Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ১৭

    ১৭

    আশফাক বাড়ি ফিরেছেন গভীর রাতে। তাকে খাওয়াতে বসিয়েছে নাদিয়া। টেবিলভর্তি নানারকম খাবার। কিন্তু আশফাক তার কিছুই খেতে পারছেন না। এ বাড়ির মেজো ছেলে জাফর কালেভদ্রে বাজারে যায়। যেদিন যায়, সেদিন বাড়িতে মোটামুটি উৎসব লেগে যায়। আজও লেগেছে। খুব ভোরে গাড়ি করে বসিলা নদীর ওপারে গ্রামের ভেতর এক বাজারে গিয়েছিল জাফর। ফিরেছে রাজ্যের বাজার- সদায় নিয়ে। দিনভর তাতে নানা পদের রান্নাও হয়েছে। ফলে সবার খাওয়া দাওয়া শেষে রাতে সেই খাবারের উদ্বৃত্ত অংশ ফ্রিজে স্তূপ করেও রাখতে হয়েছে।

    আশফাক মাঝরাতে প্রচণ্ড ক্ষিদে নিয়েই বাড়ি ফিরেছেন। বাড়িতে ঢোকার আগেই তিনি নাদিয়াকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘ঘরে খাবার দাবার কিছু আছে?’

    নাদিয়া বলেছিল, ‘আছে বাবা।’

    ‘না থাকলে বল, বাইরে থেকে কিছু খেয়ে আসি।’

    ‘এত রাতে তুমি খাবারের দোকান পাবে কই?’

    ‘তাওতো কথা। কিন্তু প্রচণ্ড ক্ষিদে পেয়েছে। খাবার গরম করা পর্যন্তও অপেক্ষা করতে পারব না।’

    ‘তোমার অপেক্ষা করা লাগবে না বাবা। তুমি এসো, এসেই টেবিলে খাবার পাবে।’

    আশফাক এসে দেখেন টেবিলজুড়ে নানা রকম খাবার সাজিয়ে রেখেছে নাদিয়া। তিনি হাভাতের মতো খেতে বসলেন। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, দু-তিন গ্রাস খাওয়ার পর আর খেতে পারলেন না। তার ক্ষিদে হঠাৎ চলে গেছে। মনে হচ্ছে গলা অবধি খাবারে টইটম্বুর। আর কিছু খেলেই তিনি বমি করে ভাসিয়ে দেবেন।

    নাদিয়া বলল, ‘কী হলো বাবা, তুমি খাচ্ছো না কেন?’

    ‘খেতে ইচ্ছে করছে না মা।’

    ‘খেতে ইচ্ছে করছে না কেন? রান্না ভালো হয়নি?’

    ‘না, রান্না ভালো হয়েছে। আমারই খেতে ইচ্ছে করছে না।’

    ‘একটা ডিম ভেজে দেব বাবা? ডিম ভাজি হলেতো আর কিছু লাগে না তোমার!’

    ‘নাহ। এতরাতে আর ডিম ভাজতে হবে না।’

    নাদিয়া অবশ্য বাবার কথা শুনল না। সে ডিম ভেজে নিয়ে এলো। আশফাক সাহেব সেই ডিম ভাজিও খেতে পারলেন না। নাদিয়া বলল, ‘তোমার কী হয়েছে বাবা?’

    ‘কী হবে?’

    ‘তোমার কি শরীর খারাপ?

    ‘শরীর খারাপ হবে কেন?’

    ‘তোমার চোখ টকটকে লাল।’

    ‘আমার চোখ টকটকে লাল হবে কেন?

    এই প্রথম নাদিয়ার মনে হলো তার বাবার শরীর খারাপ। ভালো রকমের শরীর খারাপ। সে কাছে এসে বাবার কপালে হাত রেখে আঁতকে উঠল। আশফাক সাহেবের গা পুড়ে যাচ্ছে জ্বরে। শুধু যে গা পুড়ে যাচ্ছে তা-ই না, তার শরীরও কাঁপছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে যেকোনো সময়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে যাবেন। এখন এই এত রাতে তাকে নিয়ে একা একা কী করবে নাদিয়া!

    সব সমস্যায় সবার আগে মেজো চাচির কথা মনে পড়ে নাদিয়ার। মেজো চাচি কীভাবে কীভাবে যেন মুহূর্তেই সবকিছু ঠিক করে ফেলেন। কিন্তু এতোরাতে মেজো চাচিকে ডাকা ঠিক হবে না। খুব ভোরে উঠে ঋদ্ধিকে রেডি করে নিয়ে তাকে স্কুলে যেতে হয়। যা করার তাকে একাই করতে হবে। সবার আগে নিচতলা থেকে বাবাকে তিনতলায় ওঠাতে হবে। তারা থাকে তিনতলায়। নিচতলায় খাবার ঘর। বাবাকে নিয়ে একা একা তিনতলায় ওঠা সহজ কথা না। নাদিয়া তারপরও আশফাককে তার কাঁধে ভর দিয়ে দাঁড় করাল। তারপর সিঁড়ির দিকে নিয়ে গেল। আশফাক অবশ্য নাদিয়াকে অনেকটাই সাহায্য করলেন। ফলে যতটা ভেবেছিল ততটা সমস্যা আর হলো না নাদিয়ার

    নাদিয়া ঘরে ঢুকে দেখল তার মা হাফসা বেগম ঘুমিয়ে পড়েছেন। হাফসার ঘুমের খুব সমস্যা। শরীরজুড়ে প্রায় সারাক্ষণই ব্যথা থাকে তার। ফলে রাতে সাধারণত কড়া ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমান তিনি। তারপরও ঘুম ঠিকমতো হয় না। একটা ঘোরের মতো লাগে। ওই ঘোরটাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। আধো ঘুম আধো জাগরণ। আর্থারাইটিসের তীব্র ব্যথা ভুলে থাকার চেষ্টায় এই সময়টাতে তিনি নানা রকম চিন্তা-ভাবনা করেন। কিছু কিছু বিষয় তিনি তার শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি থেকে ভাবার চেষ্টা করেন। কিছু কিছু বিষয় তিনি ভবিষ্যৎ থেকে কল্পনা করার চেষ্টা করেন। অনেকটা স্বপ্নের মতোই ব্যাপার। তবে স্বপ্নের সাথে এর পার্থক্য হচ্ছে, এই সময়ে তিনি যা দেখেন, তা তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কিন্তু স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। স্বপ্ন স্বাধীন।

    নাদিয়া মৃদু গলায় ডাকল, ‘আম্মা।’

    হাফসা সাথে সাথেই জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, বল?’

    ‘তুমি ঘুমাওনি?’

    ‘ঘুমের মতোই।’

    ‘আচ্ছা।’

    ‘তোর বাবা এসেছে?’

    ‘তুমি কী করে বুঝলে?’

    হাফসা সামান্য হাসলেন, ‘গন্ধ পেয়েছি।’

    ‘গন্ধ পেয়েছো?’

    ‘হ্যাঁ। গন্ধ পেয়েছি।’

    ‘গন্ধ কী করে পেলে?’ নাদিয়ার গলায় কৌতূহল।

    ‘তাতো জানি না। তবে পেয়েছি। তোর বাবার গায়ের গন্ধ।’

    ‘বাবা আছে বাথরুমে। অতদূর থেকে তুমি বাবার গায়ের গন্ধ পেয়ে গেলে?’

    ‘পেলামতো।’ বলেই একটু থমকালেন হাফসা। তারপর নিজের মনে বিড়বিড় করে বলতে লাগলেন, ‘কী জানি, আসলে অনেক বছর একা একা থাকি তো। বিছানা থেকে উঠতে পারি না, কিছু করতে পারি না। এ কারণেই হয়তো ঘ্রাণশক্তি, শ্রবণশক্তি বেড়ে গেছে। আগেতো এমন হতো না। এখন হয়। দূরে কেউ হেঁটে গেলেও আমি টের পাই।’

    ‘কিন্তু কে গেল সেটা কী করে বোঝো?’

    ‘সবারটাতো পারি না। তোর বাবারটা পারি, তোরটা পারি। তোদের গায়ের গন্ধটাতো আমার চেনা। চেনা না?’

    নাদিয়া আর কথা বাড়াল না। সে লক্ষ্য করেছে, ইদানীং মাঝে মাঝেই তার মা খুব অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলেন। মাকে ভালো একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো উচিত। কিন্তু এই কথাটা কারো কাছে বলার সাহস পাচ্ছে না সে। সবাই ভাববে সে তার মাকে পাগল ভাবছে। নাদিয়া এটা চায় না।

    বাবাকে মার বিছানায় শুইয়ে মাথায় পানি দিয়ে দিল নাদিয়া। তারপর গা মুছিয়ে দিল যতটা সম্ভব। হাফসার ঘুম পুরোপুরি কেটে গেছে। তিনি তাকিয়ে তাকিয়ে নাদিয়ার কাজকর্ম দেখতে লাগলেন। নাদিয়া বিছানার একপাশে ভাঁজ করে রাখা পাতলা চাদরটা আশফাকের গায়ে টেনে দিতেই হাফসা আঁতকে ওঠা গলায় বললেন, ‘কী করছিস, কী করছিস?’

    ‘কেন?’ নাদিয়া থমকালো।

    ‘ওটা ধোয়া না। আমি রোজ শেষ রাতের দিকে গায়ে দিই।’

    ‘তাতে কী?’

    তাতে কিছু না। আলমারি থেকে ধোয়া একটা চাদর দে।’

    এত রাতে নাদিয়ার আর কথা বাড়াতে ইচ্ছে করল না। সে আলমারি থেকে ধোয়া একটা চাদর এনে বাবার গায়ে জড়িয়ে দিল। তারপর বিছানার চারধারে মশারিটা গুঁজে দিতে দিতে বলল, ‘তুমি জেগে থাকবে আম্মা?’

    ‘আমার জেগে থাকা আর ঘুমিয়ে থাকা তো একই কথা।’

    ‘কিছু লাগলে তবে ডেকো আমাকে।’

    ‘আচ্ছা।’

    নাদিয়া নিজের ঘরে যেতে যেতে আরো একবার ঘুরে বাবাকে দেখে নিল। আশফাক তখন জ্বরের ঘোরে অচেতন কিংবা গভীর ঘুমে।

    তার ঘুম ভাঙল পরদিন খুব ভোরে। তিনি চোখ মেলে তাকাতেই দেখেন হাফসা তার মুখের দিকে তাকিয়ে বসে আছেন। মাথাটা কেমন ভার ভার লাগছে তার। গলা ব্যথা। তিনি সামান্য হাসার চেষ্টা করলেন। হাফসা বললেন, ‘এখন কেমন লাগছে?’

    ‘ভালো।’

    ‘সত্যি ভালো না মিথ্যে ভালো?’

    ‘ভালো।

    ‘দেখেতো মনে হচ্ছে না।’

    ‘কেন?’

    হাফসা এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন না। কেমন রহস্যময় ভঙ্গিতে হাসলেন। এই মুহূর্তে নাদিয়া ঘরে ঢুকল। তার সাথে মুনিয়াও। মুনিয়া বলল, ‘এখন কেমন লাগছে ভাইজান?’

    ‘জ্বরটা নেই। তবে মাথাভার আর দুর্বল লাগছে খুব।’

    ‘কাল সন্ধ্যা থেকেইতো টিপটিপ বৃষ্টি। ওই বৃষ্টির মধ্যে আপনি বের হলেন কেন?

    ‘আমি যখন বের হয়েছি, তখনো ওদিকে বৃষ্টি শুরু হয়নি।’

    ‘আচ্ছা, টেনশনের কিছু নেই। আপনি কয়েকটা দিন একটু বিশ্রাম নিন। এমনিতেই আপনাকে দেখে খুব ক্লান্ত লাগছে। এই জ্বরের কারণে হলেও কয়েকটা দিন একটু থেকে যান এখানে।’

    ‘সেই সুযোগ কী আর আছে! কত কাজ যে আটকে আছে ওখানে। আমি না গেলে তার কিছুই হবে না।’

    ‘কারো জন্য কিছু আটকে থাকেনা ভাইজান।’

    ‘তা থাকে না। আবার থাকেও।

    মুনিয়া আর কথা বাড়াল না। তার এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। সে চলে যেতেই নাদিয়া সকালের খাবার আর ওষুধ খাইয়ে দিল বাবাকে। তারপর সারাদিন আর বিছানা থেকে নামতে দিল না। দুপুর পর্যন্ত একটানা ঘুমালেন আশফাক সাহেব। ঘুম ভেঙে দেখেন তার বাবা আর মা বসে আছেন। তাঁদের সাথে কিছুক্ষণ এটাসেটা নিয়ে কথা হলো। দিনের সময়টুকুতে ভালো ঘুম হওয়ার কারণেই বোধহয় মাথাভার অনুভূতিটা আর টের পেলেন না তিনি। জ্বরটাও আর আসেনি। বিকেলের দিকে শরীরও খানিক ভালো লাগতে লাগল। যদিও ক্লান্ত লাগছে। বাথরুমে গিয়ে একবার মাথা ঘুরিয়ে প্রায় পড়েও যাচ্ছিলেন। তারপরও এগুলোকে পাত্তা দিতে চাইলেন না আশফাক। নাদিয়াকে ডেকে বললেন, ‘আমার যে যেতে হবে মা।’

    নাদিয়া বলল, ‘এই শরীরে তুমি কী করে যাবে বাবা?

    শরীর এমন কিছু খারাপ করেনি। কিন্তু আমি না গেলে বিপদ। কাল থেকে পরীক্ষা শুরু হবে কলেজে। আমি হচ্ছি পরীক্ষা কমিটির দায়িত্বে।’

    এই কথার পর আর বলার কিছু থাকে না। তারপরও নাদিয়া নানাভাবে বাবাকে বোঝানোর চেষ্টা করল। তাতে অবশ্য লাভ কিছু হলো না। যে করেই হোক আশফাককে যেতেই হবে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আশফাকের আর যাওয়া হলো না। তাকে থেকে যেতে হলো সেই রাতটাও। তার থাকার পেছনে কারণ হচ্ছেন তার স্ত্রী হাফসা। আশফাক ভঙ্গুর শরীরেই বের হবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মাথার ক্রমহ্রাসমান চুলগুলো আঁচড়াচ্ছিলেন। হাফসা শুয়ে ছিলেন বিছানায়। তিনি হঠাৎ স্পষ্ট গলায় বললেন, ‘তুমি এখন যাবে না।’

    হাফসার কথা শুনে চট করে পেছন ফিরে তাকালেন তিনি। এমন গলায় শেষ কবে হাফসা তার সাথে কথা বলেছেন আশফাক জানেন না। তিনি বললেন, ‘যাব না মানে?’

    যাবে না মানে যাবে না।’

    ‘তুমি শোনোনি, পরীক্ষা আছে?’

    হ্যাঁ শুনেছি। তারপরও তুমি যাবে না।’

    ‘কেন?’ এবার খানিক কৌতূহল বোধ করছেন আশফাক।

    ‘কারণ তুমি কাল খুব জরুরি কিছু একটা বলতে এসেছিলে। সেটা না বলেই চলে যাচ্ছো!’

    আশফাক যেন চমকালেন, ‘জরুরি কিছু?’

    ‘হুম।’

    ‘জরুরি কিছু কী?’

    ‘সেটাতো আমার জানার কথা না। তোমার জানার কথা।’

    ‘কিন্তু তুমি কী করে বুঝলে যে আমি জরুরি কিছু বলার জন্য এখানে এসেছি?’ এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন না হাফসা। চুপ করে বসে রইলেন। বিষয়টা আরো কৌতূহলী করে তুলল আশফাককে। তিনি আয়নার সামনে থেকে ধীর পায়ে সরে এসে হাফসার পাশে বসলেন। তারপর বললেন, ‘বলো, তুমি কী করে বুঝলে?’

    বাইরে তখন আবার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সাথে খানিক ঝোড়ো হাওয়াও। বিকট শব্দে বজ্রপাত হলো আশপাশে কোথাও। সেই শব্দের প্রতিক্রিয়া জানাতেই যেন জানালার একটা পাল্লা কান ফাটানো শব্দে বাড়ি খেল চৌকাঠে। ঝট করে সেদিকে

    তাকালেন আশফাক। সাথে হাফসাও। আশফাক বললেন, ‘বলো।’

    হাফসা ফিসফিস করে বললেন, ‘কীভাবে জানি, তা জানি না। তবে আমার মনে হয়েছে, তুমি ওই বৃষ্টি-বাদলার মধ্যে খুব গুরুতর কিছু না হলে ওভাবে আসতে না। তোমার চোখে-মুখে কেমন একটা দিশেহারা ভাব। যেন কিছু একটা নিয়ে খুব চিন্তিত তুমি। একটা ভয় তোমার চেহারাজুড়ে।’

    আশফাক কী বলবেন ভেবে পেলেন না। এই মুহূর্তে বাইরে বিকট শব্দে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হলো। ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল সাথে সাথেই। চারপাশ ঘন কালো অন্ধকারে ডুবে গেল। সেই অন্ধকারে হাফসা তাঁর স্বামী আশফাক আহমেদের হাত ধরলেন। কত বছর পর তিনি এভাবে তাঁর স্বামীর হাত ধরলেন কে জানে! কিন্তু তাঁর সেই স্পর্শে আশফাকের সারা শরীর কেঁপে উঠল। কেমন একটা তীব্র ভয় ক্রমশই তাকে গ্রাস করে নিতে লাগল। তিনি অস্ফুট কণ্ঠে বললেন, ‘বলো।’

    হাফসা বললেন, ‘কী বলব?’

    ‘আমি যে জরুরি কথা বলতে এসেছি সেটা তুমি কী করে বুঝলে?’

    হাফসা কথা বললেন না। অন্ধকারে সময় যেন স্থির হয়ে আছে। সেই স্থির সময়ে দুজন সন্দিগ্ধ, দ্বিধাগ্রস্ত মানুষ চুপচাপ বসে রইলেন। কেউ কোনো কথা বললেন না। তবে তাঁরা দুজনই যেন পরস্পরের ভেতরটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন। নীরবতা ভাঙলেন হাফসা। তিনি শক্ত হাতে আশফাকের হাতখানা চেপে ধরলেন। তারপর ফিসফিস করে বললেন, ‘ মেয়েটা দেখতে অনেক সুন্দর তাই না?’

    আশফাক চেষ্টা করছেন নিজেকে সাধ্যমতো স্থির রাখতে। তারপরও কথাটা বলতে তার গলা কাঁপল। তিনি কম্পিত গলায় বললেন, ‘কোন মেয়েটা?’

    হাফসা মৃদু কিন্তু স্পষ্ট কণ্ঠে বললেন, ‘যে মেয়েটাকে তুমি বিয়ে করেছো!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }