Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৩৯

    ৩৯

    গান্ধারা রাজপ্রাসাদে সম্রাজ্ঞী দুরধরা ভালোই আছেন। তক্ষশীলার নামীদামি বৈদ্যরা নিয়মিত তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। রাজবৈদ্য তো আছেনই। তারপরও তাঁর উৎকণ্ঠার শেষ নেই। কোনো একটি ব্যাপারকে কেন্দ্র করে তাঁর উৎকণ্ঠার সূচনা হয় এবং ক্রমে ক্রমে গাছপালার মতো শাখা- প্রশাখায় বিস্তৃতি ঘটায়। তাঁর আজকের উৎকণ্ঠার কারণ সামাণ্য। এই কয় দিন বড় উৎকণ্ঠায় সময় গেছে। তার যৌক্তিক কারণও ছিল। সম্রাট যুদ্ধক্ষেত্রে, সম্রাজ্ঞী উৎকণ্ঠিত থাকবেন, তা-ই স্বাভাবিক। গতকল্য তিনি মৌর্যদের প্রাথমিক বিজয়ের কথা শুনেছেন এবং জেনেছেন সম্রাট অক্ষত ও ভালো আছেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এত দিনের উৎকণ্ঠা দূর হলো বটে, কিন্তু সেস সংবাদ তাঁকে খুব আনন্দ দিল না।

    আজ বিষয়টা ভিন্ন। যে দূত সুসংবাদ নিয়ে এসেছে, সে মন্দাকিনীকে সঙ্গে নিয়ে যাবে, সম্রাটের এই নির্দেশ। মন্দাকিনী কেন যাবে? এ প্রশ্ন থেকেই উদ্ভুত উৎকণ্ঠা। সাধারণভাবে চিন্তা করলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। সম্রাটকে সব সময় ঘিরে রাখে সুন্দরী তরুণীরা! এরা তাঁকে নিরাপত্তা দেয়। এ ছাড়া সম্রাটের সেবায় আরও অনেক দাসী নিয়োজিত থাকে। সম্রাজ্ঞী নিজেও বুঝতে পারছেন না এই ইস্যুতে কেন তাঁর অস্থির লাগছে। দাসীদের তিনি তখন বিবস্ত্র গায়ে জল ঢালতে বলেন। এক ওঝা পাটালিপুত্রে ঝাড়ফুঁক করেছিল, এখন তিনি তাকে কোথায় পাবেন, তা ভাবতে গিয়ে ‘ছৈরতাড়না’ আরও বেড়ে গেল।

    চাণক্যের গোয়েন্দা নির্জলা দুদিন আগে এসেছিল। সম্রাজ্ঞীর প্রধান দাসীর সঙ্গে তার খুব ভাব। কথায় কথায় জানিয়েছিল, গ্রিক সম্রাটের এক কন্যা আছে। মৌর্য তাঁকে দেখেছেন।

    কোথায় দেখেছেন?

    তা তো বলতে পারি না।

    এতে কী হয়েছে?

    সম্রাজ্ঞী দুরধরাকেও এভাবে দেখে বিয়ে করেছিলেন।

    প্রধান দাসী বলল, এ দেখার সঙ্গে সে দেখার পার্থক্য অনেক। মাথা থেকে তা দূর করে দাও। গোয়েন্দারা মাথা থেকে কিছু দূর করে না। তবু সে আর এ নিয়ে কথা বলে নি। প্রধান দাসী এটুকু কথাই দুরধরার কানে তুলেছিল। সে বীজ যে অঙ্কুরদ্‌গমে পরিণত হয়েছে, মন্দাকিনীর যুদ্ধশিবিরে যাওয়ার সংবাদে তা টের পাওয়া গেল। সম্রাজ্ঞী অবশ্য এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছেন না। এত দাস-দাসীবেষ্টিত থেকেও চন্দ্রগুপ্তের কোনো চারিত্রিক দুর্নাম নেই, দুরধরার এই হচ্ছে সম্রাটের প্রতি অগাধ বিশ্বাস। তারপরও মানুষের মন বলে কথা। কখন কী মর্জি হয়, কে জানে?

    .

    এদিকে সম্রাট মহামন্ত্রী, প্রধান সেনাপতি ও প্রতিটি বাহিনীর কর্মাধিকারিকদের নিয়ে পরিকল্পনা সভায় বসেছেন। যুদ্ধে বিজয়লাভের পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব-নিকাশ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ন এ সভার উদ্দেশ্য।

    সম্রাট বললেন, গ্রিকরা পাহাড়-জঙ্গলে আশ্রয় নিয়ে বসে থাকবে না, গুপ্ত আক্রমণ শানাবে! তাই এ পর্যায়ে আমাদেরও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে হয়। তার আগে জানা দরকার আমাদের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এদের ক্ষতির পরিমাণই-বা কত।

    মহামন্ত্রী চাণক্য কর্মাধিকারিকদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, প্রথমে তোমরা বলো।

    নৌজাহাজের অধিকর্তা (অ্যাডমিরাল) বললেন, নৌবাহিনীর তেমন ক্ষতি হয় নি। গ্রিকরা নৌযুদ্ধের জন্য কোনো ঝুঁকি নেয় নি। মনে হয় নৌযুদ্ধের পরিকল্পনা ছিল দ্বিতীয় পর্যায়ে।

    সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পদাতিক বাহিনীর, বলে একটা হিসাব দিলেন কর্মাধিকারিক (জেনারেল), নিহত পঞ্চান্ন হাজারের কিছু বেশি। তবে এ ক্ষেত্রে গ্রিকদের সংখ্যা ষাট হাজারের কাছাকাছি। আহত প্রায় ত্রিশ হাজার।

    হস্তী মারা গেছে এক শ আশিটি। আহত দেড় শতাধিক। গজারোহী সৈন্য মারা গেছে প্রায় দুই হাজার। অশ্বারোহী সৈন্য নিহত হওয়ার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে। অশ্বযান ব্যবহারকারীসহ প্রায় এগারো হাজার। গ্রিকদের উনিশ হাজারের বেশি। অশ্ব মারা গেছে দুই পক্ষ মিলিয়ে প্রায় সাড়ে আট হাজার। অশ্বারোহী তির, সারিসা, বল্লম এবং অন্যান্য অস্ত্রের আঘাতে নিহত হওয়ার পর সওয়ারিবিহীন ঘোড়াকে কেউ আঘাত করে নি। কারণ, ঘোড়া কাদের, যুদ্ধের মাঠে তা চিহ্নিত করা শক্ত হয়ে পড়ে। এগুলোকে মৌর্য অধিকারে আনার পর শনাক্ত করা হচ্ছে। একই কারণে স্বতন্ত্রভাবে মৌর্যদের কত অশ্ব খোয়া গেছে, তা নির্ণয় করতে সময় লাগছে। লরি ও রথীদের ভাষ্য, ষাঁড়ের গুঁতোয় অনেক গ্রিকের মৃত্যু হয়েছে। রথ চূর্ণ করে দেওয়ার ফল এটি। ষাঁড়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ চালিয়েছে। এতে পাল্টা আক্রমণে দুই শ নিরানব্বইটি ষাঁড় মারা গেছে। রথী মারা গেছে আট শর কিছু বেশি। গুপ্ত সম্রাটদের যেমন তির-ধনুক, তেমনি ষাঁড় হচ্ছে মৌর্যদের জাতীয়তার প্রতীক।

    আহত পশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বললেন সম্রাট। আহত সৈনিকদের চিকিৎসা যুদ্ধের ময়দান থেকেই শুরু হয়েছে। সম্রাটের রাজকীয় বাহিনীর হস্তী এবং অশ্বরা বিশেষ গুরুত্ব পেল চিকিৎসার ক্ষেত্রে। বিশেষ করে হস্তী আয়ুর্বেদ। তখন বেশ রাজকীয় গৌরবের আসনে হস্তী আয়ুর্বেদ।

    সম্রাট এবারে মহামন্ত্রী চাণক্যকে পরবর্তী পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা জানাতে বললেন।

    যুদ্ধের ধরন এখন পাল্টাতে হবে, সম্রাট। পার্বত্য এলাকা থেকে এদের নামিয়ে আনার কৌশল উদ্ভাবনই প্রথম কাজ। এখন আমাদের সমস্ত বাহিনীকে যুদ্ধে নামানোর দরকার নেই। আমাদের সেনারা শুধু প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় থাকবে। গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে হবে। খোঁজখবর নিয়ে বাকি ব্যবস্থা। কৌশল ও পরিকল্পনাটা আপনাকে পরে জানাচ্ছি। এ নিয়ে ব্যাপক চিন্তাভাবনার প্রয়োজন আছে।

    সম্রাট বললেন, আচ্ছা।

    সম্রাট যেন কী নিয়ে খুব ভাবছেন, মাঝেমধ্যেই তাঁর মানসিক অনুপস্থিতি টের পাওয়া যায়। চাণক্যের ব্যাপারটা দৃষ্টি এড়াল না। তাঁর মনে হলো, সম্রাটের আধ্যাত্মিক অনুশীলন (কাউন্সেলিং) প্রয়োজন। এ ব্যাপারে অবশ্য সম্রাটকে কিছু বললেন না।

    প্রধান সেনাপতিকে নিয়ে চাণক্য নিজের ছাউনিতে গেলেন। প্রথমেই নির্দেশ দিলেন, যুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে না, এমন পশুগুলোকে বিষ দিয়ে হত্যা করো। প্রধান সেনাপতি বললেন, সম্রাট চাচ্ছেন চিকিৎসা।

    চিকিৎসা হবে যেগুলো ব্যবহারযোগ্য। অন্যগুলোর চিকিৎসা, খাদ্য ও পরিচর্যা ব্যয় বহন করার কোনো অর্থই হয় না। যা বলছি করো। সম্রাটের তা জানার দরকার নেই। আরেকটা বিষয়, বলে একটু থামলেন, পরে বললেন, গ্রিক সৈন্যদের ব্যবহৃত যেসব পোশাক, শিরস্ত্রাণ, বর্ম, জুতা, সমর আভরণ ও যুদ্ধাস্ত্র পাওয়া গেছে, সবগুলো আমার কাছে জমা দাও।

    এগুলোর কী প্রয়োজন, মহামন্ত্ৰী?

    প্রয়োজন আছে। সুবন্ধু, তুমি এগুলো বুঝে নেবে। এমনকি তাদের ফেলে যাওয়া পতাকাও। সুবন্ধু বুঝতে পারছেন না এগুলো দিয়ে কী হবে।

    সবাইকে না জানিয়ে চাণক্য আরেকটি কাজ করলেন, তিনি ভদ্রবাহুকে পাটালিপুত্র থেকে নিয়ে আসার জন্য লোক পাঠালেন এবং দুই লাইনের একটি পত্র লিখলেন :

    আচার্য,

    সিন্ধু উপত্যকার উদার ও মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি আপনার উপস্থিতি কামনা করছে। আমি প্রতীক্ষায় আছি।

    চাণক্য।

    .

    সেলুসিড শিবিরেও প্রাথমিক পরাজয়ের কারণ ও যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্রাট সেলুকাস উত্তেজিত। প্রস্তুতি ও পরিকল্পনায় ঘাটতি ছিল বলে তাঁর বিশ্বাস। তাঁর জেনারেলরা মুখ ভার করে বসে আছেন। ক্রুদ্ধ সম্রাট কথার বাণ ছুড়ছেন তাঁদের দিকে। তোমাদের ব্যর্থতা সব পরাজয়ের ইতিহাসকে ম্লান করে দিয়েছে। মহাবীর আলেকজান্ডার বেঁচে থাকলে লজ্জায় মরে যেতেন। আহত-নিহত সৈন্যদের তোমরা ফেলে এসেছ। গ্রিক ও সেলুসিড পতাকা পর্যন্ত ফেলে দিয়ে এসেছ। পতাকার সম্মান আর নিরাপত্তাবোধ তোমাদের নেই। যুদ্ধে পশ্চাদপসরণ করার নির্দেশ সম্রাটই দিয়েছিলেন। কিন্তু এ কথা বলবে কে? যিনি বলবেন, তাঁর দিকে কথা সারিসার আঘাত আসতে থাকবে অনবরত। তাই সবাই চুপ। এ বয়সে সম্রাটের প্রায়ই ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ব্যবহারের মধ্যে শালীনতা থাকে না। পরে অবশ্য শান্ত হয়ে যান। জেনারেলরা তা দেখে অভ্যস্ত। কথা সারিসার আঘাত সয়ে সয়ে এঁরা ওই সময়টার জন্য অপেক্ষা করেন।

    কাঙ্ক্ষিত সময়টা এল। জেনারেল ফিলেকাস সাহস করে বললেন, মহামান্য সম্রাট, আমরা আমাদের দায় স্বীকার করছি। এই পরাজয়ের ব্যর্থতা আমাদের। এ জন্য আপনি যে শাস্তি দেবেন, আমরা তা মাথা পেতে নেব। তার আগে আমরা একটা সুযোগ চাই, আপনার নির্দেশ চাই, মৌর্য সম্রাটকে আপনার পদতলে এনে ফেলতে চাই, যেভাবে রাজা পুরুকে মহাবীর আলেকজান্ডারের পদতলে ফেলেছিলেন আপনি। সে গৌরবময় অধ্যায়ের পুনরাবৃত্তি চাই।

    জেনারেল ফিলেকাসের এ বক্তৃতায় অন্য জেনারেলরা চাঙা হয়ে উঠলেন। সম্রাটের চেহারায়ও ভাবান্তর দেখা গেল।

    আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আমরা পেছনে সরে এসেছি, আত্মসমর্পণ করি নি। তাদেরও ক্ষয়ক্ষতি কম হয় নি।

    এ কথা বলে আবার বক্তব্য শুরু করলেন জেনারেল ফিলেকাস। আমাদের জওয়ানেরা যুদ্ধের মাঠে শত্রুসৈন্যদের ওপর বীরের মতোই ঝাঁপিয়ে পড়েছে। সূর্যাস্ত অবধি মরণপণ যুদ্ধ করে গেছে। প্রাণ দিয়েছে। পরাজয় মেনে নেয় নি। আমাদের যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করা কৌশলমাত্ৰ। যুদ্ধ শেষ হয় নি, যুদ্ধ শেষ হবে মৌর্যদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। আমরা আবার সর্বশক্তি নিয়ে ওদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ব। এবারে শর্ষেফুল দেখবে ওরা, জানবে কত ধানে কত চাল। আপনি শুধু নির্দেশ দিন, মহামান্য সম্রাট।

    ফিলেকাস লক্ষ করলেন, সম্রাট কাবু হয়ে গেছেন। বক্তৃতার মাঠ এখন তাঁদের দখলে। অন্য জেনারেলরাও কথা বলার জন্য উসখুস করছেন।

    লাউডিসের স্বামী জেনারেল কিউকেকাস বললেন, মহামান্য সম্রাট, হস্তীবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমাদের প্রজেইসিং যোদ্ধাদের নেই। আমরা ভাবতেও পারি না এত বড় এক হস্তীবাহিনী নিয়ে চন্দ্রগুপ্ত সমরে লিপ্ত হবেন। আপনার মনে থাকার কথা, রাজা পুরুরও ছিল গজারোহী সৈন্য, আপনার অধিনায়কত্বে সহজেই তাদের হারিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এখন আমাদের কৌশল উদ্ভাবন করতে হবে কেমন করে বিশাল এ বাহিনীকে পর্যুদস্ত করা যায়। ওদের সৈন্যসংখ্যা আমাদের প্রায় দ্বিগুণ। আমাদের কাতুইকোই সৈন্যরা বেশ অদক্ষ, যুদ্ধক্ষেত্রে তা প্রমাণিত হয়ে গেল। তাদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। বরাবরের মতোই আমাদের অশ্বারোহী বাহিনী দারুণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। পদাতিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি বেশি, আমার মনে হয়, সেলুসিড যুদ্ধকৌশল রপ্ত করতে আরও দুয়েকটি যুদ্ধে তাদের পরীক্ষা দিতে হবে। আমাদের আধুনিক যুদ্ধকৌশলের কাছে মৌর্যরা পরাজিত হবেই। সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

    এখন আমরা সুবিধাজনক অবস্থানে আছি। এ দেশের প্রকৃতি আমাদের হয়ে যুদ্ধ করছে ওদের বিরুদ্ধে। পাহাড়-জঙ্গলের জন্য ওরা আক্রমণ করে আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। আমরাই বরং আক্রমণ করলে ওদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে পারব, বললেন ফিলেকাস।

    সম্রাট প্রশ্ন করলেন, এভাবে কত দিন অপেক্ষা করব আমরা?

    আমাদের প্রস্তুতি শেষ হলেই সমতল ভূমিতে নেমে পড়ব। তবে মাঝেমধ্যে ত্বরিত আক্রমণ করে ব্যতিব্যস্ত করে রাখব তাদের। বুঝতেই দেব না আমরা কী মহাপরিকল্পনা করছি এবং আমাদের সৈন্যসংখ্যা কত।

    বেশ, তাই করো। জেনারেল কিউকেকাস বললেন, মহামান্য সম্রাট, সম্রাট টলেমির কাছে সৈন্য সাহায্য চাওয়া যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখতে পারেন।

    সম্রাট বললেন, তুমি ভালো কথা বলেছ। কিন্তু তিনিও তো নানা চাপে আছেন। তাঁর নৌসেনারা বেশি দক্ষ। আমাদের প্রয়োজন পদাতিক আর অশ্বারোহী সৈন্য। আমাদের অনুরোধে যদি সৈন্য পাঠানও, নিয়মিত বাহিনীর কাউকে পাঠাবেন না। এরা এখন নানা ফ্রন্টে আছে। পাঠাবেন অনিয়মিত বাহিনীর ক্লেবুচোই সদস্যদের। এরা আমাদের কাতুইকোইয়ের মতোই। এ ছাড়া আসতে অনেক সময় লেগে যাবে। যা করার আমাদেরই করতে হবে। বাহিনীগুলোকে সংগঠিত করো। আর অ্যাপোলোর কাছে প্রার্থনা করো।

    ফিলেকাসের একটি কথা প্রায় ঠোঁটের কাছে এসে ফিরে গেছে। তিনি এন্টিওকাসের কথা বলতে গিয়ে বলেন নি। জেনারেল হিসেবে খুবই নামডাক ছিল তাঁর। প্রাদেশিক শাসক হিসেবে একটি বাহিনীও আছে তাঁর। সেলুকাস প্রতিজ্ঞা করেছেন, এই ছেলের কাছ থেকে কোনো সাহায্য নেবেন না। ফিলেকাসের মনে হয়েছে, সিদ্ধান্তটা ভুল।

    সম্রাট ফিলেকাসদের বললেন, যা ভুল হয়ে গেছে, তা থেকে শিক্ষা নাও, পরিকল্পনা করো, কল্পনাপ্রবণ হও এবং স্বপ্ন দেখো। তিন দিনের মধ্যে আমি একটি লাগসই পরিকল্পনা চাই। আর চাই শত্রুদের খোঁজখবর, পাঠাও গোয়েন্দাদের। কাতুইকোই সৈন্যদের শাণ দাও। আর ভুল চাই না।

    .

    চাণক্যের সামরিক গোয়েন্দারা সেনাপতি সদাচারের ওপর নজর রেখেছিল। যুদ্ধে আন্তরিকভাবেই মরণপণ লড়াই করেছেন তিনি। তবে তাঁর যুদ্ধ সংস্কৃতি ছিল একান্তই নিজস্ব। তাঁর ব্যক্তিত্বের কাছে মৌর্যদের হাবাগোবা প্রধান সেনাপতিও নস্যি।

    চাণক্য ব্যাপারটিকে তাঁর ভাবনার মধ্যে রাখলেন। তিনি নিজেও সেদিন এ সৈনিকের ব্যক্তিত্বের পরিচয় পেয়েছেন। হঠাৎ করেই তাঁর মাথায় একটি ফন্দি এল। তিনি এ সেনাপতিকে কাজে লাগাবেন। খবর পাঠালেন তিনি সেনাপতিকে।

    সুবন্ধু বললেন, আচার্য, আপনি তাঁকে কোথায় পাঠাচ্ছেন?

    সে পার্বত্য রাজার সেনাপতি ছিল। পার্বত্য যুদ্ধকৌশল ভালো জানার কথা। আলাপ করে দেখি।

    সেনাপতি সদাচার চাণক্যকে অভিবাদন জানিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন।

    চাণক্য বললেন, যুদ্ধে তোমার নৈপুণ্যে আমি মুগ্ধ। আমার মনে হচ্ছে সেদিন তোমাকে শাস্তি দিলে আমি ভুল করতাম। এখন তোমাকে একটি বড় দায়িত্ব দেব বলে ভাবছি।

    আপনার সদিচ্ছা আমাকে ভালো পথ দেখাবে। আপনার মূল্যায়নে আমি অনুপ্রাণিত।

    পার্বত্য যুদ্ধে তোমার ভালো অভিজ্ঞতা আছে বলে আমার ধারণা। গ্রিকরা পাহাড়-জঙ্গলে অবস্থান নিয়েছে। বলো, এ মুহূর্তে কি আমাদের এদের আক্রমণ করা উচিত?

    না, তাতে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে। আমাদের উচিত হবে এদের অবস্থান-এলাকাটি চিহ্নিত করা। তারপর এদের ঘিরে ফেলা তিন দিক থেকে।

    তিন দিক থেকে কেন?

    একদিক খোলা রাখতে হবে, যাতে এরা বের হতে পারে। বের না হতে পারলে মরণকামড় দেবে। বের হওয়ার সুযোগ দিলে বের হওয়ার পথে তাদের সৈন্যদের হত্যা করা সহজ হবে।

    বের হওয়ার পথে অতিরিক্ত সৈন্য আসার সুযোগও তো থেকে যায়।

    তা যায়। সেখানে আমাদের সৈন্যরা দুই পাশে অপেক্ষমাণ থাকবে। শুধু বের হতে যাওয়া সৈন্যদের নয়, যারা আসতে চাইবে, এদেরও নিঃশেষ করা যাবে।

    এলাকাটা অনেক বড়।

    কিছুকাল ঘিরে রাখলে এরা বের হয়ে আসতে বাধ্য হবে। খাদ্য সরবরাহের প্রয়োজন আছে।

    বেশ, তোমার কাজ হলো এদের অবস্থান এলাকাটা ঘুরে দেখে মতামত দেওয়া। তোমার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোদ্ধা নিয়ে যাও। আমি প্রধান সেনাপতিকে বলে দিচ্ছি।

    পর্বতরাজের সৈন্যরা আমার সঙ্গে থাকলে কাজটা সহজ হবে।

    বেশ, তা-ই হবে।

    সেনাপতি সদাচার চলে যাওয়ার পর সুবন্ধু বললেন, পর্বতরাজের সৈন্যদের তার সঙ্গে দিলে এরা পক্ষ ত্যাগ করতে পারে।

    আমার তা মনে হয় না। এ ছাড়া আমাদের সৈন্যরাও তার সঙ্গে থাকবে। তবে আমি ভয় পাচ্ছি অন্য জায়গায়। বর্তমান প্রধান সেনাপতি পদ হারাতে পারে, যা শুভকর হবে না। গাধার পিঠে চড়া সহজ, তেজি ষাঁড়ের পিঠে চড়তে গেলে গুঁতো খেতে হয়। তাই পূর্বের সিদ্ধান্তটাই কার্যকর করে ফেলব কি না ভাবছি।

    কী সিদ্ধান্ত, আচার্য?

    সেদিন তাকে মুক্তি দিয়েছিলাম তার অধীন বিরোধী সৈন্যদের হাতের মুঠোয় আনার জন্য। এরা এসে গেলে তাকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সে যুদ্ধে ভালো করেছে। না হয় যুদ্ধক্ষেত্রেই শেষ করে দেওয়া হতো।

    এ কথা শুনে সুবন্ধু হেসে দিলেন।

    হাসছ কেন তুমি?

    তাকে আপনি বিশ্বাস করে পাঠাচ্ছেন শত্রুদের অবস্থান জানতে।

    সেখানেও তার মৃত্যু হতে পারে। ধরা পড়লে বিশ্বাসঘাতককে ওরা রক্ষা করবে না। তুমি প্রধান সেনাপতিকে সংবাদ পাঠাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }