Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্ধবৃত্ত – সাদাত হোসাইন

    সাদাত হোসাইন এক পাতা গল্প480 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অর্ধবৃত্ত – ৩০

    ৩০

    জাফরের সাথে মুনিয়ার সম্পর্কটা ঝগড়ার নয়, সম্প্রীতিরও নয়। একটা ঢেউহীন, বাঁকহীন মৃতপ্রায় নদীর মতোন। বয়ে যেতে হবে বলে বয়ে যাচ্ছে। সেখানে জোয়ার যেমন নেই, ভাটাও নেই। তবে সেই সম্পর্কে হঠাৎ করেই এমন ঝড় উঠবে তা কেউই ভাবেনি। জাফর কিংবা মুনিয়াও না। অতি তুচ্ছ এক বিষয় নিয়ে যে ঝগড়ার শুরু তা সেখানেই মিটে যেতে পারতো। হয়তো মিটে গিয়েওছিল। ঝগড়ার পরের কয়েকদিনও চুপচাপ কেটে যাচ্ছিল। রাতে অফিস থেকে ফিরে আগের মতোই চুপচাপ শুয়ে পড়ত জাফর। মুনিয়া তার কাজ গোছাতে মাঝরাত অবধি জেগে থাকত। তারপর ঘুমাতে যেত। সকালে উঠেই আবার সেই একই রুটিন। তবে রাফির সাথে তার যোগাযোগটা কমে গিয়েছিল। এ সময়ে একটা পরিবর্তন অবশ্য হয়েছিল। জাফর যেন ঋদ্ধিকে একটু সময় দেয়ার চেষ্টা করল। যদিও ঋদ্ধি তাতে কতটা খুশি হলো তা বোঝার উপায় নেই। সে বরং আরো চুপচাপ হয়ে গেল। তবে মনে মনে সে মাকেই চাইতো। কিন্তু মায়ের সাথেও একটা অদৃশ্য দূরত্ব তৈরি হয়ে গিয়েছিল তার।

    ঘটনার কিছুদিন বাদে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় মুনিয়া হঠাৎ ঋদ্ধিকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘বাবার সাথে কী নিয়ে কথা হচ্ছিল সেদিন?’

    ‘কোনদিন মা?’

    ‘শুক্রবার ভোরে? তোর বাবা বলছিল তোর নাকি মন খারাপ?’

    ‘তেমন কিছু না মা। আমার পড়াশোনা নিয়ে হঠাৎ জানতে চাইছিল।’

    ‘তুই কী বললি?’

    ‘বললাম সব ঠিকঠাক।’

    ‘আর কিছু?’

    ‘না মা। আর কিছু না।’

    ‘কিচ্ছু না?’

    ‘উহু।’

    মুনিয়া ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘তুই তাহলে এবার সত্যি সত্যিই বড় হচ্ছিস!’

    ঋদ্ধি মার দিকে তাকাল, ‘কেন মা?’

    ‘বড় হলে মানুষ খুব সহজে মিথ্যে বলতে শুরু করে।’

    ‘আমি মিথ্যে বললাম?’

    ‘নয়তো কী? তোর বাবা বলল তোর সাথে কথা বলে তার মনে হয়েছে কিছু নিয়ে তোর মন খারাপ। কোথাও একটা সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু সেই সমস্যা আমাকে না জানিয়ে বাবাকে জানাতে হলো কেন?’

    ‘তুমি শুধু শুধু সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছো মা।’

    ‘হ্যাঁ, আমার সবকিছুই শুধু শুধু। এই যে তোকে নিয়ে আমার এই যুদ্ধ, এই যুদ্ধটাও শুধু শুধু? কই, এই এত বছরে কখনোতো তোর কী লাগবে, কখন জ্বর হলো, কখন ডাক্তার লাগল এসব কেউ জিজ্ঞেস করতে আসেনি! আজ হঠাৎ মন খারাপের খবর অবধি জানতে হচ্ছে?’

    ‘মা। বাবা অতকিছু ভেবে হয়তো বলেনি। আমরা জাস্ট এমনি এমনিই কথা বলছিলাম। তুমি এটাকে…।’

    মুনিয়ার সবকিছু খুব অসহ্য লাগছে। তার এখন মনে হচ্ছে ঋদ্ধির কাছেও সে গুরুত্বপূর্ণ কেউ নয়। বরং এই যে এ কদিনে জাফর বারকয়েক ঋদ্ধির খবর নিল, এটা-সেটা কিনে দিল, তাতেই যেন বাবার প্রতি আলাদা একটা টান তৈরি হয়েছে তার। এই নিয়ে মুনিয়ার যে খুব আপত্তি রয়েছে তা নয়। কিন্তু কোথায় যেন নিজের এতদিনকার কর্তৃত্ব খর্ব হওয়ার একটা শঙ্কা। একটা অদ্ভুত টানাপড়েন। মনে মনে নিজের ওপর এতদিন যে বিশ্বাস তার ছিল, তা যেন হঠাৎ করেই বড়োসড়ো এক প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। সে ভাবত বাইরে যে যাই বলুক, যতই তাকে অপছন্দ করুক, অন্তত ভেতরে ভেতরে এ বাড়ির সবাই কম বেশি তার প্রতি কৃতজ্ঞই বোধ করে। তারা নিশ্চয়ই এটুকু অনুভব করে যে আর সবকিছু সামলে এ বাড়ির সবার জন্য, সংসারের জন্য মুনিয়া যা করেছে তা নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য। এতদিন এই ছিল মুনিয়ার দৃঢ় বিশ্বাস।

    কিন্তু সেদিন জাফর তার সকল বিশ্বাস ভেঙে দিল। মুনিয়া ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি যে জাফর সবকিছু এমন অবলীলায় অস্বীকার করতে পারে। শুধু তা-ই নয়, জাফর বরং এটাও ভাবে যে, মুনিয়ার জন্য সেও কম কিছু করেনি! উল্টো মুনিয়ারই তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

    বিষয়টা ভাবলেই রাগে, ক্ষোভে, অক্ষম আক্রোশে মুনিয়ার চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে। মানুষ এমন অকৃতজ্ঞ, এমন উপলব্ধিহীন কী করে হয় সে ভেবে পায় না। এই বাড়ির জন্য, এই বাড়ির মানুষের জন্য কী করেনি সে! নিজের সবটুকু নিংড়ে দিয়েছে। বিনিময়ে কারো কাছে কখনোই কিছু চায়নি মুনিয়া। সে শুধু এটুকু ভেবেই সন্তুষ্ট ছিল যে এই মানুষগুলো তার এই ত্যাগটা অন্তত বুঝতে পারবে। অন্তত এটুকু উপলব্ধি করতে পারবে যে চাকরি করা নিয়ে দিনের পর দিন তার সাথে যে ভয়াবহ অন্যায়টা তারা করেছিল, তাও সে নীরবেই সহ্য করেছিল। এমনকি সময় ও সুযোগ পেয়ে কোনো প্রতিশোধও সে নেয়নি। বরং যতটা সম্ভব পেছনের আঘাত ভুলে নিজেকে উজাড় করেই দিয়েছিল সে।

    কিন্তু এতদিন পরে এসে মুনিয়ার মনে হলো, এ বাড়ির আর সকলেই হয়তো জাফরের মতো একইরকম চিন্তা করে। তারাও হয়তো ভাবে, মুনিয়া নয়, উল্টো তারাই মুনিয়ার জন্য অনেক কিছু করেছে। বিষয়টা কোনোভাবেই মাথা থেকে তাড়াতে পারছে না মুনিয়া। নিজেকে তার প্রতারিত, প্রবঞ্চিত মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে, এতকাল আকাশ ভেবে সে আসলে ছুঁয়ে ছিল বায়বীয় মেঘ।

    অনেকক্ষণ পর ঋদ্ধির কথার জবাব দিয়েছিল মুনিয়া, ‘বাবা তাহলে কতটুকু ভেবে বলেছিল?’

    ‘তুমি এভাবে কথা বলছো কেন মা?’

    ‘কীভাবে কথা বলছি?’

    ঋদ্ধি বুঝতে পারছিল মা রেগে যাচ্ছে। সে তাই সামলানোর চেষ্টা করল। বলল, ‘বাবা অনেক ভালো মা। তুমি শুধু শুধু তাকে ভুল বুঝছো। আর বাবা তোমাকে খুব ভালোবাসে মা।’

    মুনিয়া ঝট করে ঋদ্ধির দিকে ফিরে তাকিয়েছিল। তারপর জিভের আগায় আসা কথাটাকেও একদম শেষ মুহূর্তে গিলে ফেলেছিল সে। বাকিটা পথ আর একটা কথাও বলেনি।

    পরদিন ভোরে মায়ের বাড়ি চলে এলো মুনিয়া। কাজটা যে খুব ছেলেমানুষি হয়ে যাচ্ছে তা সেও জানে। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাচ্ছিল তার। কোনো কিছুর ওপরই আর নিয়ন্ত্রণ থাকছিল না। বেশ কিছুদিন ধরে ভেতরে ভেতরে ভয়াবহ এক মানসিক দুশ্চিন্তা, অবর্ণনীয় এক আতঙ্ক যেন সে বয়ে বেড়াচ্ছে। সেই গোপন ত তঙ্ক আর প্রবল মানসিক চাপেই সে শেষ অবধি এমন হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল কী না কে জানে! না হলে মুনিয়ার এত এমন প্রখর ব্যক্তিত্বের একজন মানুষের হঠাৎ করেই এতটা অসহিষ্ণু হয়ে ওঠার কথা না।

    মুনিয়ার মা অবশ্য কিছু জিজ্ঞেস করেননি। এতদিন পরে মেয়েকে কাছে পেয়ে তিনি বরং দারুণ উচ্ছ্বসিতই হলেন। মাঝখানে ঋদ্ধির কথা একবার জিজ্ঞেস করেছিলেন। মুনিয়া বলেছিল, ‘ওর পরীক্ষা চলছে মা।’

    এই কথাটা বলতে গিয়েও মুনিয়ার বুক ভেঙে কান্না আসছিল। সে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না, খাদ্ধিও শেষ অবধি তার বাবার হয়ে কথা বলছে। তাহলে এতদিন যে সে ভাবতো, তার চারপাশের সবার কাছে সে খুব প্রিয়, সেটা আসলে ভুল? সে কি তাহলে কে। সকলের প্রয়োজনই মিটিয়ে গেছে, কখনো কারো প্রিয়জন হতে পারেনি?

    ঋদ্ধি একবারও মায়ের সাথে আসতে চায়নি। মুনিয়াও ইচ্ছে করেই তাকে সাধেনি। সে ভেবেছিল, শেষ মুহূর্তে ঋদ্ধি বলবে, ‘আমিও তোমার সাথে যাব মা।’ কিন্তু তার কিছুই হয়নি। বরং ভোরবেলা মুনিয়া যখন চলে যাচ্ছিল, ঋদ্ধি গম্ভীর মুখে বলেছিল, ‘এভাবে যেও না মা, বাড়ির সবাই কী বলবে?’

    মুনিয়া বলেছিল, ‘আমি আমার মায়ের বাড়ি যাব, তাতেও লোকজন কী বলবে!’

    ‘তুমিতো নরমালি যাচ্ছো না মা।’

    ‘নরমাল যাওয়া আর এবনরমাল যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য কী?

    ঋদ্ধি আজকাল মায়ের সাথে কথা বলতে ভয় পায়। মুনিয়া যখন তখন রেগে যায়। তবুও সে বলল, ‘এই যে বাবা বাসায় নেই। বাবা আসলে না হয় যেও।’

    ‘কেন, তোর বাবার পার্মিশান ছাড়া আমি কোথাও যেতে পারব না?’ ঋদ্ধি আর কথা বাড়ায়নি। কেবল জিজ্ঞেস করেছিল, ‘তুমি আবার কবে আসবে?’

    মুনিয়া এই প্রশ্নের জবাব দেননি। উল্টো একটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিল, ‘তুই স্কুলে যাবি কী করে?’

    মুনিয়া ভেবেছিল এই প্রশ্নের উত্তরে ঋদ্ধি হয়তো বলবে, ‘তাইতো! দাঁড়াও মা, আমিও রেডি হয়ে আসি। তোমকে ছাড়া আমি একা থাকব কী করে!’

    কিন্তু ঋদ্ধি তার কিছুই করেনি। সে বরং গম্ভীর মুখে বলেছিল, ‘সমস্যা নেই মা। বাবা বা দিপু চাচ্চুতো আছেই! সলিনা ফুপিও আছে।’

    মুনিয়া যখন সিঁড়ি বেয়ে নামছিল, যখন গেট খুলছিল, যখন উবার ডেকে গাড়িতে উঠছিল, যখন একবারও পেছন ফিরে না তাকিয়ে সোজা তাকিয়ে ছিল সামনের রাস্তায়, তখনো তার চোখের কোণে একটুও জল জমেনি। তবু সবকিছু কেমন ঝাপসা লাগছিল তার। আর মনে হচ্ছিল একের পর এক তীব্র ঢেউ এসে বুকের পাড় ভেঙে জগৎসংসারটাকে এলোমেলো করে দিচ্ছে তার।

    মুনিয়া টানা কয়েকদিন স্কুলে গেল না। তবে বেশ কদিন পর রাফির সাথে সে দেখা করল। রাফিকে দেখে চমকে উঠল মুনিয়া। মুখভর্তি খোঁচা খোঁচা দাড়ি। উশকোখুশকো চুল। কেমন একটা বিচলিত, বিভ্রান্ত, দিশেহারা ভাব। তার মুখ থেকে ভক ভক করে মদের গন্ধ বের হচ্ছে। সে কথাও বলছে এলোমেলো ভঙ্গিতে। মুনিয়া বলল, ‘এখনো তোমার ঘুম হচ্ছে না?

    রাফি উদ্ভ্রান্তের মতো বলল, ‘নাহ।’

    ‘কেন? দুঃস্বপ্ন দেখছো?’

    ‘ঘুম না হলে দুঃস্বপ্ন দেখব কেমন করে?’

    তাহলে রাত জেগে জেগে কী করছো?’

    ‘কবিতা লিখছি।’

    ‘কী কবিতা?’

    ‘কবিতার নাম ‘আমার কোনো বন্ধু নেই।’

    ‘তোমার কোনো বন্ধু নেই?’ মুনিয়া উৎসুক কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল।

    ‘উহু, নেই।’

    ‘আমি তাহলে কী?’ প্রশ্নটা করেই থমকে গেল মুনিয়া। এই প্রশ্ন তার করার কথা না। সম্পর্কে হঠাৎ অস্তিত্ব সংকটে ভোগা কোনো মানুষ এমন প্রশ্ন করে। কিন্তু এই অনুভূতিটা হঠাৎ কেন হলো মুনিয়ার? সেও কি তাহলে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে? সেদিন জাফরের কথাগুলো শোনার পর সে কি নতুন করে সবখানে তার পরিচয়ের সন্ধানে নেমেছে?

    রাফি বলল, ‘তুমি?’

    ‘হুম।’

    ‘তুমি… এই, এটাতো আগে কখনো ভাবিনি!’ রাফি যেন গভীর চিন্তায় পড়ে গেল। খানিক চুপ করে বলল, ‘তুমিতো আমার প্রেমিকা। তাই না?’

    কথাটা খট করে কানে লাগল মুনিয়ার। আসলেইতো, কী অদ্ভুত এক সম্পর্ক তাদের! এই সম্পর্কের স্পষ্ট কোনো নাম নেই, গন্তব্য নেই। পরিণতিও নেই। তাহলে কী আছে? কেবলই এক সম্পর্ক ও সময়ের সংকটে অন্য এক ভালো লাগা?

    ‘প্রেমিকা কি বন্ধু নয়?’ মুনিয়া জিজ্ঞেস করল।

    রাফি বলল, ‘একটু, তবে পুরোপুরি নয়।’

    ‘কেন?’

    ‘কারণ বন্ধুর কাছে জগতের সব কথা বলা যায়, কিন্তু প্রেমিকা বা স্ত্রীর কাছে যায় না।’

    মুনিয়া জবাব দিল না। তার মনে হলো হঠাৎ করেই সে তার সকল সম্পর্কের শেকড় খুঁড়ে খুঁড়ে দেখছে। নতুন করে আবিষ্কার করছে কঠিন সব সত্য। সেখানে তার এতদিনকার ভাবনা, বিশ্বাস, আস্থা ক্রমশই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।

    রাফি হাই তুলতে তুলতে বলল, ‘এসব নিয়ে কথা বলতে ভাল্লাগছে না। তোমাকে বরং কবিতাটা শোনাই?’

    ‘হুম। শোনাও।’

    রাফির ভরাট গলা। সে সেই ভরাট গলায় কবিতাটা শোনাল মুনিয়াকে।

    ‘আমার কোনো বন্ধু নেই,
    যার কাছে আমি নিজেকে ভেঙেচুরে, খুচরো পয়সার মতো জমা রাখতে পারি।
    যে আমাকে যত্ন করে সঞ্চয় করবে, প্রয়োজনে ফিরিয়ে দেবে একটা একটা আধুলি।
    সত্যি বলতে আমার কোনো বন্ধু নেই।‘

    রাফির কবিতা পড়া শেষ হলেও মুনিয়া কোনো কথা বলল না। শেষ বিকেলের আলোয় একটা কাক দাঁড়িয়ে ছিল ইলেক্ট্রিকের তারের ওপর। তার মাথার ওপর বিশাল বিষণ্ণ এক আকাশ। সেই আকাশে ভেসে যাচ্ছে রঙিন মেঘ। কাকটার চারধারে একটা ময়লার ভাগাড়জুড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে আরো অসংখ্য কাক। কিন্তু তারপরও ওই কাকটা কী ভীষণ একা। কী ভীষণ বিষণ্ণ।

    মুনিয়ার আচমকা মনে হলো রাফি কোনো এক আশ্চর্য উপায়ে তার বুকের ভেতরটা দেখতে পায়। পড়তে পারে। না হলে এমন একটা কবিতা সে লিখল কী করে! এই কবিতার প্রতিটি কথা যেন তার। এই কবিতার ওই একা নিঃসঙ্গ মানুষটা যেন সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআলথুসার – মাসরুর আরেফিন
    Next Article সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026
    Our Picks

    কসবি – হরিশংকর জলদাস

    August 11, 2026

    শঙ্খচিল – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026

    সর্বনাশিনী – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }