Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ১০৮

    ১০৮

    একরকম বিধ্বস্ত চেহারা ও বিধ্বস্ত মন নিয়ে অমরাবতী থেকে পাটালিপুত্রে ফিরে এলেন চন্দ্রগুপ্ত। শেষবারের মতো হেলেনের মুখ দেখলেন। কেমন যেন মুগ্ধতার হাসি। আমাকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে মুগ্ধ তুমি! মনে মনে বললেন তিনি। প্রথম দেখা তাঁর মুগ্ধ স্মৃতির কথাও মনে হলো। এত বিশাল এক সাম্রাজ্যের অধিপতি, কিন্তু কত অসহায় তিনি নিয়তির কাছে। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, কেন ছেড়ে গেলে আমায়। কত শান্ত হয়ে শুয়ে আছ। এ দৃশ্যই কী দেখার ছিল আমার?

    নিজেকে বহু কষ্টে নিয়ন্ত্রণ করলেন। হেলেনদের পরিবারের কিছু চেনা-অচেনা মানুষের চেহারার দিকে দৃষ্টি গেল তাঁর। ভাবলেন, সংবাদ পেয়েই এঁরা এসেছেন। সম্রাট সেলুকাসের কুশল জিজ্ঞেস করতেই সব সংবাদ জানা গেল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তিনি।

    পরে সবাইকে নিয়ে বসলেন। যুবরাজের সব আয়োজন অনুমোদন করে বললেন, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠান হবে সম্পূর্ণ গ্রিক রীতিতে। কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়ে তিনি আবার অন্তঃপুরে প্রবেশ করলেন। সবাইকে বললেন, তিনি একান্তে হেলেনের সঙ্গে কিছু সময় কাটাতে চান।

    সবাই চলে গেলে হাঁটু গেড়ে বসলেন হেলেনের কফিনের পাশে। হেলেনের দিকে তাকিয়ে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্রাট অঝোরে কাঁদলেন। এ জীবনে কত কিছু হারিয়েছেন, হেলেনকে হারিয়ে যেন সব হারিয়ে ফেলেছেন। অর্থহীন হয়ে গেছে তাঁর জীবন।

    তিনি হেলেনের মুখমণ্ডল স্পর্শ করলেন। ঠান্ডা হয়ে গেছে দেহ। কত উত্তাপ ছিল। কত কত জেদ! কত কত ভালোবাসা! প্রেম! কত সহজে জয় করে নিয়েছেন সবাইকে। ভালোবাসায় তুমি জয়ী, হেলেন, আমি পরাজিত। কেন আমি বুঝতে পারি নি এভাবে তুমি আমাকে ফাঁকি দিয়ে চলে যাবে। এটাই আমার পরাজয়। কেন তোমাকে সঙ্গে নিয়ে যাই নি। যুদ্ধশিবিরে তোমার আবাস তৈরি করাই ছিল। তোমরা আমাকে সতর্ক করে দিয়েছিলে। বিন্দুসারের কথা তুমি সমর্থন করেছিলে। আমি বুঝতে পারি নি। কত বড় ভুল হয়ে গেছে, তুমি তা জানো না। এত এত নিরীহ মানুষের মৃত্যুর জন্য আমিই দায়ী। ওদের অকালমৃত্যুর জন্যই তোমাকে হারালাম। আমি কোন প্রায়শ্চিত্ত করলে আবার তোমাকে ফিরে পাব, হেলেন? জানি আমার কোনো ক্ষমা নেই। আমার কোনো সান্ত্বনাও নেই। কে আমাকে সান্ত্বনা দেবে? আমি অন্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। স্বপ্ন আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল।

    জানি আত্মার মৃত্যু নেই। এ নশ্বর দেহেরই দেহান্তর ঘটে। আবার যদি আমাদের জন্ম হয়, যেন সে জন্মেও তোমাকে কাছে পাই। কিন্তু কী করে পাব? আমার কি এত পুণ্য জমা আছে? না, নেই। মানুষ হিসেবে আমার জন্মানোর সম্ভাবনা নেই। জন্মালেও অন্য কোনো ইতর প্রাণী হয়ে জন্মাতে হবে।

    এ জন্মের সাফল্য অনেক। অভাবিত। বিশাল মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা। তার চেয়েও বড় অর্জন তুমি। তোমাকে প্রথম দেখে পাগল হয়ে গেছিলাম আমি। যদি কেউ বলত তোমার জন্য আমাকে মৌর্য সাম্রাজ্যের সিংহাসন ছেড়ে দিতে হবে, দিতাম আমি। ছেড়ে দিতাম। এখনো তোমার জন্য আমি সবকিছু করতে পারি। সবকিছু। তুমি দেখো, কী করতে পারি আমি। বিদায় হেলেন। বিদায়!

    কক্ষ থেকে বের হয়ে আসছেন চন্দ্রগুপ্ত। স্পষ্ট শুনতে পেলেন, হেলেন তাঁর নাম ধরে ডাকছেন, চন্দ্ৰ!

    চন্দ্রগুপ্ত ফিরে তাকালেন। দৌড়ে গেলেন আবার হেলেনের কাছে। তুমি আমাকে ডেকেছ, হেলেন?

    আগের মতোই সব চুপচাপ। চন্দ্রগুপ্তের মনে হলো, হেলেনের ঠোঁট দুটো এখনই আবার কেঁপে উঠবে। মায়াবী ঠোঁট দুটো আবার উচ্চারণ করবে, ‘চন্দ্র’। পদ্মের মতো ঠোঁট পাণ্ডুর হয়ে গেছে। চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আবার ডাকো হেলেন। গোটা মৌর্য সাম্রাজ্যকে তুমি জানিয়ে দাও তুমি ঘুমোচ্ছিলে, এইমাত্র জেগে উঠেছ।

    .

    স্ট্রেটোনিস মরদেহ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত করছেন। দেহটা ভালোভাবে ধুয়ে দেওয়া হলো। সুগন্ধিজাতীয় নানা দ্রব্য মাখানো হলো তাতে। লাউডিস ও ফাওলিন সাহায্য করছে তাঁকে। স্ট্রেটোনিস বললেন, একটা কথা বলি। কথাটা বলেছেন শর্মি। হেলেন নিজের ইচ্ছেতে বিয়ের পোশাক তৈরি করিয়েছিল। লাউডিস বললেন, তা আমরা জানি।

    পোশাকটা তাঁর খুব পছন্দ ছিল।

    তাও জানি, বলল ফাওলিন।

    আমি প্রথমে এ পোশাকটা হেলেনকে পরাতে চাই। তার ওপর কালো বস্ত্রে পেঁচিয়ে হাত, পা, মাথাবিহীন মানুষে পরিণত করতে চাই।

    লাউডিস বললেন, তা কি গোপন থাকবে?

    আমরা তো এখানে তিনজনই। তার প্রিয় জিনিস সঙ্গে দিতে আমাদের আগ্রহী হওয়া উচিত।

    কী বলো, ফাওলিন?

    দিদি, আমার মনে হয় চমৎকার হবে।

    বেশ, তাই করো মা।

    এরা দেবীর বস্ত্রতুল্য বিয়ের পোশাকটি পরিয়ে দিলেন। শর্মিলা তাদের সহযোগিতা করলেন। স্ট্রেটোনিস এবং ফাওলিন বিয়ের সবগুলো গয়না পরিয়ে দিলেন। শর্মিলা এ দৃশ্য দেখে চোখ মুছলেন। সবার মধ্যে সে আবেগ ছড়িয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ এরা স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। পরে আবেগ বুকে চাপা রেখে দিদাইমেইয়ার দেওয়া স্বর্ণমুদ্রাটি হেলেনের দুঠোটের মাঝখানে ভেতরে স্থাপন করলেন। তারপর কালো কাপড় জড়িয়ে শবদেহটিকে তিনজনে মিলে ভালোভাবে কালো রশি দিয়ে পেঁচিয়ে হাত, পা ও মাথাবিহীন মানবশরীরে রূপান্তরিত করলেন। এখন এটিকে মমি বলে মনে হলো। মমিপ্রতিম দেহটি এক দিনের জন্য নির্জন কক্ষে রেখে বের হয়ে এলেন এঁরা দরজা ভালোভাবে বন্ধ করে।

    যুবরাজ নিজের তত্ত্বাবধানে বড় একটি স্বর্ণপাতে দিদাইমেইয়ার তৈরি করে দেওয়া একটি স্মারকলিপি উৎকীর্ণ করালেন। তাতে লেখা আছে—

    ‘হে গোর দেবতা হেইডেস, এখানে যে নারী শুয়ে আছেন, তিনি পুণ্যবতী। এই জগতের কোনো পাপ তাঁকে স্পর্শ করে নি। জগতের কোনো লোভ তাঁকে পঙ্কিলতার মধ্যে ডুবিয়ে দেয় নি। তিনি শ্রেণিমতো সবার ভালোবাসা পেয়েছেন, সবার মন জয় করেছেন। হেইডেস, তুমিও নিশ্চয়ই তাঁকে ভালোবাসবে। কবরজগতে তাঁকে সুরক্ষা করবে। জগতের মানুষ যা দিতে পারে নি, তুমি তাঁকে সে সমৃদ্ধ পরকাল উপহার দেবে। তোমার জন্য আমরা তাঁর সঙ্গে যে উপহারসামগ্রী পাঠাব কিংবা তোমার উদ্দেশে উৎসর্গ করব, তাতে তোমার সন্তুষ্টির কারণ থাকবে। পার্সিফেনিকে যেভাবে তুমি অপহরণ করেছিলে এবং যে কারণে পার্সিফেনি প্রেতলোকের রানি, তাঁকেও ভক্তি করি আমরা, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাও আমাদের কম নয়। মৃতের সঙ্গে দেওয়া উপহারসামগ্রীতে তাঁরও সন্তুষ্টি থাকবে। হে অন্ধকার জগতের শাসনকর্তা, হেলেন সেখানে তোমার আনুকূল্য পাবে, এ প্রত্যাশা আমরা করতেই পারি। হে পরকালের রানি পার্সিফেনি, আমাদের দেবতা অ্যাপোলোও পছন্দ করত তোমায়, তার বংশধর হেলেন এখন তোমার সাম্রাজ্যে। জানি তুমি অ্যাপোলোকে ফিরিয়ে দিয়েছ, হেলেনকে ফেরাবে না। তোমাকে না পাওয়ার বেদনা কাব্য হয়ে গেছে, সংগীতের সুরে তুমি অ্যাপোলোর বেদনা হয়ে আছ, সে প্রত্যাখ্যাত ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার সময় হয়েছে তোমার। দেবতা হেইডেসকেও নিয়ন্ত্রণ করো তুমি। এ নিয়ন্ত্রণের পরিধি হেলেনের প্রতি ভালোবাসা পর্যন্ত বিস্তৃতি পাক। সুখে রেখো তাঁকে।

    ইতি

    হেলেনের নিকটজন।

    যুবরাজের তত্ত্বাবধানে স্টেলেস শোটি তৈরি করেছে ভবদানব। উপাদান ও থিম সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত দিয়েছেন দিদাইমেইয়ারা। এখন বিদায়ী করমর্দনটা বেশি চলছে, বললেন ফাওলিনের বাবা। এখানেও একটা চেয়ারে বসে বিদায়ী করমর্দন করছেন হেলেন ও চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। হেইডেস ও পার্সিফেনি আড়াল থেকে দেখছেন। মূর্তির স্মৃতিফলক। কিন্তু তাতেও শৈল্পিক একটি দিক আছে। আর তা হলো দেবতাদের ভালোবাসায় জবরদস্তি। চন্দ্রগুপ্ত তা অনুমোদন করে দিলেন।

    সরোজ পটুয়া মৃৎপাত্র, তাম্রপাত্র এবং স্বর্ণপাত্রে কতগুলো পটচিত্র এঁকেছে। ধারণাগুলো দিয়েছেন কিউকেকাস। এমফোরা পিলহট, ডেকর, মিশুয়ান ও ডিসঝেকটা মেমরা কোনোটাই বাদ যায় নি। দেবতা হেইডেস ও পার্সিফেনির খুশি হওয়ার মতো চিত্রও রয়েছে। চিত্রগুলোর জাত বা প্রকরণ যা-ই হোক না কেন, ফিগার এবং কবরজগতের আবহ সৃষ্টি অনন্যসাধারণ হয়েছে। ইকফোরা জ্যামিতিক ছবিতে রয়েছে অনেকগুলো ফিগার এবং দেবতাদের নানা দেহভঙ্গি। একটি পটচিত্রে পার্সিফেনিকে নিয়ে হেইডেসের পালিয়ে যাওয়ার চিত্র আছে। কেন যেন সরোজ কিউকেকাসের পরামর্শের বাইরে হেলেন ও চন্দ্রগুপ্তের একটি রোমান্টিক ছবি এঁকে দিয়েছে। এ চিত্রটার দিকে চন্দ্রগুপ্ত অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। সবার দৃষ্টি তাঁর ওপর গিয়ে যেন আটকে গেছে।

    কিউকেকাস এ নিবিষ্টতা ভঙ্গ করে বললেন, সম্রাটকেই ফিউনেরাল ভাষণ দিতে হবে। আমরা ভাষণটি তৈরি করে রেখেছি। ভারতীয় ভাষায় তা অনুবাদ করতে হবে। আর সম্রাট যদি চান গ্রিক ভাষায়ও দিতে পারেন। ভাষণটি সম্রাটের হাতে তুলে দেওয়া হলো।

    অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার শোভাযাত্রা (শবযাত্রা) এবং প্রোথেসিসের স্তবগানের বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হলো যে প্রোথেসিসে গ্রিক আঙ্গিকে স্তব বা শোকগান করা হবে। শবযাত্রায় একই গানের সুর বাজবে নিখিলের বাঁশিতে। আর বিউগলের বিহ্বলের সুর ধ্বনিত হবে শুধু মরদেহকে সামরিক সম্মান জানানোর সময়। এ জন্য নিখিলকে স্তবগানটি গেয়ে শোনানো হলো। চীনা শিল্পী তা দেখে মহড়ায় নিজেও অংশ নিলেন। হাতে তাঁর বারো ছিদ্রের ঐতিহ্যবাহী হাড়ের বাঁশি। রাবণহাথার সংগীতগুরু স্তবসংগীত পরিচালনা করতে চান। তাঁদের তিনজনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলো।

    সমাধিসৌধটা এখনই নির্মাণ করা যাচ্ছে না, সময়ের ব্যাপার। তবে এর নকশা করা হয়ে গেছে। কবরটা খোদাই করা হয়েছে বেশ বড় আকারে। ট্রয়ের যুদ্ধের এক নায়ক আগামেমননের সমাধিসৌধে অনেকের সঙ্গে তাঁরও স্বর্ণ মুখোশ, তরবারি এবং ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিসপত্র পাওয়া গেছে। পটারিও ছিল। ফাওলিনের পিতা বললেন, কবরটা ওই রকম আয়তনের হয়েছে, যাতে উৎসর্গ করা দ্রব্যগুলো সহজে সাজিয়ে রাখা যায়।

    নকশাটা দেখালেন কিউকেকাস। অনেকটাই রাজা ফিলিপ দুইয়ের সমাধিসৌধের মতো। বললেন, ফিলিপের সমাধিতে অ্যাপোলোর একটি মূর্তি পাওয়া গেছে। এই দেবতার প্রতি তাঁর বিশেষ ভক্তি ছিল। মনে করার সংগত কারণ আছে যে এন্টিওকাস (সেলুকাসের পিতা) তাঁকে প্রভাবিত করেছিলেন। দিদাইমেইয়া বললেন, অ্যাপোলোর মূর্তি এখন আমরা কোথায় পাব? মুদ্রায় অবশ্য তাঁর চিত্র আছে। ফিলিপের স্বর্ণমুদ্রায়। স্ট্রেটোনিস বললেন, তাঁর কাছে সে মুদ্রা আছে। পিতা দিমিত্রিয়াস এক জন্মদিনে উপহারস্বরূপ দিয়েছিলেন তাঁকে।

    পটের মধ্যে প্রতিটিতে আলাদা আলাদাভাবে উৎসর্গ-উপচার সংরক্ষণ করা হলো। কোনোটিতে রাখা হলো দুধ, কোনোটিতে মধু, কোনোটিতে প্রিয়জনের রক্ত, কোনোটিতে এসবের মিশ্রণ, একটিতে মৌসুমের প্রথম ফল, একটিতে শুকনো ফল, একটিতে মদ, আরেকটিতে জল এবং সবশেষটিতে রাখা হলো শাকপাতা। বড় একটি পটে রাখা হলো অনেকগুলো সুবর্ণ মুদ্ৰা।

    .

    প্রাসাদের একটি কক্ষে শোকজ্ঞাপন শুরু করেছেন গ্রিক নারীরা। স্ট্রেটোনিস তাঁর চুল কেটে ফেলেছেন। কারণ, তিনি প্রধান শোকপালনকারী। ছিন্ন কালো পোশাক। অন্যান্যদেরও তাই। রীতিসিদ্ধ। এ শোকজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে মৃতদেহকে ঘিরে স্ট্রেটোনিস ছাড়া আরও শোক করছেন দিদাইমেইয়া, লাউডিস, ফাওলিন ও হারমিজ। কণ্ঠে তাঁদের শোকের স্তবসংগীত। ছিন্নবস্ত্রে তাদের বক্ষদেশ প্রকাশিত। দেহ ঘর্মাক্ত। চুল সিক্ত। ঘামে ভিজে কারও কারও বস্ত্র শরীরে লেপ্টে গেছে। স্তবসংগীতের সুরের সঙ্গে অশ্রু ঝরছে সবার চোখ থেকে। সব সময় এ রকম হয় না। শোকটা থাকে কালো বস্ত্রে, স্তবসংগীত ও গাম্ভীর্যের আনুষ্ঠানিকতায়। এবার এমন হওয়ার কারণ আছে। এঁরা এখানে এসেছেন নিজেদের দেশ ছেড়ে। যাঁর কাছে এলেন, তিনিই সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর প্রতি আলাদা মায়া ও ভালোবাসা ছিল এ দূরদেশে। শোকে তাই অন্তর তাঁদের পাথর হয়ে যায় নি, গলে ঘাম আর অশ্রু হয়ে ঝরছে। প্রোথেসিস বলে খ্যাত এ শোকজ্ঞাপন অনুষ্ঠান যেন শেষ হওয়ার নয়। এঁরা এমন এক স্তরে উঠে গেছেন, যেখানে ঐকান্তিক নিয়মাচার প্রাত্যহিক জগৎ থেকে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। মানবসত্তার এ এক নতুন রূপ। মমির মতো মরদেহটাকে ঘিরে বৃত্তাকারে এমনভাবে ঘুরছেন এঁরা, মনে হচ্ছে নিজেদের ওপর তাঁদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

    ইলিয়াডে হোমার লিখেছেন, প্রোথেসিস বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা হচ্ছে মানবজাতির জন্য সম্মান, আর না করা অসম্মান। যাঁর জন্য এ অনুষ্ঠান, তাঁর কিছু এসে যায় না, তিনি তখন সবকিছুর ঊর্ধ্বে। যারা তাঁকে সম্মান জানাল, এরা যেন নিজেদেরই সম্মানিত করল।

    .

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য তাঁর কারাগারে যত নারী বন্দী আছে, সবাইকে মুক্ত করে দিলেন। পরকালে হেলেনের মঙ্গলার্থে প্রচুর দানও করলেন। সাম্রাজ্যের সর্বত্র শোক ঘোষণা করলেন। প্রতিদিন সম্রাটের প্রাসাদের সামনে অসংখ্য মানুষের সমাগম হতে শুরু করল। প্রজাসাধারণের বিশ্বাস, সম্রাজ্ঞীর অকালমৃত্যু তাঁদের জন্য ভয়াবহ দুর্যোগের আগাম বার্তা। তাই এ মৃত্যুতে তাঁদের উৎকণ্ঠার শেষ নেই

    উৎকণ্ঠায় আছেন মহামন্ত্রী চাণক্যও। তাঁর উৎকণ্ঠা অন্য কারণে। অমরাবতী থেকে ফেরার পথে সম্রাটের সঙ্গে অনভিপ্রেত ব্যবহারের জন্য তাঁর উদ্বেগ বাড়ছে। এ ছাড়া মৌর্য সাম্রাজ্য এখন সবচেয়ে বড় সংকটে। তিনি সংকট মোকাবিলার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। আচার্য ভদ্রবাহুর সঙ্গে সব সময়ই সাম্রাজ্যের শুভ-অশুভ বিষয় এবং নিজের ব্যক্তিগত ব্যাপারেও মতবিনিময় করেছেন। এখন তিনি চলে যাচ্ছেন। সাম্রাজ্যের সামনে অনেক বড় দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি। মহামন্ত্রী সত্যিই দিশেহারা। সম্রাজ্ঞীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার চেয়ে সাম্রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি চিন্তিত। তাই তিনি গেছেন আচার্য ভদ্রবাহুর কাছে। উদ্দেশ্য আচার্যের দাক্ষিণাত্যে গমন ঠেকানো এবং দুর্ভিক্ষের বিষয়ে আলোচনা। আরেকটি ব্যাপারও আছে। সম্রাটের মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা এবং সাম্রাজ্যের কাজে মনোযোগ দেওয়া এ মুহূর্তে চিন্তার অতীত। কাউন্সেলিং প্রয়োজন। একমাত্র আচার্যই পারেন বুঝিয়ে-শুনিয়ে সম্রাটকে মানসিক বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করতে এবং সাম্রাজ্যের কাজে মনোযোগী করে তুলতে। মহামন্ত্রীর আরেকটা সমস্যা আছে। বরাহ মিহিরের প্রেতকে ভয়। আচার্য চলে গেলে তাঁকে কে রক্ষা করবেন?

    আচার্য ভদ্রবাহু চাণক্যের আগমনে খুশি। দীর্ঘদিন পর পেয়েছেন। এদিকে সম্রাজ্ঞীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পাশাপাশি দক্ষিণে যাত্রার প্রস্তুতি চলছে। এ সময়ে চাণক্যকে কাছে পাওয়া অতিশয় আনন্দের বিষয়। আপনি না এলে আমিই যেতাম, আচার্য। আমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় তেমন ভূমিকা নেই, ব্যস্ততাও নেই। ব্যস্ততা আছে গুছিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে।

    আপনি যাবেনই?

    সিদ্ধান্তটা এ রকমই হয়েছে।

    স্থুলভদ্র যেতে পারত, যদি যেতেই হয়। নাকি আপনি নিজেই পালাচ্ছেন, বলে হাসলেন চাণক্য।

    স্থুলভদ্রকে পাঠাব ভেবেছিলাম। সে যেতে চাচ্ছে না। আচ্ছা, যুদ্ধজয়ের সংবাদ পেয়েছি, কোনো উৎসব হলো না কেন? ভেবেছিলাম সম্রাজ্ঞী যুবরাজসহ সবাই যাব অমরাবতীর বিজয় উৎসবে।

    সমস্যা হয়েছে। লোকটি মিথ্যে তথ্য দিয়েছিল। সে খুব খারাপ প্রকৃতির মানুষ। অন্ধ্রের আদিবাসী রাজা খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর নিয়মিত সেনাবাহিনী ছিল না, তার প্রয়োজনও নেই। কারণ, প্রজারা খুবই শান্তিপ্রিয় এবং নিজেরাই নিজেদের রাজ্য রক্ষা করে। তাদের প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে আমাদের সৈন্যরা। সম্রাট এতে অসম্ভব ক্ষুব্ধ। আমার ওপর তাঁর যত ক্ষোভ।

    তার অর্থ আবার দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

    তা একসময় দূর হয়ে যাবে। কিন্তু এখন তিনি রাজকার্যে মনোযোগ দেবেন বলে মনে হয় না। আপনার সাহায্য প্রয়োজন। এখন আপনি ছাড়া আমি কিছুই ভাবতে পারছি না। আপনি চলে গেলে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হবে।

    কারও জন্য কিছু থেমে থাকে না, আচার্য। সব ঠিক হয়ে যাবে।

    তবু বিষয়টা আপনাকে বিবেচনা করতে বলব। অথবা যাওয়ার সময়টা পিছিয়ে দিতে আপনাকে অনুরোধ করব।

    সম্রাটকে স্বপ্ন ব্যাখ্যায় উত্তেজিত করে দেওয়া বোধ হয় ঠিক হয় নি। কিন্তু স্বপ্ন তো সে কথাই বলছিল। তিনি হয়তো এ বিষয়েও কিছু একটা ভাবছেন, যা অনুকূল নয়।

    মহামন্ত্রী বললেন, বারো মাথার সর্প তো ঠিকই আসছে। ঠেকানো যায় কীভাবে?

    যুবরাজ ভালো কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি অভিভূত হয়েছি তার চিন্তাশক্তি দেখে। কিন্তু ফসল কম হয়েছে। সরবরাহ কম। দুর্গম এলাকায় খাদ্য পৌঁছাতে সময় ক্ষেপণ হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা খাদ্য মজুত করে রাখছে। এ ব্যাপারে আপনাকে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে, ও ছেলেমানুষ। আপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগান। এ ছাড়া বারো মাথার সর্প বারো হাজার মানুষের খাদ্য সমস্যা। এরা চলে গেলে সমস্যা থাকার কথা নয়।

    ঠিক এ সময়ই সম্রাজ্ঞী বিদায় নিলেন। সম্রাট ও যুবরাজ দুজনই খুব ভেঙে পড়েছেন।

    যুবরাজ সম্রাজ্ঞীকে মা হিসেবে অন্তর থেকে গ্রহণ করেছিল। সম্রাজ্ঞীর পরামর্শমতো কাজ করেছে। ভেঙে পড়ার কারণ এটাই।

    কাল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হয়ে যাওয়ার পর আপনাকে সঙ্গে নিয়ে সম্রাটের কাছে যেতে চাই। কাল নয়।

    এসব কথাবার্তা আরও পরে বলুন।

    তা ঠিক, আসলেই আমি খুব চিন্তিত।

    .

    বিন্দুসার গেছেন বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। খুব ভেঙে পড়েছেন তিনি। বললেন, বাবা, আমি খুব লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী, মাকে বাঁচাতে পারলাম না।

    সম্রাট বিন্দুসারের মাথায় হাত রেখে বললেন, তোমাদের কথা না শুনে বড় ভুল হয়ে গেছে, বিন্দু। ক্ষমাহীন সে ভুল। হেলেনকে বোধ হয় সে জন্যই হারিয়ে ফেলেছি।

    বাবা, জন্মের পর আমি আমার মাকে দেখি নি, মাকে আমি সত্যিই পেয়েছিলাম, ধরে রাখতে পারলাম না। এক দুর্ভাগা আমি। আমি যদি তাঁর কাছ থেকে দূরে থাকতাম, আপন মায়ের মতো করে না পেতাম, তিনি আমাদেরকে ছেড়ে যেতেন না। আমার দুর্ভাগ্যই মাতৃবিয়োগের কারণ।

    চন্দ্রগুপ্ত পুত্রকে বুকে টেনে নিলেন। ছোটবেলায় যেভাবে আদর করতেন, সেভাবে মাথা ও শরীরে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, সবকিছু বিধাতার ইচ্ছা, বিন্দু, সেখানে মানুষের হাত নেই মানুষ ভুল করে, পরিণামে সবাইকে তার শাস্তি ভোগ করতে হয়। আমার ভুলের শাস্তি আমি পাচ্ছি, এতে ক্ষতি নেই, কিন্তু কষ্ট হচ্ছে তোমার জন্য। তুমি জানো না, হেলেন যখন তোমার হয়ে কথা বলত, আমার মনটা শান্তিতে ভরে যেত। আজ চারদিকে শুধু শূন্যতা। বাবার কাজ বাবা করেন, মায়ের কাজ মা, বাবা কখনো মায়ের কাজ করতে পারেন না। তোমাকে আবার মা- হারা করে দিলাম আমি। একটু থেমে চন্দ্রগুপ্ত আবার বললেন, তুমি তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার যে আয়োজন করেছ, আমি তাতে খুব খুশি হয়েছি। আমার অবর্তমানে তুমি সাম্রাজ্য ভালোভাবেই চালাবে। হেলেন সে কথাই বারবার বলেছে। আমি তখন মুগ্ধ হয়ে তার কথা শুনতাম। বুদ্ধি ছাড়াও তার একধরনের অন্তর্দৃষ্টি ছিল। তাই সবকিছু ভালোভাবে বুঝত।

    আমিও তা-ই মনে করি, বাবা। দুর্ভিক্ষের আগমনবার্তা শুনে তাঁর পরামর্শে আমি প্রজাদের ডাকাই, এরা উল্টো পায়ের মানুষদের পুনর্বাসনে হইচই শুরু করে এবং বলতে থাকে, এদের লোকালয়ে নিয়ে আসাই দুর্ভিক্ষের কারণ। এ রকম একটা স্পর্শকাতর বিষয়কেও তিনি দারুণভাবে মোকাবিলা করলেন এবং প্রজাদের বুঝিয়ে দিলেন যে এটা কুসংস্কার, বাস্তব ঘটনা হচ্ছে, এবার অতিখরার কারণে ফসল কম হয়েছে। সরবরাহে ঘাটতির জন্য এ খাদ্যসংকট, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি, সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রজারা শান্ত হয়ে চলে গেল। তাঁকে এরা বিশ্বাস করত, শ্রদ্ধা করত, তারা জানে, সম্রাজ্ঞী মিথ্যে আশ্বাস দেওয়ার মানুষ নন।

    এ রকম আস্থা অর্জনে সময় লাগে বাবা, নানা পরীক্ষা দিতে হয়। সেসব পরীক্ষায় তোমার মা উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, আমি চাই তুমি তার পথ অনুসরণ করো। প্রজাদের আস্থা বড় জিনিস, তা অর্জন যেমন শক্ত, রক্ষা করাও তেমনি কঠিন

    বাবা, একটি কথা। মার আত্মীয়স্বজনরা এসেছেন। এদের বড় দুঃসময়। সব সময় মন খারাপ করে থাকেন। আপনি কি আলাদাভাবে এঁদের সঙ্গে কথা বলবেন? এঁরা অবশ্য এখন শোকজ্ঞাপন করছেন আনুষ্ঠানিকভাবে।

    আজ রাতে আনুষ্ঠানিক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলব। সে সময় বলব তাঁরা যেন এ সাম্রাজ্যেই থেকে যান। যদি একান্ত না থাকতে চান, এঁরা যেখানে যেতে চান, সসম্মানে সেখানে পৌঁছে দিতে হবে। আলোচনাকালে তুমি থাকবে।

    .

    বিন্দুসার চলে যাওয়ার পর মন্দাকিনীকে ডাকলেন চন্দ্রগুপ্ত। মন্দাকিনীর হাতে কিউকেকাসের দেওয়া খসড়া ভাষণটা দিয়ে বললেন, দেখো এটা, আমি কিছু পরিবর্তন করতে চাই তাতে। মন্দাকিনী ভাষণটা পড়ে নিজের অজান্তেই দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলল। পরে বলল, কী পরিবর্তন করতে চান, বলুন সম্রাট।

    তুমি তো সবই জানো, আমাদের সম্পর্কের শুরু থেকে। চিঠিগুলো দেখে উল্লেখযোগ্য অংশগুলো উদ্ধৃত করো। বাকিটা আমি দেখছি।

    এ সময় মেগাস্থিনিস এসে উপস্থিত হলেন। তাঁকেও ডেকে পাঠিয়েছিলেন চন্দ্রগুপ্ত। চন্দ্রগুপ্ত খসড়াটা মেগাস্থিনিসের দিকে এগিয়ে দিতে গেলে মেগাস্থিনিস বললেন, এটা আমি দেখেছি। আমি তাদের বলেছিলাম, ইলিয়াডে হোমার যে দুটো ফিউরেনাল অরেশনের অবতারণা করেছেন, সেগুলো একবার দেখে নিতে। অবসর নেওয়া দুই জেনারেল বললেন, ওটা তো যুদ্ধ মহাকাব্য, এখানে তা প্রাসঙ্গিক নয়। ওরা জানে না। মহাকাব্যটা আমার সঙ্গে ছিল। আমি বের করে নিয়ে এসেছি। পেট্রোক্লাসের ব্যাপারটা প্রাসঙ্গিক নয় মানছি, কিন্তু হেক্টর পত্নীর অরেশনটা খুবই প্রাসঙ্গিক। মহামান্য সম্রাট, আপনি তা দেখে নিতে পারেন। বলে মহাকাব্যটা এগিয়ে দিলেন। এতে হেক্টর পত্নী বলেছেন, ও ও হেক্টর, কিছু ব্যাপার আছে তোমার উদ্দেশ্যে বলবার। আমরা তো একই অবস্থায় জন্মেছি, তুমি ট্রয়ে প্রায়ামের প্রাসাদে, আমি থিবিসের কাষ্টপর্বতে। ইশান আমার জন্মদাতা নন। রোগাভোগা দেখে আমাকে নিয়ে আসেন। তুমি এখন (গোরদেবতা) হেইডেসের গৃহে যাচ্ছ, যা পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন জায়গা। আর তুমি আমাকে দুঃখী বিধবা করে রেখে গেলে তোমার ঘরে। আমাদের অসুখী একটি শিশুসন্তান আছে, তার জন্য তুমি কিছু করতে পারলে না, না সে পারবে তোমার জন্য কিছু করতে।

    এ সময় আচার্য ভদ্ৰবাহু এলেন। অমরাবতী থেকে ফেরার পর তাদের সাক্ষাৎ হয় নি। তিনি বললেন, এ সময়ে এসে আলোচনায় বিঘ্ন ঘটাই নি তো?

    সম্রাট বললেন, না না। ভালোই হলো আচার্য, এসে গেছেন, না হয় আমিই যেতাম। মেগাস্থিনিস অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিষয়ে মহাকবি হোমারের ইলিয়াডে কী আছে, তা দেখাতে এনেছে

    আচার্য তা শুনে বললেন, ভালো জিনিস। তবে আমাদের রামায়ণেও আছে মেঘনাদের শেষ যাত্রায় রাবণ কী বলেছিলেন। মেঘনাদ পত্নী প্রমিলার কথাও আছে সেখানে।

    চন্দ্রগুপ্ত মন্দাকিনীকে বললেন, রামায়ণ নিয়ে তুমি একটু পরে এসো। আমি তাদের সঙ্গে কথা সেরে নিই।

    মেগাস্থিনিস বললেন, সম্রাট সেলুকাস নেই, সম্রাজ্ঞীও নেই, এখন আমার অবস্থান ও ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে কথা বলা দরকার।

    তা আজকেই কেন? অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর এ নিয়ে কথা বলব। এ সময়ে সেলুসিড সাম্রাজ্যের নতুন সম্রাটের মনোভাবটা জেনে নিন।

    তা ঠিক বলেছেন আপনি। শুনলাম আচার্য দাক্ষিণাত্যে চলে যাচ্ছেন। তাঁকে আমি এখানে থাকতে অনুরোধ করেছি।

    চন্দ্রগুপ্ত অবাক হয়ে বললেন, আচার্য?

    হ্যাঁ চন্দ্র, দূতপ্রবর ঠিক বলেছেন। বারো হাজার জৈনের একটি দল নিয়ে দাক্ষিণাত্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    চন্দ্রগুপ্ত বললেন, এ নিয়ে এখনই আমি কিছু বলতে চাই না। হেলেনের বিদায়ের পর কথা বলব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }