Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৭৯

    ৭৯

    মেগাস্থিনিসকে পাটালিপুত্রের কথা বলা হয়েছিল। তাই তিনি পাটালিপুত্রে এসে পড়েছেন। যদিও সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী তক্ষশীলার গান্ধারা রাজপ্রাসাদে তখনো অবস্থান করছেন।

    পাটালিপুত্র নগরী দূর থেকে স্বপ্নপুরীর মতো মনে হয়। দূর থেকে মেগাস্থিনিসের কাছে মনে হলো নগরীটি অপূর্ব এক চিত্রকর্ম। নানা রং আর ভাবনার সংমিশ্রণ তাঁকে কাছে আসতেই যেন নিয়ে গেল কবিতার রাজ্যে। অর্ধেক বোঝা যায়, অর্ধেক বোঝা যায় না। মেগাস্থিনিস ঘোড়া ঘুরিয়ে একটু পেছনে গেলেন। তাঁর সঙ্গী দোভাষী ঘোড়ায় তাঁর পেছনে বসে আছেন। জিজ্ঞেস করলেন, কোনো কিছু কি পড়ে গেছে?

    না। কী অসাধারণ শিল্পকর্ম, একটু পিছিয়ে গিয়ে আবার দেখতে চাই। আমার দেখা আশ্চর্য এক নগরী এটি।

    রাজপ্রাসাদ দেখলে তো আপনার মাথা ঘুরে যাবে।

    নিশ্চয়ই তা দেখার সুযোগ হবে। আমি আজ তোমাকে নিয়ে শুধু নগরীটা ঘুরে ঘুরে দেখব। একটি তোরণে এসে তাঁর আরও বেশি অবাক হওয়ার পালা। সঙ্গীটি বলল, এখানে নয়, আপনাকে চারটি প্রধান ফটকের একটিতে যেতে হবে।

    চারটি প্রধান ফটক? কেন?

    তা আমি বলতে পারব না। এখানে চারটি প্রধান ফটকের পাশাপাশি আরও ষাটটি ফটক বা তোরণ আছে।

    এগুলোর একটি আমি দেখছি।

    হ্যাঁ, তাই।

    চৌষট্টি তোরণ বা ফটক এ নগরীর?

    হ্যাঁ, তাই।

    অবাক করলে তুমি। চৌষট্টিটা কেন?

    ভারতবর্ষে চৌষট্টি একটা গৌরবময় শব্দ। যেমন চৌষট্টি কলা, চৌষট্টি কামকলা, চৌষট্টি পাপড়ি, চৌষট্টি পাখরি (পদ্মপাপড়ি) এসব আরকি।

    তার রহস্য কী?

    আমি বলতে পারব না, পণ্ডিত আচার্য চাণক্য বলতে পারবেন।

    তিনি আবার কে?

    মহামন্ত্ৰী।

    আচ্ছা। মহামন্ত্রী পণ্ডিত হলে তো এই সাম্রাজ্য ভালো চলছে না। পণ্ডিতেরা ভালো প্ৰশাসক হয় না। তা ছাড়া পণ্ডিতদের আমি কম পছন্দ করি। এরা বেশি কথা বলে। কিন্তু সম্রাটের শিল্পরুচি আছে। তাঁকে আমি পছন্দ করলাম। গগনস্পর্শী বড় বড় টাওয়ার দেখছি। এগুলো কী?

    এ রকম পাঁচশ সত্তরটা টাওয়ার আছে। কাছে না গেলে আপনি ভাবতেই পারবেন না এগুলো কীভাবে এত সুন্দর করে সাজানো হলো।

    দেখব, নিশ্চয়ই দেখব। চলো প্রধান ফটকে যাই।

    প্রধান ফটকে দোভাষী দৌবারিককে বুঝিয়ে বলল, ইনি গ্রিক রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূত তখন কষ্টি পাথরের প্রধান ফটক দেখছিলেন।

    দৌবারিক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল তাঁকে। পরে বলল, সম্রাটের কোনো ফরমান আছে? দোভাষী কথাটি বুঝিয়ে দিল মেগাস্থিনিসকে। তিনি সেলুসিড সম্রাটের ফরমান, যা গ্রিক ও ভারতীয় সংস্কৃতে লেখা, তা বের করে দেখালেন।

    দৌবারিক ফরমানটা নিতে চাইল। মেগাস্থিনিস তা দিলেন না, বললেন, আমি তা সম্রাটকে দেখাব!

    দৌবারিক বলল, তাহলে অপেক্ষাকক্ষে বসতে হবে।

    দোভাষী মেগাস্থিনিসকে নিয়ে ফটকের পাশেই উত্তমরূপে সজ্জিত কারুকাজ করা কাষ্ঠনির্মিত অপেক্ষাকক্ষে গেল। কক্ষটি কাঠের প্রাচীরের একটি অংশ। মেগাস্থিনিস দৌবারিকের কথায় বিরক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু কক্ষে প্রবেশ করে তাঁর বিরক্তি ভাবটা কেটে গেল। কাঠে এত কারুকাজ তিনি জীবনেও দেখেন নি। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকলেন।

    দোভাষী বলল, এখানে নিয়ম হলো, বাইরে থেকে কোনো রাজ্যের দূত এলে তাঁকে প্রথমে মহামন্ত্রীর কাছে নিয়ে যেতে হয়।

    মন্ত্রী? পণ্ডিত চাণক্য?

    তিনি অনুমতি দিলেই তবে সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্ভব। তবে আপনার অনুমতি হয়ে যাবে। সম্রাট সেলুকাসের সঙ্গে এখন আমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক।

    এঁরা বসে আছেন অনেকক্ষণ হলো। দৌবারিক ফিরে আসছে না। এখন মেগাস্থিনিস আবার বিরক্ত হচ্ছেন। কিন্তু তা দোভাষীকে বুঝতে না দিয়ে বললেন, এসব স্থাপত্যকর্ম আমাকে অবাক করছে। তুমি বলতে পারো ফটকের কষ্টি পাথরের এ কাজটা কে করেছেন?

    দোভাষী বলল, এটা আমার জানা উচিত ছিল, কিন্তু আমি জানি না।

    আমার কী মনে হয়, জানো, যে এ কাজটি করেছে, তার গ্রিক শিল্পস্থাপত্য সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে।

    হতে পারে।

    হতে পারে কেন? আমি একেবারে নিশ্চিত। দৌবারিক আসছে না কেন?

    মনে হয় পণ্ডিতাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারে নি। পণ্ডিত সব সময় ব্যস্ত থাকেন, কাউকে সহজে সাক্ষাৎ দেন না।

    পণ্ডিতেরা বাস্তববর্জিত অহংকারী মানুষ হয়। তাদের আমি পছন্দ করি না।

    এ সময় দৌবারিক ফিরে এসে সংবাদ দিল যে আজকে মহামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে না। তিনি খুব ব্যস্ত আছেন। গ্রিক দূত পঞ্চবটি অতিথিশালায় থাকবেন। সেখানে তাঁকে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ কথা শুনে দোভাষীর চেহারায় পরিবর্তন এল। এটি তৃতীয় সারির একটি অতিথিশালা। মহামন্ত্রী কেন এখানে তাঁকে রাখতে চাইলেন, বুঝতে পারা গেল না। তাই দোভাষীর চেহারায় চিন্তার ঢেউ খেলে গেছে।

    দোভাষীর মন খারাপ হলেও মেগাস্থিনিসের অতিথিশালাটি পছন্দ হলো। এত সুসজ্জিত অতিথিশালায় তিনি আগে কখনো ছিলেন না। এ ছাড়া পাঁচটি বটবৃক্ষের মাঝখানে নির্মিত বলে পরিবেশটাও তাঁর ভালো লেগে গেল। এই ভালো লাগা নিয়ে মেগাস্থিনিস গুনগুন করতে করতে দোভাষীকে জিজ্ঞেস করলেন, সম্রাটের সঙ্গে কি কালই সাক্ষাৎ সম্ভব? আগে তো মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হবে।

    দোভাষী বলল, সম্রাট তো পাটালিপুত্রে নেই, তিনি এখন তক্ষশীলার গান্ধারা প্রাসাদে আছেন।

    মনে হলো মেগাস্থিনিস আহত হয়েছেন। বললেন, আমার উচিত ছিল জেনে আসা সম্রাট এখন কোথায় আছেন। আমার কি এখন গান্ধারা প্রাসাদে যাওয়া উচিত?

    সম্রাট দুয়েক দিনের মধ্যেই এখানে চলে আসবেন।

    তাহলে আমাকে অপেক্ষা করতে হবে। অসুবিধে নেই। এখানকার পরিবেশ আমার ভালো লেগেছে।

    .

    দিদাইমেইয়া এসেছেন এক দিন আগে। এখন ভদ্রবাহুর সঙ্গে গল্প করছেন রাজকীয় জৈন মন্দিরে। ভদ্রবাহুকে তাঁদের খুব পছন্দ। ঋষিপুরুষ অথচ সবাইকে মাতিয়ে রাখেন। পাটালিপুত্রের সৌন্দর্য তাঁদের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছে। ভদ্রবাহু বললেন, নগরীর সৌন্দর্য সৃষ্টির সব কৃতিত্ব আচার্য চাণক্যের। সম্রাজ্ঞীর আগমনকে তিনি সৌন্দর্যে আর সুবাসে ভরিয়ে দিতে চান। একসময় চন্দ্রের অভিভাবক ছিলেন তো, তাই সে মনোভাবটা এখনো রয়ে গেছে। ভারতীয় সংস্কৃতিতে পুত্রবধূ বরণের একটি দীর্ঘ ঐশ্বর্যময় ঐতিহ্য রয়েছে। আচার্যের মাথায় বোধ হয় তা-ও ঘুরপাক খাচ্ছে।

    দিদাইমেইয়া বললেন, তাঁর কিছু রূপ গান্ধারা প্রাসাদেও দেখেছি।

    নিকোমেডেস বলল, তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তাঁর একটি ছিল কৌশলে কর্নেলিয়াকে জব্দ করা। এটি সে রকম কোনো কৌশলের অংশ কি না কে জানে।

    ভদ্রবাহু বললেন, মনে হয় তাঁর মনোভাবে পরিবর্তন এসেছে। তিনি সম্রাট-সম্রাজ্ঞীকে খুশি রাখতেই চাইবেন। প্রিন্সেসের ব্যাপারটা তাঁকে যথেষ্ট বিব্রত করেছে।

    তিনি সংসারী নন? তাঁর স্ত্রী-সন্তানরা কোথায়?

    তিনি সংসারী। আমার মতো সংসারবিরাগী নন। স্ত্রী আছেন। কন্যাও আছে। তবে পণ্ডিতদের বেলায় যা হয়, স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের মতো সম্পর্ক নেই। উচ্চ পরিবারের সন্তান ব্রাহ্মণীর সঙ্গে খটমট লেগেই থাকে। তাঁকে জব্দ করার জন্য কিছু দুষ্ট লোক তাঁর কিশোরী কন্যাকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এ নিয়েও দুশ্চিন্তা আছে তাঁর।

    দিদাইমেইয়া লাউডিসের দিকে তাকিয়ে বললেন, আমাদের সক্রেটিস। ঘরে শান্তি নেই, বাইরে বিশাল দার্শনিক।

    সক্রেটিসের কথা আমি শুনেছি। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নয়, দর্শনের কথা জানি।

    নিকোমেডেস ভাবল, এখন দর্শন নিয়েই কথা হবে। উঠে পড়া উত্তম। ফাওলিনকে চোখে ইশারা করল এবং উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমরা একটু মন্দির এলাকাটা ঘুরেফিরে দেখি।

    হারমিজ বলল সে-ও যাবে।

    ভদ্ৰবাহু শর্মিলাকে ডেকে তাঁদের সঙ্গে পাঠালেন।

    হারমিজের কাছে শর্মিলাকে বিদঘুটে লাগলেও ক্রমে ভাব হয়ে গেল। মন্দিরের সৌন্দর্য তাঁদের আকৃষ্ট করল। ভবদানব একেও তার হাতের ছোঁয়ায় স্বর্গীয় করে তুলেছে। সেলুসিয়া কিংবা গ্রিসে এ রকম নান্দনিক স্থাপত্যশিল্প চোখে পড়ে না। ভাস্কর্য আছে জগদ্বিখ্যাত। নিকোমেডেস মিসরে দেখে এসেছে ফারাওদের কীর্তি। সে তুলনা করতে পারে। স্থাপত্যে দুটি দেশ বেশ এগিয়ে। মিসরের পিরামিডকে সে এগিয়ে রাখে।

    তবু নান্দনিক এ মন্দির তাঁদের এখানে আটকে রাখতে পারল না, নিকোমেডেস ও ফাওলিন বের হয়ে বাইরে ঘুরতে চায়। নিকোমেডেস বলল, শর্মিলা, চলুন বাইরে বাগানে বেড়াই।

    শর্মিলাকে দেখলেই ফাওলিনের ভেতর এক অজানা ভয় কাজ করে। মন্দিরেই তো ভালো ছিল। সেখানে অনেকেই আছে। ঋষিতুল্য সন্ন্যাসীরা আছে। লোকজনের অনেক সমাগম। কোথায় যেন ভরসা কাজ করে।

    বাগানে বেড়াতে বেড়াতে শর্মিলা বললেন, ফাওলিন দিদিকে দেখে আমার চোখ জুড়িয়ে গেছে। আমি যা কল্পনা করেছিলাম, তার চেয়েও সুন্দর তিনি।

    নিকোমেডেস মজা করে বলল, তাই নাকি?

    শর্মিলা বললেন, দিদি দেখো, তোমার সৌন্দর্যে আস্থা নেই দাদার।

    ফাওলিন সিরিয়াস। মজা বুঝবার মতো অবস্থা তার নেই। তারপরও নিজেকে সামলে নিয়ে হাসল। বলল, তোমার পাশে চাঁদও হার মানে। তাই আমার সৌন্দর্য নিকোর দেখার কথা নয়।

    একটা কাজ করো, দিদি, তুমি আর দাদা বাগানটা ঘুরে ঘুরে দেখো। আমি হারমিজকে নিয়ে তার ভালো লাগবে, এমন কিছু জিনিস দেখাই। কি হারমিজ, রাজি তো?

    বাগানটি সুদৃশ্য গাছগাছালিতে পরিপূর্ণ। আচার্য ভদ্রবাহু দূরদূরান্ত, বিশেষ করে পুণ্ড্রবর্ধন থেকে চারা এনে এই বাগান সৃজন করেছেন। রাজকীয় বাগানটি তার পাশেই। এ বাগানের সঙ্গে সংগতি রেখে তা সৃজন করা হয়েছে। ঔষধি বৃক্ষ থেকে শুরু করে সব রকম ফুল-ফলের গাছ রয়েছে। তবে এখানে গোপন একটি ব্যাপার আছে, কেউ লক্ষ করলে দেখবে, ‘কল্পসূত্রে’ ক্ষত্রিয়াণী ত্রিশূলা স্বপ্নে যেসব বৃক্ষ ও ফুল-ফলের গাছ দেখেছেন, এখানে সেসব বৃক্ষেরই বাগান সৃজিত হয়েছে। তিনি যদি এ বাগানের নাম ‘কল্পসূত্র বৃক্ষ উদ্যান’ দিতেন, তাহলে তা যথার্থ হতো।

    বৃক্ষ উদ্যানে হাঁটতে হাঁটতে নিকোমেডেস ফাওলিনের হাত ধরল। ফাওলিন হাত ছাড়িয়ে নিল। নিকোমেডেস আবার হাত ধরে পাশ থেকে সামনে এসে মুখোমুখি দাঁড়াল। বলল, তুমি কথাটা কি ঠিক বলেছ? কেন ওকে সহ্য করতে পারো না? সে খুবই বুদ্ধিমতী সন্ন্যাসিনী। ওর সঙ্গে এমনটা করা উচিত হয় নি।

    আমি সবাইকে ছেড়েছুড়ে এখানে এসেছি তোমার কাছে। আমি কেন তোমাকে অন্য কারও হাতে তুলে দেব, আমি এতটা মহৎ নই।

    তোমাকে কেউ বলেছে তুলে দিতে?

    বলে নি, তবে বলবে, তার পূর্বাভাস আমি পেয়েছি। মেয়েরা সব বুঝতে পারে।

    ফাওলিনের কথা শুনে নিকোমেডেস হেসে দিয়ে বলল, তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না?

    বিশ্বাস না করলে এত দূর কেন এলাম? তবে আচার্য কৌটিল্য যে অর্থশাস্ত্রে বলেছেন, জিহ্বার নিচে মিষ্টি রেখে কেউ যদি বলে, আমি মিষ্টির স্বাদ পাই নি, তা বিশ্বাস করতে হবে?

    নিকোমেডেস উচ্চ একটা হাসি হেসে বলল, এ কথা। এরপর চিবুক ধরে মুখটা ওপরে তুলে বলল, দেখো তো, এ চোখে কাকে দেখা যায়?

    মনে তো দেখা যায় না, সেখানে কবরস্থান।

    দেখাতে হবে?

    না দেখলে বুঝব কেমন করে?

    তুমি না মাঝেমধ্যে একদম ছেলেমানুষ হয়ে যাও। চলো বসি কোথাও।

    পাথর দিয়ে মাঝেমধ্যে বসার এবং ধ্যান করার জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় পদ্মাসনের ভঙ্গিতে দুজনই মুখোমুখি বসে পড়ল। নিকোমেডেস বলল, এবার চোখ বন্ধ করো। শুনেছি ভারতীয় সন্ন্যাসীরা নাকি চোখ বেঁধে রাখে, ক্রেজি কেউ কেউ চোখ অন্ধ করে দেয় মনের চোখে দেখার জন্য। মনের চোখে মন দেখা যায়। তুমিও চেষ্টা করো। আমিও করছি।

    তুমি কেন? আমি তো পাশেই আছি। কাকে দেখার জন্য তোমার ধ্যান?

    আমিও তো তোমার পাশে আছি, আছি না?

    শর্মিলা হারমিজকে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মন্দিরসীমানা পার হয়ে রাজ উদ্যানে চলে এলেন। এ উদ্যানটি রাজপ্রাসাদ-সংলগ্ন। এ উদ্যানে একটি জলধারা বহমান রয়েছে। বহু প্রাচীন এটি।

    উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি। এটি প্রাকৃতিক নয়, মানবসৃষ্ট। উদ্দেশ্য, গ্রীষ্মে রাজপ্রাসাদকে শীতল এবং শীতে উষ্ম রাখা। সম্রাট-সম্রাজ্ঞী এখানে নিরিবিলি সময় কাটাতে আসেন গ্রীষ্ম বা শীতে। এখন বসন্তকাল, প্রায় সব গাছেই ফুল ফুটেছে, স্নিগ্ধ বাতাস প্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে।

    এই জলের ধারার কাছে এসে শর্মিলা হারমিজকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। বিব্রত হওয়ার মতো ফাওলিনের কথাটা মনে ঘুরপাক খেলেও ছোট্ট হারমিজকে বেশ মানিয়ে নিয়েছেন। এ ফুল দেখাচ্ছেন, ও ফুলের নাম জিজ্ঞেস করছেন, গ্রিসে পাওয়া যায় যেসব ফুল, এগুলোর নাম জিজ্ঞেস করছেন। পাখিদের উড়াল, কিচিরমিচির উপভোগ করছেন। পাখিদের নাম জিজ্ঞেস করছেন। এতে বেশ মজা পাচ্ছে হারমিজ।

    .

    অতিথিশালা থেকে দোভাষীকে নিয়ে রাজকীয় বৃক্ষ উদ্যানে বের হয়েছেন মেগাস্থিনিস। জলধারার ওপর এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটা সাদা বককে অনেকক্ষণ যাবৎ দেখছেন। দোভাষী বকটির নাম বলল। মেগাস্থিনিস তা উচ্চারণের চেষ্টা করলেন কয়েকবার। শেষবার তাঁর চোখ গেল কিছুটা দূরে প্রবহমান জলের ভেতর একটি প্রতিবিম্বের ওপর। প্রথমে তাঁর মনে হলো এটি দেবী আফ্রোদিতের মূর্তি। প্রতিবিম্ব অনুসরণ করে চোখ একেবারে কপালে উঠে গেল। একজন জীবিত মানবী দাঁড়িয়ে ঠিক ভেনাস বা আফ্রোদিতের ভঙ্গিতে, দিগম্বর দেহসৌষ্ঠব। মাথার চুলের অগ্রভাগ দিয়ে লজ্জাস্থান ঢাকা। নিজের চোখকে বিশ্বাস হচ্ছিল না। বেশ কিছুক্ষণ পর হারমিজের ওপর চোখ গেল তাঁর। হারমিজকে তিনি চেনেন। সে এখানে কেমন করে এল? আর এই বিবস্ত্র ভেনাসের সঙ্গে করছেই-বা কী? তিনি আবার মানবীর দিকে তাকালেন। দাঁড়ানোর ভঙ্গিটা একই রকম। ত্রিভঙ্গমাত্রার। জলের ওপরের দাঁড়ানো মানুষটা ভাস্কর্যপ্রতিম হলেও জলের নিচের ছবিটা কাব্যিক। মৃদুমন্দ বাতাস জলে যে ঢেউ তুলছে, তাতে ছবিটার আলাদা একটা প্রবৃত্তি প্রকাশ পাচ্ছে। তবে তার সবটা বোঝা যাচ্ছে না, তার অশেষ আবেদনটা সেখানে।

    মেগাস্থিনিস ওই নারীমূর্তির কাছে যাবেন। দোভাষী বাধা দিয়ে বলল, ওরা সন্ন্যাসিনী। ওদের সঙ্গে কথা না বলা ভালো।

    আমি ওই ছোট্ট মেয়েটির কাছে যাব। মনে হয় ওকে আমি আগে কোথাও দেখেছি। দোভাষী মেগাস্থিনিসের পেছন পেছন গেল। মেগাস্থিনিস জানেন না এ নারীর সঙ্গে কীভাবে কথা বলবেন অথবা তাঁর বলা উচিত। তাঁর কথা বলতে হলো না। হারমিজই প্রথমে বলল, তুমি মেগাস্থিনিস না? আমাদের আগে চলে এসেছ?

    তুমি এখানে কেন? তুমি তো সেলুসিয়ায় ছিলে।

    এখানে বসন্ত উৎসব হবে। তাই আমরা আবার এলাম। নানা আসে নি, আমরা সবাই এসেছি।

    মেগাস্থিনিস লক্ষ করলেন, আফ্রোদিতেপ্রতিম নারীর চেহারায় কোনো সংকোচ নেই। একটা সপ্রতিভ ভাব। মনে হয় তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন। তার আগেই হারমিজ বলল, তিনি শর্মিলা। এখানকার মন্দিরে থাকেন। আমরা এ মন্দিরে এসেছি।

    আমরা?

    আমরা মানে জানো না? আমরা মানে আমি, আম্মু, নানু দিদাইমেইয়া, নিকো মামা আর ফাওলিন আন্টি।

    শর্মিলা বিশুদ্ধ গ্রিকে মেগাস্থিনিসকে স্বাগত জানালেন। মেগাস্থিনিসের বিশ্বাস হচ্ছে না, তিনি আসলেই কি দিগম্বর এ নারীর মুখ থেকে গ্রিক ভাষায় স্বাগত শব্দ শুনছেন? তারপরও নিজের পরিচয় দিলেন।

    শর্মিলা বললেন, আমরা আপনার আগমনবার্তা আগেই পেয়েছি। আচার্য ভদ্রবাহু আপনার আগমনের কথা আমাদের জানিয়েছেন। তবে তাঁর সঙ্গে আপনার দেখা হয় নি।

    আমি আচার্যের সঙ্গে দেখা করতে যাব। সেলুকাস আমাকে আচার্যের কথা খুব করে বলেছেন।

    কিন্তু এখন নয়।

    কেন?

    মহামান্য সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে তা সম্ভব নয়, সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই তা সম্ভব।

    আমি তো শুনেছি প্রথমে মহামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হবে, তারপর সম্রাট।

    আপনি ঠিক শুনেছেন। এটাই এখানে নিয়ম।

    আপনাকে পেয়ে ভালো লাগল। আরও ভালো লাগছে যে আমার কথা বলার মানুষ পাওয়া গেল।

    মেগাস্থিনিসের কথা শুনে শর্মিলা মৃদু হাসলেন।

    হারমিজ বলল, তুমি এখানকার ভাষা শিখতে চাইলে তাঁর সাহায্য নিতে পারো।

    তোমার পরামর্শ আমার মনে থাকবে।

    তাঁদের বৃক্ষ উদ্যানে বিলম্ব দেখে ভদ্রবাহুর টেনশন হচ্ছে। তিনি স্থুলভদ্রকে ডেকে বললেন, তুমি অতিথিদের একটু খোঁজখবর নাও। মনে হয় এরা মন্দির থেকে বের হয়ে বৃক্ষ উদ্যানে গেছে।

    নিকোমেডেস ফাওলিনকে বোঝানোর চেষ্টা করল, তার মনে ফাওলিন ছাড়া আর কেউ নেই। শর্মিলাকে সে সম্মান করে, শ্রদ্ধা করে, এই যা। বলল, তোমারও উচিত হবে ভদ্রবাহুর মতো শর্মিলাকেও সম্মান করা, বন্ধু বলে মনে করা

    এই বৃক্ষ উদ্যানে আরেকজন ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হলো। লোকটি নিজের নাম বরাহ মিহির বলে পরিচয় দিল। বলল, চলুন উদ্যানটি ঘুরেফিরে দেখাই। রাজকীয় উদ্যানে বাইরের কেউ আসার কথা নয়। সম্রাটের লোকই মনে হলো তাদের। এরা তাকে অনুসরণ করল। হঠাৎ করেই উদ্যানটিকে তাদের কুয়াশাচ্ছন্ন মরুভূমি মনে হলো এবং এরা অসুস্থ বোধ করল।

    এ সময় স্থুলভদ্র এসে উপস্থিত হলেন। তিনি বরাহ মিহিরকে দেখে চমকে উঠলেন। সমস্যা আঁচ করতে পেরে তাদের বরাহ মিহিরের কবল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলেন। পেছনের দিকে তাকালেন না পর্যন্ত। সংস্কার রয়েছে, তাতে অমঙ্গল হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }