চেয়ে বছর দশেকেরও বেশি বড়, দুই সন্তানের জনক আশফাক আহমেদের সাথে কখন যে তার আড়ালহীন, অকপট এক বন্ধুত্ব হয়ে গেল, আফসানা তা টেরই পায়নি। আশফাক আহমেদ প্রবল আগ্রহ নিয়েই আফসানাকে লেখালেখির কৌশল শেখাতে থাকলেন। তার মন খারাপের, হতাশার, বিষাদের আশ্রয় হতে থাকলেন। আর ক্রমশই শর্তহীন, লক্ষ্যহীন এক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে থাকলেন তারা। যেই সম্পর্কের কোনো নাম নেই, পরিচয় নেই। কিন্তু সম্পর্কটা আছে।

    তবে এই সম্পর্কে আফসানা যে শুধু নিয়েছেই, তা নয়। বরং দিয়েছেও অনেক। আশফাকের হঠাৎ চাকরি চলে গেল। ঘরে তার অসুস্থ স্ত্রী হাফসা, দুই মেয়ে নাদিয়া আর নাবিলা। রীতিমতো অথৈ পাথারে পড়ে গেলেন আশফাক। তাকে এই অবস্থা থেকে উদ্ধার করল আফসানা। তার বাবার এই কলেজটা বানানোর কথা তখন চলছিল। আফসানা আশফাককে সরাসরি প্রস্তাব দিল কলেজে বাংলার শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়ার। আশফাক রাজি হলে সে নিজেও চলে আসবে এখানে। আশফাকের সামনে তখন এর চেয়ে ভালো কোনো সুযোগ আর ছিল না। সে সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেল। তা ছাড়া তার সারাজীবনের স্বপ্নও ছিল শিক্ষকতা করা। হঠাৎ সেই সুবর্ণ সুযোগটাই যেন মিলে গেল তার। কিন্তু গত দশটা বছরে আশফাক নতুন করে অনেক কিছুই আবিষ্কার করেছেন। সেখানে সম্পর্কের রসায়ন যেমন আছে। আছে দেয়া-নেয়া, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, স্বার্থ ও সুযোগের নানান হিসেব- নিকেশও।

    আশফাক আহমেদ এই মুহূর্তে বসে আছেন আফসানার রুমে। আফসানা তার বিশাল চেয়ারটাতে হেলান দিয়ে আয়েশ করে বসল। তারপর বলল, ‘সমস্যা কী?’

    ‘তুমি বুঝতে পারছো না সমস্যা কী!’

    ‘উহু। পারছি না।’

    ‘তোমাকে কেন তোমার নাম পাল্টাতে হবে?’

    ‘নামতো আমি পাল্টাইনি।’

    ‘তাহলে এটা কী করেছো?’

    আশফাক আহমেদের হাতে একখানা বইয়ের মলাট। আফসানার নতুন কবিতার বই। সেখানে তার নাম লেখা আফসানা আহমেদ। বইটা এখনো প্রেসে যায়নি। তবে আগেভাগেই বইয়ের মলাট চলে এসেছে। আশফাক কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। আজ কলেজে ফিরে দেখেন এই কাণ্ড! আফসানা বলল, ‘বাবার পদবি বাদ দিয়ে স্বামীর পদবি যোগ করেছি। আগে সব মেয়েরাই এমন করত। তুমিতো জানোই আমি আবার একটু ওল্ড ফ্যাশানড!’

    আশফাক ঝট করে পেছন ফিরে তাকালেন। আশেপাশে কেউ নেই। তারপর প্রায় ফিসফিস করে বললেন, ‘এটা নিয়ে সবাই কথা বলাবলি করছে আফসানা।’

    বলুক। তাতে কী?’

    ‘তাতে কিচ্ছু না?’

    ‘নাহ।’

    ‘আফসানা, কী চাও তুমি?’

    আফসানা নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে চেয়ারে খানিক দোল খেল। তারপর মৃদু হেসে বলল, ‘বাংলা সিনেমার নায়িকাদের মতো করে বলব?’

    ‘মানে?’

    মানে, এভাবে বলব? আমি আমার স্ত্রীর অধিকার চাই। স্ত্রীর অধিকার। তুমি আমার স্ত্রীর অধিকার ফিরিয়ে দাও… ফিরিয়ে দাও।’ সিনেমার সংলাপের মতো টেনে টেনে কথা কটি বলল আফসানা। তারপর উচ্চস্বরে হাসতে থাকল।

    আশফাক স্তম্ভিত ভঙ্গিতে আফসানার দিকে তাকিয়ে রইলেন। মাঝে মাঝে আফসানাকে তার মানসিকভাবে অসুস্থ মনে হয়। তিনি অসহায় ভঙ্গিতে বললেন, ‘তুমি যখন যা বলছো, তা-ই কিন্তু করছি আমি। তারপরও কেন এমন করছো?’

    ‘কেমন করছি আমি?’

    ‘তুমি বুঝতে পারছো না?’

    ‘নাহ। বুঝতে পারছি না।’

    আশফাক টেবিলের ওপর খানিক ঝুঁকে নিচু গলায় বললেন, ‘এই ঘটনা যদি এখন সবাই জেনে যায়, তাহলে কি হবে তুমি বুঝতে পারছো?’

    কী হবে? আমরা বিয়ে করেছি। দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। এটা কেউ জানলে কী হবে?’

    ‘উফ!’ প্রচণ্ড রাগে, হতাশায় পাগল পাগল লাগছে আশফাকের। তিনি দুহাতে শক্ত করে তার মাথার দু পাশ চেপে ধরলেন। তারপর বললেন, ‘এটা কিন্তু কথা ছিল না আফসানা। এই বিয়েতে আমি কী শর্তে রাজি হয়েছিলাম তোমার ভুলে

    যাওয়ার কথা না।’

    আফসানা হাসলেন, ‘কিন্তু তুমি সেই শর্ত রাখছো না।’

    ‘আমি রাখছি না?’

    ‘হুম, তুমি রাখছো না।’

    ‘কীভাবে রাখছি না? নাদিয়ার এখনো বিয়ে হয়েছে? কথা ছিল নাবিলা- নাদিয়ার বিয়ের পর আমরা ঘটনাটা পাবলিশড করব, তাই না?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তাহলে? নাদিয়ার কি এখনো বিয়ে হয়েছে? তুমি কি বুঝতে পারছো ওর বিয়ের আগেই যদি সবাই জেনে যায় যে আমি এমন একটা কাজ করেছি, তাহলে সেটা ওর জন্য কত বড় একটা ক্ষতি হবে?’

    ‘জানি।’

    ‘তাহলে?’

    ‘তাহলে নাদিয়ার বিয়ে দিচ্ছো না কেন?’

    আশফাক হাল ছেড়ে দেয়ার ভঙ্গিতে বললেন, ‘ও বাচ্চা একটা মেয়ে। কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলো। একটু সময়তো লাগবে।’

    আফসানা সাথে সাথেই জবাব দিল না। চুপ করে রইলো। বাইরে শুভ্র মেঘের আকাশ। সূর্যটা খানিক পরপর সেই মেঘের আড়ালে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। কেমন একটা আলো-ছায়ার খেলা। সেই আলো ছায়ার খেলা দেখতে দেখতেই আফসানা বলল, ‘আজ পাঁচ বছর! প্রায় অর্ধ যুগ। এই দীর্ঘ সময় আমি অপেক্ষা করেছি না আশফাক? আর কত?

    আশফাক কী বলবেন ভেবে পেলেন না। তার খুব অসহায় লাগছে। ক্লান্ত লাগছে। আফসানা বললেন, ‘তুমি কি ইচ্ছে করেই মেয়ের বিয়ে দিচ্ছো না? যাতে আমাদের বিয়ের খবরটা আরো দীর্ঘ সময় আটকে রাখা যায়?’

    ‘তুমি বুঝতে পারছো না আফসানা…।’ বেপরোয়া ভঙ্গিতে বলার চেষ্টা করলেন আশফাক। কিন্তু তাকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে আফসানা বলল, ‘তুমি কি আদৌ নাদিয়ার বিয়ে দেয়ার কোনো চেষ্টা করছো?’

    আশফাক চুপ করে রইলেন। আফসানা হঠাৎ শব্দ করে হেসে উঠলেন তারপর বললেন, ‘তুমি নিজেকে খুব বুদ্ধিমান ভাবো, তাই না? তুমি আসলে অত বুদ্ধিমান কেউ না আশফাক। বরং বোকা। শোনো, আমি ইচ্ছে করেই নতুন বইটাতে আমার নামের ওই অংশটা বদলে দিয়েছি। এটা তোমার জন্য একটা সতর্কবার্তা। যাতে এবার অন্তত তুমি বিষয়টা সিরিয়াসলি নাও। তুমি ভেবো না, আগের মতোই সামনেও তুমি বছরের পর বছর আমাকে ভুলভাল বুঝিয়ে আটকে রাখতে পারবে। এটা তার সামান্য নমুনা।’

    আফসানা সামান্য থামল। আশফাক অবশ্য কোনো কথা বললেন না। তিনি মাথা নিচু করে বসে আছেন। আফসানা বলল, ‘এটুকুতেই চারপাশের মানুষ এত ফিসফাস শুরু করেছে। কারণ তারা আগে থেকেই সন্দেহ করছে যে উই হ্যাভ সামথিং ভেরি স্পেশাল বিটুইন আস। তাই না? এখন তুমি যদি অতি দ্রুত নাদিয়ার বিয়ের ব্যবস্থা না করো, তাহলে এটা আর কতদিন গোপন করে রাখব আমি? অনেক হয়ে গেছে না? আমার একটা বাচ্চা চাই। আই রিয়েলি নিড আ বেবি অ্যান্ড ইটস অলরেডি টু লেট আশফাক। আই এম থার্টি সেভেন নাউ। ইউ হ্যাভ টু আন্ডারস্ট্যান্ড দ্য সিচ্যুয়েশন। আমি ডাক্তারের সাথেও কথা বলেছি।’

    আশফাক জানেন, এখানে তার বলার আর কিছু নেই। আফসানা যা বলছে তা হয়তো একদিক থেকে ঠিকই। আশফাকের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। বয়সও হয়ে যাচ্ছে। আর কতদিন এই বিয়েটাকে সে লুকিয়ে রাখবে! কিন্তু বিয়েটা আশফাকের ইচ্ছেয় হয়নি, হয়েছে আফসানার ইচ্ছেয় কিংবা জোর জবরদস্তিতে। এটাও সত্য! এই বিয়েটা করতে চাননি তিনি।

    .

    গভীর রাতে আফসানার বাড়িতে এলেন আশফাক। চমৎকার পুরনো আমলের বাড়ি। একপাশে বিল আর অন্যপাশে ঘন শালবন। এই অঞ্চলে প্রচুর শালবন। সংরক্ষিত বিশাল বনাঞ্চলও রয়েছে। সেই বনাঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। বাড়ির মূল গেট থেকে লাল ইটের লম্বা পায়ে হাঁটা পথ। পথের দুই ধারে দেবদারু গাছের দীর্ঘ সারি। কলেজের শিক্ষকদের জন্য আলাদা কোয়ার্টার থাকলেও সেখানে থাকেনা আফসানা। সে থাকে কলেজ থেকে খানিক দূরে তাদের পুরনো আমলের এই বাড়িটাতে। এখানে কাজের মানুষ ছাড়া তার সাথে আর বিশেষ কেউ থাকে না। মাঝেমধ্যে তার বাবা ঢাকা থেকে এলে কয়েকদিনের জন্য একটা হৈ-হল্লা লাগে বটে। কিন্তু তারপরই আবার সুনসান। ফলে বাকি সময়টাতে যখন তখন চলে আসতে পারেন আশফাক।

    .

    আজ অবশ্য বাড়ির পরিবেশ আরো গম্ভীর। সুনসান, থমথমে। খুব মন খারাপ হলে প্রায়ই ইলিক্ট্রিকের লাইট বন্ধ করে বড় বড় দুখানা মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখে আফসানা। আজও তাই। আশফাক নিঃশব্দে ঘরে ঢুকলেন। আফসানা জানালার কাছে চেয়ারে বসে আছে। তার পরনে ধবধবে সাদা গাউন। এই মোমের অদ্ভুত নরম আলোয় তাকে কেমন অশরীরী লাগছে। আশফাকের পায়ের শব্দ শুনেও সে ফিরে তাকাল না। আশফাক নিজেই তার পেছনে গিয়ে দাঁড়ালেন। চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলেন দীর্ঘ সময়। তারপর আলতো করে কাঁধ ছুঁয়ে দিলেন আফসানার। আফসানা পাথরের মূর্তির মতো শীতল, স্থির।

    আশফাক বললেন, ‘দুপুরের ঘটনার জন্য আমি সরি।’

    আফসানা জবাব দিল না। আশফাক বললেন, ‘তুমি নিশ্চয়ই আমার মানসিক অবস্থাটা বুঝতে পারছো।’

    আফসানা এবারও জবাব দিল না। আশফাক বললেন, ‘আমি কী করব তুমিই বলো আফসানা। আমার খুব অসহায় আর এলোমেলো লাগছে। মনে হচ্ছে, আই কান্ট ব্রেথ প্রোপারলি।’

    আশফাক ভেবেছিলেন আফসানা কিছুটা নরম হবে। কিছুটা আর্দ্র ভঙ্গিতে কথা বলবে। কিন্তু তেমন কিছুই হলো না। সে বরং দৃঢ় ভঙ্গিতে উঠে দাঁড়াল। তারপর হাত উঁচু করে ইলেক্ট্রিকের বাতিটা জ্বালিয়ে মোমবাতি দুটো নিভিয়ে দিল। তারপর স্পষ্ট কণ্ঠে বলল, ‘তুমি কবিতার বইয়ের পাণ্ডুলিপিটা রেডি করেছো?

    আশফাক অপ্রস্তুত ভঙ্গিতে বললেন, ‘প্রায় রেডি।’

    ‘প্রায় রেডি হলেতো হবে না। একটু দ্রুত করো। দেখলেতো সবকিছু রেডি। বইয়ের কভার পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে।’

    আশফাক সামান্য নীরব থেকে বললেন, ‘চার ফর্মার বইয়ের জন্য যতগুলো কবিতা দরকার ততগুলো এখনো লেখা হয়নি।’

    ‘লেখা না হলে তাড়াতাড়ি লিখে ফেলো। সময়তো বেশি নেই।’

    ‘আমি কবিতা লিখতে পারছি না আফসানা।’

    ‘না লিখতে পারলে বই বেরুবে কীভাবে? সবাই জানে এ মাসেই বইটা বেরুচ্ছে।’

    আশফাক কথা বললেন না। আফসানা বলল, ‘লিখতে পারছো না কেন?’

    ‘কেন লিখতে পারছি না, তাতো জানি না।’

    ‘আমি জানি।’

    ‘তুমি কীভাবে জানো?’

    ‘আমি অনেক কিছু বুঝতে পারি আশফাক। অনুভব করতে পারি। তোমার চেয়েও বেশি। কিন্তু সমস্যা হলো আমি লিখতে পারি না। যেটা অনুভব করি, সেটা লিখতে গেলেই সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। জুতসই কোনো শব্দ, বাক্য খুঁজে পাই না। যেটা বলতে চাই সেটা বোঝাতে পারি না। প্রকাশ করতে পারি না।’

    আফসানা থামলেও আশফাক কথা বললেন না। আফসানাই আবার বলল, ‘তুমি লিখতে পারছো না কারণ তোমার সাবকনসাস মাইন্ড তোমাকে লিখতে দিচ্ছে না। দিনের পর দিন তুমি লিখছো, আর তোমার সেই লেখা ছাপা হচ্ছে আমার নামে। তোমার অবচেতন মন এটা মেনে নিতে পারছে না। তার কষ্ট হচ্ছে। সে চায়, সৃষ্টিগুলো তার আসল স্রষ্টার নামে হোক। যার লেখা, পাঠক তাকেই প্রশংসা করুক। ভালোবাসুক। অন্য কাউকে না। আমি কি সত্যি বলেছি?’

    আশফাক এবারও কথা বললেন না। চুপ করে রইলেন। একটা মৃদু ফুরফুরে হাওয়া ভেসে আসছে জানালা দিয়ে। সেই হাওয়ায় আশফাকের বুকের ভেতর কোথায় যেন তিরতির করে একটা কম্পন তৈরি হচ্ছে। আফসানা বলল, ‘এই ইউনিভার্সটাই একটা জটিল ধাঁধা আশফাক। এর সৃষ্টি, স্রষ্টা বিশাল এক রহস্য। সব কি আমরা জানি? জানি না। তাহলে পাঠকের কী দরকার এই লেখার স্রষ্টা কে সেটা জানার? সে জানবে সৃষ্টি। স্রষ্টাকে ছাড়িয়ে সৃষ্টি বড় হলেইতো স্রষ্টার সবচেয়ে বেশি আনন্দ। তাই না?’

    আফসানা মাঝেমধ্যে এমন অদ্ভুত সব কথা বলে যে আশফাকের অবাক লাগে। অচেনা লাগে। মনে হয়, এই আফসানাকে সে চেনে না। কখনো দেখেওনি। এই মুহূর্তে আফসানাকে তার তেমন মনে হচ্ছে।

    আফসানা আশফাকের গা ঘেঁষে এসে দাঁড়াল। তারপর খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, ‘তুমি আবার ভেবো না যে দুপুরে আমি যে কথাগুলো বলেছি, তা এমনি এমনি বলেছি। আমি এবার খুব সিরিয়াস আশফাক। আমি মা হতে চাই। আর এ জন্য আমাকে আমাদের বিয়ের কথাটা সবাইকে জানতে হবে। তুমি যত দ্রুত সম্ভব নাদিয়ার বিয়ের ব্যবস্থা করো। খুব দ্রুত। তুমি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো, আমার হাতেও খুব একটা সময় নেই। প্রথমবার কনসিভ করার জন্য অলরেডি আমার যথেষ্ট বয়স হয়ে গেছে আশফাক।’

    আশফাক চুপ করে রইলো। বাইরে তখন তীব্র শব্দে ঝিঁঝি পোকা ডাকতে শুরু করেছে। কিন্তু আশফাকের মনে হচ্ছে ঝিঁঝি পোকাগুলো বাইরে নয়, ডেকে যাচ্ছে তার মাথার ভেতর। একটানা, অবিরাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }