Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ১০২

    ১০২

    সেপ্টেম্বর, ২৮১ খ্রিষ্টপূর্ব।

    সকালে ঘুম থেকে উঠে সেলুকাস বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন। প্রাতরাশের আয়োজন হয়েছে আরসিনোয়ের ভোজনশালায়। সেখান থেকে সম্মিলিত যুদ্ধযাত্রা ইজিপ্টের বিরুদ্ধে। রানি আরসিনোয়ের সৈন্যরাও যোগ দেবে তাদের সঙ্গে। এরা সেলুসিয়ায় আগেই পৌঁছে গেছে।

    আরসিনোয় স্বাগত জানালেন সেলুকাসকে প্রাতরাশের টেবিলে। দুজনই প্রাণবন্ত। একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন দেখা হওয়ামাত্র। সেলুকাস একটা প্রগাঢ় চুম্বনও এঁকে দিলেন আরসিনোয়ের ঠোঁটে। তারপর সামনাসামনি বসলেন। সেলুকাস ভোজনপ্রিয় মানুষ। আয়োজন দেখে উৎফুল্ল হলেন। বললেন, আমার পছন্দের সব খাবারই আছে। তুমি এত সব কীভাবে জানলে?

    রানি এ কথার জবাব না দিয়ে হেসে শুধু বললেন, নিন, শুরু করুন।

    সেলুকাস শুরু করলেন। আরসিনোয় শুরু করছেন না। হঠাৎ করেই বললেন, আমি নিরাপত্তা বোধ করছি না। ছেলেদের অন্য দেশে লুকিয়ে রেখেও শান্তি কোথায়? আমি একটা জায়গায় শান্তি খুঁজে পেয়েছি। আপনি কি আমাদের চিরস্থায়ী আশ্রয় দেবেন?

    একজন রানি আশ্রয় চাইছেন। হেসে দিয়ে সেলুকাস বললেন, আমি তোমার মাথায় ছাতা ধরতে পারি, ঝড় থেকে আগলে রাখতে পারি, স্বর্গসুখ এনে দিতে পারি, কিন্তু আশ্রয় দিতে পারি না। বিয়ে কেন আরসিনোয়, এমনিতেই যদি জীবনকে উপভোগ করা যায়?

    আপনিও সেলুকাস! দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন আরসিনোয়। তাঁর আর খাওয়া হলো না।

    তুমি না খেলেও আমি খেয়ে শেষ করব। দূরের যাত্রা, বললেন সেলুকাস। এখন যুদ্ধ ছাড়া আর কিছু ভাবছি না। যুদ্ধ শেষে এলে পাওনা পরিশোধ করে দিয়ো।

    তাই দেব। আমার জন্য যে যুদ্ধ, তার মূল্য পরিশোধের কথা তো আমারই।

    সম্রাট সেলুকাস দ্রুত বের হয়ে গেলেন। তাঁর কাছে আজকের দিনটি অনেক মূল্যবান। রাতের সুখ তাই সকালেই ঝেড়ে ফেলেছেন। কিছুই মনে রাখতে চান না। এমনকি আরসিনোয়কেও না। বীরের যুদ্ধযাত্রা বলে কথা।

    ছুটে চলেছে সেলুকাসের চতুরাশ্বযান। ধুলো উড়ছে রাস্তায় অশ্বখুরের আঘাতে আঘাতে। কেমন একটা ছন্দসুখ অনুভব করছেন তিনি গত সুখরাত্রির মতো। ঘটছে সুখস্মৃতির রোমন্থনও। কিন্তু আরসিনোয় বুঝতে পারছেন না, প্রকৃত সুখটা বিয়ে করে সংসারী হওয়ার মধ্যে নয়, দু-চার দিনেই যাতে ভাটা পড়ে যায়। তার ‘উপ’ হয়ে থাকাই শ্রেয়। যে সুখ ফুরোবার নয়।

    হঠাৎই চতুরাশ্বযান থেমে গেল। সেলুকাস বিরক্ত হলেন। ঠকঠক শব্দের মতো মিলিয়ে গেল সুখস্মৃতিও। বললেন, কী হলো কোচয়ান, থামলে কেন?

    কারা যেন ছুটে আসছে, মহামান্য সম্রাট।

    আমাদের লোকই হবে। আমার নিরাপত্তাবাহিনী কোথায়?

    তারা সামনে-পেছনে আছে। সামনের এরা বেশি সামনে চলে গেছে।

    বরাবরই এরা তা-ই করে। মূল নিরাপত্তা দেয় পেছনের এরাই। তুমি যাও। রানি আরসিনোয়ের এলাকা। খুবই নিরাপদ। ভয় নেই।

    কোচয়ান চতুরাশ্বযান নিয়ে এগিয়ে যায়। ওরাও ছুটে আসে। থ্রেস পার হতে পারেন নি সম্রাট। ওরা ঘিরে ফেলে। তড়িৎ আক্রমণে তাঁর নিরাপত্তাবাহিনীর সৈন্যরা একে একে প্রাণ হারাল। এখন সেলুকাস একা শত্রুবেষ্টিত। কাপুরুষ টলেমি কেরাউনোস! যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে গুপ্তহত্যার পথ বেছে নিয়েছ? আসো তুমি আর আমি খোলা তলোয়ারে যুদ্ধ করি, দেখি কে জিতে আর কে হারে।

    ক্রুর হাসি হেসে কেরাউনোস বললেন, পঙ্কিল এক বৃদ্ধের রক্তে আমি আমার হাত অপবিত্র করতে চাই না। আমার তরবারি ঝলমলে তরুণের টগবগে রক্তের হুলি খেলার জন্য।

    জেনারেল টলেমির পুত্র তুমি। আমি যখন তাঁর নৌ এডমিরাল, তখন তুমি ক্ষুদ্র এক বালক। আরসিনোয়ও তখন তোমার চেয়ে বড় এক আকর্ষণীয় তরুণী। তুমি নাকি এখন তাকে বিয়ে করতে চাইছ? এসো, তোমার বিয়ের সাধ আমি মিটিয়ে দিই।

    খোপ থেকে তরবারি খুলে চতুরাশ্বযান থেকে লাফিয়ে নেমে এলেন সেলুকাস। তাঁর সামনে বিশ জনের একটি সৈন্যদল। সারিসা, তরবারি এবং আরও নানা অস্ত্র হাতে।

    সেলুকাস লড়ে চলেছেন তাদের সাথে। সারিসার আঘাত কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে শত্রুদের পেটে, মাথায়, বুকে আঘাত করে ফালাফালা করে দিচ্ছেন। মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হচ্ছে তাদের। একে একে সবাইকে নিঃশেষ করে বললেন, শক্তি থাকলে এবার এসো কেরাউনোস।

    কেরাউনোস লাফিয়ে পড়েন সেলুকাসের ওপর। তাঁর হাতের তরবারি সূর্যের আলোয় ঝলমল করে ওঠে। বহুদূর পর্যন্ত ছড়ায় আলোর ঝলকানি।

    সেলুকাস তরবারি চালনায় শ্রেষ্ঠ। লড়াই করে চলেছেন। কেরাউনোস বললেন, সেলুকাসকে নিয়ে বাবা গর্ব করতেন। কিন্তু তিনি কি জানতেন তাঁর প্রিয় মেয়ে আরসিনোয়ের অবৈধ শয্যাসঙ্গী এ ঘৃণ্য সেলুকাস। তিনি কি জানতেন তাঁর সন্তানের প্রিয়তমা প্রেমিকা সেলুকাসের লালসার শিকার। আজ সব প্রতিশোধই একসঙ্গে নেওয়ার সময়।

    এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সেলুকাস কেরাউনোসের কপোলে তরবারির এক ঘা বসিয়ে দিলেন। ফিনকি দিয়ে বের হয়ে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছে রক্তের স্রোত। সেলুকাস বীরদর্পে বললেন, এটি স্ট্রেটোনিসের সৌজন্যে।

    বড় সৌভাগ্যবান সেলুকাস তুমি। তাহলে আরেকবার সৌজন্য দেখাও আরসিনোয়ের জন্য। সে জানে না আজ আসার সময় তার দুই ছেলেকে সাবাড় করে দিয়ে এসেছি, আরেকটি পালিয়ে গেছে। তুমি নিশ্চয়ই তাদের রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছ? এখন তোমাকে কে রক্ষা করবে?

    আরে অ্যাপোলো কুলের কুলাঙ্গার, নিজের কথা ভাবো। এখন টলেমি, আমার প্রিয় টলেমি চাইলেও তোমার রক্ষা নেই, বলে আবার আঘাত করলেন নাক-বরাবর। বললেন, দেখো, তোমার নাক কেটে গেছে। আর হাসলেন পৈশাচিক হাসি।

    রাগে কাঁপতে কাঁপতে কেরাউনোস দুহাতে তরবারি ধরে এত জোরে আঘাত করলেন যে সেলুকাসের দেহ দুই টুকরো হয়ে গেল। দুটি পায়ের ওপর একটি খণ্ড লাফাতে থাকল কিছুক্ষণ। মাথার অংশটি তখনো দুই হাতে তরবারি চালাচ্ছে, শরীরে গতি নেই। তাই হেলে পড়ল ডালপালা নিয়ে যেন বটবৃক্ষের পতন। কিন্তু বিস্ফোরিত চোখ থেকে তখনো অগ্নি বের হচ্ছে তার, কণ্ঠ থেকে অদ্ভুত বিকট অর্থহীন শব্দ হয়তো গালি, তুচ্ছ কথাই, কিন্তু ইতিহাস। সেলুকাসের মৃত্যুর ইতিহাস। কাছেই লাইসিমেসিয়া। রানি আরসিনোয়ের রাজধানী। এই সকালে সেখান থেকেই এসেছেন তিনি। হয়তো আরসিনোয়ের কথাই ভেবেছেন মৃত্যুর আগে। এদিকে অগ্নিমূর্তি নিয়ে তরবারি মুছছেন কেরাউনোস।

    .

    অন্ধ্র আক্রমণটা হলো প্রত্যুষে। তখনো ঘুমন্ত অন্ধ্র। চারদিকে হাঁকডাক, ঘোড়ার হ্রেসাধ্বনি, হাতির হৃদয় কাঁপানো ভয়ংকর চিৎকার। গ্রামের পর গ্রাম দৌড়ে পার হয়ে যাচ্ছে এরা।

    জেগে উঠল সব অন্ধ্রবাসী। যার যা আছে, তা নিয়ে মুখোমুখি দাঁড়াল। তাদের শান্তিপূর্ণ জনপদে কোন তস্কর হামলে পড়েছে। তাদের ভাষায় চিৎকার করে প্রতিরোধের আহ্বান জানাল গ্রামপ্রধান। প্রতিরোধের মুখে প্রায় সবাইকে প্রাণ দিতে হলো মৌর্য সৈন্যদের হাতে। এরা এগিয়ে চলেছে আদিবাসীদের রক্তের ওপর দিয়ে, প্রতি জনপদেই প্রতিরোধ।

    চাণক্য সম্রাটকে বললেন, দেখুন সম্রাট, কত সৈন্য আছে অন্ধ্রে। তিন লাখ ছাড়িয়ে যাবে। রাজপ্রাসাদ আক্রমণের আগে প্রবল প্রতিরোধ হবে। প্রধান সেনাপতি, তুমি সর্বশক্তি নিয়োগ করবে। রাজপ্রাসাদ, তাদের যুদ্ধশিবির অর্থাৎ মূল ঘাঁটিতে প্রবল প্রতিরোধ হবে। রাজপ্রাসাদ আক্রমণকালে আমি থাকব। অধিকৃত একটি দুর্গে আমাদের সম্রাট অবস্থান করবেন।

    সম্রাট বুঝতে পারছেন না যুদ্ধটা কার সঙ্গে হচ্ছে। নিয়মিত সৈন্যরা কোথায়? তাঁকে একটি দুর্গে অবস্থান করতে দেওয়া হলো। স্বপ্নের কথা মনে হলো তাঁর। শিয়াল বৃদ্ধ ষাঁড়কে তাড়া করছে। শিয়ালের বুদ্ধি তো মহামন্ত্রী চাণক্যের। দূরে দৃষ্টি দিয়ে দেখলেন সমস্ত বায়ুমণ্ডল ধোঁয়াচ্ছন্ন। জনপদে আগুন দেওয়া হয়েছে। লুটপাট হচ্ছে। পাখি, রাজহংসরা আকাশে উড়ছে। তাঁর মনে হলো, এ রকম রাজহংসদেরই স্বপ্নে উড়তে দেখেছিলেন তিনি। কিন্তু শত্রুপক্ষের সৈন্যরা কোথায়!

    বিকেলে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত বাহিনী নিয়ে বের হয়ে পড়লেন। চাণক্যের নেতৃত্বে তখন মৌর্য বাহিনী রাজপ্রাসাদের উদ্দেশ্যে মালভূমিতে উঠে পড়ছে। এ অভিযানেও শুধু আদিবাসী জনগণই (পুরুষ-মহিলা) প্রতিরোধ সৃষ্টি করেছে। সম্রাট এবং তাঁর ব্যক্তিগত বাহিনী অন্ধ্র রাজপ্রাসাদে পৌঁছার আগেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে। লক্ষ মানুষের (সৈন্য?) মৃত্যু হয়েছে। অন্ধ্রের আদিবাসী রাজাকে বন্দী করে হাজির করা হলো সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের সামনে। অতি সাধারণ রাজা। তাঁর ভাষায় তাঁর প্রজাদের হত্যার কারণ জানতে চাইছেন তিনি বারবার। প্রতিবাদ করছেন। কাঁদছেন তিনি। প্রজাদের রক্ষা করতে পারেন নি বলে মাথা ঠুকছেন। তিনি উন্মাদপ্ৰায়।

    সম্রাট তাঁর কথা শুনতে দোভাষী খুঁজছেন।

    মহামন্ত্রী বললেন, মহামান্য সম্রাট, যুদ্ধে আমাদের জয় হয়েছে। আপাতত তাঁকে কারাগারে পাঠাই। পরে তাঁর কথা শুনব। আমরা এখন অমরাবতীর রাজপ্রাসাদে।

    পূর্বে নাম শুনে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রগুপ্ত, ‘অমরাবতী’ মৃদু উচ্চারণও করেছেন। কিন্তু আজ যে মৃত্যুপুরী। মহামন্ত্রী, এদের নিয়মিত সৈন্যরা কোথায়, কাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন আপনারা?

    মহামন্ত্রী বললেন, আদিবাসী সৈন্যদের পোশাক এ রকমই, সম্রাট। ছদ্মবেশধারী।

    সম্রাট পশ্চিম আকাশের দিকে তাকালেন। সূর্য অস্ত যাচ্ছে। স্বপ্নে যা দেখেছিলেন, ঠিক সে রকম। অমরাবতী ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। সূর্যাস্তের অব্যবহিত আগে রাজপ্রাসাদে আদিবাসী পতাকা নামিয়ে মৌর্য পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তা দেখেও সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের আনন্দ হচ্ছে না। হৃদয় যেন কাঁদছে তাঁর। অস্তগামী সূর্যের লাল রঙের সঙ্গে সমস্ত অন্ধ্রের মানুষের রক্তের রং মিশে গেছে। তাঁর মনে প্রশ্ন, কেন এ রকম যুদ্ধ? সবই তাঁকে জানতে হবে আগামীকাল সূর্য ওঠার আগেই। অন্ধ্রের রাজার সব কথা শুনতে হবে তাঁকে।

    বিজয়ী মৌর্য সৈন্যরা মশাল জ্বালিয়ে লুটপাটে ব্যস্ত। সম্পদ আহরণে তাদের ক্লান্তি নেই। রাজকোষের চাবি এখন মহামন্ত্রীর হাতে। তবে তিনি রাজার ধন-সম্পদ নিয়ে চিন্তিত নন। চিন্তিত রাজাকে নিয়ে। রাজার কথা শুনে সকালে সম্রাট কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে। চট করে তাঁর মাথায় দুর্বুদ্ধি চাপল। তিনি ওই বিদ্রোহী সেনাপতিকে ডেকে পাঠালেন। তাঁকে তিনি সঙ্গেই নিয়ে এসেছেন নানা কথা চিন্তা করে।

    তুমি আমাদের মিথ্যে বলেছিলে? আমাদের সাম্রাজ্য আক্রমণ করবে তোমাদের রাজা, তার প্রস্তুতি কোথায়? তোমাদের নিয়মিত সৈন্যরা কোথায়?

    সে চুপ করে আছে, কিছু বলছে না।

    এখন আমি যা বলছি শোনো, তুমি তোমার কিছু লোক নিয়ে কারাগারে যাবে। সেখানে তোমাদের রাজা বন্দী অবস্থায় আছে। তুমি তোমার প্রতিশোধ নাও তার ওপর। তাকে হত্যা করো।

    অন্ধকার কুঠরিতে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছে অন্ধ্রের রাজাকে। দু-চারটি মশাল জ্বেলে কালো পোশাকের মুখোশধারী ঘাতকদের নিয়ে সেনাপতি তাতে প্রবেশ করলেন।

    কারাগারে তাঁকে দেখে চমকে উঠলেন রাজা আন্ধারেই। বললেন, তাহলে তুমি, বিশ্বাসঘাতক! এ রাজ্যের শান্তিপ্রিয় মানুষদের তুমিই হত্যা করিয়েছ? অশান্তি সৃষ্টির কারণে তোমাকে আমি প্রজাদের ইচ্ছায় রাজ্য থেকে বের করে দিয়েছিলাম। কেন সেদিন তোমাকে দয়া করেছিলাম, কেন হত্যা করি নি?

    সে ভিলেনের মতোই বলল, এখন আমি আপনাকে হত্যা করব বলে, বলে হাসল সে, পিত্ত জ্বলে যাওয়ার হাসি।

    হত্যা করার কিছু বাকি রেখেছ? আমি জানি না কত নিরীহ প্রজা মারা গেছে।

    রাজাকে রাজনীতি জানতে হয়, হত্যা করতে হয়, ষড়যন্ত্র করতে হয়।

    তুমি কি এখন রাজা?

    মৌর্যদের করদ রাজা। তবে এখনো হই নি, হব।

    করদ রাজা, থু!

    এ রাজ্যের কোনো প্রজাকে আপনি হত্যা করেন নি। রাজা হিসেবে আপনাকে দিয়ে আমি হত্যার রাজনীতি শুরু করব।

    কাল সকালে আমি মৌর্য সম্রাটের কাছে পুরুর মতো রাজার অধিকার দাবি করব। রাজ্য ফিরে চাইব স্বাধীন রাজা হিসেবে।

    সে সুযোগ আপনি পাবেন না, বলে ঘাতকদের ইঙ্গিত করল সে। ঘাতকরা ছুরি চালাল রাজার পিঠে। কারণ, তাকে উপুড় করে ফেলে রাখা হয়েছিল।

    তিনি ঘাড় কাত করে বললেন, তুমি তার প্রতিফল ভোগ করবে সেনাপতি। আমি আমার প্রিয় প্রজাদের সাথে যাচ্ছি। তুমি যাবে একা। অন্ধ্রের মানুষ তোমাকে বিশ্বাসঘাতকরূপে জানবে। এ অভিশাপ আমি দিচ্ছি।

    মৌর্য সৈন্যরা তখন কারাগারে প্রবেশ করল। বিদ্রোহী সেনাপতি উল্লাস করে তাদের স্বাগত জানিয়ে বলল, মহামন্ত্রীর ইচ্ছে পূরণ করা হয়েছে, দেখুন রাজা আন্ধারেই কীভাবে মারা যাচ্ছে। বলে বিদ্রূপের হাসি হাসল সে।

    মৌর্য সৈন্যদের অধিনায়ক বলল, আচার্যের আরেকটি ইচ্ছে বাকি রয়ে গেছে।

    কী ইচ্ছে, বলুন, আমি পূর্ণ করে দিচ্ছি।

    আপনাকে কষ্ট করে আর কিছু করতে হবে না, সেনাপতি। আমরাই তা করে দিচ্ছি।

    এরা ঝটিকা আক্রমণে সেনাপতি এবং তার সঙ্গীয় ঘাতকদের হত্যা করল।

    রাজা আন্ধারেই ঘাড় কাত করে ক্রুদ্ধ হাসি হাসলেন। বললেন, তোমার মৃত্যু অন্ধ্রদের হাতে হওয়াই উচিত ছিল। তোমার মতো বিশ্বাসঘাতকদের জন্ম যেন এ অন্ধ্রে কিংবা অমরাবতীতে আর না হয়, সে বরই চাইছি বনদেবতাদের কাছে।

    .

    পার্শ্বব মন্ত্র উচ্চারণ শুরু করলেন আচার্য ভদ্রবাহু। উদ্দেশ্য দুর্ভিক্ষ যাতে না হয়। এ জনপদ তাহলে জনশূন্য হয়ে পড়বে। মৃত্যুপুরীতে কেউ থাকতে চাইবে না। সব জৈন এ প্রার্থনায় যুক্ত হয়েছেন। আলাদাভাবে প্রার্থনা করছেন অন্য ধর্মাবলম্বীরাও। যুদ্ধজয়ের প্রার্থনা কেউ করছেন না, এমনকি হেলেনও না। হেলেন আর মেগাস্থিনিস অ্যাপোলো মন্দিরে গেছেন। ফসলের দেবতার কাছে প্রার্থনা করছেন দুর্ভিক্ষের প্রকোপ যাতে না ছড়ায়। দ্রুত ফসল যাতে ঘরে আসে।

    সুবন্ধু আর বিন্দুসার গেছেন রাজকোষ এবং রাজশস্যাগার দেখতে। মজুত তেমন নেই। এত বিশাল এক রাজ্য, দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে গেলে মহাবিপদ।

    বিন্দুসার জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় কোথায় বেশি ফসল ফলে? সেখানকার মহা অমাত্যের কাছে দূত পাঠান, আমি পত্র লিখে দিচ্ছি, যাতে ফসল সংগ্রহ করে। ব্যবসায়ীদের ডাকুন, অনুশাসন জারি করুন, যাতে কেউ ফসল মজুত না করে। তত্ত্বাবধায়কদের বলুন, সেচে যারা ভর্তুকি পেয়েছে, আবশ্যিকভাবে তাদের প্রয়োজন-অতিরিক্ত শস্য সাম্রাজ্যের শস্য সংগ্রহশালায় জমা দিতে হবে। যারা শস্যভান্ডার থেকে ঋণ হিসেবে খাদ্যশস্য নিয়েছে, কাকনিক কিংবা পণ মুদ্রায় নয়, ফেরত দিতে হবে শস্যে। দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়লে সেসব খাদ্যশস্য প্রজাদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।

    অ্যাপোলো মন্দির থেকে ফিরে এসে হেলেন দেখতে পেলেন, প্রচুর লোকজনের সমাগম। বিন্দুসার বললেন, মা, তোমার জন্য অপেক্ষা করছি। ব্যবসায়ীসহ পাটালিপুত্র নগরীর গুরুত্বপূর্ণ লোকদের ডেকেছি। তারা উচ্চ স্বরে অনুযোগ করে বলল, উল্টো পায়ের লোকজনকে লোকালয়ে নিয়ে আসায় এ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। তাদের আবার নুলো পর্বতে না পাঠালে তা মহামারিতে রূপ নেবে। এরই মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তা দেখে হেলেন আচার্য ভদ্রবাহুর কাছে সংবাদ পাঠালেন

    বিন্দুসার তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, আপনাদের ডেকে এনেছি আমার কথা শুনবার জন্য। আগে আমার কথা শুনুন, পরে আপনাদের কথা শুনব। সবাই চুপ করলে বিন্দুসার বললেন, দুর্ভিক্ষ নিয়ে এত বেশি চিন্তা করার কিছু নেই। ফসল কম উৎপাদিত হলে এ সমস্যা হয়। আমাদের ভালো মজুত আছে। তবে সতর্কতার বালাই নেই। আপনারা ব্যবসায়ীরা খাদ্যশস্য মজুত করে রাখবেন। অধিক মুনাফার জন্য এ রকম মজুত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা সেচ ভর্তুকি পেয়েছেন, তাঁদেরও দায়িত্ব আছে। আপনাদের কী করতে হবে, সুবন্ধু তা বলে দেবেন।

    এরই মধ্যে আচার্য ভদ্রবাহু উপস্থিত হয়েছেন। সবাই তাঁকে যথাযথ সম্মান জানান। বিন্দুসার তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো আচার্যকে জানালেন। আচার্য উপস্থিত সবার উদ্দেশে বললেন, যুবরাজ অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। দুর্ভিক্ষ আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

    একজন উঠে দাঁড়িয়ে আচার্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বলল, নুলো পর্বত থেকে উল্টো পায়ের লোকদের লোকালয়ে নিয়ে আসার পরই এ দুর্ভিক্ষ। আচার্য, এদের ফেরত না পাঠালে আরও কত দুর্ভোগ, আরও কত মৃত্যু অপেক্ষা করছে, কে জানে।

    অন্যরা তার কথায় সায় দিতে গিয়ে হইচই করে উঠল।

    আচার্য এবার উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, দুর্ভিক্ষের সঙ্গে তাদের লোকালয়ের উপস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই। তা অযৌক্তিক। ফসল কম হয়েছে, তাই খাদ্যসংকটের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া সম্রাট যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তা বুঝেশুনেই দিয়েছেন।

    একজন বলল, আমরা জানি, গ্রিক দূতের পরামর্শে সম্রাট এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁর শাস্তি চাই।

    এবার সম্রাজ্ঞী দাঁড়ালেন এবং বললেন, তিনি ভুল বলে থাকলে নিশ্চয়ই তার ব্যবস্থা আছে। আমরা দুর্ভিক্ষ নিয়ে চিন্তিত, তা থেকে মৌর্য সাম্রাজ্যকে মুক্ত রাখতে হবে। আচার্য যথার্থই বলেছেন, ফসল কম হয়েছে, তাই খাদ্যসংকট। এটা যুক্তিসংগত। আপনারা যা বলছেন, একটি কুসংস্কার থেকে বলছেন, যার সঙ্গে কার্যকারণ কোনো সম্পর্ক নেই। আপনারা যদি আচার্য এবং আমার ওপর আস্থা রাখেন, আমাদের কথার ওপরও আপনাদের আস্থা থাকতে হবে। ঠিক না?

    শেষে বিন্দুসার আবার বললেন, আমি যুবরাজ হলেও আমি জানি, আপনারা সম্রাজ্ঞী এবং আচার্য ভদ্ৰবাহুকেই বেশি শ্রদ্ধা করেন। আমিও তাঁদের শ্রদ্ধা করি। আপনারা সম্রাটের অনুশাসন মানুন এবং যার যার কাজে ফিরে যান। আপনাদের সবার সহযোগিতায় আমরা সংকট মোকাবিলা করতে পারব।

    সভা শেষে সুবন্ধু বললেন, আমরা শক্তি প্রয়োগ করব।

    হেলেন বললেন, আপনি ভুল বলছেন, সুবন্ধু, সে সময় এখনো আসে নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }