Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৮৩

    ৮৩

    ইপসাসের যুদ্ধে উভয় পক্ষ ফ্যালনক্স রীতির যুদ্ধকৌশল নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান করছে। সামনের দিকে উভয় পক্ষের পদাতিক বাহিনীকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এন্টিওকাসের কাছে রয়েছে সেলুকাসের এপিলেকটোই বাহিনী। তবে এন্টিগোনাসের পদাতিক সৈন্যসংখ্যা সেলুকাসের চাইতে বেশি। তার এপিলেকটোই (অশ্বারোহী) সৈন্যও বেশি। তিনি পঁচাত্তরটি যুদ্ধহস্তী নিয়ে এসে গোপনে আড়াল করে রেখেছেন, যাতে করে সময়মতো ব্যবহার করতে পারেন। তাঁর বিশ্বাস, এসব হাতির খবর সেলুকাস আর তাঁর মিত্ররা জানেন না। তাঁর ভরসার আরেকটি জায়গা আছে। তিনি আশা করছেন, এন্টিওকাস সময় ও সুযোগমতো তাঁর সঙ্গে যোগ দেবেন।

    সেলুকাস ও তাঁর মিত্রদের অবস্থানও একই রকম। সেলুকাস কোনো মিত্রকে যুদ্ধহস্তী হস্তান্তর করেন নি। গোপনে নিজের কাছে, ফিলেকাসের কমান্ডে রেখে দিয়েছেন। অন্য মিত্রদের কাছে একরা বাহিনীর জায়গির রীতির সৈন্যরা শুধু আদেশের অপেক্ষায় আছে।

    এন্টিগোনাসপুত্র দিমিত্রিয়াসের যেন অপেক্ষা সইছে না। কারণ, তাঁর পদাতিক ও অশ্বারোহী সৈন্য বেশি। তিনি শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। প্রথম পর্যায়ের এ যুদ্ধে তিনি বেকায়দায় ফেলে দিলেন সেলুকাসের সেনাবাহিনীকে। বাম উইং “ আপাতত মনে হবে এন্টিওকাস সুবিধে করতে পারছেন না। আসলে এন্টিওকাস উভয় তাঁর মিত্ররা যুদ্ধে জয়ী হন, তাহলে তো জয় ত

    পা দিয়ে রেখেছেন। যদি সেলুকাস ও হ। আর যদি এঁরা হেরে যান, তাহলে তিনি দিমিত্রিয়াসের সঙ্গে যোগ দিয়ে বিজয় উৎসব করবেন।

    এই মনোভাবে সেলুকাসের অশ্বারোহী বাহিনী যুদ্ধে যে ভূমিকা রাখে, তা দুর্ভাগ্যজনক। সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে দিমিত্রিয়াস সামনে চলে আসেন এবং চিৎকার করে বলেন, সেলুকাস, সারেন্ডার করুন, আপনার পতন অনিবার্য।

    সেলুকাস আর তাঁর মিত্ররা দিমিত্রিয়াসকে তাঁর বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। পেছনে কী হচ্ছে, তা টের পেলেন না দিমিত্রিয়াস।

    শুরু হলো যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায়। সেলুকাস তিনশ হাতি নিয়ে দিমিত্রিয়াসকে ঘিরে ফেললেন এবং চিৎকার করে বলতে থাকলেন, এন্টিগোনাসপুত্র দিমিত্রিয়াস, তুমি আমাদের জালে আটকা পড়ে গেছ। উদ্ধার করতে পিতাকে ডাকো। তিনি হাতিদের দ্বারা দিমিত্রিয়াসের অশ্বারোহী বাহিনীকে মাঝখানে রেখে চারদিকে চক্কর দিতে থাকলেন। চাইলে আক্রমণ করে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু মজা করতে চাইলেন। দিমিত্রিয়াসের অশ্বরা যেই না পালাতে চায়, তাঁর হাতিরা ভয় দেখিয়ে আবার পূর্বস্থানে ফিরিয়ে দেয়। এই খেলায় গজারোহী বাহিনী বেশ মজা পায়।

    এদিকে এন্টিগোনাস সেলুকাসের অন্য মিত্রদের মাঝখানে পড়ে কৌশলে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নিজস্ব হস্তীবাহিনী থেকেও তিনি বিচ্ছিন্ন। এ সময় হস্তীবাহিনী তাঁর সঙ্গে থাকা দরকার ছিল। তিনি তাদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে না পড়ে শুধু পদাতিক একরা বাহিনীর ওপর নির্ভর করলেন, তা রহস্যাবৃতই থেকে গেল। তাঁর হস্তীবাহিনীকে আগুনের মশাল জ্বালিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হলো। সৈন্যরা হাতির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এদিক-সেদিক পালাতে শুরু করল।

    এন্টিগোনাস আশা করতে থাকলেন, তাঁর পুত্র তাঁকে উদ্ধার করতে আসবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, তাঁর পুত্র কোনো সাহায্যেই এগিয়ে আসতে পারলেন না। সেলুকাসের মিত্রবাহিনীর বর্শার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে এন্টিগোনাসের মৃত্যু হলো।

    এন্টিগোনাসের মৃত্যুর খবর অচিরেই সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল। এ সংবাদে তাঁর সেনাবাহিনী যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাতে শুরু করল। সেলুকাসের কানে এ সংবাদ পৌঁছালে তাঁর সৈন্যরা আনন্দ- উল্লাস করতে থাকল হাতির পিঠে অবস্থান করেই। তাতে মনোযোগ নষ্ট হলো। এক ফাঁকে দিমিত্রিয়াস তাঁর ঘোড়াকে নিষ্ঠুর এক চাবুক মেরে দ্রুত বেষ্টনী থেকে পালাতে সক্ষম হলেন। নিরাপদ জায়গায় গিয়ে তিনি কিছু সৈন্য সংগ্রহ করলেন বটে, কিন্তু তা এত নগণ্য যে আক্রমণের সাহস পর্যন্ত করলেন না।

    মিত্রবাহিনীর জয় হলো ইপসাসের যুদ্ধে। সিরিয়া ও এশিয়া মাইনরের একাংশ চলে এল সেলুকাসের দখলে। মিত্ররাও এন্টিগোনাসের সাম্রাজ্যের ভাগ পেলেন। তবে একটি অবিশ্বাস সবার মধ্যে দানা বেঁধে উঠল। সব যুদ্ধহস্তী কেন সেলুকাস তাঁর অধীনে রাখলেন? তিনি কি মিত্রদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করেছিলেন? হস্তীবাহিনী না থাকায় এঁরা যেকোনো বিপদের সম্মুখীন হতে পারতেন। এন্টিওকাসের অবস্থানও তাঁদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। তাহলে কি মৈত্রী বন্ধন এখানেই শেষ?

    যুদ্ধে জয়লাভ করেই সেলুকাস আবার পত্র লিখলেন চন্দ্রগুপ্ত ও টলেমির কাছে। একটি ভারতবর্ষে এবং অপরটি মিসরে। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০১ সালের যুদ্ধে এন্টিগোনাসের পরাজয়ের পর সিরিয়া আবার সেলুকাসের দখলে আসে। আশপাশের আরও কিছু দ্বীপের দখলও পেয়ে যান তিনি। ষড়যন্ত্রের জন্য পুত্র এন্টিওকাস ও পত্নী স্ট্রেটোনিসকে শাস্তি না দিয়ে ক্ষমা করে দেন।

    এ যুদ্ধজয়ের পেছনে যে চন্দ্রগুপ্তের পাঁচশত হাতিই কার্যকর ভূমিকা রেখেছে, সে কথা জানিয়ে চন্দ্রগুপ্তকে পত্রে কৃতজ্ঞতাও জানান। টলেমিকে পত্রে জানান, আমি আপনার পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পেরে কৃতার্থ বোধ করছি। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে দিমিত্রিয়াস পালিয়ে যায়।

    এ যুদ্ধে জয়ের জন্য চন্দ্রগুপ্ত পাটালিপুত্রে এক বিজয়োৎসবের আয়োজন করলেন। বসন্ত উৎসব উপলক্ষে আসা দিদাইমেইয়ারা ও মেগাস্থিনিস এ উৎসবে যোগ দিলেন।

    মেগাস্থিনিসের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পর্ব দুদিন আগেই সাঙ্গ হয়েছে। পরিচয়কালে তাঁকে কোনো বিব্রতকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় নি। সঙ্গে ছিলেন দিদাইমেইয়া। মহামন্ত্ৰী আগেই সম্রাটের দরবারে উপস্থিত হন। তিনি সম্রাটের নতুন বধূবরণের সব আয়োজনই শেষ করে রেখেছিলেন। ভারতীয় রীতিতে বধূবরণটা হেলেন খুব উপভোগ করেছেন। মহামন্ত্রী চাণক্যের আন্তরিকতায় মুগ্ধ চন্দ্রগুপ্ত। তাই কথাবার্তা হচ্ছিল আন্তরিক পরিবেশে। মহামন্ত্রী যা কখনো করেন না, মেগাস্থিনিসকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কালে তা-ই করলেন। তাঁকে বেশ প্রগল্ভ মনে হলো। পরিবেশটা তিনি মেগাস্থিনিসের অনুকূল করে দিলেন। চন্দ্রগুপ্ত মেগাস্থিনিসের জন্মস্থান- বৃত্তান্ত থেকে সব ব্যক্তিগত, পেশাগত, এখানে তাঁর উর্দিষ্ট সব বিষয়ের খোঁজখবর নিলেন। দিদাইমেইয়া কোনো কোনো বিষয়কে সহজ করে দিলেন। শেষে কথা উঠেছিল বসন্ত উৎসব নিয়ে। তাঁর বিশাল আয়োজনের রূপরেখা তুলে ধরেন চাণক্য নিজে। এতে উৎসবের পূর্ব অনুরাগের সৃষ্টি হয় সমগ্র পরিবেশজুড়ে। চন্দ্রগুপ্ত সম্পর্কেও একটি সুউচ্চ ধারণার জন্ম হয় মেগাস্থিনিসের।

    বসন্ত উৎসবের আগেই সেলুকাসের ইপসাস বিজয় উৎসব করতে বলেন চন্দ্রগুপ্ত। তিনি সম্ভবত বোঝাতে চাইলেন, এ বিজয়টি একা সেলুকাসের নয়, তাঁরও। কারণ, তিনি যুদ্ধজয়ের প্রধান হাতিয়ার যুদ্ধহস্তী পাঠিয়েছিলেন। সেলুকাসের মনোবল বৃদ্ধিতে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছিলেন। এ ছাড়া থরের যুদ্ধে পরাজয়ই সেলুকাসকে একটি যুদ্ধে জয়ের জন্য মরিয়া করে তুলেছিল। কাঙ্ক্ষিত সে বিজয় নিশ্চয়ই সেলুকাসকে পরম প্রাপ্তির তৃপ্তিতে ভরিয়ে দিয়েছে। তিনি যখন শুনবেন তাঁর বিজয়ে ভারতীয় সম্রাটও বিজয়োৎসব করেছেন, তাহলে ব্যাপারটা একটা ভিন্ন মাত্রা পাবে। যার ফল হবে সুদূরপ্রসারী। যেখানে হেলেনের খুশির ব্যাপারটাও প্রচ্ছন্ন হয়ে থাকবে।

    অন্য সময় হলে মহামন্ত্রী চাণক্য প্রকাশ্য না হোক, আড়ালে-আবডালে হলেও বিরোধিতা করতেন। হয়তো এমন কথাও বলতেন, সেলুকাস জয়লাভ করেছেন, এতে আমাদের কী! গ্রিকরা তো আমাদের কম জ্বালায় নি।

    এসবের তিনি কিছুই বললেন না, বরং এমনভাবে সহযোগিতা করলেন যে মনে হলো এটি তাঁর জয়োৎসব। চাণক্য এভাবে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। সম্রাজ্ঞী দুরধরার মৃত্যু থেকে থরের যুদ্ধ পর্যন্ত নানা সমস্যা তাঁকে যথেষ্ট অগোছালো করে তুলেছিল। মানসিক অস্থিরতা, সিদ্ধান্তে ভুল এবং সম্রাটের সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি যেন তাঁর নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই অবস্থা থেকে তিনি বের হয়ে আসতে চান।

    আচার্য ভদ্ৰবাহু এ বিজয় উৎসবে উৎফুল্ল। গ্রিকদের সঙ্গে সম্পর্কটাকে তিনি এগিয়ে নিতে চান। গভীরভাবে দেখলে মনে হবে চন্দ্রগুপ্তকে সুখী দেখতে চান। হেলেনই তাঁকে সুখী করতে পারেন।

    উৎসব নিয়ে খুশি নিকোমেডেস ও ফাওলিনও। উৎসবে গ্রিকদের উপহার প্রদান করা হলো। চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আজ যেহেতু গ্রিক বিজয় উৎসব, অনুষ্ঠানে সব গ্রিককে কিছু না কিছু করতে হবে। তার আগে আমি কিছু বলব। গ্রিকরা একসময় আমাদের শত্রু ছিল। মহামতি আলেকজান্ডারকে আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি। মাঝেমধ্যে ইচ্ছা হতো তাঁকে হত্যা করি। কিশোর বালক আমি। তারপরও এতটা ক্রোধ আর ঘৃণা চেপেছিল মনে। কিন্তু কি জানেন, এ লোকটিকে আমার পছন্দও ছিল। দেখতে বড় সুপুরুষ ছিলেন। দিগ্বিজয়ী বীর। আমাদের রাজারা যেন কেমন ছিলেন। তাঁদের ব্যক্তিত্ব, সাজসজ্জা আলেকজান্ডারের কাছে নস্যি। পছন্দটা সে জন্য। তিনি যখন ঘোড়া ছুটিয়ে চলতেন, কী যে লাগত আমার! সব সময়ই ভাবতাম, আমি যদি এ রকম বিশ্ববিজয়ী বীর হতে পারতাম। আলেকজান্ডার বড় অসময়ে মারা গেলেন।

    তক্ষশীলা থেকে ফেরার পথে একদিন ঝিলামের বিনোদন প্রাসাদে হেলেনকে দেখি। তাঁর চটপটে ভাব, আমাদের ভারতীয় তরুণীদের মতো নয়। ভিন্ন রকম। পরে জানলাম, তিনি সেলুকাস-কন্যা। আলেকজান্ডার তখনো আমার হৃদয়ে লুকিয়ে ছিলেন হয়তো। তিনি নারীরূপে হেলেনে রূপান্তরিত হলেন। শ্রদ্ধাটা বাড়তে থাকল। সঙ্গে…।

    নিকোমেডেস বলল, সঙ্গেটা কী?

    সবাই এ প্রশ্নে হেসে দিলেন। চন্দ্রগুপ্তও হাসলেন। বললেন, গ্রিকরা বীরের জাতি, বীরদের সম্মান করতে হয়। যুদ্ধক্ষেত্রেও সে সম্মানের কথা মনে রেখেছি আমি। আজ গ্রিক বীর সেলুকাসের যুদ্ধজয়েও শ্রদ্ধা জানাই। এ যুদ্ধে পরোক্ষভাবে আমরাও অংশ নিয়েছি। এখন নিকোমেডেস দায়িত্ব নাও। বাকি অনুষ্ঠান তুমি পরিচালনা করবে।

    নিকো, তুই ঠিকঠাকমতো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবি। দেখিস আবার সেনা কমান্ডারের মতো আদেশ করবি না, বললেন হেলেন।

    তুই কর না। পরে নিজের ভুলটা বুঝতে পেরে জিহ্বায় কামড় দিয়ে বলল, দুঃখিত সম্রাজ্ঞী, আপনিই করুন না।

    হেলেন মিটিমিটি হাসলেন। বললেন, প্রয়োজনে ফাওলিনের সাহায্য নে।

    প্রথমে হারমিজ। হারমিজ একটি নাচ দেখিয়ে দিল। গানটাও সে নিজেই গাইল।

    ফাওলিন হোমারের ইলিয়াড থেকে হেলেনের প্যারিসের সঙ্গে পালিয়ে আসার অংশটি আবৃত্তি করে শোনাল।

    লাউডিস তাঁর মা রাজকন্যা আপামার গল্প করলেন। তাঁর মা এক বিদেশি জেনারেলের প্রথমে অবিবাহিত সঙ্গী থেকে কী করে প্রিয় স্ত্রী এবং সবার শ্রদ্ধাভাজন হয়ে উঠেছিলেন, সে কথা বললেন। এশিয়ায় মায়েরা কত দয়ালু ও হৃদয়বান, সে কথা বলতেও ভুললেন না। ব্যতিক্রমও আছে। দিদাইমেইয়া অর্থপূর্ণভাবে লাউডিসের দিকে তাকালেন। লাউডিস এখানেই কথা শেষ করলেন।

    দিদাইমেইয়া বললেন, একসময় আমরা অ্যাপোলো পরিবারের সদস্য ছিলাম। আমরা সবাই এ কথা বিশ্বাস করি। কিন্তু কর্নেলিয়া এ কথা বিশ্বাস করে না। কেন করে না, তা আমি জানি না। অ্যাপোলো হচ্ছেন সংগীতের দেবতা। অবিশ্বাসের জন্য তাঁর ভালো কণ্ঠ থাকা সত্ত্বেও সংগীত সাধনা হলো না। ভবিষ্যদ্বাণীতেও সে বিশ্বাস করে না। অ্যাপোলোর সঙ্গে এখানেও তাঁর বিবাদ। অ্যাপোলো ভবিষ্যদ্বাণীর দেবতাও, যে কাজটা এখানে আচার্য ভদ্রবাহুরা করেন।

    আমরা তো দেবতা না, বললেন ভদ্ৰবাহু।

    জানি, জানি। তবে দেবত্বের কাছে পৌঁছে যাওয়া মানুষ।

    আচার্য চাণক্য বললেন, একেবারে ঠিক বলেছেন।

    হারমিজও বলল, একেবারে ঠিক। তা শুনে সবাই উচ্চ স্বরে হেসে দিল।

    এবার মেগাস্থিনিসের পালা। এ ভদ্রলোক কী বলবেন, কী নিয়ে বলবেন, বুঝে উঠতে পারলেন না। কিছুক্ষণ চিন্তা করে পরে বললেন, মৌর্য সম্রাটের দরবারে আসার আগে আমি কোথায় যাচ্ছি, এ নিয়ে বড় চিন্তায় ছিলাম। শুনেছিলাম ভারতবর্ষের মানুষ জাদুটোনা জানে, সাপ- ব্যাঙের মতো গর্তে বাস করে। মানুষের মাংস খায়। দোভাষীর সঙ্গে যখন কথা বলি, সে-ও বলেছিল, এখানে বড় বড় গর্ত আছে। সাধুসন্তরা এসব গর্তে বসে মানুষের সদ্য কর্তিত মাথার খুলি গলায় পরে দেবারাধনা করে। বড় ভয়ে ভয়ে এসেছি। কিন্তু ঘোড়ার ওপর বসে দূর থেকে যখন পাটালিপুত্র নগরীর দৃশ্য দেখি, প্রথমে একে দেবতা জিউসের স্বপ্নপুরী বলে মনে হলো। পরে ভেতরে ঢুকে এত অবাক হই যে নিজের বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার জন্য লজ্জিত বোধ করি। সত্যিই ভারতবর্ষের তুলনা হয় না।

    সবশেষে সম্রাজ্ঞী বলবেন, বলে নিকোমেডেস বলল, আমি ইজিপ্টের কিছু মজার কথা বলি। এক দেবী আছেন ইজিপ্টে। নাম আইএসআইএস। উচ্চারণ করা হয় আইসিস। তিনি জাদুর দেবতা। তাঁর উপাসকেরা সবাই জাদুকর। ওরা ওদের দেবীকেই নানা জাদুতে নানা অবয়বে রূপান্তর ঘটায়। একদিন রূপান্তরিত দেবীকে দেখে তাঁর পুত্র রোয়াস ও দেবতা স্বামী ওরিসিস চিনতেই পারলেন না। ভাবলেন, অন্য কোনো নারী। দেবী অত্যন্ত শক্তিশালী। দৈবশক্তিতে তাঁর কোনো জুড়ি নেই। কিন্তু দুর্ভাগ্য এই, তিনি তাঁর নিজের জন্য এ শক্তিকে কাজে লাগাতে পারেন না। স্বামী ও ছেলের কাছে অপরিচিতই রয়ে গেলেন।

    হেলেন বুঝতে পারলেন, এ গল্পের রূপকের আড়ালে রয়েছেন তিনি। বললেন, সম্রাট, নিকো যা বলল তার একটা সুন্দর ব্যাখ্যা আছে। দেবী কেন তাঁর নিজের শক্তিকে নিজের সুবিধার জন্য ব্যবহার করবেন? আইসিস ঠিক কাজটি করেছেন, অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। দেবতাদের স্বীয় স্বার্থ নিয়ে হানাহানি করে ট্রয়ের যুদ্ধ বাধিয়ে দেওয়ার চেয়ে অন্যের হিব্রত পালনে আত্মনিয়োগ করা শ্রেয়। সম্রাট, এরপর কর্মসূচিটা কী?

    সেটা নিকোমেডেস বলবে, বলো নিকো।

    নিকোমেডেস বলল, সম্রাজ্ঞী এখন কিছু করে দেখাবেন।

    সম্রাজ্ঞী হেসে দিয়ে বললেন, আমি যদি সেলুসিয়ায় থাকতাম, তাহলে যুদ্ধে আমিও অংশ নিতাম। এখন আমি মৌর্য সম্রাটের প্রাসাদে। আমি যুদ্ধের একটা অভিনয় করে দেখাতে চাই। অভিনয়টা হবে ইলিয়াডের হেলেনের। নিকো, তুই প্যারিসের ভূমিকায় অভিনয় করবি।

    নিকোমেডেস বলল, না না, এখন এ অভিনয় মহামান্য সম্রাটের করার কথা। তার কথায় সবাই উচ্চ স্বরে হেসে উঠলেন I

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }