Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৫৭

    ৫৭

    থর মরুভূমির বালি উত্তপ্ত হচ্ছে বেলা বাড়ার সাথে সাথে। যুদ্ধের উত্তেজনাও বাড়ছে উভয় পক্ষে। সে উত্তেজনা ঘোড়া, হাতি, গাধা, খচ্চর, ষাঁড়—সবকিছুর মধ্যেই। তবে উটের মধ্যে একটা শান্তভাব। জাবর কাটছে নির্লিপ্তভাবে। নানা অস্ত্রের ঝলকানিতেও এরা নির্বিকার।

    অধীর অপেক্ষা। আগে আক্রমণটা কে করবে? সৈন্যদের মধ্যে যেমন অস্থিরতা, পশুদের মধ্যেও তাই। ইঙ্গিত পেলেই ছুটে যাবে শত্রুর দিকে। যুদ্ধ একটা খেলাও বটে। মৃত্যুখেলা। ভয়ডরহীন। এ খেলা একবার পেয়ে বসলে সবকিছু ভুলে শুধু তাতেই মত্ত হতে হয়।

    থর এলাকায় একটা পাগলা আছে। সে শুধু বাঁশি বাজায়। পাতার বাঁশি। ছেঁড়া কাপড়ের মালকোঁচায় নানা রকম কাঁচা পাতা ভিজিয়ে যত্ন করে রাখে। একটার পর একটা বের করে বাজাতে থাকে। দুটো বাঁশের বাঁশিও আছে। বহু দূর থেকে তার বাঁশির শব্দ শোনা যায়। পানি রাখে সে মাজায় বেঁধে রাখা একটা বাঁশের চোঙায়।

    এখন রণভেরি বন্ধ আছে। বাজছে না। দুই পক্ষেরই বাদক দল চুপচাপ আছে। তবে তাদের হাত আর ঠোঁট যেন কোনো বাধা মানতে চাইছে না। তারপরও ধৈর্য ধরে প্রতীক্ষা। রণভেরিতে সৈন্যদের রক্ত গরম হয়।

    পাগলা নিরুর পাতার বাঁশি বেজেই চলেছে। কেমন একটা করুণ সুর। সুরের একটা সর্বজনীনতা আছে। বিশেষ করে এ তপ্ত মরুভূমির উত্তেজনাকর অবস্থায়। কান পেতে সবাই শুনছে এ সুর। কী অদ্ভুত এ বাঁশির সুর। স্বর্গ-মর্ত যেন এক করে ফেলছে।

    সেলুকাস তার সৈন্যদের দিকে দৃষ্টি দিলেন। দেখলেন, এরা বিভোর হয়ে আছে বাঁশির সুরে। ভাবলেন, তার ফল কী! মৌর্যরা কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে না তো? যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুসৈন্য ছাড়া অন্য কাউকে হত্যা করা যায় না। এ ছাড়া তাঁর (সেলুকাসের) বংশগত বিশ্বাস আছে, দেবতারা বাঁশিওয়ালা ও অন্যরূপে আবির্ভূত হন ভক্তদের সাহায্য করার জন্য। অবশ্য এ বাঁশিওয়ালা মৌর্যদের পক্ষের দেবতাও হতে পারেন।

    দূরে মৌর্যদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনী দেখা যাচ্ছে। এ বাহিনী নিয়ে চন্দ্রগুপ্ত তাদের সঙ্গে লড়বেন? গোয়েন্দারা একটা খবর এনেছিল সম্রাট-মন্ত্রী ও সৈন্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। তিনি তা বিশ্বাস করেন নি। তাহলে কি ঘটনা সত্য? না হয় মৌর্যদের বিশাল বাহিনী কোথায়? একদিকে তার সৈন্যরা পাগলের বাঁশির সুরে আকণ্ঠ নিমগ্ন, অন্যদিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মৌর্য বাহিনী। আক্রমণের আদেশ দিয়ে ফেলবেন নাকি?

    ঠিক এ সময় দেখলেন নিজের বাহিনীর মধ্যে মৃদু আলোড়ন। কে যেন কয়েকজন সৈন্য পরিবৃত হয়ে সম্রাটের দিকে ছুটে আসছে। ক্রমে ক্রমে কাছে এলে তাকে চিনতে পারলেন। জেনারেল কিউকেকাস। সঙ্গে কর্নেলিয়া ও নিকোমেডেস। জেনারেল কিউকেকাস বললেন, মহামান্য সম্রাট, আমি যুদ্ধ করতে চাই, আপনি আমার কমান্ড ফিরিয়ে দিন।

    সম্রাটের বুঝতে অসুবিধে হলো না কর্নেলিয়া তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে এসেছেন। একজন জেনারেলের মর্যাদা নির্ভর করে যুদ্ধজয় কিংবা বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে মৃত্যুবরণ করার মধ্যে, ঘরে বসে থেকে নয়, পুনরায় বললেন কিউকেকাস!

    সম্রাট কর্নেলিয়ার দিকে তাকালেন। দেখলেন তাঁর কন্যাও যুদ্ধসাজে এসেছেন। কর্নেলিয়া বললেন, সেলুসিড সাম্রাজ্যের কঠিন সময়ে একজন জেনারেল বসে থাকতে পারেন না। পিতা, আপনি তাঁকে তাঁর দোরি কমান্ডে নিযুক্ত করুন।

    সম্রাটের মধ্যে এই জেনারেল সম্পর্কে যে আস্থার অভাব ছিল, তা কেটে যেতে থাকল। এ ছাড়া তিনি ভাবলেন, সারিসা আর দোরি—এ দুই অস্ত্রেই মৌর্যদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীকে নিঃশেষ করে দেওয়া সম্ভব। নতুন এ শক্তি যুক্ত হলে মৌর্যদের বিরুদ্ধে প্রথমেই আক্রমণ করতে বাধা নেই। আর এটাই উপযুক্ত সময় শত্রুদের আক্রমণ করে ঘায়েল করে দেওয়ার। তিনি ফিলেকাসকে ডেকে বললেন, জেনারেল, তুমি নিজে গিয়ে কমান্ড বুঝিয়ে দিয়ে এসো। ক্লদিয়াসকে তার বাহিনীর কমান্ডে ফিরে যেতে বলবে। সেখানেই সে ভালো করবে।

    জেনারেল ফিলেকাসের সঙ্গে জেনারেল কিউকেকাসকে যুদ্ধক্ষেত্রে দেখে সেলুসিড বাহিনীর মধ্যে আনন্দঘন এক উত্তেজনার ঢেউ খেলে গেল। শুধু বিমর্ষ হতে দেখা গেল জেনারেল আর্কিমেডেসকে, হয়তো ক্লদিয়াসকেও। কিন্তু ক্লদিয়াসকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই। জেনারেল আর্কিমেডেস তা গোপন করতে পারলেন না। সবাই তা লক্ষ করল। কিউকেকাস যেন পুরো ফর্ম নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে এসেছেন। তাঁর চোখ-মুখ এবং শরীরের ভাষা সে কথা বলছে।

    কমান্ড বুঝিয়ে দিয়ে ফিরে আসতেই জেনারেল ফিলেকাসকে সেলুকাস আক্রমণের আদেশ দিলেন। এ আদেশে ছুটে গেল হাজার হাজার সেলুসিড সৈন্য। সারিসা ও দোরিধারী সহস্র সহস্র পদাতিক সেনা অস্ত্র উঁচিয়ে দৌড়াচ্ছে। পেছনে অশ্ব ও উটের বাহিনী, সম্রাট সেলুকাসও তাদের সঙ্গে আছেন। তেজি একটা অশ্বপৃষ্ঠে তাঁকে ছিয়াত্তর বছরের তরুণ বলে মনে হচ্ছে। মাথায় সুবর্ণ হেলমেট, সুবর্ণ জালি স্কন্ধ অবধি, এক হাতে সারিসা, অন্য হাতে সুবর্ণ ঢাল। বনেদি গ্রিক সেনাদের হেলেনিস্টিক প্লাস সেলুসিড মুড। এপিলেকটোই বাহিনী তাঁর পেছন পেছন। পূর্ব দিকে ধেয়ে আসছেন বলে সূর্যের আলো ঝলমল করছে সুবর্ণ শিরস্ত্রাণে।

    রণভেরি বাজছে। তার মধ্যেও নিরু তার বাঁশি বাজিয়ে যাচ্ছে। সুরটা এখন আর করুণ নয়, তারও সুরের পরিবর্তন হয়েছে। বেসুরো, তবে অসুরপুরে যেন সুর উঠেছে, বেসামাল, নিয়ন্ত্রণহীন। থর মরুভূমির ধুলোর রাজ্যে ভীষণ ঝড়। বাতাসটা পূর্ব থেকে পশ্চিমে বইছে। সেলুকাস আগে বিষয়টা ভাবলেন না কেন, ঝড়ের বালি তাঁর সৈন্যদেরই নাজেহাল করছে। তবে থামছে না তাঁর বাহিনী। ছুটছে তো ছুটছেই। এরা মৌর্য এলাকায় এসে গেছে। মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত তা-ই চাইছিলেন। চোখে বালি পড়ে বেদিশা গ্রিকরা। মৌর্য বাহিনী এ অবস্থার সুযোগ নিল।

    এরা পূর্বপ্রস্তুতিমতো পুরো সেলুসিড বাহিনীকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলল। মাছের ঝাঁক যেন ঘিরে ফেলা হলো জাল দিয়ে। চারদিক থেকে হাঁকডাক দিয়ে সেলুসিড বাহিনীকে থামিয়ে দেওয়া হলো। জাল ছিন্ন করে বেরোনোর চেষ্টা করবে নাকি চারদিকে যুদ্ধের মুখোমুখি হবে সেলুসিড বাহিনী, এ নিয়ে জেনারেলদের সঙ্গে পরামর্শ শুরু করলেন সম্রাট সেলুকাস। জেনারেলরা ঘটনার আকস্মিকতায় চুপ করে রইলেন।

    কর্নেলিয়া বললেন, মৌর্যদের কৌশলের কাছে আমরা বোকা হয়ে গেছি। যুদ্ধ এখনো শেষ হয়ে যায় নি। যুদ্ধে আমরা পরাজয় বরণ করব না। জাল ছিন্ন করে একদিক থেকে বের হওয়ার অর্থ পালিয়ে যাওয়া। এটি কোনো কৌশল হতে পারে না। আমাদের উচিত হবে অমর্যাদার পথ পরিহার করে মুখোমুখি যুদ্ধে তাদের পরাজিত করা।

    জেনারেল কিউকেকাস বললেন, মহামান্য সম্রাট, প্রিন্সেসের সঙ্গে আমি একমত। জাল কেটে বের হয়ে পালিয়ে যাওয়ার মধ্যে কোনো বাহাদুরি নেই। যুদ্ধ করে এদের পরাজিত করার পক্ষপাতী আমি। এতেই গ্রিকদের গৌরব নিহিত।

    জেনারেল ক্লদিয়াস বললেন, সার্বিক যুদ্ধে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। একদিক দিয়ে বের হয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি কম হবে। এখানে আমরা সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। ওরা আমাদের আটকে রাখতে পারবে না।

    জেনারেল আর্কিমেডেস তাঁকেই সমর্থন করে বললেন, আমাদের ক্লদিয়াসের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। কারণ, ওরা এখন আমাদের আত্মসমর্পণ করতে বলবে। আত্মসমর্পণ না করলে চারদিক থেকে আমাদের কচুকাটা করবে। অথবা হত্যা করার পরিকল্পনা নিয়ে একটি পথ খুলে দেবে, যাতে করে আমরা বের হতে গেলে একে একে হত্যা অথবা বন্দী করা যায়।

    ফিলেকাস কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। সেলুকাস তাঁকে থামিয়ে দিয়ে সারিকাসকে উদ্দেশ করে বললেন, তোমার মতামত দাও, ফিলেকাস সবার শেষে বলবে।

    সারিকাস বললেন, আমাদের পরিকল্পনায় কোনো ভুল ছিল না। গোয়েন্দা রিপোর্টও ছিল ওরা আগে আক্রমণ করবে। তাদের বিশাল বাহিনীর সংবাদও আমাদের জানা। কিন্তু ওরা যে এভাবে আমাদের ফাঁদে ফেলবে, তা বুঝতে পারি নি। আমার মনে হয় না এখনই ওরা আমাদের আক্রমণ করবে। ওরা আত্মসমর্পণের প্রস্তাব পাঠাবে। সমুদ্রে জেলেরা মাছেদের যখন ঘিরে ফেলে, তখন মাছেরা একত্র হয়ে যায়। এরা মনে করে এই ঐক্য তাদের রক্ষা করবে। প্রাকৃতিক এই উপলব্ধি থেকে আমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি। আমরা প্রশিক্ষিত যোদ্ধা, আমাদের অস্ত্র আছে, কৌশলগত বুদ্ধি ও প্রশিক্ষণ আছে। এখনই তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আত্মঘাতী। আমাদের অপেক্ষা করা উচিত। আমাদের সঙ্গে পর্যাপ্ত খাদ্য আর পানীয় রয়েছে। তাদের অবরোধ আমাদের কোনো ক্ষতিই করতে পারবে না, বলে তিনি সরবরাহ ও লজিস্টিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল ক্লদিয়াসের দিকে তাকালেন।

    ক্লদিয়াস বললেন, আমাদের কিছু রসদ সরবরাহ যান ও পানীয় অবরোধের বাইরে আটকে গেছে।

    সারিকাস বললেন, আপনার এখন পরিমাণটা নির্ণয় করা জরুরি, জেনারেল। তাহলে আমরা পরিকল্পনা করতে পারি কত দিনের খাদ্য আমাদের আছে।

    ফিলেকাস সম্রাটের দিকে তাকালেন। তিনি এবার কথা বলতে চান।

    ফিলেকাস বললেন, রসদের পরিকল্পনার আগে আরও অনেক কিছু ভাববার আছে, জেনারেল সারিকাস। মহামান্য সম্রাট, সবার বক্তব্যের মধ্যেই যুক্তি আছে। তবে কোনটা বেশি যৌক্তিক এ পরিস্থিতিতে, তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। আমরা যুদ্ধ করতে এসেছি, বিজয় আমাদের লক্ষ্য। ছলে-বলে-কৌশলে আমাদের জয়লাভ করতে হবে। প্রিন্সেস কর্নেলিয়ার বক্তব্য অত্যন্ত যৌক্তিক। যুদ্ধ এখনো শেষ হয় নি, আমরা পরাজিত নই, অবরুদ্ধমাত্র। এখান থেকে বের হওয়ার পথ দুটি, একটি কৌশলের, অপরটি যুদ্ধের। সমরকৌশল ও যুদ্ধজয়ে অতীতে আমরা অনেক সাফল্য অর্জন করেছি। পরাজয় আমাদের ইতিহাসে নেই। ভবিষ্যতেও থাকবে না। আমরা বীরের জাতি। আমরা যদি এখনই যুদ্ধের সিদ্ধান্ত না নিই, অপেক্ষা করি, শত্রুরা আমাদের ওপর চড়াও হবে। হয় চারদিক থেকে আক্রমণ করবে অথবা আত্মসমর্পণের প্রস্তাব পাঠাবে। এ অবস্থায় আমাদের উচিত হবে আক্রমণ করা। তবে আক্রমণের লক্ষ্য কী হবে—বিজয় অর্জন, না জাল ছিঁড়ে পলায়ন, তা-ই এখন বিবেচ্য।

    এরই মধ্যে মৌর্য পতাকা হাতে একজন দূত এসে উপস্থিত হলো। তাকে দুজন গ্রিক সৈন্য স্কট করে নিয়ে এসেছে। সামরিক অভিবাদন শেষে দূত সেলুকাসের কাছে একটি পত্র হস্তান্তর করল।

    পত্রটি আত্মসমর্পণের আহ্বানসংবলিত। তাতে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের স্বাক্ষর রয়েছে। লেখা হয়েছে সেলুকাসের উদ্দেশে। পত্রটি এ রকম :

    মহান সম্রাট সেলুকাস,

    পত্রে আমার শুভেচ্ছা নেবেন। আপনি নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন মৌর্য বাহিনী সেলুসিড বাহিনীকে পুরোপুরিভাবে ঘিরে ফেলেছে। যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি পরিহারের লক্ষ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যুদ্ধ না করে একটা চুক্তিতে আসার। আপনি আমার প্রস্তাবে সম্মত হলে দলিলের খসড়া নিয়ে আমাদের মহামন্ত্রী আপনার কাছে যাবেন। আপনি সম্মত না হলে যুদ্ধ অনিবার্য। নয় হাজার হস্তীর এক অভূতপূর্ব বাহিনীসহ ছয় লক্ষ সৈন্যের বিশাল বাহিনী নিয়ে চারদিক থেকে একসঙ্গে আক্রমণ করে সেলুসিড বাহিনীকে থরের ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া হবে। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না আপনার বাহিনীসহ আপনি এভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যান। আপনি যুদ্ধ না চাইলে আমাদের দূতের মাধ্যমেই পত্র মারফত জানাতে পারেন। আর যদি মনে করেন কিছু সময় নেবেন, আপনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আমি দুদিন সময় দেব। প্রয়োজনবোধে আমার দূত দুদিন আপনার শিবিরে অপেক্ষা করবে। তার বেশি নয়। আশা করি শুভবোধের পরিচয় দিয়ে সমঝোতার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাবেন।

    ইতি
    আপনার শুভ কামনায়
    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

    সেলুকাস জানেন এ সন্ধির অর্থ কী? পত্রটি পাঠ করে দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস ফেললেন তিনি। প্রিন্সেস, জেনারেল, অধস্তন সেনাপতি—সবার দৃষ্টি সম্রাটের দিকে। কিছুক্ষণ পর সেলুকাস বললেন, দূতকে বিশ্রামের স্থানে নিয়ে যাও। বলে থামলেন তিনি। সবার অধীর আগ্রহ পত্রে কী লেখা আছে, তার প্রতি। উৎকণ্ঠিত কেউ কেউ। দূত চলে গেলে সেলুকাস কর্নেলিয়ার কাছে পত্রটি হস্তান্তর করলেন। কর্নেলিয়ার চন্দ্রগুপ্তের স্বাক্ষরটিতেই প্রথমে চোখ গেল। খুবই পরিচিত এ স্বাক্ষর এবং এ নাম। খুব সতর্কতার সঙ্গে একটি দীর্ঘশ্বাস গোপন করলেন তিনি। সেলুকাস বললেন, একটু জোরে পড়ো, যাতে সবাই শুনতে পায়।

    কর্নেলিয়া পত্রটি পাঠ করলেন। পত্র লেখকের নাম আর পড়লেন না। শুধু বললেন, পত্র লেখক মৌর্য সম্রাট। কিছুক্ষণের জন্য সমস্ত মরুভূমিতে নিস্তব্ধতা নেমে এল। সবাই ভাবিত, চিন্তিত। পরে গুঞ্জন শুরু হলো। পাশাপাশি থাকা একে অন্যের সঙ্গে মৃদু আলাপ করল কিছুক্ষণ। সম্রাট গুঞ্জন থামিয়ে দিয়ে বললেন, এবার পত্রের বিষয়ে তোমাদের মতামত দাও।

    প্রথমেই কথা বললেন জেনারেল ক্লদিয়াস। বললেন, কোনো সমঝোতা-সন্ধিতে না গিয়ে আমাদের উচিত জাল কেটে বের হয়ে যাওয়া। এতে কিছু ক্ষতি হবে বটে, কিন্তু বিশাল পরাজয় থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। আমরা আবার সংঘটিত হয়ে প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু করব।

    জেনারেল কিউকেকাস যুদ্ধ করার পক্ষপাতী। বললেন, শেষ রক্তবিন্দু থাকতে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া উচিত। আমাদের শক্তি কম নয়। আমার সৈন্য আদেশের জন্য অপেক্ষা করছে। আমার আরেকটি পরামর্শ আছে। এ যুদ্ধ দীর্ঘ হতে পারে। পশ্চিম ফ্রন্টের এন্টিগোনাসের সীমান্ত থেকে জেনারেল মোলনকে তাঁর বাহিনীসমেত ফেরত এনে বাইরে থেকে মৌর্যদের আক্রমণ করার পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে। নিকোমেডেসের দিকে তাকিয়ে বললেন, প্রয়োজনবোধে ফারাও টলেমির কাছ থেকেও সৈন্য আনা যেতে পারে। সমুদ্রপথে মিসর থেকে রিজার্ভ সৈন্য আনা সম্ভব না হলে আমাদের পাশের এলাকা থেকে আনা যায়।

    টলেমির দিকে আশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে ভুল করা হতে পারে। আর্কিমেডেস এভাবে তাঁর মতামত দিতে শুরু করলেন। পশ্চিম সীমান্ত অরক্ষিত রেখে এন্টিগোনাসকে সুযোগ করে দেওয়াও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। ক্লদিয়াসের প্রস্তাবই অনুমোদন করা উচিত।

    আর্কিমেডেসের কথা শুনে কিউকেকাস কটমটিয়ে তাকালেন তাঁর দিকে এবং বললেন, আমার বক্তব্য (যুক্তি) খণ্ডনের দায়িত্ব তোমাকে কেউ দেয় নি, ইয়ংম্যান। তুমি তোমার কথা বলো। লেজুড়বৃত্তি কোনো জেনারেলের কাজ নয়।

    আর্কিমেডেস ভবেছিলেন এ পর্যায়ে কর্নেলিয়া কিছু একটা বলবেন, যা তাঁর পক্ষে যাবে। কর্নেলিয়া কিছুই বললেন না। তাই নিজেই বললেন, কারও মত যুক্তিযুক্ত মনে হলে তাকে সমর্থন করা লেজুড়বৃত্তি নয়। এ কথা বলে একজন জেনারেলকে অপমান করা হচ্ছে।

    তোমরা থামো, ধমকে উঠলেন সেলুকাস। এটা তোমাদের বিরোধ দেখার সময় নয়। আমি অবাক হচ্ছি তোমাদের দায়িত্বজ্ঞান দেখে।

    জেনারেল ফিলেকাস সম্রাটকে শান্ত করার উদ্দেশে বললেন, মহামান্য সম্রাট, মৌর্যদের মতামত জানাতে আমরা সময় নেব। এখনই কিছু জানানোর দরকার নেই। এ সময়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কী বলা যায় বা কী করা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }