Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৮৯

    ৮৯

    বসন্ত উৎসবের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান ভারতীয় উচ্চাঙ্গসংগীত। এর উদ্যোক্তা স্বয়ং সম্রাজ্ঞী। তাই মহা আয়োজন। উৎসাহের কমতি নেই কারও। সুবন্ধু খুব তৎপর। নামকরা ভারতীয় সংগীতগুরুরা অংশ নিতে এসেছেন। মজার ব্যাপার, আরও একজন চীনা পরিব্রাজক এসেছেন পাটালিপুত্রে। তাঁর পরিচয় বিবরণীতে এক জায়গায় লেখা হয়েছে শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী। তার জন্য প্রদেয় মোহরযুক্ত অনুমতিপত্রেও এর উল্লেখ রয়েছে। মুদ্রাধ্যক্ষ তথ্যটি সুবন্ধুকে দিয়েছেন। সুবন্ধু সম্রাজ্ঞীকে বলে তাঁকে বসন্ত উৎসবে সংগীত পরিবেশন করতে অনুরোধ জানিয়েছেন। নিখিল পাতার বাঁশি বাজাবে। মুড ভালো থাকলে বাঁশের বাঁশিও বাজাতে পারে।

    ভারতীয় উপমহাদেশে শাস্ত্রীয় বা উচ্চাঙ্গসংগীতের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। সিন্ধু (উপত্যকা) সভ্যতার নিদর্শনগুলোর মধ্যে সপ্তছিদ্রবিশিষ্ট বাঁশি এবং বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র রয়েছে। তাতে মনে হয় সে সময় গীতবাদ্যের প্রচলন ছিল। বৈদিক যুগের শ্যামবেদ থেকে জানা যায় উপাসনাসংগীতের কথা। ঋকবেদেও এর উল্লেখ আছে। পরবর্তীকালে নাট্যশাস্ত্রে নাটক ও নৃত্যের পাশাপাশি সংগীতের কথা বলা হয়েছে। এসবের সূত্র ধরেই আচার্য চাণক্য ভারতীয় ধ্রুপদি সংগীত সম্পর্কে দিদাইমেইয়াকে ধারণা দিচ্ছিলেন।

    শিল্পীগুরুদের আসার অপেক্ষা। সম্রাট-সম্রাজ্ঞীসহ দেশি-বিদেশি অতিথিবৃন্দ এসে গেছেন। দিদাইমেইয়া এ সুযোগে গ্রিক ধ্রুপদি সংগীত সম্পর্কে দু-চার কথা বললেন। তার আগে বিস্ময় প্রকাশ করলেন এই বলে যে এ দেশে শিল্পী-সাধকদের বড় মর্যাদা রয়েছে। সম্রাট-সম্রাজ্ঞীও তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছেন।

    আচার্য ভদ্রবাহু বললেন, ঐশ্বরিক ক্ষমতা যাঁদের রয়েছে, তাঁরা এ সম্মান, মর্যাদা, শ্রদ্ধা পাওয়ার অধিকারী। বলছিলেন গ্রিক ধ্রুপদি সংগীতের কথা।

    দেবরাজ জিউসের কন্যা মিউসের নাম থেকে মিউজিক নামটা এসেছে। তিনি সহনশীল শিল্প-সাহিত্যের দেবী। গ্রিক সমাজে মিউজিক বলতে সম্পূর্ণ শিক্ষাকে বোঝায়। আমরা যে দেববংশের সন্তান, সে অ্যাপোলো গান করেন। কচ্ছপের খোল দিয়ে তৈরি বীণা বাজান তিনি। দেবতা হারমিজের কাছ থেকে এমফোনিয়ন সংগীত শেখেন।

    আমাদের হারমিজ মনে হয় সংগীতের ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। আচার্য ভদ্রবাহুর কথায় সায় দিয়ে দিদাইমেইয়া বললেন, এ কথায় পরে আসছি। আগে অ্যাপোলোর কথা শেষ করি। দেবতা হারমিজ অ্যাপোলোকে কচ্ছপের খোলের মতো স্বর্ণনির্মিত এক লইয়ার (বীণা) বাজিয়ে শোনান। বীণার সুরে পাথর পর্যন্ত নড়তে-চড়তে শুরু করে। আসলে হারমিজ অ্যাপোলোর মহত্ত্ববাচক নিবেদনসংগীত গাইছিলেন। কারণ আছে। আরেক দেবতা মারসেয়াস একবার অ্যাপোলোকে চ্যালেঞ্জ করছিলেন যে গান গেয়ে অ্যাপোলোকে তিনি হারিয়ে দেবেন। অ্যাপোলো বললেন, হেরে গেলে তোমাকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। মারসেয়াস চ্যালেঞ্জ থেকে সরে আসেন নি। তাই সংগীত প্রতিযোগিতা হলো। বিচারক জিউস-কন্যা মিউজেস। প্রতিযোগিতায় মারসেয়াস হেরে যান। শাস্তিস্বরূপ মারসেয়াসের দৈহিক রূপান্তর ঘটে (রোমান কবি ওভিদ এ কাহিনি এবং দেফানের কাহিনি নিয়ে ‘মেটামরফোসিস’ মহাকাব্য রচনা করেন: সময় খ্রিষ্টপূর্ব ৪৩)। আমরা তো মহাসংগীতগুরু অর্ফিয়াসের কথা জানি। তাঁর সংগীত বন্য পশুপাখি পর্যন্ত নীরব-নিঃশব্দে শুনত। আর আমাদের হারমিজ, সে সব ঐতিহ্যের ব্যাপারগুলোর সঙ্গেই যুক্ত। অ্যাপোলোকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা সংগীত সে-ও গাইতে পারে। আপনাদের আয়োজনটা এত বড় যে এটা তার জন্য মানানসই নয়, পরে আপনাদের সে নিশ্চয়ই গান শোনাবে। দারুণ কিছু কথা জানলাম আমরা, বললেন চাণক্য। এরই মধ্যে একজন সংগীতগুরু উপস্থিত হয়েছেন মঞ্চে। ভারতীয় রীতি অনুযায়ী সংগীতগুরুদের নাম নিতে হয় না, নিলে কর্ণ স্পর্শ করতে হয়। তাই আমরাও তা থেকে বিরত থাকলাম।

    তিনি এসেছেন ঐতিহ্যবাহী একটি বাদ্যযন্ত্র নিয়ে। নাম রাবণাহাথা। এটা একধরনের বীণা। তিনি প্রথমে গলা সাধলেন। পরে রাগসংগীত শুরু করলেন। সঙ্গে তবলাজাতীয় একটা বাদ্যযন্ত্ৰ সংগত করতে শুরু করলেন এক সাধকগুরু। ক্রমে জমে উঠল আসর। সুরের অতল সমুদ্রে প্রবেশ করল সবাই।

    হেলেন একপর্যায়ে বললেন, কন্ঠের সঙ্গে একেবারে মিলে যাচ্ছে সংগীতযন্ত্রটার সুর। অদ্ভুত এক উদ্ভাবন।

    চন্দ্রগুপ্ত বললেন, তার একটা ইতিহাস আছে।

    কী ইতিহাস?

    রাবণ এই বাদ্যযন্ত্রটা ব্যবহার করতেন।

    রামায়ণের রাবণ?

    হ্যাঁ, তাঁর নামেই এই বাদ্যযন্ত্রের নাম। রাবণ এই বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে দেবতা শিবের আরাধনা করতেন। রামের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পর রাম ও হনুমান বাদ্যযন্ত্রটা উত্তর ভারতে নিয়ে আসেন।

    অদ্ভুত ব্যাপার! এ রকম একজন সংগীতপ্রেমী রাজার বিরুদ্ধে পরস্ত্রী হরণের অভিযোগ?

    আসলে কী ঘটেছিল, এখন আর তা বলার উপায় নেই। মহাকবি বাল্মীকিই ভালো জানেন।

    অসাধারণ গাইছেন সংগীতগুরু। বাজাচ্ছেন ‘জলবৎ তরলং’। হৃদয় স্পর্শ করে যাচ্ছে। ভারতীয় ধ্রুপদি সংগীতের এমন সুর অন্তর না স্পর্শ করে পারে না।

    আচার্য ভদ্রবাহুর পাশে বসে আছে নিকোমেডেসরা। ভদ্রবাহু বললেন, রাগসংগীত কি তোমাদের পছন্দ?

    নিকোমেডেস বলল, তরুণ কিংবা যুবকদের সংগীত যে রাগসংগীত নয়, তা স্পষ্ট। তবে আমরা দুজনই পছন্দ করি। এ পছন্দটা মিসরে অবস্থানের জন্য হয়েছে। ফারাও সম্রাটরা সংগীত পছন্দ করেন। লোকজন বিশ্বাস করে, এদের সংগীতের দেব-দেবী রয়েছে। দেবতা হচ্ছে বেস আর দেবী হাযোর। সংগীতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে মিসরীয়দের জীবনে। সমাজ-ধর্ম সর্বত্র আপনি গির্জায় যাবেন—সংগীত, প্রাসাদে যাবেন—সংগীত, কবরস্থানেও সংগীত। বাদ্যযন্ত্রগুলো অদ্ভুত। অর্কেস্ট্রায় এরাই বোধ হয় সেরা। হাজার হাজার বছর ধরে যে সংগীতের চর্চা আছে, পিরামিডের ভেতরকার চিত্রগুলো তার প্রমাণ। রাজ-উপত্যকা একটি চমৎকার সংগীত। ‘রণসংগীত’ বিজয়ী সৈনিকদের প্রচণ্ডভাবে উজ্জীবিত করে। অন্ধকারসংগীত কিংবা ক্রিপী সংগীত, যেন মমি থেকে বের হয়ে আসছে একটা সকরুণ সুর। তাই একে মমিসংগীতও বলে। এ রকম শত শত সংগীত আছে এদের। সমৃদ্ধি যখন আসে, সবদিক থেকে আসে। মিসরীয় সভ্যতা তার প্ৰমাণ।

    একসময় ধীরলয় দ্রুতলয়ে রূপ নেয় এবং মুনশিয়ানার সঙ্গে গুরু সংগীত শেষ করেন। দুই ঘণ্টাব্যাপী গাওয়া সংগীত শেষ করে বাদ্যযন্ত্রটি কাঁধ থেকে নামিয়ে রেখে সংগীতগুরু বিনয়ের সঙ্গে হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে সবার প্রতি প্রণতি জানালেন। সম্রাট দাঁড়ালেন, সম্রাজ্ঞী দাঁড়ালেন, দেখাদেখি সবাই দাঁড়াল, সম্রাট এগিয়ে গিয়ে নিজের গলা থেকে খুলে সাতনলি মুক্তোর মালা সংগীতগুরুর গলায় পরিয়ে দিলেন। হাততালিতে চারদিক মুখরিত হয়ে উঠল।

    এবারে চীনা শিল্পীর পরিবেশনা। তিনি দোভাষীর মাধ্যমে চীনা ধ্রুপদি সংগীত সম্পর্কে দু- চার কথা বললেন। ঝু সম্রাটদের আমল (১১২২-২৫৬ খ্রিষ্টপূর্ব) থেকে চীনে ধ্রুপদি সংগীত চালু হয়ে আসছে। লিং লুন হচ্ছেন এ সংগীতের উদ্ভাবক। ঝুদের হলুদ সম্রাটের অনুরোধে লুন এ সংগীতের প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসেন। প্রচলিত সংগীতেরই তিনি একটা অভিজাত রূপ দেন, যাকে বলা হয় ইয়াইয়ু। কনফুসিয়াস তাঁর সাধনায় একে সর্বজনীন রূপ দিয়ে ‘শি ঝিং’ পর্যায়ে নিয়ে আসেন। বাঁশের বাঁশি এবং কিন বা জুকিন (কুন) হচ্ছে সর্বপ্রাচীন বাদ্যযন্ত্র। মাটি খুঁড়ে ছয় হাজার বছর আগের একটি হাড়ের বাঁশি পাওয়া গেছে, যাতে বারোটি ছিদ্র বা টিউন আছে। আমি এ দুটো বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে গান করব। তবে গানটি ঝেনসংগীত হিসেবে প্রচলিত।

    শিল্পী প্রথমে বাঁশিতে ফুঁ দিলেন। স্তব্ধ হয়ে গেল চারদিক। বাঁশি যেন কোথায় নিয়ে গেল সবাইকে। সেখানে জুকিনের টুং টং সুরেলা শব্দ হতে থাকল কিছুক্ষণ। শিল্পী আবার ফিরে গেলেন বাঁশিতে। বাঁশি শেষে কণ্ঠ সাধলেন রাগ ধ্রুপদ ইয়ামানে। তারপর আবার বাঁশি। আবার জুকিন। সম্রাট-সম্রাজ্ঞী বুঝতে পারলেন না শিল্পী কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন তাঁদেরকে। আচার্য দুজন চোখ বন্ধ করে অন্য জগতে পৌঁছে গেছেন। তাঁদের অন্তরই যেন বেশি স্পর্শ করতে পেরেছেন চীনা শিল্পী।

    মেগাস্থিনিস এ মোহময় সংগীতের গভীরতায় ডুব দিয়ে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন শর্মিলার দিকে। মূর্ত-বিমূর্ত শিল্পে তিনি আত্মহারা। শর্মিলা তাঁর গুরুর মতো চোখ বুজে সংগীতসুধা পান করছেন।

    ফাওলিন নিকোমেডেসকে বলল, সুরটা ‘রাজ-উপত্যকা’র মতো শোনাচ্ছে না?

    আমারও তা-ই মনে হচ্ছিল।

    হারমিজ তার মাকে বলল, এ সংগীতটা শিখব, মা।

    লাউডিস বলল, বেশ, তা-ই হবে।

    দিদাইমেইয়া তন্ময় হয়ে শুনছিলেন। বললেন, অ্যাপোলোর স্তুতির মতো শোনাচ্ছে। সংগীতের একটা বিশ্বজনীন রূপ আছে।

    ভদ্ৰবাহু চোখ খুলে বললেন, আমারও সে কথা মনে হচ্ছে!

    এ সংগীত শুনতে শুনতে হেলেন একটা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে গেলেন। নিখিলের বাঁশি এখন কে শুনবে? তাকে এই বাসন্তী উৎসবে বাঁশি বাজাতে দেবেন, নাকি দেবেন না। সম্রাটের সঙ্গে পরামর্শ করতে চান না। সিদ্ধান্তটা একাই নিতে হচ্ছে। তাঁর নির্বাচিত শিল্পী নিখিল। মরুভূমি আর এটা তো এক জায়গা নয়। নিখিলের অসফলতা তাঁরই ব্যর্থতা। সুবন্ধুকে চোখের ইশারায় ডাকলেন। সুবন্ধু বললেন, ব্যাপারটা কেমন হবে বুঝতে পারছি না, সম্রাজ্ঞী। তবে তাকে মোটেও হতোদ্যম বলে মনে হচ্ছে না। সে চীনা সংগীত শুনে যেন আরও উজ্জীবিত।

    সম্রাজ্ঞী বললেন, পাগলাটে তো, কারণ বোধ হয় তাই। পটশিল্পী অনুষ্ঠানের ছবি এঁকে যাচ্ছিল। পাশে মঞ্চ শিল্পী ভবদানব। দুজন ব্যাপারটা আঁচ করছে। নিখিলকে বলল, কঠিন পরিস্থিতি, নিখিল।

    কঠিন নয়, অনেক সহজ, বলল নিখিল। অনুষ্ঠানটা প্রতিযোগিতার নয়। কিন্তু সে রকমই মনে করছে মৌর্যদের সবাই। আর তাদের প্রতিযোগীর দায়িত্ব পড়েছে যেন নিখিলের ঘাড়ে। নিখিল তা মনে করছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। সে শুধু বাজাতে চায়।

    সুবন্ধু তখনো সম্রাজ্ঞীর আদেশের অপেক্ষায়। অবশেষে আদেশ পাওয়া গেল। সম্রাজ্ঞী বললেন, বাজাক।

    চীনা শিল্পী এবার বাঁশের পরিবর্তে হাড়ের বাঁশি বাজাতে শুরু করলেন। যেন এক জাদুকরি সুর এ বাঁশির।

    বাঁশের বাঁশি শুনে সবাই অভ্যস্ত। ছয় হাজার বছর আগের বাঁশির অনুকরণে তৈরি এটি। বারোটি ছিদ্র। অবলীলায় বাজাচ্ছেন শিল্পী। অবাক হওয়ার পাশাপাশি বিমোহিত সব শ্রোতা।

    নিখিলের বিস্ময় সবচেয়ে বেশি। সে এদিক-সেদিক থেকে কাত হয়ে, সোজা হয়ে তাকাচ্ছে বাঁশিটির দিকে। সম্ভব হলে একবার ছুঁয়ে দেখবে, শুধু দেখবে কেন, একবার বাজিয়েও দেখতে চায়।

    তা দেখে সুবন্ধু ভাবলেন, পাগলটা এমন পাগলামি করছে কেন? হঠাৎই বলে বসবে না তো, না, আমি এখানে বাজাব না। উৎকণ্ঠায় আছেন তিনি।

    না, পাগল তা করল না। চীনা শিল্পীকে সম্রাট গলা থেকে হার খুলে পরিয়ে দেওয়া এবং আজীবন মৌর্য সাম্রাজ্যে থাকার মতো সম্মান দেওয়ার পর নিখিলের নাম উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই সে মঞ্চে হাজির হলো।

    তার পোশাক-আশাক রাজকীয়। ভাবভঙ্গির মধ্যেও শিল্পীদের সহজাত মনোভাব মূর্ত। পাতার বাঁশিটাই প্রথম নিল সে। দুই ঠোঁটে আবদ্ধ করে ফুঁ দিল। কিন্তু অ্যাবসার্ড নাটকের কুশীলবের মতো অভিনয়ই হলো, বাঁশি বেজে উঠল না। অবশ্য তাতে কোনো ক্ষতি হয় নি, দর্শক-শ্রোতারা ভাবলেন, শিল্পী ধুনের আগে বাদ্যযন্ত্র পরীক্ষা করে নিচ্ছেন। নিখিল এই পাতার বাঁশিটা বদলে আরেকটা পাতার বাঁশি নিয়ে বাজানোর চেষ্টা করল। এতে ফুটো ছিল না, বাতাস তাকে সহায়তা করল। উত্তেজনায় প্রথমে বেসুরো মনে হলেও পরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলো সম্পূর্ণভাবে।

    এবার চীনা শিল্পীর বিস্ময়। পাতা দিয়ে এমন বাঁশি বাজানো যায়! বাঁশি মানুষকে মুগ্ধ করে, আবেগাপ্লুত করে। বাঁশির সঙ্গে সম্পর্কটা বোধ হয় হিমযুগ থেকে। মানুষ সুরের সন্ধান কীভাবে পেয়েছিল, কে জানে। মনে হয় সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে বাঁশি মানুষের সঙ্গে আছে। চীনের উয়াং প্রদেশের জিয়াহু গ্রামে পাওয়া আট হাজার বছর আগের হাড়ের বাঁশি এবং সিন্ধু সভ্যতার সপ্তছিদ্রের বাঁশিই তা প্রমাণ করে। পাতার বাঁশির বয়স হয়তো তার চেয়েও বেশি। কোনো আদিম মানব, বাচ্চা বয়সীও হতে পারে, পাতা ছিঁড়ে ভাঁজ করে ফুঁ দিতেই তা বেজে ওঠে। তা দেখে কেউ হয়তো তাতে সুর বেঁধে দেয়। একটুকরো গাছের বাকল কিংবা পশুচামড়া পরিহিত একজন আদিম শিকারি মানুষ শিকারের বল্লম বা পাথর-অস্ত্র পাশে রেখে পাতার বাঁশি বাজাচ্ছে, কল্পনা করতেই ভালো লাগছে। দৃশ্যটাও অদ্ভুত।

    বাঁশি সুপ্রাচীনকাল থেকেই মানবসভ্যতা ও ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। শ্রীকৃষ্ণ বাজান প্রেমের বাঁশি। নিরো বাজান ধ্বংসের বাঁশি, রোজ কেয়ামত শুরু হবে ইস্রাফিলের শিঙার শব্দ শুনে। হয়তো আরও অনেক ধর্ম বা লোকবিশ্বাসের সঙ্গে বাঁশি জড়িয়ে আছে।

    মহামন্ত্রী চাণক্য নিখিলের ভক্ত। আগে তিনি সংগীত জিনিসটা পছন্দই করতেন না। নিখিল বাঁশির মাধ্যমে তাঁকে সংগীতপ্রেমী করে তুলেছে। ভদ্রবাহুকে উদ্দেশ করে বললেন, আচার্য, দেখুন পাতার কী গুণ। শ্রীকৃষ্ণ বোধ হয় এ বাঁশিতেই রাধাকে পাগল ও গৃহছাড়া করেছিলেন।

    কিন্তু আমরা জানি বাঁশের বাঁশি বাজাতেন ব্রজের নাগর, বললেন ভদ্ৰবাহু।

    দুটোই হতে পারে।

    নিখিল ভূমিকাটা করেছে পাতার বাঁশি দিয়ে। মূল ধুনে বাঁশের বাঁশি বাজাতে গিয়ে প্রথমে হোঁচট খেলো। কোথায় ভুল হচ্ছে, বুঝতেও পারল না। সম্রাট আর সম্রাজ্ঞী মুখ-চাওয়াচাওয়ি করলেন। কিছুটা আহত হলেন চাণক্যও। তবে বেশি দুঃখ পেল তার দুই বন্ধু মঞ্চ নির্মাতা ও পটশিল্পী। তাদের উৎকণ্ঠা ও উত্তেজনা আফসোসের পর্যায়ে। ভবদানব বলল, চুল ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছা হচ্ছে। গাধাটা করছেটা কী!

    আমারও খারাপ লাগছে, বলল পটশিল্পী। আমি তার (নিখিল) একটি চমৎকার ছবি আঁকতে চেয়েছিলাম। সে বাঁশি বাজাবে, আমি ছবি আঁকব। এখন খুব কষ্ট হচ্ছে।

    শর্মিলাকে মেগাস্থিনিস বললেন, ওই দুই শিল্পীর পর তাকে পারফর্ম করতে দেওয়া ঠিক হয় নি। কারণ, সব ভালো তার, শেষ ভালো যার। সে ভালো না বাজাতে পারলে চীনা শিল্পীকে বলব আবার বাজাতে।

    সবচেয়ে বেশি উৎকণ্ঠিত সুবন্ধু। তার ভাগ্যে কী আছে, কে জানে।

    সবাইকে অবাক করে দিয়ে নিখিল বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে সুর তুলল। এবার বায়ু তার নিয়ন্ত্রণে, সুর স্বাভাবিকভাবে আসছে। সে আস্তে আস্তে জবরদস্ত ওস্তাদি কায়দায় বাঁশি বাজাতে শুরু করল। সে আগে যেসব সুর বাজিয়েছে, আজকেরটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বসন্তরাগে বাজাচ্ছে সে।

    ভদ্রবাহু বললেন, নিখিল আসলেই প্রতিভাধর।

    সে আমার আস্থা এমনি এমনি অর্জন করে নি, বললেন চাণক্য। যোগ করলেন, আহা, এমন সুর যদি ধরে রাখা যেত।

    একদিন হয়তো ব্যবস্থা হবে, তখন আমরা থাকব না, বলে ভদ্রবাহু অঙ্গুলি দিয়ে দেখালেন, দেখুন দেখুন, চীনা শিল্পী টুংটাং জুকিন সংগত করছেন। হয়তো মনের অজান্তেই ভারতীয় সংগীতগুরু নিখিলের কাছে এগিয়ে এলেন। নিখিলের কানে কানে বললেন, চমৎকার বাজাচ্ছ, ঈর্ষা হওয়ার কথা। কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে খাদের জায়গাগুলোয় রাবণাহাথাটা বাজাতে চাই।

    নিখিল মাথা নেড়ে সম্মতি দিল। কারণ, সংগীতগুরুর ভক্ত হয়ে গেছে সে।

    শুরু হলো বাঁশি আর রাবণাহাথার দ্বৈরথ। শ্রোতাদের শুধু মুগ্ধ নয়, পাগল করে তুললেন এঁরা। আচার্য ভদ্রবাহু বললেন, স্বর্গের কথা বলি আমরা, আচার্য, এই তো স্বৰ্গ।

    আমারও মনে হচ্ছে স্বর্গে আছি আমি।

    সম্রাটের চোখেমুখে উত্তেজনা। ভালো শিল্পী অন্তর স্পর্শ করে মানুষকে আবেগতাড়িত করে তোলে। কেউ কেউ উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, সম্রাট সে রকম একজন।

    সম্রাজ্ঞী বললেন, আপনার ভালো লাগছে না?

    অসাধারণ! কী বলব, বুঝতে পারছি না। হেলেন, তুমি এক জহুরি, সোনা চিনতে ভুল করো না, সোনা কী, এ তো হিরে। আমার সাম্রাজ্যে এমন হিরেও আছে, তা ভেবে উত্তেজিত আমি। সে যদি এখন মৌর্য সাম্রাজ্য চেয়ে বসে, দিয়ে দেব আমি।

    সম্রাজ্ঞী মজা করে বললেন, আমি যে খুঁজে বের করেছি, তার জন্য আমাকে কোনো কিছু দেবেন না?

    দিয়ে রেখেছি, আমার নিজেকে সম্পূর্ণ সমর্পণ করে দিয়েছি, নিজের চেয়ে মূল্যবান জিনিস আর কিছু নেই।

    দিদাইমেইয়া লাউডিসকে বললেন, নিখিলকে দিয়ে আমি অ্যাপোলোর মতো একটা বন্দনাসংগীত কম্পোজ করাব।

    অসাধারণ হবে, পিসি।

    শর্মিলাকে মেগাস্থিনিস বললেন, আমি ভুল বলেছিলাম। ও মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত একজন মস্ত শিল্পী।

    আপনি জানেন, ভুলের জন্য এখানে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হয়। আপনি ভুল স্বীকার করলে শাস্তি পেতে হবে।

    কী শাস্তি দেবে? আমার এই ক্ষমাহীন ভুলের জন্য শাস্তি পাওয়াই উচিত।

    কথা শুনে হেসে দিয়ে শর্মিলা বলল, কঠিন শাস্তি।

    নিকোমেডেস কম বয়সে গ্রিক-মিসরীয় সংগীতের অভিজ্ঞতা নিয়ে নিখিলের বাঁশি শুনে একেবারে স্তব্ধ। ফাওলিন বলল, তুমি এত চুপচাপ কেন?

    বিশ্বাস করো, কানকে বিশ্বাস করতে পারছি না। একদিন আগে প্লেটোর সংগীতবিষয়ক অভিযোগগুলো পড়ছিলাম। অভিযোগগুলো পাঠ করে আমার মনও তাঁর পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। যারা ভুলভাল সংগীত করছে, সংগীতের স্পিরিট অব লকে উপেক্ষা করছে, তাদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলাম। তিনি তাদের সংগীত-সন্ত্রাসী বলেছেন।

    ভুলভাল সংগীত করছে কারা?

    কতিপয় কবি, তাঁর ভাষায়, এরা কুসংগীতের মূল উদ্‌গাতা। গাইছে তরুণ প্রজন্মের শিল্পীরাই, যারা সংগীতের ব্যাকরণ জানে না। কিন্তু এরা যে ন্যাচারাল টেলেন্ট, প্লেটো তা স্বীকার করেন। বলেন, ওরা মনে করছে আনন্দ দেওয়াটাই মূল কথা, ভালো-মন্দ নয়।

    তাহলে ভালোটা কী?

    ব্যাকরণ মেনে চলা।

    আনন্দ দেওয়াটা মুখ্য নয়?

    নিখিলের বাঁশি শুনে আমার ধারণা পাল্টে গেছে। ন্যাচারাল টেলেন্টরাই পারে সবকিছু পাল্টে দিতে। রক্ষণশীল পণ্ডিতেরা কিছুই পাল্টাতে পারেন না। নিখিল আমাকে বুঝতে সাহায্য করেছে, নতুন প্রজন্মের ন্যাচারাল টেলেন্টরা আসলেই ঠিক করেছে। না হয় ভারতীয় সংগীতগুরু ও চীনের সংগীতপ্রতিভা তার সঙ্গে যুক্ত হতেন না।

    তুমি ঠিক ধরেছ।

    ধীরলয় থেকে দ্রুতলয়ে পৌঁছে গেছে সংগীত। তিনজনই মহাব্যস্ত। দর্শক-শ্রোতাদের উত্তেজনা তুঙ্গে। তাদের তনু-মন একাত্ম হয়ে গেছে সংগীতের সঙ্গে। এক স্বর্গীয় অনুভূতি ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। কোনো শব্দ নেই কারও মুখে। উপনিষদের সেই কথা ভদ্রবাহু উচ্চারণ করে বললেন, ‘মানুষ অমৃতের সন্তান’। সংগীত তার সঙ্গে আরেকবার যোগাযোগ তৈরি করে দিল।

    আচার্য চাণক্য বললেন, ঋকবেদ, তার আগে শ্যামবেদ সে রাস্তা তৈরি করে দিয়ে রেখেছে। সে মর্মবাণী আগে বুঝতে পারি নি। এখন যেন তাতে ভাসছি আমি।

    ততক্ষণে বাঁশি বাজানো শেষ হয়ে এসেছে। এখানেও একটু ওস্তাদি দেখিয়ে নিখিল শেষ করল বাঁশি।

    সবাই উঠে দাঁড়িয়ে গেল। নিকোমেডেস অস্ফুটে বলল, ন্যাচারাল টেলেন্ট। যেন সে বিজয়ী হয়েছে। শিল্পীরা সবাই এগিয়ে এসে তাকে অভিনন্দন জানালেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }