Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৬১

    ৬১

    দুর্গটায় যখন সন্ধিচুক্তি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, বাইরে তখন সৈনিকদের মধ্যে চলছে নানা কৌতূহল। ভেতরে কী হচ্ছে, এরা কেউ জানে না। সেলুসিড সৈন্যরা তাদের ভাগ্য নিয়ে চিন্তিত। আরজিরেসপাইড, অর্থাৎ সিলভার শিল্ড আর্মির সদস্য ডায়াডোটাস। স্থায়ী সৈনিক। গ্রিকরা এত সৈন্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করায় উদ্‌ভ্রান্ত। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই। সহযোদ্ধা ডেফনেকাসকে উদ্দেশ করে শ্লেষের সঙ্গে বলল, ফ্যালানক্স ফরমেশন, থু, এই সারিসা দিয়ে নিজেকে বিদ্ধ করতে ইচ্ছা হচ্ছে। বাবারা কেন যে মিলিটারি সেটেলার হতে গেল।

    সহযোদ্ধাটির তখন কিছুই ভালো লাগছিল না। সে বিরক্ত। বলল, সেলুসিড সাম্রাজ্যের পতন হলেও বাপের বন্দোবস্তী পাওয়া জায়গায় বসে বসে খেয়ো, সিলভার শিল্ড। এখন অস্থির হয়ো না, জমিদারের ছেলে।

    এ সামান্য জমিদারি নিয়ে তোমার স্বস্তি আছে, আমার নেই।

    আরেক সহযোদ্ধা বিদ্রূপের হাসি হেসে বলল, আগে নিজের মাথাটা নিয়ে ভাবো। ভারতীয়রা মানুষের মাংস খায়। ওরা এক এক করে সবার মাথা চিবিয়ে খাবে। আমরা তিন লাখ। ওরা ছয় লাখ। দুজনের ভাগে একজন। আর পাবলিককে ভাগ দিলে মাংসখণ্ড নিয়ে কাড়াকাড়ি লেগে যাবে।

    এখন মজা করার সময় নয়, ব্রুটাস। বলল পাশের আরেকজন সৈনিক। সে কাঁধে সারিসা নিয়ে তিন মাথাওয়ালার মতো বসে আছে। পরবর্তী আদেশের জন্য অপেক্ষা করো। স্ত্রী-পুত্রের কথা ভাবো। আমার স্ত্রী-সন্তানেরা নিশ্চয়ই এ সময় দুপুরের খাবার খাচ্ছে। আর আমার কথা ভাবছে। বলাবলি করছে, যুদ্ধ জয় করে কার জন্য কী নিয়ে ফিরছি আমি। হায় ভাগ্য!

    ব্রুটাস বলল, আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না যে আমি পরাজিত ও অক্ষত। সৈনিক হয় জয়ী হবে, না হয় যুদ্ধ করে মরবে। পরাজিতের মাংস শকুনে খাবে, মানুষে না। কমান্ডারকে বলো আমরা অবরোধের জাল ছিন্ন করে যুদ্ধ করব।

    বয়স কম তো, বুঝতে পারছ না। এসব চিন্তা বাদ দিয়ে দেবতা জিউসের কাছে প্রার্থনা করো সন্ধিটা যেন মাথাটা রক্ষা করে।

    সন্ধি? কিসের সন্ধি?

    মৌর্যদের সঙ্গে সন্ধি হচ্ছে আমাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার। ভারত ছেড়ে যাব আমরা। সেলুসিয়ায় যাব। আমি মেসোপটেমিয়ায় যাব। সেখানে আমার বাবার জমিদারি।

    যুদ্ধ শেষ হয় নি, জনাব। মৌর্যদের সঙ্গে সন্ধি তো এন্টিগোনাস রয়ে গেছে। জেনারেল মোলন পথ আগলে রাখবেন। যেতে দেবেন না। তবু এ সিন্ধু এলাকায় এক দিনও না।

    কয়েকজনের মুন্ডুপাত করে গেলে হতো না।

    কী যে আবদার করছ তুমি, যেন খাওয়াদাওয়া করতে সাধছ। যা-ই বলো, যুদ্ধটা আর ভালো লাগছে না। পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়া দরকার।

    খালি হাতে যাবে? আমার সে চিন্তা নেই। সংসারে কেউ নেই। খালি হাত সব সময়ই আমার সঙ্গে যায়।

    যুদ্ধজয়ের পরবর্তীকালে নিজের ভাগের ধনসম্পদ দিয়ে কী করো?

    গরিব-দুঃখীদের দিয়ে দিই।

    কিছু কিছু জমাও, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। আর এখন তো সমস্যায় পড়ে যেতে পারো। ধরো তোমাকে ছাঁটাই করে দিল। অনিয়মিত সৈন্যদের ওই এক দুরবস্থা।

    আমি এ নিয়ে ভাবছি না। আমি ভাবছি, তাহলে গ্রিকরা মাথা নত করল? বড় বাজে অভিজ্ঞতা। চুল ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছা করছে।

    যুদ্ধে জয়-পরাজয় আছে। একটিতে পরাজিত হয়েছি, অন্যটিতে জিতব।

    কিন্তু ভারতীয়দের কাছে এ পরাজয়। স্বর্গে আলেকজান্ডার খুব কষ্ট পেয়েছেন।

    তাদেরই পরাজিত করব একসময়। আমরা না পারলে আমাদেরই হয়ে অন্য কেউ। এ প্রজন্মে না পারলে পরবর্তী প্রজন্মে অথবা আরও পরে ভবিষ্যতে কোনো এক শুভ সময়ে। আমি আমাদের দুঃসময়টা, ক্লেশটা, গ্লানিটা তাদের উৎসর্গ করছি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গৌরব বয়ে বেড়ায় আর এরা…? এরা আমাদের ক্ষমা করবে।

    মানুষ অর্জন বা গৌরব কাউকে উৎসর্গ করে, আপনি উৎসর্গ করছেন গ্লানি—তা-ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

    পলায়নপর আর পরাজিত সৈন্যদের কী দেওয়ার আছে?

    একজন সৈন্য দৌড়ে এসে হাঁপাচ্ছিল। তাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো একটা জটলা বেঁধে গেল। ক্রমে জটলাটা বাড়তে থাকল। সবার মধ্যে কৌতূহল। সে এখনো হাঁপাচ্ছে। কিন্তু বলতে পারছে না। মনে হয় পানি খেতে পারলে ভালো হতো। একটু বিশ্রাম নিয়ে বলল, সন্ধিচুক্তির শর্তে বিয়ে নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। প্রিন্সেসকে মৌর্যদের কারও সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

    ব্রুটাস বলল, সম্রাট সেলুকাস তা মানলেন?

    আমি জানি না। এখনো হাঁপাচ্ছে সৈনিকটি। তাহলে যুদ্ধ। কোনো আপস নয়, চুক্তি নয়। তৈরি হও সবাই।

    ডায়োডোটাস বলল, তুমি তো কমান্ডারের মতো কথা বলছ।

    কমান্ডারও তা-ই বলবেন। এতগুলো সৈনিক এত বড় অপমান নিয়ে আত্মসমর্পণ করবে? আসল ঘটনা আমরা জানি না। সে কী বলছে, সূত্রটা কী, নিশ্চিত হওয়া দরকার। তুমি কোথা থেকে জানলে এসব?

    মৌর্য সৈন্যরা বলাবলি করছিল।

    তাদের কথা তুমি বুঝতে পারলে?

    বুঝতে পারি। এ এলাকায় দীর্ঘদিন আছি আমি।

    কমান্ডারকে জানিয়েছ?

    না।

    তাকে আগে জানাও, যাও।

    সাহস পাচ্ছি না।

    তাহলে অপেক্ষা করো। গুজব রটিয়ো না। সম্রাট না বুঝে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না। ব্রুটাসসহ অন্যরা তা মানতে চাইল না। এরা হইচই ও বিশৃঙ্খলা শুরু করে দিল। কর্নেল পদমর্যাদার একজন কমান্ডার ছুটে এল। বলল, থামো তোমরা, কী হয়েছে?

    ব্রুটাস প্রায় ক্রুদ্ধ মনোভাব দেখিয়ে বলল, অপমানজনক চুক্তি আমরা মানব না। যুদ্ধেই সব কিছুর মীমাংসা হবে।

    তোমাকে অপমানজনক চুক্তির কথা কে বলল?

    ব্রুটাস কিছু বলার আগেই বার্তাবাহক সৈনিকটি বৃত্তান্ত বলল।

    তোমরা ওসবে একদম কান দেবে না। বিশৃঙ্খল সৈন্যরা তাদের অধিনায়কের কথা শুনল না। তারা অবিরাম চিৎকার, ক্রুদ্ধ, বিকৃত, রক্তাভ মুখচ্ছবি, হাতের কোষমুক্ত উদ্যত তরবারি— সব উপেক্ষা করে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বলতে হাতের অস্ত্র, মাথার শিরস্ত্রাণ, পায়ের জুতো—সবকিছু ওপরে ছুড়ে মারতে লাগল। কেউ কেউ নিজের গায়ের পোশাক খুলে তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে হইহল্লা এবং নাচানাচি শুরু করে দিল।

    জেনারেল সারিকাসের কাছে সংবাদ পৌঁছাতে একটু সময় লাগল। তাঁর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে তার চেয়ে বেশি সময় ব্যয় হলো। ফলে ঘটনাটা রক্তারক্তিতে পৌছে গেল। পরাজিত সৈন্যদের মধ্যে জমাকৃত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের সলিতায় লাগানো আগুন ছড়িয়ে পড়ল সর্বত্র। কর্নেল চাইছিল শক্তি প্রয়োগ করে তাদের দমন করতে। জেনারেল বললেন, না, ধৈর্য ধরো। নিজেদের মধ্যে হানাহানি থামাতে হবে, বাড়াতে কাজ কোরো না। তিনি সৈন্যদের উদ্দেশ করে বললেন, তোমরা যা শুনেছ, তা সত্য নয়, আমার কাছে সংবাদ আছে, আমরা শুধু ভারতীয় অংশ ছাড়ছি, আর কিছু নয়।

    বিশৃঙ্খল সৈনিকেরা তাদের নাশকতা থামিয়ে উৎকর্ণ হলো জেনারেলের বক্তব্যে। জেনারেল আবার বললেন, শোনো, কোনো অপমানজনক চুক্তির চাইতে আমরা যুদ্ধকেই বেছে নেব। তোমরা আমার সঙ্গে একমত তো?

    জেনারেলের কাছ থেকে এ কথাই শুনতে চাইছিল পদাতিক সৈন্যরা। জেনারেল আরও বললেন, আমাদের একজন সৈন্য বেঁচে থাকলেও যুদ্ধ চলবে। এ যুদ্ধ মর্যাদার লড়াই। তোমরা আমাদের সম্রাটকে আসতে দাও। আর শোনো, এখন আমাদের ঐক্যের প্রয়োজন, যা ঘটে গেছে, তা দুঃখজনক। আহতদের আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করো। তোমরা যার যার ইউনিটে ফিরে যাও। যেকোনো আদেশের জন্য তৈরি থাকো।

    জেনারেল কথা শেষ করে কর্নেলকে ডেকে নিয়ে গেলেন। বললেন, এপিলেকটোই বাহিনীর কর্নেলকে ডাকার জন্য লোক পাঠাও। জলদি। আর লক্ষ রাখো কেউ যাতে কোনো গুজব না ছড়ায়।

    এপিলেকটোই কর্নেল এক হাজার অশ্বারোহী সৈন্য পাঠালেন। গতি ও গতিবিধির দিক থেকে শ্রেষ্ঠ এ গ্রিক বাহিনী বিশৃঙ্খলার স্থলে দ্রুত পৌঁছে গেল। পার্থিয়ান কায়দায় এরা ইউনিটগুলোকে ঘিরে ফেলল এবং বলল যে আর কোনো বিশৃঙ্খলা নয়। এখন আনুগত্য আর ঐক্য অপরিহার্য।

    .

    মৌর্য শিবিরে তখন থমথমে ভাব। নতুন চুক্তিটা কী হচ্ছে, এ নিয়ে কৌতূহল সবার মধ্যে। প্ৰায় অর্ধেকটা থর মরুভূমিজুড়ে এদের অবস্থান। উত্তর-পশ্চিমে সিন্ধু উপকূলস্থ পাহাড়-জঙ্গল সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে এরা। পাহাড়-জঙ্গল এলাকার যুদ্ধহস্তীগুলো এ সময়ে জঙ্গলের গাছপালা খেয়ে উদরপূর্তি করছে। এদের মধ্যে স্বস্তির ভাব এবং আয়েশি মাদনা লক্ষ করার মতো।

    সৈনিকেরাও দুপুরের খাবার খাচ্ছে ঝটপট। এটা ওয়ার্কিং লাঞ্চ। পেটভরে খাবার সুযোগ নেই, তারপরও যুদ্ধজয়ের আনন্দে উদরপূর্তি করেই খাচ্ছে সবাই। পানির কিছুটা সংকট আছে বটে, যত ছোটাছুটি পানি নিয়ে। যুদ্ধের সময় আহার্য এবং পানীয় জলের জন্য সৈন্যরা সবাই কৃপণতা দেখায়। এখন বেশ উদার। যুদ্ধজয়ই তাদের উদার করে দিয়েছে। আন্ত-ইউনিট কিংবা ইউনিটের ভেতর বৈরীভাব কারও মধ্যে নেই। খাওয়াদাওয়া করে সবাই তৈরি হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষর হলেই উল্লাসে ফেটে পড়বে। ব্যতিক্রম শুধু উত্তর থর। এখানে সর্বশেষ যুদ্ধটা সংঘটিত হয়। জরুরি অবস্থার মতো দুপক্ষই এখানে খুব সতর্ক আছে। গতিবিধি নেই। যে যার জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে। শুধু দুয়েকজন চলাচল করছে লাশের সৎকার ও আহতদের চিকিৎসার জন্য। এ ফাঁকে এরা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও সেরে নিচ্ছে। মৃতদেহ রয়েছে উভয় পক্ষে। গ্রিক সৈন্যদের মৃতদেহ আলাদা করে রাখা আছে। এগুলো গ্রিকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মৌর্য সৈন্যদের মরদেহ সৎকারের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।

    এসব কাজের মধ্যেও উৎকর্ণ সবাই, কী সংবাদ আসছে দুর্গ থেকে। সেনাপতি সদাচার এখানে সবকিছু দেখভাল ও নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাঁকে সাহায্য করছে নিম্ন পর্যায়ের দুজন সামরিক কর্মকর্তা এবং কিছু পর্বতসেনা। উত্তর থরে বেষ্টনীর বাইরে যেসব গ্রিক সেনা আটক হয়েছে, এদের অস্ত্রহীন অবস্থায় ঘিরে রেখেছে কিছু মৌর্য সেনা। গ্রিক সেনারা যে যার মতো মুখ ভার করে বসে আছে।

    অন্যদিকে ফুটবল খেলায় জয়লাভের জন্য যেন উল্লাস করছে মৌর্য সেনারা। একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরছে। এ সময় এদেরও দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হলো। খাবারে যুদ্ধজয়ের জন্য প্রচুর ছাগলের মাংস পরিবেশন করা হয়। ছোটখাটো অধিনায়কেরাও এদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। দূর থেকে ক্ষুধার্ত গ্রিক সেনারা মৌর্য সেনাদের এই উল্লাস-ভোজ দেখছিল।

    নিজেদের বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন বন্দী গ্রিক সেনাদের খাবারের ব্যবস্থা ছিল পরে। তবে মৌর্যদের মতো ছাগলের মাংসের ভূরিভোজ ছিল না। ছাগলের মাংসের ঘ্রাণ এদের ক্ষুধার মাত্রা বাড়িয়ে দিল।

    জেনারেল ক্লদিয়াসের কমান্ডে অনিয়মিত কাতুইকোই সৈন্যরাই ছিল সংখ্যায় বেশি। খাবারের সুঘ্রাণে এরা বেপরোয়া হয়ে উঠল। নিয়মিত দু-চারজন সৈন্যের বাধা এবং বেষ্টনী তৈরি করা মৌর্য সৈন্যদের অবরোধ ভেদ করে খাবারের উদ্দেশ্যে আহাররত মৌর্য সৈন্যদের ওপর এরা হামলে পড়ল। একজন কনিষ্ঠ অধিনায়ক একটি ছাগলের হাড় চিবুচ্ছিল চোখ বুজে। হামলার প্রথম ধাক্কাটা সে খেলো। ছিটকে গেল তার হাড়ের টুকরো। সে কাত হয়ে পড়ে গেল। আহাররত মৌর্য সৈন্যরা হুড়মুড় করে দাঁড়িয়ে গেল। বাঁ হাতে তখনো তাদের মাটির বাসন। ব্যাপারটাকে এরা ভাবল খাবার সুযোগ বুঝে গ্রিকরা তাদের আক্রমণ করেছে। লেগে গেল মারামারি। ওদের হাতে অস্ত্র ছিল না, তাদেরও নেই। তাই হাতাহাতি, মল্লযুদ্ধ, গড়াগড়ি এবং প্রচণ্ড ধাক্কাধাক্কি। মনে হলো আদিম মানুষের কুস্তিযুদ্ধ এটি।

    যারা কুস্তির বাইরে সুযোগ পেল, ঝপাঝপ মাংসের টুকরো কেড়ে নিয়ে খেতে শুরু করে দিল। দৃশ্যটা দূর থেকে দেখছিলেন সেনাপতি সদাচার। তিনি ছুটে এলেন এবং গ্রিক-ভারতীয় দুই ভাষাতেই যুদ্ধ থামাতে বললেন, সবাই থামল না বটে, তবে বেশির ভাগই মল্লযুদ্ধ ছেড়ে সোজা হয়ে দাঁড়াল। খাবার যাদের হাতে ছিল, সেসব গ্রিক ভ্রুক্ষেপহীনভাবে মাংস চিবুতে থাকল। তাদের দেখে সদাচারের হাসি পেল। তিনি অনেক কষ্টে হাসি চেপে রেখে বললেন, আমরা মৈত্রী চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছি। খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি বা মল্লযুদ্ধ এখন অর্থহীন। সবারই খাবারের ব্যবস্থা আছে। চলো ভাগাভাগি করে খাই। যারা লুট করে খাচ্ছিল, এরা তার কথা তেমন আমল দিল না। কয়েকজন ভারতীয় জওয়ান বলল, আমরা জোর করি?

    সেনাপতি এবার হেসে দিয়ে বললেন, না, ওদের খেতে দাও, ওরা ক্ষুধার্ত।

    কিন্তু ওরা ভাবল দয়া করে দেওয়া খাবারে সম্মান নেই, লুট করে খাওয়ার মধ্যে বীরত্ব নিহিত

    খাবার শেষ করে যে যার জায়গায় চলে গেল। এ ঘটনার জন্য গ্রিক কাতুইকোই সৈন্যরা অনুতপ্ত, তা মনে হলো না। নিয়মিত দু-চারজন যেন লজ্জিত। এরা আহার্য গ্রহণে বিরত থাকল। কাড়াকাড়ি করে নিয়ে আসা অতিরিক্ত মাংস এবং হাড্ডি পকেটে পুরে রেখেছিল ওরা। এসবের গন্ধে নিয়মিত সৈন্যদের ক্ষুধা আরও বেড়ে গেল। কিন্তু এরা নিজেরা বনেদি বিবেচনায় এ কষ্টও হজম করল।

    মল্লযুদ্ধের রটনা ছিল খুনোখুনি পর্যায়ের। বেষ্টনীর ভেতর সে খবর পৌছাল। গ্রিকদের একজন কর্নেল সংবাদ পেয়ে বেষ্টনীর বাইরে বন্দী সৈন্যদের কাছে আসতে চাইল। শুধু তাকে একা আসতে অনুমতি দেওয়া হলো। অবস্থাটা এ রকম যে কর্নেল নিজেও বিভ্রান্ত হলো। কর্নেল তাদের সাজা দিতে চেয়েছিল। আর সেটা করতে না পারায় সে এত বেশি দুঃখিত এবং মর্মাহত হলো যে, ভাবল, এটা দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কিছু নয়। ওদের শাস্তি না দিয়ে তার মনে হলো ঠিক কাজটিই সে করতে পেরেছে। তার মনে হলো সত্যি সত্যিই কি তা ঘটেছিল। কী কী ঘটেছিল, কী কী ঘটেনি, অথচ ঘটতে পারত—এসবের মধ্যে যেন হারিয়ে গেল। নিয়মিত একরা সৈন্যরা বলতে গিয়েও বাধাপ্রাপ্ত হলো। কর্নেল বাম হাতের আঙুলগুলো ছড়িয়ে দিয়ে হাতটা ওপরে তুলে ধরে তাদের থামাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক জীবন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }