Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৯২

    ৯২

    মেজাজটা আজ বেশ ফুরফুরে সেলুকাসের। চন্দ্রগুপ্তের পাঠানো বলবর্ধক ওষুধে কাজ হয়েছে। রাতের স্মৃতি রোমন্থন করছেন তিনি। মনে একপ্রকার উল্লসিত ভাব। এ রকম ভাব শুধু যুদ্ধজয়ের পরই মনে উদিত হয়।

    সামনে তাঁর মেগাস্থিনিসের বিবরণটি, রিপোর্ট আকারে দুদিন আগে যা জমা দিয়ে গেছেন। মেগাস্থিনিস মুখে যা বলেছেন, সেসবের সঙ্গে বিস্তারিত ভৌগোলিক বিবরণ। এসবে চোখ বোলালেন। গভীরে গেলেন না। এক জায়গায় এসে সিরিয়াস হয়ে গেলেন। মেগাস্থিনিস লিখেছেন, মৌর্যদের শাসনব্যবস্থা শ্রেষ্ঠত্বের দিক দিয়ে ইজিপ্টের ফারাওদের শাসনের সঙ্গে তুলনীয়। শাসন-শৃঙ্খলার দিক থেকে এরা ইজিপশিয়ানদের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।

    কেন শ্রেষ্ঠ? সেলুকাসের মনে এ প্রশ্ন ধাক্কা মারল। জবাবটা অবশ্য মেগাস্থিনিস নিচের অনুচ্ছেদেই দিয়েছেন। লিখেছেন, এদের সাম্রাজ্য শাসনের মূল কেন্দ্র হচ্ছে নগর প্রশাসন। নগর প্রশাসনের ছয়টি বিভাগ। প্রথম বিভাগে আছে শিল্পসংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়। দ্বিতীয় বিভাগে আছে বিদেশিদের দেখভাল। বিদেশিদের এরা স্কট করে এগিয়ে নিয়ে আসে, থাকার ব্যবস্থা করে এবং এদের নানা কাজে সহায়তা করে। অসুস্থ বিদেশিদের চিকিৎসাসেবা এবং মৃত বিদেশিদের সৎকার করাও এদের কাজ। মৃত বিদেশিদের সম্পদ আত্মীয়ের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বও এরা পালন করে। তৃতীয় বিভাগে আছে জন্ম-মৃত্যুর খোঁজখবর রাখা। এটা করের আকার ধার্য কিংবা সংখ্যা বেশি-কম হওয়ার জন্য নয়, সরকারের নজরের বাইরে যাতে কিছু না ঘটে, সে জন্য। চতুর্থ ভাগে আছে ব্যবসা-বাণিজ্য। উৎপাদন, ওজন পরিমাপ, মৌসুমি ফলন ক্রয়-বিক্রয় প্রভৃতি দেখা এ বিভাগের কাজ। পঞ্চম বিভাগের কাজ হলো ব্যবহার্য দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন, বিক্রয় বা বাজারজাতকরণ প্রভৃতির দিকে নজর রাখা। নতুন-পুরোনো জিনিস আলাদাভাবে বিক্রয় করতে হয়। দুটোর মিশ্রণ ঘটলে বা পুরোনোকে নতুন বলে বিক্রয় করলে কঠোর সাজা ভোগ করতে হয়। ষষ্ঠ বিভাগের কাজ হলো বিক্রয় করা পণ্যের কর হিসেবে দশ ভাগের এক ভাগ আদায় করা। কর ফাঁকি দেওয়ার শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।

    ছয়টি বিভাগের পাঁচজন করে কর্মকর্তা তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পালন করে। তাদের সামগ্রিক সক্ষমতা সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা, সরকারি অবকাঠামো সংস্কার, দর নির্ধারণ ও কার্যকরকরণ, বাজার নজরদারি, সমুদ্র-নদীবন্দর, মঠ প্রভৃতির ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রশাসন পরিচালনা এবং নগর বিচারকের তৃতীয় একটি বড়ি বিচারকাজের পাশাপাশি কীভাবে সামরিক বাহিনীকে পরিচালনা করে, তারও একটি চমৎকার বর্ণনা রয়েছে। সেলুকাস যতই দেখছেন, অবাক হচ্ছেন। সারা সাম্রাজ্যের প্রশাসন কীভাবে চলে, তারও বিস্তারিত ধারণা দেওয়া আছে। সেলুকাস ভাবলেন, একজন উপযুক্ত মানুষকেই তিনি দূত হিসেবে পাঠিয়েছেন।

    রিপোর্টে উল্লেখ আছে সাম্রাজ্যে মানুষের শ্রেণিবিভাজনের কথা, তবে তা বর্ণভিত্তিক নয়। পেশা বা কর্মভিত্তিক। পেশার সঙ্গে মর্যাদার প্রশ্ন জড়িত। এখানে দার্শনিকেরা হচ্ছেন প্রথম অভিজাত শ্রেণি। অন্যদের থেকে সংখ্যায় কম কিন্তু মর্যাদার দিক থেকে সবার ওপরে। এরা কারও প্রভু নন, আবার ভৃত্যও নন। এরা বছরে একবার একত্র হয়ে খরা, জলবায়ু, রোগব্যাধি ও সম্ভাব্য সব বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেন। এতে রাজা ও প্রজাগণ সব রকম দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেষ্ট থাকতে পারেন। যেসব দার্শনিকের ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক হয় না, এঁরা বাকি জীবনের জন্য একেবারে চুপ হয়ে যান। যাঁদের বাণী সঠিক হয়, এঁরা সম্মানিত হন, উপহার পান, মর্যাদার অধিকারী হন।

    সব সম্পত্তি রাজা বা সম্রাটের। হাজব্যান্ডম্যানরা তাতে ফসল ফলায়। ফসলের এক- চতুর্থাংশ রাজকোষাগারে জমা দেয়। এরা গ্রামে থাকে। এরা দ্বিতীয় কাস্টের মানুষ। তৃতীয় এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা বেদেশ্রেণির। শহর বা গ্রাম কোথাও বসতি গড়ে না ভেসে বেড়ায়। এদেরও কোনো কর দিতে হয় না।

    চতুর্থ হচ্ছে আর্টিজানস। তির-ধনুকধারী। কর দিতে হয় না, বরং রাজকোষ থেকে পারিতোষিক পায়। পঞ্চম মিলিটারি। এরা বেশ সংগঠিত এবং যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত। ষষ্ঠ হচ্ছে ওভারশিয়ার। এরা সমগ্র সাম্রাজ্য পরিদর্শন করে সম্রাটকে রিপোর্ট দেয়। সম্রাটকে না পারলে ম্যাজিস্ট্রেটকে। সুবিচার আছে। তাই মানুষজন সুখী। সপ্তম হচ্ছেন কাউন্সিলর এবং এসেসররা। এঁদের মধ্যে আছেন উপদেষ্টা/মন্ত্রী, কোষাধ্যাক্ষ, আরবিটেটর, সেনাপ্রধান, প্রধান বিচারক প্রমুখ। এঁরা খুবই মর্যাদাবান, উচ্চমাত্রার চারিত্রিক গুণাবলির অধিকারী এবং সদিচ্ছা পোষণকারী। কেউই নিজের কাস্টের বাইরে বিয়ে করতে পারে না। সৈন্যরা হাউসহাজব্যান্ড, আর্টিজান অথবা দার্শনিক হতে পারে না। (মেগাস্থিনিস পাটালিপুত্রকে ‘পালিবোথ্রোস’ এবং চন্দ্রগুপ্তকে ‘সানশুভ্রা’ বলেছেন)।

    শেষে লিখেছেন, প্রজারা আইন মেনে চলে। চৌর্যবৃত্তি নেই। সহজ-সরল জীবন যাপন করে। মদ্যপান করে না, ভদ্র, শান্তশিষ্ট জনগণ সহযোগিতাপ্রবণ। এরা ফুলের নকশা করা বস্ত্র ও গয়না পরিধান করে। সৌন্দর্যের জন্য তাদের সমীহ করতে হয়। সাজসজ্জায় বিভিন্ন ‘লুক’ পছন্দ করে।

    মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তি হস্তচ্ছেদন। আর্টিজানরা এ রকম অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড ভোগ করে। ঋণ যথাসময়ে ফেরত না দিতে পারলে বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি ভোগ করতে হয়।

    রিপোর্ট পড়ে সেলুকাস ভাবলেন, কোনো কোনো ব্যাপারে মেগাস্থিনিসের সঙ্গে তাঁর আলোচনা করা দরকার। তবে সামগ্রিকভাবে রিপোর্টটি তাঁর মনঃপূত হয়েছে।

    আলোচনাকালে দেখা গেল, কূটনৈতিক বিষয়গুলো রিপোর্টে আসে নি। এ ছাড়া সেলুকাস যুদ্ধ-পরবর্তী সময় উত্তর থরে অবস্থানকালে অধ্যাপকদের যে দাপট দেখেছেন, তা-ও অনুক্ত রয়ে গেছে। তিনি দুটো বিষয়ে আবার প্রতিবেদন দিতে বললেন মেগাস্থিনিসকে।

    এ সময় দিদাইমেইয়া উপস্থিত হলেন সেলুসিয়ায়। হারমিজ তার নানাকে দেখে যতটা খুশি, তার চেয়ে বেশি মজা পাচ্ছে মেগাস্থিনিসকে দেখে। তার ধারণা, মেগাস্থিনিস একটা বোকার হদ্দ। মেগাস্থিনিস এতে কিছু মনে করেন না। সবাই প্রায় একসঙ্গে ইন্ডিয়া থেকে এসে পড়ায় এবং দেখাসাক্ষাৎ হওয়ায় ভালোই বোধ করছেন। দিদাইমেইয়া মেগাস্থিনিসকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি আবার কবে যাচ্ছ?

    মেগাস্থিনিস তাড়াতাড়িই যেতে চান। একটা বাড়তি টান অনুভব করেন ভারতবর্ষের প্রতি। বললেন, শিগগিরই। তবে আরাচোশিয়ায় একবার ঘুরে আসতে চাই।

    বেশ, যাও। তবে তাড়াতাড়ি এসো। ইন্ডিয়ায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চলে যাও। এত দিন আমরা সবাই ছিলাম। এখন কর্নেলিয়া একাকিত্বে ভোগবে। তোমার উপস্থিতি এ সময় তার জন্য স্বস্তির কারণ হতে পারে।

    সেলুকাস বললেন, তোমার কাজ দুটো শেষ করে রিপোর্ট জমা দিয়ে তবে যাও। আরাচোশিয়া যাওয়া কি জরুরি?

    না গেলেও চলে।

    তাহলে তুমি ইন্ডিয়ায়ই ফিরে যাও, বললেন দিদাইমেইয়া।

    এখানে এসে দলটির দারুণ ভাঙন সৃষ্টি হলো। মিসরে যাচ্ছে নিকোমেডেস ও ফাওলিন। লাউডিস যাচ্ছে সিরিয়ায়। জেনারেল কিউকেকাস এখন নতুন অধিকৃত এলাকায় তাঁর সৈন্যদের সঙ্গে অবস্থান করছেন। দিদাইমেইয়া ভাবলেন তাঁর জন্মস্থানে যাবেন, সেখানে তাঁর নামের যে অ্যাপোলো মন্দির রয়েছে, তাতে আরাধনা করে আসবেন।

    সেলুকাস বললেন, তোমরা তাহলে ইন্ডিয়ায় থেকে যেতে পারতে এবং তা-ই বরং ভালো ছিল।

    হারমিজ বলল, একদম ঠিক বলেছ। আমার মনে হচ্ছে থাকার জন্য ইন্ডিয়াটাই ভালো।

    মেগাস্থিনিস বললেন, তুমি ঠিকই বলেছ, ভাবো, ইন্ডিয়া হচ্ছে আমার জন্য শ্রেষ্ঠ জায়গা।

    সবাই অর্থপূর্ণভাবে তাকালেন মেগাস্থিনিসের দিকে। সেলুকাস বোধ হয় আরও বেশি অর্থপূর্ণভাবে তাকালেন।

    এবার মেগাস্থিনিস কিছুটা বিব্রত বোধ করলেন। তা লক্ষ করে সেলুকাস বললেন, মেগাস্থিনিস, এখন দ্রুত কাজগুলো শেষ করো। আমরা পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা বলি।

    মেগাস্থিনিস উঠে গেলে দিদাইমেইয়া বললেন, কর্নেলিয়া ভালোই আছে। গুছিয়ে নিয়েছে সবকিছু। আমার মনে হয় প্রাসাদের বাইরেও প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে।

    কী রকম, জিজ্ঞেস করলেন সেলুকাস।

    মহামন্ত্রী, মহামাত্য—সবাই তার থেকে পরামর্শ নেয়।

    কন্যা আরেকটি সাম্রাজ্যের পরিচালনায় প্রভাব বিস্তার করছে, তা শ্লাঘার কথা। কিন্তু সেলুকাস বললেন, তাতে সম্রাটের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হবে না তো?

    এ সুযোগ তো সম্রাটই দিয়েছেন।

    কত দিন দেবেন?

    এ নিয়ে তুমি ভেবো না তো। আমাদের কর্নেলিয়া বেশ বুদ্ধিমতী, সব সামলে নেবে। বেশি বুদ্ধিমান তো মহামন্ত্ৰী চাণক্য, তাঁকে হাতে রাখতে পারলে মনে হয় না কোনো সমস্যা হবে।

    তুমি ভুলে যাচ্ছ যে তক্ষশীলায় সম্রাটপুত্র বিন্দুসার বড় হচ্ছে।

    এটি আশঙ্কার কথা বলেছ, যদিও কর্নি যুবরাজের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখছে। ম্যানেজ করে নেবে সে সবকিছু। এখন নতুন রাজকন্যাকে ডাকো দেখি তাকে। শুনেছি সে দিমিত্রিয়াসের মেয়ে।

    দিদাইমেইয়ার মুখে দিমিত্রিয়াসের মেয়ের কথা শুনে সেলুকাস হাসলেন। বললেন, আপামার মতোই তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেব।

    তুমি ভুলে যাচ্ছ কেন, এ হচ্ছে কালকেউটে, তোমার মতো গ্রিক রক্ত তার দেহে।

    তুমি না দেখে, তাকে না জেনে মন্তব্য করছ। আপামাকে বলেছিল ইজিপশিয়ান কেউটে। অথচ ওর মতো শান্ত আর ভালো রাজকুমারী হয়ই না।

    দুটোকে মেলাবে না। আপামা ছিল সত্যিকার অর্থেই রাজকন্যা। এ তো তোমার সেনাগো শত্রু এন্টিগোনাসের নাতনি। যে নাম শুনলাম, এটা কি তার আসল নাম? না, শয়তানটাকে না ভুলতে পেরে ওর নামে নাম রেখেছ?

    এ কথায় সেলুকাস বেশ বিব্রত হলেন। লাউডিস উঠে গেলেন। নিকোমেডেসরা তাঁকে অনুসরণ করল। সেলুকাস বললেন, না, এটি তার আসল নামই। আমি যুদ্ধ জয় করে তাকে পেয়েছি। বিজয়ী বীর জয়ের স্বাদ নানাভাবেই ভোগ করতে পারে। এ ছাড়া সব বয়সেই একজন সঙ্গীর প্রয়োজন হয়।

    দেখো, কোথাও যেন ভুল না হয়।

    কোনটা ভুল সহজে বলা শক্ত। একটু আগে মেগাস্থিনিস হিমালয় পর্বতকে বলছিল মাউন্ট ‘হেমোডোস’।

    নাম ভুল কিংবা বিকৃতভাবে বললেও বদলায় না। যেমন চন্দ্রগুপ্তকে সে বলেছে সানড্রাকোট্রোস। যাক, ব্যাপারটা একান্তই তোমার। আমি পরামর্শ দেব সতর্কভাবে হ্যান্ডেলিং করো। মনে রেখো, দিমিত্রিয়াস বেঁচে আছে।

    সেলুকাস এ রকম অনভিপ্রেত আলোচনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। দিদাইমেইয়ার অপ্রীতিকর কথাবার্তায় মনে মনে ক্ষুব্ধ। এ রকম ক্ষোভের প্রকাশ করে বললেন, দিমিত্রিয়াসকে আমি এবার জীবন্ত ধরে নিজ হাতে হত্যা করব। তার বাবার মতো পরিণতি ভোগ করতে হবে তাকে।

    দিদাইমেইয়া উঠে গেলেন।

    .

    স্বজনদের চলে যাওয়ায় হেলেন বেশ শূন্যতাবোধ করছেন। তা চন্দ্রগুপ্তের দৃষ্টি এড়াল না। কাছে এসে হেলেনের হাত নিজের হাতে নিয়ে বললেন, বড় চমৎকার মানুষ এরা সবাই। এমন আত্মীয়স্বজন কমই হয়। দিদাইমেইয়া এক অসাধারণ মমতাময়ী মা। তাঁকে আমি ভুলব না কখনো। লাউডিস, তার মেয়ে, নিকোমেডেস, ফাওলিন—সবাই। আমরা আবার তাদের নিয়ে আসব। এ কথায় চন্দ্রগুপ্তের কাঁধে মাথা রাখলেন হেলেন। তাঁর ভেতর থেকে উষ্ণ একটা নিঃশ্বাস বের হয়ে এল। আবার চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আমি জানি, তোমার মনে অনেক কষ্ট। তা দূর না করতে পারাটা আমার ব্যর্থতা। আজ পূর্ণিমার রাত। নিখিলের বাঁশি শুনবে থর মরুভূমিতে।

    হেলেন মাথা তুলে উঠে বসলেন। বললেন, সেদিন সব শিল্পীকে পুরস্কৃত করলেন, নিখিল আপনার কাছ থেকে কিছু পেল না।

    তাই তো। সে এমনভাবে আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে যে তাকে বড় কিছু দেওয়ার কথা। আমি দেব তাকে।

    সবার সামনে দেওয়া ঠিক হতো না?

    আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না কী দেব, সেদিন একবার মনে হয়েছিল, তাকে সাম্রাজ্যটা দিয়ে দিই। দিলে পাগলামি হতো সন্দেহ নেই, কিন্তু তা অর্থপূর্ণ পাগলামি হতো।

    সম্রাটের কথা শুনে কষ্টের মধ্যেও হেলেন হাসলেন। সম্রাট আবার বললেন, সে পাবে অসাধারণ কিছু। তাহলে আজ থর মরুভূমিতে আবার নিখিলের বাঁশি শুনছি আমরা।

    হেলেন সম্মতিসূচক মাথা নাড়লেন।

    .

    আচার্য ভদ্রবাহুর সঙ্গে দাক্ষিণাত্যের ব্যাপারটা নিয়ে কথা বললেন মহামন্ত্ৰী চাণক্য।

    ভদ্রবাহু বললেন, অন্ধ্রের উপজাতি রাজার এক লক্ষ পদাতিক, দুই হাজার অশ্বারোহী এবং এক হাজার হস্তীসৈন্য বল থাকতেই পারে। কিন্তু এই শক্তি নিয়ে এর মৌর্য সাম্রাজ্য আক্রমণ করবে?

    সে তো তা-ই বলল। সে অবশ্য সৈন্যসংখ্যা বলতে পারে নি। তার ভাষ্যমতে, শুধু রাজাই জানেন কত সৈন্য আছে। আমি আমাদের গোয়েন্দাদের দিয়ে এ সংবাদ আনিয়েছি। সে একজন সেনাপতি। তার সব সংবাদই জানার কথা। হতে পারে সে ক্ষতিকরভাবে চিহ্নিত সেনাপতিদের একজন, যার তথ্য জানাটা ঠিক নয় ভেবে তার কাছে গোপন রাখা হয়েছে। আপনি চাচ্ছেন দাক্ষিণাত্যে অভিযান চালাতে, এই তো?

    চাণক্য বললেন, সম্রাট এখন নতুন সম্রাজ্ঞীকে নিয়ে ব্যস্ত। এ সময় অভিযানে যাবেন কি না, তা নিয়ে ভাবছি। আমার পরিকল্পনা হলো, শত্রুর আক্রমণের আগে অকস্মাৎ আক্রমণ করে নাস্তানাবুদ করে দেওয়া।

    তার অর্থ, ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ হবে না।

    না।

    সম্রাটের সঙ্গে ব্যাপারটা নিয়ে পরামর্শ করুন। তাঁর নির্দেশেই তো অভিযান হবে।

    আমি সেনাপতিটিকে ডাকাব। সে-ই সবকিছু উপস্থাপন করবে সম্রাটের সামনে। মানচিত্র ধরে সে যুদ্ধের পথ দেখাবে।

    আমাদের সৈন্যরা মালভূমি এলাকায় যুদ্ধ করে-নি, এটা মাথায় রাখতে হবে। সৈন্যদের সেভাবে তৈরি করতে হবে।

    আচার্য, আপনি ঠিক বলেছেন। যুদ্ধের কলাকৌশল আপনারও রপ্ত হয়ে গেছে।

    সেটি আপনার কল্যাণে। আপনার সঙ্গে থাকতে থাকতে।

    দেখুন, গ্রিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৈন্যরা কিছুই পায় নি। দাক্ষিণাত্য সম্পদে পরিপূর্ণ। সে সম্পদ হস্তগত করতে পারলে আমরা কখনো অর্থসংকটে পড়ব না।

    এসব সম্রাটকে বলবেন।

    তা-ই ভাবছি আমি।

    .

    পরদিন সকালে সম্রাট লোক পাঠালেন আচার্য ভদ্রবাহুর কাছে। ভদ্রবাহুকে কষ্ট করে এখনই আসতে হবে। বহুদিন হলো এভাবে ডাক আসে নি। ভদ্রবাহু কিছুটা অবাক হলেন। তবে তিনি গেলেন।

    চন্দ্রগুপ্ত প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিলেন ভদ্রবাহুর কাছে যে তাঁকে কষ্ট দিয়ে প্রাসাদে আনা হয়েছে। ব্যাপারটা সম্রাটের কাছে বেশ শঙ্কার এবং তিনি তাতে চিন্তিত বোধ করছেন।

    ব্যাপারটা কী, প্রশ্ন করলেন ভদ্রবাহু।

    সম্রাট বললেন, স্বপ্ন। কিছু স্বপ্ন দেখেছি, যার ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত অস্থির লাগছে। এ অস্থিরতার কথা লোকজন পাছে টের পেয়ে যায়, তাই তিনি আচার্যকে এখানে ডেকে এনেছেন। শেষে এ কথাও বললেন।

    আচার্য জিজ্ঞেস করলেন, কী স্বপ্ন, চন্দ্র?

    একবার দেখলাম একটা বানর সিংহাসনে বসে আছে। আবার দেখলাম ক্ষত্রিয় বালকেরা গাধার পিঠে চড়ছে। কিছুক্ষণ পর দেখি বানরের ভয়ে হংস উড়ে যাচ্ছে। সবশেষে দেখলাম বারো মাথার এক সর্প ফণা তুলছে।

    আচার্য এতে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। সর্বাগ্রে তাঁর মনে পড়ল মহামন্ত্রী আচার্য চাণক্যের কথা। একটা বানর মানে কি উপজাতি রাজা? বানরেরা জঙ্গলে মালভূমিতে থাকে। প্রতীকী অর্থে সব মিলে যাচ্ছে। দ্বিতীয় স্বপ্নে দেখা ক্ষত্রিয় বালকদের ঘোড়ায় চড়ার কথা, কেন এরা গাধার পিঠে চড়বে? তৃতীয় স্বপ্ন বানরের ভয়ে রাজহংস উড়ে যাচ্ছে, তার অর্থ কি রাজ অমাত্য জ্ঞানীগুণী ব্যক্তি ও রাজপরামর্শকেরা বিতাড়নের শিকার হবেন? বারো মাথার সর্প তো সাংঘাতিক ব্যাপার। স্বপ্নগুলোর একটির সঙ্গে অন্যটির যোগসূত্র রয়েছে। কিছুক্ষণ ভেবে নিয়ে আচার্য ভদ্ৰবাহু বললেন, চন্দ্র, তোমার ডান হাতটা দাও। সম্রাট হাত বাড়িয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ ভালো করে দেখে আচার্য বললেন, কোনো কোনো স্বপ্ন আসে পূর্বসতর্কতার জন্য। তোমার দেখা স্বপ্নগুলো সে রকম কিছু।

    চন্দ্রগুপ্ত অস্থির হয়ে বললেন, কী রকম সতর্কতা? কোন ব্যাপারে সতর্কতা?

    ধৈর্য ধরো তুমি। আমি ব্যাখ্যা করে বলছি।

    একটা বানর সিংহাসনে বসে আছে, তার ব্যাখ্যা হলো কুৎসিত নীচুজন্মা মন্দ লোকেরা ক্ষমতা দখল করবে।

    কারা এরা?

    খোঁজ করে জানতে হবে। গোয়েন্দাদের তৎপর করতে হবে।

    ক্ষত্রিয় বালকেরা গাধায় চড়ছে, তার অর্থ কী আচার্য?

    উচ্চমর্যাদার রাজা নিম্ন পর্যায়ে নেমে আসবেন।

    বুঝলাম না।

    রাজা সাধারণ মানুষের কাতারে চলে আসবেন, তিনি আর রাজা থাকবেন না।

    বানরের ভয়ে রাজহংসরা উড়ে চলে যাচ্ছে।

    উঁচু জাতের ব্যক্তিদের নিচে নামানোর চেষ্টা হবে। মর্যাদার দিক থেকে উচ্চপদের ক্ষেত্রেও তা হতে পারে।

    বারো মাথার সর্প ফণা তুলছে কেন?

    দেখো চন্দ্র, বারো মাথার সর্প কেউ দেখে নি কখনো, এটা কল্পনামাত্র!

    তাহলে তার কোনো অর্থ নেই, আচার্য?

    আছে, আছে। ব্যাপারটা দুর্ভিক্ষ হতে পারে।

    আমার সাম্রাজ্যে তো খাদ্যের অভাব নেই, দুর্ভিক্ষ কেন হবে?

    না-ও হতে পারে। সব স্বপ্ন বাস্তবে ফলে না। বস্তুগতভাবে কিছু বিষয় আছে, যার অর্থ ভিন্ন। চন্দ্র, স্বপ্নের ব্যাখ্যা আমি করি বটে। স্বপ্ন আসলে এটা নয়, যা আমরা ঘুমিয়ে দেখি। স্বপ্ন হচ্ছে সেটা, যা আমাদের ঘুমোতে দেয় না। আমি উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা বলছি।

    এমন কথা তো কখনো বলেন না, আচার্য। আজ কেন বলছেন?

    এ মুহূর্তে আমি নিজেও জানি না, তুমি এ নিয়ে ভাবো, আমাকেও ভাবতে দাও। তা ছাড়া এমন এক স্বপ্ন দেখো তুমি, যা তোমাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

    আমি কি ইচ্ছা করলেই স্বপ্ন দেখতে পারি?

    আমরা ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্ন দেখি, ইচ্ছা করলে তা দেখতে পাই না বটে, কিন্তু জেগে স্বপ্ন দেখতে বাধা কোথায়?

    আচার্য, আপনি আজ নতুন কথা বলছেন। স্বপ্নের ভিন্ন এক ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তা আমাকে অস্থির করে তুলছে।

    জেগে থাকার স্বপ্নে যে অস্থিরতা, তা মূল্যবান, এখানে কোনো আতঙ্ক নেই, আছে সম্ভাবনার হাতছানি।

    ভাবতে হবে আমাকে, ভাবতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }