Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ১৯

    ১৯

    আচার্য ভদ্রবাহু তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে কথা বলছেন। বিষয় আত্মা। জৈনধর্মে জীব বলা হয় আত্মা- দ্রব্যকে। এটা আর পাঁচটা বস্তু থেকে আলাদা। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে আত্মা-বস্তু আত্মগত, যা অন্য দ্রব্যে পাওয়া যাবে না। এই আত্মা প্রকৃতিগতভাবেই মুক্ত। জ্ঞান, ভোগ-উপভোগ-দুর্ভোগ—সবই হচ্ছে মুক্ত আত্মার পরিবর্তন বা সংশোধন। অবস্থাভেদে তার তারতম্য ঘটে।

    ঠিক এ সময়ই সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত ও সম্রাজ্ঞী দুরধরা প্রবেশ করলেন। ভদ্রবাহুর ইশারায় শিষ্যরা সবাই উঠে গেল।

    চন্দ্রগুপ্ত পদ্মাসনে বসতে বসতে বললেন, এদের সঙ্গে কথা শেষ করতে পারতেন, আচার্য, আমরাও শুনতাম।

    কী নিয়ে কথা বলছিলেন, আচার্য, এ প্রশ্নটা সম্রাজ্ঞীর।

    আত্মা নিয়ে কথা হচ্ছিল, বললেন আচার্য। যোগ করলেন, আত্মা অন্তর্নিহিতভাবেই নিখুঁত ও অমর। এক দেহ থেকে অন্য দেহে তার বিচরণ আছে। এখন শাস্ত্রীয় কথা থাক। বলো চন্দ্ৰ, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা বলো।

    আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, আচার্য, আপনার কাছ থেকে অনুমতি না নিয়ে যুদ্ধে গেছি।

    আরে না না। এখানে তোমার কোনো ভুল নেই। আমিই তো পাটালিপুত্রে ছিলাম না। এ ছাড়া এটা একটা চলমান যুদ্ধ ছিল। তোমার জন্য আমার আশীর্বাদ সব সময়ই আছে।

    মগধরাজ নন্দের সঙ্গে যুদ্ধটা শেষ হয়েছে, আচার্য।

    আমি খুশি হয়েছি। মহামন্ত্রী চাণক্য কেমন আছেন?

    এ যুদ্ধে তাঁর ভূমিকাই ছিল বড়। তিনি এবারও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন।

    নন্দরাজের কী পরিণতি?

    যুদ্ধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মন্ত্রী রাক্ষস ধরা পড়ায় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

    তাহলে যুদ্ধে অনেক জীবন গেছে। তুমি ভালোয় ভালোয় ফিরে এসেছ, এ আমার স্বস্তি।

    সম্রাজ্ঞী এবার সম্রাটের দিকে তাকালেন। সম্রাট সম্রাজ্ঞীকেই কথা বলতে ইশারা করলেন।

    আচার্য, আমি কদিন আগে আপনার সঙ্গে আমাদের অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছিলাম। আপনি সম্রাটের উপস্থিতিতে এ নিয়ে কথা বলবেন বলেছিলেন।

    আমার মনে আছে। এ নিয়ে আমি আরও ভেবেছি। যা পূর্বনির্ধারিত, তা এমন এক ব্যাপার, যাকে অতিক্রম করা যায় না। কখনো কখনো একেবারেই যায় না। আপনাদের শক্ত হতে হবে।

    সম্রাট উদ্বিগ্ন হয়ে বললেন, বুঝলাম না, আচার্য

    তুমি যুদ্ধে যাওয়ার কালে তোমার হস্তী পদতলে পিষ্ট হয়ে একটি বিড়ালের মৃত্যু হয়।

    আপনি কী করে জানলেন?

    এটি ছিল একটি বড় অশুভ বার্তা। তোমার যে সন্তান আসছে, সে বিড়ালের আঘাতে মারা যাবে। আমি অনেক চেষ্টা করেছি, একে পরিবর্তন করা যাচ্ছে না।

    একেবারেই না?

    এখনো দেখছি না।

    সম্রাজ্ঞী এ কথা শুনে কাঁদতে শুরু করে দিলেন।

    সম্রাট তাঁর হাত টেনে এনে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। ভদ্রবাহু নির্বিকারভাবে তাকিয়ে থাকলেন তাঁদের দিকে। তাঁরও কষ্ট হচ্ছে। পরে বললেন, দেখো, চেষ্টা করো। সবকিছুই পরিবর্তনশীল। তোমাদের কর্মের মাধ্যমেই তা পরিবর্তন করা সম্ভব হতে পারে।

    ভদ্রবাহু ইচ্ছা করেই আশার এ আলোটুকু জ্বালিয়ে রাখলেন। সম্রাজ্ঞী তাঁর কান্না থামালেন। সম্রাট এবার গ্রিকদের বিরুদ্ধে অভিযানের কথা বললেন। গ্রিকরা সিন্ধু নদের পূর্ব তীরেও আক্রমণের কথা ভাবছে।

    ভদ্রবাহু আগেই এ নিয়ে ভেবেছেন। এখন আবার চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ ভাবলেন। পরে বললেন, এটা সহজেই অনুমেয় যে ওরা সিন্ধুর এ পাড়েও আক্রমণ করবে। আলেকজান্ডারের মতো সম্রাট সেলুকাসের দিগ্বিজয়ের নেশা আছে। তবে সে সফল হবে না। তোমার কিন্তু আগে আক্রমণ করতে হবে। আর এ যুদ্ধের নেতৃত্ব বা কর্তৃত্ব কোনোভাবেই অন্য কারও হাতে ছাড়া যাবে না। তুমি নিজে এ যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবে। তার আগে তোমার সৈন্যদের সংগঠিত করো। তুমি সাধারণ সৈন্য পর্যন্ত সবার খোঁজখবর রাখবে। যুদ্ধে আমি উপসর্পিণীর প্রভাবই দেখতে পাচ্ছি। এ যুদ্ধে তোমার জয় হবে।

    সম্রাট তাতে খুশি হয়ে গেলেন। সম্রাজ্ঞী খুশি হতে পারলেন না। তাঁর বুকে কাঁটার মতো বিদ্ধ হয়ে আছে বিড়াল।

    প্রাসাদে সম্রাটের কক্ষে পৌঁছেই সম্রাজ্ঞী বললেন, এখন আপনার প্রধান কাজ হলো রাজ্যের সমস্ত বিড়াল নির্মূল করা। যুদ্ধ পরে হবে, সম্রাট। আমি আমার সন্তানকে হারাতে পারি না, বলে কেঁদে উঠলেন তিনি। সম্রাট সম্রাজ্ঞীর কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন যে তিনি যুদ্ধে যাওয়ার আগেই সমস্ত বিড়াল নির্মূল করবেন।

    বিড়ালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। সম্রাটের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হলো, মৌর্য সাম্রাজ্যে কোনো বিড়াল থাকবে না। পাটালিপুত্র নগরে বিড়ালের একটি লোমও পাওয়া গেলে পরিণাম হবে ভয়াবহ। ফলে বিড়াল নির্মূল হয়ে গেল। মৌর্য সাম্রাজ্যের লোকালয়ে কোনো বিড়াল থাকল না। যারা পোষা বিড়ালের মৃত্যু চায় না, এরা তাদের বিড়াল গভীর জঙ্গলে পাঠিয়ে দিল। বিড়ালপ্রিয় শিশুদের কান্নাও সম্রাটের এ অভিযানকে বন্ধ করতে পারল না।

    সম্রাজ্ঞী এক রাতে তাঁর কক্ষে বরাহ মিহিরকে ডেকে পাঠালেন। জানতে চাইলেন তাঁর অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ কী হবে।

    মিহির বিজ্ঞের মতো বললেন, আপনার পুত্রসন্তান হবে, সম্রাজ্ঞী। যুবরাজ এক শ বছর বাঁচবেন। তাঁর কোনো রোগবালাই বা দুষ্টচক্র দেখছি না আমি। তিনিই মৌর্য সাম্রাজ্যের পরবর্তী সম্রাট।

    মিহির নিজেকে তখন জৈনদের উত্তরাধিকারী ‘শ্রুতকেবলী’ দাবি করে বসলেন।

    সম্রাজ্ঞী মিহিরকে নিয়ে গেলেন সম্রাটের কক্ষে। একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন।

    সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী উভয়েই মিহিরের কথা বিশ্বাস করলেন। এঁরা ওই ভবিষ্যৎ বাণীতে পুলকিত ও আশ্বস্ত হলেন। মিহির চলে গেলে সম্রাজ্ঞী সম্রাটকে বললেন, আচার্য ভদ্রবাহু কী বললেন? কী তাঁর উদ্দেশ্য?

    আমি তা বুঝতে পারছি না, সম্রাজ্ঞী। তিনি আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী। আমার বিশ্বাসে ফাটল ধরুক, তা আমি চাই না।

    কী বলছেন আপনি?

    তিনি বলেছেন, কর্মে ফলাফল পাল্টাতে পারে।

    কী কর্ম করতে হবে আমাদের, তা তো বলেন নি।

    তিনি অনেক বাস্তববাদী মানুষ। তাঁকে জিজ্ঞেস করে জেনে নিতে তো বাধা নেই।

    আপনি যা-ই বলুন না কেন, বরাহ মিহিরই আমাদের শুভার্থী, আচার্য ভদ্ৰবাহু নন।

    সম্রাটের মনেও এ রকম একটি বিশ্বাস উঁকিঝুঁকি মারছিল, কিন্তু তিনি তা ব্যক্ত করলেন না। সম্রাজ্ঞীর কথায়ও সায় দিলেন না। বললেন, অপেক্ষা করতে হবে আমাদের, আর সাবধানে থাকতে হবে।

    মিহিরের মাধ্যমেই প্রাসাদের অন্দরমহলে কথাটা প্রচার পেল। এক কান দুই কান হয়ে একসময় ভদ্রবাহু ও চাণক্যের কানে গেল।

    চাণক্য ভদ্রবাহুর কক্ষে এলেন। কুশল বিনিময়ের পর বললেন, পার্থিব বিষয়ে জ্ঞান অন্বেষণ করেছি আমি। বাস্তবের কঠিন বিষয়গুলোর মুখোমুখি হয়েছি, কোনো আধ্যাত্মিক শক্তি আমার নেই, বিশ্বাসও নেই। কেননা, আজীবিক ধর্ম মনে করে, সবকিছু পূর্বনির্ধারিত, ভাগ্য অপরিবর্তনশীল। আমিও তা বিশ্বাস করি এবং ধ্রুব বলে জানি। তারপরও আপনার প্রতি, আপনার আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতি আমার আস্থা ও শ্রদ্ধা রয়েছে। মিহির যা বলে বেড়াচ্ছে, তা শুনে সম্রাট-সম্রাজ্ঞীর স্বস্তি হতে পারে, আমার ভালো লাগছে না।

    আচার্য ভদ্ৰবাহু হেসে দিয়ে বললেন, মিহির আমার ছোট ভাই, তার উচ্চাভিলাষ ও স্বল্প জ্ঞানবুদ্ধি তাকে অবিবেচকের মতো কথা বলতে সাহায্য করছে। এবার প্রমাণিত হয়ে যাবে তার আধ্যাত্মিক শক্তির গভীরতা কতখানি। আচার্য, আপনার শারীরিক কুশলের কথা বলুন।

    যুদ্ধে এবার অনেক ঝামেলা গেছে। তবে নন্দ রাজবংশকে নির্মূল করা গেছে, এটাই আমার সাফল্য। অনেকে বলে, এটা আমার প্রতিহিংসার রাজনীতি। হয়তো তাই। আমি একেও অনিবার্য ও পূর্বনির্ধারিত নিয়তি মনে করি।

    দেখুন, ধর্মীয় বিষয়ে আমি কখনো তর্ক করতে যাই নি। সব ধর্মের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। আপনার আজীবিক ধর্মজ্ঞান, নীতিজ্ঞান ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দূরদর্শিতার প্রতিও বরাবরই ভক্তি রয়েছে আমার। আমি অনেকবারই বলেছি, কৌটিল্যের ‘অর্থশাস্ত্র’ যুগোত্তীর্ণ মহাগ্রন্থ। আপনার মতো পণ্ডিতের জন্ম হয় হাজার বছরে একবার। আপনাকে বোঝার জন্য যে মেধা দরকার, তা অনেকের নেই বলে বিপত্তি ঘটে। আমি গর্বিত আপনি আমার কালে জন্মেছেন। চাণক্য খুব হাসলেন কথা শুনে।

    চাণক্যের হাসি ভদ্রবাহুর মতো সৌম্য হাসি নয়, তাঁর চেহারার জন্য মুখমণ্ডলে হাসির রেখা মহৎ কিছু সৃষ্টি করে না, দন্ত ও কণ্ঠ সমস্যার জন্য তাঁর কথার মতোই ফেসফেসে হাসি। তা তিনি নিজেও জানেন। বললেন, আমি আপনার মতো স্বর্গীয় হাসি হাসতে পারি না, আচার্য। আমি মর্তলোকের মানুষ, মর্তলোকের কঠিন বাস্তবতা শুধু দিয়েছে। এ জন্য আমার দুঃখ নেই। আমি বরং আমার এই রূপটাকেই উপভোগ করছি।

    দেহটা স্বর্গেও যাবে না, ভবিষ্যতের পথেও পা বাড়াবে না। আত্মা স্বর্গে যাবে, যদি স্বর্গ থাকে। আর মনমানসিকতা ও প্রতিভার সৃষ্টিশীলতা ভবিষ্যতের মানুষের কাছে যাবে। আমি কর্মফলে বিশ্বাসী মানুষ। আপনার কর্মই আপনাকে ভবিষ্যতের মানুষের কাছে মর্যাদার আসন তৈরি করে দেবে, বললেন ভদ্ৰবাহু।

    চাণক্য বললেন, আপনি তো স্বর্গেই বাস করছেন, আচার্য। কোনো হিংসা নেই, কোনো প্রতিহিংসা নেই, বিদ্বেষ নেই, শত্রুকে ক্ষমা করার মহত্ত্ব আছে, সংকট নেই, হৃদয়জ্বালা নেই, কারও ক্ষতিতে নেই, সুখে-দুঃখে সব সময়ই আছেন। শুধু সম্রাট নয়, আমারও একমাত্র শুভার্থী আপনিই। এ রকম মানুষের জন্য এই পৃথিবীই স্বর্গ। অধ্যাত্ম-ধ্যানে তার আত্মার মুক্তি। মহামানব আর কেউ নয়, আপনি। আমি জানি আমি কত ক্ষুদ্র। যে অন্যের অনিষ্ট খুঁজে বেড়ায়, প্রতিহিংসায় জ্বলে, আঘাতে ক্ষমা নয়, প্রতিঘাত করে, দ্বৈত সত্তা নিয়ে চলে, সে আর যা-ই হোক, মহৎ ব্যক্তি নয়, পৃথিবীর নরকে তার বসবাস। এত দিন ভেবেছিলাম নন্দকে নির্বংশ করলেই আমার স্বস্তি। কই? এখন যে হাহাকার, কার জন্য তা? আর কার বিনাশের জন্য মন-প্ৰাণ জিঘাংসার বশবর্তী? অদ্ভুত চাণক্য, অদ্ভুত। হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমার কূটনৈতিক শক্তি আছে, দূরদৃষ্টি আছে, দুরভিসন্ধি আছে, জ্ঞান আছে, কিন্তু বিবেচনাশক্তি নেই, চাই আরও চাই, কী চাই, আমি আসলে তা-ও জানি না। পাওয়ায় ক্ষণিক উন্মাদনা, তারপর আবার অবসাদ, অতৃপ্তি, বিনাশের দিকে হাত বাড়ানো।

    আচার্য, আজ আপনার কী হয়েছে, বলুন তো? আপনি মনে হয় অসুস্থ। বিশ্রাম প্রয়োজন।

    না, আচার্য, আমি ঠিক আছি। মাঝেমধ্যেই এমন মনে হয়। মিহিরের আচরণ দেখে আমার ভেতরকার সেই মানুষটাকে যেন আবার দেখতে পেলাম, যে মানুষের কদর্য প্রবৃত্তিকে খুঁজে বের করে নিজের কাজে ব্যবহার করে, উপকারীর উপকার স্বীকার করে না, বন্ধুকে শত্রু, ভাইকে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে হিংসাকে উসকে দিয়ে, লালসাকে সীমাহীনভাবে উড়তে দিয়ে রাজনীতি করে। আমি বলেছি, যখন ছুরি শানাচ্ছ, তখন মুখে হাসতে হবে, যখন পানীয়ে বিষ মেশাচ্ছ, তখন আলাপে বিমোহিত করতে হবে, এর নামই রাজনীতি। আপনি ছাড়া আর কেউ জানে না যে কৌটিল্য আসলে আমিই। অর্থশাস্ত্রে যা বলেছি, বাস্তবে কি তা অনুসরণ করা সম্ভব? উল্টোটাই করছি আমি। এ রাজনীতির শেষ কোথায়? এ রকম আচরণ কোথায় নিয়ে যাচ্ছে আমাকে?

    আপনি শান্ত হোন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে নিজেকে বুঝতে পারা। তাহলেই সব অশুভ আর অমঙ্গল থেকে নিজেকে সরিয়ে আনা যায়।

    তা বোধ হয় আর সম্ভব নয়। আপনার কাছে এলে শান্তি পাই। আপনাকে বলে হালকা হই। কিন্তু নিজের জায়গা থেকে ফিরতে পারি না। আবার জড়িয়ে পড়ি কূটচালে, অনৈতিক ষড়যন্ত্রে। মাঝেমধ্যে আপনার লেখা কল্পসূত্র পাঠ করি। কী মধুর তার শব্দব্যঞ্জনা, কী অসাধারণ আপনার প্রকৃতি বর্ণনা, কত মোহময় মহাবীরের প্রতি আরাধনা। চতুর্বেদ এককালে আপনিও পড়েছেন। সে বিদ্যার মহাভাব নিয়ে আপনি গেছেন জৈন ধর্মদর্শনের মর্মমূলে। কোনো কপটতা নেই, নেই কোনো শঠতা, আপনি দিগম্বর হতে পেরেছেন হৃদয়ের টানে। আর আমি নন্দের রাজপ্রাসাদ থেকে সেদিন আজীবিকের ছদ্মবেশে পলাতক হলাম কোন কৌশলে? কত পার্থক্য আমাদের। আপনার ধর্ম অন্তরে। আর আমার ধর্ম কূটকৌশলে। বেদ হজম করে আমার শান্তি হলো না। ব্রাহ্মণ একদিন ভেবে বের করল, বেদবাক্য শেষ বাক্য নয়, নিয়তিই শেষ কথা।

    আচার্য চাণক্য, জগতের সব সৃষ্টিশীল প্রতিভারই ধরন তাই। ধূপ নিজেকে পুড়িয়ে গন্ধ বিলায়।

    কিন্তু সে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    আপনি শুধু ধূপ নন, সেই স্বর্ণ, পুড়ে পুড়ে যে প্রতিদিন খাঁটি হচ্ছে।

    আপনি সোনার মানুষ, তাই সেভাবে ভাবছেন। যাক, নিজের কথা অনেক বলে ফেললাম। ক্ষমা করবেন। যুদ্ধে আবার যেতে হবে, সে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এখন। কী অদ্ভুত ব্যাপার দেখুন, আলেকজান্ডারকে ভারতবর্ষ থেকে তাড়ানোর জন্য, সে সময় কী দেশপ্রেমই না ছিল। চন্দ্রগুপ্ত তখন কিশোর। তাঁকে পাঠালাম প্রপাগান্ডা সৃষ্টি করতে। সে দেশপ্রেমের কথা মনে হয়। আর এখন? যুদ্ধে যাচ্ছি দেশপ্রেমের জন্য নয়, দিগ্বিজয়ের জন্য। আরও কিছু বিজয় করতে হবে। সে কথা না-ই বললাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }