Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৬৪

    ৬৪

    বিকেলে বিদায় নেওয়ার আগে দুর্গটি ছেড়ে দেওয়া হলো সম্রাট সেলুকাস আর তাঁর লোকজনদের জন্য। প্রহরার দায়িত্ব থাকল মৌর্য সেনাদেরই।

    যাওয়ার সময় সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত হেলেন আর সম্রাটের কাছ থেকে বিদায় নিলেন বটে, কিন্তু মনটা এখানেই পড়ে থাকল। বারবার তাকাচ্ছিলেন হেলেনের দিকে। ছেড়ে যেতে কষ্ট হচ্ছিল।

    আচার্য ভদ্ৰবাহু তা লক্ষ করে কাছে গিয়ে আস্তে করে বললেন, চন্দ্র, তুমি আরও কিছুক্ষণ থেকে যাও। আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব।

    এ কথা শুনে মনে হলো চন্দ্রগুপ্ত লজ্জা পেয়েছেন। নম্রভাবে বললেন, না আচার্য, অনেক কাজ এখন, তার আগে কর্মপরিকল্পনা।

    মহামন্ত্রী আছেন না?

    সবকিছু তাঁর ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এ ছাড়া এসব কাজ আমারই ব্যক্তিগতভাবে দেখা দরকার। গ্রিকদের প্রত্যাহারে কোনো ভুল হোক, আমি তা চাই না।

    আমি কিছুক্ষণ থাকব তাদের সঙ্গে।

    আমার মনে হয় তা ভালো হবে। ওরা আপনাকে খুব পছন্দ করে।

    তোমাকেও পছন্দ করে। তুমি শুধু রাজ্য জয় করো নি, অনেকের হৃদয়ও জয় করে নিয়েছ। তোমার ব্যবহারে এরা সবাই মুগ্ধ।

    আধ্যাত্মিক গুরুর কথায় চন্দ্রগুপ্তের মুখমণ্ডলে স্নিগ্ধ এক স্মিতহাস্য খেলা করে গেল।

    দুর্গের ফটকের বাইরে সম্রাটকে বিদায় জানানোর জন্য মৌর্য এবং গ্রিক সৈন্যরা দুপাশে আলাদা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছে। সন্ধির আওতায় গ্রিকরা এখন মুক্ত। মিত্র সম্রাটকে বিদায় জানানো এখন রাজকীয় আনুষ্ঠানিকতা।

    সম্রাটের জয়ধ্বনি দিচ্ছে মৌর্য সৈন্যরা। সম্রাট এগিয়ে যাচ্ছেন। পাহাড়ের ওপর অবস্থিত দুর্গ থেকে হেলেন, আচার্য ভদ্রবাহু ও নিকোমেডেস দেখছেন সে দৃশ্য। গ্রিক সৈন্যরা হাস্যোজ্জ্বল প্রিন্সেসকে দেখে স্বস্তিবোধ করছে, যদিও এরা অ্যাটেনশন অবস্থায় শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এরাও গ্রিক ভাষায় কিছু একটা বলছে, এর অর্থ বোঝা যাচ্ছে না।

    যাতে কোনো অঘটন না ঘটে, সে জন্য প্রচুর সতর্কতা আছে। তাদের (গ্রিকদের) পেছনে দাঁড়িয়ে আছে কয়েক সারি মৌর্য সেনা। গ্রিকদের যুদ্ধাস্ত্র আগেই জমা নেওয়া হয়েছে।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত নিজেও সতর্ক। তাঁর পেছনে আছেন মৌর্য সেনাপ্রধান এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নারী প্রহরী এবং সেনাসদস্যরা।

    নারী নিরাপত্তা প্রহরীদের দেখে অবাক হলেন হেলেন। ভাবলেন, এরা কী নিরাপত্তা দিচ্ছে! সম্রাট গিয়ে হস্তীতে চড়লেন। এখন কোনো তাড়া নেই। তাই গজেন্দ্রগমনেই প্রশান্তি।

    সম্রাটের বহর দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলে হেলেন বাঁ দিকে ঘুরে আচার্য ভদ্ৰবাহুকে প্রশ্ন করলেন, আচার্য, এরা কী নিরাপত্তা দেবে?

    দিচ্ছে তো প্রিন্সেস। প্রথম থেকেই দিচ্ছে। পরিকল্পনাটা মহামন্ত্রী চাণক্যের। সম্রাটের অধিক নিরাপত্তার জন্য এ ব্যবস্থা। নারীরা পুরুষদের চাইতে বেশি বিশ্বস্ত।

    কিন্তু শক্তিতে দুর্বল, বললেন হেলেন।

    দেহের শক্তির চেয়ে নৈতিক শক্তি এ ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।

    নিকোমেডেস হেলেনকে খেপানোর জন্যই বলল, আচার্য, এরা কি নৈশকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে?

    আচার্য বুঝলেন, বললেন, কেন নয়, সম্রাটের সেবাযত্নও এরাই করে।

    দাস-দাসী নেই? হেলেনের উৎকণ্ঠা।

    আছে। তবে খুব কম। আপনার উৎকণ্ঠিত হওয়ার দরকার নেই, প্রিন্সেস, আমি চন্দ্ৰকে চিনি।

    এবার হেলেনের চোখেমুখে হাসি ফুটে উঠল। ভদ্রবাহু আবার বললেন, ওর নিরাপত্তার আরও অনেক কৌশল করে রেখেছেন মহামন্ত্রী।

    কী কৌশল, নিকোমেডেস প্রশ্ন করে। আর তাতে উৎকর্ণ হন হেলেন। আচার্য ভদ্রবাহু বিষ বৃত্তান্ত বয়ান করলেন এবং সম্রাজ্ঞী দুরধরার অকালপ্রয়াণের কথা বললেন।

    মহামন্ত্রী চাণক্য কি সম্রাটকে খুব পছন্দ করেন?

    তিনিই তাকে সম্রাট বানিয়েছেন। যোগ্য করে গড়ে তুলেছেন।

    তাঁর ওপর সম্রাট সন্তুষ্ট নন কেন, জানতে চায় নিকোমেডেস।

    রাজা যদি সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হন, তাহলে মন্ত্রীরা হয় কুটিল প্রকৃতির। আর কোনো অধ্যাপক যখন এ দায়িত্ব পান, তখন ব্যাপারটা আরও জটিল হয়ে ওঠে। সম্রাট জটিলতা এড়িয়ে চলতে চান। তিনি নেহাতই একজন ভালো মানুষ।

    আমার মনে হয় আপনার সংস্পর্শে এসে তিনি ভালো মানুষ হয়েছেন, বললেন হেলেন।

    প্রত্যেক মানুষের মধ্যে সু এবং কুপ্রবৃত্তি থাকে। আপনি যেটি লালন করবেন, সেটিই বিকশিত হবে। তবে চন্দ্র প্রবৃত্তিগতভাবেই একজন সৎমানুষ।

    মহামন্ত্রীর প্রভাব নেই?

    নিকোমেডেসের এই প্রশ্নের জবাবে আচার্য বললেন, রাজনীতি বড় অদ্ভুত জিনিস। প্রধান পরামর্শকের পরামর্শ সম্রাটকে মানতে হয়, কারণ, সব ব্যাপার সহজ নয়।

    ব্যক্তিজীবনে, প্রশ্ন করে আবার বললেন, না, বলছিলাম ব্যক্তিজীবনে সম্রাটের ওপর কতটা প্রভাব বিস্তার করেছেন?

    প্রভাব কতটা, তা বলা শক্ত। তবে চন্দ্র একটা স্বতন্ত্র এবং তার পছন্দের জীবন যাপন করে। তার জীবন একান্তই তার নিজের। আর যদি আচার্য চাণক্যের কথা বলেন, তাঁর গভীর প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা রয়েছে। কোনো কোনো ব্যাপারে আমি তাঁর অনুরক্ত। ভালো বন্ধুও বলতে পারেন।

    আপনি? ভীষণ অবাক হন হেলেন, কীভাবে সম্ভব?

    আমি জানি, আপনার তাঁর ওপর দারুণ বিরক্ত। সম্রাটও মাঝেমধ্যে ক্ষুব্ধ হন। ক্ষুব্ধ হওয়ার মতো সে রকম আচরণ আচার্য করে ফেলেন। ভুল করে করেন তা নয়, পরিকল্পিতভাবে এবং চিন্তা করেই করেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার কী জানেন, এর জন্য তাঁর কোনো অনুতাপ বা অনুশোচনা–কোনোটাই নেই।

    তারপরও আপনি তাঁর বন্ধু?

    তিনি একজন পণ্ডিত মানুষ, একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, হেন শাস্ত্র নেই, যা তিনি জানেন না, একজন আত্মসচেতন ব্যক্তিও।

    এগুলো বন্ধুত্বের জন্য কোনো যোগ্যতা নয়। বন্ধুত্বের জন্য কিছু ত্যাগ করতে হয়, সে  ত্যাগের মানসিকতা কি তাঁর আছে?

    তা নেই। বন্ধুত্বের প্রয়োজনটা যদি আপনার হয়, তাহলে ছাড়টা আপনাকেই দিতে হবে।

    ব্যাপারটা একতরফা হয়ে গেল না?

    হওয়ারই কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটে নি। তিনি আমাকে প্রচুর সময় দেন। মনে হয় আমরা উভয়ে সময়টা বেশ উপভোগও করি। আর একে অন্যের দোষ নয়, গুণের চর্চা করি। মনে হয় এটাই বন্ধুত্বকে মজবুত করেছে।

    আমার মনে হয় স্বার্থের কোনো ক্লেশ নেই।

    থাকলে তা এড়িয়ে চলি।

    তা চলেন। না হয় এ রকম একজন মানুষকে হেলেনকে থামিয়ে দিয়ে ভদ্রবাহু বললেন, আপনারও তাঁকে প্রয়োজন হবে।

    কী রকম?

    এখন তো বলতে পারছি না। তবে এখন আপনাকে পরামর্শ দিতে পারি, কখনো প্রয়োজন হলে তাঁকে এড়িয়ে যাবেন না, নিজের কাজে লাগাবেন।

    ভদ্রবাহুর এ কথায় হেলেন হেসে দিলেন। বললেন, আচার্য, আপনি এত বাস্তববাদী যে বুঝতে পারছি না তা কী করে সম্ভব।

    এবার হাসার পালা আচার্য ভদ্রবাহুর। তিনি হো হো করে হাসলেন।

    .

    সেলুকাস তাঁর জেনারেলদের নিয়ে বসেছেন। এখন তাঁর সামনে দুজন জেনারেল। একজন ফিলেকাস, অপরজন কিউকেকাস। জেনারেল সারিকাস যুদ্ধক্ষেত্রে, সৈন্যদের সঙ্গে। সেলুকাস বললেন, এ পরাজয়ের প্রতিশোধ আমি নেব।

    অবাক হলেন কিউকেকাস। বললেন, একি বলছেন, সম্রাট! আমরা সম্মত হয়েই তো সন্ধিচুক্তি করলাম। মৈত্রীবন্ধনে, আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হলাম, কেউ কাউকে আক্রমণ নয়, সহযোগিতা করব মর্মে অঙ্গীকারবদ্ধ হলাম।

    তোমার সমস্যা একটাই, তুমি রাজনীতি বোঝো না। যাক, সেটা এখনই হচ্ছে না, যখন প্রতিশোধ নেওয়ার সময় হবে, তখন তোমারও মতের পরিবর্তন হবে—সবকিছু বুঝতে পারবে। এখন সেলুসিয়ায় প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে কথা বলি।

    আমরা কয়েকটি দফায় সৈন্য প্রত্যাহার করব, সম্রাট, বলে ফিলেকাস হাত থেকে যুদ্ধের মানচিত্রটি মাটিতে বিছিয়ে রাখলেন। একটি লম্বা কাঠি দিয়ে দেখালেন, প্রথমে এ অগ্রবর্তী রেজিমেন্টটি সিন্ধু নদ অতিক্রম করে যাবে। দ্বিতীয় রেজিমেন্টটি তাদের, অর্থাৎ প্রথম রেজিমেন্টের ছাউনিতে অবস্থান নেবে এবং কয়েক দিন থাকবে। এভাবে এক মাসের মধ্যে আমরা সিন্ধু অঞ্চল ছেড়ে যাব।

    সম্রাট বললেন, এখানকার মানুষের মনে বেশ ক্ষোভ আছে, বিশেষ করে উদ্বাস্তুদের মধ্যে। মন্ত্রী চাণক্য এদের নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করে কি না, এ নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন আছি।

    আমিও তা-ই ভাবছি, বলে ফিলেকাস কিউকেকাসের দিকে তাকালেন। কিউকেকাস তা মনে করেন না, স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন এবং বললেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে উদ্বাস্তুদের কিছু সহায়তা করা, যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে দেওয়া।

    মৌর্যরা তো আমাদের কাছে কোনো ক্ষতিপূরণ চায় নি, তুমি বলছ কেন?

    চায় নি বলেই দেবেন, সম্রাট, ওরা চাইলে সন্ধির প্রকৃতি হতো ‘আত্মামিষ’।

    মানে কী?

    মৌর্যরা নির্ধারণ করে দিত নির্ধারিত কোষ, সেনাসদস্য আর উপহারসামগ্রী নিয়ে তাদের কাছে মাথা নত করে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু তা করে নি। নিজেকে সমর্পণ না করে অন্য কাউকে সেবাকর্মে নিযুক্ত করে আত্মরক্ষণ সন্ধি করতে বাধ্য করতে পারত, তা-ও করে নি। উদ্বাস্তুদের সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ চাইতে পারত, যুদ্ধের সমস্ত ক্ষতিপূরণ চাইতে পারত, তা-ও চায় নি। আমাদের নিজেদেরই দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে যাওয়া মহত্ত্বের পরিচয় হবে।

    আমাদের রাজকোষ শূন্য। ওসব মাথা থেকে দূর করো। আগে ভালোয় ভালোয় পার হয়ে যেতে দাও। সৈন্যদের ভরণপোষণই এখন জরুরি। ওরা যাতে বিদ্রোহ না করে, সেদিকে তোমরা গভীর মনোযোগ রাখো। যা বলছিলে ফিলেকাস, বলে যাও।

    ফিলেকাস বললেন, একসঙ্গে সব সৈন্য প্রত্যাবর্তন করলে নানা বিপত্তি উপস্থিত হতে পারে। একত্রে থাকতে গেলে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে এবং তা দমন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। বিভিন্ন দুর্গ ও শিবির থেকে দু-চারটি বের হয়ে গেলে এক রেজিমেন্ট থেকে অন্য রেজিমেন্টের বেশ দূরত্ব থাকবে। কোনো রেজিমেন্টে অসন্তোষ দেখা দিলে অন্যগুলো দিয়ে তাদের দমন করা যাবে।

    খুবই গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা, বললেন সম্রাট।

    ফিলেকাস আবার বললেন, যুদ্ধজয়ের পর সব সৈন্যের কাছেই ধনসম্পদ থাকে। তখন এরা থাকে শান্ত এবং লুণ্ঠিত সম্পদ রক্ষায় ব্যস্ত। এখন অবস্থা ঠিক তার বিপরীত। তাই ধনসম্পদের জন্য গ্রামগুলোতে হানা দিতে পারে। আমাদের কঠোরভাবে তাদের নিবৃত্ত করতে হবে। তাই প্রতি রেজিমেন্টেই বিশ্বস্ত একটা ইউনিট থাকবে, যারা এদের প্রতিরোধ করবে।

    ভালো পরামর্শ। আর কিছু বলবে?

    না। জেনারেল কিউকেকাস এবারে চাইলে তাঁর পরামর্শ দিতে পারেন।

    আমার পরামর্শ গ্রহণ করা হয় না, তাই কোনো পরামর্শ নেই।

    আহা, অভিমান করছ কেন? মহামান্য সম্রাট সব সময় তোমার মঙ্গল চান।

    নেই, আমার পরামর্শ নেই।

    সম্রাট বললেন, বেশ। আমার একটা নির্বাচন আছে, তোমরা এখানে মতামত দাও। আমি ঠিক করেছি, কর্নেলিয়ার আগে শর্তে উল্লেখ করা দূত চন্দ্রগুপ্তের দরবারে যাবে।

    আগে কেন যাবে, মহামান্য সম্রাট?

    যাবে পরিস্থিতি বোঝার জন্য। আর দেখবে প্রিন্সেসের থাকার মতো প্রাসাদ এবং ব্যবস্থা আছে কি না?

    কিউকেকাস আগের কথার রেশ ধরে বললেন, মানছি আশঙ্কা আছে, আশঙ্কার সব বিষয় চুক্তি মেনে চলে না। আপনি জানেন সে চন্দ্রগুপ্তকে ভালোবাসে। এই ভালোবাসা নিয়ে থর মরুভূমিতে থাকলে অসুবিধা কোথায়?

    ফিলেকাস, ওকে বোঝাও, ও যা বলছে, নিতান্তই তা ছেলেমানুষি। যে লোকটিকে আমি ঠিক করেছি, তাকে পাঠাও।

    কে? কে যাবে সেখানে

    নাম মেগাস্থিনিস।

    কোথায় থাকে সে? কখনো দেখেছি বলে মনে হয় না।

    তোমাদের চেনার কথা নয়। টলেমির নৌকমান্ডার থাকতে তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। আরাচোশিয়ার সিবাইরতিয়াস জায়গাটার নাম। খুবই চৌকস মনে হয়েছে।

    আপনার নির্বাচন নির্ভুল হবে, এতে সন্দেহ নেই।

    ফিলেকাস বিশ্বাস স্থাপন করলেও কিউকেকাস পারছেন না। ভারতবর্ষের জীবনধারা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা না থাকলে তিনি ভালো ফল বয়ে আনতে পারবেন না। এ ছাড়া চন্দ্রগুপ্তের রাজদরবারে গ্রিকদের মর্যাদা কতটা বজায় রাখতে পারবেন, তা-ও দেখতে হবে। আমার পরামর্শ, আপনি এসব বিষয়ে তার একটা সাক্ষাৎকার নিন। প্রয়োজনে কর্নেলিয়াকেও রাখুন।

    কিউকেকাস, আমি তাকে উপযুক্ত মনে করে নির্বাচন করে ফেলেছি। এখন ওসবের প্রয়োজন নেই।

    তার মতামত নিন। সে অমত করবে না।

    কিউকেকাস সংশয়মুক্ত হতে পারছেন না, ভাবলেন, সম্রাট তাহলে আরেকটা সমস্যা তৈরি করতে যাচ্ছেন। ভারতীয় আবহাওয়া ও সংস্কৃতিতে নিজেকে বেশ মানিয়ে নেবে। আর আমার কাছে তাকে কূটনীতিতে দক্ষ মনে হয়েছে, বললেন সেলুকাস।

    কিউকেকাস এ ব্যাপারে আর কথা বাড়াতে চাইলেন না। সৈন্যদের প্রত্যাবর্তনে মনোযোগ দিলেন। তাঁর বাহিনী দোরি অস্ত্রধারী। এখন নতুন করে তাঁকে সারিসাধারীদের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। এরা আর্কিমেডেসের কমান্ডে ছিল। শেষটায় এ নতুন জেনারেলের দূরদর্শিতার অভাবে বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু সৈন্য আহত ও নিহত হয়। ক্লদিয়াসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফিলেকাসকে। অশ্বারোহী বাহিনীর সঙ্গে তাঁর এ দায়িত্ব চতুরশ্বযান, রথসহ পরিবহনের সব দিকে বিস্তৃত। সম্রাটের গজারোহী বাহিনীরও ‘টুআইসি’ করে রাখা হয়েছে তাকে

    সম্রাটের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে দুই জেনারেল নতুন দায়িত্ব বুঝে নিয়ে স্ব স্ব সৈন্যদের সঙ্গে মিলিত হতে গেলেন।

    সম্রাট সেলুকাস ভেতর থেকে বাইরে এসে দাঁড়ালেন। উত্তর দিকটায় সিন্ধু নদ বয়ে চলেছে। দুই কূলে সবুজ ফসল। কৃষকেরা জলসেচ দিচ্ছে। কোথাও কোথাও বাঁশ, বনজ বৃক্ষ মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। গ্রীষ্মকাল। তাই বরফ নেই। এলোমেলো করে দেওয়া বাতাস বইছে। আকাশে মেঘ আছে, উড়ন্ত মেঘ। পাহাড়ের সঙ্গে মিতালি করছে। ভাবলেন, এ জায়গাটা তাঁকে ছেড়ে যেতে হবে। তবে ইচ্ছার বাইরে হলেও একটা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, কত দিন টিকবে কে জানে। অবাক ব্যাপার, মেয়েটা এ সম্পর্কে রাজি হয়ে গেল। সে কী ভেবেছে, কে জানে। তার মনের ভেতর প্রবেশ করা কঠিন। বুদ্ধিমতী, কিন্তু এ রকম ঝুঁকি কেন নেবে? চন্দ্রগুপ্ত যা বলেছে, তা সত্য হলেও প্রিন্সেস এত বড় ঝুঁকি নিতে পারে না। হেলেন এ সময় সেলুকাসের পাশে এসে দাঁড়ালেন। আস্তে করে ডাকলেন, বাবা।

    সেলুকাস একটু চমকে উঠলেন।

    কী ভাবছেন, বাবা?

    আচ্ছা, কর্নি, তুমি কি সত্যি সত্যিই চন্দ্রগুপ্তকে পছন্দ করো? নাকি কোনো প্রতিশোধ নিতে চাও?

    না, বাবা, প্রতিশোধ না। আপনি জানেন, আমি কোনো গ্রিক ছেলেকে বিয়ে করব না, কেন করব না, তা-ও জানেন। চন্দ্রগুপ্তকে আমি পছন্দ করি। তাঁর আধ্যাত্মিক গুরু আচার্য ভদ্ৰবাহুকে শ্রদ্ধা করি। মৌর্য রাজদরবারে অবস্থান করার মতো আমার অনুকূল একটা পরিবেশ পেয়ে গেছি। সেখানে আমার ভাগ্যকে আমি নতুনভাবে আবিষ্কার করতে চাই।

    অনেক বড় ঝুঁকি আছে, জীবনটা তোমার, কর্নি, বুঝবার বয়সও হয়েছে, তা সত্ত্বেও পিতৃহৃদয় তো, কেমন করে নিশ্চিত থাকি, ইলিয়াড পাঠ করেছ, রাজা প্রায়ামের কথা ভাবো। সন্তানের জন্য কত নতজানু হয়েছেন। শাশ্বত কালের পিতৃহৃদয় বর্ণনা করেছেন অন্ধ কবি হোমার। চোখে দেখতেন না, অন্তরচোখে দেখেছেন।

    আপনার দুশ্চিন্তা করার কারণ আছে, বাবা। তারপরও আস্থা রাখতে পারেন।

    তোমার জন্য আমি পছন্দ করে রেখেছিলাম জেনারেল আর্কিমেডেসকে, অকালে সে মারা গেল।

    একটি ভুল আপনি করেছিলেন, শুধু কম বয়স নয়, পরিণত হওয়ার আগেই তাকে জেনারেল বানিয়েছেন। নিজেকে বুঝতে না পারার জন্যই তার মৃত্যু হলো।

    আমি আমার কাজিন সাইরাসকে কী বলব? কী জবাব দেব, হায় জিউস! সে যখন বলবে, আমার পুত্রকে যারা হত্যা করেছে, সেই হন্তাদেরই একজনের সঙ্গে তুমি প্রিন্সেসকে বিয়ে দিয়ে আমার পুত্রের অমর্যাদা করেছ? আমার পুত্রও তো একজন প্রিন্স।

    এ প্রশ্নের কোনো জবাব নেই, বাবা, আমার কাছে। তোমরা চাইলেও আর্কিমেডেসকে আমি বিয়ে করতাম না।

    এ সময় উপস্থিত হলেন আচার্য ভদ্রবাহু, সঙ্গে তাঁর নিকোমেডেস। আচার্য বললেন, মহামান্য সম্রাট, ভারতবর্ষে ভাগ্য আর নিয়তি বলে দুটো কথা আছে। মানুষ তা অতিক্রম করতে পারে না। একটি ভুলকে কেন্দ্র করে মানুষ মাকড়সার জালে জড়াতে থাকে, ক্রমে আরও ভুলের মধ্যে জড়ায়, কদাচিৎ দু-একজন ছুটতে পারে জাল ছিঁড়ে। বাকিরা পারে না, নির্মম পরিণতি লাভ করে।

    সেলুকাস বললেন, গ্রিক পুরাণেও নিয়তির কথা আছে। আমাদের ট্র্যাজেডিগুলো এভাবেই মহাকাব্য আর নাটকে রূপায়িত। কিন্তু আমি নিয়তি মানি না। এসব কবি-নাট্যকারদের কল্পনা, মিথ্যে ট্র্যাজেডি রচনা করে ওরা।

    এসব ট্র্যাজেডিতে মানুষকেই তো বড় করা হয়েছে, মহামান্য সম্রাট, নিয়তিকে নয়।

    বাবা, আচার্য ভদ্ৰবাহু নিজেও কবি ও লেখক। কত চমৎকার তাঁর স্বপ্ন বর্ণনা, স্বর্গও বোধ হয় তত সুন্দর নয়।

    কবিরা কল্পনায় কত কিছু দেখেন, বাস্তবের সত্য বড় কঠিন।

    তিনি আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ হলেও অবিশ্বাস্য রকম এক বাস্তববাদী মানুষ। তাই তাঁকে আমার ভালো লাগে।

    আমিও তাঁকে শ্রদ্ধা করি, কর্নেলিয়া। তিনি আমার ভরসা, আমি বিশ্বাস করি, তিনি থাকতে তোমার প্রতি কোনো অন্যায় করা হবে না।

    মহামান্য সম্রাট, আমি যত দূর বুঝতে পারি, পূর্ব-পশ্চিমে একটা গৌরবজনক সম্পর্ক স্থাপন হতে যাচ্ছে। এ বৈবাহিক সম্পর্ককে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। একে ‘অত্যয় সন্ধি’ চুক্তির মতো মনে হলেও তা কিন্তু নয়। চুক্তি না হলেও এ বিয়ে হতো। কারণ, সম্রাট এবং প্রিন্সেস পরস্পরের কাছে এসেছেন অন্তরের টানে। চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা শুধু ইতিহাসের প্রয়োজনে।

    ভদ্রবাহুর কথায় দ্বিমত করার সুযোগ নেই। উভয় সম্রাটের সাম্রাজ্যবাদী মনোভাবের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের যে বাসনা, তাতে স্থান করেছে একটা প্রেম। এই প্রেম দেশ-কাল-পাত্রকে অতিক্রম করেছে। সন্ধিচুক্তি আসলেই একটা আনুষ্ঠানিকতামাত্র। সেলুকাস প্রেমকে উপেক্ষা করেছেন, কারণ, সে ধাতুতে তিনি তৈরি নন, বিশ্বাসীও নন। নারীর প্রতি প্রেম, মানবিকবোধ — এসব সাম্রাজ্যবাদে চরম বাধা। তাই তিনি সুযোগ পেলেই আবার আক্রমণ করে ভারতীয় ভূখণ্ড অধিকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

    এদিকে চাণক্য চিন্তিত ছিলেন এ ভেবে যে শুধু প্রেমের জন্য যদি চন্দ্রগুপ্ত ভারতীয় অংশ ছেড়ে দেন, তাহলে তা হবে বড় রকমের রাজনৈতিক ভুল। তিনি চন্দ্রগুপ্তকেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। সব সময় এদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছিলেন। গ্রিকরা তাঁকে বিশ্বাস করে না, এ কথা তিনি জানেন, তাঁর কূটচাল গ্রিকদের সব সময়ই ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছে। আস্থাভাজন হলেও চাণক্যকে চন্দ্রগুপ্তও নির্ভরতার ভেতর রাখেন নি। আচার্য ভদ্রবাহুর ওপর বিশ্বাস রেখেছেন সবাই। শ্রদ্ধা থেকে এ বিশ্বস্ততা। তিনি যা বলেন, স্পষ্টভাবেই বলেন।

    সেলুকাস তাঁর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বললেন, আমরা পরাজিত না হলে, আচার্য, সবকিছুই অন্য রকম ঘটত। প্রেম-ভালোবাসার মতো মানবিক দুর্বলতাগুলোর আমার কাছে কোনো মূল্য নেই। আমরা গ্রিকরা যোদ্ধা, বাহুবলে সব জয় করতে চাই।

    আপনি সমস্ত গ্রিকের কথা বলছেন কেন, বাবা, দু-চারজনের কথা বলুন, যারা হৃদয় ভেঙে দিতে পছন্দ করে। গ্রিকদেরই প্রেমের দেবতা আছে, আবেগের দেবতা আছে, সৌন্দর্যের দেবতা আছে। এ কথা বোধ হয় আপনি ভুলে গেছেন

    ভদ্রবাহু দেখলেন, বাবার প্রতি কন্যার শক্ত কথা হয়ে গেছে। তিনি বললেন, একজন শক্তিশালী সম্রাট এবং বাবা কন্যার মঙ্গলের কথা ভেবে এসব বলতেই পারেন। বাবা এবং সম্রাটদের আবেগ প্রশ্রয় দিলে চলে না। মনে করা হয়, এসব তাঁদের দুর্বলতা। শুধু সম্রাট কেন, মন্ত্রীরাও তা-ই মনে করেন। যেমন আমাদের মহামন্ত্রী, বলে তিনি হাসলেন।

    সেলুকাস বললেন, তিনি কূটরাজনীতিক বটে কিন্তু বাস্তববাদী মানুষ। শত্রু হলেও আমার পছন্দের মানুষ।

    ভদ্রবাহু বললেন, আপনার পছন্দের প্রশংসা করতে হয়। মন্ত্রী হিসেবে তিনি বেশ দক্ষ। ভদ্রবাহুর উদ্দেশ্য ছিল বিয়ের প্রসঙ্গটা পরিবর্তন করা। তিনি সফলও হলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }