Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৭

    ৭

    ফজলে নূর এসেছেন মুনিয়ার সাথে দেখা করতে। স্কুলে এই লোকটাকে মুনিয়া সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। ফজলে নূরের মতো ঠাণ্ডা মাথার লোক সে খুব কম দেখেছে। সরকারি দলের রাজনীতি না করেও কেবল বুদ্ধি আর কৌশলের কারণে সে এখনো তার চারপাশে বিপুল প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে। আরেকজন হলেন সভাপতি আকবর আলী। ভেতরে ভেতরে এই দুজনের সম্পর্কে ভয়াবহ রেষারেষি থাকলেও বাইরে থেকে তা বোঝার উপায় নেই। যদিও আকবর আলী নিজে কখনো কিছু করেন না। তিনি তার সকল উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহার করেন রফিকুল আলমকে। রফিকুল আলম নানা কারণে মানসিকভাবে হতাশ, বিধ্বস্ত একজন মানুষ। ফলে আকবর আলী সামনে না এলেও যেকোনো ঝামেলায় তিনি রফিকুল আলমকে দিয়ে তার স্বার্থ হাসিল করে নেন। এ জন্য কোথাও কোনোকিছুতেই তাকে সামনে দেখা যায় না। কিন্তু মুনিয়া জানে, পেছন থেকে আসল কলকাঠি নাড়ছেন আকবর আলীই। তবে এসব জেনেও যতটা সম্ভব চুপচাপ থাকারই চেষ্টা করে সে। স্কুলের এই বহুমুখী রাজনীতির চাপে পড়ে গত কয়েক বছরে অনেক কিছুই শিখেছে মুনিয়া! আজ সকালেই খানিক আগে আকবর আলীও এসেছিলেন। নানা বিষয়ে তিনি পরামর্শ করে গেছেন। তবে যাওয়ার আগে হঠাৎ বললেন, ‘ফজলে নূরের উদ্দেশ্য কিন্তু ভালো না বুঝলেন?’

    মুনিয়া মৃদু কণ্ঠে বলল, ‘আমি ঠিক বুঝতে পারছি না স্যার।’

    আকবর আলী হাসলেন, ‘এত বড় স্কুল চালান, না বুঝলে হবে?’

    মুনিয়াও হাসল, ‘আমি আর কী স্কুল চালাব স্যার! স্কুল চালানোর আসল মালিক আপনারা।’

    ‘তারপরও আপনার একটু চোখ-কান খোলা রাখা উচিত। এই লোক খুব বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আমার সামনে বসে সে সেদিন রফিকুল আলমের সাথে কীভাবে কথা বলল, দেখলেন!’

    মুনিয়া চুপ করে রইল। আকবর আলী বললেন, ‘রফিকুলকে একটু সাবধান করে দেয়াও দরকার বুঝলেন? আজকাল হঠাৎ হঠাৎ কারণে অকারণে তার মাথা গরম হয়ে যায়। বোকার মতো কখন কী করে বসে কে জানে! ‘

    মুনিয়া এবারও কথা বলল না। আকবর আলী বললেন, ‘আপনার সাথে আমার খুব জরুরি কিছু কথা আছে। কথাগুলো এখন বলা যাবে না। পরে সময় করে একসময় বসতে হবে।’

    ‘জি স্যার।

    ‘আপনি একটু ফ্রি হন, তারপর একসময় বসব আপনার সাথে, ওকে?’

    ‘জি স্যার।’

    .

    আকবর আলী চলে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক পরেই এলেন ফজলে নূর। প্রথম কিছুক্ষণ এ কথা সে কথার পর আচমকাই কথাটা বললেন তিনি, ‘রফিকুল আলমের বিষয়ে আমার কাছে কিছু তথ্য আছে।’

    ‘জি স্যার?’ মুনিয়া প্রশ্নবোধক চোখে তাকাল।

    ‘হুম। খুব সিরিয়াস কিছু অভিযোগ।’

    মুনিয়া কথা না বললেও উৎসুক চোখে তাকিয়ে রইল। ফজলে নূর বললেন, ‘স্কুলের অনেক মহিলা টিচারের কাছ থেকেই সে আলাদা সুবিধা নেয়। ‘

    ‘জি স্যার!’ মুনিয়া যেন চমকালো।

    ‘হুম। বিষয়টার একটা সুরাহা হওয়া দরকার। আর এই বিষয়ে আমি আপনার সহযোগিতা চাই।’

    ‘আমার!’ মুনিয়া এবার রীতিমতো অবাকই হলো।

    ‘হুম।’

    ‘আমি কী সহযোগিতা করব স্যার?’ মুনিয়ার গলায় উদ্বিগ্নতা।

    ‘আপনি চাইলেই পারবেন। এটা এমন কোনো কঠিন কাজ না।’

    মুনিয়া তাকিয়েই রইল। কথা বলল না। ফজলে নূর বললেন, ‘এ বিষয়ে আপনি আমাকে সামান্য একটু হেল্প করবেন। আমি চাই প্রধান শিক্ষক হিসেবে সবার সব অভিযোগ একত্র করে আপনি একটি লিখিত ফর্মাল অভিযোগপত্র পেশ করবেন গভর্নিং বডির কাছে।’

    ‘আমি?’ মুনিয়া রীতিমতো আঁতকে উঠল।

    ‘জি. আপনি।’

    ‘আমি এটা কীভাবে করব স্যার? আমার কাছেতো কেউ কখনো এমন কোনো অভিযোগ করেনি।’

    ফজলে নূর হাসলেন, ‘না করলে এখন করবে।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে কিছু না। শুনুন ম্যাডাম, অনেকেই কিন্তু এটাও মনে করে যে, আপনার এমন দুম করে প্রধান শিক্ষক হয়ে যাওয়ার পেছনেও…!’ কথা শেষ না করলেও ইঙ্গিতে যেন কিছু একটা বলতে চাইলেন ফজলে নূর। তার সেই ইঙ্গিতপূর্ণ চোখের দিকে তাকিয়ে ঘৃণায় মুনিয়ার সারা শরীর রিরি করে উঠল। সে বলল, ‘স্যার…

    ফজলে নূর মুনিয়ার কথা শেষ করতে দিলেন না। তিনি সাবধানী কণ্ঠে বললেন, ‘আপনি আমাকে হেল্প করলে, আমিও আপনাকে হেল্প করব। ধরুন, যদি এমন হয় যে আপনাকে আমি কলেজ শাখার প্রিন্সিপ্যাল বানিয়ে দিলাম? তার বিনিময়েও এটুকু করতে পারবেন না? কলেজ শাখার বর্তমান প্রিন্সিপ্যালের মেয়াদ কিন্তু শেষের দিকে!’

    মুনিয়া এবার পুরোপুরি দিশেহারা বোধ করতে লাগল। এ কী ভয়ানক পরিস্থিতির ভেতর পড়তে যাচ্ছে সে! সে মিনমিন করে বলল, ‘আপনি আমাকে ভুল বুঝছেন স্যার। আমার পক্ষে কারো বিরুদ্ধেই এমন মিথ্যে অভিযোগ করা সম্ভব নয়। এমনকি তারা কেউ এসে যদি একইভাবে আপনার বিরুদ্ধেও এমন কোনো মিথ্যে অভিযোগ করতে বলে, আমি সেটাও করতে পারব না।’

    মুনিয়ার কথার উত্তর দিতে গিয়েও ফজলে নূর থমকে গেলেন। দরজায় রফিকুল আলমকে দেখা যাচ্ছে। তাকে এলোমেলো, উদ্ভ্রান্ত লাগছে। সে সতর্ক পা ফেলে ঘরে ঢুকল। রফিকুল আলমকে দেখে ফজলে নূর প্রথমে চমকে গেলেও সাথে সাথেই নিজেকে সামলে নিলেন। স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই তিনি মুনিয়াকে বললেন, ‘আমি আজ উঠি। পরে আপনার সাথে কথা হবে।’ কথাটা বলেই ফজলে নূর উঠে দাঁড়ালেন। কিন্তু ঘটনাটা ঘটে গেল কেউ কিছু বোঝার আগেই। রফিকুল আলম ঝট করে ফজলে নূরের পাঞ্জাবির কলার চেপে ধরলেন। তারপর বিশ্রি গাল বকে বললেন, ‘তুই নাকি আমার বিরুদ্ধে কীসব এভিডেন্স জোগাড় করছিস? দেখা, কী এভিডেন্স তোর কাছে আছে, দেখা!’

    ফজলে নূর অবশ্য উত্তেজিত হলেন না। তিনি শান্ত ভঙ্গিতে বললেন, ‘কলারটা ছাড়ুন রফিক সাহেব।’

    রফিকুল আলম চিৎকার দিয়ে বললেন, ‘তুই যদি এইখানে বসে এখন কোনো এভিডেন্স না দেখাতে পারিস, আমি তোকে গলা টিপে মেরে ফেলব, হারামজাদা।’

    মুনিয়া বুঝতে পারছিল যে রফিকুল আলম স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। তিনি অসংলগ্ন ভঙ্গিতে কথাবার্তা বলছেন। ফজলে নূর ধীরে রফিকুল আলমের হাতটা তার কলার থেকে সরিয়ে নিয়ে আবারও চেয়ারে বসলেন। তারপর বললেন, ‘আপনি শুধু শুধু নিজের বিপদ ডেকে আনছেন রফিক সাহেব।’

    ‘কে কার বিপদ ডেকে আনছে, সেটা আমি আজ তোকে বোঝাব।

    আপনি মানুষটা বোকা। আপনি নিজেও বুঝতে পারছেন না, পেছন থেকে কে আপনাকে কীভাবে ব্যবহার করছে…।’

    ফজলে নূর আরো কিছু বলতে চাইছিলেন। কিন্তু তার আগেই সপাটে তার গালে চড় বসালেন রফিকুল আলম। তারপর চিৎকার করে বললেন, ‘আমি বোকা, না? আমি বোকা? তোরা সবাই মিলে আমাকে বোকা বানাস? আমি তোদের সবগুলারে খুন করব। আই উইল কিল ইউ অল…।’ মুনিয়া হতভম্ব চোখে আবিষ্কার করল চেয়ার উল্টে মেঝেতে ছিটকে পড়েছেন ফজলে নূর। তিনি এক হাতে নিজের গাল চেপে ধরে রাজ্যের অবিশ্বাস নিয়ে তাকিয়ে আছেন। মুনিয়া হন্তদন্ত হয়ে তাকে মাটি থেকে তুলতে গেল। কিন্তু পারল না। তিনি ঝটকা মেরে মুনিয়ার হাত সরিয়ে দিলেন। তারপর ধীরে সুস্থে উঠে দাঁড়ালেন। তারপর দীর্ঘসময় সাপের মতো ঠাণ্ডা চোখে রফিকুল আলমের দিকে তাকিয়ে রইলেন। রফিকুল আলম তখনো ফুঁসছেন। এক নাগাড়ে আবোল তাবোল কীসব বকে যাচ্ছেন তিনি। ফজলে নূর থক করে একদলা থুতু ফেললেন মেঝেতে। তারপর ঘুরে চুপচাপ ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    পরের কয়েকটা দিন এক ভয়াবহ দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে স্কুলে গেল মুনিয়া। সেদিনের ঘটনার পর আর কেউ তার সাথে দেখা করতে আসেনি। কারো সাথে কথাও হয়নি তার। তবে প্রবল ঝড়ের আগে পরিবেশ যে আচমকা থমথমে, শান্ত হয়ে যায় তা স্পষ্টই বুঝতে পারছিল সে। এ কয়দিন রাফির সাথেও ঠিকঠাক কথা হয়নি তার। দিন কয়েক বাদে এক গভীর রাতে রাফি আবার এসে দাঁড়ালো তাদের বাড়ির উল্টো পাশের সেই ফুটপাতে। খানিক আগে বৃষ্টি হয়েছে। রাফি ইদানীং রাতের বেলা একা একা শহরের ফাঁকা রাস্তায় সাইকেল চালায়। বৃষ্টি হয়েছে বলে তার গায়ে নীল রেইনকোট। রেইন কোটে তাকে সুন্দর লাগছে। তবে হাতঢাকা গ্লাভস আর মাথার হেলমেটে কেমন অন্যরকম লাগছে তাকে। মুনিয়া ফোন হাতে চুপচাপ গিয়ে দাঁড়াল বারান্দায়। হাতে সিগারেট। রাফি ফিসফিস করে বলল ‘বারান্দায় তোমার মাথার ওপর যে আলোটা আছে, ওটা একটু জ্বালাবে?’

    মুনিয়া বলল,

    ‘কেন?’

    ‘কতদিন তোমাকে দেখি না। আজ না হয় একটু দেখলাম!’

    ‘এখন দেখা যাবে না।’

    ‘কেন?’

    ‘কেন আবার? এতরাতে কেউ দেখে ফেলবে!’

    ‘কেউ দেখবে না, এখন সবাই ঘুমাচ্ছে। এখন এই রাত তোমার আমার।’ রাফি তরল গলায় বলল।

    মুনিয়া কেমন কিশোরীদের মতো করে বলল, ‘ইশ, ঢং!’

    রাফি দুষ্টুমির স্বরে বলল, ‘তা ছাড়া এতোরাতে নিশ্চয়ই নাইটি পরে আছো তুমি!’

    মুনিয়া কপট রাগের ভান করে বলল, ‘বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু।’ কথাটা বললেও নিজের ভেতরে কেমন একটা অদ্ভুত শিহরণ টের পেল সে। রাফি হাসল, ‘বেশি বেশি আর কই হলো! তুমি ওই কত দূরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে, আর আমি এই এখানে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে আছি। বেশি কিছুতো আর চাইলেই করা যাবে না।’

    ‘মাইর!’ মুনিয়ার কণ্ঠে চাপা উচ্ছ্বাস। রাফি বলল, ‘আমার কিন্তু খুব ইচ্ছে করছে দেয়াল ডিঙিয়ে তোমার কাছে চলে আসি।’

    ‘একদম না। খবরদার!’

    মুনিয়া জানে রাফিকে বিশ্বাস নেই। তাই খানিক কঠিন হলো সে। রাফি বলল ‘মাঝে মাঝে আমার কি মনে হয় জানো?’

    ‘কী?’

    ‘মনের চেয়েও সম্পর্কে শরীরের ভূমিকা অনেক বেশি। শুধু মন না, বরং অনেক ক্ষেত্রে শরীরই মনকে নিয়ন্ত্রণ করে।’

    ‘শরীর?’

    ‘হুম।’

    ‘কীভাবে?’

    ‘মানে, ধরো আমি যদি বুড়িয়ে যাই, কিংবা তুমি, তাহলে কি আমাদের মধ্যে পরস্পরের জন্য এই এখন যেমন আছে, এই তীব্র আকর্ষণ বা রোমান্টিসিজমটা আর থাকবে?’

    মুনিয়া চট করে উত্তর দিতে গিয়েও থমকে গেল। মাঝে মাঝে রাফিকে সে ঠিকঠাক বুঝতে পারে না। কিংবা কে জানে, রাফির প্রতি তার যে এই প্রবল ঘোর, এই ঘোরের কারণও হয়তো তার এই অনুনমেয় আচরণ। এই যে হুটহাট এমন অনভিপ্রেত কথা বলে ফেলতে পারে সে। যে কথাগুলো মেনেও নেয়া যায় না, আবার পুরোপুরি অস্বীকারও করা যায় না। মুনিয়া বলল, শরীর বুড়িয়ে গেলে ভালোবাসা থাকে না?’

    ‘থাকে। থাকবে না কেন? তবে সেই ভালোবাসাটা অন্যরকম।’

    ‘অন্যরকম কেমন?

    রাফি একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘সেই ভালোবাসাটাতে দায়িত্ব থাকে, নির্ভরতা থাকে, দায়বদ্ধতা থাকে, অভ্যাস থাকে। কিন্তু উচ্ছ্বাস কিংবা রোমান্টিসিজমটা আর থাকে না।’

    ‘থাকে না?’

    ‘উহু। খেয়াল করে দোে। এই যে তোমার শ্বশুর-শাশুড়ির কথাই ভাবো,

    তারা একজন আরেকজনকে ভালোবাসেন না?’

    ‘খুব বাসেন। সারাদিন ঝগড়া করলেও একজন আরেকজনকে ছাড়া থাকতে পারেন না।’

    ‘এর কারণ কি জানো?’

    ‘কী?’

    ‘ওই যে পরস্পরের প্রতি নির্ভরতা, দায়িত্ব, এতদিনকার অভ্যাস। এটা বার্ধক্যের চির অনিবার্য আচরণ বা প্রয়োজন। এখন এটাকে তুমি ভালোবাসা ও বলতে পারো। ভালোবাসার যেহেতু অনেক রকম থাকে, সেহেতু সেই অনেক রকমের মধ্যে এটাও একটা রকম বা ধরন। কিন্তু দেখো, এখানে আর সবকিছুই আছে, শুধু রোমান্টিসিজমটাই আর নেই। আছে?’

    মুনিয়া চুপ করে রইলো। রাফির এই প্রশ্নের উত্তরটা চট করে দিতে গিয়েও মুনিয়ার হঠাৎই মনে হলো এই প্রশ্নের উত্তরটা সে যত সহজ ভেবেছিল তত সহজ নয়। বরং অনেক জটিল।

    রাফি বলল, ‘এটা হচ্ছে রোমান্টিসিজম বিহীন ভালোবাসা। এই ভালোবাসায় ভালোবাসার প্রচণ্ডতা বা তীব্রতাটাই আর নেই।’

    ‘সব ভালোবাসায় কেন প্রচণ্ডতা থাকতে হবে? তীব্রতা থাকতে হবে? বয়স বেড়ে গেলে তখন নির্ভরতাটাই জরুরি। স্থিতিটাই জরুরি। তাই না?’

    ‘একদম। সেটা নিয়ে আমার সমস্যা নেই। আমার সমস্যা হচ্ছে, মানুষ ভালোবাসায় শরীরের ভূমিকাকে সবসময় আড়াল করতে চায়। সবসময় ভালোবাসার একটা শরীরবিহীন ডিভাইন রূপ দিতে চায়। ধরি মাছ, না ছুঁই পানি আর কী! হা হা হা।’ রাফি শব্দ করে হাসল। ‘যেন ভালোবাসায় শরীরের ভূমিকাটাকে প্রবল দেখালে সেটা কদাকার বা ঠুনকো হয়ে যাবে! তখন যেন আর সেটা ডিভাইন থাকবে না। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে, শরীর ইজ ভেরি সিগনিফিকেন্ট ইন লাভ। প্রোবাবলি মোস্ট সিগনিফিকেন্ট। তুমি যে বয়স বেড়ে যাওয়ার কথা বলছো, সেটাকে অন্য অ্যাঙ্গেল থেকেও দেখা যায়।’

    ‘অন্য কী অ্যাঙ্গেল?’ মুনিয়া কপাল কুঁচকে তাকাল।

    ‘বয়স বেড়ে যাওয়া মানেই কিন্তু শরীর বুড়িয়ে যাওয়া বা পুরনো হয়ে যাওয়া। আর শরীর বুড়িয়ে যাওয়া মানেই শারীরিক আকর্ষণ কমে যাওয়া। আর শারীরিক আকর্ষণ কমে যাওয়া মানেই রোমান্টিসিজম ফুরিয়ে যাওয়া। ভালোবাসার প্রচণ্ডতা, পাগলামি, উচ্ছ্বাসটা কমে যাওয়া, তাই না?’

    ‘কী জানি! আমার তা মনে হয় না।’

    রাফি হাসল, ‘মনে না হলেও ঘটনা এটাই। কিন্তু এটা আমরা স্বীকার করতে চাই না। এটাকে অশালীন মনে হয় বলে এই ভাবনার প্রকাশটা আড়াল করে রাখি। অথচ এটাই সত্যি বা বাস্তব। সময় মূলত ফুরিয়ে দেয় শরীর। শরীর ফুরালে শরীরের প্রতি মনের আগ্রহও ফুরায়। কিন্তু মন ফুরালে শরীর নাও ফুরাতে পারে। তাই না?’

    মুনিয়া জবাব দিল না। তার মনে হলো, রাফির সাথে সে একমত নয়। তারও কিছু যুক্তি আছে। কিন্তু সেই যুক্তিগুলো সে ঠিক এই মুহূর্তে গুছিয়ে আনতে পারছে না। কিছু একটা নিয়ে তার অস্বস্তি হচ্ছে। হয়তো এ জন্যই যুতসই কোনো উত্তরও দিতে পারছে না সে।

    রাফি বলল, ‘এ কারণেই শরীর পুরনো হয়ে গেলে সবার আগে রোমান্টিসিজম মরে যায়। অথচ রোমান্টিসিজমটাই কিন্তু ভালোবাসার প্রাণ। আর প্রাণ না থাকলে যা হয় আরকি, অনেকটা শিকড় কাটা লতার মতো। আছে, কিন্তু সেই থাকাটা আর আলাদা করে আগের মতো স্পষ্ট, উজ্জ্বল হয়ে চোখে পড়ে না। সেটা নিস্তেজ, নিস্প্রভ, প্রাণহীন।’

    ‘তাহলে?’

    ‘তাহলে কী?’

    ‘এই যে আমি, এই আমিতো বুড়িয়ে যাচ্ছি!’ খানিকটা তির্যকভঙ্গিতেই কথাটা বলল মুনিয়া।

    রাফি দুষ্টুমির স্বরে বলল, ‘তাহলে আর কী! যতদিন সময় আছে, অবহেলা করে সেই সময়টা নষ্ট করা যাবে না। ঠিকঠাক কাজে লাগাতে হবে, বুঝলে? হা হা হা।’

    রাফি হাসলেও মুনিয়া কেন যেন হাসতে পারল না। শুধু রাফি বলেছে বলেই নয়, সে নিজেও এই বিষয়টা নিয়ে ভাবে, নারী হিসেবে আজকাল যেন সে আলাদা করেই টের পায় তার শরীর তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সেটি কেউ স্বীকার করুক আর না করুক। এই শরীর, এই বয়স, এই মসৃণ ত্বক, এই সময়, এসব নিয়ে ভেতরে ভেতরে সেও কি উৎকণ্ঠিত নয়! শুধু সে কেন, তার কলিগ, বান্ধবী কিংবা সমবয়সী আরো কতজনের মধ্যে এই বিষয়টি সে দেখেছে! সময় এবং বয়স যেন ক্রমশই একটা নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে ছুটে আসছে তাদের দিকে। আয়নায় যতবার সে মুখ দেখে, যতবার সে প্রসাধনীতে চোখের নিচের, গালের দাগ লুকাতে যায়, ততবারই তার মনে হয়, এই দাগটা কি আগে থেকেই ছিল? নাকি বয়স বেড়ে গেল বলে! সদা সন্ত্রস্ত হরিণের মতো প্রতিটি দিন যেন আয়নায় সতর্ক চোখ রেখে দাঁড়াতে যায় সে।

    রাফি যে এমন কথা আজ প্রথম বলেছে, তাও নয়। বরং এমন কথা সে মাঝে মধ্যেই বলে, কিন্তু সেসব নিয়ে আগে খুব একটা ভাবত না মুনিয়া। সে জানে, রাফির কতটা জুড়ে সে আছে। রাফির এমন পাগলামি, এমন বাঁধনহীন ভাবনা, বেপরোয়া চলন এবং টুপটাপ সেসব মুখের ওপর বলে ফেলা এর সবই এক স্বচ্ছ জলের মতো অথচ গভীর সমুদ্রের অনুভবই তাকে দিয়েছে। যে সমুদ্র হঠাৎ শান্ত হয়ে যেমন বুকে জড়িয়ে নিতে পারে। আবার মুহূর্তেই প্রবল জলোচ্ছ্বাস হয়ে ভেঙে চুরমার করে ভাসিয়েও নিতে পারে। মুনিয়ার এটা ভালো লাগে। কিন্তু এই যে ভালো লাগে, সেটা সে রাফির সাথে তার পরিচয় কিংবা বোঝাপড়া তৈরির আগ অবধিও বুঝতে পারেনি। এই দীর্ঘ বিবাহিত জীবনেও না। কখনো টের পায়নি, তার বুকের ভেতর এমন ওলট-পালট করে দেয়া রোমান্টিসিজমের তেষ্টা, এমন উথাল-পাথাল ভাসিয়ে নেয়া ক্ষ্যাপাটে প্রেমের আকুতি লুকিয়ে ছিল!

    নিচ থেকে একটা টুংটাং শব্দ ভেসে আসছে। মনে হচ্ছে কেউ গেটের কাছে শব্দ করছে। এতরাতে অবশ্য গেটের কাছে কারো আসার কথা না। এই বাড়ির গেটে দারোয়ান নেই। সবার কাছেই চাবি আছে। যে যার মতো বের হয়ে যায়। কিন্তু এতরাতে কী হচ্ছে গেটে?

    মুনিয়ার হঠাৎ গেটের বাইরে ঝুলে থাকা সেই আঙটাটার কথা মনে হলো। নির্ঘাৎ আবারো কেউ ভুলে সেটা বাইরের দিকে ঝুলিয়ে রেখেছে। হয়তো মৃদু বাতাসে গেটের সাথে বাড়ি খেয়ে আবারো সেটা একটা নির্দিষ্ট ছন্দে টুংটাং শব্দ করছে। নির্জন রাতে সেই শব্দই খুব কানে বাজে। মুনিয়া একবার ভাবল নিচে গিয়ে আটাটা সরিয়ে দিয়ে আসবে। যাবে কী যাবে না করতে করতেই দীর্ঘ সময় চলে গেল। তারপর ধীর পায়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে গেল সে।

    ফিরল অনেকক্ষণ বাদে। এসে দেখে ঋদ্ধির ঘরে আলো জ্বলছে। এত রাতে জেগে জেগে কী করছে ঋদ্ধি! মুনিয়া বাথরুমে ঢুকে একটু পানি ছেটাল মুখে। তার শরীরটা কেমন ক্লান্ত আর অস্থির লাগছে। সম্ভবত টানা রাত জাগায় শরীরটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। মাথাটা কেমন ঝিমঝিম করছে। সে আঁজলা ভরে কিছু পানিও ঢালল মাথায়। তারপর ঋদ্ধির ঘরে গেল। ঋদ্ধি খাটে বসে আছে। তার চোখে মুখে ভয়। মুনিয়া বলল, ‘কী হয়েছে?’

    ঋদ্ধি কথা বলল না। মুনিয়া কাছে গিয়ে বসল, ‘দুঃস্বপ্ন দেখেছিস?’

    ‘মনে হয়। কেমন একটা চিৎকারের মতো শুনলাম।’

    ‘ওহ। দিন রাত হাবিজাবি বই পড়লে আর সিনেমা দেখলে উদ্ভট স্বপ্নইতো দেখবি!’

    ঋদ্ধি আড়ষ্ট গলায় বলল, ‘ঠিক তা না মা। কিছু একটা যেন হয়েছে কোথাও।’

    ‘ধুর। সারাক্ষণ যে কী করিস কে জানে! মাথাভর্তি করে ফেলেছিস আজেবাজে চিন্তায়। আয়, এদিকে আয়।’

    ঋদ্ধি আর কথা বাড়াল না। সে মায়ের কোলের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। মুনিয়া তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগল। মেয়েটা কোন ফাঁকে যে এমন বড় হয়ে গেল মুনিয়া যেন টেরই পায়নি। কিন্তু মুখটা এখনো মায়াময়, স্নিগ্ধ, শিশুসুলভ। মুনিয়া তার ঘরে ঢুকে দেখে হাতের মোবাইল ফোনটা বন্ধ হয়ে গেছে, চার্জ নেই। সে ফোনটা চার্জে দিয়ে বাথরুমে ঢুকল। কুসুম গরম জলে একটা লম্বা গোসল দরকার তার। সারারাত জেগে থাকার ক্লান্তিটা যদি তাতে কিছু কমে।

    সময় নিয়ে গোসল সারল মুনিয়া। খুব অস্থির আর অস্বস্তি লাগছে তার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }