Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৯৯

    ৯৯

    স্ট্রেটোনিস গেছেন টলেমি কেরাউনোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। এন্টিওকাসের কোনো অনুমতি ছাড়াই গেছেন।

    কেরাউনোস প্রথমে কথা বলতে আগ্রহী ছিলেন না। তিনি এই স্ট্রেটোনিস নয়, সম্রাজ্ঞী স্ট্রেটোনিসকে চেয়েছেন। এই স্ট্রেটোনিস আসাতে বিরক্তই হয়েছেন।

    নৌযানে অবস্থান করে স্ট্রেটোনিস একটি পত্র লিখলেন কেরাউনোসের কাছে। তাতে বললেন, তার সৎবোন আরসিনোয় সেলুকাসের সঙ্গে আঁতাত করে তাঁকে সরানোর ষড়যন্ত্র করছেন। এ ব্যাপারে স্ট্রেটোনিস তাঁকে সাহায্য করতে চান।

    সৎবোনের কথা শুনে স্ট্রেটোনিসকে সাক্ষাতের অনুমতি দিলেন কেরাউনোস। কেরাউনোস বললেন, এ ব্যাপারে আপনার কী স্বার্থ?

    আমার স্বার্থ আছে, নইলে এখানে আসার কথা নয়।

    কী চান আপনি?

    বলছি। সেলুকাসের এখন বিশাল সাম্রাজ্য। রানি আরসিনোয়কে এশিয়া মাইনরের কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে বাকিটা লাইসিমেকাসের মৃত্যুর পর দখল করে নিয়েছেন।

    তা আমি জানি। কিন্তু আরসিনোয়কে এই ছাড় কেন? স্বামীকে হত্যা করে তা গরু মেরে জুতা দানের মতো নয় কি?

    আপনার জানা থাকার কথা, পুত্র হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আরসিনোয় সেলুকাসের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

    আপনারা নারীরা সবকিছু পারেনও। আপনি যা করেছেন!

    আমাদের দুষছেন কেন? আরসিনোয় তো অভিযোগ করেছেন যে আপনি তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।

    সে তো তার আপন ভাইকে বিয়ে করতে চায়। আমি তার কোনো পুত্রসন্তানকে জীবিত রাখব না।

    এরা তো খুব ছোট।

    আপনি সিংহ দেখেছেন। সিংহীকে সন্তানহারা করতে পারলেই তার সংসর্গ পাওয়া যায়। বড়টিকে শেষ করেছি, এবার ছোটগুলো।

    সেলুকাস তা হতে দেবে না। সেলুসিয়ায় এ রকম চুক্তি হয়েছে একটি।

    তাহলে এখন সেলুকাসকেই টার্গেট করতে হয়।

    ওরা ইজিপ্ট আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছে।

    আপনাকে এ তথ্য দিল কে?

    এন্টিওকাসের কাছে সম্রাটের নির্দেশ এসেছে, সে যেন অশ্বারোহী সৈন্যদের নিয়ে ইজিপ্টের দিকে অগ্রসর হয়।

    তার অবস্থান কোথায়?

    এখনো সে যাত্রা শুরু করে নি। আমি ফিরে গেলে সে সিদ্ধান্ত নেবে তার কী করা উচিত।

    ভালো সংবাদ এনেছেন আপনি।

    এখন আমাদের সিদ্ধান্ত কী?

    কেরাউনোস একটু ভাবলেন। কারণ, তাঁর দেওয়া তথ্যগুলোর যাচাই এখনো হয় নি দ্বিতীয়ত, এ মহিলাকে কতটুকু বিশ্বাস করা যায়, যে সৎছেলেকে বিয়ে করে। পরে মনে মনে বললেন, যদি তাঁর তথ্য সঠিক না হয়, শঠতা থাকে, তাহলে তাঁর কঠিন জবাব আছে। শব্দ করে বললেন, আপনার স্বামীকে সেলুসিয়া সাম্রাজ্যের অধিপতি হতে আমি সাহায্য করব।

    লিখিত চুক্তি করার প্রয়োজন আছে কি?

    লিখিত চুক্তি হলে তা জানাজানি হয়ে যাবে এবং আপনার স্বামী বিপদে পড়বেন। অঙ্গীকার হচ্ছে বড় কথা, যখন তরবারি কথা বলে।

    .

    আরসিনোয় সেলুসিয়া থেকে নানা রকম সন্তুষ্টি নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। সেলুকাসের সঙ্গে কয়েকটা রাত কাটিয়েছেন। প্রতিবারই সেলুকাস চন্দ্রগুপ্তের কথা স্মরণ করে তাঁকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। এ ছাড়া সেলুকাস আরসিনোয় এবং পুত্রদের পিতামাতাসহ তাঁর রাজ্যের রক্ষাকবচস্বরূপ কিছু সেলুসিড সৈন্য পাঠানোর অঙ্গীকার পেয়েছেন। সেলুকাস বলেছেন, কেরাউনোসকে হত্যা করেই তিনি আরসিনোয়কে শঙ্কামুক্ত ভোগময় জীবন উপহার দিতে চান।

    দিদাইমেইয়া গেছেন অ্যাপোলো মন্দিরে প্রার্থনা করার জন্য। এটি তাঁর নিয়মিত প্ৰাৰ্থনা। হঠাৎ সেখানে ধূপ জ্বালানোর পাত্রটি ধূপসমেত ভূমিতে পড়ে গেল। তিনি অমঙ্গল আশঙ্কায় আঁতকে উঠলেন। পরে ধূপ জ্বালালেন বটে, কিন্তু প্রার্থনায় মনঃসংযোগ করতে পারলেন না। কেমন যেন অজানা এক আশঙ্কায় তাঁর মন খারাপ হতে থাকে। তিনি শান্তি খুঁজে পাচ্ছেন না। মন্দির থেকে ছুটে এলেন। দেখতে পেলেন, আরসিনোয় ফিরে যাচ্ছেন, তাঁকে উৎফুল্ল মনে হচ্ছে। দিদাইমেইয়া তাঁর পরিবর্তন এবং নারী হিসেবে আরসিনোয়ের উৎফুল্ল হবার কারণ বোধ হয় বুঝতে পারলেন। তাই তাঁর মনে যে বিষয়ের উদয় হলো, তাকে তিনি পাপ বলে শনাক্ত করলেন। এ পাপ মানুষকে ট্র্যাজিক পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। গ্রিক মিথে তা আছে। মন নয়, এখন যেন দিদাইমেইয়ার শরীরও জ্বলে যাচ্ছে। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন কম বয়সী সম্রাজ্ঞী স্ট্রেটোনিস। একসময় তাকে তাঁর পছন্দ ছিল না। পরে মনে হলো, এ মেয়েটি তার পিতা দিমিত্রিয়াসের মতো নয়; নম্রতা, ভদ্রতা ও শ্রদ্ধাবোধ আছে। তার কচি মুখের দিকে তাকিয়ে আরও গ্লানিবোধ জাগ্ৰত হলো। তিনি জানেন না সেলুসিয়ার ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে।

    আরসিনোয়কে বিদায় দিলেন মনে মনে পাপী বলে। একা একা গেলেন সেলুকাসের কক্ষে। সেলুকাস দারুণ রকম মুডে আছেন। দিদাইমেইয়াকে বললেন, দিদাই, তুমি এসে গেছ, ভালোই হলো, না হয় তোমার কাছেই যেতাম। আমি ইজিপ্ট আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কেরাউনোসকে শিক্ষা দেওয়ার সময় এসেছে। আরসিনোয়ের মুখ থেকে তার অপকীর্তির কথা শুনে থাকবে।

    রাগে জ্বলে যাচ্ছিলেন দিদাইমেইয়া, এ বয়সে রাগ ধরে রাখা কঠিন। তাই বিস্ফোরণ ঘটল, তোমার অপকীর্তির শাস্তি কে দেবে?

    আরসিনোয় তোমাকে কিছু বলেছে?

    এ কথার জবাব না দিয়ে দিদাইমেইয়া বললেন, তোমার পাপ যেন আর কাউকে স্পর্শ না করে। আমি লক্ষণ ভালো দেখছি না। তুমি তোমার অপকর্মের প্রায়শ্চিত্ত করো।

    সেলুকাস যেন ব্যাপারটাকে উপভোগের বিষয় বলে মনে করলেন। বললেন, টলেমির নৌ কমান্ডার থাকাকালেই তাকে দেখেছিলাম। সে আমাকে পছন্দ করত, তখন বুঝতে পারি নি, এখন…

    চুপ করো তুমি। হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছ। আমি তোমাকে অভিশাপ ছাড়া আর কিছু দিতে পারছি না।

    দাও, দাও। তুমি অভিশাপই দাও। আমার কিছু হবে না। আমি আরেকজন আলেকজান্ডার, প্রতিদ্বন্দ্বী নেই কেউ, ওই ছোকরা? ওকে আমি পিষে মারব। তারপর যাব এথেন্স। সব ঠিক করাই আছে।

    তুমি মাতাল হয়ে গেছ?

    সকালে আমি একটু-আধটু পান করি। আজ আনন্দে একটু বেশি পান করে ফেলেছি। তুমি, তুমি তো আবার ওসব পছন্দ করো না। এখন যাও।

    তোমাকে এখন কিছু বলে লাভ নেই। তোমার জন্য শক্ত পরিণাম অপেক্ষা করছে।

    অভিশাপ দিচ্ছ কেন, এ্যা? আমি বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি সেলুকাস। ওসব আমাকে স্পর্শ করবে না।

    তোমার অহংকারই তোমাকে ধ্বংস করবে।

    এখন যাও, আমি আরও পান করব।

    দিদাইমেইয়া চলে এলেন। এসব তিনি কাউকে জানাতে চাচ্ছেন না। কিন্তু অমঙ্গলের আশঙ্কাও তার পিছু ছাড়ছে না।

    .

    হেলেনের মন খারাপ। সম্রাট ছেলেটার মতামত গ্রহণ করলেন না। বিন্দুসারের পরামর্শ তার মনঃপূত হয়েছে। কিন্তু সম্রাট বললেন, আমি এখন পরিকল্পনা বদল করে কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। তুমি স্বপ্নের কথা জানো। কোনো ভুল করলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

    হেলেন বললেন, আপনি যা ভালো মনে করেন। তবে আমি বিন্দুসারের মতামতের গুরুত্ব দিই

    তা শুনে আমার খুব ভালো লাগছে। হেলেন, তুমি অন্তরে একেবারে ভারতীয় মা হয়ে গেছ। পুত্রের মতামতকে সম্মান জানিয়ে যে কথা বলছ, তা আমাকে তোমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তুলেছে। আমি দুঃখিত যে এখন এ অবস্থায় ঝুঁকিটা নিতে পারছি না। তোমরা কি আমার সঙ্গে অভিযানে যাবে? সেখানে সব ব্যবস্থা করা আছে।

    এ মুহূর্তে কোনো পরিবর্তন কিংবা অভিযানে পরিবারের সংযুক্তির চিন্তা না করাই ভালো, সম্রাট। এ ছাড়া রাজধানী একেবারে খালি রেখে যাওয়া ঠিক না।

    তুমি তো যেতে পারো।

    হেলেন হেসে দিয়ে বললেন, এখন স্ত্রীর চাইতে মাতার দায়িত্ব বড়। বিন্দুসারকে এ অবস্থায় রেখে যাওয়া ঠিক হবে না। আপনি বরং যুদ্ধের দিকে মনোযোগ দিন।

    চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য যুদ্ধের দিকেই মনোযোগ দিলেন। মহামন্ত্রী চাণক্য, প্রধান সেনাপতি এবং অমাত্যদের নিয়ে অন্ধ্রের রাস্তাঘাট, জনপদ, নদী, জলাশয়, পাহাড়-পর্বত সবকিছুর খোঁজখবর নিলেন। যুদ্ধে সেনাশিবিরের অবস্থান কোথায় হবে, তারও স্থান নির্ধারণে সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করলেন।

    প্রধান সেনাপতি বিজয়গুপ্ত অভিযানের পথ সম্পর্কে সম্রাটকে ধারণা দিতে যাচ্ছিলেন। মহামন্ত্রী চাণক্য বললেন, অন্ধ্র আর অমরাবতী ঐতিহ্যবাহী স্থান। আমি ইতিহাস সম্পর্কে একটু ধারণা দিই। ঐরতেয় ব্রাহ্মণের (খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০-৫০০ অব্দ) ঋকবেদে অন্ধ্রের উল্লেখ আছে। এখানকার জনপদ এবং জনগোষ্ঠী সম্পর্কে বলা হয়েছে, উত্তর থেকে এসে এরা দক্ষিণের সাগর উপকূল মালভূমি এলাকায় বসতি স্থাপন করে। আদিবাসীরা দীর্ঘকাল ধরেই এখানে শাসন করছে। কৃষ্ণা নদীর তীর ঘেঁষে এদের রাজধানী এখন অমরাবতীতে। শতবর্ষ আগে থেকে অমরাবতী গুরুত্বপূর্ণ স্থান হয়ে আছে।

    চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আচার্য, নৌপথে অমরাবতী পৌঁছা কি সম্ভব?

    নৌজাহাজের অধিপতি বললেন, স্থল-নৌ উভয় পথেই আমাদের অভিযান চলবে।

    নৌবহরের যাত্রা কোথা থেকে হবে?

    একজন ভূগোল বিশারদ সেনাপতি মানচিত্রে বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি নৌ যাত্রার স্থান দেখিয়ে দিল। স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে পূর্বঘাট, পশ্চিমঘাট, গোদাবরী নদী, গোগেনাকাল ঝরনা, নীলগিরি পর্বত, বিন্ধ্যপর্বত প্রভৃতি।

    চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আমাদের অভিযান বাধাপ্রাপ্ত হবে কোথায়?

    চাণক্য বললেন, এটি পূর্বঘোষিত কোনো যুদ্ধ নয়। তাই সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো স্থানে বাধা আসতে পারে। উত্তর থেকে দক্ষিণে যাত্রা।

    আমরা তো আর রাজধানী থেকে সৈন্য পাঠাচ্ছি না। দক্ষিণে আমাদের সর্বশেষ সীমান্তে সৈন্য জড়ো করব। সেখানে আমরা পৌঁছার পর অভিযান শুরু করব।

    মহামান্য সম্রাট ঠিকই বলেছেন, বললেন প্রধান সেনাপতি।

    কিন্তু সুনির্দিষ্ট স্থানটি কোথায়? তার দূরত্ব কত?

    মানচিত্র বিশেষজ্ঞ সেনাপতি তেলিঙ্গানা স্থানটি দেখিয়ে অমরাবতী থেকে এর দূরত্ব গণনা করে দিল।

    চাণক্য বললেন, হিসাব ঠিক আছে।

    মাঝখানে কোনো বাধা? সম্রাটের প্রশ্ন।

    আমাদের অধিকৃত এলাকায় কোনো সমস্যা নেই, বললেন প্রধান সেনাপতি।

    চাণক্য হঠাৎই বললেন, ধরণীকোটা এবং ভাদ্দমানু গ্রাম দুটি অমরাবতীর কাছাকাছি। এ দুটো গ্রামও বিখ্যাত। এখানেও তাদের সেনাশিবির থাকতে পারে।

    প্রধান সেনাপতি বললেন, আমরা গ্রাম দুটিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমেই অধিকারে নিয়ে নেব। উপকূলীয় পথে আমাদের পদাতিক বাহিনী এ অভিযান চালাবে।

    বড় দুর্ধর্ষ বাহিনী উপজাতিদের। খুবই সাবধানে অভিযান চালাতে হবে, বলে সম্রাটের দিকে তাকালেন মহামন্ত্রী। উদ্দেশ্য, সম্রাটের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা।

    সম্রাট বললেন, খুবই সাবধানে।

    চাণক্য স্বস্তির মাথা নাড়লেন।

    সম্রাট বললেন, অন্ধ্র দখল করে আমরা অমরাবতীতে দাক্ষিণাত্যের শাসনকেন্দ্র স্থাপন করব (তাঁর ইচ্ছে পূরণ হয়েছিল। সম্রাট অশোকের সময় তো বটেই, তার কিছুকাল পরও খ্রিষ্টপূর্ব ২০০ অব্দ পর্যন্ত অমরাবতী মৌর্যদের দক্ষিণাঞ্চলীয় শাসনকেন্দ্র ছিল)।

    চাণক্য বললেন, অবশ্যই। অমরাবতীই আমাদের মৌর্য সাম্রাজ্যের শেষ সমুদ্রসীমা।

    সম্রাট বললেন, তাহলে সৈন্যদের সীমান্তে পাঠিয়ে দিন এবং আমাদের যাত্রার দিনক্ষণ নির্ধারণ করুন। সেনাপতি আগেই যাবে। পরিকল্পনা মতে যুদ্ধশিবির স্থাপন, আক্রমণস্থল নির্ধারণ, রসদ-যানবাহন প্রেরণ, দাস-দাসী এবং বিনোদন শ্রমিক পৌঁছানো নিশ্চিত করবে। সবার আগে যাবে নগর বিচারকের নেতৃত্বাধীন কর্মিকবৃন্দ, যারা সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধান করে। যুদ্ধশিবিরে যেন নগর বিচারকের সম্মানজনক আবাস থাকে।

    মহামন্ত্রী চাণক্য বললেন, বিভিন্ন বাহিনীর আমি নাম ধরে ডাকব, দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক সাড়া দেবে। নৌজাহাজের অধিপতি। লোকটি সটান দাঁড়িয়ে বলল, প্রস্তুত মহামান্য সম্রাট। এভাবে ডেকে গেলেন ষাঁড়ে টানা লরি, পদাতিক সৈন্য, অশ্বারোহী, গজারোহী, রথী এবং সবশেষে রাজকীয় সুস্থির বাহিনীর বা সম্মিলিত বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ককে, যারা সরাসরি সম্রাটের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    সম্রাট বললেন, এ যুদ্ধে নৌবাহিনীর ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি পর্বতবাহিনীকেও দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে।

    চাণক্য সম্রাটের কথায় বিজ্ঞের মতো মাথা নাড়লেন।

    অবশেষে সম্রাট বললেন, এটাই আমাদের এখানে শেষ প্রস্তুতি সভা। যুদ্ধশিবিরে পৌঁছে বাকি কথা।

    .

    এদিকে মেগাস্থিনিস গেছেন আচার্য ভদ্রবাহুর কাছে। আজকে তাঁর সাক্ষাৎ পাওয়া গেছে। ভদ্ৰবাহু হাস্যোজ্জ্বল মুখে বললেন, দূতপ্রবর, আসুন। অনেক দিন পর আপনাকে দেখলাম।

    আচার্য, আমি এসে এসে ফিরে যাচ্ছি। আপনার সাক্ষাৎ মিলছে না।

    এখন দেখা হয়ে গেল, বলুন কী অবস্থা?

    স্থুলভদ্রের সঙ্গে দেখা হলো সেদিন।

    কোনো সমস্যা?

    না, সে রকম না, আপনার মতো না।

    সবাই কি এক রকম হয়? হয় না।

    সম্রাট তাহলে অন্ধ্রে অভিযানে যাচ্ছেন। আমার মনে হয় সম্রাটকে কেউ পরাজিত কিংবা ইন্ডিয়া কেউ দখল করতে পারবে না।

    কেন?

    মেগাস্থিনিস বললেন, গ্রিক ডায়োনিসাস এবং হারকিউলিসের মতো দেবতা এখানেও আছেন।

    আপনি তাঁদের সাক্ষাৎ পেয়েছেন?

    পাইনি, তবে মূর্তি দেখেছি এবং বিজ্ঞ ইন্ডিয়ানরা এ কথা স্বীকারও করেছেন।

    আচার্য মেগাস্থিনিসের কথা শুনে হাসলেন। মেগাস্থিনিস আবার বললেন, যে জন্য এসেছি, মানুষ কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে কথা বলবে, তা আপনি সমর্থন করেন?

    আচার্য ভদ্ৰবাহু বুঝতে পারলেন মেগাস্থিনিস কী বোঝাতে চাইছেন। বললেন, স্থূলভদ্র আমাকে বলেছে। আমি সম্রাটের সঙ্গে কথা বলেছি। সম্রাজ্ঞীও খোঁজখবর নিচ্ছেন। সুসংবাদ আপনি পেয়ে যেতে পারেন।

    এরা স্বাভাবিক মানুষের মতো লোকালয়ে বাস করতে পারবে?

    কিন্তু সাধারণ মানুষ যে তাদের মুখ দেখতে চায় না।

    তাদের ভুল ভাঙতে হবে, আচার্য। মহামন্ত্রীর অবস্থান বোঝা যাচ্ছে না। তিনি অবশ্য আমাকে পছন্দ করেন না। তাঁর সঙ্গে শক্ত শক্ত কথা হয়েছে। তিনি পণ্ডিত মানুষ, বিচক্ষণ ব্যক্তি; কিন্তু প্রাণখোলা নন।

    কথা শুনে ভদ্রবাহু হাসলেন। মেগাস্থিনিস আবার বললেন, আপনি প্রধান মন্ত্রক হলে ভালো হতো। এবার উচ্চ স্বরে হাসলেন ভদ্রবাহু।

    আমি তাহলে আসি, আচার্য?

    আচার্য শর্মিলাকে ডাকলেন এবং বললেন, তুমি দূতপ্রবরকে এগিয়ে দিয়ে এসো।

    শর্মিলা নিঃসংকোচে মেগাস্থিনিসকে এগিয়ে দিতে গেলেন। আচার্য তাঁদের গমন পথে তাকিয়ে একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন। কেন তা তিনিই জানেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }