Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৭৪

    ৭৪

    একটি উন্মুক্ত মঞ্চ তৈরি হয়েছে থর মরুভূমিতে। কিছু দূরে আরও একটি। নানা স্থানে প্রহরা। সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী আসবেন এখানে। প্রহরীদের মধ্যে, রাজ অমাত্যদের মধ্যে, কানাঘুষা সম্রাট বাসররাতে উন্মুক্ত মরুভূমিতে কেন?

    চতুরাশ্ব যানে চড়ে সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী যাচ্ছেন মরুভূমির দিকে। সম্রাটের নারী নিরাপত্তারক্ষী খুব কাছে থেকে এবং পুরুষ রক্ষীরা কিছু দূরে থেকে সম্রাটের নিরাপত্তার্থে চলেছে তাঁদের পাশাপাশি।

    সম্রাজ্ঞী বললেন, মহামান্য সম্রাট, এসব কী? ওদের চলে যেতে বলুন। আমরা চাঁদনিরাতে নির্জন মরুতে বাঁশি শুনব, নির্জনতা উপভোগ করব। একান্তভাবে আমি আর আপনি সময় কাটাব। এ রকম কথাই তো ছিল।

    চন্দ্রগুপ্ত হেসে দিয়ে বললেন, হেলেন, তা-ই হবে। ওরা পৌঁছে দিয়ে চলে যাবে। আমরা ধবল জ্যোৎস্নার ধু ধু মরুভূমিতে সারা রাত কাটাব বাঁশি শুনতে শুনতে।

    নিকোমেডেস আর ফাওলিনের কাছে ব্যাপারটা বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। এরাও যাচ্ছে আরেকটি অশ্বযানে চড়ে। অপর মঞ্চটি ওদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

    পরিকল্পনাটি এ রকম: বাঁশিওয়ালা আড়ালে থেকে বাঁশি বাজাবে, তাকে দেখা যাবে না। কোথা থেকে বাঁশির সুর ভেসে আসছে, তা কেউ জানবে না। চাঁদ থেকে জ্যোৎস্না ঝরছে, তা সবাই দেখবে কিন্তু বাঁশির সুরের উৎস দেখা যাবে না।

    রাজপ্রাসাদের বিবাহবাসর ছেড়ে সম্রাট-সম্রাজ্ঞী মরুভূমিতে, মহামন্ত্রী চাণক্যও একে পাগলামি ছাড়া আর কিছু মনে করেন না। তাঁর মতো এ রকম মনে করা লোকজনের সংখ্যা অনেক বেশি। বিবাহবাদ্য নয়, ঢাকঢোল নয়, সামরিক যন্ত্রসংগীত নয়, মরুভূমিতে বাঁশি— এ পাগলামি ছাড়া আর কী?

    হেলেনের এ পাগলামি প্রস্তাবটায় প্রথমে সম্রাট কী মনে করেছিলেন, তা এখন বলা শক্ত। তবে যুদ্ধের আগে বাঁশির সুর তাঁকে শক্তি জুগিয়েছিল। সে কথা মনে হয়েছিল যুদ্ধজয়ের পর। এখন একটা অজানা আগ্রহ তাঁকেও পেয়ে বসেছে। বাঁশিওয়ালাকে খুঁজে পেতে অবশ্য অনেক বেগ পেতে হয়েছে। যুদ্ধের ঘনঘটায় সে পালিয়েছিল। সিন্ধু নদীর পাড় ঘেঁষে চলে যায় বহু দূর। নদীর স্রোতের বিপরীতে হাঁটতে হাঁটতে বাঁশি বাজাতে বাজাতে মৌর্য সাম্রাজ্যের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছে। সেখান থেকে তাকে ধরে নিয়ে আসে মৌর্য সৈন্যরা।

    ভয়ে সে কুঁকড়ে গেছে। মৌর্য সৈন্যরা কেন তাকে ধরে নিয়ে যাবে? সে তো যুদ্ধাপরাধী নয়। কিন্তু মৌর্য সৈন্যরা যখন তাকে সম্মান করল, ভালো ব্যবহার করল, সে সাহস ফিরে পেয়ে জিজ্ঞেস করল, আমাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছ কেন?

    সম্রাট তার কারণ বলতে পারবেন, আমরা নই, বলল সৈন্যদের একজন।

    সম্রাটের সামনে হাজির করা হলে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়াল বাঁশিওয়ালা। তোমার নাম কী? সম্রাটের প্রশ্নে মায়া ছিল, প্রশ্রয় ছিল। সে নির্ভয়ে বলল, নিখিল নাগার্সি।

    নিখিল, তোমাকে জ্যোৎস্নারাতে বাঁশি বাজিয়ে শোনাতে হবে। সম্রাজ্ঞী ঊষর থর মরুভূমিতে তোমার বাঁশি শুনবেন। যুদ্ধের আগে যে সুর বাজিয়েছিলে, তা-ই বাজাবে।

    মহামান্য সম্রাট, কী সৌভাগ্য আমার।

    এ কয় দিন বিবাহের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকব আমরা। তুমি রাজকীয় অতিথি হয়ে থাকবে। রাজপ্রাসাদেই থাকবে।

    নিখিল বলল, কী মহিমা সম্রাটের, কী অভিরুচি সম্রাজ্ঞীর!

    সম্রাট তাঁর লোকদের বললেন, নিখিল এখানে আছে, তা গোপন রাখতে হবে। আর তার যত্ন-আত্তির যেন কোনো কমতি না হয়।

    এখন কি বাজাব, সম্রাট? খুব আনন্দ হচ্ছে।

    না, তুমি বিয়ের রাতেই বাজাবে। এখন খাওদাও, আনন্দ করো। তোমার জন্য রাজকীয় পোশাকের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

    আপনাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটা দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে, সম্রাট।

    বেশ, দেখবে। তবে পরিচয় গোপন রাখবে। অনুষ্ঠানে তুমি রাজকীয় পোশাক পরে যাবে, যাতে কেউ চিনতে না পারে।

    রাজকীয় পোশাক পরে রাজা রাজা ভাব এসে গেল নিখিলের। পাতার বাঁশিটা বেমানান লাগছে তার কাছে।

    সে ঘুরে ঘুরে দেখছে ধর্মীয় ও রাজকীয় বিবাহের আচার-অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানাদির মধ্যে সে কোনো বিশেষত্ব খুঁজে পায় নি। অবাক হয়ে গেছে বিবাহমঞ্চ আর মণ্ডপ দেখে। কী বানিয়েছে এরা! কে বানিয়েছে, তাকে খুঁজছে সে। জিজ্ঞেস করতে করতে পেয়ে গেল। ভবদানব ভাবল, রাজপুরুষ আবার কী জানতে চায়। নিখিল বলল, একি বানিয়েছ তুমি, আমার সুরের পঞ্চম রাগে শুধু তার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। ভবদানব কিছু বুঝবার আগেই সম্রাটের লোকজন তাকে সরিয়ে নিয়ে গেল।

    নিখিলের আরেকটি বিষয় ভালো লেগে গেল, সরোজের ছবি আঁকা। সে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। সরোজ তাকে রাজপুরুষ ভেবে প্রণাম করে বলল, মহাশয়, আপনার কি কোনো পরামর্শ আছে?

    না, পরামর্শ নেই, বিস্ময় আছে। অদ্ভুত আঁকো তুমি। খুবই চমৎকার। আমার সুরের উৎস আছে এতে। তুমি আঁকো, আমি দেখি।

    সামনে যে বিবাহ অনুষ্ঠান, তা-ই আঁকছে সে। এর প্রতি কৌতূহল হাতে গোনা দুয়েকজনের। শিশুরা ভিড় করেছে, আর নিখিল। নিখিল কী খুঁজে পায়, কে জানে।

    বিয়ের অনুষ্ঠানে সে কিছু খায়ও নি, খেতে ভুলে গেছে। সরোজের আঁকাআঁকিতে ডুবেছিল সারাক্ষণ।

    পরিকল্পনা হচ্ছে দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে বাঁশি বাজাবে সে, যেমনটি বাজিয়েছিল যুদ্ধের সময়। তার জন্যও একটা সুন্দর মঞ্চ করা হয়েছে। এ মঞ্চে বসে সে বাঁশি বাজাবে। রাজকীয় পোশাক পরে এসেছে। নিরাপত্তা দেওয়া লোকজন ছাড়া অবশ্য তার এ পোশাক দেখার কেউ নেই।

    পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে আকাশে। আকাশের ঐশ্বর্যটা আসলে চাঁদই ছড়ায়। চাঁদ নেই তো ঐশ্বর্য নেই। অসহায় মনে হয় মিটিমিটি তারাগুলোকে, অভিভাবকহীন। জ্যোৎস্নারাতের বন, জ্যোৎস্নারাতের মরুভূমি, জ্যোৎস্নারাতের নদী কিংবা জ্যোৎস্নারাতের সমুদ্র প্রাকৃতিক মহাসৌন্দর্যের ভিন্ন ভিন্ন মনোগ্রাহী রূপ। নির্জনতার মধ্যে এসব সৌন্দর্যের সঙ্গে মানবমনের যে সম্পর্ক তৈরি হয়, তা হৃদয়কে উদ্বেলিত করে, অন্তরকে জাগিয়ে দেয়, কখনো কখনো পাগল করে তোলে। তার মধ্যে যদি মনকাড়া বাঁশি বেজে ওঠে কিংবা কোনো সুর মনের গহিনে প্রবেশ করে, তাহলে অমৃতের স্বর্গের সঙ্গে একটি যোগাযোগ তৈরি হয়ে যায়।

    সারা দিনের প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যে ক্লান্ত হয়ে পড়ার কথা চন্দ্রগুপ্ত ও হেলেনের। কিন্তু তাঁদের মধ্যে সে ক্লান্তি নেই। এখন একান্তভাবে একে অন্যের পাশে! তাই উজ্জীবিত এবং নতুন সম্পর্কের কারণে মানসিকভাবে কিছুটা এলোমেলোও।

    সম্রাট-সম্রাজ্ঞী মঞ্চে উপবেশনের পর বাঁশিওয়ালা নিখিলের কাছে সংবাদ পাঠানো হবে। সে তখন বাঁশি বাজাতে শুরু করবে।

    সম্রাট-সম্রাজ্ঞী মঞ্চে উপবেশন করার পর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লোকজন নিরাপদ দূরত্বে চলে গেল।

    আরেকটি মঞ্চে এসে বসেছে নিকোমেডেস ও ফাওলিন। দুজনের প্রথম প্রথম ব্যাপারটা ভালো লাগে নি। পরে পাগল হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। নিকো বলল, চলো মঞ্চে বসে না থেকে আমরা হেঁটে বেড়াই।

    হেলেনের অবস্থাও তাই। চন্দ্রগুপ্তকে বললেন, এ মঞ্চে বসে থাকা যাবে না। এত সুন্দর প্রকৃতির ওপর মঞ্চটা চাঁদের কলঙ্ক যেন, চলুন আমরা দূরে গিয়ে বালিতে বসে পড়ি।

    আমিও তা ভাবছিলাম।

    দূরে গিয়ে এরা বালিতে বসে পড়লেন।

    মরুচর পাখি ও পোকামাকড়ের শব্দ ভেসে আসছে। মন্দ লাগছে না। তবে এ শব্দ তাদের আনন্দ না কান্নার, বোঝার উপায় নেই। আনন্দেরই হবে। এ ভর জ্যোৎস্নায় কান্না আসার কথা নয়।

    হেলেন বালি নিয়ে খেলছেন শিশুদের মতো। চন্দ্রগুপ্ত দেখছেন। হেলেন বালির স্তূপ, গাছ, পশুপাখি আর মানুষ বানাচ্ছেন বালি সাজিয়ে। ব্যাপারটা অবশ্য বিমূর্ত।

    নিখিলের কাছে সংবাদ গেছে। সে বাঁশিতে ফুঁ দিল। কিন্তু সুবিধে হচ্ছে না তার। বাঁশি থেমে গেল। একধরনের অস্বস্তি বোধ করছে সে। বাঁশি তার কথা শুনছে না। বাতাস তার নিয়ন্ত্রণে নেই।

    বাঁশির সুর শুনে উৎকর্ণ হলেন সবাই। কিন্তু থেমে যাওয়ায় একটু হতাশ হলেন। চন্দ্রগুপ্ত বললেন, মনে হয় পরীক্ষা করে দেখছে। শিল্পীরা সংগতের আগে টুকটাক পরীক্ষা করে নেয়।

    নিখিল বাঁশি বাজানোর জন্য মঞ্চ থেকে নিচে নেমে এল। জুতো খুলল। রাজপোশাক ছাড়ল। মঞ্চ থেকে দূরে গিয়ে বালির ওপর বসে গেল পদ্মাসনে। তারপর বাঁশিতে আবার ফুঁ দিল। এবার হয়েছে। মনোযোগ দিতে পারছে সে। বাঁশিও এবার তার কথা শুনছে। বাতাস আনুগত্য মেনে নিয়েছে।

    হেলেনের বালির মূর্তি বানানো থেমে গেছে। নিকোমেডেসরা হাঁটতে হাঁটতেই বসে গেল বালির ওপর। দূর থেকে বাঁশির সুর ভেসে আসছে। একসময় মনে হলো চাঁদ, জ্যোৎস্না, মরুভূমি— সবই ভাসছে।

    চন্দ্রগুপ্ত হেলেনের ডান হাতটা নিজের দুহাতের মুঠোয় টেনে নিলেন। কথা সব থেমে গেছে। মরুপাখি, কীটপতঙ্গ—সবাই নিশ্চুপ বাঁশি শুনছে। কিন্তু হেলেন যেন আর বাঁশির সুর শুনছেন না। মহাকালের অন্য এক আলোয় ভেসে বেড়াচ্ছেন। নিমগ্ন অন্য কোথাও। যেখানে কর্ণে শব্দ-সুর কিছুই পৌঁছায় না।

    ফাওলিনের ব্যাপারটা ভিন্ন। বাঁশির সুর শুনছে আর নিকোমেডেসের সাথে কথা বলে যাচ্ছে। এ রকম একটা পরিবেশ তার কাছে স্বর্গীয়। কিন্তু সে বাসরঘর ছেড়ে এখানে অবশ্যই আসত না। বিয়েটা স্বর্গীয় ব্যাপার নয়, মর্তের মানুষদের মর্ত্যের নিয়মে বিয়ের রাতে বাসরঘরেই থাকা উচিত।

    নিকোমেডেস শুনে হাসল। বলল, জগতে ব্যতিক্রম তো কিছু আছেই। সবাই কি আর এক রকম? ভোগে-উপভোগে যে তফাত, মানুষে মানুষেও সে তারতম্য আছে।

    কর্নেলিয়া কি সন্ন্যাসিনী হয়ে থাকবে?

    তা থাকবে কেন?

    তাহলে?

    এটা তার খেয়াল। এতেই হয়তো সে আনন্দ খুঁজে পায়।

    সম্রাট তা মানবেন কেন?

    ভালোবাসা থাকলে মানতে সমস্যা হয় না, বরং এতেই আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়।

    আমাদের ভালোবাসায় যেন এ আনন্দ না থাকে। সন্ন্যাসী মানুষকে আমি পছন্দ করি না।

    নিখিলের বাঁশি আর থামছে না। পরিবেশটা বাঁশির খুব অনুকূল, তা-ই নয়, তার মাথায় বিশ্ব সৌন্দর্যের এই উৎসবে আজ আরও দুটি বিষয় যুক্ত—একটি ভবদানবের মঞ্চ, অপরটি সরোজ পটুয়ার চিত্রকর্ম। এ দুটো বিষয় তার শিল্পীসত্তায় এমন এক নাড়া দিয়েছে যে তার আলোড়ন এখনো যায় নি, বরং বাঁশির সুরে এসে মিশে শিল্পসৌকর্য অন্য এক মাত্রা যুক্ত করেছে।

    আচার্য ভদ্রবাহু ও মহামন্ত্রী চাণক্যও এসেছেন বাঁশি শুনতে। তবে গোপনে এসেছেন। দুজন একসঙ্গে আছেন। মরুভূমিতে বাঁশির সুর দূর থেকে শোনা যায়। তাই এরা দূরে অবস্থান করছেন। যা-ই বলুন, বাঁশি কিন্তু সে ভালো বাজায় আর পরিবেশটা বেছে নেওয়া অসাধারণ হয়েছে। আচার্য ভদ্রবাহুর কথায় সায় দিয়ে চাণক্য বললেন, এখানে না এলে আমার ভুল ধারণাটা থেকে যেত। এখন আমি একে পাগলামি মনে করছি না। জগতে এমন অনেক কিছু আছে, যা পাণ্ডিত্য কিংবা ঋষিত্ব দিয়ে লাভ করা যায় না। আপনি জোর না করলে আমার এ অভিজ্ঞতা কখনো হতো না। ধন্যবাদ আপনাকে।

    আচার্য ভদ্ৰবাহু হেসে দিয়ে বললেন, একা ধ্যান করা যায়। রস উপভোগের জন্য চাই সমান সমঝদার ব্যক্তি। আপনি না এলে আমার আসাটা মাটি হয়ে যেত।

    চাণক্য বললেন, মরুভূমিতে জ্যোৎস্না তো অসাধারণ ব্যাপার। বনভূমির জ্যোৎস্নায় গেছি আমি। সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার সময় জলের মধ্যে ঝিলিমিলি জ্যোৎস্নার খেলা দেখেছি। সে সময় সংগীত কিংবা বাঁশি ছিল না। তাহলে উপলব্ধিটা ভিন্ন রকম হতো। এখন মনে হচ্ছে এসবের মধ্যে কোথাও একটা যোগসূত্র রয়েছে। তক্ষশীলায় যখন রাজপুত্রদের শিক্ষাদান করতাম, তখন চৌষট্টি কলার একটি সংগীতের শাস্ত্রজ্ঞান দিতেন একজন পণ্ডিত। যত দূর জানি, রাজপুত্রদের সংগীতজ্ঞান তো বাধ্যতামূলক ছিল। আমার কাছে এসব অর্থহীন মনে হতো। মনে হতো রাজপুত্ররা শিখবে রাজ্য পরিচালনার কৌশল, অর্থনীতি, বিচার-আচার, নীতি-দুর্নীতি, যুদ্ধবিদ্যা, সন্ধির কলাকৌশল—এসব। সংগীতের জ্ঞান কেন?

    এখন কী মনে হচ্ছে, আচার্য?

    জীবনের পরিপূর্ণতার জন্য সংগীতজ্ঞান এবং প্রকৃতিজ্ঞানেরও প্রয়োজন আছে। এদিক থেকে আপনি পরিপূর্ণ

    আবার আমাকে টানছেন কেন?

    টানছি না, উপলব্ধি করছি। আপনাকে পরিমাপ করছি।

    আপনার মধ্যেও তা আছে। তবে সুপ্ত অবস্থায়।

    সুপ্ত, তবে ক্ষীণ অবস্থায় বলুন।

    আজকের পর তাতে জোয়ার জাগবে।

    কী জানি! জীবনটা মনে হয় পাথুরে নদী।

    আবার এরা বাঁশিতে মনোযোগ দিলেন। কিছুক্ষণ পর ভদ্রবাহু বললেন, মুশকিল হলো বাঁশিওয়ালাকে দেখা যাচ্ছে না। মনে হয় অন্যলোক থেকে সুরটা ভেসে আসছে।

    লোকটাকে দেখলে তার বাঁশি হয়তো এত ভালো লাগত না। নাগার্সিরাই তো বাঁশি বাজায়, তাদের বড় বড় তৈলাক্ত চুল থাকে। পোশাকে-আশাকে ভালো দেখায় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }