Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৭২

    ৭২

    সেলুকাস একটি চিরকুট লিখে রেখে কাউকে না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে গান্ধারা প্রাসাদ ত্যাগ করে তাঁর এপিলেকটোই বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে ঝিলাম নদী তীরের প্রমোদপ্রাসাদে উপনীত হলেন।

    চিরকুটটা লিখেছেন চন্দ্রগুপ্তকে। তাতে লিখেছেন,

    চন্দ্ৰ,

    অনিবার্য কারণে আমাকে সেলুসিয়ায় চলে যেতে হচ্ছে। আমার অনুপস্থিতি সেলুসিয়াকে মারাত্মক এক চ্যালেঞ্জে ফেলে দিয়েছে। ভারতীয় রীতিমতে কন্যাদান করতে পারি নি বলে দুঃখিত। কিন্তু বিয়েটা ভারতীয় রীতিতেই হবে। কন্যাদান করবেন আমার বোন দিদাইমেইয়া। তাঁর ওপর আমার আস্থা রয়েছে।

    ইতি

    সেলুকাস।

    পুনশ্চ : আমার জন্য প্রতিটি মুহূর্ত ভয়াবহ রকম চ্যালেঞ্জিং। আপনার সহযোগিতার প্রয়োজন হতে পারে।

    সেলুকাস দূত মারফত মোলনের বার্তা পেয়ে মুহূর্ত বিলম্ব না করে ছুটে বের হয়ে যান। পত্রের ভাষাতেই অস্থিরতার পরিচয় রয়েছে।

    চন্দ্রগুপ্ত পত্রটি হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন এবং অস্ফুটে বললেন, তিনি সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারতেন। মনে মনে স্থির করলেন, এই দায়িত্বও তিনি নেবেন এবং সবার উদ্দেশে বলবেন, সম্রাট তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে সেলুসিয়ায় গেছেন

    একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে গেলে সামনে কতগুলো প্রশ্ন ও সমস্যা দেখা দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। চন্দ্রগুপ্তকে প্রথমেই মিথ্যে বলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হলো। তিনি অবশ্য চিরকুটের কথা বলতে পারতেন। কিন্তু তা শোভন হতো না। চাণক্য একে কোনো অবস্থায়ই ভালোভাবে নেবেন না। তিনি গ্রিকদের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধ প্রস্তুতির কথা বলবেন। ওই যে প্রতিশ্রুত আরও একশ যুদ্ধহস্তী হস্তান্তরের কথা রয়েছে, তা আর করবেন না। সম্রাট আরও ভাবলেন, একই রকম চিরকুট যদি তাঁর বোনকেও লিখে গিয়ে থাকেন তো ভালো, না হয় গ্রিক পক্ষ থেকে এখানে তাঁর বিরুদ্ধে সেলুকাসকে গুম বা হত্যার অভিযোগ আনা হবে। ব্যাপারটা তখন এমন পর্যায়ে যাবে, যেখান থেকে উঠে আসা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

    সম্রাট সিদ্ধান্ত নিলেন, সকালবেলায়ই সবাইকে ডেকে তিনি সম্রাট সেলুকাসের কথা জানাবেন। চিরকুটের কথা গোপন থাকবে।

    .

    এদিকে স্ট্রেটোনিস এন্টিগোনাস-পুত্র দিমিত্রিয়াসের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করলেন। রোদেস দূত মারফত পূর্বেই প্রিন্সেসের আগমনবার্তা জানিয়ে দিয়েছিলেন। সবকিছু শুনে দিমিত্রিয়াস বললেন, সেলুকাসের বয়স হয়েছে। তিনি বয়স ও বার্ধক্যজনিত কারণে এমনিতেই মারা যাবেন। তাঁকে উৎখাত করতে আপনি এত মরিয়া কেন?

    সম্রাট সেলুকাসের সঙ্গে স্ট্রেটোনিসের সম্পর্কের কথা দিমিত্রিয়াস জানেন না। প্রিন্সেস সে দিকে গেলেন না, বললেন, তিনি বয়সের কারণে মানসিকভাবে অস্থির। যদি প্রকৃত উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে বসেন, করতেও পারেন, তাহলে আমাদের ক্ষতি হয়ে যাবে।

    এন্টিওকাস এলেন না কেন, রকম প্রশ্ন করতে গিয়েও থেমে গেলেন দিমিত্রিয়াস। কারণ, তার আগেই প্রিন্সেস আবার বললেন, এই অবস্থায় প্রিন্স আসতে পারছেন না। জরুরি সব সামরিক প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে তাঁকে।

    দিমিত্রিয়াস একটু ভেবে নিয়ে বললেন, তাঁর সঙ্গেই কথা বলতে হবে, আপনি কি সব বিষয়ে কথা বলতে কিংবা চুক্তি করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত?

    আমি সে ক্ষমতাতেই এসেছি।

    তাহলে বলুন কী চান আপনি।

    এন্টিওকাস বিদ্রোহ করবে। আপনি তাকে সহযোগিতা করবেন।

    আমি কী পাব তা থেকে?

    যদি আমরা সেলুসিড সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিকারী হই, তাহলে আপনার সব যুদ্ধে সহযোগিতা করব এবং আপনার সব জোটে অংশীদার হব। মিত্র হিসেবে সব সময় ছায়ার মতো অনুসরণ করব।

    কিন্তু আমার বাবার ইচ্ছা হচ্ছে সেলুসিড সাম্রাজ্য দখল করে নেওয়া। আলেকজান্ডারের পর থেকে তাঁর এ অভিযান চলছে। আমরা আপনাদের প্রদেশ ছাড়া আর সবটুকু সেলুসিড সাম্রাজ্য চাই। আপনারা স্বাধীন রাজ্য চালাবেন, এ প্রতিশ্রুতি দিতে পারি।

    সেলুসিড আমাদের সাম্রাজ্য। আমরা সামান্য একটা প্রদেশের জন্য তা আপনাদের ছেড়ে দিতে পারি না।

    আপনার জন্ম তো সেলুসিয়ায় নয়, সিরিয়ায়। সেটিও আমরা ভাগ করে নিয়েছি। রাজ্য বিস্তারের ক্ষেত্রে, সাম্রাজ্য বিস্তারের ক্ষেত্রে রাজা ও সম্রাটদের এত ছোট অভিলাষ কখনোই বড় উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে না। এন্টিগোনাস এ অঞ্চলের একচ্ছত্র অধিপতি হবেন, আমি আমার সময়ে সাম্রাজ্যের আরও বিস্তার ঘটাব, এটাই কাঙ্ক্ষিত। আর একটা কথা, আমি সাম্রাজ্য লাভের জন্য আমার বাবাকে হত্যা করব না, এটা এন্টিওকাসকে জানাবেন। বাবার একজন সেনানায়ক হিসেবে তাঁর আদেশ-নির্দেশ মেনে রাজ্যবিস্তার ঘটাব। আপনারা যদি কোনো কারণে সম্রাট সেলুকাসের বিরাগভাজন হয়ে থাকেন এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান, গ্রিক হিসেবে এন্টিওকাস এবং তাঁর স্ত্রী হিসেবে আপনি তা পাবেন। বিনিময়ে আপনাদের সমুদ্র উপকূলে আমাদের বাণিজ্য জাহাজ বিনা বাধায় গমনাগমন করবে এবং মিত্র হিসেবে আপনারা আমাদের সব অভিযানে সৈন্য পাঠিয়ে সহযোগিতা দেবেন। যদি সম্মত হন, তাহলে আমি সম্রাট এন্টিগোনাসের সঙ্গে কথা বলতে পারি।

    আমাদের এ নিয়ে ভাবতে হবে। তার আগে আপনার প্রস্তাব নিয়ে এন্টিওকাসের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

    বেশ, তাই করুন।

    আপনার বাবার সঙ্গে কথা বললে হয়তো তিনি ভিন্ন মত দেবেন।

    আপনি এ রকম মনে করতেই পারেন। বাবা মনে হয় না আমার মতামতের বাইরে কিছু করবেন।

    প্রিন্সেস স্ট্রেটোনিসের এই সাক্ষাতের বিষয়টি গোয়েন্দা মারফত মোলন আগেই জেনে যান এবং তার ফলাফল কী দাঁড়ায়, তা দেখার জন্য সামরিক গোয়েন্দাদের আরও তৎপর হতে বলেন।

    .

    এরই মধ্যে সেলুকাস সেলুসিয়ায় পৌঁছে গেছেন। মোলনসহ সব জেনারেলকে নিয়ে বসলেন তিনি। পুরোনো মিত্রদের কাছে দূত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হলো। জেনারেল মোলনকে এন্টিওকাসের অবস্থান সম্পর্কে বলতে বলা হলো।

    মোলন ঘটে যাওয়া ঘটনা এবং গোয়েন্দাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে সম্রাটকে যা বললেন, তা রীতিমতো ভয়াবহ। শুনে একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে সেলুকাস বললেন, মোলন, তুমি যা বলছ, তা শুনে আস্থার সংকটে আছি। অতীতও ভুলে যাই নি আমি। ঠিক আছে, আমরা তাকে বাদ দিয়েই এন্টিগোনাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধাভিযান পরিচালনা করব।

    মহামান্য সম্রাট, আপনার অনুমতি নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই।

    জেনারেল সারিকাসের প্রতি তাকিয়ে সেলুকাস বললেন, কী বলতে চাও তুমি?

    আমার অনুরোধ, এন্টিওকাসকে যুদ্ধ পরিকল্পনা থেকে বাদ দেবেন না, তিনি এপিলেকটোই বাহিনী নিয়ে আমাদের সঙ্গে থাকবেন, এতে তিনি মনে করতে পারবেন না যে তাঁকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি তাঁর শক্তিশালী অশ্ববাহিনী নিয়ে আমাদের সঙ্গে থাকলে তাঁর গতিবিধি ও মনোভাবের ওপর দৃষ্টি রাখা যাবে। আমরা তাঁকে যুদ্ধের বাইরে রাখতে চাই না। তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

    সেলুকাস বললেন, সে চাইলে তো যুদ্ধক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    ফিলেকাস বললেন, আপনার আশঙ্কাও ঠিক আছে, মহামান্য সম্রাট। তবে ঝুঁকিটা বেশি থাকে যুদ্ধের বাইরে রাখলে।

    জেনারেল কিউকেকাস বললেন, ভারতীয় হস্তীবাহিনী এবং চার মিত্ররাজ্যের সৈন্যরা আমাদের সঙ্গে থাকবে। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র করতে চাইবেন না প্রিন্স।

    বেশ, তাই হবে। তার কাছে পত্র পাঠানোর ব্যবস্থা নাও। আর গোয়েন্দাগিরি শাণিত করো। সৈন্যদের ছুটিছাটা বাতিল করো। যার যার ইউনিটে যোগ দিতে বলো। ভারতীয় হাতিদের প্রশিক্ষণ কেমন হচ্ছে? আমি কাল নিজেই প্রশিক্ষণ দেখব। প্রশিক্ষক এবং অপরাপর ভারতীয়দের যত্ন-আত্তির কমতি যেন না হয়।

    চার পুরোনো মিত্র টলেমি, লাইসিমেকাস, কাসান্দার ও রোদেসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলো। টলেমি ও কাসান্দার বার্তা পাঠালেন এই বলে যে তারা বন্ধুত্বের মূল্য অবশ্যই দেবেন। তবে সরাসরি যুদ্ধ করতে হবে সেলুকাস ও লাইসিমেকাসকে। কারণ, এঁরা দুজনই এন্টিগোনাসের প্রতিবেশী ও শত্রু। নানা সময়ে তাদের নাজেহাল করা হয়েছে। এ ছাড়া এন্টিগোনাস পরাজিত হলে তাঁর রাজ্য এঁরা দুজনই ভাগ করে নেবেন। ওঁরা ভাগ বসাতে আসবেন না। যুদ্ধের জন্য তাঁদের প্রস্তুতি থাকবে। প্রয়োজনে এঁরা ছুটে আসবেন। রোদেস পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, এই যুদ্ধে তাঁর নিরপেক্ষ থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। কারণটাও ব্যাখ্যা করে জানালেন।

    সেলুসিড বাহিনীকে আবার একটি যুদ্ধে লিপ্ত হতে সময়ের প্রয়োজন ছিল। জেনারেল মোলন ও সারিকাস গুরুত্ব দিয়ে তা সম্রাটকে বোঝালেন। এরা পরাজয়ের গ্লানি আর মানসিক ক্লান্তিতে কিছুটা অবসন্ন। তাদের চাঙা করে তোলার নানা কার্যক্রম চলছে। সারিকাস বললেন, একরা আর্মিতে কোনো সমস্যা নেই, সমস্যাগ্রস্ত হচ্ছে কাতুইকোই আর্মি।

    তাদের বাদ দিলে হয় না?

    ফিলেকাস বললেন, যুদ্ধের মাঠে তাদের প্রয়োজন আছে। একরার ‘বি’ টিম হয়ে কাজ করবে এরা। এ ছাড়া গত তিন বছরে তাদের অভিজ্ঞ করে তোলা গেছে। এখন ক্লান্তি ও বিষণ্ণতা দূর করতে পারলে চাঙা হয়ে উঠবে।

    বেশ, তাই করো।

    সম্রাটের কথার মধ্যেও ক্লান্তির ছাপ আছে। দুই জেনারেল পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করে তাই যেন বোঝালেন।

    .

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত গান্ধারা প্রাসাদে সবাইকে ডেকে পাঠালেন। গ্রিকদেরও আসতে আমন্ত্রণ জানানো হলো। সবাই উপস্থিত হলে সম্রাট যোগ দিলেন।

    তাঁকে বেশ খোশমেজাজে দেখা গেল। ম্রাটের এক পাশে বসেছেন আধ্যাত্মিক গুরু ভদ্রবাহু এবং অন্য পাশে মহামন্ত্রী চাণক্য। সবার মধ্যে দারুণ উৎসুক্য, চাণক্য ছাড়া। কারণ, তিনি তাঁর নিজস্ব গোয়েন্দাদের মাধ্যমে আগেই জেনে গেছেন সেলুকাস রাতের অন্ধকারে চলে গেছেন। তবে একেবারেই যে উৎসাহী নন, তা নয়। সম্রাট কী বলবেন, তাঁর প্রতিক্রিয়া কী এখন, তা জানা যাবে।

    সম্রাট বললেন, সম্রাট সেলুকাস তাঁর সাম্রাজ্যের জরুরি কাজে গত রাতে সেলুসিয়ায় চলে গেছেন। ব্যাপারটা এত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি যে তিনি আমাকে ছাড়া আর কাউকে জানানোর সময় ও সুযোগ পান নি। তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমি তাঁকে কথা দিয়েছি, মৌর্য সাম্রাজ্য সব সময় তাঁর পাশে থাকবে। আচার্য মহামন্ত্রী, আমাদের প্রতিশ্রুত বাকি একশত হস্তী সম্রাটের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নিন। প্রয়োজনে কিছু সৈন্যকে প্রস্তুত রাখুন, যারা গজারোহী ও চৌকস। আচার্য ভদ্রবাহু, প্রিন্সেসের সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে তাঁর (সেলুকাসের) অভিমত হচ্ছে, বিয়েটা ভারতীয় রীতিতে হতে হবে, কন্যাদানের আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন তাঁর বোন দিদাইমেইয়া। মহামন্ত্রী বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করবেন, আনুষ্ঠানিকতায় উৎসবের কমতি হবে না।

    আমি এখন দিদাইমেইয়া এবং তাঁর সঙ্গীদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলতে চাই। আচার্যগণ, সভাসদগণ, ধন্যবাদ আপনাদের।

    দিদাইমেইয়া সম্রাটের ব্যাপারে উৎকণ্ঠিত আছেন। কেন জানালেন না তাদের, না জানিয়েই বা গেলেন কেন, এ নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে।

    চন্দ্রগুপ্ত দিদাইমেইয়ার কাছে পত্রটি দিয়ে বললেন, পড়ে দেখুন। আপনাকে কোনো কিছু না জানিয়ে গেছেন কি না, আমার জানা নেই।

    দিদাইমেইয়া পত্রে চোখ বুলিয়ে তা কর্নেলিয়ার হাতে দিলেন এবং কর্নেলিয়ার প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকলেন।

    কর্নেলিয়া বললেন, ভয়াবহ রকম চ্যালেঞ্জটা কার কাছ থেকে এল?

    এন্টিওকাস নয় তো, বললেন লাউডিস।

    নিকোমেডেস বলল, আমাদের কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে। তিনি নিশ্চয়ই আমাদের উৎকণ্ঠায় রাখবেন না, সবকিছু এখন অবহিত করবেন। পত্র লিখবেন বা দূত পাঠাবেন।

    যা-ই ঘটুক, আমরা সহায়তা করব, বললেন সম্রাট। আপনাদের চিন্তামুক্ত রাখা আমাদের কাজ।

    মহামান্য সম্রাট, আপনি কি কাউকে পাঠাবেন সংবাদ আনার জন্য?

    সম্রাট জানেন না চাণক্যের পাঠানো গোয়েন্দারা প্রতিদিনই সংবাদ সংগ্রহ করছে এবং তাঁর কাছে পাঠাচ্ছে। বললেন, আপনারা যদি চান এক্ষুনি পাঠাতে পারি।

    অনুগ্রহ করে তাই করুন, বললেন দিদাইমেইয়া। তিনি অসহায়বোধ করছেন।

    এরা সবাই উঠে যাওয়ার সময় সম্রাট বললেন, পত্রের ব্যাপারটা গোপন রাখা একান্ত কাম্য। যাওয়ার কালে কর্নেলিয়ার সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তের দুবার দৃষ্টি বিনিময় হলো। ফাওলিনের তা দৃষ্টি এড়াল না। সে ফিক করে হেসে দিল। সম্রাট বললেন, নিকো, তুমি ফাওলিনকে নিয়ে বেড়াতে আসবে।

    মহামান্য সম্রাট, আর কেউ আসবে না? বলে ফোড়ন কাটল ফাওলিন।

    এরা চলে গেলে সম্রাট আবার দুই আচার্যকে নিয়ে বসলেন। পরিস্থিতির ওপর নজর ও নিয়ন্ত্রণ রাখার দায়িত্ব পড়ল মহামন্ত্রী চাণক্যের ওপর। তিনি দূত পাঠিয়ে দ্রুত সংবাদ সংগ্রহের জন্য মহামন্ত্রীকে অনুরোধ করলেন। চাণক্যের কাছে গোয়েন্দা বার্তা এমনিতেই আসত। তিনি সম্রাটকে আশ্বস্ত করলেন। তবে ভেতরে ভেতরে তাঁর নিজের মতো করে একটা পরিকল্পনা করে নিলেন।

    চাণক্যের সঙ্গে কথা বলে চন্দ্রগুপ্ত ভদ্রবাহুর দিকে তাকালেন। ভদ্রবাহু বললেন, এসব রাজকীয় সমস্যা থাকবেই। আমি গ্রিক পুরোহিতের সঙ্গে কথা বলেছি। এই পূর্ণিমাতেই বিয়ের দিন ধার্য করা যায়। শেষ রাতে শীত পড়তে শুরু করেছে।

    আচার্য চাণক্য বললেন, শীতের মর্মার্থ শেষ রাতের শীত নয়, শীতকাল।

    শেষ রাতে শীত দিয়েই শীতকাল তার আগমনবার্তা জানায়, আচার্য।

    মহামন্ত্রী চাণক্যের প্রতিক্রিয়ার প্রতি অর্থপূর্ণভাবে তাকালেন চন্দ্রগুপ্ত। বললেন, আচার্য, আমি যতটুকু বুঝি, তক্ষশীলার মহাশিক্ষালয় পুরোনো সব সংস্কারকে নাইয়ে দেয়। আপনি সে পর্ব পার করে এসেছেন। গ্রিকদের সংস্কার কেউ পরিশুদ্ধ করে দেয় নি, আমরা দুয়েকটাকে পাখির ঠোঁটের মতো স্পর্শ করে উড়ে গেলে তেমন কিছু ক্ষতি হবে না। সংস্কারটা যাদের, এরা তো আপত্তি করছে না।

    আমি সেভাবে বলি নি, সম্রাট, আচার্য ভদ্রবাহুর সঙ্গে মজা করছিলাম। আপনি একজন প্রিন্সেসের জন্য ধর্মান্তরিত হবেন, সেটাও মনে করি না!

    সম্রাট বলতে যাচ্ছিলেন, আচার্য, আপনি তো একদিন আজীবিকের বেশ ধরে পালিয়েছিলেন, কিন্তু বললেন না। বরং শ্রদ্ধা দেখিয়ে বললেন, আপনার সব পরামর্শ এখনো আমার মনে আছে। এ সময় দ্বারবারিক এসে জানাল, একজন গ্রিক দূত এসেছেন, সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। সম্রাট মহামন্ত্রীর দিকে তাকালেন। মহামন্ত্রী বললেন, সম্রাট সেলুকাসের কোনো জরুরি বার্তা নিয়ে আসে নি তো?

    সম্রাট দ্বারবারিককে বললেন, আসতে দাও।

    গ্রিক দূত বার্তা হস্তান্তর করে সোজা হয়ে দাঁড়াল। চন্দ্রগুপ্ত পত্রের ওপর দ্রুত চোখ বুলিয়ে গেলেন। সেলুকাস যা লিখেছেন, তা হলো এই :

    সম্রাট, আমি জেনারেল মোলনের বার্তা পেয়ে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ি। আমার নিকটজন আমাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ঘটনা সত্য। এখানে আমার উপস্থিতি ষড়যন্ত্রকারীদের কিছুটা হলেও হতাশ করবে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আপনার দেওয়া হাতিগুলোকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আপনার কাছ থেকে সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, আমার কর্নেলিয়া আপনার কাছে। তাকে সব সময় আনন্দ দেবেন, এটাই আপনার কাছে আমার চাওয়া। আপনাদের বিয়ে সুন্দরভাবে হবে, আমি নিশ্চিত। সাম্রাজ্যের এই দুঃসময়ে ষড়যন্ত্রকারী শত্রুদের কাছে সিংহাসন ঝুঁকিতে রেখে আমি বিয়েতে থাকতে পারছি না বলে আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি। অতীতে যতই ভুল-বোঝাবুঝি হয়ে থাক, এখন সম্পর্ক এগিয়ে যাবে, এ কথা আমি দিতে পারি। দূতের কাছে আমি একটি গ্রিক পোশাক, মণিমুক্তাখচিত একটি স্বর্ণমুকুট এবং ঢালসহ রয়াল গ্রিসের একটি রাজকীয় তরবারি পাঠালাম। আপনি মাঝেমধ্যে এ পোশাক পরিধান করলে আমার মেয়ে গ্রিক ঐতিহ্যকে তার মধ্যে খুঁজে পাবে। এগুলো আগেই তৈরি করে রাখা ছিল বিয়ের অনুষ্ঠানে দেব বলে। দিদাইমেইয়াকেও আমি বিস্তারিত লিখে জানিয়েছি। তিনি নিজে থেকে বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। কর্নেলিয়াকে ছোট্ট একটা পত্র লিখেছি, এটি পাঠ করে বাবার ওপর তার আর ক্ষোভ-অভিমান থাকার কথা নয়। আপনারা ভালো থাকুন।

    ইতি
    সেলুকাস।

    সবার দৃষ্টি সম্রাটের দিকে। সম্রাট পত্র থেকে চোখ তুলে বললেন, যাক, চিন্তামুক্ত হওয়া গেছে। দূত উপহারগুলো হস্তান্তর করল অলংকৃত তিনটি বাক্সসহ।

    মহামন্ত্রী চাণক্য বললেন, আমাদের জন্য কিছু বলবেন, সম্রাট।

    বাকি হস্তীগুলো পাঠানোর ব্যবস্থা নিন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }