Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৬০

    ৬০

    সেলুকাসের পরাজয় মৌর্যদের অনেক বড় বিজয়, এতে সন্দেহ নেই। গ্রিকদের বিরুদ্ধে এ জয় দীর্ঘ কাঙ্ক্ষিত। আলেকজান্ডারের সময় থেকে সেলুকাসের সময় পর্যন্ত এ দীর্ঘ সময়ে সিন্ধু অঞ্চলে গ্রিক শাসন ভারতীয় ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। এ অধ্যায় অবসানের নায়ক চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য আর নেপথ্য স্বপ্নদ্রষ্টা পণ্ডিত আচার্য তাঁর মহামন্ত্রী চাণক্য। এ দুজন এখন মহা ভাবনায়। সেলুকাস শর্ত মেনে নিলে কোনো সমস্যা থাকে না। না মানলে কীভাবে অগ্রসর হতে হবে, এই ভাবনা ও আলোচনায় মত্ত এঁরা।

    চাণক্য ভেবেচিন্তে বললেন, পথ একটাই উন্মুক্ত। আমাদের জোর করতে হবে। জোর করতে হলে সামনে এসে যাবে সেলুকাসের যুদ্ধাপরাধের বিচার, শুধু সিন্ধু অঞ্চল নয়, তাঁর সমস্ত সাম্রাজ্য অধিকারের জন্য অভিযান এবং সম্রাটের কন্যাকে সবার ইচ্ছার বাইরে বিয়ে। আগে হবে বিয়ে, তারপর অভিযান এবং সব শেষে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে সম্রাট এবং তাঁর জেনারেলদের বিচার।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত হেসে বললেন, আচার্য শুরুতেই কঠিন পথ বেছে নিয়েছেন। আমি আলোচনার পক্ষে। এঁরা এখন পরাজিত। পরাজয়ে গ্লানি আছে। গ্লানিবোধ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে অন্তরায় সৃষ্টি করে। একটু সময় নিয়ে বাস্তবতা অনুধাবন করে সুস্থ সিদ্ধান্ত নিশ্চয়ই নেবেন।

    মহামান্য সম্রাট, এঁরা সম্মানজনক রাজকীয় আত্মীয়তা মানতে চাইছেন না। একে অসম্মান মনে করছেন। ভারতীয়দের প্রতি অবজ্ঞা থেকে এই মনোভাবের জন্ম হয়েছে। আমরা তাঁদের আর ছাড় দেব কেন? এখন সবই আমাদের হাতের মুঠোয়।

    হাতের মুঠোয় বলেই বেশি ভাবতে হচ্ছে, আচার্য। আমরা চাইলেই তাঁদের হত্যা করতে পারি। কিন্তু জবরদস্তি করে কি এদের মন জয় করতে পারি? আনুগত্য লাভ করতে পারি? পারি না। বাহুবলে জয় আর অন্তর শক্তির জয় এক জিনিস নয়। ভারতীয় দর্শন অন্তরের শক্তিতে বিশ্বাসী। পাশ্চাত্যের সঙ্গে এখানেই আমাদের পার্থক্য।

    তাহলে আমরা কত সময় অপেক্ষা করব? এই অপেক্ষা কালে আবার সংগঠিত হয়ে শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিমের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সম্রাট পুত্র এন্টিওকাস সৈন্যসামন্ত নিয়ে এসে আমাদের আক্রমণ করে বসবে না তো?

    কেন, পশ্চিমাঞ্চলে আমাদের ভারতীয় সীমানা বরাবর মৌর্য সৈন্য পাঠানো হয় নি?

    পাঠানো হয়েছে সম্রাট। আমরা আমাদের সিন্ধু অঞ্চল অধিকারে নিয়েছি। কিন্তু সেখানে আমাদের সৈন্যবল কম। এখানে বন্দী গ্রিকদের ঘিরে রাখতে অধিকাংশ মৌর্য সৈন্য নিয়োজিত। সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে আমরা আরও সৈন্য সেখানে পাঠাতে পারি। পিতা সেলুকাস বন্দী জানতে পারলে এন্টিওকাস অভিযানে আসবে, তা নিশ্চিত করে বলে দেওয়া যায়।

    চন্দ্রগুপ্ত এ নিয়ে ভাবেন নি, তা নয়। এন্টিগোনাসকে রাজ্য দখলের সুযোগ দিয়ে জেনারেল মোলনকে নিয়ে সীমান্ত অরক্ষিত রেখে পুত্র এন্টিওকাস পিতৃ-উদ্ধারে চলে আসবেন বলে তিনি মনে করেন না। পিতার অবর্তমানে এই পুত্র সেলুসিয়ার একচ্ছত্র শাসক হতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। কথাটা তিনি চাণক্যকে জানিয়েও দিলেন।

    আপনার কথায় যুক্তি আছে, সম্রাট। কিন্তু সব ঘটনা যুক্তি মেনে ঘটে না। আরেকটি বিপদাশঙ্কা আছে। সম্রাট টলেমি সেলুকাসকে খুব পছন্দ করেন। তাঁর নৌসেনাপ্রধানও ছিলেন সেলুকাস। টলেমি সাহায্য করতে এগিয়ে এলে তা এক ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে।

    এটা একটা আশঙ্কার কথা। আপনি আমাদের গোয়েন্দাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিন। পশ্চিম সীমান্তে আরও সৈন্য মোতায়েন করুন।

    ঠিক এ সময় কর্নেলিয়া নিকোমেডেসকে নিয়ে উপস্থিত হলেন। আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি একান্তে মহামান্য সম্রাটের সঙ্গে কথা বলতে চাই। সবাই রীতিমতো অবাক হলেন। চাণক্য সম্রাটের দিকে তাকিয়ে বললেন, আমরা উঠে যেতে পারি, কিন্তু সম্রাটকে নিরাপত্তাঝুঁকিতে রেখে যেতে পারি না।

    কর্নেলিয়া হেসে দিয়ে বললেন, সম্রাটের নারী নিরাপত্তা রক্ষীরা বাইরে আছে। এদের সেখানে উপস্থিতি কি যথেষ্ট নয়?

    সম্রাট বললেন, আপনারা আসুন, আচার্য, প্রিন্সেসের প্রতি আমার আস্থা আছে।

    কর্নেলিয়া বললেন, আপনি চাইলে নিকোমেডেসও বাইরে অপেক্ষা করতে পারে।

    সম্রাট মজা করে বললেন, আপনার নিরাপত্তার জন্য একজন গ্রিক পুরুষ থাকা উচিত।

    নিকো শুধু পুরুষ নয়, সম্রাট টলেমির একজন নৌসেনা, আমার কাজিন। বেড়াতে এসে আপনাদের জালে আটকা পড়েছে।

    সম্রাট লক্ষ করলেন, প্রিন্সেস নির্ভীকভাবে কথা বলে যাচ্ছেন এবং যতটা সম্ভব স্বচ্ছ তাঁর মনোভাব। বললেন, সম্রাট না এসে আপনাকে পাঠালেন?

    তিনি পাঠাননি, আমি নিজেই এসেছি।

    বলুন, কী বলতে এসেছেন।

    মহামান্য সম্রাট, সভয়ে বলব, না নির্ভয়ে?

    আপনি যেভাবে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

    কিছুদিন আগে আমি নিকোকে নিয়ে আপনার সঙ্গে দিখা করতে গিয়েছিলাম, তা বোধ হয় আপনি জানেন।

    জানি আমি। কিন্তু আপনি দেখা না করে ফিরে গেছেন।

    আচার্য ভদ্রবাহু আমাদের ইচ্ছার বাইরেই ফেরত পাঠিয়েছেন। তিনি অবশ্য ঠিক কাজ করেছেন। আপনার মন্ত্রী আমাদের জিম্মি রেখে সম্রাট সেলুকাসের কাছে কয়েকটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন, যেগুলো আপনার ভাবমূর্তিতে আঘাত হেনেছে। আপনার সম্পর্কে আমার ধারণা অতি উচ্চ। আমার অনুরোধ, আমাদের সন্ধিচুক্তির মধ্যে আচার্য ভদ্রবাহুকে উপস্থিত রাখুন!

    তিনি এখন পাটালিপুত্রে অবস্থান করছেন। আমি তাঁকে অনুরোধ করতে পারি, কিন্তু উপস্থিত করার ধৃষ্টতা দেখাতে পারি না।

    আপনি আমার কথা বলুন, আমার বিশ্বাস, তিনি আমার অনুরোধ ফেলতে পারবেন না।

    চন্দ্রগুপ্ত এ কথায় অবাক হলেন। বললেন, আচার্যের এতটা আস্থা আপনার ওপর।

    একবার যাচাই করে দেখুন না। আপনার আস্থা তো অর্জন করতে পারি নি, তাই বোধ হয় এ প্রশ্ন।

    কর্নেলিয়ার এ কথায় সম্রাটের হৃদয়ে ছোট্ট একটা চোট লাগল। তিনি হেসে দিয়ে বললেন, দেবতার ভাগ্য বরণের কথা আপনি আমাকে বলেছেন, আমি বলি নি।

    কিন্তু আপনি সন্ধির শর্তে বিয়ের কথা উল্লেখ করে আমার ভালোবাসাকে অসম্মান করেছেন।

    আমি সম্রাটের ওপর চাপ দিতে চেয়েছি আপনাকে পাওয়ার জন্য, তার বেশি কিছু নয়।

    আমি কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র আনিয়ে পড়েছি। দুর্বল রাজার কন্যাদান তথা বৈবাহিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ‘অত্যয় সন্ধির’ কথা জানি। আপনার ভালোবাসার শক্তি এত কম? আস্থারও প্রচুর অভাব। আপনার ওপর আমি কীভাবে নির্ভর করব? আমি যতটুকু বুঝি, আপনি কখনোই আমার ওপর জোর খাটাতে পারবেন না। আমাদের মায়েদের কথা চিঠিতে লিখেছিলেন, মনে আছে? মায়ের কাছ থেকে প্রচণ্ড আঘাত পাওয়া কেউ অন্যকে আঘাত করতে পারে না।

    আপনি তো আমাকে আঘাত করেই যাচ্ছেন।

    এ আঘাত আপনাকে জাগিয়ে তোলার জন্য। অবশ্য যারা জেগে ঘুমায়, তাদের জাগানো যায় না—এ রকম একটি প্রবাদ গ্রিসেও আছে।

    আর কী বলতে এসেছেন?

    আমি বন্দিনী, আমার আর কী বলার আছে?

    সন্ধির শর্ত ছাড়া বিয়ে?

    না, তা করলে গ্রিকদের এখন ছোট করা হবে। রাজনৈতিক শক্তির একটা গুরুত্ব আছে। মানুষ জানবে, যুদ্ধে পরাজিত হয়েই গ্রিকরা তাদের কন্যাকে বলি দিয়েছে।

    হেলেন, এ কথা বলে আপনি আমাকে এবার সত্যিই আঘাত করেছেন।

    আমি তাদের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছি, আমার নয়। তাই মনে কষ্ট নেবেন না। এ যুদ্ধে যদি আপনার পরাজয় হতো, তা আমি মানতে পারতাম না।

    কী বলছেন আপনি, প্রিন্সেস?

    ঠিক বলেছে সে, মহামান্য সম্রাট। উত্তর থরের যুদ্ধে আপনাদের পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি রটনা রটানো হয় যে আপনি বন্দী হয়েছেন, অথবা মারা গেছেন। সে দ্রুত ছুটে এল উত্তর থরে। আসার সময় বলল, যুদ্ধবন্দী হলে আপনার মুখ দেখবে না, আর যদি যুদ্ধ করে নিহত হন, তাহলে সামরিক কায়দায় স্যালুট করবে। আপনাকে পরাজিত দেখতে চায় না সে, বলল নিকোমেডেস।

    গ্রিকদের পরাজয়ে আমি খুশি, এ কথাও বলা যাবে না। মনে হয় এ যুদ্ধে সবার বিজয়ই আমি চেয়েছি, যা সম্ভব নয়। গ্রিক কন্যা হিসেবে আমার ভাগ্যও নির্ধারণ করে দিয়েছে নিয়তি। কিন্তু এ ভাগ্যকে আমি মানি না। নিয়তি আমাকে নিয়ে খেলছে জন্ম থেকেই। পৃথিবীতে কি এমন ভাগ্য কারও আছে, যার মা সৎভাইকে বিয়ে করে? শত্রুকে ভালোবাসে, এমন মানুষ আছে, কিন্তু এমন মানুষ কি আছে যে ভালোবাসার মানুষকে যুদ্ধসন্ধির শর্ত দিয়ে বিয়ে করতে চায়? তা-ও আমার ভাগ্যে ঘটেছে। গ্রিক ট্র্যাজেডির পরিণতি মৃত্যু। আমি আত্মহত্যা করব না, কেউ হত্যা করতে চাইলে প্রতিরোধ করব, আমি দেখতে চাইব নিয়তি আর কী খেলা খেলতে চায় আমাকে নিয়ে। আমি আপনার শর্তে রাজি। বন্দী সম্রাট সেলুকাসকে বোঝাব আমি, তিনি আপনাদের সব শর্ত মেনে নেবেন। তবে আমি এখনো বিশ্বাস করি না এ শর্ত আপনি আরোপ করেছেন, না অন্য কেউ দিয়েছে, যে ভালোবাসার মর্যাদা বোঝে না এবং যে মনের দিক থেকে অত্যন্ত ছোট। আচার্য ভদ্ৰবাহু জানলে কখনোই এ শর্ত আরোপ করতে দিতেন না। এ মানুষটিকে আপনি অনুগ্রহ করে এখানে নিয়ে আসুন। এ বিয়ে শুভ বা অশুভ যা-ই হোক না কেন, তাঁর সামনে হবে—এটিই আমার চাওয়া।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত ভাবলেন, আচার্য ভদ্রবাহু অভিমান করে চলে গেছেন, তিনি কি আসবেন? তবু বললেন, বিয়ে হোক বা না হোক, আমি তাঁকে নিয়ে আসবই।

    পরের ঘটনাগুলো সবই নাটকীয়। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্রাট সেলুকাসের কক্ষে উপস্থিত হলেন। শুধু মহামন্ত্রী চাণক্যকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন। সেলুকাস কন্যার প্রত্যাবর্তনে বারবার বলছিলেন, অপমানজনক মুক্তি আমি চাই না

    ঢুকেই চন্দ্রগুপ্ত এমন কথা শুনে বললেন, আমি সব শর্ত প্রত্যাহার করছি, সম্রাট। আপনি মুক্ত। আপনি সেলুসিয়ায় ফিরে যান। আমি আপনার সঙ্গে পাঁচশত হস্তী উপহার হিসেবেই পাঠাব। শুধু ভারতীয় ভূখণ্ড আপনি ছেড়ে যাবেন, এ আমার অনুরোধ। যুদ্ধহস্তীগুলো এন্টিগোনাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আপনার কাজে লাগবে।

    আপনার মহানুভবতার প্রশংসা করি, সম্রাট। ভারতীয়রা উদার, মহানুভব, তা আবার প্রমাণ করলেন আপনি। ফিলেকাস, তুমি দখল হস্তান্তরের ব্যবস্থা করো। আমরা খুব শিগগির ফিরে যাব।

    মহামন্ত্রী চাণক্য কোনো কিছুর জন্যই প্রস্তুত ছিলেন না। মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন | পরাজিতের সঙ্গে এ কী ব্যবহার! চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আচার্য, আপনি তাঁদের জন্য উপহার পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। বন্দীদের মুক্ত করে দিন, যাতে এরা সম্মানের সঙ্গে সেলুসিয়ায় চলে যেতে পারে।

    আমরা কি এভাবে আবার সন্ধিচুক্তি তৈরি করব?

    তার প্রয়োজন নেই। শুধু একটা আদেশ জারি করে দিন।

    প্রিন্সেস?

    তিনিও মুক্ত। তাদের যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিন। সেলুকাস ভাবলেন, তিনি স্বপ্ন দেখছেন না তো? প্রিন্সেস কি বলে এসেছে, কে জানে। যা-ই বলুক, সবকিছু পাল্টে গেছে যেন কোনো জাদুমন্ত্রে।

    সবার কথা প্রায় শেষ। কর্নেলিয়া বললেন, এত সহজে সবাইকে মুক্ত করে দিলেন, মহামান্য সম্রাট? আমার যে কথা শেষ হয় নি।

    কী বলতে চান আপনি, বললেন চাণক্য।

    আপনাকে কিছু বলতে চাই না, মহামন্ত্রী মহোদয়। আপনি যা চেয়েছিলেন, আমিও তা চাই। বন্দীদের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে আমার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য তেমন নেই। পরাজিত রাজা এত সুবিধা ভোগ করবেন, এটা বিসদৃশ। সম্রাট মহানুভব, তাই এ কথা বলছেন, কিন্তু আপনি কেন এত সহজে রাজি হয়ে গেলেন, বুঝতে পারছি না।

    আমিও বুঝতে পারছি না আপনি কী বলতে চাইছেন?

    আচার্য চাণক্যের এ কথায় কর্নেলিয়া বললেন, এত সহজ বিষয়টা আপনি বুঝতে পারছেন না, তা আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। সম্রাট বা রাজারা মহানুভব হলে মন্ত্রীকে হতে হয় কঠিন প্রকৃতির। আপনি আপনার দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছেন না। মহামান্য সম্রাটকে বোঝান যাতে তিনি যে মুক্তিদানের আদেশ করেছেন, তা যেন প্রত্যাহার করে নেন।

    কর্নেলিয়ার কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে গেলেন। সম্রাট সেলুকাস বেশি বিস্মিত। বললেন, তোমার কি কোনো সমস্যা হচ্ছে, কী বলছ আমি বুঝতে পারছি না।

    আমি মহামন্ত্রীকে বলছি। তিনি অবশ্যই বুঝতে পারছেন। মহামান্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত, আপনি মহামন্ত্রীকে বলুন চুক্তিপত্রটি চূড়ান্ত করে নিয়ে আসতে, তাতে উভয় পক্ষ স্বাক্ষর করবে।

    এ কথা শুনে সেলুকাসের বিস্ময়ের আর সীমা রইল না। প্রায় চিৎকার করে কর্কশ কণ্ঠে বললেন, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে? তুমি জানো তুমি কী বলছ?

    জানি বাবা, আমার মাথাও খারাপ হয় নি। গ্রিকরা পরাজিত হয়েছে, তাই এরা বিজয়ী মৌর্যদের দেওয়া শর্তে সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষর করবে। কারও দয়ায় ছাড়া পাবে, মুক্ত হবে, এর চেয়ে পরাজয় স্বীকার করে চুক্তি স্বাক্ষর করা অনেক উত্তম। মহামন্ত্রী, আপনি চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের জন্য নিয়ে আসুন। চুক্তিপত্রটি একটি কাগজমাত্র নয়, একটি ইতিহাস, যা ঘটে গেছে সিন্ধু উপত্যকায়, গ্রিকদের পরাজয়, কোনো ইতিহাস তা অস্বীকার করতে পারবে না। মৌর্য সম্রাটের মহানুভবতায় গ্রিক সম্রাট সেলুকাস এবং তাঁর বাহিনী মুক্তি পেল, তার কোনো দলিল থাকবে না, তা হয় না। ইতিহাসের এই সত্যকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য এই চুক্তির প্রয়োজন। আমি যত দূর জানি, ভারতীয়রা হৃদয়বান, তাই আবেগপ্রবণ। অবশ্য তার ব্যতিক্রম যে নেই, তা নয়। যেমন মহামন্ত্রী চাণক্য এবং আচার্য ভদ্রবাহু। এঁরা দুজন দুই মেরুর মানুষ। তাঁদের সম্রাট রক্ত-মাংসের একজন মানুষ। আবেগানুভূতিতে পরিপূর্ণ ভারতীয়। তিনি চুক্তি ছাড়াই গ্রিকদের মুক্তি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা আবেগ থেকে এসেছে। তার কারণও কেউ কেউ জানেন। এই আবেগ ইতিহাসের উপাদান নয়, ঐতিহাসিক এক সম্রাটের ব্যক্তিগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। ইতিহাসের সঙ্গে তা যুক্ত না থাকাই ভালো।

    সেলুকাস বললেন, তুমি কি তাহলে বিয়েও মেনে নিচ্ছ?

    সন্ধিচুক্তি তো সে কথাই বলে, বাবা। আপনি ভুলে যাচ্ছেন কেন, আমার মা একজন সিরীয়, যুদ্ধে পরাজিত এক রাজার কন্যা। আমার সত্মা আপামাও তা-ই ছিলেন। আমার পছন্দের এই মাকে আপনি ভালোবেসেছেন। তাই তিনি সুখী ছিলেন। ভালোবাসাই কাউকে সুখ দিতে পারে, কোনো দেশ বা জাতি-ধর্ম নয়। আপনি গ্রিক জাতির যে অহংকার থেকে বিয়ের বিরোধিতা করছেন, আপনার আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে তা চূর্ণ হয়ে গেছে। এ ছাড়া অন্যের রাজ্য দখল করে উপনিবেশ তৈরি করার যে অহংকার, একদিন কোনো মানুষ তাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখবে না, বরং ঘৃণা করবে। তারপরও আমি জানি, যুদ্ধ আপনাদের সংস্কৃতি, অন্যের রাজ্য দখল করার নেশা।

    তুমি সম্রাজ্ঞী হলেও তা-ই করতে।

    সম্রাজ্ঞী হওয়ার আগে তা বলা শক্ত। রাজা বা সম্রাটের কাজ হলো জনকল্যাণে কাজ করা, তাদের মঙ্গল কামনা করা। সে কাজের চাইতে আপনারা যুদ্ধজয়ের দিকে বেশি মনোযোগী। এ যুদ্ধ হয়তো আপনাদের সে শিক্ষা দেবে না যে যুদ্ধ নয়, মৈত্রী স্থাপনেই শান্তি।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আমরা মৈত্রী স্থাপনে বদ্ধপরিকর। আশা করি গ্রিকরা আর কখনো ভারতবর্ষ আক্রমণ করবে না।

    প্রতিশোধস্পৃহা একদিনে শেষ হয় না, সম্রাট। যে গ্লানি তাড়িয়ে বেড়ায়, তার শেষ হয় প্রচণ্ড ধাক্কায়। আমি গ্লানি মুছে দেওয়ার জন্যই আবার ভারত আক্রমণ করব।

    সেলুকাসের কথা শুনে হেসে দিয়ে চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আমরাও প্রস্তুত হয়ে থাকলাম সে আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য।

    মহামন্ত্রী চাণক্য সন্ধিচুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করে নিয়ে এলেন। দুই সম্রাটের হাতে দুটি কপি দেওয়া হলো। গ্রিক ও ভারতীয় ভাষায় পাশাপাশি রয়েছে চুক্তির শর্তগুলো। নিচে দুই ভাষায়ই রয়েছে উভয় সম্রাটের নাম।

    সেলুকাস চোখ বুলিয়ে বললেন, চুক্তিতে আরেকটি শর্ত যুক্ত করতে হবে।

    সবাই চোখ তুলে তাকালেন সম্রাটের দিকে। সম্রাট বললেন, কষ্ট হলেও এ বিয়েতে আমি রাজি। তবে সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের দরবারে আমার একজন গ্রিক দূত থাকবে।

    এ শর্ত শুনে সবাই অবাক হলেন। চাণক্য প্রশ্ন তুললেন, তিনি সার্বক্ষণিক দরবারে থাকবেন? আমাদের তাহলে গোপনীয়তা নষ্ট হবে।

    এটি মূলত আপত্তি ছিল। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আচার্য, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেন? সম্রাটের এ শর্তে আমার আপত্তি নেই।

    কর্নেলিয়া বললেন, আমি এ প্রস্তাবে খুশি হয়েছি। আরও খুশি হয়েছি মৌর্য সম্রাটের সম্মতিতে। আমার একটি শর্ত আছে। তবে তা সন্ধিতে লেখা হবে না। আচার্য ভদ্রবাহুর উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

    তিনি পৌঁছে যাবেন, অনেক আগেই তাঁকে সংবাদ পাঠানো হয়েছে, বললেন চাণক্য। তিনি সুবন্ধুকে ডেকে বললেন, নতুন শর্তটি যুক্ত করে তুমি সন্ধিচুক্তিটি সংশোধন করে নিয়ে এসো।

    সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত বললেন, আমরা তিনজন একান্তে কথা বলতে চাই। উপস্থিত সবাই মুখ- চাওয়াচাওয়ি করছেন। সম্রাট বললেন, গ্রিক সম্রাট, প্রিন্সেস আর আমি।

    পাশের কক্ষে সবাই চলে গেলে সম্রাট পুনরায় বললেন, আমি দুঃখিত যে এ রকম একটি পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। ভারতীয়দের পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের ধরনটি আমাদের উত্তরাধিকারে এসেছে পিতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করে। গুরুজনদের অসম্মান হয়, এ রকম কাজ থেকে আমরা সচেতনভাবে দূরে থাকি। আর আমাদের পারিবারিক বন্ধন খুবই সুদৃঢ়। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমাদের পরিবারে প্রিন্সেসের কোনো অমর্যাদা হবে না। আমরা পরস্পরকে জানি দীর্ঘদিন থেকে।

    দীর্ঘদিন থেকে? অবাক হলেন সেলুকাস। কর্নেলিয়া মিটিমিটি হাসছেন।

    চন্দ্রগুপ্ত আবার বললেন, আপনি তখন মহামান্য আলেকজান্ডারের পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপতি সেদিনের কথা আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে, সম্রাট আলেকজান্ডারের কবল থেকে আপনি আমাকে মুক্ত হতে সাহায্য করেছিলেন।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, সে তরুণ আমাকেও প্রাণে রক্ষা পেতে সাহায্য করেছিল, সে তরুণ আপনি!

    সেদিন আমি বালিকা বয়সী তরুণী প্রিন্সেসকে দেখেছিলাম সিন্ধু নদের লালচে বালুকাবেলায়। পড়ন্ত বিকেল ছিল তখন। সে কথা ভুলে যাই। দীর্ঘকাল পর ঝিলামের প্রমোদ উদ্যানে আবার দেখি। আমি অশ্ব বিক্রেতার ছদ্মবেশে গিয়েছিলাম তক্ষশীলা থেকে ফেরার পথে নতুন সম্রাট, পাগলামি ছিল জীবনের নেশা। প্রিন্সেস তখন খেলার পোশাকে সহচরীদের সঙ্গে। দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই এবং পত্র যোগাযোগ করি। প্রিন্সেস মৌর্য সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞীর মর্যাদা পাবেন। এবার অন্য কথা বলি, বলে থামলেন সম্রাট। পরে বললেন, আমি মৌর্যদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, গ্রিকদের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব সব সময় অটুট থাকবে। আমাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের যে পথ দূত নিয়োগের মাধ্যমে আপনি সূচনা করেছেন, তা পরিণতি লাভ করবে। যুদ্ধকালীন আমরা পরস্পরকে সহযোগিতা করব। সেলুসিয়া ও পাটালিপুত্রের মধ্যে এ নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে। যুদ্ধে সহযোগিতা ছাড়াও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান হবে। বাল্মীকি যাবেন হোমারের দেশে। আমাদের সম্পর্ক সুদৃঢ় করবার এ হবে উপযুক্ত উদ্যোগ।

    আমি আপনার সঙ্গে একমত। তার আগে আমার সাম্রাজ্যের সুস্থিতি প্রয়োজন। এন্টিগোনাস আমার বড় উদ্বেগের কারণ। তাকে আমি নির্মূল করতে চাই।

    আমি আপনাকে এ কাজে সহযোগিতা করব।

    আপনার দেওয়া হাতিগুলো এ যুদ্ধে বড় কাজে লাগবে। আপনি শুধু আমার হস্তী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবেন!

    তা অবশ্যই করা হবে। চুক্তির বাইরে প্রয়োজনে আরও বেশি হস্তী পাঠাব।

    এ সময় উপস্থিত হলেন আচার্য ভদ্রবাহু। চন্দ্রগুপ্ত উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে সম্মান জানালেন। সেলুকাস এবং কর্নেলিয়াও দেখাদেখি উঠে দাঁড়ালেন।

    তুমি অনুরোধ করলে আসতাম না চন্দ্র, আমার প্রিয় ভবিষ্যৎ সম্রাজ্ঞী আহ্বান করলে কী করে না আসি, বলো? আমি সব শুনেছি। আমি খুবই আনন্দিত |

    আপনি ভদ্ৰবাহু? আমি আপনার কথা শুনেছি কর্নেলিয়ার মুখে। আপনার বিবেচনাশক্তির প্রশংসা করি আমি। আপনার সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য অনেক অঘটন থেকে রক্ষা পেয়েছে প্রিন্সেস, বললেন সেলুকাস।

    চন্দ্র, আচার্য চাণক্য কোথায়?

    তিনি আছেন, আচার্য। আমরা নিতান্ত ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলছিলাম, তিনি বাইরে আছেন।

    আমিও কি বাইরে অপেক্ষা করব?

    না, আচার্য, আপনি বসুন, আমাদের ব্যক্তিগত কথাবার্তা শেষ হয়েছে, বললেন চন্দুগুপ্ত প্রিন্সেস, তাহলে বলুন আপনি কেমন আছেন?

    আচার্য, আপনার ‘কল্পসূত্র’ আমি পড়েছি। কী অসাধারণ বর্ণনা! এ গ্রন্থ আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে।

    স্বপ্ন দেখলে তো এ রকমই দেখতে হয়। বলতে পারেন এ এক স্বপ্নকাব্য।

    শর্মিলা কোথায়, আচার্য?

    আছে। ও ধর্মীয় কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছে।

    এত বাস্তববাদী ও বিচক্ষণ একটা মেয়ে!

    ঠিক বলেছেন। নিকোমেডেস কোথায়?

    ও আছে। সে তো আপনার অন্ধভক্ত।

    অন্ধভক্ত হবে কেন? সে-ও এক চমৎকার চৌকস যুবক। আমার পছন্দের একজন।

    চন্দ্র, তুমি আচার্য চাণক্যকে এখানে নিয়ে এসো। তাঁর অভাববোধ করছি আমি।

    সম্রাট সবাইকে ডাকালেন। সবাই মানে মহামন্ত্রী চাণক্য, অমাত্য সুবন্ধু ও নিকোমেডেস। তাঁর প্রধান সেনাপতি, গ্রিক জেনারেল ফিলেকাস ও জেনারেল কিউকেকাসকে সেখানে অবস্থান করতে বললেন।

    জেনারেল কিউকেকাস আমার জামাতা, বললেন সেলুকাস।

    চন্দ্রগুপ্ত হেসে দিয়ে বললেন, তাঁকেও এখানে আসতে বলো। একটু ভেবে আবার বললেন, না, ওদের দুজনকেও আসতে বলো। সবাই থাকুক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে।

    ওদের আসার আগে কর্নেলিয়া বললেন, আমি কি আচার্য ভদ্রবাহুর পাশে বসতে পারি?

    আমিই আপনার পাশে আসি, প্রিন্সেস?

    তা হবে কেন? প্রিন্সেসই আপনার পাশে বসবে, বললেন সেলুকাস। সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত তাঁর পাশে জায়গা করে দিলেন প্রিন্সেসের জন্য। ভদ্রবাহু ও চন্দ্রগুপ্তের মাঝখানে বসলেন কর্নেলিয়া। বললেন, আমার এ কঠিন সময়ে আপনাকে পেয়ে বড় স্বস্তিবোধ করছি। আপনি আমার মাথায় একটু হাত রাখুন।

    ভদ্রবাহু তাঁর মাথায় হাত রাখলেন। কর্নেলিয়ার উচাটন মনোভাবটা কেটে গেল। ভদ্ৰবাহু বললেন, দেবীর মাথায় ফুল-চাক্কিটা যদি পরিয়ে দিতে পারতাম।

    কল্পসূত্রের সে দেবী? বললেন কর্নেলিয়া।

    সে তো স্বপ্নের দেবী। আমাদের বাস্তবের দেবী আরও সুন্দর। মনোমুগ্ধকর। দেবী সম্রাজ্ঞী, বললেন ভদ্রবাহু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }