Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৫৮

    ৫৮

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত ও মহামন্ত্রী চাণক্য সেলুসিড আর্মির আত্মসমর্পণের শর্তসংবলিত যে সন্ধি দলিলের খসড়া তৈরি করেছেন, সুবন্ধু তা পড়ে শোনাচ্ছেন। উদ্দেশ্য দলিলটির অধিকতর পরিমার্জনা ও কার্যকারিতায় শাণ দেওয়া। দলিলটি এ রকম :

    ভূমিকা : মৌর্য বাহিনীর সঙ্গে গ্রিক বাহিনীর দুই বছরব্যাপী যুদ্ধের শেষ অঙ্ক সমাপ্ত হতে চলেছে। এ যুদ্ধটা ছিল দখলদার বাহিনীকে উচ্ছেদের যুদ্ধ। মৌর্য বাহিনীর জন্য অনিবার্য এক যুদ্ধ। এ যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে নিম্নোক্ত সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলো :

    শর্ত ১ : যেহেতু গ্রিক বাহিনী সম্রাট আলেকজান্ডারের সময় থেকে সিন্ধু অববাহিকার রাজ্যসমূহ দখল করে রেখেছে, মহামান্য সম্রাট সেলুকাস সেসব রাজ্য, অর্থাৎ হিন্দুকুশ পর্বতের দক্ষিণে এবং পূর্বে সমস্ত বিজিত রাজ্য মহামান্য মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তকে ফেরত দেবেন। দখলীয় এলাকা হতে এখনই গ্রিক সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে।

    শর্ত ২: গ্রিক বাহিনী স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করায় মৌর্য সম্রাটের হস্তীবাহিনী হতে তিনশত প্রশিক্ষিত রাজকীয় হস্তী উপহারস্বরূপ গ্রিক সম্রাটকে প্রদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। এ উপহার গ্রিকদের সঙ্গে মৌর্য সাম্রাজ্যের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বাড়াবে।

    শর্ত ৩ : গ্রিকদের সঙ্গে আন্তরিক ও পারিবারিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে মহামান্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্রাট সেলুকাস-কন্যা কর্নেলিয়ার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। উভয় পক্ষের সম্মতিতে রাজকীয়ভাবে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। বিয়ের স্থান ও সময় উভয় পক্ষ আলোচনা করে স্থির করবেন। নিচে উভয় সম্রাটের স্বাক্ষর থাকবে। সমঝোতা স্মারক শেষ করে বললেন সুবন্ধু।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত বললেন, শর্তগুলো ঠিক আছে। শুধু হস্তীর সংখ্যা তিন শ থেকে পাঁচ শ করে দাও। আমার দেওয়া উপহার তো কম হতে পারে না, কী বলেন, আচার্য?

    চাণক্য মাথা নেড়ে বললেন, ঠিক আছে। তাঁর কণ্ঠস্বরে মনে হলো না তিনি কথাটা অন্তর থেকে বলেছেন।

    সুবন্ধু বললেন, মহামান্য সম্রাট, এ শর্তগুলো কি গ্রিকরা মানবে বলে মনে হয়?

    সুবন্ধুর কথা শুনে সম্রাট হাসলেন। তাঁর কাছে সুবন্ধু এখনো বাচ্চা মানুষ। চাণক্য বললেন, সেলুকাস এখন ফাটা বাঁশে আটকে গেছে, পালানোর পথ নেই, শর্তগুলো না মেনে তার উপায় ও নেই। আমরা বরং রাজকন্যার বিয়ের প্রস্তাবের সঙ্গে পাঁচ শ হাতি উপঢৌকন দেওয়ার কথা বলে মহত্ত ও সৌজন্য প্রকাশ করেছি। তা তাঁর গ্রহণ করা উচিত।

    ঠিক এ সময়ই এক দূত হন্তদন্ত হয়ে এসে সম্রাটকে কুর্নিশ করে দাঁড়াল। চাণক্য তাতে বিরক্ত হলেন। বিরক্তিটা দুই কারণে। প্রথমত, এ রকম একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও সময়ে অনাহূতভাবে দূতের উপস্থিতি। দ্বিতীয়ত, চাণক্যের অহংবোধ। তাঁর নিয়মে একজন দূত সরাসরি সম্রাটের কাছে আসবে কেন? প্রথমে তাঁর কাছে যাবে। প্রয়োজন হলে তিনি দূতকে সম্রাটের কাছে নিয়ে আসবেন। তাই রুষ্ট স্বরে বললেন, বলো, কী জন্য এসেছ?

    দূত হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, মহামান্য সম্রাট, উত্তর থর এলাকায় প্রতিরক্ষাবেষ্টনী-ব্যূহ ভেদ করে গ্রিক সৈন্যরা আমাদের বাহিনীকে আক্রমণ করেছে। সেখানে তুমুল যুদ্ধ চলছে। কোনো রণভেরি ছাড়াই এ আক্রমণ।

    মহামন্ত্রীকে নিয়ে সম্রাট রওনা হয়ে গেলেন উত্তর থরের উদ্দেশে।

    আসল ঘটনাটা এই, সমর পরিষদ সভা শেষে ফেরার পথে জেনারেল আর্কিমেডেস এবং জেনারেল ক্লদিয়াসের মধ্যে কথা হয়। জেনারেল আর্কিমেডেস কিউকেকাস ও সম্রাটের কথায় খেপে আছেন। কর্নেলিয়া তাঁকে সমর্থন না দেওয়ায় তাঁর মেজাজ এখন তুঙ্গে। তিনি ক্লদিয়াসকে বললেন, ভাগ্যে যা আছে ঘটবে, আমি ওদের আক্রমণ করে ব্যূহভেদ করবই। আপনি আমাকে সহায়তা দিন।

    কিউকেকাসের কথায় আমারও মাথা গরম হয়ে আছে, বললেন ক্লদিয়াস। আমরা আত্মসমর্পণ করব না। জাল কেটে বের হয়ে যাব। রাতটা কোনোভাবে কাটাতে হবে।

    যে কথা, সেই কাজ। ভোরের দিকে আর্কিমেডেস তাঁর সারিসা এবং ক্লদিয়াস তাঁর খচ্চর আর গাধা বাহিনী নিয়ে মৌর্য বাহিনীকে আক্রমণ করে বসলেন। তুমুল যুদ্ধ বেধে গেল। উত্তর থরের এই জায়গাটার কাছেই সিন্ধু অববাহিকার দৃষ্টিনন্দন পাহাড় ও ঘন জঙ্গল। আর্কিমেডেস ও ক্লদিয়াসের উদ্দেশ্য, এরা এ বন্ধুর পাবর্ত্য ভূমিতে পালিয়ে যাবেন। যুদ্ধের ভাগ্য কী, তা তাঁদের না ভাবলেও চলবে।

    মরুভূমি এলাকায় ভোরে কুয়াশা থাকে। কারণ, দিনে প্রচণ্ড গরম হলেও শেষ রাতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের প্রায় কাছাকাছি চলে আসে। আক্রমণের আসল সময়টাই বেছে নিয়েছেন এঁরা। তাঁদের হাতে গ্রিক পতাকা নেই। কারণ, এঁরা পতাকার জন্য লড়ছেন না। জেদ ও নিজেদের জীবনের জন্য লড়ছেন।

    ঘন কুয়াশায় সকালবেলায় গুল্মের ওপরে জমাট বাঁধা হিমানীকণাগুলো শিশিরে পরিণত হয়েছিল। দূরে পাহাড়ে কুয়াশাগুলোকে দেখাচ্ছিল দুগ্ধশুভ্র ঢেউখেলানো এক সমুদ্রের মতো। সেখান থেকে নেমে আসে হস্তীবাহিনী আর পদাতিক সেনারা। প্রচণ্ড আঘাত করে আর্কিেেডস ও তার সেনাদলকে। কুয়াশায় সারিসা ভালো কাজ করছিল না। আন্দাজ করা কঠিন ছিল মৌর্যদের কত সৈন্য সেখানে ব্যূহ তৈরি করে আছে। এ ছাড়া হাতিরা কিছুই মানছিল না। বন-পাহাড়ে কিংবা জঙ্গলে যাদের জন্ম, বন্য সংস্কৃতি তাদের সহায়। তাই কুয়াশা এদের বাধা নয়, বদান্য।

    আকাশ পরিষ্কার। পূর্ব দিকের সূর্যটা যেন লাল এক প্রকাণ্ড বৃত্ত। রক্তের রং ধরে আছে। এদিকে এখানে চলছে রক্তের খেলা। আর্কিমেডেসের সারিসা দূর থেকে আঘাত করেই চলেছে। পদাতিক সৈন্যরা ঢাল দিয়ে তা ফিরিয়ে দিচ্ছে অনায়াসে। দুয়েকটা ঢাল বিচ্যুত হলে বুকে লাগছে ঠিক বর্মের ওপর। তা তরবারি দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছে সজোরে আঘাত করে।

    ক্লদিয়াসের বাহিনী পেছনে। রাগের চেয়ে তিনি বেশি কৌশলী। দুদিকই এখন রক্ষা করে চলেন। সারিসাধারীরা পেরে উঠছে না ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী দেব-অস্ত্রের সঙ্গে। ক্লদিয়াসের এক যুদ্ধপ্রবণ সৈনিক তাড়া দিচ্ছিল পেছন থেকে। ক্লদিয়াস তাকে প্রায় থামিয়েই দিলেন। কিন্তু ক্লদিয়াস বুঝতে পারেন নি বেষ্টনী ভেদ করে তিনিও বাইরে অবস্থানরত শত্রুসৈন্যের মুখোমুখি। আঘাতের পর আঘাতে যখন তাঁর সৈন্যরা নাস্তানাবুদ, সরবরাহ বিভাগের এই জেনারেল তখন নিরুপায়। চিৎকার করে বলছেন, মারো, এদের মারো, আঘাত করো। এগিয়ে যাও।

    সামনে প্রচণ্ড বাধা। আর্কিমেডেসের বাহিনীকে অতিক্রম করে কয়েকটি হাতি ও অশ্বারোহী বাহিনীর কতিপয় সদস্য পাথর ভাঙার মতো মুদগর দিয়ে ভাঙছে সারিসাধারী সৈন্যদের মাথা। কেউ ভূপাতিত, কেউবা রক্তাক্ত মাথা চেপে ধরে পালাতে চাইছে। পলায়নপর সৈন্যদের দেখে ক্লদিয়াস বুঝতে পারছেন না অগ্রসর হবেন, নাকি পালাবেন। পাশাপাশি মনে হলো তাঁর আর্কিমেডেসের কী অবস্থা? হয়তো বেঁচে নেই। এটা ভেবেই ক্লদিয়াস দুর্বল হয়ে পড়লেন, সিদ্ধান্ত নিলেন, সামনে গিয়ে কাজ নেই। কিন্তু তাঁর সৈন্যদের বললেন, বাছারা, এগিয়ে যাও। আমি তোমাদের সঙ্গে আছি।

    একজন সৈন্য বলল, জেনারেল, আপনি কি আমাদের পেছনে আসতে চান? কথা বলতে বলতে হাঁপাচ্ছে সে। মৌর্যদের অশ্বারোহী বাহিনীর একটি তির সঙ্গে সঙ্গে তাকে বিদ্ধ করল। সে শুধু বহু কষ্টে বলতে পারল, জেনারেল।

    অবস্থা খুবই ভয়াবহ। যেসব সৈন্য মাটিতে পড়ে গেছে—আহত, নিহত বা সুস্থ, হাতিগুলো তাদের সবাইকে নৃশংসভাবে পদদলিত করছে। তাই ক্লদিয়াস দৌড়াচ্ছেন, এবার দৌড়ে গিয়ে একেবারে সম্রাট সেলুকাসের সামনে পড়ে গেলেন।

    তাহলে তুমি কাপুরুষের মতো দৌড়াচ্ছ? ওই আহম্মকটা কোথায়, যাকে তুমি কুবুদ্ধি দিয়ে এ পথে নামিয়েছ?

    সম্রাটের এ কথা শুনে কয়েকবার কেঁপে উঠলেন ক্লদিয়াস। সম্রাটের সঙ্গে থাকা ফিলেকাসকে উদ্দেশ করে বহু কষ্টে বললেন, জেনারেল, আমার কী হলো? আমি পড়ে যাচ্ছি কেন? পা দুটো খাড়া রাখে পারছি না, বলে উপুড় হয়ে পড়ে গেলেন।

    সম্রাট সেলুকাস দেখলেন তাঁর জেনারেলের পেছনে পিঠে একটি তির বিদ্ধ হয়ে আছে। শুনেছেন তির অর্জুনের অস্ত্র। সে কথা মনে করতে করতে নিজের হাতেই তিরটি টেনে তুললেন। বললেন, কাপুরুষ! পেছনে তির লেগেছে। বীরের গৌরব ভাগ্যে ছিল না।

    সেলুসিড সৈন্যরা, থামো তোমরা, বলে প্রচণ্ড হাঁক ছাড়লেন সেলুকাস। যুদ্ধ বন্ধ, বলে তিনি নিজে সাদা পতাকা হাতে তুলে ধরলেন।

    সাদা পতাকা দেখে মৌর্য সৈন্যরা অস্ত্র সংবরণ করল। সম্রাট এগিয়ে এলেন। মৌর্য পক্ষের সেনাপতি সদাচারকে দেখে বললেন, আমি মনে হয় তোমাকে চিনি। আমরা সমঝোতা স্মারক সই করতে প্রস্তুত। ভুল-বোঝাবুঝিতে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেল। আমাদের এক জেনারেলকে খুঁজে পাচ্ছি না। সে একজন প্রিন্সও।

    সম্রাট নিজেই খুঁজছেন তাঁকে। অনেক সৈন্য পড়ে আছে। কারও মাথা নেই, কারও হাত নেই, কারও পা নেই, কারও রক্ত ঝরছে, কারও সবকিছুই আছে, প্রাণ নেই। হতাশাগ্রস্ত কয়েকজন সৈন্যকে পাওয়া গেল, যারা যুদ্ধের আগে প্রচুর মদ খেয়েছে। এদের একজন মাতাল অবস্থায় বলল, আপনি নিশ্চয়ই আমাকে খুঁজছেন, মহামান্য সম্রাট। আমি ভালো আছি, নিহত হই নাই। আকাশ দেখছিলাম, আকাশ। অসীম আকাশ। সাদা মেঘ উড়ে বেড়াচ্ছে, শান্ত, স্তব্ধ, গম্ভীর, হাত দিয়ে নাগাল পেলাম না। জেনারেল বললেন, সম্রাটের আদেশে খুব ভোরে যুদ্ধে যেতে হবে। রাতে ঘুমাই নি। দেখুন, রাতে পান শেষ না হতেই ভোর হয়ে গেল।

    কেন সম্রাট তার এত কথা শুনতে গেলেন, বোঝা গেল না। সামনে গেলেন। নিহতদের বেশির ভাগই হস্তীতে পদদলিত। বড় বীভৎস। একইভাবে মৃত্যুর শিকার হয়েছেন জেনারেল আর্কিমেডেস। মুখমণ্ডল ঠিক আছে। বুকটা থেঁতলে গেছে। একজন ভারতীয় মৃত সৈন্যের বুকে বিদ্ধ হয়ে আছে তাঁর সারিসা।

    সম্রাট সেলুকাসের মদ্যপায়ী সৈনিকটির কথাই মনে হলো, আকাশটা শান্ত, স্তব্ধ, হাতে নাগাল পাওয়া যায় না। সব সুন্দর স্পর্শের বাইরে থাকে। মুখে বললেন, তাদের সামরিক মর্যাদায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

    সদাচার মাথা নাড়লেন এবং তাঁর সৈন্যদের বললেন, মৃতদেহগুলো আলাদাভাবে সৎকারের ব্যবস্থা করো। আহতদের চিকিৎসা দিতে হবে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে নিয়ে যাও।

    সেলুকাসের আত্মসমর্পণের সংবাদ গ্রিক শিবিরে অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল। সংবাদ শুনে কর্নেলিয়া ছুটে এলেন। আর্কিমেডেসের মৃত্যুসংবাদ তাঁকে খুবই ব্যথিত করল। তাঁর অনেকগুলো স্মৃতি আর্কিমেডেসের সঙ্গে। ঝিলাম প্রমোদপ্রাসাদের কথা খুব মনে পড়ল। ঝিলাম নদীতে নৌবিহারের কথা মনে হলো। আর্কিমেডেসের মৃতদেহ আলাদাভাবে রাখা হয়েছে। কী সুন্দরভাবে ঘুমিয়ে আছেন। কর্নেলিয়া তাঁর পাশে এলেন। হাঁটু গেড়ে বসলেন। আর্কিমেডেসের কপালে হাত রাখলেন। দুচোখ বেয়ে অশ্রু নেমে এল। চেষ্টা করেও তা গোপন করতে পারলেন না। মনে মনে বললেন, আর্কিমেডেস, কোনো গ্রিককে যদি বিয়ে করতাম, তাহলে তুমি হতে সে ব্যক্তি। আমি আমার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করতে পারি না। স্বর্গে তোমার সঙ্গে আমার দেখা হবে। কিন্তু তুমি একি ছেলেমানুষি করলে? নিজের জীবন দিলে? ভালোই করেছ। গ্রিক দেবতারা নিশ্চয়ই তোমার ত্যাগ ও বীরত্বে গর্বিত। আমরাও গর্ববোধ করি, করে যাব। তোমার অতৃপ্ত আত্মা শান্তি পাক। তুমি ঘুমাও আর্কিমেডেস, ঘুমাও, কত শান্ত আর স্বস্তির ঘুম। কী ভাগ্য তোমার!

    সম্রাট কাছে এসে সরিয়ে নিলেন তাঁকে। বললেন, প্রিন্স আর্কিমেডেস তাঁর কাজিন। একসঙ্গে বড় হয়েছে। তাই কষ্টটা বেশি। সেনাপতি, চলুন, আমাদের কোথায় যেতে হবে।

    সেনাপতি সদাচার তাঁদের একটি দুর্গে নিয়ে চললেন। দুর্গটি অস্থায়ী। সেলুকাসই নির্মাণ করিয়েছিলেন নয় মাস আগে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। তাই এ ব্যবস্থা। থর এলাকায় জনবসতি খুবই কম। তারপরও শত শত মানুষ এসেছে। গ্রিক সম্রাট সেলুকাস আর তাঁর কন্যাকে দেখছে। মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের কাছে এঁরা আত্মসমর্পণ করেছেন। তাই চন্দ্রগুপ্তের মঙ্গল কামনা করে জয়ধ্বনি দিচ্ছে। গ্রিকদের নিন্দা করছে। মৌর্য বাহিনী জনগণকে সামাল দিচ্ছে, যাতে কেউ কাছে না ঘেঁষতে পারে, সে ব্যবস্থাও করছে।

    বড় ক্লান্ত আর পরিশ্রান্ত দেখাচ্ছে সেলুকাস ও তাঁর সঙ্গীদের। কেউ কথা বলছে না। সেলুকাস নিজে একটি গ্রিক (সেলুসিড) পতাকা বহন করে চলেছেন। তাঁর জেনারেল ফিলেকাস নিতে চেয়েছিলেন, দেন নি। এ পতাকার জন্ম দিয়েছেন তিনি। শেষও দেখতে চান তাঁর হাতে। হয়তো ভাবছেন, এখানেই তাঁর সম্রাটত্ব শেষ। এন্টিওকাস পারলে বাকি সাম্রাজ্য টিকে থাকবে। কর্নেলিয়া আহত হরিণীর মতো। পিতার ভাগ্য জেনে গেছেন। নিজের ভাগ্যটা কী, জানেন না। তাঁকে কি বন্দী অবস্থায় সম্রাটের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে? কী হবে তখন? এ কথা ভাবতে ভাবতে সম্রাটের একদম কাছে চলে এলেন। হাঁটছেন একটি ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে, যা একদিন আগেও তাঁদের অধিকারে ছিল। কিছুক্ষণ আগেও স্বাধীন ছিলেন, এখন নেই। এখন তাঁর কাছে সবই তুচ্ছ ও অর্থহীন মনে হচ্ছে।

    ঠিক একই বিষয় ভাবছেন সেলুকাস। সবকিছু অর্থহীন ও তুচ্ছ মনে হচ্ছে। আত্মসমর্পণ না করলেও পারতেন। সময় নেওয়া যেত। কিন্তু কীভাবে কী হয়ে গেল, বুঝতে পারছেন না। মৃত্যুর চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছেন। মহত্ত্বের অর্থহীনতা, বুদ্ধির অতীত জীবনের অর্থহীনতা এবং মৃত্যুর অর্থ যদি জীবিত মানুষের বুদ্ধি ও ব্যাখ্যার অতীত গুরুত্বহীনতা হয়, এখন তাঁর জীবিত থাকার মধ্যে মৃত মানুষের সে অবস্থাকেই দেখতে পাচ্ছেন। বিশাল বাহিনীর যে ভাগ্য তিনি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, এটি বোধ হয় ঠিক হলো না। যুদ্ধ করে এরা এদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারত। সুযোগ হলে ক্ষমা চেয়ে নেবেন। কিন্তু এ অপরাধ অমার্জনীয়। তারা কি ক্ষমা করবে?

    এসব ভাবতে ভাবতে পৌছে গেলেন দুর্গে। এ দুর্গে একসময় তাঁকে ঘিরে থাকত সব রকমের কর্মকাণ্ড। আজও তাঁকে ঘিরে সব কর্মকাণ্ড, কিন্তু চিত্রপট ভিন্ন। সেদিন তিনি আদেশ করতেন, আজ আদেশ শুনছেন। আসবাবগুলো, দুর্গের দেয়াল, পানপাত্র—এসবের যদি ভাষা থাকত, তাহলে এরা আজ অন্য রকম কিছু বলত। সেলুকাস নিজেই প্রশ্ন করলেন, কী বলত?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }