Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤷

    মৌর্য – ১

    ১

    তক্ষশীলা। কাটা পাথরের নগরী। পাথর কেটে কেটে নগরসভ্যতা গড়ে উঠেছে খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক কিংবা তারও আগে। তবে খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের একিমেনিড সাম্রাজ্যের স্মৃতিচিহ্নটাই প্রবল। প্রাচীন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার আবর্তন কীলক। বহু পথ এসে মিলিত হয়েছে এখানে। উত্তরা পথ গান্ধারা রাজ্যকে মগধ ও পাটালিপুত্রের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এখানেই পূর্ব ভারতের গাঙ্গেয় উপত্যকা। মেগাস্থিনিস এই পথকেই বলেছেন রয়াল হাইওয়ে। এককালে গান্ধারা রাজ্যের রাজধানী ছিল এই তক্ষশীলা। মৌর্য সম্রাটের প্রাদেশিক রাজধানী। পাটালিপুত্রে এদের রাজধানী। তাহলেও দুটি কারণে এ প্রাদেশিক রাজধানীর গুরুত্ব অত্যধিক। একটি হলো বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে ভারতবর্ষের বাইরেও তার বহুল পরিচিতি, অপরটি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাচীন ভারতের সর্বপ্রাচীন ও প্রধান শিক্ষাকেন্দ্র। আলেকজান্ডারের লোকজন তক্ষশীলায় এসে এ রকম একটি শিক্ষাকেন্দ্র দেখে একেবারে অভিভূত। এ রকম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সারা গ্রিসে তো নেই-ই, আলেকজান্ডারের অধিকৃত অপর কোনো দেশেও নেই।

    পাটালিপুত্র থেকে তক্ষশীলার দূরত্ব হাজার মাইলের বেশি। এই সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মহামন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এখানে এসেছেন। এ আগমনে অবশ্য মহামন্ত্রীর উৎসাহই ছিল বেশি। বয়স বাড়লেও প্রধান উপদেষ্টা চাণক্যকে দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্ত মনে হচ্ছে না। একসময় তিনি ছিলেন এই তক্ষশীলার অন্যতম আচার্য। এখানে এসে তিনি যেন পুনর্যৌবন প্রাপ্ত হয়েছেন, তেমনি গতিবিধি তাঁর। সম্রাটও ক্লান্ত নন, তার কারণ অবশ্য ভিন্ন। উত্তরা পথের দুপাশের দৃশ্য তাঁকে এতটা মুগ্ধ ও ব্যাকুল করে তুলেছে যে এতটা পথ কখন শেষ হয়েছে, তা তিনি টেরও পান নি। শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি তাঁকে স্মৃতিকাতর করে তুলেছে। ভ্রমণকালে তাঁর মনে হয়েছে, বেদ-পুরাণে তিনি যে স্বর্গের কথা শুনেছেন, ভারতের ভূস্বর্গের কাছে তা কিছুই না। পথে তার মনে সাধ জেগেছে, এ রকম নিসর্গ সংসর্গে যদি দুরন্ত কৈশোরের মতো দৌড়ানো যেত। রাজার পক্ষে তা সম্ভব নয় বলে সাধটা বিসর্জন দিতে হয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে রাজকীয় বহর থামিয়ে চতুরাশ্বযান থেকে প্রকৃতির মনোরম দৃশ্য হৃদয় ভরে উপভোগ করেছেন। সম্রাট এখনো যৌবনের কোঠায়। মনে দারুণ তারণ্য। সবকিছুর মধ্যেই উপভোগের উপাদান খুঁজে পান বহুল মাত্রায়। হৃদয়ে উচ্ছ্বাসও আছে। কৌতূহলে ক্লান্তি নেই।

    চাণক্য একসময় আচার্য ছিলেন। বয়সও কিছুটা হয়েছে। তাই গাম্ভীর্য তাঁর ভূষণ। উচ্ছ্বাস ও কৌতূহল চেপে রাখেন। তাঁর চালচলন কতকটা বুদ্ধিবৃত্তিক, বাকিটা কূটরাজনৈতিক মোড়কে আঁটা। সম্রাটকে তক্ষশীলায় নিয়ে আসবার মধ্যে একটা সূক্ষ্ম দৃষ্টি কাজ করেছে। তক্ষশীলার দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্রাটকে আলাপ-পরিচয় করিয়ে দেশের ব্যবসায়িক উন্নতি দৃশ্যত প্রধান লক্ষ্য হলেও তার আড়ালে বড় আয়োজনটা হয়েছে তক্ষশীলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সম্রাটেরও কৌতূহল আছে। এর অনেক গল্পই শুনেছেন চাণক্যের মুখে

    সম্রাট চাণক্যকে মান্য করেন। এককালের এই অভিভাবকতুল্য আচার্যকে সমীহ করে চলেন। তার কারণও আছে। প্রায় রাস্তার বালক ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত। পিতৃহীন ও মাতা কর্তৃক পরিত্যক্ত চন্দ্রগুপ্ত এক শিকারির কাছে লালিত-পালিত হচ্ছিলেন। এ রকম সময় একদিন বালকদের সঙ্গে খেলছিলেন। খেলাটা এ রকম: তিনি রাজা, অন্যরা মন্ত্রী কিংবা অমাত্য। নিরাপত্তা প্রহরীরা কতগুলো ডাকাতকে রাজার সামনে নিয়ে এসেছে। রাজা তাদের বিচার করছেন। তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনলেন। মন্ত্রী-অমাত্যদের মতামত নিলেন। এরা কারাদণ্ডের পক্ষে। রাজা কঠোরভাবে বললেন, এরা রাজ্যের প্রজাদের আতঙ্ক। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন, যাতে কেউ ডাকাতি করতে সাহস না পায়। তিনি তাদের মৃত্যুদণ্ড দিলেন।

    চাণক্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য দেখছিলেন। তাঁর মনে হলো, যাকে তিনি খুঁজছেন, তাকে পেয়ে গেছেন। চাণক্য একজন রাজা খুঁজছেন। মগধের রাজা ধনানন্দ তাঁকে অপমান করেছেন। ব্রাহ্মণদের সভায় সামনের একটি আসনে বসেছিলেন তিনি। দেখতে সুপুরুষ নন বলে রাজা তাঁকে আসন থেকে তুলে দেন। রাগে ফেটে পড়েন চাণক্য। রাজাকে সিংহাসনচ্যুত করবেন বলে চিৎকার করে প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়ে দেন। রাজার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে বন্দী করতে গেলে তিনি দিগম্বর আজীবিকের ছদ্মবেশে সেখান থেকে পলাতক হন। তার পর থেকে তিনি রাজা খুঁজছেন। নিজে রাজা না হতে চেয়ে কেন রাজা খুঁজছেন, সে এক মজার কাহিনি। তাঁর ছেদন দন্ত ছিল। লোকবিশ্বাস, ছেদন দন্ত যাঁদের থাকে, এঁরা রাজা হন। চাণক্যের মা ভাবলেন, ছেলে রাজা হলে তাঁকে অবহেলা করবেন। প্রায়ই এ নিয়ে তাঁর খুবই অশান্তি। চাণক্য মাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য ছেদন দন্তগুলো ভেঙে ফেললেন। কিন্তু দাঁতের গোড়াগুলো মাড়ির মধ্যে থেকে গেল। লোকবিশ্বাস, যেহেতু ছেদন দত্ত উপড়ে না ফেলে ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং দন্তের গোড়াগুলো মাড়িতে আড়াল হয়ে আছে, তাই এই ব্যক্তি পেছন থেকে রাজাকে সাহায্য করবেন, অর্থাৎ তিনি রাজার মন্ত্রী হবেন, এ বিশ্বাসেই চাণক্য রাজা খুঁজছেন।

    তিনি চন্দ্রগুপ্তের শিকারি পালক পিতার কাছ থেকে চন্দ্রগুপ্তকে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে ক্রয় করে নিলেন। তার আগে চাণক্য রাজা ধনানন্দের ছেলে পর্বতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন এবং তাঁকে রাজসিংহাসন দখলের প্ররোচনা দেন। রাজপুত্র উচ্চাভিলাষী ছিলেন। তিনি চাণক্যের কথায় সায় দেন এবং চাণক্য যাতে রাজবাড়িতে এসে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, সে জন্য গোপন দরজায় প্রদর্শনযোগ্য সিলমোহরের একটি অঙ্গুরি প্রদান করেন। দুজন সম্ভাব্য রাজা পেয়ে যাওয়ায় চাণক্য তাঁদের মধ্যে কে বেশি যোগ্য, তার পরীক্ষা নিতে চাইলেন। দুজনকে দুটো উলের সুতোয় বোনা গলাবন্ধ উপহার দিলেন। একদিন বালক চন্দ্রগুপ্ত গলাবন্ধ পরিহিত অবস্থায় ঘুমোচ্ছিলেন, চাণক্য পর্বতকে বললেন, এটি না ছিঁড়ে এবং চন্দ্রগুপ্তকে না জানিয়ে গলাবন্ধটি বের করে আনতে হবে। যুবরাজ ব্যর্থ হলেন। কিছুদিন পর একই দায়িত্ব দেওয়া হলো চন্দ্রগুপ্তকে। চন্দ্রগুপ্ত ঘুমন্ত অবস্থায় পর্বতের গলা কেটে মস্তক বিচ্ছিন্ন করে গলাবন্ধ বের করে আনলেন। চাণক্য এতে চন্দ্রগুপ্তকে শাস্তি না দিয়ে তাঁর সাহসিকতায় অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন, তুমি রাজকুমারকে হত্যা করলে?

    চন্দ্রগুপ্ত সঙ্গে সঙ্গে বললেন, সম্ভাব্য রাজার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকতে নেই।

    চাণক্য বুঝতে পারলেন, এই বালকই রাজা হওয়ার উপযুক্ত। তিনি তাঁকে সাত বছর যাবৎ নানা শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুললেন। পাশাপাশি তরবারি চালনার প্রশিক্ষণ দিলেন। এ সময়ে চাণক্য অর্থ সংগ্রহে তৎপর হয়ে উঠলেন। রাজার বিরুদ্ধে হবু রাজার যুদ্ধের জন্য অর্থের প্রয়োজন, সৈন্যবল প্রয়োজন, তিনি জঙ্গলে আত্মগোপন করে থাকা অবস্থায়ই আশি কোটি স্বর্ণমুদ্রা তৈরি করে জঙ্গলের ভেতর মাটির নিচে লুকিয়ে রাখলেন। চন্দ্রগুপ্ত রাজা হওয়ার উপযুক্ত হয়ে উঠলে মাটির নিচ থেকে ক্রমান্বয়ে স্বর্ণমুদ্রা বের করে আনলেন এবং শক্তিশালী এক সেনাবাহিনী গঠন করলেন।

    বিরাট সেনাবাহিনী নিয়ে চাণক্য চন্দ্রগুপ্তের নেতৃত্বে নন্দরাজ্য আক্রমণ করলেন। কিন্তু সাংঘাতিকভাবে পরাজিত হলেন। প্রচুর সৈন্য হতাহত হলো, বাকিরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেল। চাণক্য হতাশ হয়ে চন্দ্রগুপ্তকে নিয়ে ছদ্মবেশে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ালেন। শোচনীয়ভাবে পরাজয়ের কারণ খুঁজলেন। ব্যর্থতার স্বরূপ উদ্‌ঘাটন করতে চেষ্টা করলেন। কিন্তু পারলেন না। ভাগ্যকেই দায়ী করলেন দুজন। ঘুরে বেড়ানোর কালে একদিন এক মহিলার সঙ্গে তাঁর ছেলের কথোপকথন শুনতে পেলেন। মহিলা বলছেন, তুই রুটির মাঝখান দিয়ে খাচ্ছিস কেন? বোকা চাণক্য এভাবে মাঝখান দিয়ে নন্দরাজ্য আক্রমণ করেছিল বলে পরাজিত হয়েছে। সবকিছুই একদিক দিয়ে শুরু করতে হয়। ওদের উচিত ছিল সীমান্তের গ্রাম থেকে আক্রমণ শুরু করা। তোরও উচিত ছিল রুটির এক প্রান্ত থেকে খাওয়া শুরু করা।

    চাণক্য ও চন্দ্রগুপ্ত তাঁদের ভুল বুঝতে পারলেন। আবার সৈন্য সংগ্রহ করলেন এবং সেনাবাহিনী পুনর্গঠন করে সীমান্ত গ্রাম থেকে আক্রমণ করে নন্দরাজের বিরুদ্ধে জয়লাভ করলেন। মৌর্য সাম্রাজ্যের ভিত্তি এভাবেই রচিত হলো। এ কথা সম্রাটের ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই চাণক্যের প্রতি তাঁর সমীহভাব সব সময়ই আছে।

    সম্রাট তক্ষশীলার বাহ্যিক সৌন্দর্যেও মুগ্ধ হলেন। পাহাড়ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশ পাথুরে অবকাঠামোর সঙ্গে এখানে কোনো বিরোধ বাধায় নি। বরং নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিরা যেন পাহাড়কে বান্ধব মেনেই ভূমি ও অবকাঠামো-নকশা প্রণয়ন করেছেন। পুরপ্রকৌশলীদের মেধা ও মনন খাটিয়ে যে নির্মাণশৈলী তৈরি হলো, তা এককথায় চমৎকার। এখানে বিদ্যার ভারী ও সমুন্নত বিস্তার পাহাড়ের গাম্ভীর্যের সঙ্গে বুক মিলিয়েছে। প্রাসাদের পীঠ হেলান দিয়ে আছে পাহাড়ের কোলে। সবুজ পাহাড় নীল আকাশের ছাদকে ছুঁয়ে উপভোগ করছে মৌসুমি বাতাসের বেসামাল দোলাচল। তার মধ্যে মানবীর মূর্তি পাওয়া ভেসে যাওয়া দু-চার খণ্ড সাদা মেঘ যেন ওড়নার মতো উড়ছে। কালিদাস এ দৃশ্য দেখলে হয়তো লিখতেন, শ্বেতাম্বর ধরে আছে শিথিল হাতে যেন তেমনি উড়ে যাচ্ছে মেঘের পাল, রক্ষা করো সখা বক্ষ দিগম্বরে জড়িয়ে দিয়ে নীল বস্ত্রাবাস।

    সম্রাটকে নিয়ে চাণক্য সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন। প্রাদেশিক রাজধানীর এই সভাকক্ষ ঐতিহ্যমণ্ডিত। গান্ধারা রাজ্যের শান-শওকত এখনো বেশ বর্তমান। চোখধাঁধানো। সভাকক্ষে ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন প্রদেশ পাল, নাগরিকা, অস্তপাল, দৌবারিক, প্রশাসক, পৌরব্য বাহরিক, কর্মান্তিক, গোপ, প্রদেশত্রি, অধ্যক্ষবৃন্দ আর ব্যবসায়ী নেতৃবর্গ।

    প্রদেশপাল উপস্থিত ব্যক্তিবর্গকে সম্রাটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, মহামান্য সম্রাট, তক্ষশীলা যোগাযোগের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে এখানে কোটি কোটি স্বর্ণমুদ্রা আয় হয়, যা রাজকোষে পাঠানো হয়। যে ব্যবসায়ীরা এখানে উপস্থিত হয়েছেন, এঁরা শুধু মগধ নয়, সারা ভারতবর্ষের বাইরে ব্যবসা করেন। এঁরা মহামান্য সম্রাটকে তাঁদের কৃতজ্ঞতার কথা জানাবেন, ব্যবসায়িক সুবিধা-অসুবিধার কথা বলবেন।

    রাজা চাণক্যের দিকে তাকালেন। চাণক্য বললেন, এঁরা নিশ্চয়ই মহামান্য সম্রাটকে কৃতজ্ঞতা জানাবেন। তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার কথা আমরা জানি। তা দেখা হবে। তবে আমরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সততা আশা করব। কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে অর্থসম্পর্কিত অপরাধের একটি দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। এতে বলা হয়েছে, একদল ব্যবসায়ী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পদ্ধতিগতভাবে প্রজাদের স্বার্থ ও স্বাচ্ছন্দ্য নষ্ট করে। প্রদেশত্রি (ম্যাজিস্ট্রেট) তাদের দলগতভাবে কঠোর শাস্তি দেন। আমরা এ রকমটি আর চাই না। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমরা একটি প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে চেয়েছি। কৃষিসম্পদ, প্রাণিসম্পদ, বনজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ প্রভৃতির ব্যবসায়িক দায়িত্ব সরকারি, বেসরকারি যৌথ এবং এককভাবে পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। উৎপাদন ও প্রস্তুতকরণের বেলায়ও সুযোগটি একইভাবে দেওয়া আছে। যেসব বিধিবিধানের আলোকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িক এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালাচ্ছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও সেসব বিধিবিধানের আলোকেই চলছে। তবে তাদের কর দিতে হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানকে কর দিতে হয় না। খনিজ সম্পদ রাষ্ট্রের, কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এগুলো বন্দোবস্ত নিতে পারে। ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব, অধ্যক্ষ ও রাজকর্মচারীগণ তা দেখছে।

    আপনারা যে বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান, তা নিশ্চয়ই কর ব্যবস্থা। রাষ্ট্র চালানোর জন্য কর ধার্য করার বিকল্প নেই। সেনাবাহিনী পোষণ, রাজকর্মচারীর বেতন, রাজকীয় খরচ প্রভৃতি কাজে কর লাগে। তবে কর ধার্য হতে হবে ন্যায়সংগতভাবে। আমরা করের পরিমাণ, কোন মানদণ্ডে কর ধার্য করা হবে, আদায় নিশ্চিতকরণ বা কীভাবে হিসাব করা হবে, সুবিধাজনকভাবে প্রদান করা যাবে কি না, কর প্রশাসন ন্যায়সংগত কম খরচে কর আদায় নিশ্চিত করছে কি না, অবিকৃত ও প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কি না, এসব নিশ্চিত করব। কর অবশ্যই আদায় করা হবে পরিপক্ব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে। কৃষিক্ষেত্রে কর ১৬.৬৭ শতাংশ। দুর্ভিক্ষ, দুর্যোগ, নতুন আবাদ কিংবা যুদ্ধবিধ্বস্ত ফসলের কোনো কর নেওয়া হবে না। সেচ ও অপরাপর জলজ কাজের জন্য পাঁচ বছর কর রেয়াতের ব্যবস্থা আছে, মঠ ও গুরুকুল ভূমির কর সব সময়ের জন্য মওকুফ থাকবে। কোনো জরিমানাও নেই। কিছু ব্যবসায়ী ও প্রক্রিয়াকারী প্রতিষ্ঠান একই রকম কর প্রদান করবে। শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের দেশে বা দেশের বাইরে অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের পর বিজ্ঞাপিত হারে ১০-১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। এই কর উৎপাদিত বস্তুসামগ্রী, শ্রম অথবা নগদ অর্থে পরিশোধ করা যাবে।

    ব্যবসায়ী নেতারা চাণক্যের বক্তব্যের পর কী বলবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। দাঁড়িয়ে শুধু কৃতজ্ঞতা জানালেন। কারণ, করের হার এত কম হবে, ভাবতেই পারেন নি।

    সম্রাট বললেন, ন্যায়সংগত করারোপ রাজাকে কল্যাণকামী প্রমাণ করে এবং রাজা তাতে প্রজাদের সমর্থন লাভ করেন। আমরা রাজ্যে প্রজাদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষা করতে চাই। আমরা বহিঃশক্তির আক্রমণ থেকে দেশকে বাঁচাতে চাই এবং ভারতবর্ষ থেকে তাদের তাড়াতে চাই। তাই প্রজাদের সহযোগিতা দরকার। আমার কাছে জনগণের শক্তির চেয়ে অন্য কোনো শক্তি বড় নয়। বিশ্বাস ও আস্থার ওপর জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নির্ভর করে। আমরা বিশ্বের কাছে রাজা ও প্রজার সম্পর্কের নতুন ধ্যানধারণা তুলে ধরতে চাই। এই লক্ষ্যে আমার নতুন প্রশাসন কাজ করছে। আমি একজন যোগ্য ও বহুমাত্রিক গুণসম্পন্ন মুখ্যমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দিয়ে শক্তিশালী প্রশাসন গড়ে তুলবেন, সে ক্ষমতা আমি তাঁকে দিয়েছি। আপনারাও সহযোগিতা করবেন।

    রাজার দীর্ঘায়ু কামনা করে ব্যবসায়ীরা বিদায় নিলে রাজা বিশ্রামের জন্য গান্ধারাদের প্রাচীন রাজপ্রাসাদে গমন করলেন। বিশ্রামকালে হঠাৎই তাঁর মনে হলো, তিনি ছদ্মবেশে প্রজাদের অবস্থা দেখবেন, তাঁর নিজের রাজকর্মচারীদের কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করবেন, প্রজারা তাঁর সম্পর্কে কী ভাবছে এবং ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের ঠকাচ্ছে কি না, তা নিজের চোখে দেখবেন।

    চাণক্য রাজার ইচ্ছার কথা শুনে সেভাবে সবাইকে প্রস্তুতি নিতে বললেন। তিনি নিজের কক্ষে গিয়ে পাচক জনান্তিকে ডেকে পাঠালেন। বললেন, আমি তোমার পাকশালায় যাব, পাকের কী ব্যবস্থা, নিজে দেখে আসব। সেখানে চাণক্য রাজার খাবারের সঙ্গে বিষ মেশালেন। তা দেখে পাচকের গলা শুকিয়ে গেল। সে ঘামতে শুরু করেছে। তা দেখে চাণক্য শাসনের স্বরে গলা চেপে বললেন, এ কথা দ্বিতীয় কেউ জানলে তোমার শিরশ্ছেদ করা হবে। চাণক্য রন্ধনশালা থেকে চলে গেলে পাচক কাঁপতে কাঁপতে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলে। তাকে চিকিৎসার জন্য চরকের শিষ্যের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। চরক বিখ্যাত চিকিৎসক। তক্ষশীলায় অধ্যয়ন করেছেন, এখানে অধ্যাপনাও করেন চিকিৎসাশাস্ত্রে।

    চরকের চিকিৎসায় পাচক সংবিৎ ফিরে পেল। তবে শারীরিক দুর্বলতার জন্য চিকিৎসক তাকে ঘুমের ওষুধ সেবন করালেন। ঘুমোতে যাওয়ার আগে সে মিথ্যে করে চরকশিষ্যকে বলল, আমি স্বপ্নে দেখেছি, রাজার হস্তী ধুতুরা ফল খেয়ে ফেলেছে। আপনি রাজার দিকে খেয়াল রাখবেন।

    তার স্বপ্নের কথা শুনে চরকশিষ্য হেসে দিলেন। আগামীকালের অনুষ্ঠানে নিশ্চয় রাজার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘটবে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }