Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৪৬

    ৪৬

    নাদিয়া দাঁড়িয়ে ছিল বারান্দায়। বৃষ্টির সাথে সাথে ঝোড়ো হাওয়াটাও যেন বাড়ছে। ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে। ঝড়ে গাছের ডালপালা ভেঙে ইলেকট্রিকের তারের ওপর পড়লে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। সম্ভবত এ কারণেই ইলেকট্রিসিটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সন্ধ্যার অন্ধকারে একটা গা ছমছমে ভাব। ঠিক এই মুহূর্তে বিকট শব্দ তুলে একটা সাদা মাইক্রোবাস এসে ঢুকল সামনের উঠানে। মাইক্রোবাস থেকে একে একে পাঁচ-ছজন লোক নেমে এলো। সবার শেষে নামল সাদা আলখাল্লা পরা লম্বা গড়নের একজন। লোকটা সম্ভবত হুজুর। মুখভর্তি সাদা দাড়ি। মাথায় টুপি। বাকিদের একজনকে নাদিয়া চেনে। সেদিন বাবার কলেজে দেখা জহিরুল। জহিরুলের পরনেও সাদা পাঞ্জাবি। তার সাথে আরো কজন রয়েছে। তাদের হাতে নানা ধরনের প্যাকেট। একজনের হাতে সম্ভবত মিষ্টির প্যাকেটও রয়েছে। এ বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠান নাকি আজ? নাদিয়া ঘটনা বোঝার চেষ্টা করছে, কিন্তু পারছে না। তবে সে বুঝতে পারছে, একটা তীব্র অস্বস্তি ঘিরে ধরেছে তাকে। বিষয়টাকে পাত্তা না দেয়ার চেষ্টা করল নাদিয়া। কিন্তু পারল না।

    .

    নিচ থেকে কাজের মেয়ে সুফিয়া এলো দোতলায়। নাদিয়ার ঘরে ঢুকতে ঢুকতে বলল, ‘আপা আপনের ঘরখান একটু গুছাই দিয়া যাই।’

    নাদিয়া চিন্তিত ভঙ্গিতে বলল, ‘আচ্ছা।’

    সুফিয়া অবশ্য খুব একটা সময় নিল না। সে কোনোমতে ঘরটা গুছিয়ে তাড়াহুড়া করে বেরিয়ে যাচ্ছিল। তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে কোনোকিছু নিয়ে খুব ব্যস্ত সে। নাদিয়া তাকে ডাকল, ‘শুনুন।‘

    সুফিয়া শুনল কিনা বোঝা গেল না। তবে সে নাদিয়াকে অগ্রাহ্য করার ভঙ্গিতেই নিচের সিঁড়ির দিকে যেতে লাগল। নাদিয়া আবার ডাকল, ‘এই যে, একটু শুনবেন?’

    সুফিয়া এবার ঘুরে তাকাল। একটা কাঁচুমাচু ভাব তার মধ্যে। নাদিয়া অবশ্য বিষয়টা পাত্তা দিল না। সে বলল, ‘কী হচ্ছে নিচে? কোনো প্রোগ্রাম আজ?’

    সুফিয়া যেন নিজেকে সামলে নিল। তারপর রহস্যময় ভঙ্গিতে হাসল, ‘সময় হইলেই জানতে পারবেন।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে কিছু না।’ বলেই আবার হাসল সুফিয়া। তার সেই হাসি অস্বাভাবিক, অস্বস্তিকর।

    নাদিয়া বলল, ‘রাতে যে এ বাসায় কোনো অনুষ্ঠান আছে এমন কিছুইতো উনি আমাকে বলেননি!’

    ‘উনি কে? ম্যাডাম?’

    ‘হুম।’

    ‘বলবেন, বলবেন। এত অধৈর্য হইয়েন নাতো আপা। আপনেরে নিয়া ঘটনা

    আর আপনে জানবেন না?’

    ‘আমাকে নিয়ে ঘটনা!’ নাদিয়ার বুকটা আচমকা ধক করে উঠল। সুফিয়া সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে যেতে যেতে বলল, ‘আইছেন যহন, তহনতো আর না জাইনা যাইতে পারবেন না! যেই জন্য এইহানে আইছেন, সেই জিনিসতো জানতেই হইব।’

    নাদিয়া কপাল কুঁচকে তাকিয়ে রইলো। তার হঠাৎ মনে হলো কোনো একটা ঝামেলা আছে। এবং সেই ঝামেলার কেন্দ্রবিন্দু সে নিজে। কিন্তু ঝামেলাটার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তার সাথে কেউ নেই। সে দৌড়ে ঘরে ঢুকল। বাবাকে ফোন করতে হবে। ভয়ংকর ব্যাপার হলো ঘরে যেখানে তার ফোন রাখা ছিল, সেখানে ফোনটা নেই। বুকের ভেতর ছ্যাৎ করে উঠলো নাদিয়ার। সে আঁতিপাতি করে খুঁজেও ফোনটা কোথাও পেল না। খানিক আগে সুফিয়া কি তবে তার ফোন নিয়ে যেতেই এসেছিল? নাদিয়ার শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ভয়ের শীতল স্রোত নেমে গেল। এই প্রথম তার মনে হলো সে খুব বড় ধরনের একটা বিপদের মধ্যে এসে পড়েছে। এবং এই বিপদ থেকে তাকে রক্ষা করার কেউ নেই। কারণ, তার বাবাকেও কাজের অজুহাতে আগেভাগে ময়মনসিংহে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন সে এখানে একা। সম্ভবত এটি পূর্বপরিকল্পিত কোনো ঘটনার অংশ। এবং এই পরিকল্পনার সাথে জহিরুলও যুক্ত। এ কারণেই কি সেদিন কলেজে তাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে এত প্রশ্ন করছিল জহিরুল?

    ঘটনা পরিষ্কার হতে অবশ্য সময় লাগল না। খানিকবাদে আফসানা নিজেই এলো। সে গম্ভীর, থমথমে। নাদিয়া হাসার চেষ্টা করল, ‘কী হচ্ছে নিচে?’

    আফসানা গম্ভীর গলায়ই বলল, ‘তুমি বসো। তোমাকে কিছু কথা বলব।’

    ‘কী কথা?’ নাদিয়া অস্থির ভঙ্গিতে বলল।

    আফসানা শান্ত কণ্ঠে বলল, ‘অস্থির হওয়ার মতো কিছু ঘটেনি। তুমি এত অস্থির হচ্ছো কেন?’

    নাদিয়া কিছু বলতে গিয়েও কথা খুঁজে পেল না। সে বারকয়েক ঢোক গিলে বলল, ‘জি।’ এই আফসানাকে নাদিয়া এ কদিন দেখেনি। তার সামনে যেন অন্য এক মানুষ। প্রথমদিন সন্ধ্যার অন্ধকারে যাকে দেখে ভয়ে তার বুক কেঁপে উঠেছিল!

    আফসানা জলদগম্ভীর কণ্ঠে বলল, ‘তুমি বড় হয়েছো, তোমার অনেক কিছু জানতে বুঝতে হবে। তাই না?’

    নাদিয়া কথা বলল না। আফসানা বলল, ‘তুমি যে এখানে এসেছো, তোমার মধ্যে কোনো প্রশ্ন জাগেনি যে তোমার বাবার সাথে আমার সম্পর্কটা কী?’

    নাদিয়া এবারও কথা বলল না। আফসানা বলল, ‘তুমি এ বিষয়ে কিছু জানো?’ নাদিয়া ডানে-বায়ে মাথা নাড়াল। আফসানা খানিক চুপ করে থেকে বলল, ‘আমরা বিয়ে করেছি।’

    নাদিয়া ঝট করে মুখ তুলে তাকাল। তবে কোনো কথা বলল না। আফসানা বলল, ‘পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ঘটনা আমি লুকিয়ে রেখেছি। কেবল তোমার জন্য।’

    বাবার বিয়ের কথা শুনে যতটা চমকে গিয়েছিল নাদিয়া। এবার তার চেয়েও বেশি চমকাল, ‘আমার জন্য?’

    ‘শুধু তোমার না, তোমার আর তোমার বোনের জন্য। তার ধারণা এতে তোমাদের বিয়ে দিতে সমস্যা হবে। আর ঠিক এ কারণেই তোমাদের বিয়ের জন্য আমি যতটা সম্ভব ধৈর্য ধরেছি। এমনকি নাবিলার বিয়ের সব খরচও আমি বহন করেছি। কিন্তু তারপরও আশফাক কথা রাখেনি। কথা ছিল এরপরই সে তোমার বিয়ের ব্যবস্থা করবে, কিন্তু সে কোনো চেষ্টাই করেনি। বরং এটা-সেটা বলে বছরের পর বছর সময় পার করেছে সে

    নাদিয়া কথা বলল না। বাবার ব্যাপারে কিছু কিছু বিষয় সবাইই কম-বেশি আঁচ করতে পেরেছিল। কিন্তু সেটি যে ভেতরে ভেতরে এতটা বিস্তৃত তা সে ধারণা করেনি। আফসানা বলল, ‘আজ রাতে তোমার বিয়ে।’

    ‘মানে!’ নাদিয়া বজ্রাহতের মতো তাকিয়ে রইল। আফসানা একইরকম ভঙ্গিতে বলল, ‘গত মাসে আমি কনসিভ করেছি। সো বুঝতেই পারছো, আমার হাতে সময় বেশি নেই। যত দ্রুত সম্ভব আমাকে আমার বিয়ের কথা সবাইকে জানাতে হবে। আর সেটার জন্য তোমার বিয়ে হয়ে যাওয়াটা জরুরি। জহিরুলের সাথে আজ রাতে এখানেই তোমার বিয়ে হবে। জহিরুল ছেলে ভালো। আর এ নিয়ে তোমার কোনো দুশ্চিন্তাও করতে হবে না। আমি সবকিছু বহন করব। তোমাদের সব খরচ।‘

    ‘কী বলছেন আপনি!’ নাদিয়ার গলা কাঁপছে।

    আফসানা নির্বিকার কণ্ঠে বলল, ‘যা বলেছি, সেটাই সত্যি। আশফাককে আমি অনেক সময় দিয়েছি। সে প্রতিবার আমার উদারতাকে দুর্বলতা ভেবেছে। কিন্তু তার এটা বোঝা উচিত, আমি দুর্বল নই।’

    নাদিয়া কী করবে ভেবে পাচ্ছে না। এত অসহায় এর আগে কখনো তার লাগেনি। সে আচমকা আফসানার হাত জড়িয়ে ধরে বলল, ‘আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই আমার বিয়ে হয়ে যাবে। মা সব কথা ফাইনাল করে ফেলেছে।’

    আফসানা হাসল, ‘আমাকে আর এসব কথা বলে লাভ নেই। এমন কথা আশফাকের মুখে আমি বহুবার শুনেছি। আজ বিয়ে, কাল বিয়ে। ছেলে ঠিক হয়ে গেছে। এইসব অনেক কিছু।’

    ‘বিশ্বাস করুন, এমনকি বাবাও জানে না এবারের ঘটনা। আমার এক্ষুনি বিয়ে হয়ে যাক, এটা বাবা চায়না বলেই মা এমনকি বাবাকেও কিছু জানায়নি।’

    আফসানা এবার সশব্দেই হেসে উঠল, ‘বাহ। তোমার বাবাও জানে না এবার?’ নাদিয়া এবার প্রায় কেঁদেই ফেলল, ‘বিশ্বাস করুন। আমি একটুও মিথ্যে বলছি না। আপনার বিশ্বাস না হলে আমার ফোনটা দিন, আমি মাকে ফোন করে আপনাকে ধরিয়ে দিই?’

    আফসানা কঠিন গলায় বলল, ‘সেটা তোমার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর দিও মা-বাবা দুজনকেই ফোনে বিয়ের খবর জানিয়ে দিও।’

    নাদিয়া আরো কিছু বলতে চাইছিল। কিন্তু আফসানা তার কথা শুনল না। সে উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বলল, ‘আমি সুফিয়াকে পাঠাচ্ছি। ও তোমাকে রেডি করে দেবে।’

    নাদিয়া পাগলের মতো ছুটে গিয়ে আফসানার পথ রোধ করে দাঁড়াল। তারপর আচমকা আফসানার পা জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। আফসানা অবশ্য তাতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হল না। সে নাদিয়াকে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেল। নাদিয়া কতক্ষণ মেঝেতে অচেতনের মতো পড়েছিল সে জানেনা। তার মনে হচ্ছিল এই ঘটনাটি বাস্তবে ঘটছে না। বরং সে দুঃস্বপ্ন দেখছে। নিশ্চয়ই এই দুঃস্বপ্ন ভেঙে যাবে। কিন্তু তার দুঃস্বপ্ন ভাঙলো না। সুফিয়া তাকে মেঝে থেকে টেনে তুললো। নাদিয়া উঠতে চাইছিল না। কিন্তু সুফিয়ার সাথে আরো একজন মহিলা। সে শক্ত হাতে নাদিয়াকে চেপে ধরলো। নাদিয়া চিৎকার করে তার মাকে ডাকতে লাগল, তার বাবাকে ডাকতে লাগল। কিন্তু তার সেই কান্নার শব্দ ওই চার দেয়ালের বাঁধা পেরিয়ে, ওই অন্ধকারের গহীন অরণ্য পেরিয়ে কারো কাছেই পৌঁছাল না।

    .

    নাদিয়া খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ছুটছে। তার পা খালি। খালি পায়ে কিছু একটা ফুটেছে। কিন্তু অন্ধকারে সেটি দেখার উপায় নেই। পা ফেলতেই প্রচণ্ড ব্যথায় কুঁকড়ে যাচ্ছে সে। তারপরও ব্যথা নিয়ে ভাবছে না নাদিয়া। এই মুহূর্তে এই ব্যথাকে পাত্তা দেয়ার মতো অবস্থা তার নেই। সে অন্ধকারে পাগলের মতো ছুটছে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আর হিমেল হাওয়া বইছে। তার পায়ের নিচে ভেজা মাটি। চারদিকে গহিন বন। দিনের আলোতেই এই বনের পথ সে চিনতে পারবে না। অথচ এই অন্ধকারে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের পথে ছুটে চলছে সে। নাদিয়া জানে না সে কোথায় যাচ্ছে। সে কেবল জানে তাকে দূরে কোথাও চলে যেতে হবে। অনেক দূরে। যেখানে আফসানার মতো ভয়ংকর এক নারীর ছায়া নেই। কিন্তু কোথায় যাবে সে?

    নাদিয়া বেরিয়েছে অদ্ভুত এক উপায়ে। তাকে সাজিয়ে রেখে সুফিয়া গিয়েছিল নিচে। এ বাড়িতে কাজের লোকের সংখ্যা কম। বাড়িতে আসা লোকজনের জন্য নিচে রান্নাবান্নার কাজও করতে হচ্ছে সুফিয়াকে। ফলে নাদিয়ার কাছে বেশিক্ষণ থাকার সুযোগ তার নেই। এই ঝড়-বৃষ্টির রাতে এমন দুর্গম অচেনা-অজানা জায়গায় নাদিয়াকে নিয়ে আলাদা করে সতর্ক থাকারও কিছু নেই। সুফিয়া তাই তার সাথের কাজের মেয়েটাকে নিয়ে রান্নাঘরে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। নাদিয়া ততক্ষণে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, যেকোনো উপায়েই হোক এই বিয়ে সে ঠেকাবেই। প্রয়োজনে এই দুই তলা খোলা বারান্দা থেকে লাফিয়ে নিচে পড়বে সে। তাতে যা হবার হবে। ঘর থেকে বের হয়ে প্রথমেই দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মুখে যে দরজাটা ছিল সেটি বন্ধ করে দিল নাদিয়া। তারপর বারান্দার এপাশ থেকে ওপাশ অবধি তীক্ষ্ণ চোখে পর্যবেক্ষণ করল। এখান থেকে নামার কোনো উপায় নেই। বারান্দা লাগোয়া কোনো গাছও নেই। আবার লাফিয়ে পড়লে বড় ধরনের ক্ষতি হবার সম্ভাবনাও কম। তবে সে শারীরিকভাবে আহত হবে সেটি নিশ্চিত। কিন্তু তাতে তার সমস্যা না কমে বরং বেড়েই যাবে। চট করেই দৃশ্যটা চোখে পড়ল নাদিয়ার। তার ঘরের পেছন দিকে একটা দরজা। দরজাটা বন্ধ। অনেকদিন খোলা হয় না বলে মরিচা ধরে গেছে। একটা আলনা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে দরজাটা। তবে দরজার পাশেই একটা কাচের জানালা। জানালার ওপাশে একটা সঙ্কীর্ণ বারান্দা। বারান্দাটাও বহুকাল ব্যবহার করা হয় না। ফলে বাড়ির পেছন দিকের দেয়াল বেয়ে ওঠা লতাগুল্মে অপরিচ্ছন্ন হয়ে আছে ছোট্ট পরিসরটুকু। জানালার কাচ গলে ঘর থেকে এক চিলতে আলো গিয়ে পৌঁছালেও জায়গাটা তাতে আলোকিত হলো না। বরং একটা ঝাঁকড়া আমগাছের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ডাল-পালায় অন্ধকার হয়ে আছে। চট করে নাদিয়ার মাথায় বুদ্ধিটা খেলে গেল। সে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে ঝটপট পরনের শাড়ি খুলে সালোয়ার কামিজ পরে নিল। তারপর আলনাটা সরিয়ে খুলে ফেলল পেছনের দরজাটা। এক ঝলক তাজা দমকা হাওয়া ঢুকে পড়লো ঘরে। নাদিয়া আগে কখনো গাছে চড়েনি। ফলে এত চমৎকার ডালপালাওয়ালা একটা আমগাছ থাকা সত্ত্বেও সেটা বেয়ে নিচে নামার সাহস হচ্ছিল না তার। কিন্তু নাদিয়া জানে, এখান থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই। আচমকা শাড়িটার কথা মনে পড়ে গেল তার। ত্রস্ত পায়ে আবার ঘরে ঢুকল নাদিয়া। তারপর শাড়িটা নিয়ে গিয়ে একটা প্রান্ত আমগাছের ডালে বেঁধে ফেলল। অন্যপ্রান্ত নিজের কোমরের সাথে বেঁধে দৃষ্টিকটু উপায়ে গাছ বেয়ে নিচে নামতে শুরু করল সে। নাদিয়ার হাত ছিলে গেল। বার কয়েক গাছের সাথে বাড়ি খেয়ে ব্যথায় টনটন করতে থাকল শরীর। কিন্তু সেসব গ্রাহ্যই করল না সে। যখন পায়ের নিচে ভেজা মাটির স্পর্শ পেল, যেন নতুন জীবন পেল নাদিয়া। বুক ভরে নিঃশ্বাস নিলো সে। তারপর সোজা বাড়ির পেছন দিকে ছুটল। সেখানে বুনো লতাপাতায় ছাওয়া অনেকটা খোলা জায়গা। তার ওপারে উঁচু পাঁচিল। তবে সেই পাঁচিল টপকাতে খুব একটা বেগ পেতে হলো না নাদিয়ার। সম্ভবত বাড়িতে কোনো নির্মাণকাজ চলছে। ফলে দেয়ালঘেঁষে ইট ও বালি স্তূপ করে রাখা। নাদিয়া হেঁটে সেই বালির স্তূপের ওপর উঠে গেল। তারপর লাফিয়ে পড়লো দেয়ালের ওপারে। তারপর বুক ভরে নিঃশ্বাস নিল।

    .

    সেই থেকে নাদিয়া ছুটছে। অন্ধকারে কতক্ষণ ছুটেছে সে জানে না। কোথায় যাচ্ছে তাও জানে না। তবে দূরে একটা আলোর উৎস দেখা যাচ্ছে। নাদিয়া সেই আলোর উৎস লক্ষ করেই ছুটছে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আর হিমেল হাওয়ায়ও ঘামছে সে। দুই পা ভারী হয়ে গেছে। বুক ধড়ফড় করে কাঁপছে। নাদিয়ার ধারণা এতক্ষণে ঘটনা সবাই টের পেয়ে গেছে। নিশ্চয়ই আফসানা দলবল নিয়েই তাকে খুঁজতে বেরিয়েছে। ফলে কোনোভাবেই থামতে চাইছে না সে। আর কিছুক্ষণ পরপরই প্রবল আতঙ্ক নিয়ে পেছনে ফিরে তাকাচ্ছে। তবে আশার ব্যাপার হচ্ছে এতক্ষণেও কারো কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। এক ফোঁটা পানির জন্য তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। কিছুক্ষণ হা করে বৃষ্টির পানি জিভে ছোয়ানোর চেষ্টা করল। কিন্তু যতটুকু পেল, তাতে তেষ্টা কমার বদলে যেন আরো বেড়ে গেল। নাদিয়ার শরীরে বিন্দুমাত্র শক্তি অবশিষ্ট নেই। তারপরও সে ছুটছে। যেন একটা ঘোরের ভেতর ছুটে চলছে। তার চারপাশে ঘন শালবন। শালবনে গাঢ় অন্ধকার। মেঘে ঢেকে যাওয়া চাঁদ। সেই অন্ধকার শালবনে ছুটতে ছুটতেই নাদিয়ার আচমকা মায়ের কথা মনে পড়লো। তাকে নিয়ে দেখা মায়ের দুঃস্বপ্নের কথা মনে পড়ল। সে হঠাৎ হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। সেই কান্নার ভেতর জমাট বাঁধা যন্ত্রণার মতো চাপা চিৎকার ভেসে আসতে লাগল, ‘মা, ও মা, মাগো, আম্মা, ও আম্মা, আম্মা…’

    নাদিয়া জানে তার মা তার এই কান্নার শব্দ শুনতে পাচ্ছে না। তারপরও সে ফিসফিস করে তাকে ডাকতে লাগল, ‘ও মা, মা, মাগো… ও আম্মা, আম্মা, আম্মাগো…।’

    .

    রাত তখন কত নাদিয়া জানে না। সে দাঁড়িয়ে আছে চওড়া একটা পিচঢালা রাস্তার পাশে। রাস্তায় গাড়ি খুব একটা নেই। তবে মাঝে মাঝে সাঁইসাঁই করে দুয়েকটা প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস ছুটে যাচ্ছে গন্তব্যে। নাদিয়া সতর্কভঙ্গিতে সেদিকে তাকিয়ে আছে। আশপাশে কোনো লোকালয় চোখে পড়ছে না তার। তবে সে জানে, এখন মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। কোনো ভুল করা যাবে না। এই রাতে অচেনা-অজানা জায়গায় সে কোনো প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাসে উঠতে চায় না। সে অপেক্ষা করছে কোনো বাসের। বাসে নিশ্চয়ই অনেক যাত্রী থাকবে। সেটি বরং সব দিক থেকেই নিরাপদ। তবে পরপর দুটি বাস দেখে সে থামানোর জন্য হাত তুলে ইশারাও করেছিল। কিন্তু একটা বাসও থামেনি। নাদিয়া আরো খানিক অপেক্ষা করল। প্রচণ্ড ক্লান্তি আর দুশ্চিন্তায় তার শরীর ভেঙে পড়ছে। কিন্তু এতোদূর আসার পর আর হাল ছেড়ে দিতে চায় না নাদিয়া। যে করেই হোক তাকে ঢাকায় পৌছাতে হবে। বাবাকে একটা খবর দিতে হবে। বাসে নিশ্চয়ই কারো ফোন থেকে সে বাবাকে একটা ফোন করতে পারবে। এতরাতে মাকে এই খবর না জানানোটাই ভালো হবে। নাদিয়া বাস পেল আরো মিনিট কুড়ি পর। কিন্তু বাসে উঠে দমে গেল নাদিয়া। রাত বেশি বলেই কিনা কে জানে, বাসে যাত্রী মাত্র তিনজন। সাথে বাস ড্রাইভার আর কন্ডাক্টর। তারা সকলেই নাদিয়ার দিকে এমন অদ্ভুত চোখে তাকাল যে নাদিয়ার খুব অস্বস্তি হতে লাগল। সে জড়সড় হয়ে গিয়ে জানালার পাশে একটা সিট দেখে বসে পড়লো। সে জানে তার এই চেহারা, জামা কাপড়ের এই অবস্থা দেখে যে কেউই সন্দেহের চোখে তাকাবে। তার কর্দমাক্ত খালি পা। ভেজা, ময়লা কাপড়। বিধ্বস্ত, ঘর্মাক্ত চেহারা। এতরাতে এই নির্জন রাস্তায় এমন একজন মেয়েকে দেখে খুব স্বাভাবিকভাবেই লোকে সন্দেহের চোখেই তাকাবে। এই অবস্থায় কারো কাছে আর ফোন চাওয়ার সাহস হলো না নাদিয়ার। সে চুপচাপ বসে রইলো। বাস কতক্ষণ চলেছে নাদিয়া জানে না। রাস্তার পাশে ছোট্ট এক সুনসান চায়ের দোকানের সামনে বাকি যাত্রী তিনজনও নেমে গেল। আবার চলতে শুরু করল বাস। বাসে যাত্রী বলতে নাদিয়া একা। তার হঠাৎ কেমন ভয় ভয় করতে লাগল। সে একবার পেছন ফিরে তাকাল। পুরো বাসটা ফাঁকা। ড্রাইভার হঠাৎ গলা উঁচু করে জিজ্ঞেস করল, ‘যাইবেন কই আপা?’

    নাদিয়া কোনো মতে উত্তর দিল, ‘ঢাকা।’

    ‘এই গাড়িতো ঢাকায় যাইব না।’

    ‘কোথায় যাবে তাহলে?’

    ড্রাইভার অবশ্য নাদিয়ার প্রশ্নের উত্তর দিল না। সে পাল্টা প্রশ্ন করল, ‘আপনে কইত্থেইকা আসছেন?’

    নাদিয়াও ড্রাইভারের প্রশ্নের উত্তর দিল না। তবে সে তার প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করল, ‘এই গাড়ি কোথায় যাবে?’

    ড্রাইভার এই প্রশ্নের উত্তর দিল না। তবে সে কন্ডাক্টরকে ডেকে কিছু একটা বলল। কন্ডাক্টর নাদিয়াকে বলল, ‘আপনের কাছে ভাড়া আছে আপা?’

    নাদিয়ার হঠাৎ মনে পড়ল, তার কাছে টাকা নেই। সে তাড়াহুড়ায় তার ব্যাগ আনতে ভুলে গেছে। সে মিনমিন করে বলল, ‘আমি ঢাকায় পৌঁছে টাকা দিয়ে দেব।’

    কন্ডাক্টর দাঁত বের করে হাসল। তারপর নরম গলায় বলল, ‘আপনার ভাড়া দেওন লাগত না আপা।’

    নাদিয়া বলল, ‘কেন? ভাড়া দেয়া লাগবে না কেন? আমি ঢাকায় পৌঁছেই…।’

    নাদিয়া কথা শেষ হবার আগেই কন্ডাক্টর নাদিয়ার পাশে বসে পড়ল। তারপর আরো খানিকটা কাছে চলে এলো। তারপর নাদিয়ার একদম গা ঘেঁষে বসে বলল, ‘ভাড়া আর কয়টাকা দিবেন আপা? তারচাইতেও বেশি কতকিছু দেওনের আছে, সেইটা দিলেই হইবো।’ বলেই লোকটা দুই হাতে শক্ত করে নাদিয়াকে জড়িয়ে ধরল। তারপর টেনেহিঁচড়ে তাকে বাসের পেছন দিকে নিয়ে যেতে লাগল। প্রবল আতঙ্কে নাদিয়ার সারা শরীর থরথর করে কাঁপছে। পুরো জগৎ সংসার মুহূর্তেই অন্ধকার মনে হতে লাগল তার। সে বুঝতে পারছে, এতক্ষণ যাকে সে ভয়াবহ বিপদ বলে ভাবছিল, আসলে তার চেয়েও হাজারগুণ বিপদ তার সামনে। পৃথিবীতে এর চেয়ে ভয়ংকর কোনো বিপদ আর নেই। সে চিৎকার করে আল্লাহকে ডাকতে লাগল। তার মাকে ডাকতে লাগল। কিন্তু তার সেই ডাক কেউ শুনল না। নাদিয়াকে চেপে ধরে শুইয়ে দেয়া হলো পেছনের বড় সিটগুলোর আড়ালে। সেখানে সে নিজের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মুক্তির আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু লাভ হলো না। এক নির্জন অন্ধকার রাস্তায় বাসটা তখন ঢিমেতালে চলছে। নাদিয়া চিৎকার করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তার সেই চিৎকার শোনার মতো কেউ এখানে নেই |

    তবে বাসের ড্রাইভার চিৎকার করে তার কন্ডাক্টরকে যা বলল সেটি সে শুনল। কন্ডাক্টরও চিৎকার করে জবাব দিল। সে বল্ল, ‘আপনে আগে আহেন ওস্তাদ। আমি ততক্ষণে গাড়ি চালাই।’

    ততক্ষণে বৃষ্টি নেমেছে জোরে। আকাশজুড়ে বিদ্যুৎ চমকের মাতম লেগেছে। ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ঘণ্টাখানেক বাদে নাদিয়াকে যখন ছুঁড়ে ফেলা হলো চলন্ত বাস থেকে। তখন তার ক্ষতবিক্ষত শরীর বেয়ে রক্ত ঝরছে। তার গলায় শক্ত করে পেঁচানো ওড়না। একটা নির্জীব নিথর দেহ রাস্তা থেকে গড়িয়ে গড়িয়ে স্থির হয়ে রইলো একটা গাছের গোড়ায়। নাদিয়ার শরীরের রক্তগুলো ধুয়ে যেতে থাকল প্ৰবল বৃষ্টিতে। তবে তাতে ক্ষতগুলো আরো জেগে উঠতে লাগল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    Related Articles

    সাদাত হোসাইন

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }