Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ১০৭

    ১০৭

    পথে বিরতি চাচ্ছিলেন চাণক্য। চন্দ্রগুপ্ত বললেন, কোনো বিরতি নয়, আচার্য। একটা বিশাল বহর যাচ্ছে সম্রাটের সঙ্গে। তাই যাত্রাবিরতিটা অনিবার্য। চাণক্য এবার ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করলেন। তাঁর বিশ্বস্ত লোকদের সঙ্গে কথা বললেন। এ অবস্থায় বহর চলতে থাকলে নানা দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। জলপানের বিরতি একেবারে অনিবার্য। অশ্বগুলোকে জলপান করাতে হবে, সঙ্গীসাথিদের জলযোগ করাতে হবে। সম্রাটকেও কিঞ্চিৎ আহার্য গ্রহণ করাতে হবে।

    চাণক্য কয়েকজন অশ্বারোহীকে ভিন্ন পথে পাঠালেন। সামনে আগে চলে যাবে এরা এবং কৌশলে পথ রোধ করবে। জায়গাটা হতে হবে বিশ্রামযোগ্য।

    চাণক্যের এ কৌশলটাও কাজে লাগল। কিন্তু সম্রাট কোনো অবস্থায়ই আহার্য গ্রহণে রাজি হচ্ছেন না। এখন কোন কৌশল? চাণক্য চিন্তায় পড়ে গেলেন। এদিকে সম্রাট বিজয়গুপ্তকে তাগাদা দিচ্ছেন রাস্তা পরিষ্কার করে পুনরায় যাত্রা করার জন্য।

    সম্রাট চতুরাশ্বযান থেকে নেমে পায়চারি করছেন। তাঁর মধ্যে রাজ্যের অস্থিরতা। চাণক্য হাতে করে ফলের রসের একটা গ্লাস নিয়ে তাঁর সামনে দাঁড়ালেন। বললেন, চন্দ্র, একসময় আমি তোমার শিক্ষাগুরু ছিলাম। আজ থেকে আমি আর তোমার মহামন্ত্রী নই। আগের অবস্থায় ফিরে গেলাম। আমি গুরু হিসেবে নির্দেশ দিচ্ছি, তুমি ফলের রসটা খেয়ে নাও।

    চাণক্যের অদ্ভূত ব্যবহারে চন্দ্রগুপ্ত একেবারে তাজ্জব বনে গেলেন। বুঝতে পারছেন না এর অর্থ কী। রাজা হওয়ার পর থেকে চাণক্য চন্দ্রগুপ্তকে ‘আপনি’ সম্বোধন করেন। কখনো আড়ালে- আবডালে কিংবা ভুলেও ‘তুমি’ বলেন না।

    চাণক্য আবার বললেন, তোমাকে আমি আজ অনুরোধ বলো আর নির্দেশ বলো একবারই করব, আর কখনোই করব না। নাও, রসটা খেয়ে নাও।

    চন্দ্রগুপ্ত ফলের রসটা খেয়ে নিলেন এবং বললেন, আচার্য, আপনি আমাকে এ সংকটে ফেলে পদত্যাগ করছেন?

    তোমাকে বাঁচিয়ে রাখা আমার কর্তব্য। আচার্য ভদ্রবাহু এখানে থাকলে তা আমাকে করতে হতো না। তিনিই তোমাকে আহার্য গ্রহণ করাতেন। তাঁর ভূমিকায় গিয়ে আমাকে আচরণে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। সে জন্য আমি দুঃখিত। আমি আমার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রত্যাহার করে নিলাম।

    আবার যাত্রা শুরু করলেন এঁরা। পথ যেন শেষ হচ্ছে না। চন্দ্রগুপ্তের মনে কত কত স্মৃতি। সিন্ধু নদীর তীরে বিকেলের সোনালি সূর্যালোক তির্যকভাবে পড়েছে। নদীতীরের খয়েরি রঙের ঘাসগুলো তাতে অপূর্ব রূপ পেয়েছে। একটি কম বয়সী বালিকা খালি পায়ে সে ঘাসের ওপর দিয়ে হাঁটছে। পরনে তার স্কার্ট। ববকাট চুল। তারুণ্য পার করা চন্দ্রগুপ্ত তার রূপে মুগ্ধ। মেয়েটি কে? শুনলেন, সে মেয়েটি কর্নেলিয়া, আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাসের কন্যা। দূর থেকে দেখেছিলেন। তাই ঝিলামের প্রমোদপ্রাসাদে তাঁকে চিনতে পারেন নি, এ ছাড়া যৌবন তাঁকে বদলে দিয়েছিল। চিঠিগুলোর কথা মনে হলো। এক চিঠিতে কর্নেলিয়া বলেছিলেন, দেবতা ডায়োনসাসের মতো চন্দ্রগুপ্তের জীবনেও ট্র্যাজেডি আছে। ট্র্যাজিক পরিণতির জন্য চন্দ্রগুপ্ত প্ৰস্তুত ছিলেন। শেষটায় যে পরিণাম, তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। হেলেন তাঁর আগে পৃথিবী থেকে চলে যেতে পারেন না। কষ্টের আর কোনো স্মৃতি নয়। বুকে ব্যথা হচ্ছে চন্দ্রগুপ্তের। দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রকৃতির দিকে তাকালেন। প্রকৃতিও যেন তাঁর মতো কষ্টে বিবর্ণ হয়ে আছে।

    .

    নিখিল, সরোজ ও ভবদানবকে নিয়ে সুবন্ধু গেছেন দিদাইমেইয়ার কাছে। নিখিল শবযাত্রায় বাঁশি বাজাতে চায়। স্তবগানের সঙ্গে সুরসংগত করতে বাঁশির তুলনা নেই।

    দিদাইমেইয়া বললেন, শবযাত্রার স্তবগানে কোনো যন্ত্র ব্যবহার করা হয় না। খালি কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করা হয়।

    সুবন্ধু বললেন, বাঁশির সুরই বেশি করুণ।

    নিখিল বলল, চীনা শিল্পী এবং রাবণহাথার শিল্পীও বাজাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    ফাওলিনের বাবা বললেন, বিউগলের সুর সামরিক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াতে আবশ্যিকভাবে বাজানো হয়। বাঁশি সংযুক্ত করা যাবে।

    কিউকেকাস তাঁকে সমর্থন করে বললেন, শুনেছি হেলেন নিখিলের বাঁশি পছন্দ করত।

    দিদাইমেইয়া বললেন, অনুষ্ঠানটা সাজাতে তোমাদের দুজনের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

    সরোজ পটশিল্পী, বললেন, দিদাইমেইয়া। আমি তার কাজ দেখেছি বিয়ের সময়। পটগুলোয় রিচুয়াল ছবি আঁকবে সে। ছবির ধারণা আপনাদের দিতে হবে, বললেন সুবন্ধু।

    লাউডিস বললেন, এখনই ছবির ধারণা দিয়ে দিতে হবে। সময় খুবই কম।

    ফাওলিনের বাবা বললেন, হলুদের ওপর কালো ফিগার।

    ফাওলিন বলল, বাবা, ও ফিগার বুঝবে না। আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি। মানুষের ছবি। যারা শোকার্ত। অথবা দেবতা হেইডেসের ছবি। তাকে একটু বিদঘুটে দেখাবে। এ সময় গ্রোটে ফিগার খুব জনপ্রিয়।

    কবরের ভেতরকার পটচিত্র জনপ্রিয় কিরে, বললেন লাউডিস।

    মানে পছন্দ করে আরকি। পাত্রটা হবে এমফোরা আকৃতির।

    সরোজ বলল, সে ব্যাপারটা বুঝতে পারছে না। নিকোমেডেস শর্মিলাকে ডেকে আনল। শর্মিলা ব্যাপারগুলো ভালোভাবে শুনে নিয়ে বললেন, এমফোরা পটারিটাই ঐতিহ্যবাহী। পট বা পাত্র নির্বাচন করবে সরোজ নিজেই। পট বা পাত্রে যে ছবি আঁকা হবে, তার মধ্যে পরপারের ভাবনা থাকতে হবে। মানুষের ছবিগুলো হবে চিকনচাকন। এমফোরাটা জ্যামিতিক। শর্মিলা কয়েকটা রেখা টেনে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যটা বুঝিয়ে দিলেন।

    সরোজ একটা নিঃশ্বাস ফেলল। মনে হয় তুমি বোঝো নি, বললেন শর্মিলা। উপস্থিত সবাই হতাশ। বেশি হতাশ ফাওলিন। দিদাইমেইয়া বললেন, আমি তোমার আঁকা ওদের বিয়ের ছবিগুলো দেখেছি। চমৎকার এঁকেছিলে। এখনো পারবে।

    সরোজ বলল, আমি বুঝি নি বা পারব না, তা তো বলি নি। দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললাম রানিমার কথা মনে করে। তাঁর কবরে রাখা পটচিত্র আমাকে আঁকতে হলো। আঁকাআঁকিটা আমার না জানাই ভালো ছিল।

    সবার মধ্যে আবার বেদনার ঢেউ খেলে গেল। লাউডিস আড়ালে চোখ মুছলেন। এ ধরনের কান্না সংক্রামক। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। এখন সবার চোখে জল।

    .

    হেলেনের শেষ বিদায়টা কেমন হবে, তা নিয়ে ভাবছেন চন্দ্রগুপ্ত। চতুরাশ্বযানে অনেক ভাবনার সঙ্গে তা-ও এসে স্থান করে নিল। তিনি দেখলেন, এ ব্যাপারে তাঁর কোনো ধারণাই নেই, না গ্রিক, না ভারতীয়। ভারতীয়রা শবদেহ পুড়িয়ে ছাই করে দেয়, যাতে দেহে আত্মার স্থান না হয় এবং পুনর্জন্ম লাভ না করতে পারে। হেলেনের বেলায় তা হবে না। পোড়ানো হবে না তাঁর মরদেহ। গ্রিক রীতিটা জেনে তবে সিদ্ধান্ত হবে। গ্রিক রীতিটা যদি ভারতীয় বৌদ্ধরীতির মতো হয়, তাহলে সমাধিতে প্রচুর সোনাদানা দেওয়া যাবে। আর সমাধিসৌধ। এটি হবে বিশ্বের সেরা। এখানে তিনি প্রয়োজনে রীতির লঙ্ঘন করবেন। কিন্তু গ্রিক রীতি-রেওয়াজ জানবেন কী করে। হঠাৎই তাঁর মনে হলো মেগাস্থিনিসের কথা। তিনি সাহায্য করতে পারেন। দিদাই মেইয়াদের আসার কথা পত্রে ছিল না।

    .

    দিদাইমেইয়া এবার তুললেন সমাধিফলক ও সমাধির কথা। সুবন্ধু ভবদানবের দিকে তাকালেন। সে শর্মিলাকে লক্ষ করে বলল, সমাধিসৌধ নির্মাণের জন্য রানিমা তাকে আদেশ দিয়ে গেছেন। জেনারেল কিউকেকাস বললেন, পটচিত্রের আলোচনা কি শেষ হয়ে গেছে? দিদাইমেইয়া বললেন, তুমি কিছু বলবে? কিউকেকাস বললেন, পিলহট, ডেকর, মিশুয়ান ও ডিসঝেকটা মেমরা সম্পর্কে কথা ছিল।

    লাউডিস বললেন, এতক্ষণ চুপ করে ছিলে কেন?

    দিদাইমেইয়া বললেন, ভালোই হলো, তোমাকে পটচিত্রের সব দায়িত্ব দেওয়া হলো। নিকোরা তোমাকে সহযোগিতা করবে।

    অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং সমাধিসৌধ নির্মাণে মাইসেনীয় যুগের অবসান ঘটান ফিলিপ দুই। তিনি আলেকজান্ডারের পিতা। সেলুকাসের পিতা এন্টিওকাস ছিলেন তাঁরই জেনারেল, যিনি নিজেকে দেবতা অ্যাপোলোর পুত্র মনে করতেন। মনে হয় ফিলিপ তাঁর সমাধিসৌধের নকশাও নিজে করে গিয়েছিলেন। এ রাজকীয় সমাধি ছিল আভিজাত্যে ঐশ্বর্যময়। ভার্জিনিয়ায় এখনো আছে এ সমাধি। ক্ল্যাসিক্যাল যুগের সমাধিসৌধ থোলো সম্পর্কে ধারণা দিলেন দিদাইমেইয়া। এটি খুব সাদাসিধে ধরনের সমাধিসৌধ। এটিও নির্মাণ করা যেতে পারে।

    ভবদানব বলল, রানিমার সমাধিসৌধ হবে রাজা ফিলিপের মতো।

    এটা অনেক ব্যয় ও সময়সাপেক্ষ। তুমি কি পারবে, বললেন লাউডিস।

    আমি চেষ্টা করে দেখতে পারি। ব্যয়ের ব্যাপারটা ছাড়া অন্য বিষয়গুলোর দায়িত্ব আমার। রানিমার জন্য আমি সব করতে পারব।

    কিউকেকাসকে এ দায়িত্ব নিতে হবে, বললেন দিদাইমেইয়া। বাজেট জানতে হবে, বললেন কিউকেকাস। সুবন্ধু বললেন, নকশা ও প্রাক্কলন করে দিন, আমি যুবরাজের সঙ্গে কথা বলব।

    .

    চাণক্য আলাদা শকটে আসছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন বিজয়গুপ্ত। বিজয়গুপ্ত বললেন, আচার্য, সম্রাজ্ঞীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কোন রীতিতে হবে?

    কেন? গ্রিক রীতিতে।

    ওই সব রীতিনীতি তো আমরা জানি না।

    জেনে নেব। আর গ্রিক রীতিতে যা-ই থাকুক না কেন, তোমার কাজ তুমি করবে। সামরিক কায়দায় বিদায়ী শ্রদ্ধা জানাবে।

    সম্রাট এ রকম ইচ্ছে না করলে?

    তুমি তৈরি থেকো।

    চাণক্য ভাবছিলেন প্রথম দেখা স্মৃতির কথা। তাঁর ও সম্রাটের ঘোড়া ব্যবসায়ী সেজে ঝিলামের প্রমোদপ্রাসাদে যাওয়ার স্মৃতিটা স্পষ্ট মনে পড়ছে। প্রথম দেখায়ই সম্রাট দুর্বল হয়ে পড়েন। এ দুর্বলতাটা চাণক্য কাজে লাগান। এ সুযোগে নন্দরাজের কফিনে শেষ পেরেকটা মেরে দেন তিনি।

    সম্রাজ্ঞীর মৃত্যুতে কোনো একটা সুযোগের চিন্তায় আছেন। কিন্তু এখন সম্রাটের মন খুব খারাপ। পাটালিপুত্রে পৌঁছে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করতে হবে। এখন রাজ্যজয়ের আর কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি ভাবছেন তাঁর পরবর্তী অ্যাজেন্ডা কী হবে। হঠাৎ করেই তাঁর মনে হলো, সুবন্ধুকে রেখে গেছেন, কিন্তু সে কী করল? সম্রাজ্ঞীর অসুস্থতার সংবাদটা পর্যন্ত পাঠাল না। যুবরাজ ছেলেমানুষ। তার কোনো ত্রুটি উত্থাপনই করা যাবে না। এবার সুবন্ধুকেই তোপের মুখে ফেলতে হবে। আগে খোঁজখবর নিয়ে জানতে হবে তার দুর্বলতা এবং ত্রুটি ছিল কোথায়। যুবরাজ আর সম্রাজ্ঞীর কাছে প্রিয় হয়ে ওঠার মাশুল এখন তোমাকেই গুনতে হবে, সুবন্ধু।

    বিজয়গুপ্ত, বিজয়গুপ্ত ঝিমুচ্ছিলেন। মহামন্ত্রীর ডাকে হঠাৎ জেগে উঠলেন, আচার্য, কিছু বলছেন?

    বলছিলাম সম্রাজ্ঞীর অসুস্থতার সংবাদ না জানিয়ে সুবন্ধু কাজটা কি ঠিক করেছে?

    একদম ঠিক করে নি, আচার্য।

    আমি কথাটা যখন সম্রাটের সামনে তুলব, তুমি তখন সায় দেবে।

    অবশ্যই, আচার্য।

    আরেকটি কথা। অভিযানের বিষয়ে সম্রাট কিছু জানতে চাইলে আমার অগোচরে বলবে না।

    সম্রাট একান্তে জানতে চাইলে?

    বুদ্ধি খাটাবে, বিজয়গুপ্ত, বুদ্ধি খাটাবে।

    আমার একটা বিষয় জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, আচার্য।

    বলো, কী জানতে চাও?

    সম্রাটকে কী বলে আপনি ফলের রস পান করালেন? তিনি তো শোকে কিছুই খেতে চান নি।

    তোমার কৌতূহল বেশি, বিজয়গুপ্ত। কৌতূহল থাকা ভালো। পাটালিপুত্রে পৌঁছে তুমি যবন সৈন্যদের ডেকে পাঠাবে। তাদের সঙ্গে আমি কথা বলব।

    বিজয়গুপ্ত বুঝতে পারলেন চাণক্য তাঁর প্রশ্নটি এড়িয়ে গেছেন।

    .

    হঠাৎ করেই শর্মিলা মেগাস্থিনিসের বাসভবনে উপস্থিত হয়েছেন। সম্রাজ্ঞীর মৃতদেহ সৎকারের ব্যাপারে গ্রিক রীতি নিয়ে কথা বলতে চান এবং জানতে চান কোনো আনুষ্ঠানিকতায় তাঁর অংশগ্রহণের সুযোগ আছে কি না?

    মেগাস্থিনিস সরাসরি বললেন, আপনার অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ভারতীয় নারীদের, বিশেষ করে সন্ন্যাসিনীদের আমরা কোনো অনুষ্ঠানেই রাখব না।

    সহকারী হিসেবেও না?

    কোনো কাজেই না।

    আপনার সহকারী বা দোভাষী হিসেবেও না?

    সৎকারের কাজে দোভাষীর প্রয়োজন হয় না।

    ভারতীয় রীতিতে সৎকার করলে? বলছিলাম কি, সম্রাট তো এখনো পৌঁছান নি, তাঁর মতামত পাওয়া যায় নি।

    তখন দেখা যাবে।

    কী দেখা যাবে?

    আমরা কী করব।

    আপনার তো আর এখানে থাকার প্রয়োজন নেই।

    দেখুন, আমি সেলুসিড সম্রাটের দূত, সম্রাজ্ঞীর সহকারী নই।

    চুক্তিটার কথা একবার মনে করুন।

    আমার মনে আছে।

    এবার শর্মিলা হাসলেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, আমরা দক্ষিণ ভারতে চলে যাচ্ছি।

    আমরা মানে কারা?

    আচার্য ভদ্রবাহু এবং বারো হাজার জৈন।

    আচার্য যাবেন কেন?

    স্থুলভদ্র তাদের নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তিনি যাবেন না। তাই আচার্য নিজেই দলটির নেতৃত্ব দেবেন।

    স্থুলভদ্রেরই যাওয়া উচিত। আচার্য রাজধানী ছেড়ে যাবেন কেন? তিনি সম্রাটের আধ্যাত্মিক গুরু। সম্রাট কি যেতে দেবেন?

    সিদ্ধান্তটা এ রকমই হয়েছে।

    আমিও অমরাবতী চলে যাব।

    আমরা অমরাবতী যাচ্ছি না।

    তাহলে কোথায় যাচ্ছেন?

    তা জেনে আপনার কী?

    তাই তো, আমার কী। একজন ভারতীয় সন্ন্যাসিনী, যিনি মনের কথা জেনে যান, তিনি কোথায় যাবেন, তা জেনে আমার লাভ কী

    আপনি আসলে আমার কাছে কী চান?

    কিছুই চাই না।

    আপনার মন তো সে কথা বলছে না। আপনি কেন বুঝতে চাইছেন না, আপনার মন যা চাইছে, ঠিক চাইছে না।

    আমার মন যা ভাবছে, তা ঠিক কি না, বলুন।

    কী ভাবছে?

    কেন আপনি ম্যালোড্রামাটিক আচরণ করছেন?

    আপনাকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য। আমি দুঃখিত মিথ্যে অভিনয়ের জন্য, এ রকম কথা বলতে গিয়েও বললেন না শর্মিলা। বললেন, আমাদের চলে যাওয়ার সময় আপনি উপস্থিত থাকবেন।

    আমি পারব না। আমার…

    শেষটা না শুনেই শর্মিলা চলে গেলেন।

    শর্মিলার সঙ্গে পথেই সাক্ষাৎ হলো নিকোমেসে ও ফাওলিনের। নিকোমেডেস হেলেনের মৃত্যুতে এতটা শকট যে তার মুডের পরিবর্তন হচ্ছে না। এটা ভালো লক্ষণ নয়। তাই ফাওলিন তাকে নিয়ে আচার্য ভদ্ৰবাহুর কাছে যাচ্ছে। সেখানে শর্মিলার সঙ্গেও সাক্ষাৎ হওয়ার কথা। এখানে শর্মিলার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়ে যাওয়ায় ভালোই হলো। শর্মিলা বললেন, চলুন আমরা বৃক্ষ উদ্যানের দিকে যাই। আজ মনে হলো ফাওলিনের নিকোমেডেসকে একা শর্মিলার সঙ্গে পাঠাতেও আপত্তি নেই। এঁরা একেবারে উদ্যানের ভেতরে চলে গেলেন।

    নিকোর মন ভালো না থাকারই কথা। আমি দেখেছি, তাদের বন্ধুত্ব কত নিবিড়। একজন মানুষের বহু বন্ধু থাকতে পারে, কিন্তু ভারতীয় প্রথায় জীবনসঙ্গী থাকে একজনই। ফাওলিনের মতো জীবনসঙ্গী পেলে জীবন সার্থক হয়ে যায়। আমিই কথা বলে যাচ্ছি, তোমরা কেউ কিছু বলছ না, বললেন শর্মিলা।

    নিকোমেডেস বলল, ঠিক বলেছেন, শর্মিলা। বন্ধু হারানোর বেদনা অনেক। সহ্য করা কঠিন। সুস্থ দেখলাম, এর মধ্যে এত কিছু ঘটে গেল।

    ফাওলিন বলল, চোখের সামনে ঘটে গেল ব্যাপারটা, সহ্য কী করে করি বলুন?

    যেন তাঁকে স্বপ্নে পেয়েছি আবার স্বপ্নের মধ্যেই হারিয়ে ফেললাম। তিনি একজন সফল মানুষ। সবাইকে কেমন করে যেন জয় করে ফেললেন। কাউকে আমি তাঁর বিরুদ্ধে বলতে শুনি নি, বললেন শর্মিলা। তোমরা থেকে যাও এখানে। সম্রাজ্ঞীর আত্মা শান্তি পাবে। মৌর্যদের এত বড় সাম্রাজ্য, কোনো অসুবিধাই হবে না। তোমরা দুজনই চাকরি করবে এখানে। একজন সেনাবাহিনীতে, অন্যজন দূতের সঙ্গে।

    শুনে কষ্টের মধ্যেও নিকোমেডেস হাসল। বলল, আপনি এত চমৎকার মানুষ যে শুধু ভালোটাই দেখেন। আমরা আসলেই পরদেশি, উদ্বাস্তু।

    না না, নিকো, তুমি ঠিক বলো নি, তোমরা আমাদের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন। এ কথা শুনলে সম্রাট খুব কষ্ট পাবেন। আচার্যও কষ্ট পাবেন।

    ফাওলিন বলল, দিদি, হেলেনই তো নেই, আমরা কার ওপর ভরসা করে থাকব?

    অন্য সময় হলে শর্মিলা বলতেন, কেন, আমরা আছি না, এখন বলতে পারলেন না, কারণ, তাঁর যে সে রকম বলার অবস্থা নেই। দাক্ষিণাত্যে চলে যেতে হচ্ছে। তবু বললেন, আমাদের সম্রাট তো আছেন। আপনাদের তাঁকে না চেনার কথা নয়। আচার্য একটি কথা বলেন যে ভালোর বিকল্প ভালো, ভালোর কোনো সমস্যা নেই।

    আমরা এখানে থাকলে হয়তো আরও ভালো হতো।

    নিকো বলল, এখানে থাকলে অর্থ কী, আপনারা অন্য কোথাও যাচ্ছেন নাকি?

    হ্যাঁ, আমরা দাক্ষিণাত্যে চলে যাচ্ছি।

    অমরাবতীতে?

    না, জানি না কোথায়। তবে নিশ্চিত চলে যাচ্ছি।

    আপনি আবার মন খারাপ করে দিলেন।

    মন খারাপের কী আছে, বউদি? তোমরাও সেখানে বেড়াতে যাবে।

    কিন্তু এ অবস্থায় কেন যাবে?

    কারণটা বললেন শর্মিলা। নিকোমেসে তা শুনে দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস ফেলল। পরে বলল, আপনি আর আচার্য না থাকলে এখানে থাকা অর্থহীন।

    যুবরাজ আসলেই ভালো। তিনি আপনাদের আনন্দে রাখবেন।

    কবে যাচ্ছেন, দিদি?

    ফাওলিনের প্রশ্নের জবাবে শর্মিলা বললেন, ঠিক জানি না, আচার্য জানেন।

    .

    আচার্যের কাছে গেছেন মেগাস্থিনিস। দাক্ষিণাত্যে আচার্যের যাওয়ার কথায় প্রতিক্রিয়া জানালেন। বললেন, আপনি সম্রাটের আধ্যাত্মিক গুরু। তাঁর এ দুঃসময়ে আপনি তাঁকে ছেড়ে যাবেন?

    উপায় কী, বলুন? মানুষকে তো রক্ষা করতে হবে, ধর্মকে রক্ষা করতে হবে। মানুষ থাকলে তবেই তো ধর্ম।

    এখানকার সব মানুষ কি একই সঙ্গে মারা যাবে?

    তা যাবে না বটে। কিন্তু সাবধানে থাকলে সবই রক্ষা পায়। এ ছাড়া বারো হাজার মানুষের খাবার বাঁচবে এখানে।

    এখানে খাবার বাঁচাতে চাচ্ছেন? সম্রাট এলে আমি বুঝাব। আপনারা এখানেই থাকুন।

    মেগাস্থিনিসের কথা শুনে আচার্য সৌম্য হাসি হাসলেন। প্রসঙ্গান্তরে বললেন, আপনার উল্টো পায়ের লোকজন সেদিন নিখিলের বাঁশি শুনতে এসেছিল

    অবাক হয়ে মেগাস্থিনিস বললেন, তাই নাকি? আমাকে বলেন নি কেন?

    আপনি গেলে হয়তো ওরা বাঁশি না শুনে চলে যেত। এদের এই পরিবেশে মানিয়ে নিতে সময় লাগবে। যদিও মুখ ঢেকে এসেছিল, তাও একটা ভালো লক্ষণ।

    খুশিতে গদগদ হয়ে মেগাস্থিনিস বললেন, এটা যে কত আনন্দদায়ক, বোঝানো কঠিন। আমি ‘ইন্ডিকা’ নামে একটা বই লেখা শুরু করেছি। বইতে তাদের কথাও লিখব।

    আর কী কী থাকছে আপনার বইতে?

    আপনাদের রাষ্ট্র এবং সামাজিক ব্যবস্থা সম্পর্কে লিখব। ভারতবর্ষের প্রতিষ্ঠাতা হারকিউলিস এবং ডায়োনিসাস, সে কথা লিখে সবাইকে অবাক করে দেব। দেশটা এত সুন্দর যে ভৌগোলিক বিবরণ লেখার লোভ সামলানো মুশকিল। সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের শাসনব্যবস্থা ইজিপ্টের মতো সুশৃঙ্খল, তা আমি লিখব।

    মহামন্ত্রী চাণক্যের কথা লিখবেন না?

    তাঁর কথা লিখলে খারাপ কিছু লিখতে হবে। তাই আমি লিখতে চাই না। সুন্দর নগরী পাটালিপুত্র সম্পর্কে লিখব। আমার ব্যক্তিগত বিষয় কিছু লিখব না।

    শেষের কথাটা শুনে আচার্য হাসলেন।

    মেগাস্থিনিস বললেন, সম্রাজ্ঞী নেই, আপনি না থাকলে, বিশেষ করে শর্মিলা না থাকলে, বড় সমস্যায় পড়ে যেতে পারি।

    যুবরাজের সঙ্গে কথা হয়েছে?

    হয়েছে। খুব বেশি নন। তাঁর মন খুবই খারাপ।

    বইয়ে আর কী কী থাকবে?

    (সবাই জানে মেগাস্থিনিস ‘ইন্ডিকা’ নামে গ্রন্থ লিখেছিলেন। কিন্তু গ্রন্থটি হারিয়ে যায়। তার প্রায় তিন-চার শ বছর পর গ্রিক ও লাতিন ভাষায় কিছু কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়। ডায়োডোরাস সিকুলাস, স্ট্রাবো, প্লিনি, এরিয়ান প্রমুখরা নানা সংকলনে মেগাস্থিনিসের ইন্ডিকার অংশ বিশেষ ব্যবহার করেন। লেখক চাণক্যের মতোই লেখক মেগাস্থিনিসের ব্যক্তিজীবনকে লেখকজীবনের সঙ্গে মেলানো যায় না। তাই শুধু তাঁদেরই লেখার আলোকে উপন্যাসের চরিত্রকে চিত্রিত করা যৌক্তিক মনে হয় নি।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }