Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৫৯

    ৫৯

    দূত মারফতই সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত জানতে পারলেন সম্রাট সেলুকাস আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁকে উত্তর থর দুর্গে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এক দিন আগে এ দুর্গটি মৌর্যদের দখলে আসে। তাই তিনি তাড়াহুড়ো না করে একটি চিরকুটের মাধ্যমে সেনাপতি সদাচারকে জানিয়ে দিয়েছেন বন্দীদের প্রতি যেন ভালো ব্যবহার করা হয় এবং সম্রাট ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করা হয়। তিনি অতঃপর চাণক্যকে নিয়ে বসলেন। সমঝোতা স্মারকটিকে আত্মসমর্পণের পর্যায়ে না রেখে একটি সন্ধিচুক্তিতে রূপান্তর করতে বললেন।

    চাণক্য পণ্ডিত মানুষ। নানা ধরনের সন্ধিচুক্তির কথা তাঁর মাথায় ঘুরছে। ‘অর্থশাস্ত্রে’ বর্ণিত সন্ধিচুক্তির সঙ্গে এগুলো মিলিয়ে দেখলেন। রাজা বা সম্রাটেরা সমশক্তি বা তার চেয়ে শক্তিমানের সঙ্গে সন্ধি করেন। এ শাস্ত্রে সন্ধিরও রকমফের আছে। দুর্বল রাজারা ধন-সম্পদ ও সৈন্য দিয়ে করেন ‘আত্মামিষ সন্ধি’, সেনাপতি ও রাজকুমারকে শক্তিমান রাজার সেবায় নিযুক্ত করে হয় ‘পুরুষান্তর সন্ধি’, নিজেকে সমর্পণ না করে হয় ‘আত্মরক্ষণ সন্ধি’, পরোক্ষ সেবার জন্য হয় ‘অদৃষ্টপুরুষ সন্ধি’, সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণের স্বার্থে হয় ‘পরিক্রয় সন্ধি’, কিস্তিতে দায় পরিশোধ সন্ধি হচ্ছে ‘উপগ্রহ সন্ধি’, কন্যাদান তথা বৈবাহিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ‘অত্যয় সন্ধি’, স্বর্ণের বিনিময়ে ‘সুবর্ণসন্ধি’, তার বিপরীত ‘কপাল সন্ধি’, এ ছাড়া উপহারসামগ্রীর মাধ্যমে সন্ধি হচ্ছে ‘অকৃতচিকীর্ষা সন্ধি’। কিন্তু বন্দী বিদেশি রাজার সঙ্গে সন্ধি কেন? তাঁর সবকিছু লুট করে নিয়ে তাঁকে ফাঁসির দণ্ডে ঝোলানোর পক্ষপাতী চাণক্য। তাই চাণক্য প্রশ্ন করলেন, সম্রাট সেলুকাস বন্দী, তাঁর সঙ্গে সন্ধিচুক্তি কেন? চূড়ান্তভাবে পরাজিত শত্রুর সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা নয়।

    আমাদের ভাষ্যে তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না। বিষয়গুলো এক রেখে ভাষায় কিছুটা পরিবর্তন আসবে। ‘অত্যয় সন্ধি’ চুক্তিতে কন্যাদানের সুযোগ আছে।

    যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তাঁর বিচার হবে না?

    না, হবে না। ‘অত্যয় সন্ধি’ সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটায়।

    আমাদের প্রস্তাব অগ্রাহ্য করে তিনি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন, তাঁর ও তাঁর জেনারেলদের শাস্তি হওয়া উচিত।

    আচার্য, আপনার কথা ঠিক আছে, তারপরও আমি যা বলেছি, তা-ই করুন, আমাদের পূর্বের সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হবে না।

    সম্রাটের ইচ্ছাতে তা-ই করা হলো।

    খসড়া সম্পন্ন করে তিনি চাণক্য, সুবন্ধু ও প্রধান সেনাপতিকে নিয়ে উত্তর থরের যুদ্ধক্ষেত্র পরিদর্শন করতে গেলেন। সবই এখন মৌর্যদের নিয়ন্ত্রণে।

    চাণক্য এখনো সন্ধি নিয়ে ভাবিত। তাঁর মনে হলো, ভদ্রবাহু এখানে থাকলে ভালো হতো। তিনি শক্তি পেতেন।

    হাতি নয়, ঘোড়ায় চড়ে গেলেন চন্দ্রগুপ্ত। মৌর্য সৈন্যরা তাঁকে স্যালুট করল। গ্রিক সৈন্যরা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের হাত বাঁধা হয় নি। যদি জানা যেত যে মূল কমান্ডের কমান্ড না মেনে তাদের জেনারেলরা তাদের নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন, তাহলে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তাদের অবশ্য অস্ত্রহীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। সম্রাটের দৃষ্টি তাদের কারও প্রতি নয়, যারা নিহত কিংবা আহত হয়েছে, তাদের প্রতি। সেনাপতি সদাচারের নির্দেশে নিহত ও আহত সৈন্যদের আলাদা করা হচ্ছে। গ্রিক ও মৌর্য আলাদাভাবে রাখা হচ্ছে। ক্ষতিটা বেশি হয়েছে গ্রিকদের। মৌর্যদের ক্ষতি সামান্যই। সারিসার আঘাতে যে কজন মারা গেছে, সম্রাট তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলেন। বললেন, বাহাদুর সৈনিক এরা। আচার্য, দেখুন, এদের আঘাতগুলো বুকে, পিঠে নয়। এদের রক্তে সাহসিকতা ও বীরত্বের দুর্বার বহতা।

    তাদের উদ্দেশে সামরিক কায়দায় সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। সবাই। প্রধান সেনাপতি এবং অন্যরা তাদের অভিবাদন জানালেন। শেষে সম্রাট মন্তব্য করলেন, বড় চমৎকার মৃত্যু। এ মৃত্যুই বীরের কাঙ্ক্ষিত।

    গ্রিক সৈন্যদের মৃতদেহের সামনে দাঁড়িয়েও সম্মান জানালেন সম্রাট। বললেন, এরা নিজেদের সাম্রাজ্য রক্ষার জন্য মরেছেন। এই মৃত্যুও মর্যাদার।

    প্রচুর গ্রিক সৈন্য বন্দী হয়েছে। মূল থরে যাদের ঘিরে রাখা হয়েছে, তাদের তুলনায় অবশ্য এ সংখ্যা খুবই নগণ্য। তারপরও সম্রাট এ সংখ্যায় অভিভূত। যুদ্ধবন্দীদের প্রতি ভালো ব্যবহারের জন্য নির্দেশ এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার কথা বলে যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করলেন। গন্তব্য উত্তর থর দুর্গ।

    যেতে যেতে অনেক কথাই মনে হলো তাঁর। ভাবলেন, অবশেষে প্রিন্সেসের সঙ্গে কি এখানেই সাক্ষাৎ হবে? যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি কেন আসবেন? সেলুকাস? অনেক আগে দেখেছিলেন, আলেকজান্ডারের সময়ে। কিন্তু কী ভেবেছিলেন, সম্রাট হিসেবে আবার দুজন মুখোমুখি হবেন? অনেক যুদ্ধেই তিনি জয়ী হয়েছেন। এ যুদ্ধজয়ের অনুভূতিটা ভিন্ন রকম, ভিন্নমাত্রার। তাঁর জন্য কোনো বিস্ময় অপেক্ষা করছে কি না, কে জানে? এসব ভাবতে ভাবতে সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য দুর্গে পৌঁছে গেলেন। একজন হাঁক দিয়ে বলল, সাবধান, সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য দুর্গে প্রবেশ করছেন।

    সম্রাটের দেহরক্ষী ও অপেক্ষমাণ মৌর্য সৈন্যদের মধ্যে তৎপরতা বেড়ে গেল। ছোটাছুটি, হাঁকাহাঁকি, ডাকাডাকি। দুর্গে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে সব স্তব্ধ। সেনাপতি সদাচার বিজয়ী সম্রাটকে বরণ করে নিয়ে পাহাড়ের ওপর এ অস্থায়ী দুর্গে প্রবেশ করলেন।

    সম্রাট সেলুকাস, কর্নেলিয়া ও নিকোমেডেস একটা কক্ষে অবস্থান করছেন। বাইরে তাঁদের প্রহরা। সম্রাট আসছেন শুনে কর্নেলিয়া আচম্বিতে নিকোমেডেসের দিকে তাকালেন। চোখ বড় বড় করে তাকানোর অর্থটা নিকোমেডেস বোঝে। কর্নেলিয়ার ভেতর নতুন এক মরুঝড় বইতে শুরু করেছে। আজ তিনি তাহলে চন্দ্রগুপ্তের সাক্ষাৎ পাবেন। মনে মনে বললেন, দুর্ভাগ্য আমার, এভাবে দেখা হলো? যেভাবে দেখা হোক, আজ তাঁকে দেখবেন। চক্ষু জুড়াবেন। এটুকুই-বা কম কী? বন্দীর ভাগ্যে যা ঘটার ঘটবে। তার আগে তাঁকে মন ভরে দেখবেন। নিজের ভেতর এত সমারোহ যে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। সম্রাট তাঁকে দেখে কী মনে করবেন, এটা কোনো বিষয় নয়, প্রিন্সেস মৃত্যুর আগে তাঁকে অন্তত একবার দেখতে পাচ্ছেন, তা-ই বড় কথা।

    সম্রাটের জন্য তাঁর কক্ষই সাজানো ছিল আলাদাভাবে। কিন্তু সম্রাট সরাসরি রাজকীয় বন্দীর কক্ষে চলে গেলেন। তাঁর পেছন পেছন মহামন্ত্রী, সুবন্ধু ও প্রধান সেনাপতি।

    সম্রাট সেলুকাস দাঁড়িয়ে সম্রাটকে অভিবাদন জানালেন। কর্নেলিয়া এবং নিকোমেডেসও একইভাবে মাথা নত করে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত জানতেন না প্রিন্সেস এখানেই আছেন। তাই খুবই অভিভূত হলেন এবং নিজেকে সামলাতে একটু সময় নিলেন। এ সময় সম্রাট সেলুকাস-কন্যা ও নিকোমেডেসের পরিচয় দিলেন। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত প্রিন্সেসের নাম শুনে মাথা নত করে অভিবাদন জানালেন। মহামন্ত্রী চাণক্য এবং উপস্থিত অন্যেরা অবাক হলেন। তাঁদের সঙ্গে সম্রাট সেলুকাসও।

    কথা বললেন চন্দ্রগুপ্তই, যা ঘটে গেছে, এ ঘটনার জন্য আমি বিব্রত, মহামান্য সম্রাট। আমি আশা করেছিলাম আমরা সমঝোতার মাধ্যমে যুদ্ধের ভাগ্য নির্ধারণ করব। তাই দূত পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু গ্রিকরা প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে আক্রমণ করে।

    তার জন্য আমি দুঃখিত, মহামান্য সম্রাট। আমার দুজন ক্ষুব্ধ জেনারেল আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই অগোচরে এ ঘটনা ঘটিয়ে দিয়েছে। আমিও আলোচনার পক্ষপাতী ছিলাম।

    কী বলছেন আপনি?

    সেনাপতি সদাচার বললেন, মহামান্য সম্রাট, আমার মনে হয় গ্রিক সম্রাটের কথা সঠিক, কারণ, উত্তর থরের যুদ্ধ তিনিই থামিয়ে নিজে সাদা পতাকা উত্তোলন করে আত্মসমর্পণ করেন।

    চন্দ্রগুপ্ত সুবন্ধুর উদ্দেশে বললেন, আমার কক্ষটা প্রস্তুত করতে বলো। আমরা সেখানে কথাবার্তা বলব। দুর্গের প্রধান জানাল, কক্ষ প্রস্তুত আছে, মহামান্য সম্রাট।

    বেশ, সেখানেই চলুন, মহামান্য সম্রাট। আপনার সঙ্গে যাদের রাখতে চান, নিয়ে চলুন। চন্দ্রগুপ্তের কথায় তাঁকে অনুসরণ করলেন গ্রিক সম্রাট, কর্নেলিয়া ও নিকোমেডেস। কক্ষে হালকা পানাহারের ব্যবস্থা করা আছে। চন্দ্রগুপ্ত তাঁদের আপ্যায়নের আহ্বান জানালেন।

    কর্নেলিয়া দেবতা জিউসের কথা স্মরণ করে মনে মনে বলছেন, যেন মৌর্য সম্রাট এমন কিছু না করেন, যাতে তাঁদের অসম্মানিত হতে হয়। এখন এটিই তাঁর চাওয়া। এত যে কথা হচ্ছে, তিনি সামনে থেকেও কোনো কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না।

    নাটকীয়ভাবে চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আমরা কি আলোচনা শুরু করতে পারি, যদি সম্রাট সদয় সম্মত হন?

    বন্দীর সঙ্গে আলোচনা? অবাকই হলেন সেলুকাস। অদ্ভুত এই ভারতীয় মানুষগুলো। বললেন, আমি জানি না আপনি কী আলোচনা করতে চাইছেন। যদি সিরিয়া পর্যন্ত আপনার সাম্রাজ্য বাড়াতে চান, আমার কী বলার থাকতে পারে। তবে আপনার ব্যবহারে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমি এখন আপনার বন্দী। আমি আমার মুক্তি চাইব না। তবে প্রিন্সেস ও নিকোমেডেস, এরা যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত নয়, এদের আপনি ছেড়ে দিতে পারেন।

    সম্রাট এ কথা শুনে হেসে দিয়ে বললেন, আলোচনার জন্য যদি আপনি আপনার কোনো জেনারেলকে ডাকতে চান, ডাকতে পারেন। দূত মারফত আপনার কাছে যে প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম, সে সম্পর্কেই আলোচনা করতে চাই।

    সম্রাটের ইচ্ছায় জেনারেল ফিলেকাস ও জেনারেল কিউকেকাসকে ডেকে আনা হলো। চন্দ্রগুপ্ত বললেন, খুবই সুদর্শন ও চৌকস আপনার এ দুই জেনারেল। বসুন আপনারা। আমাদের জন্য আজকের দিনটা ঐতিহাসিক, সন্দেহ নেই। আরও বেশি স্মরণীয় করে রাখতে চাই একটি সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে। মহামন্ত্রী, আপনি চুক্তির শর্তগুলো উত্থাপন করুন।

    কর্নেলিয়া ভাবলেন, এই বুঝি জিউস আর তাঁর আবেদন শুনছেন না। তাঁর বুক কেঁপে কেঁপে উঠছে। কী শর্ত চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন সম্রাট। তিনি কি মজা করছেন? বন্দীদের সঙ্গে কৌতুক- মজা কোনোটাই ঠিক নয়। বলবেন নাকি একবার?

    না, তিনি কিছু বললেন না। চাণক্য সমঝোতা চুক্তির শর্তগুলো উত্থাপন করলেন। প্রথমেই বললেন, মহামান্য সম্রাট, আজকে আমার একটি স্বপ্ন পূর্ণ হলো। আমি আলেকজান্ডারের সময় থেকে চেয়েছিলাম গ্রিকরা ভারতবর্ষ ত্যাগ করুক, সিন্ধু অঞ্চল আমাদের অধিকারে আসুক।

    চন্দ্রগুপ্ত বাধা দিয়ে বললেন, আচার্য, আপনি শর্তগুলো পাঠ করুন।

    পাঠ করছি। তার আগে পরাজিত সম্রাট সেলুকাসকে কিছু বলতে চেয়েছিলাম।

    না, আপনার আর কিছু বলার দরকার নেই, আপনি শর্তগুলো শুধু পাঠ করুন।

    মহামন্ত্রী চাণক্য বললেন, গ্রিক অধিকৃত ভারতীয় এলাকার রাজ্যগুলো সম্রাট চন্দ্রগুপ্তকে ফেরত দিতে হবে। সৌজন্যস্বরূপ তিনি সম্রাট সেলুকাসকে পাঁচশত যুদ্ধহস্তী উপঢৌকন দেবেন। তা শুনে সেলুকাসের চোখে-মুখে একধরনের আশার আলো প্রতিফলিত হলো, তাহলে কি তাঁর বন্দিত্বের অবসান হতে চলেছে?

    চাণক্য এবার তৃতীয় শর্তটি পাঠ করলেন, যেখানে লেখা আছে, প্রিন্সেস হেলেনকে (কর্নেলিয়া) সম্রাটের সঙ্গে বিবাহ দিতে হবে।

    প্রথমে সম্রাট সেলুকাস বুঝতে পারেন নি, মুখে অস্ফুট উচ্চারণ করলেন, হেলেন? পরে তাঁকে বলা হলো, প্রিন্সেস কর্নেলিয়ার কথাই বলা হয়েছে।

    কর্নেলিয়ার সঙ্গে সম্রাটের বিয়ে? একি বলছেন মহামন্ত্রী? সেলুকাসের রক্ত যেন মাথায় উঠে গেছে। ঝট করে উঠে দাঁড়ালেন তিনি। বললেন, না, মহামন্ত্রী, তা হয় না। আপনি অন্য যেকোনো শর্ত দিন। প্রয়োজনে আমাদের মৃত্যুদণ্ড দিন। এমন শর্ত দেবেন না। আমার পুরো সাম্রাজ্যের অধিকার নিয়ে নিন, এ হতে পারে না।

    চন্দ্রগুপ্তও উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, আপনি শান্ত হোন, সম্রাট, উত্তেজিত হবেন না। বসুন, বসে শান্ত হয়ে কথা বলুন।

    সম্রাট বসলেন। কিন্তু উত্তেজিত। বয়সের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। কর্নেলিয়া এতক্ষণ চুপ করেছিলেন। এবারে বললেন, আপনি শান্ত হোন, বাবা। এটি একটি শর্ত। আপনি না মানলে তা বাদ যাবে অথবা বন্দীদের প্রতি আপনি যে আচরণ করেছেন, তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। তার চেয়ে বেশি কিছু নয়। চাণক্যকে উদ্দেশ করে বললেন, আচার্য, আপনি সমঝোতা চুক্তির একটি কপি আমাদের দিন। সম্রাটকে উদ্দেশ করে বললেন, মহামান্য সম্রাট, আমাদের কিছু সময় দিন। আমরা শর্তগুলো নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে চাই। অনুমতি দিলে অন্য কক্ষে বসে একান্তে আলোচনা করব।

    বেশ, তা-ই করুন। আচার্য, তাঁদের খসড়া এক ফর্দ চুক্তিপত্র দিয়ে দিন।

    মহামন্ত্রী চাণক্য গ্রিক ও ভারতীয় ভাষায়—আলাদা আলাদাভাবে কপি করে নিয়ে এসেছেন। একটি কপি দিয়ে দিলেন।

    সেলুকাস কপি গ্রহণ করতে গিয়ে বললেন, অপমানজনক এই চুক্তি। অপমান।

    পূর্বের কক্ষে ফিরে যেতে যেতে কর্নেলিয়া বললেন, বাবা, এটি একটি খসড়া। উত্তেজিত হচ্ছেন কেন? আসুন আমরা ঠান্ডা মাথায় আলোচনা করে ঠিক করি আমাদের কী করা উচিত? জেনারেল সারিকাসকেও ডেকে নিয়ে আসি, কী বলেন?

    না, একজন জেনারেল সৈন্যদের সঙ্গে থাক, এরা সাহস পাবে। নিকোমেডেস তুমি চুক্তির শর্তগুলো পাঠ করো। সবাই মনোযোগ দিয়ে শুনবে।

    নিকোমেডেস চুক্তির শর্তগুলো একে একে পড়ে গেল। সেলুকাস চোখ বন্ধ করে শুনলেন। প্রথম শর্ত সম্পর্কে সবাই একমত যে ভারতীয় ভূখণ্ডের অধিকার চাওয়া মৌর্যদের যৌক্তিক দাবি এ শর্ত মেনে নেওয়া যায়। দ্বিতীয় শর্ত গ্রিকদের পক্ষে। পাঁচশত যুদ্ধহস্তী দেওয়ার পেছনে মৌর্যদের কোনো ফন্দি আছে কি না, এ নিয়ে কিউকেকাস প্রশ্ন তুললেন।

    সেলুকাস বললেন, আমি নিশ্চিত, তৃতীয় শর্তের সঙ্গে এই শর্তের সম্পর্ক রয়েছে। নিকো, তুমি তৃতীয় শর্তটি আবার পাঠ করো।

    নিকোমেডেস শর্তটি আবার পাঠ করল। সম্রাট বললেন, এটিই কারণ। ব্রাইভ দিতে চাইছে? এ শর্ত আমি কখনো মানব না। চায় তো মৃত্যুদণ্ড দিক। মানুষ একবারই মরে, বারবার নয়, আমি বারবার মরতে চাই না, মৃত্যুর আগে মৃত্যু আমার কাম্য নয়।

    সম্রাটের এমন মনোভাব দেখে কেউ আর এটি নিয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছে না। কর্নেলিয়া নিকোমেডেসের দিকে তাকালেন। দুজনের মধ্যে ইশারা-ইঙ্গিতে কী যেন বলাবলি হলো। কর্নেলিয়া বললেন, আমরা পারিবারিকভাবে ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে চাই। জেনারেল ফিলেকাস উঠে গেলেন, কিউকেকাস উঠে যাচ্ছিলেন। কর্নেলিয়া বললেন, আপনি আমাদের পরিবারের সদস্য, আপনি বসুন।

    কিউকেকাস বসলেন। কর্নেলিয়া আবার বললেন, জেনারেল, আপনি বলুন মৌর্যরা কি আপনাদের সঙ্গে সম্মানহানিকর কোনো ব্যবহার করেছে, সচরাচর যুদ্ধবন্দীদের প্রতি যা করা হয়?

    না, করা হয় নি, প্রিন্সেস। আমি কিন্তু অবাক হচ্ছি, কেন হয় নি তা ভেবে।

    আপনি কোনো ধারণা করতে পারেন এ ব্যাপারে?

    সম্পর্কের প্রস্তাবের কারণেই কি এ রকম ব্যবহার?

    নিকোমেডেস বলল, মহামান্য সম্রাট নিজেই সন্দেহ করছিলেন দ্বিতীয় শর্তের সঙ্গে তৃতীয় শর্তের সম্পর্ক রয়েছে।

    সম্রাট বললেন, আমি এখনো তা মনে করি। আমরা শুধু একটি শর্ত মানব, ভারতীয় ভূখণ্ড তাদের ফিরিয়ে দিয়ে সেলুসিয়ায় চলে যাব।

    সকদিয়ানা (মিসর) ও সিরিয়া জয় করে গ্রিক বাহিনী কী করেছিল, বাবা? এরা কিন্তু তা করে নি। এরা থরের যুদ্ধ জয়ের পর জোর করে সব গ্রিক নারীদের সুসাওয়াইভস বানিয়ে নেয় নি। চাইলে তক্ষশীলা, সিন্ধু প্রদেশের সর্বত্র যা করেছিলেন গ্রেট আলেকজান্ডার এবং আপনার বাহিনী তার বদলা নিতে পারত। কিন্তু নেয় নি, কোথাও থেকে তাদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র অভিযোগ আসে নি।

    আসে নি তো কী হয়েছে? সবচেয়ে বড় অপরাধ করার জন্য যাদের পরিকল্পনা, ছোটখাটো অপরাধ তারা না করলেই-বা কী। আর করলেই-বা কী? আমরা দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে দেখব, তা মনে করার কোনো কারণ নেই।

    তাহলে কী করতে চান, বাবা?

    এ রকম শর্ত আরোপ করা হলে আমরা আমরণ অনশন করব। সারা বিশ্ব জানবে মৌর্যদের অন্যায় দাবির মুখে আমরা নতি স্বীকার করি নি।

    সেলুকাসের ন্যায়-অন্যায়বোধ অন্যদের খুশি করতে পারলেও কর্নেলিয়াকে পারে নি। তিনি বললেন, বাবা, অনশন করে মৃত্যুর মধ্যে কোনো গৌরব নেই। যারা জীবনকে ভালোবাসে, এরা স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারে না, মৃত্যু সমন্যার সমাধান নয়।

    গ্রিক বীরেরা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতেই পছন্দ করে।

    তা করেন, কিন্তু অনশন করে মৃত্যু নয়।

    কী বলতে চাও তুমি?

    আমি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সঙ্গে কথা বলতে চাই এবং তা একান্তে।

    তার অর্থ কী?

    আমি তাঁর কাছে জানতে চাইব কেন তিনি এ রকম শর্ত দিয়েছেন?

    তিনি তোমাকে তার জবাব দেবেন কেন?

    জবাব তো আমাকেই দেবেন। কারণ, উদ্ভূত সমস্যাটা আমাকে কেন্দ্র করে।

    কথাটার যুক্তি আছে বটে, তারপরও তুমি তাঁর সঙ্গে এখনই সাক্ষাৎ করো, তা আমি চাই না।

    বাবা, অনুরোধ করছি, অবস্থাটা আমাকে বুঝতে দিন।

    বেশ, তুমি একা যাবে না, কিউকেকাস সঙ্গে যাবে।

    বাবা, কিউকেকাস নয়। আমি একাই যাব, আপনি আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন। তোমাকে সম্রাটের কাছে একা যেতে দিতে পারি না, আমি ভারতীয়দের বিশ্বাস করি না। তুমি নিকোমেডেসকে সঙ্গে নিয়ে যাও।

    বেশ, তা-ই হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }