Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ১০৫

    ১০৫

    বাবার অবর্তমানে বিন্দুসারের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হেলেন। তিনি অতিথিদের জন্য কিছু করতে পারছেন না। কারণ, অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এতগুলো দুঃসংবাদ শুনবার পর সুস্থ থাকা কঠিন। চন্দ্রগুপ্ত কাছে থাকলে হয়তো শারীরিক ও মানসিক ধকল কাটিয়ে ওঠা যেত। তবে যত্ন-আত্তির কমতি নেই। স্বজনেরাও সবাই তাঁর পাশে আছেন।

    কারও মুখে হাসি নেই। দিদাইমেইয়া, লাউডিস, ফাওলিন ও স্ট্রেটোনিস বুকে পাথরচাপা দিয়ে আছেন। ফাওলিনের বাবা, লাউডিসের স্বামী এবং নিকোমেড্রেস প্রয়োজনের বাইরে কথা বলছেন না। হারমিজ আগের মতো নেই। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন এসে গেছে। শুধু সারা প্রাসাদময় দৌড়াচ্ছে ফাওলিনদের সন্তান মিকি।

    কী করে তাদের মধ্যে প্রাণ ফিরে আসবে, এ নিয়ে চিন্তিত বিন্দুসার। মায়ের কষ্টটা দেখছেন তিনি। হেলেন সুস্থ হয়ে উঠবেন এঁরা প্রাণবন্ত হলে। এঁরা শোকে নয়, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। এই অবস্থায় কী করা যায়, বুঝতে পারছেন না তিনি।

    .

    আচার্য ভদ্ৰবাহু ব্যস্ত দুর্ভিক্ষ নিয়ে। মনে হয় একে ঠেকানো যাবে না। সুবন্ধু সংবাদ দিচ্ছেন নতুন করে কোথায় কোন এলাকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিচ্ছে। তিনি (ভদ্রবাহু) পরিকল্পনা করলেন, কিছু লোককে সমৃদ্ধ এলাকা বলে খ্যাত দাক্ষিণাত্যে পাঠিয়ে দেবেন। কাদের পাঠাবেন, তালিকা করতে শুরু করলেন। স্থুলভদ্রের নাম এক নম্বরে লেখা হলো। তিনি চান সুলভদ্র জৈনধর্মের জন্য বেঁচে থাকুক।

    কিন্তু স্থুলভদ্র ভিন্ন কিছু ভাবলেন। মনে করলেন, তাঁকে দুর্ভিক্ষের অজুহাতে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য তিনি বিশাখার দিকে আঙুল তুললেন মনে মনে। সিদ্ধান্ত নিলেন, তালিকায় নাম থাকলেই যেতে হবে, এমন কথা নেই। সময়মতো কথা বলবেন আচার্যের সঙ্গে।

    হেলেন ভদ্রবাহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। তাঁর অবস্থা আসলেই ভালো নয়। চন্দ্রগুপ্তের ওপর অভিমান করে আছেন। তাই কোনো পত্রও লিখছেন না। তাঁর শুধু চিন্তা বিন্দুসারকে নিয়ে, এ দুঃসময়ে কী করবে ছেলেটি। নানা চাপে তাঁর দেহ-মনে পরিবর্তন এসে গেছে। ভিনদেশি মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধ আরও তাঁকে কাহিল করে দিচ্ছে। মায়ের আত্মীয়স্বজন যাঁরা এসেছেন, এঁদেরও ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর রাখছেন। প্রচুর সময় দিচ্ছেন।

    ভদ্রবাহু এসে হেলেনের অবস্থা দেখে নিশ্চিত হলেন তিনি ‘লাভ সিকনেসে’ ভুগছেন। তার ওপর নানা দুঃসংবাদ। সহ্য করা কঠিন হয়ে গেছে। বিন্দুসারের সাম্রাজ্য চালনার অতিরিক্ত বোঝা তাঁর ঘাড়ে। প্রয়োজন নেই, তবু ভাবছেন। ভদ্রবাহু বললেন, তুমি দুশ্চিন্তাটা ছেড়ে দাও, মা। সব ঠিক হয়ে যাবে। অন্ধ্র জয় করে চন্দ্র ফিরে আসবে, দিদাইমেইয়ারা যত দিন খুশি এখানে থাকবেন। একটা সময় তাঁদেরও মানসিক সংকট কেটে যাবে। আর বিন্দুসার? খুবই চৌকস রাজপুত্র। সবকিছু ঠিকঠাক সামলে নেবে। তুমি একটুও চিন্তা কোরো না। তাঁদের, তোমার আত্মীয়স্বজনদের সময় দাও। বড় দুঃসময় তাঁদের। তুমি চাইলে আমি শর্মিলাকে পাঠিয়ে দেব, যত দিন তুমি চাইবে, এখানে থাকবে।

    শুয়ে থেকেই হেলেন বললেন, আচার্য দক্ষিণ ভারতে আপনার লোক পাঠানোর কথা শুনছি, এতে এখানকার লোকজন ভয় পেয়ে যাবে না তো?

    জীবিকা আর ধর্মীয় প্রচারণার উদ্দেশ্যে যাবে এরা।

    সম্রাট ফিরে এলে এ রকম সিদ্ধান্ত নিলে হয় না?

    বেশ, তা-ই হবে। তুমি সুস্থ হয়ে ওঠো।

    আরেকটা কথা। আপনি কাউকে বলবেন না যেন, চন্দ্র আসার আগে যদি আমার মৃত্যু হয়, চন্দ্র না আসা পর্যন্ত আমার মরদেহের সৎকার হবে না। তবে আমার সৎকার হবে দিদাইমেইয়ার ইচ্ছেতেই।

    কী বলছ তুমি, হেলেন? তুমি শান্ত হও, তোমার কিচ্ছু হবে না।

    আচার্য, আপনি অনেক কিছু জানেন, আমার এ মরণব্যাধির কথা জানেন না, তা হয় না। আপনি আশীর্বাদ করুন, আমি যেন শান্তিতে মরতে পারি।

    আমি রাজবৈদ্যের সাথে কথা বলব।

    এ কথা শুনে হেলেন মৃদু হাসলেন। যেতে দিতে চাচ্ছেন না, আচার্য, আপনিও জানেন, আমাকে ধরে রাখা যাবে না।

    তুমি কি চাচ্ছ আমি কেঁদে বুক ভাসাই?

    আপনার বুকটা দিন, আচার্য, আমি সেখানে মাথা রাখব। এ পৃথিবীতে কত কিছু পাওয়ার আছে। সব পাওয়ায় শান্তি নেই, কোনো কোনো পাওয়ায় অপার শান্তি। হেলেন আচার্যের বুকে মাথা রেখে বললেন, ভারতবর্ষ এক অদ্ভুত জায়গা। শান্তির মৃত্যুর জন্য এখানে আসা উচিত, বাঁচার জন্যও এখানেই আসা উচিত। আপনি কি জানেন, কেন নিখিল করুণ সুরে বাঁশি বাজাল?

    জানি। সে আগাম অনেক কিছু জানে।

    এর চেয়ে বড় পাওয়া কী থাকতে পারে। আমি ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তাই না?

    কোন সিদ্ধান্ত?

    চন্দ্রগুপ্তকে বিয়ে করব।

    ঠিক সিদ্ধান্ত।

    আচার্য, আপনি কাঁদছেন?

    না, কাঁদছি না, কাঁদতে পারছি না আমি।

    আমার মাথায় কি আপনার আশীর্বাদ ঝরে পড়ছে?

    জানি না, হেলেন, তুমি একটু শান্ত হও। আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।

    কোনো গ্রিক আমার জন্য কাঁদত না, বাঁশি বাজাত না। আমার মৃত্যুর পরও যেন নিখিল বাঁশি বাজায়।

    পাগলটা কখন কী করে কে জানে।

    ভারতবর্ষ আসলেই অদ্ভুত জায়গা, এখানেই অন্তর আছে, আর কোথাও নেই।

    আছে হেলেন, সর্বত্র আছে, খুঁজে নিতে হয়। তুমি যেভাবে সবার অন্তর জয় করে নিয়েছ, আর কেউ পারে নি।

    ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চেয়েছি, আর কিছু নয়। আচার্য, এখন আপনি আসুন, অনেকেই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

    আমি আবার আসব, বারবার আসব।

    আচার্য ভদ্ৰবাহু চলে গেলে দিদাইমেইয়ারা সবাই এলেন। তাঁদের দেখে হেলেন ঝটপট উঠে বসলেন। দিদাইমেইয়া বললেন, এখন কেমন আছ, হেলেন?

    আমি ভালো আছি। দুয়েক দিনে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাব। ফাওলিনের বাবা এসেছেন, স্ট্রেটোনিস এসেছেন, মিকি এসেছে। এঁরা প্রথম এসেছেন, আমার অনেক কিছু করার ছিল। মিকি সোনা কত চমৎকার দেখতে হয়েছে। ঠিক ফাওলিনের মতো। জেনারেল কিউকেকাস থরের যুদ্ধে আমার কমান্ডার ছিলেন।

    তুমি তো যুদ্ধ করো নি, বন্দিদশা থেকে আমাকে মুক্ত করেছ।

    মুক্ত করেছে লাউডিস, আমি নই। সেই আমাকে দিয়ে করিয়েছে। কিন্তু আমাকে বাঁচিয়েছে আমার বডিগার্ড।

    বডিগার্ড?

    হ্যাঁ, নিকোমেডেস।

    তোমরা খুব ঝুঁকি নিয়ে ফেলেছিলে, লাউডিস আমাকে বলেছে।

    ঝুঁকি নিয়ে আপনারা যুদ্ধ করেছেন, আমি ঝুঁকি নিতে পারি না?

    স্ট্রেটোনিস এবার কথা বললেন, এ পর্যন্ত তিনি কারও সঙ্গে কথা বলেন নি। বললেন, হেলেন, তুমি যদি অনুমতি দাও, আমি আমার দায়িত্ব পালন করতে চাই।

    কী দায়িত্ব?

    মায়ের দায়িত্ব।

    এ মেয়ের কথা শুনে সবাই চমকে উঠলেন, এমনকি হেলেনও, কিন্তু দিদাইমেইয়া চমকালেন না, তিনি বললেন, তাকে আমি যত দূর জেনেছি, সে অন্তর থেকে কথাটা বলেছে।

    অন্তর?

    হ্যাঁ তাই, এ মেয়ে খুবই ব্যতিক্রম। তার কথায় নির্ভর করা যায়।

    হেলেন হাত বাড়িয়ে তার বয়ঃকনিষ্ঠ মাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, মা।

    সবাই অবাক হলেন।

    হেলেন বললেন, বিন্দুসার আমাকে মা বলে ডাকে। এটা আমি ভারতবর্ষ থেকে শিখেছি। ডাকটি বড় মধুর, ভারতবর্ষের অপরাপর সংস্কৃতির মতোই, অন্তর্গত।

    লাউডিস হেসে দিয়ে বললেন, আমিও তা-ই ডাকব।

    স্ট্রেটোনিস বললেন, কী সৌভাগ্য, আমার বড় বড় দুটি মেয়ে আছে, যারা আমাকে মা বলে ডাকে।

    এরা সবাই এক সময় উঠে গেলেন। রয়ে গেল নিকোমেডেস আর ফাওলিন

    নিকোমেডেসের চোখ ছলছল করছে। তুই সবার চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও আমার চোখকে পারবি না। তোর অবস্থা ভালো নয়। একি করেছিস তুই!

    আমি কী করেছি?

    সম্রাটের কথা তুই একবারও মুখে তুলিস নি। কী হয়েছে বল?

    কিচ্ছু হয় নি, অযথা তুই ভাবছিস।

    তোকে আমি ছোটবেলা থেকে চিনি, কর্নি। ফাঁকিটা অন্যকে দে।

    যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছে সে।

    কোনো চিঠি দেয় নি, এই তো?

    ফাওলিন একেবারে চুপ হয়ে আছ, কিছু বলো।

    ফাওলিন কথা বলবে। তুই প্রসঙ্গ পরিবর্তন করবি না। তুই কেন এত অভিমান করলি? তুই কোন দিকে যাচ্ছিস, জানিস?

    প্রত্যাশিত পথেই এগোচ্ছি আমি।

    তুই সঙ্গে যাস নি কেন?

    তুই তো ছিলি না, বডিগার্ড ছাড়া যেতে পারি? এ ছাড়া ও যুদ্ধ করবে, আমি কার সঙ্গে সময় কাটাব। তুই থাকলে খুনসুটি করে সময় কাটত।

    এখন যাবি, চল। আমরা তিনজন মিলে যাব।

    মিকিকে নিবি না?

    এখনো তোর দুষ্টুমি গেল না। যাবি?

    ফাওলিন, এদিকে এসো। তুমি কেমন যেন গম্ভীর হয়ে গেছ। এ কথা শোনার পর ফাওলিনের দুচোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে। হেলেন আবার বললেন, তুমি কাঁদছ কেন?

    তাহলে শক্ত করে একটা চিঠি লিখে দিই, বলল নিকোমেডেস।

    হেলেন বললেন, হৃদয়ে ডাক পাঠাতে হয় রে গাধা, চিঠি না।

    তা-ও তো পারলি না। এখন মরতে বসেছিস!

    সেবিকার বেশে স্ট্রেটোনিস এসে উপস্থিত হয়েছেন। নিকো, আর কথা নয়, এখন হেলেনের খেয়ে ঘুমানোর সময়। তার আগে ওষুধ খাবে তুমি। রাজবৈদ্যকে আমি ডেকে পাঠিয়েছি।

    এ সময় উপস্থিত হলেন শর্মিলাও। আচার্য ভদ্রবাহু পাঠিয়েছেন। স্ট্রেটোনিসের কাছে তাঁকে ভালো লাগে নি। কিন্তু যখন গ্রিক ভাষায় কথা বলতে শুরু করলেন, এবার তাঁর অবাক হওয়ার পালা।

    তোমাদের সঙ্গে আমার অনেক কথা আছে, নিকোরা ফিরে যাওয়ার সময় বললেন শর্মিলা।

    মন্দাকিনী রাজবৈদ্যকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। তার মুখেও গ্রিক শুনে অবাক হয়ে স্ট্রেটোনিস বললেন, তুমি তো সবাইকে গ্রিক বানিয়ে ফেলেছ।

    না মা, আমি বানাই নি। আমি এসে এদের দুজনকে গ্রিকই পেয়েছি।

    রাজবৈদ্য স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়ে পরীক্ষা করে দেখলেন। দেওয়া ওষুধটাই নিয়মিত সেবন করতে বললেন। পরামর্শ দিলেন যাতে পরিপূর্ণ ঘুম হয়।

    হেলেনের খাদ্য গ্রহণ এবং ওষুধ সেবনের পর স্ট্রেটোনিস বললেন, মন্দাকিনী, তুমি একটু বসো। আমরা বারান্দায় আছি।

    মন্দাকিনী হেলেনের দিকে তাকিয়ে চোখের জল ছেড়ে দিল। রাজবৈদ্য তাকে যা বলেছেন, তাতে আর আশা নেই। তা গোপন করেই সে কাঁদছে।

    হেলেন তাকে কাছে ডাকলেন। বসতে ইশারা করলেন। মন্দাকিনী বিছানায় বসল না। হেলেন ধমক দিয়ে বললেন, বসো।

    মন্দাকিনী বসল। হেলেন তার মাথায় হাত রেখে বললেন, তোমার মতো মেয়ে হয় না। কাউকে পছন্দ থাকলে বলো, আমি বিয়ের ব্যবস্থা করি।

    মন্দাকিনী মাথা নাড়ল, মুখে বলল, এমনিতে ভালো আছি রানিমা, আপনি সুস্থ হয়ে উঠুন। তুমিই আমাদের সেতুবন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলে মন্দাকিনী। না হলে কি ভালোবাসার এ বিশাল ভারতবর্ষে প্রবেশাধিকার পেতাম? মানুষের জীবন একটাই, এ জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া ভালোবাসা। তা তোমাদের কাছ থেকে আমি পেয়েছি। এখন মৃত্যুতেও আমার কষ্ট নেই।

    মন্দাকিনী এবারও কাঁদল। উচ্চ স্বরে কাঁদল।

    স্ট্রেটোনিস শর্মিলাকে পছন্দ করে ফেললেন। বললেন, যে কদিন এখানে থাকি, তুমি নিয়মিত আসবে!

    শর্মিলা বললেন, সম্রাজ্ঞী সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আমাকে এখানে থাকার আদেশ করেছেন আচার্য।

    এখানে থাকবে কোথায়? শুবে কোথায়? ঠিক আছে, আমার সাথেই থেকো।

    প্রাসাদেই আচার্য এবং আমাদের থাকার ব্যবস্থা আছে।

    তাই?

    আচার্য বলেছেন সম্রাজ্ঞীর অবস্থা ভালো নয়, তিনি খুব চিন্তিত

    চেষ্টা করে দেখি। বাকিটা জিউসের হাতে।

    .

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য অশান্তিতে আছেন। মন তাঁর কিছুতেই টিকছে না। শুধু মানবিক কারণে অন্ধ্রবাসীদের, বিশেষ করে অমরাবতীর বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের কাজ শেষ না করে আসতে পারছেন না। মহামন্ত্রী চাণক্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে আসতে পারতেন, কিন্তু এ লোকটিকে আর ভরসা করতে পারছেন না। তাঁর উচিত ছিল তাঁকে সরিয়ে সুবন্ধুকে মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া। সুবন্ধুকে অভিযানে আনাও হলো না বিন্দুসারের তাঁকে প্রয়োজন হবে বলে। সুবন্ধুকে বিশ্বাস করা যায়, তাঁর ওপর নির্ভরও করা চলে।

    মানবিক উন্নয়নের জন্য চন্দ্রগুপ্ত দক্ষিণের রাজ্য অন্ধ্রের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়ালেন। শুধু দম নেওয়ার জন্য যেন মাঝেমধ্যে প্রকৃতির খুব কাছে চলে যান। সেখানে প্রকৃতির সঙ্গে বোধ হয় কষ্টগুলো ভাগাভাগি করা যায়। সে সময় হেলেনের কথা মনে হয়, বিন্দুসারের কথা মনে হয়। ক্ষমাহীন অপরাধ সংগঠন থেকে এঁরাই তাঁকে সাবধান করে দিয়েছিলেন। তাঁদের কী বলবেন তিনি?

    মহামন্ত্রী চাণক্য বেশ উৎফুল্ল। সম্রাট যা-ই বলুন না কেন, অভিযান তাঁর সফল হয়েছে। একেবারে দক্ষিণে সমুদ্র পর্যন্ত মৌর্য সাম্রাজ্য বিস্তৃত হয়েছে। তিনি এ রকম বিশাল এক সাম্রাজ্যের মহামন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। সেনাপ্রধানকে বললেন, বুঝলে বিজয়গুপ্ত, মানুষের সব সাধই পূর্ণ হয়, যদি চেষ্টা থাকে। আমি তক্ষশীলায় আচার্য থাকাকালে অমরাবতীর নাম শুনেছিলাম। এর সৌন্দর্য আর সম্পদের গৌরব-সৌরভ যেন সেখানে বসেই পাচ্ছিলাম। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর বহুবারই স্বপ্ন দেখেছি, অমরাবতী আমরা দখল করব, এখানে আমাদের একটি রাজ্যকেন্দ্র থাকবে। সে সুযোগ এসে গেল। কাজে লাগালাম। তুমি যদি সব কাজে শুধু স্বচ্ছতার কথা ভাবো, নীতি-নৈতিকতার কথা ভাবো, তোমার দ্বারা কিছুই অর্জন সম্ভব হবে না। লক্ষ্মণ বলেছিলেন, ‘মারি অরি পারি যে কৌশলে’। মাঝেমধ্যে মিথ্যেও বলতে হয়। যুদ্ধে মিথ্যে বলা যায়, তাতে দোষের কিছু থাকে না। এখন অমরাবতীর সৌন্দর্য ও সম্পদ আমাদের। এখানে একটি রাজ্যকেন্দ্র হবে। আমি মাঝেমধ্যে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য এখানে আসব। এখানে নৌবাণিজ্যের সুবিধা অনেক। ভবিষ্যতে এখানকার অমাত্যকে বলতে হবে বাণিজ্যিকভাবে যেন অমরাবতী তক্ষশীলাকেও ছাড়িয়ে যায়। তুমি পৃথিবীর কোথাও পাবে না লক্ষ্মী আর সরস্বতীর বসবাস এক জায়গায়। লক্ষ্মীকে আমি অমরাবতীতে নিয়ে আসব।

    বিজয়গুপ্ত বললেন, সেনাবাহিনীতে আর আমার ভালো লাগছে না, আচার্য, আমাকে আপনি অমরাবতীর মহা-অমাত্য করে দিন।

    তুমিও অমরাবতীর প্রেমে পড়ে গেলে, বিজয়গুপ্ত? তাহলে সদাচার সেনাপ্রধান হবে। ওকে বিশ্বাস করা যায় না। ও একটা জংলি।

    ওর মতো স্বচ্ছ সেনাপতি হয় না, আচার্য। আমাদের সেনাবাহিনী এ রকম সেনাপ্রধানই চায়।

    গরুকে জিজ্ঞেস করে হাল চাষ করতে হবে? আমি যত দিন আছি, তুমিই সেনাপ্রধান থাকবে।

    বিজয়গুপ্ত চাণক্যের হাতের লাঠি। যেখানে যেভাবে খুশি ব্যবহার করতে পারেন। লাঠিটা তাই হাতছাড়া করতে চান না তিনি।

    আচার্য ভদ্রবাহুকেও একটা ধন্যবাদ দেবেন তিনি। কারণ, তিলকে তাল করার ব্যাপারটা জেনেও তিনি বন্ধুর মর্যাদা রেখেছেন। তারপরও চাণক্যের কাছে একটা রহস্য থেকে যায়, কেন আচার্য ভদ্ৰবাহু জেনেশুনে চুপ করেছিলেন এবং স্বপ্নের ব্যাখ্যাটা সম্রাটকে পরিষ্কার করেন নি।

    .

    নিখিল, ভবদানব ও সরোজ সকাল থেকে বসে আছে সম্রাজ্ঞীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। দ্বারবান তাদের অনুমতি দিচ্ছে না। কারণ, সম্রাজ্ঞীর অবস্থা খুবই খারাপ। ভেতরে আচার্য ভদ্রবাহু এবং যুবরাজ বিন্দুসার আছেন।

    পাণ্ডুর মুখমণ্ডল। তারপরও ওদের সঙ্গে হেসে কথা বলছেন হেলেন। বললেন, আচার্য, ভবিষ্যতে আপনারা একজন অতি উচ্চমানের সম্রাট পাচ্ছেন, আমাদের বিন্দুসার প্রমাণ করে দেবে, সেই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট!

    এ কথা কেন বলছ, মা?

    আমার বলতে ভালো লাগছে, বিন্দুসার।

    বাবা কি শ্রেষ্ঠ সম্রাট নন?

    সব বাবা-মাই চান পুত্র তাঁদের ছাড়িয়ে যাক। অন্য কাউকে ছাড়িয়ে যেতে দেখলে ঈর্ষা হয়, কিন্তু সন্তানের বেলায় হয় গর্ব।

    আচার্য ভদ্রবাহু বললেন, ঠিক বলেছে হেলেন। তোমার মা-ও তাই চাইতেন, বিন্দুসার।

    তিনিই তো আমার মা, আচার্য।

    তাই আশীর্বাদটা যথার্থ।

    কিন্তু তিনি বেঁচে না থাকলে আমার এ আশীর্বাদের মূল্য কি, আচার্য?

    আমরা তাকে বাঁচিয়ে রাখার সে চেষ্টাই করছি।

    স্ট্রেটোনিস ও শর্মিলা এলে উঠে গেলেন এঁরা। কারণ, এখন রোগীর সেবাযত্ন শেষ করে ওষুধ সেবন ও পথ্য খাওয়ার সময় হয়েছে।

    ভদ্রবাহু আবার ফিরে গেলেন। জিজ্ঞাসু নেত্রে ঘাড় বাঁকিয়ে তাকালেন হেলেন। আচার্য বললেন, নিখিলরা সাক্ষাৎ করতে চায় মা, একটু সময় দেবে?

    পাঠিয়ে দিন, আচার্য।

    তিনজন একসঙ্গে সম্রাজ্ঞীর কক্ষে প্রবেশ করল। শিল্পীরা খুব আবেগপ্রবণ হয়। এরা কোনো কথা বলছে না, শুধু কাঁদছে। কী বলবে? হেলেন তাদের কাছে ডাকলেন। এরা দাঁড়িয়েই রইল। হেলেন এবার ওঠার চেষ্টা করলেন। এরা দৌড়ে পালঙ্কের কাছে চলে গেল। সরোজ তাৎক্ষণিক বলল, উঠবেন না মা, আপনার শরীর খারাপ।

    হেলেনের আবেগ কম নয়। কিন্তু নিজেকে বহু কষ্টে সামলে নিয়ে বললেন, নিখিল, সেদিন তোমার বাঁশিটা শেষ পর্যন্ত শুনতে পারি নি, আবার একদিন বাজিয়ে শোনাবে?

    নিখিল আবেগে মাথা নাড়ল। সরোজ, তুমি কি আমার অসুস্থাবস্থার ছবি আঁকবে?

    সে চুপ করে থাকল। তার অর্থ, আমি আপনার এ রকম ছবি আঁকতে চাই না।

    ভবদানবকে ইশারায় কাছে ডাকলেন হেলেন। তার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললেন, ওদের বলো না যেন, আমার সমাধিটা তুমি নির্মাণ করে দেবে।

    ভবদানব কাউকে বলল না বটে, কিন্তু চিৎকার করে উঠল এবং তা এত বুকফাটা যে সবাই দৌড়ে এল।

    .

    প্রাসাদের বাইরে অনেক লোকসমাগম। আজকে দুর্ভিক্ষের ভয়ে নয়, সম্রাজ্ঞীর খবর জানতে লোকজন জড়ো হয়েছে। প্রাসাদ থেকে বলা হয়েছে, সম্রাজ্ঞী ঠিক আছেন, সুস্থ আছেন। কিন্তু তাদের বিশ্বাস হচ্ছে না। ইতিহাসে আছে, প্রজারঞ্জক রাজাদের জন্য তাঁদের অসুস্থতাকালে প্রজারা এভাবে রাজার খোঁজখবর নিতে এবং মঙ্গল কামনা করতে জড়ো হতেন। সম্রাজ্ঞীর জন্য জড়ো হয়েছে এমন দৃষ্টান্ত নেই। একজন যবন নারী যুদ্ধপরাজয়ে চুক্তির শর্তস্বরূপ সম্রাটের স্ত্রী হয়ে এসেছেন, এ জন্য তা তাদের কাছে গর্বের, সে কারণেই সে নারীর প্রতি কোনো সহমর্মিতা থাকার কথা নয়। কিন্তু হেলেন এ প্রাসাদে আসার পর থেকেই একে একে প্রাসাদ এবং প্রাসাদের বাইরের সব মানুষের মন জয় করেছেন। মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য বহু কিছু করার প্রয়োজন নেই, ঠিক কাজটি করলে এবং এর কথা জানতে পারলে রাজা- রানিদের ভালোবাসা অর্জনের পথ এমনিতেই পরিষ্কার হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ কিংবা প্রজাসাধারণ চায় ব্যক্তিগতভাবে তার জন্য কিছু করার দরকার নেই, রাজা যেন ন্যায়পরায়ণ হন, এটুকুই তাদের চাওয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }