Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৫০

    ৫০

    সম্রাজ্ঞী দুরধরার মতা হয়েছে। অসময়ে খালাস হওয়া সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত সবাই। বিষাদে ছেয়ে গেছে গান্ধারা রাজ্যের প্রতিটি ধূলিকণা। সম্রাট বাকশূন্য। অতিবুদ্ধিমান মহামন্ত্রীও ঘটনার আকস্মিকতায় ভরকে গেছেন। একটি অনভিপ্রেত ঘটনা সমস্ত মৌর্য সাম্রাজ্যকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ঘটনাটা এ রকম : মহামন্ত্রী চাণক্য সম্রাটকে তাঁর অগোচরে খাদ্যের সঙ্গে স্বল্প মাত্রায় বিষ খাওয়াতে শুরু করেন এবং ক্রমান্বয়ে এই মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। উদ্দেশ্য খারাপ নয়, খুবই মহৎ। সম্রাটকে কেউ যাতে বিষ খাইয়ে না মারতে পারে, তাই এ ব্যবস্থা। চাণক্য জানেন, বিষ খাইয়ে খাইয়ে সম্রাটের বিষক্রিয়া প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।

    গান্ধারা প্রাসাদে আসার পর একদিন সম্রাটের ইচ্ছা হলো সম্রাজ্ঞীকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরের খাবার খাবেন। দুপুরে এভাবে সম্রাজ্ঞীকে সঙ্গে নিয়ে খাবার খাবেন সম্রাট, তা কাউকে জানানো হয় নি। সন্তানসম্ভবা সম্রাজ্ঞী সাধারণ খাবার খান না, তাঁর জন্য রাজবৈদ্যের তালিকা করে দেওয়া খাবার খান।

    হঠাৎ করে সম্রাটের সঙ্গে খাবারের আমন্ত্রণ পেয়ে অনেক দিন পর তৃপ্তিসহকারে প্রচুর খাবার খেলেন। খাবারের পর বিষক্রিয়া শুরু হলো।

    এদিকে সম্রাট সেলুকাসের শিবিরে যাওয়ার আগে মহামন্ত্রী চাণক্য স্বচক্ষে সম্রাটের অবস্থা ও মনোভাব দেখার জন্য একদিন আগে গান্ধারা প্রাসাদে এসেছেন। সম্রাজ্ঞীর বিষক্রিয়ার কথা শুনতে পেয়েই ছুটে এলেন। সম্রাজ্ঞীর মরমর অবস্থা। সম্রাট কিছুই বুঝতে পারছেন না এ অবস্থা কেন হলো। একই খাবার তিনিও গ্রহণ করেছেন।

    চাণক্য বললেন, সম্রাট, আর দেরি নয়, সম্রাজ্ঞীর পেটের সন্তানকে বাঁচাতে হবে।

    কী করতে চান আপনি? রাজবৈদ্যকে ডাকা হয়েছে।

    রাজবৈদ্য কিছুই করতে পারবে না। সম্রাজ্ঞীর মৃত্যুর আগে অনাগত সন্তানকে বের করে আনতে হবে।

    রাজবৈদ্য একবার চেষ্টা করে দেখুন।

    কোনো ফল হবে না। দেখছেন না মুখে ফেনা, আর সম্রাজ্ঞী নিথর হয়ে যাচ্ছেন।

    চাণক্যের কাছে সব সময়ই একটি ধারালো ছুরি থাকে। কোমর থেকে সে ছুরি বের করে সম্রাজ্ঞীর পেট কেটে সম্রাটের সন্তানকে বের করে আনলেন এবং যেন একটি সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছেন, সে রকম সুখানুভূতি প্রকাশ করলেন।

    সম্রাট ঘটনার আকস্মিকতায় বিস্ময়ে বিমূঢ়। তাঁর কী করা উচিত, বুঝতে পারছেন না। তবে চাণক্যের ওপর ক্ষুব্ধ ও ক্রুদ্ধ হয়ে উঠেছেন। কথার মধ্যে ক্রুদ্ধভাব প্রকাশ করে বললেন, একি করলেন, আচার্য?

    স্বাভাবিক কণ্ঠে চাণক্য বললেন, অন্তত সন্তানকে তো বাঁচাই, সম্রাট।

    একজনকে মেরে ফেলে আরেকজনকে বাঁচাবেন?

    দুজনকে বাঁচানো সম্ভব নয়।

    এ সময়ই রাজবৈদ্য উপস্থিত হলেন। তাঁকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে চাণক্য বললেন, শিশুটি অপরিণত। তাকে বাঁচানোর ব্যবস্থা করো।

    কীভাবে বাঁচাব। অসময়ে তার প্রসব ঘটানো হয়েছে।

    চাণক্য চটে গিয়ে বললেন, মূর্খ কোথাকার! স্বাভাবিক অবস্থার চিকিৎসা সবাই জানে। জটিল আর কঠিন অবস্থায় চিকিৎসার জন্যই রাজবৈদ্য।

    সদ্য প্রসব করানো শিশুটি মৃদুভাবে হাত-পা নাড়ছে। সে এখনো মায়ের জঠরের জলবৃত্তের আবরণে আবদ্ধ। রাজবৈদ্য শিশুটিকে আবরণমুক্ত করতে চাইলে চাণক্য বাধা দিয়ে বললেন, থামো মূর্খ। এ জলবৃত্তেই শিশুটি ঠিক থাকবে। মাতৃজঠরের পরিবেশ পাবে।

    তারপর তিনি ভাবতে লাগলেন কী করা যায়। এভাবে কতক্ষণ রাখা যাবে। বিকল্প উপায় কী হতে পারে। হঠাৎই বললেন, সম্রাট, রাজ্যের যত সন্তানসম্ভবা ছাগল আছে, এখনই আনিয়ে নিতে হবে।

    এসব দেখে সম্রাটের ক্ষোভে ফেটে পড়ার অবস্থা। প্রায় চিৎকার করে বললেন, কী হবে এসব দিয়ে? আপনি এমন স্বাভাবিক থেকে কী সব করে যাচ্ছেন? আমি আপনাকে শূলে চড়াব।

    আপনি যা চাইবেন, তা-ই হবে সম্রাট। এখন আপনার সন্তানকে বাঁচাতে সন্তানসম্ভবা ছাগল আনার আদেশ দিন।

    সম্রাটের কিছু বলার আগেই চাণক্য তাঁর অনুচরদের ধমক দিয়ে বললেন, তাকিয়ে দেখছটা কী? ছাগল জোগাড় করো।

    একটি-দুটি করে ছাগল এসে গেল। একের পর এক এদের পেট কেটে সম্রাটতনয়কে এই প্রাকৃতিক ইনকিউবেটরে রাখা হলো। সে এখানেই ক্রমে বড় ও শক্ত হয়ে উঠতে লাগল। মাঝেমধ্যে বাইরে রাখারও ব্যবস্থা হলো। রাজবৈদ্য এসব কাজ করতে করতে বিস্ময়াভিভূত। চাণক্য লোকটির প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা হতে লাগল।

    সম্রাট সম্রাজ্ঞীর বিয়োগব্যথায় বিমর্ষ। সন্তানের লালন হচ্ছে কীভাবে, তার খোঁজও নিচ্ছেন না। এদিকে সংবাদ পেয়ে ভদ্রবাহু এসে উপস্থিত হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি ধীরস্থির এই মানুষটিকেও স্তব্ধ করে দিয়েছে। তিনি সম্রাটকে শোক জানানোর ভাষা ভুলে গেছেন।

    খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন চাণক্য। বললেন, আপনি আসাতে ভালোই হলো। পরিস্থিতি আমার একার পক্ষে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। সম্রাটকে বোঝা যাচ্ছে না, অবস্থা এমন যে তিনি আমার শিরশ্ছেদ করলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

    আপনি শিরশ্ছেদের পর অবাক হতে চাচ্ছেন, আচার্য?

    আপনি কঠিন সময়কে নিয়েও কৌতুক করতে পারেন, মাননীয় শ্রুতকেবলী। শ্রুতকেবলী?

    আপনি তো সবই জানেন!

    এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।

    চাণক্য সম্রাটের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দেওয়া থেকে সবই খুলে বললেন।

    ভদ্রবাহু শুনে বললেন, আপনার অবস্থা তো তাহলে ভয়াবহ। তবে ভয় নেই। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে।

    কীভাবে?

    আপনাকে সঙ্গে নিয়েই। সম্রাজ্ঞীর শেষকৃত্যটা ভালোভাবে শেষ করুন।

    সম্রাট পাথর হয়ে গেছেন।

    বুঝতে পারছি না তাহলে গ্রিক রাজকুমারীর প্রতি আসক্তির কারণটা কী? মানবচরিত্র বড় বিচিত্ৰ।

    চাণক্য সুবন্ধুকে এই রাজকীয় শেষকৃত্যের দায়িত্ব দিয়ে বললেন, কোনো ত্রুটি করা চলবে না। সবকিছু রাজকীয় রীতি ও অনুশাসন মেনে সম্পন্ন করতে হবে। আচার্য ভদ্রবাহু শেষকৃত্যের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পরিচালনা করবেন।

    আচার্য ভদ্ৰবাহু বললেন, নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন না, আচার্য, সব কর্মে সম্পৃক্ত হোন।

    একটু চিন্তা করে চাণক্য বললেন, ঠিক বলেছেন, আচার্য, আমি ভুল করতে যাচ্ছিলাম।

    .

    জৈন সন্ন্যাসিনীকে ভালো লাগল কর্নেলিয়ার। তাকে প্রথমে অপছন্দ ছিল। বস্ত্রবিহীন নারী পছন্দ না হওয়ারই কথা। নিকোমেডেস তার সঙ্গে কথা শুরু করেছিল। জানতে চেয়েছিল, তুমি গ্রিক শিখলে কোথা থেকে?

    শর্মিলা চটপট জবাব দিয়ে বলেছিল, গ্রিকদের থেকেই।

    কীভাবে ওদের সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ হলো?

    আচার্য পুণ্ড্রবর্ধন হয়ে তক্ষশীলায় গেলেন। আলেকজান্ডার তখন ওসব জায়গাও দখল করে নিয়েছেন। সঙ্গে আমাকেও নিলেন। আমরা সন্ন্যাসী মানুষ, কেউ বাধা দেয় নি। আচার্য সেখানে অবস্থানকালে অনুভব করলেন, গ্রিক ভাষাটা আমাদের জানা দরকার। তিনি শিখলেন এবং মজা করে আমাকেও শেখালেন। যত দ্রুত তিনি শিখেছিলেন, তত তাড়াতাড়ি আমি পারি নি। এখনো ভুল হয়। হয় না?

    নিকোমেডেস বলল, উচ্চারণটা এদিক-সেদিক হয়, ভাষাজ্ঞান ঠিক আছে। আচ্ছা শর্মিলা, আপনাদের এভাবে থাকতে খারাপ লাগে না?

    খারাপ লাগবে কেন? মানুষ ছাড়া আর সবাই তো এভাবেই থাকে। অভ্যস্ত হয়ে গেলে আর খারাপ লাগে না। প্রথমে খারাপ লাগত না, তা কিন্তু নয়। আপনি যখন অন্তরের দিকে তাকাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন, বাইরেটা তখন গৌণ হয়ে যাবে।

    আপনি আধ্যাত্মিকতার কথা বলছেন?

    ঠিক তাই।

    চারদিকে জীবনকে ভোগ-উপভোগের এত কিছু আছে, তারপরও এত ত্যাগ?

    শর্মিলা হেসে দিয়ে বললেন, সেটা মনমানসিকতার ওপর নির্ভর করে। আপনাদের গ্রিসে সংসারত্যাগী মানুষ নেই?

    আছে, তবে এ রকম নয়। পাগল ছাড়া এভাবে কেউ থাকে না।

    শর্মিলা এবার উচ্চ হাসি হেসে বললেন, আমরা তো পাগলই। তবে ভাবের পাগল। কর্নেলিয়াকে লক্ষ্য করে বললেন, দিদি তো কথাই বলছেন না। দিদির কি মন খুব খারাপ?

    কর্নেলিয়া বললেন, মন খারাপ ছিল, তোমার কথা শুনে ভালো হয়ে গেছে। এত সহজ অথচ দৃঢ়ভাবে কথা বলো তুমি। তোমাকে তুমি বললাম, কিছু মনে করো নি তো?

    না দিদি, মনে করি নি। কদিন পর তো তুমি আমাদেরই হয়ে যাবে।

    এ কথা কে বলল তোমাকে?

    আচার্য বলেছেন। তিনি সব জানেন। সম্রাট এ বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ করেছেন।

    সম্রাট কী বলেছেন?

    আচার্যের পরামর্শ চেয়েছেন। আচার্য শুধু পরামর্শ নয়, সম্মতিও দিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, এ সম্পর্কটা নির্ধারিত হয়েই আছে।

    এ কথা শুনে নিকোমেডেস কর্নেলিয়ার দিকে ফিরে তাকাল। পরে শর্মিলার দিকে তাকিয়ে বলল, তিনি কীভাবে জানলেন?

    আধ্যাত্মিক শক্তিতে। আচার্য শ্রুতকেবলী, অর্থাৎ সব জানেন।

    ভূত-ভবিষ্যৎ সব বলে দিতে পারেন? তিনি কি হাত দেখে বলেন, প্রশ্নটা কর্নেলিয়ার।

    হাত দেখে নয়, চোখ বুজে বলে দেন।

    আমার সম্পর্কে বলতে পারবেন?

    পারবেন না কেন?

    তুমি আমাকে একদিন নিয়ে যাবে?

    এভাবে তো আর তোমার আসা হবে না।

    কীভাবে আসা হবে?

    সম্রাজ্ঞী হয়ে।

    কথা শুনে দুজনই প্রাণ খুলে হাসল।

    তোমরা হাসছ কেন? আমি হাসির কথা বলি নি।

    কর্নেলিয়া বললেন, তুমি খুব সরল আর ভালো মেয়ে, শর্মিলা। ভারতীয় সব মেয়েই কি তোমার মতো?

    সবাই কি এক রকম হয়, হয় না।

    এবার তুমি একটি সত্যি কথা বলো।

    আমরা জৈন সন্ন্যাসীরা মিথ্যে বলি না।

    বেশ। তাহলে বলো আচার্য কেন আমাদের এভাবে চলে আসতে বললেন?

    কারণ ঠিক আমি জানি না। তবে তিনি কখনো এমন কাজ করেন না, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারও বরং অমঙ্গল দেখলেই তার সাহায্যে এসে দাঁড়ান। তোমাদের নিশ্চয়ই অমঙ্গল দেখেছেন তিনি।

    চাণক্য মানুষটা কেমন?

    পণ্ডিত ব্যক্তি, তক্ষশীলায় আচার্য ছিলেন। তবে খুবই বুদ্ধিমান এবং…

    বুঝতে পেরেছি। তাঁর সঙ্গে আচার্যের সম্পর্ক কেমন?

    খুবই ভালো।

    এখন বুঝতে পারছি না। যা-ই হোক, তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগছে। তুমি আমাদের সঙ্গে থেকেই যাও, শর্মিলা।

    এভাবে? আমাদের একটা সমাজ আছে। সবাই এক রকম। তোমাদের ওখানে আমাকে বেখাপ্পা লাগবে। তা তোমাদের অস্বস্তির কারণও হবে।

    কর্নেলিয়া হেসে দিয়ে বললেন, তুমি এভাবে থাকবে কেন? আমাদের মতোই থাকবে। রাজকীয় পোশাক পরবে।

    ধর্ম বিসর্জন দিয়ে? তা হয় না, দিদি। দিদি, তোমাদের একটা দেবী আছে, নাম আফ্রোদিতে। তার বিবস্ত্র মূর্তি কিন্তু আমি দেখেছি।

    ওরা তো ঈশ্বর-ভগবান, যেভাবে খুশি থাকতে পারেন।

    শর্মিলা একবার ভাবল বলবে, তোমরা আমাকে সে রকম দেবীই ভাবো। পরে আর বললেন না। কর্নেলিয়া অনুনয় করে বললেন, একবার পরো না, শর্মিলা। তোমার যে আমার অনেক প্রয়োজন।

    এতে তো ক্ষতি নেই, বলল নিকোমেডেস।

    সব ত্যাগ করব?

    অনুনয় করছি, বললেন কর্নেলিয়া।

    আচার্য রেগে যাবেন না তো?

    তিনি রাগ করতে পারেন?

    বেশ, তা-ই হবে।

    কর্নেলিয়া তাকে বস্ত্র বের করে দিলেন।

    গ্রিক পোশাক পরব?

    পরেই দেখো না।

    শর্মিলা গ্রিক পোশাক ও জুতো পরিধান করল। স্বর্ণের একটি চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে দিলেন কর্নেলিয়া। এক সেট গয়নাও পরিয়ে দিলেন। নিজের অজান্তেই বলে উঠলেন, বাহ্, কী সুন্দর! নিকো, ঠিক বলেছি?

    অপূর্ব! বলে নিকোমেডেস হাততালি দিল।

    .

    শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগে আচার্য ভদ্ৰবাহু শোকে মুহ্যমান সম্রাট, রাজপারিষদসহ সমবেত সবার উদ্দেশে বললেন, প্রাত্যহিক জীবনে মৃত্যু কষ্টের। কিন্তু মৃত্যু হচ্ছে নির্বাণলাভ। আত্মার মুক্তি। আজ দেওয়ালির রাত। মহাবীর আধ্যাত্মিক আলো জ্বালিয়ে এ রাতে বিদায় নিয়েছিলেন। সম্রাজ্ঞী পুণ্যবতী। এ রাতে তাঁরও তিরোধান ঘটেছে। তার এ পুণ্য আত্মা তাঁর দেহ থেকে বিদায় নিয়েছে বটে, কিন্তু তা অন্য কোনো দেহে নবজন্ম লাভ করবে। আত্মার মৃত্যু নেই। অনাত্মা বা অজীব বস্তুর সঙ্গে এখানেই তার পার্থক্য। মহাবীরের নির্বাণরাতে আমরা আলোক উৎসব করি। এ রাতে সে উৎসব হবে পুণ্য আত্মাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। জীনসেনের মহাপুরাণে আছে, মহাবীরের শেষকৃত্যে স্বর্গীয় জীবেরা নেমে এসেছিলেন। তিনি স্বর্গীয় আত্মাদের কথা বলেছেন। স্বর্গীয়, অর্থাৎ নির্বাণপ্রাপ্ত আত্মা। প্রতীকী কথা। আমরা যেমন ঈশ্বরে বিশ্বাসী নই, তার সৃষ্টিতেও বিশ্বাসী নই। বিশ্বের সৃষ্টি কেউ করে নি। স্বর্গ-নরকও কেউ সৃষ্টি করে নি। মানবাত্মার চেয়ে বড় কিছু নেই। তাই আত্মারই আরাধনা করি। পুণ্যাত্মাকে অনুসরণ করি।

    আমরা যৌক্তিক ধর্মে বিশ্বাস করি। সম্রাজ্ঞীর মৃত্যুর নিশ্চয়ই যৌক্তিক ব্যাখ্যা আছে। তাঁর মোক্ষলাভের সময় এসে গেলে তাঁকে আমাদের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাতে হবে। মোক্ষলাভের চাইতে ভালো কিছু নেই। এই মোক্ষলাভকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাতে আসুন আমরা মশাল প্রজ্বলিত করি।

    আচার্যের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সম্রাট ও ভদ্রবাহু প্রথম মশাল প্রজ্বলিত করলেন। ভদ্রবাহু চাণক্যকেও এ উৎসবে যুক্ত করলেন। ক্রমে ক্রমে মশাল প্রজ্বালন সারা গান্ধারা নগরীতে ছড়িয়ে পড়ল। নগরীর অন্ধকার তিরোহিত হয়ে গেল। কেউ একজন এ মশাল বয়ে নিয়ে গেল সিন্ধু অববাহিকার যুদ্ধক্ষেত্রে। যুদ্ধক্ষেত্রেই এক-দুহাত করে সর্বত্র আলো ঝলমল করে উঠল।

    সেলুসিড আর্মিরা কৌতূহল নিয়ে তাকাল তাদের শত্রুশিবিরের দিকে। তাদের মনে প্রশ্ন, এ আলোকের উৎস কিসে? এরা অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে দিল। সর্বত্র সাজ সাজ রব। সম্রাট সেলুকাস ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। তিনি কি আত্মরক্ষা করবেন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মজবুত রেখে, নাকি আক্রমণ করে বসবেন, স্থির করতে পারছেন না! তাঁর মধ্যে আশঙ্কা ও সংশয়। রাতে যুদ্ধ বন্ধ থাকার কথা। তাহলে?

    এ সময় উপস্থিত হলেন কর্নেলিয়া। সম্রাট বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে রইলেন। তিনি যেন কথা হারিয়ে ফেলেছেন। সংবিৎ ফিরে পেয়ে জেনারেলদের ডাকলেন। জেনারেলরা প্রস্তুত হয়েই ছিলেন। আদেশ পাওয়ামাত্র ছুটে এলেন। এঁরা ভেবেছেন, রাতে আত্মরক্ষার জন্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা কেমন হবে, সম্রাট সে নির্দেশই দেবেন। রাতে আক্রমণের আদেশ নিশ্চয়ই দেবেন না।

    জেনারেলরা উপস্থিত হয়ে অবাক হয়ে গেলেন। সম্রাট এরই মধ্যে সব বৃত্তান্ত জেনে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। জেনারেল কিউকেকাস খেপে যাচ্ছিলেন। সম্রাট তাঁকে থামালেন। বললেন, এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কথা হবে কাল। এখন এ মশাল প্রজ্বালন-রহস্য জানতে হবে। গুপ্তচরদের পাঠাও আর যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রাখো। এই রাতে এরা আক্রমণ করবে বলে কি মনে হয়?

    জেনারেল ফিলেকাস বললেন, মশাল বহনকারীদের গতিবিধি লক্ষ করেছি, মহামান্য সম্রাট। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মশাল ছড়াচ্ছে বটে, আক্রমণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

    তাহলে এ রকম আলো প্রজ্বালন কেন?

    ক্ষমা করবেন সম্রাট, অনুমতি দিলে আমি কিছু বলতে পারি। সম্রাট শর্মিলার দিকে তাকালেন। কর্নেলিয়া তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, বলো, কী বলতে চাও।

    তিনি বললেন, আজ দেওয়ালি উৎসব। তাই এত আলো। মহাবীর এ রাতে নির্বাণ লাভ করেছিলেন।

    সেলুকাস ভাবলেন, এই উৎসবের সময় আক্রমণ করে শত্রুদের পরাজিত করতে হবে। কর্নেলিয়া বললেন, এটি অন্যায়। যারা ধর্ম পালন করে, তাদের সম্মান ও সুযোগ দেওয়া উচিত।

    জেনারেলরা সম্রাটকেই সমর্থন করলেন। ফিলেকাস বললেন, উৎসব অনুষ্ঠান চলাকালে শত্রুদের আক্রমণ করে বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি। এ সুযোগ আমাদের নেওয়া উচিত।

    পবিত্র উৎসবে মেতেছে এরা। আমাদেরও উচিত ওই উৎসবে যোগ দেওয়া। তাহলে শত্রুরা রাতের বেলায় আমাদের অবস্থান চিহ্নিত করতে পারবে না। এ ছাড়া ওরা অবাক হয়ে নিজেদের কৌশল পরিবর্তন করবে। এ পরিবর্তনটা আমাদের পক্ষে আসতে পারে। কর্নেলিয়া শেষে বললেন, আমাদেরও উচিত মশাল প্রজ্বলিত করা।

    নিকোমেডেস তাঁর কথা সমর্থন করে বলল, কর্নেলিয়া ফিরে আসার উপলক্ষে উৎসবের অংশ হিসেবে মশাল প্রজ্বলিত করা যায়।

    তা করা হলে আমাদের ধর্মবিশ্বাসকে সম্মানিত করা হবে, বললেন শর্মিলা। সম্রাট সেলুকাস এবার মনোযোগ দিয়ে তাকে দেখলেন। বললেন, এ মেয়ে কে?

    কর্নেলিয়া তার পরিচয় দিয়ে বললেন, তিনি এক জৈন সন্ন্যাসিনী।

    গ্রিক পোশাকে কেন? এত ভালো গ্রিক জানে কী করে? তুমি শিখিয়েছ?

    পোশাকটা আমার। ভাষাটা নিজে শিখেছেন।

    এখানে কেন নিয়ে এসেছ?

    কথাটা কাল বলব। এখন চলো মশাল প্রজ্বালন করি।

    সম্রাট রাজি হয়ে গেলেন। গ্রিক সেলুসিড শিবিরে অগ্নিমশাল প্রজ্বলিত হলো। আলো আলোকময় হয়ে ছড়িয়ে পড়ল সর্বত্র।

    এবার দূর থেকে অবাক হওয়ার পালা মৌর্য সৈন্যদের।

    রাত গভীর হচ্ছে। আলোর মশালগুলো তখনো জ্বলছে। আজ একধরনের উচাটন ভাব সেলুকাসের ঘুম কেড়ে নিয়ে গেছে। মেয়েটা ফিরে এসেছে। এই ফিরে আসা তাকে ভাবগ্রস্ত করেছে, সন্দেহ নেই। মেয়ের ফিরে আসার মধ্যে এ ভাবগ্রস্ততা থেমে থাকে নি। ভাবনার বোধ হয় নানা পথ-উপপথ রয়েছে। দূরের কোনো চিন্তাস্রোত সে পথে তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। কেউ কেউ ফিরে আসে না। অথচ মন তার কাছে ছুটে চলে যায়। তাদের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ায়। স্মৃতি মনকে দুঃখ ভারাক্রান্ত করে। বিষণ্ণ করে তোলে। সেলুকাসের মন এখন বিষণ্ণ। তাঁর নিজের জন্য যতটা নয়, মেয়ের জন্য তার চেয়ে বেশি। মেয়েটা প্রচণ্ড একটা ঘৃণা নিয়ে আছে। মায়ের প্রতি ঘৃণা। ভাইয়ের প্রতি ঘৃণা। কেন সে মৌর্য শিবিরে গিয়েছিল? যুদ্ধের কী রকম সমাপ্তি চায় সে? যুদ্ধের বাইরে মৌর্য সম্রাটের কাছে কী চাওয়ার আছে তার? সে বলেছিল, স্বেচ্ছায় সেখানে গেছে সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। কী সাংঘাতিক ব্যাপার! তার বড় রকমের ক্ষতি হতে পারত। তার চেয়ে বড় ক্ষতি হতে পারত সেলুসিড সাম্রাজ্যের। মৌর্যমন্ত্রী চাণক্য কী শর্ত চাপিয়ে দিত কে জানে? ফিরে আসায় সব রক্ষা পেয়েছে। এসব ভাবতে ভাবতে উঠে দাঁড়ালেন সেলুকাস। হাঁটতে হাঁটতে মেয়ের কক্ষে গেলেন। পাশেই মেয়ের কক্ষ। নিঃসার ঘুমোচ্ছে মেয়েটা। মেয়ের মাথায় হাত রাখতে ইচ্ছা হলো। দুই পা এগিয়ে আবার পেছনে এলেন। নিঃশব্দে কক্ষ থেকে বের হয়ে এলেন। বাইরের দিকে তাকালেন।

    আলো জ্বলছে, অনেক আলো। উৎসবের আলো বলছিল ভারতীয় মেয়েটা। চিন্তার স্রোত বইছে সেলুকাসের মধ্যে। উৎসবের আলো একসময় তাঁর চেতনায় বড় হতে হতে চিতার আগুনে পরিণত হলো। ভারতীয়রা মরদেহ সৎকার করে আগুনে পুড়িয়ে। সেদিন যুদ্ধক্ষেত্র থর মরুভূমিতে একসঙ্গে হাজার হাজার চিতা জ্বলেছিল। কী ভয়ংকর দৃশ! মৃত মৌর্য সৈন্যদের সঙ্গে সেলুসিড সৈন্যদেরও পুড়িয়ে দিয়েছিল ওরা। তাঁর মনে হয়েছিল, প্রতিশোধের ঘৃণা আগুনের লেলিহান শিখা হয়ে রাতের আকাশে উড়তে চাচ্ছে। মৃতের আত্মারা কি কষ্ট পেয়েছে? কী রকম কষ্ট ছিল তাদের? নিজেদের সৈন্যের মৃতদেহ ফেলে আসায় সেলুসিড সৈন্যদের কঠোর ভাষায় গালি দিয়েছিলেন সেলুকাস। মনে হচ্ছে এ কাজ আর এরা করবে না। এ কথা ভেবে এখন তিনি একটু উত্তেজিত। উত্তেজনা ভালো। তা বিষাদগ্রস্ততা থেকে মানুষকে মুক্ত করে দেয়। সেলুকাস এখন বিষাদগ্রস্ত নন। কিন্তু তাঁর ঘুম আসছে না। ঘুমহীনতার একটি কারণ উত্তেজনাও। উত্তেজনায় রক্তচাপ বাড়ে। সেলুকাসের রক্তচাপের সমস্যা আছে। আগামীকাল সকালে তিনি কর্নেলিয়ার হাতে চাণক্যের লেখা পত্রটা দেবেন। দেখবেন তার প্রতিক্রিয়া কী? তাকে নিশ্চয়ই চক্রান্তের কথা বলা হয় নি।

    একেবারে শেষ রাতের দিকে চোখ লেগে এল তাঁর। তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় স্বপ্ন দেখলেন তিনি। দেখলেন, সম্রাট আলেকজান্ডার তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আলেকজান্ডার ভীষণ রাগান্বিত। তাঁর সামনে রাজা পুরুকে ধরে আনা হয়েছে। সম্রাটের সৈন্যরা তাঁকে মাথা নোয়াতে বলছে কিন্তু তিনি মস্তক উন্নত করে দাঁড়িয়ে আছেন। আলেকজান্ডারের রাগটা এখানে। কী করবেন তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। এই অবস্থায় আলেকজান্ডারের সৈন্যদের মধ্যে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই অস্বস্তির ভাবটা সেলুকাসকেও পেয়ে বসেছে। তিনি এপাশ- ওপাশ করছেন। তাঁর ঘুম ভাঙল জেনারেল ফিলেকাসের ডাকে। অত্যন্ত জরুরি কথা জানাতে হবে সম্রাটকে।

    সেলুকাস জেনারেলের ওপর বিরক্ত হলেন। সাধারণ সৈনিকদের কেউ ঘুম ভাঙালে তার মৃত্যুদণ্ড দিতেন। ঘুমের জন্য তাঁর কষ্ট নেই, কষ্ট স্বপ্নটা শেষ হলো না। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট অনমনীয় মনোভাবের জন্য পুরুকে কী শাস্তি দিচ্ছেন, তা দেখা দরকার ছিল। ঘুম ভেঙে যাওয়ায় মনে হয় কাঁপছেন তিনি। অসম্পূর্ণ ঘুমে এটা হতে পারে।

    এই অবস্থায়ই ফিলেকাস জানালেন, মৌর্যরা থর মরুভূমিতে সৈন্য জড়ো করছে। যুদ্ধের আহ্বান জানানো সময়ের ব্যাপারমাত্র।

    তোমার সৈন্যরা প্রস্তুত আছে?

    প্রজ্বলিত মশাল দেখে গতকাল থেকেই এরা তৈরি, মহামান্য সম্রাট।

    আমাদের থর মরুভূমিতে গিয়ে শত্রুর মুখোমুখি না দাঁড়ালে সমস্যা কী?

    এটা যুদ্ধের নীতি নয়, সম্রাট।

    একে নতুন কৌশল মনে করা যায় না?

    আজ পর্যন্ত এমনটি ঘটে নি। আপনি রীতি ভাঙতে চাইছেন?

    সামান্য কিছু অশ্বারোহী সৈন্য পাঠিয়ে বাকিদের এই পাহাড়ি উপত্যকার ভাঁজে ভাঁজে অবস্থান করতে বলো। আর জেনারেলদের সভা ডাকো। আমি তৈরি হয়ে আসছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }