Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ৩০

    ৩০

    দুরধরা হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। রাজবৈদ্যকে তাৎক্ষণিকভাবে ডাকা হয়েছে। সম্রাট বেশ চিন্তিত। পায়চারি করছেন তিনি। রাজবৈদ্য এসে সম্রাজ্ঞীকে পরীক্ষা করলেন। কিছুদিন আগে সন্তান প্রসব করেছিলেন। মাতৃত্বজনিত সমস্যা অবশ্য আগেই কেটে গেছে।

    সম্রাটের সঙ্গে এখন রাত্রি যাপন করছেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণটা অবশ্য আন্দাজ করা যাচ্ছিল। রাজবৈদ্য সে কথাই বললেন, সম্রাজ্ঞী আবার মা হতে চলেছেন। এ সংবাদে সম্রাটের প্রাসাদে আনন্দের বন্যা বয়ে গেল। সম্রাট দাসদাসী, গরীব-দুঃখী সবার মধ্যেই অর্থ বিলালেন। একটা ছোটখাটো উৎসবও হয়ে গেল।

    তবে সম্রাজ্ঞী এতটা আনন্দিত নন। তাঁর মধ্যে শঙ্কা, আবার কোনো অলক্ষুনে ঘটনা যদি ঘটে যায়? তিনি সুস্থ হয়ে সম্রাটকে বললেন, মহামান্য সম্রাট, আবার এ সময় যুদ্ধে যাচ্ছেন, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না তো? যুদ্ধযাত্রাকালে আমি সব সময়ই প্রেরণা দিয়েছি, এখন যুদ্ধের কথা শুনলে বুক যেন কেঁপে ওঠে।

    একটি দুর্ঘটনা আমাদের জীবনকে কাতর করে তুলেছিল, সম্রাজ্ঞী, সবকিছুরই পরিবর্তন আছে। আমরা প্রতিবারই ভাগ্যবিড়ম্বিত পিতা-মাতা হতে পারি না! আপনি আপনার মন থেকে সব দুর্ভাবনা দূর করে দিন। সুন্দর কিছু ভাবুন, কল্পনা করুন।

    সম্রাজ্ঞী বললেন, আচার্য ভদ্ৰবাহু কী বলেন চলুন না দেখে আসি। তাঁর আশীর্বাদেরও তো প্রয়োজন আছে। যুদ্ধযাত্রা সম্পর্কেও তাঁর মতামত জানা যাবে।

    সম্রাট ভাবলেন, এই অজুহাতে যদি ভদ্রবাহু যুদ্ধযাত্রায় নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন, তাহলে বড় সমস্যা হয়ে যাবে। ভাগ্যে যা-ই থাকুক, তাঁকে এ যুদ্ধে যেতেই হবে এবং জয়লাভও করতে হবে।

    সম্রাট, কিছু ভাবছেন?

    ভাবছিলাম যুদ্ধের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। আচার্য ভদ্রবাহু এ ব্যাপারে তাঁর মতামত দিয়ে বলেছেন যুদ্ধযাত্রা শুভ। যুদ্ধের সংবাদটা চারদিকে রটে গেছে। গ্রিকরা আগে আক্রমণ করলে আমরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হব। যুদ্ধযাত্রা পেছানো সংগত হবে কি না, আচার্য চাণক্যসহ রণমন্ত্রকদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে। আমাদের সন্তানের আগমনের বিষয়ে আচার্য ভদ্রবাহুর সঙ্গে কথা বলা যায়।

    সম্রাজ্ঞী বললেন, যুদ্ধযাত্রা নয়, সন্তানই আমার ভাবনার বিষয়, যুদ্ধ নিয়ে ভাববেন আপনি

    আচার্য ভদ্ৰবাহু এখন সম্রাটের প্রাসাদে অবস্থান করছেন। স্থূলভদ্র এসেছেন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। বরাহ মিহিরের দুষ্টু আত্মার উপদ্রবের পর ক্ষতিগ্রস্ত জৈনদের সম্রাটের সাহায্য দান চলছে। এসবের মূল দায়িত্ব স্থুলভদ্রের। তাঁকে অগ্রগতি জানাতে হয় ভদ্রবাহুকে। প্লেগে নিহতদের সৎকার এবং তাদের পরিবারকে সাহায্য দানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্লেগের প্রাদুর্ভাব কমেছে।

    এ সময় সম্রাটের লোক এসে জানাল যে সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ভদ্রবাহু জানালেন, তিনি নিজেই সম্রাটের কক্ষে আসবেন। ভদ্রবাহু কখনো কাষ্ঠাসনে উপবেশন করেন না, পদ্মাসনে বসেন। তাই আসবাব নেই। এ রকম একটি কক্ষে ভদ্রবাহুর জন্য বসার আয়োজন করা হয়।

    সম্রাট, সম্রাজ্ঞী ও ভদ্রবাহু পদ্মাসনে বসেছেন। সম্রাট বললেন, আচার্য, আমরা সবাই অবাক হয়েছি, বরাহ মিহিরের দুষ্টু আত্মাকে আপনি যেভাবে দমন করেছেন, এককথায় অদ্ভুত।

    সবই পার্শবনাথের কৃপা

    পার্শবনাথ?

    ২৩তম তীর্থঙ্কর। উপসংঘাম স্তোত্রটি তাঁর। আমি লিখেছি মাত্র।

    তিনি কেমন ছিলেন?

    তিনি ছিলেন সর্বজ্ঞ, অলৌকিক আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী। তাই তাঁকে ‘কেবলা’ বলা হতো। কেবলা হচ্ছে অসীম, অশেষ, অপরিমেয়, সর্বোচ্চ, নির্বিরোধ, বাধাহীন ও পরিপূর্ণ এক সত্ত্বা, যিনি চূড়ান্ত মুক্তি অর্জন করতে পেরেছিলেন। তাঁর বাবা অশ্বসেন ছিলেন বেনারসের রাজা, মাতা ছিলেন রানি ভামা। বিশাখায় জন্ম। কম বয়সেই অনেক কর্ম করেছেন। চতুর্মুখী কর্ম। অবসর্পিণী যুগের দুঃসময়-সুসময় পর্বের কোনো এক শ্রাবণ রাতে উপবাস করে করে দেহান্তর করেন। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি খুবই জনপ্রিয় ছিলেন।

    তাঁর উদ্দেশে সম্রাট, সম্রাজ্ঞী হাত জোড় করে ভক্তি জানান ভদ্রবাহুকে অনুসরণ করে। ভদ্রবাহু আরও বলেন, মানুষই অসীম শক্তির অধিকারী, সব জীবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, ভজনা করবে তো তাঁরই করো। বলে সৌম্য হাসি হাসলেন। এবার বলো চন্দ্র, তোমাদের আগমনের হেতু কী?

    সম্রাট দুরধরার চোখের দিকে তাকালেন। দুরধরা লজ্জায় আরক্তিম হয়ে উঠলেন। সম্রাটই বললেন, আচার্য, সম্রাজ্ঞী সন্তানসম্ভবা, আপনার আশীর্বাদ চাইছেন।

    খুবই ভালো সংবাদ দিলে, চন্দ্র। আমি আশীর্বাদ করছি, সন্তান যেন সুস্থ ও সবল হয়, শত বছর বাঁচে।

    আচার্য মহামুনি, আপনি শুধু আশীর্বাদ করলে হবে না, আমরা ভবিষ্যৎও জানতে চাই, বললেন সম্রাজ্ঞী।

    আচার্য ভদ্রবাহু একটু চিন্তিত হয়ে গেলেন। কিন্তু চেহারায় কোনো ভাবান্তর না ঘটিয়ে বললেন, এই সন্তানই মৌর্য সাম্রাজ্যের ভবিষ্যৎ সম্রাট

    এবার যুদ্ধযাত্রায় কোনো অমঙ্গল নেই তো? সম্রাজ্ঞীর প্রশ্নের জবাবে ভদ্রবাহু বললেন, যাত্রা শুভ। উঠে আসবেন, এ সময় ভদ্রবাহু বললেন, চন্দ্র, এবারে পুণ্ড্রবর্ধনে গিয়ে জৈনবিহারগুলো পরিদর্শন করেছি। সেখানকার আচার্যগণ কয়েকটি হীরকখণ্ড আমাকে দিয়েছেন। আমি এগুলো দিয়ে কী করব, এগুলো তুমি আর সম্রাজ্ঞীকে দিলাম। এই নাও।

    পুণ্ড্রবর্ধনের হীরকখণ্ড পেয়ে সম্রাজ্ঞী বেশি খুশি হলেন। সম্রাট বললেন, কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে পুণ্ড্রবর্ধনের মূল্যবান হীরকের কথা বলেছেন। ভুল বলেন নি। আমি পুণ্ড্রবর্ধনভুক্তির কর্মান্তককে বলে দিচ্ছি, জৈনবিহারগুলোকে পুনর্নির্মাণ করে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তুলবে। এ ছাড়া দর্শন ও বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য আচার্য ও শ্রমণদের সম্রাটের রাজকোষ থেকে অর্থ দেওয়ারও ব্যবস্থা করবে।

    ভদ্রবাহুর চলে আসার পর সম্রাজ্ঞী বললেন, খুবই মূল্যবান হীরক। জবাবে সম্রাট বললেন, এর চেয়ে মূল্যবান হিরে হচ্ছেন আচার্য ভদ্রবাহু। আমার সাম্রাজ্যের অহংকার, এই অলংকারের কোনো তুলনা নেই।

    আর মহামন্ত্রী চাণক্য?

    ভুল সময়ে তাঁর কথা বললেন সম্রাজ্ঞী। আদর্শবান মানুষের সঙ্গে কূটরাজনীতিকের তুলনা হয় না। চাণক্য অন্যভাবে গুরুত্বপূর্ণ, প্রশাসনিক দিক থেকে আমার শিক্ষক। দিগ্বিজয়ী সম্রাট হওয়ার শিক্ষা আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন আচার্য ভদ্রবাহু। আমার কাছে তাই তিনি শ্রদ্ধার। আচার্য চাণক্য বড়জোর কৃতজ্ঞতা পেতে পারেন।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই সুবন্ধুকে নিয়ে চাণক্য উপস্থিত হলেন। প্রথমেই তিনি মলয়কেতুর সেনাপতিকে হত্যা এবং রাক্ষসপত্নীকে বন্দী করার সংবাদ সম্রাটকে জানালেন। তাঁদের গ্রিকদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা সম্রাট জানেন। মৌর্যদের সঙ্গে তাঁদের যুদ্ধ হয়েছে, এ জন্য সম্রাট তাঁদের প্রতি যতটা নির্দয়, তার চেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ গ্রিকদের সঙ্গে যোগ দেওয়ায়। বিদেশি রাজশক্তিকে নিজের মাটিতে আমন্ত্রণ করে আনার চেয়ে বোধ হয় বড় অপরাধ আর কিছু নেই।

    সম্রাট এ সংবাদে খুশি হলেন এবং চাণক্যকে ধন্যবাদ দিলেন। ঘরের শত্রুদের মাথা ভেঙে দেওয়ায় যুদ্ধজয়ের অর্ধেক কাজই হয়ে গেছে, আচার্য, বললেন সম্রাট। রাক্ষসপত্নীর বক্তব্য কী শুনেছেন?

    সে কিছুই বলছে না।

    তার কথা শুনতে হবে। তাদের দুজনকে শাস্তি দিলেই সমস্যার শেষ হবে না। তাই তাদের মূল উৎপাটনে তথ্য নিতে হবে। আপনি ব্যবস্থা নিন, আচার্য।

    আরেকটি কথা, মহামান্য সম্রাট।

    বলুন।

    থেসপাস, এন্টিগোনাসের দূত এসেছে। আমাদের সঙ্গে আঁতাত করতে চায়।

    বিদেশিদের মনোভাব তো বোঝা যায় না। তা কী বলতে চায়?

    চাণক্য থেসপাসের সঙ্গে যেসব আলাপ-আলোচনা হয়েছে, সবই বললেন সম্রাটকে।

    সে আমাদের সাম্রাজ্যে ব্যবসা করে? বেশ তো খোঁজখবর নিন। তবে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার কোনো চুক্তি হবে না। কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকতে পারে। এতে আমাদের সুবিধে হবে, গ্রিক মেজাজ এবং রাজকীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে, যা আমাদের কাজে লাগতে পারে।

    গ্রিকদের যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে কিছু তথ্য জানা যেতে পারে, মহামান্য সম্রাট।

    বেশ তো, ডাকুন, কী বলে, শুনি।

    দূতকে ডেকে পাঠানো হলো। সম্রাট সুবন্ধুকে উদ্দেশ করে বললেন, সুবন্ধু, আগামী দিনের মন্ত্ৰী, কী বলেন, আচার্য?

    আমিও তা ভাবছিলাম, মহামান্য সম্রাট। সুবন্ধু এখনো সে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

    যুদ্ধবিদ্যা কি জানা আছে?

    তা আছে, সম্রাট।

    এবার পরীক্ষা হয়ে যাবে। কৃতকার্য হলে ছোট মন্ত্রীর একটি পদ পেয়ে যাবে।

    আমি ভাবছিলাম সে রাজধানীতে থেকে প্রশাসন সামলাবে।

    তার জন্য অমাত্যগণ আছে।

    বেশ, সুবন্ধু, তুমি যুদ্ধযাত্রার প্রস্তুতি নাও।

    সুবন্ধু এতে খুশি হয়ে সম্রাটের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেন।

    এরই মধ্যে থেসপাস এসে উপস্থিত হলো। প্রথমে সম্রাট তার ব্যবসা-বাণিজ্যের খোঁজখবর নিলেন। পরে বললেন, আলেকজান্ডারের সময় আমি ছিলাম নিতান্তই বালক। গ্রিকরা বীরের জাতি, যুদ্ধকৌশলে জগৎসেরা। তখন ব্যাপারটা বোঝার বয়স হয় নি। এ ব্যাপারে আপনার কি কিছু জানা আছে?

    সে সময় আমি মহাবীর আলেকজান্ডারের সৈন্যবাহিনীতে ছিলাম।

    তাহলে তো ভালোই জানা আছে। মহামান্য সম্রাট, আমরা কি এখন সেনাপতিকে ডাকতে পারি। তার এ কথাগুলো জানা দরকার।

    ডাকতে চান ডাকুন, কিন্তু তার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে আপনাকে অথবা আমাকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    সেনাপতিকে ডেকে পাঠানো হলো। চাণক্য বললেন, আপনি আমাদের গ্রিক সেনাবাহিনী সম্পর্কে সাধারণ একটি ধারণা দিন।

    গ্রিসের হেলেনিস্টিক আর্মিরা গ্রেকোমেসিডিনিয়ান কৌশলে যুদ্ধ করে। তাদের ভিত্তি হচ্ছে ফ্যালানক্স রীতি। সম্রাট সেলুকাস সাম্রাজ্য রক্ষার জন্য সেলুসিড আর্মি গঠন করেছেন। আমার মনে হয়, এ আর্মির যুদ্ধকৌশলই আপনারা জানতে চাইছেন।

    সম্রাট বললেন, ঠিক তাই। তার আগে বলুন জেনারেল এন্টিগোনাস কি আলাদা কোনো আর্মি গঠন করেছেন?

    না, তিনি কোনো আর্মি গঠন করেন নি, তিনি আলেকজান্ডারের অধীন কিছু সেনাসদস্য নিয়ে সম্রাট সেলুকাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন।

    সম্রাট জানতে চাইলেন, গ্রিক আর্মি গঠনের প্রক্রিয়াটা কী?

    বেশ আগে থেকে গ্রিকরা আর্মি গঠনে খুবই স্থিতিশীল একটা পদ্ধতি চালু করেছে। সৈন্যদের বেতন-ভাতার পরিবর্তে ভূমি দিয়ে দেওয়া। এ ভূমিতে এরা বসতি স্থাপনসহ কৃষি উৎপাদনে মনোযোগী হতো। এরা সম্রাটদের কাছ থেকে সামরিক প্রশিক্ষণটা পেত কিন্তু চাকরি করত না, যুদ্ধের সময় ডাক পেত যুদ্ধে নামার জন্য। মিসরের শাসক টলেমিও এ ব্যবস্থার পক্ষপাতী। তাদের বলা হয় ক্লেবোচোই। সেলুকাস আর্মিতে তাদের বলা হয় ‘কাতুইকোই’।

    পারস্য সম্রাট দরায়ুসের সেনাবাহিনী ছিল বিশাল। সে তুলনায় ফ্যালানক্স গঠনগত দিক থেকে ছিল ছোট। তাই আলেকজান্ডার ফ্যালানক্সে প্রচলিত রীতির বাইরে দুদিকে সৈন্য যোগ করে লম্বায় বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

    এ সময় সেনাপতি এসে উপস্থিত হলো।

    চাণক্য বললেন, আপনি হেলেনিস্টিক আর্মি নয়, সেলুসিড আর্মির যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে এবার ধারণা দিন।

    প্রাথমিকভাবে এরা হেলেনিস্টিক আর্মির যুদ্ধকৌশলই একটু এদিক-সেদিক করে অবলম্বন করে। পাশাপাশি মেধাবী অফিসারদের দায়িত্ব দেয় নতুন যুদ্ধাস্ত্র উদ্ভাবন এবং নতুন নতুন কৌশল আবিষ্কারের জন্য। সেলুকাসের মতোই তাঁর পুত্র এন্টিওকাস অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। অসাধারণ মেধার অধিকারী বলে সেলুসিড আর্মিতে তাঁর খুব সুনাম ছিল। পারিবারিক কেলেঙ্কারীতে জড়িয়ে না পড়লে তিনি বিশ্বে সেরা সেনাপতি হতে পারতেন।

    মহাকবি হোমার তাঁর মহাকাব্য ইলিয়াডে বীরদের হাতে যে যুদ্ধাস্ত্রের কথা বলেছেন, এগুলোর মধ্যে দোরি একটি। গ্রিকদের সামরিক শক্তির প্রতীক এই সমরাস্ত্রটি। লম্বায় ছোট ধরনের, বর্শা। ফ্যালানক্স আর্মি এটা ব্যবহার করে। এটা মূলত পদাতিক বাহিনী আর্জিরাসপাইডের অস্ত্র। তবে তাদের অশ্ববাহিনী রয়েছে, নাম ‘এপিলেকটোই’।

    তাদের আক্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলুন, বললেন প্রধান সেনাপতি।

    অশ্বখুরাকৃতির একটি ব্যূহ রচনা করবে বলে এখনো পর্যন্ত পরিকল্পনা রয়েছে। শত্রুসৈন্যদের এরা ভেতরে প্রবেশ করতে দেবে। এরপর তিন দিক থেকে আক্রমণ করবে।

    সম্রাট জানতে চাইলেন, পাইক বা সারিসাটা কী?

    নতুন উদ্ভাবিত লম্বা বল্লম বা বর্শা, ১৩ থেকে ২০ ফুট লম্বা।

    আর জিফোস?

    এক হাতে ব্যবহারযোগ্য বর্শা, খুবই মসৃণ। অন্য হাতে শিল্ড বা ঢাল, একে হোপলাইট শিল্ড বলা হয়। হোমারের ইলিয়াডেও এর ব্যবহার রয়েছে। হেলমেটে নতুনত্ব আনা হয়েছে। বর্মটা গলা অবধি তুলে দেওয়া হয়েছে।

    গ্রিকরা এত লম্বা সারিসা চালায় কীভাবে, প্রধান সেনাপতির বিস্ময়কর প্রশ্ন। এ প্রশ্নের জবাব না দিয়ে থেসপাস বললেন, গ্রিক সৈন্যদের দৈহিক যে সাজসজ্জা, তা এখন পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ।

    তাদের গজ বাহিনী কতটা শক্তিশালী, সম্রাটের প্রশ্নের জবাবে থেসপাস বলল, গজ বাহিনী? বুঝলাম না, ক্ষমা করবেন।

    হস্তীবাহিনী।

    নেই। উটবাহিনী আছে, তবে তা অনিয়মিত।

    হস্তীবাহিনী নেই কেন?

    গ্রিকরা অনেকেই অশ্বারোহী বাহিনীকে প্রাধান্য দেয়। তবে দু-একটা হাতি আপনি যুদ্ধক্ষেত্রে দেখতে পাবেন।

    আপনাকে ধন্যবাদ, দূতপ্রবর। জেনারেল এন্টিগোনাসকে আমার শুভেচ্ছা দেবেন।

    দূত চলে যাওয়ার পর সম্রাট বললেন, আচার্য, প্রাপ্ত তথ্যগুলো জরুরিভাবে আমাদের গোয়েন্দা দিয়ে যাচাই করে নিন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }