Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌর্য – আবুল কাসেম

    লেখক এক পাতা গল্প894 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৌর্য – ১০০

    ১০০

    সেলুকাস চন্দ্রগুপ্তকে একটি চিঠি লিখেছেন। চিঠিটি এ রকম :

    আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই ‘ওষুধ’ পাঠানোর জন্য। এ ওষুধ সেবন করে আমি যুবকের জীবন যাপন করছি। আমি আগামী সপ্তাহে ইজিপ্ট আক্রমণ করব। ভাবছেন যুদ্ধহস্তী চাইব, না, তার প্রয়োজন হবে না। একটা বাচ্চা ছেলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাচ্ছি, তবু ইজিপ্ট বলে কথা।

    আমি এখন এশিয়ামাইনরে। আমার যুদ্ধসঙ্গী আরসিনোয়ের আতিথ্যে চমৎকার দিন কাটছে। সে টলেমির মেয়ে। এশিয়া মাইনরের একাংশের রানি। লাইসিমেসিয়া জায়গাটার নাম। লাইসিমেকাস নিজের নামে এর নামকরণ করেছিল। তাকে আমি হত্যা করেছি। আরসিনোয়ের অযোগ্য স্বামী ছিল সে। এখন আমি ইজিপ্ট ছাড়া আলেকজান্ডারের সমস্ত অধিকৃত এলাকার একচ্ছত্র অধিপতি, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আর কেউ নেই। ইজিপ্ট অধিকার হয়ে গেলে একবার ভাবুন কত বড় সাম্রাজ্য হবে আমার। এখানেই শেষ নয়, গ্রিস আক্রমণের পরিকল্পনা আছে। বাকি জীবনটা গ্রিসে কাটাতে চাই, সেটি আমার পিতৃভূমি। তখন আপনার হাতির প্রয়োজন হতে পারে। ওরা আমাকে নাগরিকত্ব দিয়ে রেখেছে। নাগরিক হিসেবে সে দেশ আক্রমণে পাপ নেই।

    এযাবৎ যতগুলো যুদ্ধে আমি জয় লাভ করেছি, সবগুলোরই জয়ের স্মারক মুদ্রা রয়েছে। এগুলোর একটি করে আপনার জন্য এবং একটি করে কর্নেলিয়ার জন্য পাঠালাম। এসব মুদ্রা দেখে সে গর্ববোধ করবে। আপনিও শ্বশুরের সাফল্যস্মারক মুদ্রা দেখে উৎসাহবোধ করবেন এবং নতুন নতুন রাজ্য জয়ে প্রাণিত বোধ করবেন।

    প্রথম বিজয়ের স্মারকমুদ্রা হিসেবে আলেকজান্ডারের অশ্ব বুচফালাসের মস্তকচিহ্নিত উজ্জ্বল স্বর্ণ মুদ্রাটি অবমুক্ত করি। ব্যাবিলন জয় করে মুদ্রায় আলেকজান্ডারের প্রতিকৃতি ব্যবহার করি। আপনি যুদ্ধহস্তী দিয়েছিলেন। সে হস্তী মুদ্রিত করি ইপসাসের যুদ্ধজয়ের পর। এরকম দুটো রুপার মুদ্রা অবমুক্ত করি। লাইসিমেকাসকে পরাজয়ের আগে দিমিত্রিয়াসকে পরাজয়ের পর দুটি। এ মুদ্রাও স্বর্ণের, তবে এত উজ্জ্বল নয়। জীবনের সাফল্যের স্মারক ও একসময় বর্ণ হারায়। ব্যাপারটা প্রতীকী। তবে আবার ঔজ্জ্বল্য ছড়াবে আমার ইজিপ্ট জয়ের সাফল্য এবং তা অচিরেই।

    আমি জানি না কী কারণে কর্নেলিয়া আমার ওপর অভিমান করে আছে। অভিমানী মেয়ে আমার। শুনেছি পাটালিপুত্রে তার বেশ জনপ্রিয়তা, হয়তো প্রভাবও। একটি কথা, সে জানে না, ওষুধ খাইয়ে আমি তার প্রজননক্ষমতা নষ্ট করে দিয়েছি। আমি চাইনি আমার গ্রিক প্রিন্সেস কোনো ভারতীয়ের সন্তান গর্ভে ধারণ করুক। তাতে সংকর একটি জাতির সৃষ্টি হোক। এটি অন্যায় স্বীকার করছি, তার চেয়েও বড় জাতি হিসেবে গ্রিকদের আভিজাত্য ও মর্যাদা ঊর্ধ্বে তুলে রাখা উচিত বলে মনে করি। আপনি ব্যাপারটা কীভাবে নেবেন জানি না, তবে উদারতার দৃষ্টিতে দেখলে সংকট থাকবে না।

    আপনার দাক্ষিণাত্যে অভিযানের কথা শুনেছিলাম, তার ফলাফল জানাবেন।

    ইতি
    সেলুকাস।

    চন্দ্রগুপ্ত পত্রটি হেলেনের হাতে তুলে দিলেন। হেলেন একবার চোখ বুলিয়ে নির্বিকার অবস্থায় পত্রটি আবার ফেরত দিলেন। মুখে বললেন, এ ঘটনার কথা আমি জানি।

    তুমি জানতে হেলেন! অবাক হন চন্দ্ৰগুপ্ত 1

    হ্যাঁ, কিছুদিন আগে শুনেছি।

    জেনে তুমি এত নির্বিকার থাকতে পারলে?

    কান্নাকাটি করলে, আপনাকে জানালে কী হতো? আপনি কষ্ট পেতেন। কষ্টটা তার চেয়ে আমিই একা বয়ে বেড়াই, তা উত্তম নয় কি?

    কেন তুমি একা বয়ে বেড়াবে? তোমার তো কোনো দোষ নেই।

    আছে। আমি সিরীয় মায়ের সন্তান গ্রিক কুলে জন্মেছি, এটাই তো বড় দোষ।

    তোমার এটা দোষ হতে যাবে কেন?

    আমাদের গ্রিক পুরাণে আছে, কেউ পাপ করলে বংশপরম্পরা সে পাপের শাস্তি ভোগ করতে হবে। এটাই নিয়তি।

    চন্দ্রগুপ্ত হেলেনকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হেলেন, আমি তোমাকে ভালোবাসি, এ কষ্ট তোমার একার হবে কেন? আমাকেও ভাগ দাও।

    হয়তো আমার মায়ের পাপেই এ শাস্তি।

    আমার মাও তো একই রকম পাপ করেছেন। পাপের সন্তান মনে করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে গেছেন।

    হেলেন বললেন, এতে বড় পাপ নেই আর এটা নিয়তিও নয়, বড়জোর ভারতীয় কর্মফলবাদ।

    ভারতীয় কর্মফলবাদ তুমি জানো?

    হেলেন এ প্রশ্নের কোনো জবাব দিলেন না।

    একটু ভেবে চন্দ্রগুপ্ত বললেন, এ জন্যই কি তুমি সম্রাটের পূর্বে প্রেরিত পত্রের প্রতি আগ্রহ দেখাও নি?

    হেলেন এবারও চুপ করে থাকলেন। পরে বললেন, আমি লজ্জিত, সম্রাট, আপনাকে মনে হয় আঘাত করার জন্যই আমার পিতা এ কথা লিখেছেন, আমি দুঃখিত।

    আমার মনে হয় তিনি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছেন। কী বলছেন হয়তো তিনিও জানেন না। হতে পারে। কোনো সুস্থ মানুষ এ রকম লিখতে পারে না। আরসিনোয় বোধ হয় তাঁর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে।

    আমিও কিছু ভুল করেছি, হেলেন। তোমাকে না জানিয়ে উত্তেজক ওষুধ পাঠিয়েছিলাম। যাক, আমাদের সন্তান তো আছে। তুমি তাকে আপন করে নাও। আমার অবর্তমানে তুমিই তো তার অভিভাবক।

    সম্রাটের মুখে এ কথা শুনে হেলেন কাঁদলেন। অঝোরে কাঁদলেন। সম্রাট মনে মনে বললেন, কাঁদো হেলেন, কাঁদো। আমি তোমার এ কান্নাটিই চেয়েছি।

    .

    মেগাস্থিনিসকে এগিয়ে দিতে এসে শর্মিলা বৃক্ষ-উদ্যানে প্রবেশ করলেন। উদ্যানের সরোবরের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন দুজন। প্রথম দিনের দৃশ্য মনে পড়ে গেল মেগাস্থিনিসের। বত্তিচেল্লীর ভেনাস যেন আবার দণ্ডায়মান। ডান হাতে বুকের দুই আদিম পাথর এবং বাঁ হাতে লজ্জার স্থান মাথার চুল দিয়ে ঢাকা। জলে ভাঙছে মূর্তিমান শরীর। আজ মেগাস্থিনিস এসবের মধ্যে শুধু শিল্প অথবা দেবতার দেববিলাসকে উপলব্ধি করলেন, তার বেশি কিছু নয়। কিন্তু কোথা থেকে যেন একটা স্বর্গীয় অনুভূতি লাভ করলেন তিনি। তা কি স্বর্গীয় প্রেম? কাম কিংবা দেহাতীত অনুভবে যার জন্ম। এ রকম ভাবনার মধ্যেই শর্মিলা মেগাস্থিনিসের হাত ধরলেন এবং টেনে নিয়ে গিয়ে বসলেন প্রস্তাবিত শিলার ওপর। পদ্মাসন। মেগাস্থিনিস বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি কি মানবীর হাত ধরে আছেন, না আফ্রোদিতের। এত নরম মানুষের হাত হয় কেমন করে?

    হাত ছেড়ে দিয়ে শর্মিলা বললেন, আপনি অবাক হচ্ছেন, নাকি ভয় পাচ্ছেন? অবাক হওয়া কিংবা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আচার্য আমাকে বলেছেন, আমার ওপর তাঁর বিশ্বাস আছে। আপনার ওপরও আমার বিশ্বাস আছে। তাই হাত ধরতে কিংবা সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে কোনো বাধা নেই। এতে আমার সন্ন্যাসব্রতের কোনো ক্ষতি হবে না। আপনার লাভক্ষতির ব্যাপার নিতান্তই আপনার। কী, ঠিক বলি নি?

    মেগাস্থিনিসের ঘোর কাটছে না। গ্রিসে থাকতে একবার শুনেছিলেন, ভারতীয়রা জাদুটোনা জানে, তা কি প্রমাণ হয়ে গেল? এ ছাড়া এখানকার মানুষেরা জাদুবলে বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে, শর্মিলার রূপ কি সে রকম কিছু?

    আপনি জাদুবিদ্যার কথা ভাবছেন, এই তো?

    মেগাস্থিনিস অবাক হয়ে বললেন, আপনি জানলেন কেমন করে?

    আত্মার সংযোগ ঘটিয়ে। কঠিন কিছু না, আপনি আত্মার ধ্যান করলে আপনিও জানতে পারবেন, শুধু একাগ্রতার প্রয়োজন হয়। তবে জাদুটোনার ব্যাপারও আছে, সম্মোহনের ঘটনাও ঘটে, বেশি ঘটায় কামরূপের মেয়েরা, আমরা না, আপনি কখনো সেদিকে যাবেন না। না হয়…বুঝতে পেরেছেন?

    আমি এখন আসি?

    চলে যাবেন? আরেকটু বসুন।

    না, বসব না। সম্রাটের সঙ্গে আমার সাক্ষাতের ব্যাপার আছে।

    সম্রাটকে কী বলবেন? উল্টো পা’দের মুক্তি দিতে?

    এরা তো মুক্তই আছে, শুধু লোকালয়ে বসবাসের অধিকার, সমাজে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি।

    ভালো কাজ, করুন। আচার্যও দেখছি সমর্থন দিচ্ছেন। আপনিই জাদুটাদু জানেন। সবাইকে মোহাবিষ্ট করে ফেলছেন।

    মনে মনে মেগাস্থিনিস বললেন, আপনি ছাড়া।

    কী বললেন, আমি ছাড়া?

    এবার মেগাস্থিনিস ভয় পেয়ে গেলেন। বললেন, আমি উঠি। শর্মিলার সম্মতির অপেক্ষা না করেই উঠে হাঁটতে শুরু করলেন।

    আমাকে সঙ্গে নেবেন না? দাঁড়ান।

    .

    আরসিনোয় সেলুকাসের জন্য নিয়মের বেশি আরও এক প্যাক পানীয় নিয়ে বসে আছেন। সেলুকাস ওয়াশরুমে গেছেন। ফিরে এসে অবাক হয়ে বললেন, তুমি কী করে জানলে ডিনারে আমি এক প্যাক বেশি পান করি?

    জানতে হয় সম্রাট, আমাদের সবকিছু জানতে হয়। নিন, শুরু করুন।

    কক্ষে আলো-আঁধারি একটা অবস্থা। তার মধ্যেও আরসিনোয়ের চোখ যেন ঝলমল করছে। দুজন সামনাসামনি বসেছেন। সেলুকাস সুরাপাত্র হাতে নিয়ে আরসিনোয়ের সঙ্গে ঠোকাঠুকি করলেন। কিছু একটা বললেন। তারপর এক ঢোক গিলে বললেন, চমৎকার সবকিছু। তোমার কৈশোরের মতো চমৎকার।

    আমার কৈশোর মনে রেখেছেন?

    নিটোল ছিলে তুমি। শুধু টোল পড়ত গাল আর হাঁটুতে, এখন আছে?

    দেখবেন?

    গাল তো পাকা আপেল হয়ে আছে। হাঁটুর টোল?

    আরসিনোয় হাঁটু পর্যন্ত কাপড় তুলে টোল পড়া দেখলেন।

    এটা আগের মতোই আছে।

    স্পর্শ করে দেখবেন না?

    এত জরুরি কি?

    শূকরের মাংসটা ভালো হয়েছে।

    আরও একটু দিই?

    আস্তে, বলে সেলুকাস হাত ধরলেন।

    আরসিনোয় বললেন, আপনার কাঁপুনি শুরু হয়ে গেছে। তাড়াতাড়ি পানপাত্র শেষ করুন। ধৈর্য ধরতে হবে।

    বাঘের সামনে টোপ দেওয়ার মতো আরসিনোয় বুকের কাপড় টেনে নিলেন একটু। তা দেখে সেলুকাসের চোখ বড় হয়ে উঠল। তিনি তিন প্যাকের অতিরিক্ত এক প্যাকও একপলকে শেষ করে যেন আরসিনোয়ের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। আরসিনোয় কাচে ঘেরা সলতের বাতিটা ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দিলেন। লাইসিমেসিয়ায় তখন ঘোর অন্ধকার। সে অন্ধকার রানির কুটিরও গ্রাস করে ফেলেছে।

    .

    সেলুকাস কোথায় এখন?

    কেন, সেলুসিয়ায়। আমি প্রথমে সেখানেই যাব কি না ভাবছি।

    সেখানে তোমাকে একা যেতে হবে না।

    একা যেতে হবে না কেন?

    তোমার সঙ্গে সেলুকাসের সাক্ষাৎ হচ্ছে এশিয়া মাইনরে।

    কী বলছ তুমি?

    এবার হেসে দিয়ে স্ট্রেটোনিস বললেন, তোমার জন্য অযথাই খেটে মরছি। সেলুসিড সম্রাট হলে কীভাবে সাম্রাজ্য চালাবে তুমি?

    এন্টিওকাস ভেবে পেলেন না স্ট্রেটোনিস কেন হেসে কথা বলছেন, ইদানীং রুক্ষ মেজাজে কথা বলেন এবং তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতেও ছাড়েন না। এ ছাড়া সেলুকাসের অবস্থান জানেন কী করে? বললেন, তোমাকে এ সংবাদ দিল কে?

    তুমি ছাড়া কি আমার সংবাদদাতা নেই? এবার মন দিয়ে শোনো লক্ষ্মীটি। প্রস্তুতি নাও, আমরা সবাই সেলুসিয়ায় যাব। সেখানে আমাদের অনেক কাজ।

    তোমার মাথা খারাপ হয়েছে নাকি? সেখানে আমাদের কী কাজ?

    আমাদের সাথে জেনারেল মোলনও যাবে।

    মোলন যাবে কেন? সম্রাট তাকে যেতে বলেননি। তুমি ভুলে যাচ্ছ মূল কমান্ড সম্রাটের হাতে।

    আমি জানি, সম্রাটের কাছেই মূল কমান্ড থাকে। তিনি সর্বাধিনায়ক।

    তাহলে?

    যা বলছি, তা-ই করো, লক্ষ্মীটি।

    সম্রাট আমাকে আদেশ করেছেন এপিলেকটোই বাহিনী নিয়ে ইজিপ্ট সীমান্ত পয়েন্টে থাকতে।

    এ কথা আগেও বলেছ তুমি। তুমি ইজিপ্ট সীমান্ত পয়েন্টে যাচ্ছ না, আমরা সেলুসিয়ায় যাচ্ছি।

    তুমি কী বলছ, আমি বুঝতে পারছি না। সেখানে আমাদের কেউ পছন্দ করে না, মুখ পর্যন্ত দেখতে চায় না। কেন যাব আমরা সেখানে? তুমি হাসছ? কী রহস্য এ হাসিতে!

    স্ট্রেটোনিস এন্টিওকাসের কাঁধে হাত রাখলেন। ঝুঁকে চুমো খেলেন, মুখ ওপরের দিকে তুলে নাকে নাক ঘষে বললেন, আমার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারো সুইট, ওরা কেউ আমাদের অপছন্দ করবে না।

    আচ্ছা, তুমি বলো তো কী হতে যাচ্ছে?

    আমার সপরিবার সেলুসিয়ায় যেতে ইচ্ছে করছে। তুমি নিয়ে যাবে না?

    তাই বলো। কিন্তু আমার ওপর আদেশ যে ইজিপ্ট সীমান্ত পয়েন্টে থাকা। বেশ তুমি তৈরি হয়ে নাও। এপিলেকটোই বাহিনীতে দ্রুত ফেরা যাবে। এন্টিওকাস মনে মনে ভাবলেন, পদাতিক বাহিনীর কমান্ডার হলে সমস্যাই ছিল।

    স্ট্রেটোনিস বললেন, আমাদের সন্তানেরাও যাবে।

    কেন? ওরা যাবে কেন?

    আমার সাধ সবাই একসঙ্গে যাব। আর আমরা এখনই সেলুসিয়ায় যাচ্ছি না। কাল যাচ্ছি।

    কী হেঁয়ালি করছ তুমি? প্রথমে বললে তৈরি হয়ে নিতে, আবার বলছ কাল যাচ্ছ। তুমি তো রাতে কিছু পান করো না, আজ কি….

    আরে না না। আমি সকালে একবার পান করি, আর বিকেলে একবার, রাতে পান করা আমার পছন্দ নয়, তাহলে উপভোগটা ভালো হয় না। মাতালের রতিক্রিয়া অর্থহীন।

    তাহলে কথা এলোমেলো কেন?

    আমি তো একবারও বলি নি আজই যাচ্ছি। রাতে কোথায় যাব। মোলনের তৈরি হতে সময় লাগবে না? মোলন তো আর একা যাবে না, সঙ্গে তার লোকজন যাবে।

    ওর লোকজন যাবে মানে?

    প্রয়োজন আছে, এ জন্য যাবে। আমরা নিরাপত্তাহীন অবস্থায় যাব নাকি? আহ্, কতকাল হলো সেলুসিয়া ছেড়ে এসেছি, সে প্রাসাদ, সে বাগান, সে দিঘি, আবার দেখা হবে।

    প্রথমে যে বললে সম্রাটের সঙ্গে এশিয়া মাইনরে দেখা হচ্ছে।

    দেখা তো হচ্ছেই। তাঁকে নিয়েই যাব।

    হেঁয়ালি রাখো তো।

    হেঁয়ালি নয়।

    তাহলে?

    রেগে যাচ্ছ কেন? ঠিক আছে, আমিই মোলনের সঙ্গে কথা বলব।

    সম্রাট এখানে কী জন্য এসেছেন?

    আরসিনোয়ের সঙ্গে ফুর্তি করতে।

    ধ্যাৎ, যা-তা বলছ। যাও, ঘুমোও এখন।

    আমি আজ রাত শুধু জেগে থাকব। পরিকল্পনা করব, মহাপরিকল্পনা।

    বেশ, তা-ই করো, এখন আমাকে ঘুমোতে দাও।

    .

    দিদাইমেইয়া কথা শেষ করে চুপ করে বসে আছেন। নিকোমেডেস আর ফাওলিনও চুপ করে আছে। তাদের চার বছরের ছেলে অস্থিরভাবে এটা-সেটা করছে। এক পর্যায়ে সে বলল, তোমরা চুপ করে আছ কেন? তোমরা চুপ করে থাকলে আমার কাছে ভুতুড়ে অবস্থা মনে হয়। তোমরা কি মরে ভূত হয়ে গেছ?

    দিদাইমেইয়া তাকে কাছে টেনে নিয়ে বললেন, না ভাইয়া, এ রকম বলতে নেই। তুমি বুঝবে না আমরা খুব সংকটে আছি।

    সংকট কী, মা?

    ফাওলিন বলল, মনে করো মনখারাপ।

    তুমি ওকে ভুল বললে, আমরা কী করব যখন বুঝতে পারি না, তখন তাকে সংকট বলা হয়। তুমি বাইরে একটু খেলা করো, যাও। বলল নিকো। তার মেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বলল, আমি বুঝতে পারছি না খেলা করব কি না, আমি সংকটে আছি।

    শুনে সবাই কষ্টের মধ্যেও হাসলেন।

    ফাওলিনের বাবা টলেমির সেনাবাহিনীর অফিসার ছিলেন। ক্রোউনোস সম্রাট হওয়ায় চাকরি ছেড়ে চলে এসেছেন। তিনি সেলুসিয়ায় আসছেন। দিদাইমেইয়া এবং নিকোমেডেসরা একই সংকটে। সেলুকাসের কাজকর্মে এরা খুবই অসন্তুষ্ট। এঁরাও সেলুসিয়া ছাড়তে চাইছেন। কিন্তু যাবে কোথায়, ইজিপ্ট আর গ্রিস ছাড়া সবটাই সেলুকাসের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। একচিলতে জায়গা নিয়ে আছেন আরসিনোয়। কিন্তু যে অবস্থার সৃষ্টি করেছেন, ঘৃণা ছাড়া তাঁর আর প্রাপ্য কিছু নেই।

    নিকোমেডেস বলল, মা, যাও, গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ো। ফাওলিনের বাবা পৌঁছাতে পৌঁছাতে ভোর হবে।

    দিদাইমেইয়া শিশুটিকে নিয়ে নিজের কক্ষে গেলেন।

    ফাওলিন বলল, মা খুব কষ্ট পেয়েছেন। আমাদের ভবিষ্যৎটা সত্যিই অজানা এবং অনিশ্চিত।

    নিকোমেডেস বলল, আমিও সেলুকাসের আর্মির চাকরিটা ছেড়ে দেব। মা আমাকে বলে নি, কিন্তু তাই বোঝাতে চেয়েছে।

    ফাওলিন নিকোমেডেসের কাছে ঘন হয়ে বসল। তার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলল, বিপদ যখন আসে, সবদিক থেকে আসে। তবে কি জানো, একসঙ্গে আসাই ভালো, একসঙ্গে মোকাবিলা করা সহজ হয়।

    আরও বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    কী রকম?

    সেলুকাস মারা গেলে একমুহূর্তের জন্যও এন্টিওকাসের সাম্রাজ্যে থাকা সম্ভব নয়। স্ট্রেটোনিস আর এন্টিওকাসকে সহ্য করা অসম্ভব।

    ফাওলিন বলল, লাউডিস তো আরও ক্ষুব্ধ।

    ঠিক বলেছ। জেনারেল কিউকেকাস যে রকম স্পষ্টবাদী অফিসার, এন্টিওকাসের বাহিনীতে এক দিনও কাজ করবেন না।

    আরও সমস্যা পাকাচ্ছে, বলল নিকো। সবারই বিপদ। অনেক অফিসার পদত্যাগ করবে। কর্নেলিয়া কেমন আছে কে জানে? কী মধুর ছিল ভারতে দিনগুলো, বলে নিঃশ্বাস ফেলল ফাওলিন।

    ফাওলিনকে বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে নিকোমেডেস বলল, মা আছে, তোমার বাবা আছেন, লাউডিসরা আছে। সবাই মিলে এ দুঃসময়টা মোকাবিলা করব। মরতে হলে সবাই একসঙ্গে মরব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article মানবতন্ত্র – আবুল ফজল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }