Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৩৮

    ৩৮

    প্রাচীনকালে ভারতবর্ষে তারিখ, দিন-ক্ষণ প্রভৃতি নির্ধারণ করে দুপক্ষের মধ্যে যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হতো। মহাভারতে বর্ণিত আছে, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে আলোচনার মাধ্যমে কুরু-পাণ্ডবেরা যুদ্ধের স্থান, তারিখ ও সময় ঠিক করেছিলেন। ভারতীয় ও অভারতীয় যুদ্ধে মৌর্য ও গ্রিকদের মধ্যে স্থান ও তারিখ নির্ধারণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। যুদ্ধটা সংঘটিত হয়েছিল সিন্ধু উপত্যকায় তখন সব দেশেই উন্মুক্ত স্থানে যুদ্ধের নিয়ম ছিল। বিস্তীর্ণ প্রান্তরে দুই শত্রুপক্ষ ঢাল, সড়কি, বল্লম, তরবারি প্রভৃতি নিয়ে পদব্রজে, অশ্ব কিংবা হস্তীতে আরোহণ করে মুখোমুখি দাঁড়াত। অবশ্যই কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে। তারপর উভয় পক্ষের একজন করে অশ্বারোহী সৈন্য মধ্যমাঠে এসে পরস্পরকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানাত। এই অবস্থায় কেউই আত্মসমর্পণ করত না। ক্রুদ্ধভাব নিয়ে উভয়েই নিজের বাহিনীর কাছে ফিরে যেত এবং মাঠে অবস্থানরত সর্বাধিনায়ক রাজা, সম্রাট বা যুবরাজদের সংবাদ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে হুংকার কিংবা চিৎকার দিয়ে অস্ত্র উঁচু করে এক পক্ষ অন্য পক্ষের দিকে প্রচণ্ড বেগে ধাবিত হতো।

    মৌর্য ও গ্রিকরা বিশাল বাহিনী নিয়ে থর মরুভূমিতে উপস্থিত হয়েছে। (থর মরুভূমি ছাড়া উভয় পক্ষের প্রায় দশ লক্ষ সৈন্যের সমাবেশ অন্য কোথাও সম্ভব ছিল না, তা একমাত্র থর মরুভূমিতেই সম্ভব)। যুদ্ধের জন্য উভয়েরই এ স্থানটি পছন্দ। উভয় পক্ষের সৈন্যরা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌর্যরা চন্দ্রগুপ্তের অধিনায়কত্বে পৌরাণিক সব অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কাতারবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছে। গ্রিকরা প্রথাগত ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রের পাশাপাশি নতুন সেলুসিড অস্ত্রসম্ভারে সজ্জিত হয়ে দণ্ডায়মান।

    চন্দ্রগুপ্ত দূরে দাঁড়িয়ে পুরুর সঙ্গে আলেকজান্ডারের যুদ্ধ দেখেছিলেন। সে কথা তাঁর মনে হলো গ্রিক সৈন্যদের দেখে। এমনিভাবেই দাঁড়িয়েছিল ওরা পরস্পরের মুখোমুখি। সেদিন পুরুর সৈন্য ছিল কম। আলেকজান্ডারের বাহিনী ছিল বিশাল এবং দিগ্বিজয়ের অভিজ্ঞতা ছিল তাদের। এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। বিশাল বাহিনী নিয়ে এসেছেন তিনি। যুদ্ধের অভিজ্ঞতাও তাঁর কম নয়। যুদ্ধকৌশলের অনেক উন্নতি হয়েছে।

    সম্রাট হাতির ওপরে বসে পেছনের দিকে তাকালেন। বিশাল এলাকাজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর বাহিনী। প্রস্তুত। আদেশের অপেক্ষামাত্র। এ রকম দৃশ্য রক্তে একধরনের উত্তাপ এনে দেয়। সব সৈনিকের মধ্যে এই উত্তাপ জিঘাংসায় রূপান্তরিত হয়। শুধু শক্রনিধনের অভীপ্সা তখন মস্তিষ্কে তাড়া করে, আর কিছু নয়। এ এক অদ্ভুত দিক মানবচরিত্রের। আরও অদ্ভুত বিষয় এই যে মানবসভ্যতা অগ্রসর হয়েছে এই হিংসা ও হানাহানির পথ অনুসরণ করে। রক্তপাতের মাধ্যমে বিজয়ীর পক্ষেই সব সভ্যতার ইতিহাস রচিত হয়েছে।

    সম্রাট দেখলেন, মৌর্য সেনারা স্বর্ণদণ্ড হাতে আকাশে কৌশিক পতাকা ওড়াচ্ছে। মরুপ্রান্তরে বাতাসে এক প্রাণবন্ত রূপ তার। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে পতাকার এই সমারোহ। এই পতাকা মৌর্যদের বিজয়ের গৌরবময় প্রতীক। উড়ন্ত পতাকার বিশাল সমারোহ সম্রাটের হৃদয়কে প্রাণনায় উড়িয়ে দিল। পাশে ঘোড়ায় অবস্থানরত মহামন্ত্রী চাণক্যকে বললেন, দেখুন আচার্য, আমাদের পতাকা কত শোভাময় ও গৌরবদীপ্ত।

    এই পতাকা আমাদের শৌর্যবীর্যের প্রতীক। দেখবেন, বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত, মহামান্য সম্রাট।

    নিশ্চয়ই। আপনাকে সঙ্গে নিয়ে সব যুদ্ধই আমরা জিতেছি।

    বাহিনীর সর্বাগ্রে দুন্দুভি দল। রণসংগীত বাজিয়ে চলেছে এরা। এ সংগীত যুদ্ধের স্পৃহা বাড়িয়ে দেয়। কীটপতঙ্গদের আলোর দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার মতো সৈনিকদের মরণযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্দীপিত করে তোলে।

    তাদের পেছনে হস্তীবাহিনী। গাম্ভীর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সে এক অদ্ভুত দৃশ্য। নয় হাজার হাতির বিশাল বহর। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। মেগাস্থিনিসের বিবরণে আছে, প্রতিটা হস্তীপৃষ্ঠে চারজন যোদ্ধা থাকেন, তাঁদের তিনজনই তিরন্দাজ। তবে তাঁদের বীরসজ্জায় শোভা পাচ্ছে তির-ধনুক ছাড়াও অসি, বর্ম, কিরীট, মণিময় সারসন এবং স্বর্ণখচিত কবচ।

    হস্তীবাহিনীর এক পাশে বাঁ-দিকে অশ্ববাহিনী। তাদের সঙ্গে রথীবৃন্দ। রথ চালনায় রয়েছে এক অশ্ব, দ্বিঅশ্ব ও চতুরশ্ব যান। আর রয়েছে ষাঁড়চালিত রথও। মেগাস্থিনিস এ সম্পর্কে বলেন, ষাঁড়চালিত রথগুলোয় চালক ছাড়াও দুজন সৈন্য অস্ত্র নিয়ে সদা প্রস্তুত থাকেন। অশ্বগুলো চঞ্চল।

    তাদের পেছনে কাতারবদ্ধ পদাতিক সৈন্যরা। তাদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ঢাল-সড়কি ছাড়াও নানা আধুনিক পৌরাণিক অস্ত্রে সজ্জিত এরা। তাদের অবস্থান যেন মরুভূমি ছাড়িয়ে দিগন্তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

    সিন্ধু এবং তার শাখানদীগুলোয় রয়েছে নৌসেনা। নৌযানে তাদের অবস্থান। এগুলো অবশ্য এখন সম্রাট দেখতে পাচ্ছেন না।

    প্রতিটি বাহিনীতে অধিনায়ক ছাড়াও নগর বিচারকের নেতৃত্বাধীন পাঁচজন কর্মাধিকারিক রয়েছেন, যাঁরা যুদ্ধকালীনও বাহিনীর সব কাজের তত্ত্বাবধান করেন। তাঁদের সৈনিক পোশাক নয়, একধরনের রাজকীয় পোশাকে দেখা যাচ্ছে। মেগাস্থিনিস বিশেষভাবে তাদের কথা উল্লেখ করেছেন।

    মৌর্য বাহিনীতে আলাদা একটি কন্টিজেন্ট রয়েছে, যারা জাতিতে আদিবাসী কৌকা সোসের গভীর অরণ্যে বসবাস। প্রায় নগ্ন এসব সৈনিকের হাতে রয়েছে তাদের ঐতিহ্যিক শিকার অস্ত্র। নলে ব্যবহৃত বিষমাখা তূণ, ফুঁ দিয়ে যার দ্বারা লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করা হয়। তাদের অবস্থান সিন্ধু অববাহিকার পাহাড় ও জঙ্গলময় এলাকায়। নৌবাহিনীর মতোই এদের সঙ্গে মূল বাহিনীর একটি অংশ যোগাযোগ রক্ষা করে।

    অশ্ব ও হস্তীবাহিনীর মধ্যে রাজকীয় ‘সুস্থির’ বাহিনী রয়েছে একটি। এরা সম্রাট ও মহামন্ত্রীকে ঘিরে রেখে সুরক্ষা করে। যুদ্ধকালে এ বাহিনী আলাদা পোশাকে চিহ্নিত থাকে। অন্য সৈন্যরা তাই সম্রাটের কাছে ঘেষতে পারে না। মেগাস্থিনিস তাদের সম্পর্কেও সুস্পষ্ট বিবরণ দিয়েছেন।

    সম্রাটের ইঙ্গিতে একসময় রণসংগীত থেমে গেল। চারদিকে থমথমে অবস্থা। সম্রাট সামনের দিকে তাকালেন। সম্রাট সেলুকাসকে দেখা যাচ্ছে। যদিও খুব স্পষ্ট নয়, তবু তাঁকে চিনতে কষ্ট হয় না। একটি সুসজ্জিত অশ্বের ওপর উপবিষ্ট তিনি। পাশে তাঁর জেনারেলরা।

    গ্রিক সৈন্যদের সাজসজ্জা প্রবাদতুল্য। তাদের অশ্ববাহিনী বিশ্ববিখ্যাত। লৌহ হেলমেট, বর্ম ও নান্দনিক জুতো তাদের এক নম্বর স্মার্ট সৈন্যের অভিধায় ভূষিত করেছে। গ্রিকদের অশ্বারোহী সৈন্য মৌর্যদের দ্বিগুণ, তবে তাদের হস্তীবাহিনী নেই। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী। দৃঢ়বদ্ধ এদের পদভার। ফ্যালাক্স রীতি পদ্ধতির যুদ্ধকৌশলের পাশাপাশি নব উদ্ভাবিত সেলুসিড কৌশল তাদের অস্ত্রের মধ্যে প্রতিফলিত। পাইক (বর্গা), দোরি (ছোট বর্গা) প্রভৃতির পাশাপাশি স্পিকস (বড় বল্লম), সারিসা (অতি লম্বা বল্লম) এবং জিফোস (ছোট এক হাতে ব্যবহারযোগ্য বল্লম) নিয়ে দণ্ডায়মান এরা। হোপলাইট শিল্ড, এসপাইজ শিল্ড ছাড়াও তরবারি এবং তির-ধনুক রয়েছে তাদের সঙ্গে। চৌকস ও রণনিপুণ সৈনিকদের শিরস্ত্রাণ ও ঢাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। সুবর্ণ ঢাল ও শিরস্ত্রাণের সৈন্যরা নিঃসন্দেহে অভিজাত। আছে রুপোর ঢাল ও শিরস্ত্রাণের সৈনিকও। পদবির নানা আভিজাত্যে রয়েছে কারও কারও সাফল্যের পালক।

    তাদের মধ্যে কারও কারও হাতে লম্বা দণ্ডে শোভা পাচ্ছে গ্রিকদের সেলুসিড পতাকা। থর মরুভূমির বাতাস এই দখলদারদেরও বিমুখ করে নি। বাতাসে পতপত করে উড়ছে এই অহংকারী পতাকাও। এই পতাকার দিকে তাকিয়ে মৌর্য সম্রাট দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস ফেলে চাণক্যকে উদ্দেশ করে বললেন, ওদের পতাকার এই অহংকার একেবারে গুঁড়িয়ে দিতে হবে।

    নন্দরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে খুব নাম করেছিল অশ্বারোহী সৈনিক দেবরাজ বণিক। সম্রাট তাকে নির্বাচন করলেন যুদ্ধদূত হিসেবে। দেবরাজ অশ্বচালনা করে থর মরুভূমির মধ্যমাঠে গিয়ে দাঁড়াল। গ্রিকদের পক্ষ থেকে সুসজ্জিত অশ্বারোহী সৈনিক থেসপাসকে পাঠানো হলো মাঝমাঠে দেবরাজের কাছে। দেবরাজ গ্রিক সৈন্যকে সরাসরি আত্মসমর্পণের প্রস্তাব করল। গ্রিক সৈন্য থেসপাস উষ্মার সঙ্গে কটু কথা বলল। দেবরাজ তার অর্থ বুঝতে পারল না। ক্রুদ্ধ হয়ে তরবারি বের করে এক কোপে ওর মুন্ডু আলাদা করে মরুভূমির বালিতে ফেলে দিল। গ্রিক অশ্ব থেসপাসের মুন্ডুহীন দেহ কিয়দ্দুর পর্যন্ত বহন করে দৌড়ে পড়ে গেল। দেবরাজ গড়াগড়ি যাওয়া মুণ্ডের সামনে তরবারি উঁচু করে দাঁড়িয়ে রইল।

    তা দেখে মৌর্য সম্রাট এত জোরে যুদ্ধ হাঁক দিলেন যে চারদিক কেঁপে উঠল। বজ্রনিনাদের মতো। দুন্দুভি বেজে উঠল গম্ভীর জীমূত মন্ত্রে। হস্তী, অশ্ব, রথী ও পদাতিক বাহিনী রুদ্ধশ্বাসে ছুটে গেল মধ্যমাঠে। তাদের চিৎকার, অশ্বের হ্রেষাধ্বনি, হস্তীর কানফাটা বৃংহিত এবং রণবাদ্য মিলে মুহূর্তের মধ্যে চারদিক এক প্রলয়ঙ্করী ঝড়ের রূপ নিল। থর মরুভূমিতে বালির ঝড় শুরু হয়েছে। গ্রিকরা দূর থেকে তাদের সহকর্মীর করুণ পরিণতি অবলোকন করে কোনো আদেশ ছাড়াই চিৎকার করে ছুটে এল এক হাতে তরবারি অথবা সারিসা উঁচিয়ে, অন্য হাতে জিফোস বা হোপলাইট শিল্ড নিয়ে। ঝাঁপিয়ে পড়ল একে অন্যের ওপরে। হস্তীপৃষ্ঠ থেকে দূরে নিশানা করে তির ছুড়তে থাকল তিরন্দাজগণ। অশ্বপৃষ্ঠধারীগণ তরবারি ও মুদগর চালাল বেপরোয়াভাবে পৌরাণিক অস্ত্রগুলো ব্যবহারে অভাবিত ফল পাওয়া গেল। রথে চড়ে রথী স্বর্ণচূড়, বিভায় পুরে পুরা, মন্দুরা, তাজিয়া বাহীরাজী, বক্রগ্রীবা পদাতিক ব্রজ মাথায় কনকশিরঙ্ক শিরোভাস্বর, পিদানে অসি, পৃষ্ঠে চর্ম অভেদ্য সমরে হস্তে শূল, আয়েশি আবৃত দেহ। একের পর এক শক্রনিধনে তৎপর এরা। নিষাদিরা যেন মেঘাসনে বজ্রপানি, সাদি অশ্বিনী কুমার ভীমাকার ভিন্দিপাল, বিশ্ববিনাসী পরশু আকাশমণ্ডল থেকে নেমে এসে যেন দাবানল সৃষ্টি করেছে। গম্ভীরনাদে বেজে চলেছে রণবাদ্য, হয়ব্যূহ হ্রেষাধ্বনি করছে উল্লাসে, গজের গর্জন, কোদণ্ড টঙ্কার, অসির ঝনঝন শব্দ, মানুষের হুংকার ও আর্তচিৎকার মহাকোলাহলময় হয়ে উঠেছে, কান এখন আর শব্দ শুনতে পায় না (এখানে মাইকেল মধুসূদন দত্তের যুদ্ধ বর্ণনার ছায়াপাত ঘটেছে)।

    গ্রিক সৈনিকেরা সেলুসিড অস্ত্রের ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত। পনেরো-বিশ ফুট লম্বা সারিসার আঘাতে পর্যুদস্ত করছে মৌর্য সৈন্যদের। মৌর্যদের হস্তীপৃষ্ঠে বসে নিক্ষেপিত তিরগুলো আটকে দিচ্ছে জিফোস ব্যবহার করে। তরবারি চালাচ্ছে এবং কচুকাটা করছে মৌর্য পদাতিক সৈন্যদের। সারিসা আঘাত করছে অশ্ব, হস্তী ও রথটানার ষাঁড়দেরও। তাদের শিরস্ত্রাণ ও বর্ম এত শক্ত যে বহু চেষ্টা করেও ভেদ করা যাচ্ছে না।

    মৌর্য সম্রাট তাঁর রাজকীয় অশ্ব ও হস্তীবাহিনীর মধ্যে থেকেও নানা অস্ত্রচালনা করছেন। শত্রুনিধন করছেন একের পর এক। চাণক্য শুধু শ্রীকৃষ্ণের সুদর্শনচক্র অস্ত্র ব্যবহার করছেন। মাঝেমধ্যে তরবারিও তাঁর হাতে ঝলসে উঠছে। মদকল করি যেমন নলবনে প্রবেশ করে নলবন ধ্বংস করে, সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত তেমনি শত্রুনিধন করছেন দলে-মথে একেবারে নিশ্চিহ্ন করে।

    সেলুকাসও ক্ষিপ্ত পাগলা হাতির মতোই। তাঁর যুদ্ধদূতকে হত্যা করা হয়েছে। ক্রুদ্ধ এই বীর তরবারি চালনা করছেন বিদ্যুদ্বেগে। মাঝেমধ্যে আত্মরক্ষার জন্য এদিক-সেদিক ঘোরাচ্ছেন বাম হস্তে থাকা সুবর্ণ ঢাল, তাতে শক্ত আঘাত করছে মৌর্য সৈন্যরা।

    একসময় তাঁর কাতুইকোই সৈন্যরা ঘিরে রাখে তাঁকে। কাতুইকোই তাদের অনিয়মিত সৈন্য। এদের পোশাকও ভিন্ন। প্রচলিত পাইক অস্ত্রই শুধু এরা ব্যবহার করতে পারে। যুদ্ধের ময়দানে তাদের হতাহতের সংখ্যাই বেশি। চাচা টলেমির অনিয়মিত বাহিনী ক্লেবুচোইয়ের অনুকরণে এ বাহিনী গঠন করেছেন সেলুকাস। তবে মৃত্যুকে উপেক্ষা করে যুদ্ধক্ষেত্রে অদম্য সাহসের পরিচয় দিচ্ছে এরা। মল্লযুদ্ধেও লিপ্ত হচ্ছে। চন্দ্রগুপ্ত দেখলেন, তরবারি কিংবা মুদগর দিয়েও তাদের শেষ করা যাচ্ছে না। মহামন্ত্রীকে বললেন, আচার্য, হস্তীবাহিনীকে সম্মুখে পাঠান এরা দলে-মথে নিশ্চিহ্ন করে দিক শত্রুদের।

    মহামন্ত্রী তা-ই করলেন। হস্তীর পদপিষ্ঠ হয়ে মারা যেতে থাকল অসংখ্য গ্রিক সৈন্য। হস্তীপৃষ্ঠ থেকে ভৈরব হুংকারে মেঘের গর্জনের মতো ছুটে চলেছে ভয়ংকর শর। ঘোর ঘর্ঘর এমন কোদণ্ড টঙ্কার জগতে কেউ আগে দেখে নি। হস্তীবাহিনী ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে গ্রিক সৈন্যদের।

    দুই পক্ষের সৈন্যদেরই অগ্নিময় চক্ষু, সিংহের ন্যায় সরোষে দাঁত কড়মড়িয়ে লাফ দিয়ে পড়ছে শত্রুর ঘাড়ে। চারদিকে সমরতরঙ্গ উথলে পড়ছে। সিন্ধুর জলরাশি বায়ুর সঙ্গে প্রবল দ্বন্দ্বে লিপ্ত। যেন তারই নির্ঘোষ শব্দ হচ্ছে সমরতরঙ্গে।

    ভয়ংকর আদিবাদ্য হচ্ছে সিংহনাদ। তার চেয়ে ভয়ংকর শব্দ আসছে শেলশক্তি, শূল, মুগর, মুদগর, পট্টিশ, নারাচ, সারসা, তির, তরবারি প্রভৃতির আঘাত থেকে। সঙ্গে আর্তচিৎকার কিংবা ভয়ংকর হুংকার। কোনো পক্ষ নয়, গজ, অশ্ব, সাদি, নিষাদি, সুরথী ও পদাতিক সৈন্যরাই জম জয়ী। তাদেরই মতো অন্য সব প্রাণীর বর্ম, চর্ম, দেহ, রক্তের প্লাবনে ভেসে যাচ্ছে।

    হঠাৎ প্রচণ্ড যুদ্ধের মধ্যে দেখা গেল দেবরাজ বণিককে। শাণিতের প্লাবন বইছে তার মুখমণ্ডল থেকে বক্ষবর্ম হয়ে উরুদেশ অবধি। হাতে রক্তভেজা সে নাঙ্গা তরবারি। ঢাল দিয়ে নিজেকে রক্ষা করে ডানে-বাঁয়ে তরবারি চালিয়ে শত্রু নিধন করছে অনবরত। সে গ্রিক জানে, তাই শত্রুদের গালি দিচ্ছে প্রতিটি আঘাতে। ওরাও ছাড়ছে না তাকে। মৃত্যুর আগে কুৎসিত কথা ছুড়ে দিয়ে যাচ্ছে পরপারে।

    হস্তীবাহিনীর বহুমুখী আক্রমণে কয়েকবার যুদ্ধকৌশল পরিবর্তন করলেন সেলুকাস। কিন্তু তাতেও কাজ হলো না। মৌর্যদের আক্রমণে দিশেহারা তাঁর সৈন্যবাহিনী। বর্ষার তুমুল বর্ষণে যেমন বাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে, তেমনি অবস্থা সেলুসিড সৈন্যদের। অবশেষে সেলুকাস তাঁর সৈন্যদের কৌশলী অবস্থান এবং প্রয়োজনে যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেন।

    অশ্ব, রথ, অশ্বযান নিয়ে পালাতে শুরু করল সেলুসিড সৈন্যরা। মৌর্য সৈন্যরা তাদের তাড়িয়ে মরুভূমির শেষ পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে গেল। সেলুসিড সৈন্যদের কেউই ঘুরে দাঁড়াল না। ‘মকল করিরাজে হেরি ঊর্ধ্বশ্বাসে’ যেভাবে বনবাসীরা পালায়, সেভাবে পালাল। হত-নিহত- আহত সসৈন্যদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ারও তাগিদ বোধ করল না। পড়ি কি মরি দৌড়াচ্ছে এরা। এই দৌড়ের মধ্যে তরবারি, মদগর, তির ও বল্লমের আঘাতে অনেকেই ধরাশায়ী হলো। ‘বজ্রঅগ্নিপূর্ণ যবে উড়ে বায়ুপথে ঘোরনাদে’ ধেয়ে পালায় বন্য পশুর দল, তেমনি পালাচ্ছে এরা পাহাড় আর জঙ্গলের দিকে। সিন্ধু উপত্যকার উঁচু পাহাড় আর জঙ্গলগুলোয় আশ্রয়ের ব্যবস্থা এরা আগেই করে রেখেছিল।

    থর মরুভূমির যুদ্ধ ময়দান এখন শত্রুমুক্ত। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত তাঁর মহামন্ত্রী চাণক্যকে বললেন, আচার্য, চলুন যুদ্ধক্ষেত্র ঘুরে ঘুরে দেখি। প্রধান সেনাপতিকেও সঙ্গে নিলেন। একি অবস্থা! সম্রাট বিশ্বাস করতেই পারছেন না হতাহতের সংখ্যা এত বেশি। ভীষণ আকৃতির কুঞ্জরপুঞ্জ পড়ে আছে। কোনোটির শুঁড় কাটা গেছে, শরীরে বিদ্ধ হয়েছে বিষাক্ত তির অথবা সারিসা। কোনোটি ঘনঘন নিঃশ্বাস নিচ্ছে কাল সময় বুঝি সমাগত। অসহায়ের মতো চোখ খুলছে আর বন্ধ করছে। গতিময় ঘোড়া গতিহীন। মারা গেছে, অথবা আহত অবস্থায় পা ছুড়ছে এবং যন্ত্রণায় মাথা পেটাচ্ছে ভূমির ওপর। চূর্ণ রথ অগণ্য। ষাঁড়গুলো হয় মারা গেছে, না হয় সিনা সোজা করে দাঁড়িয়ে আছে। আবার কোনো কোনোটি যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে দিগ্‌বিদিক দৌড়াদৌড়ি করছে। রথ নিয়েই দৌড়াচ্ছে দু-চারটি।

    মারা গেছে লক্ষ সৈন্য। গুনে শেষ করা যাচ্ছে না। নিষাদি, সাদি, শূলী, রথী, পদাতিক গড়াগড়ি করছে। মৃতেরা নীরব। হাত নেই, পা নেই, কারও নাক কাটা গেছে, কান কানের জায়গায় নেই, শিরই গেছে বেশি, শরীর বিদ্ধ হয়েছে তির, তূণ, সারিসায়। দেহে এখনো বর্ম, শিরস্ত্রাণ এবং পায়ে পরিপাটি জুতো রয়ে গেছে। মরুভূমির বালি সব রক্ত শোষে নিতে পারে নি তাই প্লাবন বইছে, কোথাও জমা হয়ে জমাট বেঁধে আছে।

    আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে, কাতরাচ্ছে কেউ কেউ। জল চাচ্ছে। যন্ত্রণায় কেউ কেউ মৃত্যু কামনা করছে। যন্ত্রণায় অনুনয় করছে, যেন তাকে মেরে ফেলা হয়।

    আহত-নিহত সৈন্যদের কাছাকাছি শোভা পাচ্ছে তাদের বীরভূষণ বর্ম, চর্ম, অসি, ধনু, ভিন্দিপাল, তৃণ, মুদগর, পরশু, সারিসা, পাইক, দোরি আর কত কী! মণিময় কিরীট, শীর্ষক, শিরস্ত্রাণ, তাবিজ-কবচ, সুবর্ণ ঢাল, বীর আভরণ মহা তেজস্কর।

    সুরহীন যন্ত্রীদল পাড়ে আছে বাদ্যযন্ত্রের পাশে। ‘হেমধ্বজ দণ্ড হাতে যমদণ্ডাঘাতে’ পড়ে আছে ধ্বজবহনকারী।

    সম্রাট ও মহামন্ত্রী মৃত ও পড়ে থাকা আহত সৈন্যদের সম্মানে হস্তী ও ঘোড়া থেকে নেমে হেঁটে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখছেন। এক জায়গায় সম্রাটের চোখ আটকে গেল। দেবরাজ বণিক পড়ে আছে। পৃষ্ঠদেশে তিরবিদ্ধ হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে তিরবিদ্ধ অবস্থায় এই বীর অনেক শত্রুসৈন্য মেরেছে। উপুড় হয়ে পড়ে আছে। দুহাতের নিচে চেপে ধরে আছে দুজন সেলুসিড সৈন্য। এ দৃশ্য দেখলে মনে হবে রামায়ণের বীরবাহু যেন ‘চাপি রিপুচয়বলী’ পড়ে আছে। অথবা মহাভারতের সে দৃশ্য মনে পড়ে যাবে, যেখানে হিড়িম্বার স্নেহ নীড়ে পালিত গরুড়, ঘটোৎকচ কালপৃষ্ঠধারী কর্ণের একাঘ্নীবাণে হত হয়েছিল।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের হৃদয় এ দৃশ্য দেখে হু হু করে উঠল। ভাবলেন, এত বড় ধ্বংসলীলার জন্য দায়ী কে? কেন গ্রিকরা ভারতবর্ষ দখল করতে এল? আর কেনই-বা তিনি ঝিলামের প্রমোদপ্রাসাদে ছদ্মবেশে গিয়েছিলেন? এত হত্যা, এত বিনাশ, এত ধ্বংস তিনি কোনো যুদ্ধেই দেখতে পান নি। দেবরাজ বণিকের দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, ধন্য মৌর্য সাম্রাজ্য বীর তোমার আত্মত্যাগে। শত্রুদের সমরে ছিন্নভিন্ন করে মৃত্যুটাই সব বীরের কাঙ্ক্ষিত। নির্ভীক সৈনিক হিসেবে আজ যা দেখিয়েছ, যুগ যুগ ধরে তা গৌরব ছড়াবে, বলে নিজের গলা থেকে খুলে একটি মুক্তোর মালা দেবরাজের শরীরে রাখলেন। মহামন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বললেন, মৃত সৈনিকদের দেহ সৎকারের ব্যবস্থা নিন। যুদ্ধবিরতি চাইলে, মৃতদেহ সৎকার করতে চাইলে গ্রিকদের সময় দিন। বলে তিনি মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন।

    চাণক্য বললেন, সব ব্যবস্থাই হবে, মহামান্য সম্রাট। প্রধান সেনাপতির কানের কাছে মুখ নিয়ে অনুচ্চ স্বরে বললেন, আহত গ্রিকদের হত্যা করো। সম্রাট যা-ই বলুন, এদের প্রশ্নে কান দেবে না। প্রতিটি বাহিনীর আধিকারিকদের কাছে সংবাদ পৌঁছে দাও, দ্রুত। আবার সম্রাটকে উদ্দেশ করে বললেন, সম্রাট, আপনি ক্লান্ত, চলুন বিশ্রাম নেবেন। এরা চিকিৎসা ও শেষকৃত্যের কাজগুলো শেষ করুক।

    শেষকৃত্যের আয়োজন করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। ইতিমধ্যে হাজার হাজার মৃতদেহ জড়ো করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে মৌর্য সৈন্য ও গ্রিক সৈন্যদের আলাদা আলাদাভাবে পুড়িয়ে এবং মাটি চাপা দিয়ে সৎকার করার উদ্দেশ্যে চিতা জ্বালিয়ে দেওয়া হলো। অন্ধকার রাত। চিতার আগুনে আলোকিত হয়ে উঠেছে সমস্ত থর প্রান্তর। স্থানে স্থানে জ্বলছে চিতা, বহু দূর থেকেও দেখা যায়, যেন মরুপ্রান্তরে লক্ষ আগুনফুলের মেলা। চিতার আলোয় সৈনিকেরা মৃত গ্রিক সৈন্য ও হাতি, ঘোড়া ও ষাঁড়দের মাটিচাপা দিল।

    যারা বেঁচে আছে, তাদের অনেক কিছুর প্রয়োজন। কাড়াকাড়ি করে এরা নিহতদের অস্ত্র ও বীর আভরণ নিজেদের অধিকারে নিয়ে নিল এবং রাত্রি শেষের আগে ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদের আলোয় ক্লান্ত দেহে ফিরে গেল স্ব স্ব শিবিরে।

    সম্রাট তাঁর ছাউনি থেকে সেসব দৃশ্য দেখলেন জেগে থেকে। প্রথম দিনের যুদ্ধজয়ের আনন্দে তাঁর উল্লসিত হওয়ার কথা, কিন্তু তার পরিবর্তে একধরনের বিষণ্ণতা পেয়ে বসল ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদের মতো। সম্রাট কি যুদ্ধের ভয়াবহতায় তলিয়ে যাচ্ছেন? নাকি বিরাট এক মানবিক বিপর্যয়ে তার কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন? আচার্য ভদ্রবাহু এ সময় তাঁর পাশে থাকলে ভালো হতো। তাঁর অন্তর্জাগতিক ব্যাপারগুলো শুধু আধ্যাত্মিক গুরু ভদ্রবাহুকেই অবহিত করেন, অন্য কাউকে নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }