Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৯৮

    ৯৮

    মেগাস্থিনিসের বিবরণ থেকে জানা যায়, আন্ধারেই নামে এক রাজা দাক্ষিণাত্যের অন্ধ্র শাসন করতেন। তিনি একজন শক্তিশালী উপজাতি অথবা আদিবাসী রাজা ছিলেন। তাঁর ছিল এক লক্ষ পদাতিক, দুই হাজার অশ্বারোহী এবং এক হাজার গজারোহী সৈন্য। তিনি মালভূমিতে অবস্থান করতেন।

    তাঁর বিরুদ্ধে মৌর্যরা সব শক্তি নিয়োগ করতে চেয়েছে। সেলুকাসের পরাজয়ের পর দীর্ঘ সময় মৌর্য সৈন্যরা অলস সময় পার করেছে। দাক্ষিণাত্য অভিযানে সবাই যেতে চায়। রাজধানী এখন অরক্ষিত রেখে গেলেও কোনো ক্ষতি নেই। কারণ, মৌর্যদের সাম্রাজ্য আক্রমণ করবে, এ রকম শক্তি আর আশপাশে নেই। তবু সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত পুত্রের কাছে সব বাহিনীর প্রায় দুই লক্ষ সৈন্যের একটি বড় সেনাবাহিনী রাজধানী এবং সম্রাজ্ঞী ও পুত্রের প্রতিরক্ষার্থে রেখে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখানে সুবন্ধু ও সেনাপতি সদাচার ভট্ট থাকবেন।

    চার লক্ষ সৈন্যের বিরাট বাহিনী যুদ্ধাভিযানে যাবে। কারণ, চাণক্য, চন্দ্রগুপ্ত ও ভদ্রবাহু সবাই চাচ্ছেন অভিযানটা সফল হোক এবং মৌর্য বাহিনী অবশ্যই জয়লাভ করুক। চাণক্য অভিযানটাকে অনিবার্য করে তুলেছেন যে কারণ দেখিয়ে, চন্দ্রগুপ্ত সে কারণ না জানলেও স্বপ্নজনিত আশঙ্কায় তিনি বেশি তৎপর, এ যুদ্ধে কোনো অবস্থায়ই পরাজিত হওয়া যাবে না। আচার্য ভদ্রবাহু সামনে একটা অশুভ ও ভয়ংকর কিছু আন্দাজ করছেন। মৌর্যদের পরাজয় কিংবা দুর্ভিক্ষ। তিনি এ ব্যাপারটায় নিশ্চিত হতে চান। জ্যোতিষী চর্চায় যে ফলাফল আসছে, তাতে মঙ্গল দেখছেন না। আসলে ব্যাপারটা কী, তা জানতে ধ্যানমগ্ন থাকছেন প্রায়ই। তাঁর নিশ্চিত হওয়া একান্ত জরুরি।

    চাণক্য গেছেন ভদ্রবাহুর কক্ষে। ভদ্রবাহু ধ্যান করছেন। তাই অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাঁকে। অবশ্য সংবাদ দিয়ে গেলেই ভালো ছিল। সেখানে দেখা হয়ে গেল মেগাস্থিনিসের সঙ্গে। মেগাস্থিনিসও অপেক্ষা করছেন সাক্ষাতের জন্য। মেগাস্থিনিস কূটনীতিক, চাণক্যকে পছন্দ না করলেও সামনাসামনি সৌজন্য দেখাতে ভুল করেন নি, দৃশ্যত সৌজন্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ। চাণক্য সে রকম সম্পর্ক বজায় রাখেন না। বিদেশিদের প্রতি, বিশেষ করে বিদেশি দূতদের প্রতি রাজার কী করা উচিত, এ সম্পর্কে অর্থশাস্ত্রে বিস্তর বয়ান লিপিবদ্ধ থাকলেও বাস্তবে তিনি কাজ করেন পছন্দ-অপছন্দের নিরিখে।

    মেগাস্থিনিস বললেন, আপনাকে ধন্যবাদ, মহামন্ত্রী, আপনি সেদিন মহামান্য সম্রাটের কাছে আমাকে বেশ উঁচুতে স্থান দিয়েছেন।

    সম্রাট যাঁকে পছন্দ করেন, মন্ত্রীরা তাঁর সম্পর্কে সম্রাটের কাছে উচ্চবাচ্য করবেন, তা স্বাভাবিক। চাণক্যও তা করেছেন একটা উদ্দেশ্য সামনে রেখে। কিন্তু আজকে বললেন ভিন্ন কথা। বললেন, দূতপ্রবর, আপনি এখানে আসার পর থেকে নিয়মরীতি ভঙ্গ করে চলেছেন। আপনাকে আমি ডেকে পাঠাতাম, ভালোই হলো, দেখা হয়ে গেল।

    আমি জানি না কোন নিয়মরীতি ভঙ্গ করেছি। আর করে থাকলে সম্রাটেরই আমাকে তা বলার কথা।

    সেদিন আপনি আমাকে না দেখিয়ে সম্রাটের কাছে সেলুকাসের পত্র হস্তান্তর করেছেন।

    আপনি সেলুকাসের নাম উচ্চারণের আগে ‘মহামান্য সম্রাট” বলুন। আপনার কথা শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। সম্রাটের পত্র আরেক সম্রাটের হাতেই দিতে হয়। আগে ভুল করেছি, এখন আর করব না।

    আপনি নুলো পর্বতের উল্টো পায়ের লোকদের নিয়ে সমস্যা পাকাচ্ছেন, যা করছেন, এটি আপনার কর্ম নয়।

    দেখুন, কোনো একটি বিষয় নিয়ে আমি অনুরোধ করতেই পারি, শোনা না শোনা সম্রাটের ব্যাপার।

    না, আপনি তা করতে পারেন না, দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আপনি অনুরোধ-উপরোধ করতে পারেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নয়। আপনি আপনার সীমা অতিক্রম করবেন না।

    আমি আমার সীমা জানি। আমি যে একজন সাধারণ দূত নই, তা আপনার জানা আছে। আপনাদের সন্ধির শর্ত বাদ দিলেও আপনার জানা দরকার, ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের কারণে সম্রাটের সঙ্গে আমার নৈকট্য সৃষ্টি হয়েছে। আমি এখন যেকোনো কথা সম্রাটকে বলতে পারি, সম্রাট তা পছন্দ না করলে বলব না।

    এ সময় ভদ্রবাহু এসে উপস্থিত হলেন। তাঁদের তর্কের ব্যাপারটি তাঁর কানেও গেছে। হেসে দিয়ে বললেন, তর্ক অনেক বিষয়কে পরিষ্কার করে তোলে। আমি শুনতে পারলে আমার কাছেও বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

    মহামন্ত্রী চাণক্য বললেন, তেমন কিছু নয়, আপনার সঙ্গে এ নিয়ে আমি পরে কথা বলব। মেগাস্থিনিস বললেন, তেমন কিছু নয়, সঠিক নয়, মহামন্ত্রী আমার কার্য, ইচ্ছা-অনিচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন। আমার কর্মসীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আমি পরে আবার আসব, আপনি মহামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন।

    আপনি বসুন। যদি মহামন্ত্রীর সামনে কথা বলতে না চান, ভেতরের কক্ষে চলুন। দরকারি কথা আগেভাগে বলে ফেলা ভালো।

    তেমন দরকারি কথা নয়, আচার্য। আপনার সঙ্গে গল্প করতে এসেছিলাম, এখন গল্প করার মতো অবস্থা আমার নেই। আমি পরে আসব।

    মন খারাপ করে যাবেন না, মাননীয় দূত। আচার্য চমৎকার মানুষ। কথা শক্ত বলেন, কিন্তু অন্তর বড় নরম, বলে হাসলেন।

    মেগাস্থিনিস চলে গেলে চাণক্য বললেন, একেবারে রদ্দি। বুদ্ধিমান সেলুকাস কেন যে তাঁকে পাঠালেন, আমি বুঝতে পারছি না।

    আমি দেখেছি আপনারা দুজন মেগাস্থিনিসকে বোকার হদ্দ বলেন, একজন মহাপণ্ডিত আচার্য চাণক্য, অর্থাৎ আপনি, আরেকজন লাউডিসের শিশু মেয়ে হারমিজ।

    শিশুরা সত্য কথাই বলে।

    মহাপণ্ডিতেরাও শিশু, বলে দুজন খুব হাসলেন।

    শিশুদের মতো ঝগড়া করি বলে? আচ্ছা, যে কথা বলব বলে এসেছি তা হলো, যুদ্ধের পরিকল্পনা চূড়ান্ত। একটা অনুলিপি আপনাকে দিয়ে যাচ্ছি। সম্রাট যেন কোনো অজুহাতেই অভিযানে পিছিয়ে না পড়েন অথবা বাদ না দেন।

    তারিখ নির্ধারণ হয়েছে?

    সেটি আপনার মতামতের ওপর নির্ভর করছে।

    আপনাদের পছন্দের সময় কোনটি?

    বর্ষাকাল বাদ দিয়ে বাকি সব সময়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।

    ব্রাহ্মণী কি তাড়া দিয়েছেন?

    তিনি তাঁর মতোই আছেন। তা থাকুন, দূরে থাকাই ভালো, কাজকর্মে সুবিধে।

    মেয়ের ব্যাপারে কোনো অনুযোগ?

    তা তো আছেই, আমারও তো একটা পিতৃহৃদয় আছে। আছে না?

    গোয়েন্দারা কোনো সন্ধানই পেল না?

    চেষ্টা করছে। এদের আন্তরিকতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। জানেন আচার্য, নানা কারণেই সংসারবৈরাগ্যটা মাঝেমধ্যে আমার মধ্যে অনিবার্য হয়ে ওঠে। মনে হয় লোক-সংসার ছেড়ে যাই।

    ‘সেখানেতে সর্বসুখ’, এই আপনার বিশ্বাস?

    সুখ না থাক, অশান্তি তো নেই।

    বাস্তবটা কী, আচার্য জানেন, মানুষ নিয়ে যেমন চলে না, মানুষ ছাড়াও চলে না।

    একটা বিষয়, হঠাৎ করেই চাণক্য বিষয়টার অবতারণা করলেন।

    ভদ্ৰবাহু বললেন, সম্ভবত বিশাখাকেও এ ব্যাপারটা আপনি বলেছেন। বিশাখা আমার সঙ্গে কথা বলেছে। শর্মিলা উপস্থিত ছিল। আচার্য, আমি শর্মিলাকে চিনি, ছোট থেকেই তাকে দেখছি। সে আমার সঙ্গেই থাকে। বিশাখাকে আমি যে কথা বলেছি, আপনাকেও বলি, তার ওপর আমার আস্থা আছে। সে মেগাস্থিনিসের দোভাষী, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। আমি চাই কাজটি সে করুক।

    আপনার এবং আমাদের কোনো গোপন তথ্য…

    চাণক্যের কথার মাঝখানে ভদ্রবাহু বললেন, সে কখনোই তা করবে না। আমরা যদি মেগাস্থিনিসের তথ্য…

    এবার চাণক্য বললেন, ঠিক কথা বলেছেন। আমার গোয়েন্দাগুলো কোনো কাজের না। আমার কথা শেষ হয় নি, আচার্য, তথ্য চাই, তাও সে দেবে না। আর আমি কখনোই তাকে এ কাজে লাগাব না। সে একজন সন্ন্যাসিনী, জৈন মন্দিরের সেবায়েত, তার বেশি কিছু নয়। প্রসঙ্গান্তরে বললেন, মিহিরের প্রেত কি সাক্ষাৎ দেয়?

    না না। বেশ নিশ্চিন্তে আছি, আপনার ওপর এসব চিন্তা ছেড়ে দিয়ে ভালো আছি।

    তাহলে সামনে যুদ্ধ। রাজা আন্ধারেই আসলে কি খুব ভয়ংকর? একজন উপজাতি রাজা এত শক্তিশালী হওয়ার কথা নয়, তার কি কোনো সহযোগী রাজা আছেন?

    একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে চাণক্য বললেন, গোয়েন্দাদের দিয়ে খবর নিয়েছি, খুব ভয়ংকর নয়। কিন্তু আমি এখন একটি যুদ্ধ চাচ্ছি। এভাবে আর কত? রাজা যুদ্ধ না করে বসে থাকবে, তা হয় না। রাজকোষ খালি। যুদ্ধ না করলে সম্পদ আসবে কোথা থেকে? তিনি প্রজাদের ওপর করারোপ একদম পছন্দ করেন না। এ ছাড়া…

    হেসে দিয়ে ভদ্রবাহু বললেন, আচার্য, আপনার পক্ষে যায়, এ রকম ঘটনা বাস্তবিকই ঘটছে। না হয় এ সময় সম্রাট দুঃস্বপ্ন দেখবেন কেন?

    চাণক্য বললেন, আপনি সহায়, বলে তিনিও হাসলেন। বড় নির্ভরতার হাসি।

    ফিরে যাওয়ার সময় চাণক্য উপলব্ধি করলেন, শর্মিলার ওপর তাঁর ক্রোধটা রয়ে গেছে। তাহলে কি গোয়েন্দা দিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবেন। কেউ তাঁর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলে তাকে ক্ষমা করেন নি কখনো। কিন্তু মাঝখানে যে আচার্য ভদ্রবাহু এবং একটি অলঙ্ঘনীয় ও অনিবার্য যুদ্ধ।

    .

    বিন্দুসার যুদ্ধে যাবেন না। কিন্তু যুদ্ধের বিষয়ে তিনি একেবারে নির্লিপ্ত নন। সম্রাজ্ঞী চাইছেন বিন্দুসার যুদ্ধবিদ্যায় বাস্তব কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করুন এবং তাঁর নিজের অবদান রাখুন। তাঁর বিশ্বাস, বিন্দুসারের দেওয়া মতামত সম্রাটের অনেক কাজে আসবে।

    সম্রাজ্ঞী বিন্দুসারকে নিয়ে সম্রাটের কাছে উপস্থিত হয়েছেন। সম্রাট তাঁর কর্মকক্ষের বারান্দায় পায়চারি করছেন। হাতে চূড়ান্ত যুদ্ধ পরিকল্পনা। খানিকটা উত্তেজনা কাজ করছে তাঁর মধ্যে। যুবরাজ পুত্র ও সম্রাজ্ঞীকে একসঙ্গে আসতে দেখে সম্রাট প্রীত বোধ করলেন। বললেন, ভালোই হয়েছে, তোমরা এসেছ। আমি তৃতীয় একটি পক্ষের সঙ্গে পরিকল্পনাটি নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন বোধ করছি।

    হেলেন বললেন, আর দুটি পক্ষ কে?

    সম্রাট বললেন, মহামন্ত্রী, সুবন্ধু এবং প্রধান সেনাপতির সঙ্গে কথা হয়েছে। এরাই মূলত যুদ্ধ পরিকল্পনাটি তৈরি করেছে। আচার্যের (ভদ্রবাহু) সঙ্গে পরামর্শ করেছি। তিনি যে উপদেশ দিয়েছেন, তা-ও মাথায় আছে। এখন পরিবার। পরিবারই হচ্ছে চূড়ান্ত অনুমোদনকারী।

    বিন্দুসার, তুমি পরিকল্পনাটি পাঠ করো এবং তোমার মতামত দাও, বললেন সম্রাজ্ঞী। আমি তোমার মতামতের গুরুত্ব দিই, আমার বিশ্বাস, সম্রাট তোমার মতামতের মূল্যায়ন করবেন।

    বিন্দুসার যুদ্ধ পরিকল্পনাটির ওপর চোখ বোলাতে থাকলেন। সম্রাজ্ঞী বললেন, সব যুদ্ধের ক্ষেত্রেই কি আপনি এমন গুরুত্ব দিয়েছেন?

    নন্দরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধ হয় নি, যার জন্য আমরা হেরে যাই। বিশ্বাস করো আর না-ই করো, একজন সাধারণ হতদরিদ্র মহিলা আমাদের ভুল ধরিয়ে দিয়েছিল।

    পরে তাকে পুরস্কৃত করেন নি?

    সে পর্বে এ রকম একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন শুধু আচার্য চাণক্য।

    তার মানে করা হয় নি।

    এখন হবে। এখন আমিই সিদ্ধান্তদাতা।

    পরামর্শ দাতারা না চাইলে?

    এখন পরামর্শ আমি শুনতে পারি, না-ও শুনতে পারি। একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও আমারই, বলে হাসলেন চন্দ্রগুপ্ত।

    বিন্দুসারের মেধা অত্যন্ত প্রখর। অতি দ্রুত পরিকল্পনাটায় ডুবে গেলেন। কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন, গোয়েন্দা তথ্যটা সঠিক বলে আমি মনে করি না।

    কোনটা, প্রশ্ন করলেন সম্রাট।

    একজন উপজাতি রাজার এত সৈন্যসামন্ত থাকতে পারে না। এ ছাড়া অর্থশাস্ত্রের নিরিখে পরিকল্পনাটা করা হয়েছে। এতগুলো যুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা কোথায়? অর্থশাস্ত্রের প্রায়োগিক বিষয় নিয়ে আমি তক্ষশীলায় প্রচুর বিতর্ক করেছি। আচার্য কৌটিল্যের সমসাময়িক এবং পূর্ববর্তী আচার্যদের মতামত প্রাসঙ্গিকভাবে এসে গেছে। যুদ্ধ পরিকল্পনা হবে বাস্তব প্রেক্ষিত বিবেচনা করে। শুধু গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভরশীলতা সব প্রয়োজন মেটাতে পারে না। আমি দেখেছি, সব কটি খাতে অতি-বরাদ্দের প্রবণতা। মহামন্ত্রী বলেছেন, দাক্ষিণাত্য সম্পদশালী অঞ্চল। সে সম্পদ আর্থিক খাতে সহায়ক জোগান হিসেবে কাজ করবে। গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করে প্রায় সাড়ে চার লাখ সৈন্যের বাহিনী অভিযানে যুক্ত করা হচ্ছে। এর ব্যয় নির্বাহের বাজেট লাগামহীন মনে হয়েছে আমার কাছে। আসলে কি এত সৈন্যের প্রয়োজন আছে এ অভিযানে? এত সৈন্য কাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে? মহামান্য সম্রাট, আপনি চাইলে আমি একবার ঘুরে দেখে আসতে চাই অন্ধ্ররাজ্যের কী অবস্থা।

    সম্রাট হেসে দিয়ে বললেন, তোমার বক্তব্য ঠিক আছে, বিন্দুসার। তক্ষশীলায় আচার্য চাণক্যের কাছে শিক্ষা লাভ করার সময় আমার মনেও নানা প্রশ্ন জেগেছে। আচার্য তক্ষশীলা ছেড়ে এসেছিলেন, আমাকে নিয়ে আবার গেছেন। বাস্তব যুদ্ধেও আমার সঙ্গে থেকেছেন সব সময়। একটি ছাড়া সব যুদ্ধেই আমরা জয়লাভ করেছি। বাস্তব প্রেক্ষিত বিবেচনা করে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তও নিতে হয়েছে। তোমাকে আমি বাঘের সম্মুখে পাঠাতে পারি না। যারা আমার সঙ্গে যাচ্ছে, তাদের অভিজ্ঞতা আছে। আমরা আমাদের মেধা, কৌশল ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাব।

    সম্রাজ্ঞী বললেন, অন্য কাউকে পাঠানো যায় না? দেখে আসুক বাস্তবটা কত সংগতিপূৰ্ণ।

    সময় যে নেই, সম্রাজ্ঞী। তা ছাড়া মহামন্ত্রীর দেওয়া পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না।

    আপনি চাইলেও না, বললেন বিন্দুসার।

    সম্রাট অন্যভাবে উত্তরটা দিলেন। বললেন, এখন আমি চাইবও না। শক্তিকে বিভক্ত করতে চাই না আমি। যুদ্ধে এখন জয় লাভটাই মুখ্য। সম্রাজ্ঞী, তুমি তো সবই জানো।

    হেলেন বললেন, তারপরও আমি বিন্দুসারের মতামতকে সমর্থন করব।

    বড় বড় যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করেছি, সেসব এলাকায় আগে কাউকে না পাঠিয়েই। সামনে যা বাধার কারণ হবে চুরমার করে যাবে আমার সৈন্যরা।

    সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে?

    বিন্দুসারের প্রশ্নের জবাবে চন্দ্রগুপ্ত বললেন, ‘নগর পুড়িলে কি দেবালয় এড়ায়?

    প্রজাসাধারণের জীবন ও সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব বিজয়ী রাজার।

    তাতে সন্দেহ নেই। তবে সেখানে আমি কোনো অশুভ শক্তিকেই অবশিষ্ট রাখব না।

    বিন্দুসার ও হেলেন পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করলেন। হেলেন বললেন, গ্রিক পুরাণে আছে, সব ভুলই প্রতিফল হয়ে ফিরে আসে। আপনার শুভ কামনা করা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার নেই, সম্রাট।

    তোমরা দেখো, এবারও আমরা যুদ্ধ জয় করে ফিরে আসব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }