Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প698 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. রাজু

    পকেটে হাত দিয়ে চাবিটা দেখল রাজু। না, ঠিক আছে। এই নিয়ে চারবার ও দেখল চাবিটা। নিজের ওপরই রাগ হচ্ছে। বাড়ি থেকে চাবিটা নিয়ে ঠিক মতোই তো বেরিয়েছিল। বার বার এ ভাবে কোনও জিনিস ঠিক আছে কি না দেখাটা এক রকমের মানসিক অসুস্থতা। ও তো এমন নয়। তা হলে আজ এমন হচ্ছে কেন? টেনসড হয়ে আছে বলেই কি?

    রাজু পাঞ্জাবির পকেট থেকে রুমাল বের করে কপালটা মুছল। শীতের শেষ হলেও আজ দুপুর থেকে একটা ভ্যাপসা গরম পড়েছে। পার্টি অফিসে ওরা যেখানে বসে, সেখানে মান্ধাতার আমলের একটা ঘটঘটে ফ্যান আছে। গদার মতো কনভার্টার লাগানো ডিসি পাখা। সেটা থেকে হাওয়ার চেয়ে ঝুল পড়ে বেশি। শুধু সেতুদার ঘরে এসি চলে। শীত-গ্রীষ্ম সব সময় চলে। আর বাকিরা বাইরে বসে ঘেমেনেয়ে একশা হয়!

    এটা মানতে পারে না রাজু। তুমি মানুষের কথা বলছ। সবার মাঝে থেকে কাজের কথা বলছ। লোকের সামনে বিড়ি বের করে খাচ্ছ। আর এদিকে ক্যামেরা, মিডিয়া অফ হলেই এসি, পাঁচশো টাকা দামের সিগারেট, পাঁচ হাজার টাকা দামের টি-শার্ট! এ সব দোগলাবাজি মানতে পারে না ও। চোখের সামনে লোকটা এমন হয়ে যাবে, ভাবতে পারেনি কোনও দিন!

    তা ছাড়া রাজুর এও মনে হয়, কে জোগাচ্ছে এত টাকা? ওরা তো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলছে পার্টির জন্য। সেখানে সেতুদার এই লাইফ স্টাইল চলে কী করে? সেতুদা তো পার্টির হোলটাইমার। চাকরিবাকরি করে না। তা হলে? গৌরী সেনটা কে?

    এ সবই ন্যায্য প্রশ্ন। কিন্তু রাজু বোঝে যে, এখন যা সময় পড়েছে তাতে সবাই নিজের ধান্দা গোছাতে ব্যস্ত। ন্যায্য প্রশ্নটাই এখন অন্যায্য।

    “কী রে, তখন থেকে পকেটে হাত দিয়ে কী দেখছিস?” জহরদা জিজ্ঞেস করল।

    জহরদা ওদের পার্টি-মেম্বার। বয়স পঞ্চাশ-বাহান্ন মতো। গড়িয়ার কোথায় একটা থাকে। বাড়িতে বউ আর এক ছেলে আছে। আগে চাকরি করত, কিন্তু সেটা গেছে। এখন একটা ছোট কোম্পানি খুলেছে। একেওকে ধরে পার্টির নাম ভাঙিয়ে নানা কনট্র্যাক্ট বের করে। এই যেমন কোনও সরকারি বিল্ডিংয়ের রঙের কনট্র্যাক্ট! কোনও স্কুলের চেয়ার-টেবিল সাপ্লাইয়ের কনট্র্যাক্ট। বা কোনও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য স্টেজ তৈরি করা, এই সব আর কী! রাজুর অবাক লাগে এই দেখে যে, সবার মাঝে থেকে জহরদা ঠিক কাজ বাগিয়ে নেয়। পৃথিবীতে সত্যি কিছু মানুষ আছে, যারা কথার জোরে কাজ বাগিয়ে নিতে ওস্তাদ। রাজু যদি এমনটা হতে পারত!

    জহরদা সারাক্ষণ সেতুদার পিছন পিছন ঘুরে বেড়ায়! বয়সে জহরদা বড় হলেও পারলে সেতুদাকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে দু’বেলা। তেল তেল! সারা দুনিয়া এর ওপরেই ভেসে আছে। টিকে আছে। রাজুর হাসি পায়। না, এ হাসি আনন্দের হাসি নয়। এ হাসি নিরুপায়, হেরে যাওয়া মানুষের হাসি।

    আজ সেতুদা অফিসে এসেছে। তাই জহরদাও পিছন পিছন এসেছে। মাঝে মাঝে ফ্রাস্ট্রেটেড লাগে রাজুর। সবাই সব গুছিয়ে নিল। শুধু ওরই কিছু হল না। পার্টির জন্য খেটে মরল বেকার বেকার।

    আগে কিন্তু এ সব মনে হত না। কিন্তু ইদানীং হচ্ছে খুব। নিজের ভেতরে একটা বদল টের পাচ্ছে ও। যে-আদর্শ ও সততার মাটিতে মনের নোঙর পোঁতা ছিল, সেটা ক্রমশ কেমন যেন আলগা হয়ে যাচ্ছে। অন্য স্রোতে জাহাজ ভাসানোর সময় এল কি?

    মা ওকে এই পার্টির হয়ে খাটাখাটনির জন্য বকাবকি করে মাঝে মাঝে। বাড়িতে খুবই টানাটানির সংসার। টিউশন করে আর ক’টা টাকাই-বা পায় ও! মাকে সেলাইয়ের কাজ করতে হয়। তাতেও খুব একটা সুরাহা হয় না।

    রাজুর ওপর আর মায়ের কোনও ভরসা নেই। ওর ভাই পুলু খুব ভাল ছাত্র। যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে। মা এখন আশা করে আছে, পুলু যদি কিছু করে জীবনে!

    ক’দিন হল মায়ের শরীরটা ভাল নেই। দুটো হাঁটুই গেছে। ডাক্তার বলেছেন অপারেশন করাতে। কিন্তু তার জন্য টাকার দরকার। ‘নি রিপ্লেসমেন্ট’ কঠিন কাজ। কে দেবে ওকে অত টাকা! মা ওকে দেখলেই সেই নিয়ে কথা শোনায়। গঞ্জনা দেয়। কিন্তু তাতে মনখারাপ হয় না রাজুর। মনখারাপ হয় মাকে হাঁটুর ব্যথায় কাঁদতে দেখলে। কেবলই মনে হয় এত বয়স হল, কিন্তু জীবনে কিছুই করতে পারল না ও। না মানুষের জন্য কিছু করতে পারল, না নিজের বাড়ির লোকেদের জন্য, না নিজের জন্য। কেন বেঁচে আছে ও! কী হবে ওর বেঁচে থেকে!

    “কী রে শালা? বোবা মেরে গেলি কেন? কী হয়েছে তোর?” জহরদা হাতের বিড়িটা সামনে রাখা একটা মাটির খুঁড়িতে পিষে দিয়ে জিজ্ঞেস করল।

    রাজু ঠোঁট চাটল। তার পর বিষণ্ণ গলায় বলল, “তোমার কাছে দুশো টাকা হবে? আমি সামনের মাসে দিয়ে দেব।”

    জহরদা হেসে উঠে দাঁড়াল। তার পর পিছনের পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে জিজ্ঞেস করল, “দুশো?” তার পর একটা পাঁচশো টাকার নোট বের করে ওর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “রাখ এটা। ফেরত দিতে হবে না। তুই সেতুদার খাস লোক। তোকে এত ভালবাসেন দাদা। আমি কি তোর কাছ থেকে টাকা নিতে পারি?”

    রাজু চোয়াল শক্ত করে সময় নিল একটু। কথার মধ্যে যে অন্য কথা লুকিয়ে আছে, সেটা বুঝতে পারল বেশ। কিন্তু সেই নিয়ে কিছু নারাজু টাকাটা নিয়ে বুকপকেটে রেখে বলল, “আমি নেক্সট মাসেই দিয়ে দেব!”

    জহরদা হাসল, “শোন রাজু, বেকার চাপ নিস না। পাঁচশো কোনও টাকা আজকের দিনে? একটা পাঁইটেই চলে যায়। তুই শালা এমন চেপে থাকিস কেন রে? সারাক্ষণ এমন মুখ কালো করে থাকিস কেন? দেখলেই মনে হয় যেন মরে গিয়েছিস! গার্লফ্রেন্ড নেই, না! লাগাস-ফাগাস না নিশ্চয়ই!”

    রাজু কিছু না বলে বিরক্তিতে মুখটা ঘুরিয়ে নিল। এ সব ছাড়া যেন আর কোনও কথা নেই এদের!

    “শোন না,” জহরদা নিজের চেয়ারটা টেনে কাছে আনল ওর। এই ঘরে সে ভাবে কেউ নেই। সেতুদার ঘরে কারা যেন এসেছে। বাকি লোকজন অফিসের বাইরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। পার্টি অফিসের বাইরেই একটা চায়ের দোকান আছে। সেখানে ভিড় করেছে সবাই।

    জহরদা এত কাছে এসে বসেছে রাজুর যে, জহরদার গা থেকে কড়া বিড়ির গন্ধ পেল ও। বমি এল রাজুর। খারাপ গন্ধ একদম সহ্য হয় না ওর। ওর বন্ধু গুরান বলে, “শালা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকিস। তাদের হয়ে গলা ফাটাস। আর খারাপ গন্ধ সহ্য হয় না! খেটে খাওয়া মানুষের গা দিয়ে কি ডিয়োডরেন্টের গন্ধ বেরোবে? এই নাক নিয়ে তুমি বিপ্লবী হবে?”

    গুরান ঠিকই বলে। আর সত্যি বলতে কী, মানুষের শরীরের স্বাভাবিক গন্ধ খুব একটা প্রীতিপ্রদ নয়। কিন্তু রাজুর খারাপ লাগলে কী করতে পারে ও?

    রাজু একটু পিছন দিকে হেলে বসল। ভাবল, ও সেরকম মানুষ হলে ঠিক জহরদাকে সরে বসতে বলত!

    জহরদা খেয়াল করল না সেটা। বরং আরও ঝুঁকে পড়ে কোনও গোপন কথা বলছে এই ভাবে বলল, “যা বলছিলাম, গড়িয়ার ওখানে আমাদের পাড়ায় দুটো বাড়ি ভেঙে আমি একটা মাল্টিস্টোরিড বানাতে চাই। ওখানকার পার্টির ছেলেরা ঝামেলা করছে। আমি যে একই পার্টি করি, সেটা বলেও কাজ হচ্ছে না। তুই একটু বলে দে না সেতুদাকে। তোকে তো ভালবাসে খুব। একটু বলে দে না ভাই। আমি দু’-একবার বলার চেষ্টা করেছিলাম। শালা, সেতুদা উল্টে আমার পেছনে ভরে দিয়েছে! জানিস তো কী সাংঘাতিক মাল! নিজের হাতে কত মানুষ খুন করেছে তার ঠিক নেই। তাই আর সাহস পাই না। বুঝিসই তো। তেলে-জলে রাখতে হয় এদের। তোর ব্যাপার অন্য। তুই করিয়ে দে ভাই। তোকে কিছু দেব।”

    “দেবে মানে?” রাজু ভুরু কুঁচকে তাকাল।

    “মানে, তুই সেতুদাকে বলে কাজটা করিয়ে দে। তোকে পঞ্চাশ হাজার দেব। শোন, এ সব খারাপ কাজ নয়। সব কাজের জন্য পারিশ্রমিক হয়। এই যে সেতুদা। এত টাকা পায় কী করে! বড় বড় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টদের কাজকর্মের সেটিং করিয়ে দেয় নেতা-মন্ত্রী ধরে। সেখান থেকে ভাল কাট পায়। ব্রোকারেজ। বহু বাঙালির আদি ব্যবসা ভাই। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সময় থেকে এ সব করে কত বাঙালিবাবু কত টাকা করল! তুইও কর। জানবি এটা পারিশ্রমিক। রোজগারের পন্থা। কখনও কোনও কাজ ফ্রিতে করবি না। বুঝলি?”

    রাজু ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে রইল। হাফ ইতিহাস জানলে এই হয় মুশকিল। হাবিজাবি কথা বলে মানুষ। মোটেও বাঙালিবাবুরা শুধু এই ভাবে

    রোজগার করেনি। কিন্তু রাজু জানে, জহরদা অর্ধশিক্ষিত লোক। ওকে এই সব নিয়ে বলে লাভ নেই। কলোনিয়াল হিস্ট্রিতে বাঙালিকে যে কত অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে, সেটা নিয়ে ক’জন মাথা ঘামায় এখন।

    জহরদা আবার বলল, “কেউ কোনও কাজ ফ্রিতে করে না। তুইও করবি না। আমি শালা সেতুদার পিছনে পিছনে ঘুরি বটে, কিন্তু দাদা খুব একটা পাত্তা দেয় না। ভাই এটা করিয়ে দে। ঠিক আছে শোন, এখন ক্যাশ পঞ্চাশ দেব। পরে কাজ কিছু আটকে গেলে সেটাও সেতুদাকে বলে ক্লিয়ার করিয়ে দিলে আরও দেব। দারুণ একটা অপরচুনিটি এসেছে। তুই একটু বল। প্লিজ।”

    রাজু কিছু বলার আগেই সেতুদার চেম্বারের দরজাটা খুলে গেল হঠাৎ। জহরদা তড়িঘড়ি উঠে দাঁড়াল। মানে ব্যাপারটা এমন, যেন ক্লাসে স্যর ঢুকেছেন!

    সেতুদার ঘর থেকে চারজন মানুষ বেরিয়ে গেল কোনও দিকে না তাকিয়েই। দেখলেই বোঝা যায় সব মালদার পার্টি। সারাটা ঘর তাদের গা থেকে আসা সুন্দর গন্ধে ভরে উঠল। রাজুর আবার গুরানকে মনে পড়ল।

    গুরান, ওদের পাড়ায় মানে, টালিগঞ্জ ফাঁড়ির কাছে থাকে। একটা ছোট্ট ইলেকট্রিকাল গুডসের দোকান আছে ওর। সঙ্গে মোবাইলও সারায়।

    গুরানের দোকানে সারাক্ষণ লো ভলিউমে রেডিয়ো বাজে। এমনিতে সবার সামনে চুপচাপ থাকে গুরান। কিন্তু রাজুর সঙ্গে অনেক কথা বলে। জীবনে ওর যেটুকু কথা, সেটা যেন শুধু রাজুর সঙ্গেই।

    “রাজু, এদিকে আয়,” সেতুদা ঘরের ভেতর থেকেই ডাকল।

    রাজু উঠে সেতুদার ঘরের দিকে এগোল। পাশ থেকে জহরদা চাপা স্বরে, সিনেমার টিকিট ব্ল্যাক করার মতো গলায় বলল, “পঞ্চাশ হাজার, পঞ্চাশ হাজার।”

    রাজু চোয়াল শক্ত করে সেতুদার ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। পঞ্চাশ হাজার অনেক টাকা। ওর পক্ষে চার মাসেও রোজগার করা সম্ভব নয়। আর অন্যায় তো করছে না কিছু।

    কিন্তু ক্যাশ দেবে জহরদা। মানে হিসেবের বাইরের টাকা এটা। কালো টাকা। এটা হাত পেতে নিলে, যে-সামাজিক ব্যবস্থা আর কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে ওদের লড়াই, সেই দিকেই কি চলে যাবে না রাজু?

    সেতুদার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল রাজু।

    সেতুদার বয়স ছেচল্লিশ-সাতচল্লিশ মতো। রোগা, ফর্সা মানুষ। পরিষ্কার করে দাড়ি-গোঁফ কামানো। মাথায় জেল দিয়ে সেট করা চুল। সারাক্ষণ মুখে দারচিনি রেখে চিবোয়।

    “বোস,” সেতুদা সামনের চেয়ারটা দেখাল রাজুকে।

    রাজু বসল। এই ঘরে ঢুকে আরাম লাগছে। এসিটা এত মোলায়েম। ওর মায়ের মুখ মনে পড়ল। ওদের গুমটি ঘরে কলকাতার গরমের মধ্যে মাথা নিচু করে সেলাই করে মা। আচ্ছা, পঞ্চাশ হাজারে একটা এসি তো হয়েই যাবে, না? আসলে ওর ধারণা নেই এ সবের দাম কত। কিন্তু এসি কিনলেই তো আর হবে না। ইলেকট্রিকের বিলটা কে দেবে? সেটাও তো শুনেছে বেশ ভালই আসে এসি চালালে।

    সেতুদা জিজ্ঞেস করল, “মাসিমা কেমন আছেন রে? পায়ের ব্যথাটা কমেছে?”

    “না সেতুদা। ও অপারেশন না করলে হবে না। হাঁটু বদলাতে হবে,” রাজু দীর্ঘশ্বাসটা লুকিয়ে ফেলল।

    রাজুর মনে হল এখানেই ওর সঙ্গে ধান্দাবাজ জহরদার পার্থক্য। ওযে দীর্ঘশ্বাসটা গিলে নিল, জহরদা হলে সেটাই স্টিম ইঞ্জিনের মতো শব্দ করে ছাড়ত। দেখাত কত কষ্টে আছে। ও দেখেছে, ধান্দাবাজ মানুষজন সারাক্ষণ নিজের দুঃখকষ্ট অন্যের সামনে সেন্টিমেন্টে মুড়ে বিক্রি করে সুযোগসুবিধে নেওয়ার চেষ্টা করে। আর কী অবাক করার মতো ব্যাপার, তারা সুবিধেও পেয়ে যায়!

    সেতুদা মাথা নাড়ল। তার পর প্রসঙ্গ পাল্টে বলল, “শোন, যা বলার ছিল। আমাকে একটা বড় নিউজ পেপার থেকে লিখতে বলেছে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। পরশু লাগবে লেখাটা। এই ধর হাজার শব্দের মধ্যে। তুই যেমন লিখিস, সে ভাবে লিখে দিস, কেমন? আমার দিকটা হবে কঠিন ভাষায় সমালোচনা। পুঁজিবাদের কাছে আমরা মাথা নত করেছি বলেই দেশের আজ এই অর্থনৈতিক দুর্যোগ। এর ওপর বেস করে তথ্য-টথ্য দিয়ে খাড়া করে দিস একটা। বুঝলি?”

    রাজু মাথা নাড়ল। এই লেখার কাজটা ও করে দেয়। সেতুদাই শুধু নয়, পার্টির আরও দু’-একজন নেতার হয়ে ও লিখে দেয়। যে-টাকাটা তাঁরা পান, সেটা ওঁরা রাজুকেই দেন।

    “ঠিক আছে সেতুদা,” মাথা নাড়ল রাজু।

    “তা, এই জন্যই ডাকলাম তোকে। প্লাস কলেজ স্কোয়ারে সেদিন

    মিটিংয়ের পরে আমায় বেরিয়ে যেতে হল তাড়াতাড়ি। দেখাই হল না তোর সঙ্গে। তাই জিজ্ঞেসও করার ছিল তোর কী খবর! কাজকর্ম কেমন হচ্ছে?” রাজু হাসল একটু।

    সেতুদা উঠে দাঁড়াল, “বাড়ির কিছু দরকার হলে বলিস। সব সময় এমন নতুন বউয়ের মতো লজ্জা লজ্জা মুখ করে ঘুরিস না।”

    রাজু মাথা নাড়ল। তার পর মনে মনে বলল, ‘সেতুদা আমার মায়ের অপারেশনটা যাতে বিনে পয়সায় হয়ে যায় সেটা একটু ব্যবস্থা করে দাও।’

    কিন্তু মুখে বলল না। বরং ঠোঁট কামড়ে, ভেবে বলল, “একটা কথা ছিল।”

    টেবিল থেকে দুটো মোবাইল তুলে পকেটে ভরে ওর দিকে তাকাল সেতু। ডান হাতের কব্জিতে বাঁধা লাল ডোরগুলো ঠিক করতে করতে ভুরু তুলে জিজ্ঞেস করল, “কী!”

    রাজু সময় নিয়ে ছোট করে গুছিয়ে জহরদার ব্যাপারটা বলল। সেতুদা শুনল পুরোটা। তারপর হেসে টেবিল ঘুরে এগিয়ে এল ওর কাছে। বলল, “জহরদা কত দেবে বলেছে তোকে?”

    রাজু ঘাবড়ে গেল। সেতুদা বুঝে ফেলেছে। ও কোনও মতে লজ্জার সঙ্গে বলল, “ইয়ে… মানে পঞ্চাশ হাজার।

    সামনের বছর বিধানসভা নির্বাচন। খুব টাফ ফাইট হবে। সেতুদার ওপর পার্টির অনেক কিছু নির্ভর করছে। সেতুদা টিকিট তো পাবেই আর এমন কথাও হাওয়ায় উড়ছে যে, সেতুদা নাকি একটা ভাল ডিপার্টমেন্টের মন্ত্রী হতে পারে।

    “পাগল নাকি? আমি তোকে পছন্দ করি রাজু। ওই জায়গায় দুটো বাড়ি ভেঙে একটা বড় মাল্টিস্টোরিড বিক্রি করে ও কত কামাবে জানিস? সেখানে আমাকে বলে কাজ করিয়ে দেওয়ার জন্য পঞ্চাশ হাজার দেবে তোকে! দশ লাখ চাইবি তুই। আমায় কিছু দিতে হবে না। সবটাই তোর। আমি অন্য কিছু নিয়ে নেব ওর থেকে। যদি তোকে দশ লাখ দেয়, তা হলে আমি করে দেব কাজটা। বুঝেছিস? কিন্তু আমার নাম বলবি না যে, আমি এ সব বলেছি।”

    রাজু হাঁ করে তাকিয়ে রইল।

    সেতুদা আলতো করে ওর গালে চাপড় মেরে বলল, “নিজের ভালটা বোঝ গান্ডু। এটা বিজনেস বুঝলি, বিজনেস। রাজনীতি হল চয়ে বড় বিজনেস! চিরকাল ছিল। চিরকাল থাকবে। চল এখন। আমি বেরোই।” “এত টাকা!” রাজু ঘাবড়ে গেল!

    “দশ লাখ অত হল! জানিস, কত টাকায় এমন সব কাজ হয়!

    নিজেকে আন্ডারভ্যালু করিস না। কিছুই তো শিখলি না। গাধা একটা। তোদের ব্যাপারটা বুঝি না। কৃচ্ছ্রসাধনের মধ্যে কী মহত্ত্ব আছে রে? চার্বাক পড়িসনি? সেই আর্কিটাইপ বঞ্চিত ভাল ছেলে হয়ে সারা জীবন কাটাতে চাস? বাংলায় আর এখন সেই আর্ট ফিল্ম তৈরি হয় না, জানিস না? ওয়েক আপ রাজু। জেন্টলম্যান বনে যা। এখন আয়।”

    সেতুদার সঙ্গে সঙ্গে জহরদাও বেরিয়ে গেল পার্টি অফিস থেকে। ভাগ্যিস গেল! না হলে এখনই ধরত ওকে, কাজের কী হল বলে। কী করে জহরদাকে অত টাকার কথা বলবে ও? এটা সম্ভব নাকি! রাজুর অপরাধ বোধ হতে লাগল।

    ও পার্টি অফিসের বাইরে এসে দেখল, সেতুদা বেরিয়ে গেল গাড়ি করে, সঙ্গে আরও দুটো জিপ ধরনের গাড়ি গেল। তাতে ভর্তি লোকজন। সারাক্ষণ যেন একটা পাড়া নিয়ে ঘুরছে লোকটা!

    সামনের বছর বিধানসভা নির্বাচন। খুব টাফ ফাইট হবে। সেতুদার ওপর পার্টির অনেক কিছু নির্ভর করছে। সেতুদা টিকিট তো পাবেই আর এমন কথাও হাওয়ায় উড়ছে যে, সেতুদা নাকি একটা ভাল ডিপার্টমেন্টের মন্ত্রী হতে পারে।

    মোবাইলটা বের করে দেখল রাজু। ঝকঝকে স্মার্ট ফোন! ওর হাতে বড্ড বেমামান। এই ফোনটা দেখলেই ওর কেমন একটা হীনম্মন্যতা হয়। মনে হয় বাঁদরের গলায় মুক্তোর মালা। কিন্তু উপহার যে! কী করবে! তাই ফেলতেও পারে না। এর আগের সব ফোনই ওকে অফার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

    রাজু দেখল মেসেজটা এসেছে। পেটের মধ্যেকার পুকুরটায় কে যেন টুপ করে একটা নুড়ি ফেলল!

    যাদবপুরের এইট বি ছাড়িয়ে সুলেখার দিকে যেতে গেলে বাঁ দিকে একটা পাড়া আছে। রবীন্দ্রপল্লি। সেখানে রাজুর এক বন্ধুর বাড়ি আছে। ফাঁকা থাকে বাড়িটা। কারণ, বন্ধু বিদেশে থাকে। সেখানেই যেতে হবে ওকে।

    ও সময় দেখল। সাড়ে পাঁচটা বাজে। এই মনোহরপুকুর থেকে ওখানে যেতে টাইম লাগবে। ও সেই মতো মেসেজে জানিয়ে দিল ক’টা নাগাদ ও পৌঁছবে।

    রাজুর আবার মনে হল চাবিটা হাত দিয়ে দেখে, ঠিক আছে কি না! কিন্তু নিজেই নিজেকে ধমকে থামাল ও। এ এক ধরনের পাগলামো। এ সবকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। সামান্য ব্যাপারে এত টেনশনের কী আছে!

    ওর এখন অন্য একটা কাজ রয়েছে। দেশপ্রিয় পার্কের কাছে একটা দোকান আছে। সেখানে বারোটা ব্লাউজ দিতে হবে। অল্টার করে মা ওকে দিয়ে দিয়েছে। দোকানের বয়স্ক মাসিমা ওর মাকে কাজকর্ম দেয়। যদিও রাজুকেই সে সব দেওয়া-নেওয়া করতে হয়।

    মনোহরপুকুর থেকে দেশপ্রিয় পার্কের ওই দোকানটা হেঁটে পাঁচ মিনিট। রাজু কাঁধের ব্যাগটা সামলে হাঁটা দিল।

    দোকানের সামনে এসে রাজু দেখল, বেশ ভিড় আছে দোকানে। দেখল, নতুন সাইনবোর্ড লাগিয়েছে মাসিমা। দোকানের নাম ‘সুলগ্না টেলার্স’! শেষ বিকেলের এই নরম হয়ে আসা আলোয় শব্দ দুটো জ্বলজ্বল করছে।

    মাসিমা ভিড়ের মধ্যেও দেখতে পেল রাজুকে। হাত তুলে ডাকল, “অভ্যুদয়, তুমি সাইড দিয়ে সাইড দিয়ে চলে এসো।”

    রাজু সে ভাবেই মানুষজনকে কাটিয়ে এগোল কাউন্টার অবধি। তার পর পাশের ঝোলা থেকে ব্লাউজগুলো বের করে মাসিমার সামনের শোকেসের ওপরে রাখল।

    মাসিমা একটা একটা করে ব্লাউজ় হাতে নিয়ে দেখে নিল ভাল করে। তার পর একটা ছোট্ট ক্যালকুলেটর বের করে হিসেব করল। পাশের ড্রয়ার থেকে চারশো আশি টাকা আর ভাড়া বাবদ আরও চল্লিশ টাকা বের করে হাতে দিল রাজুর।

    রাজু ধন্যবাদ জানিয়ে টাকাটা ঢুকিয়ে নিল পকেটে। মাসিমা আর-একটা প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে বলল, “এখানে আরও এক ডজন আছে। পাঁচ দিন টাইম। কোনটার কত সাইজ অল্টার হবে লেখা আছে। মনে করে দিয়ে যেয়ো অভ্যুদয়। কাজের চাপ আছে।”

    রাজু হাসল। তার পর মা যেমন শিখিয়ে দিয়েছিল, তেমন ভাবে বলল, “মা বলছিল, যদি নতুন ব্লাউজের অর্ডার দেন। মা তো বেশ সুন্দরই তৈরি করে। অল্টারে আর কী হয়! আসলে কাজের দরকার ছিল আর কী।”

    মাসিমা মাথা নেড়ে বলল, “ঠিক আছে পরের সপ্তাহে দেব না হয় দুটো। কাজ দেখে তার পর বাড়াব, কেমন! আর এগুলো টাইম মতো দিয়ো কিন্তু। বুঝেছ? মা ভাল আছে তো?”

    রাজু মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল। যারা ক্লায়েন্ট, তাদের কাছে কখনও শরীর খারাপের কথা বলতে নেই। কারণ, তা হলে আর কাজ পাওয়া যায় না।

    দোকান থেকে বেরিয়ে পাশের একটা চকচকে পানের দোকানে গেল রাজু। একটা চকোলেট বার কিনল। তার পর ব্যাগে ঢুকিয়ে বাস স্ট্যান্ডের দিকে এগোল। সময় মতো পৌঁছোতে হবে।

    রবীন্দ্রপল্লির মোড়ে যখন বাস থেকে নামল রাজু, তখন সাড়ে ছ’টা বেজে গিয়েছে। পনেরো মিনিট লেট ও। হবেই। রাস্তায় যা জ্যাম! পৃথিবীর সমস্ত লোক যেন এই শহরটায় এসে বাসা বেঁধেছে!

    বড়রাস্তা থেকে পাড়ার ভেতরে ঢুকল রাজু। পাশেই একটা টিউবওয়েল। সেটা টিপে জল নিয়ে মুখে-চোখে দিল। সারা দিনের ক্লান্তি আর ধুলো-ময়লা কিছুটা হলেও তো ধুয়ে যাবে।

    এই রাস্তা থেকে কিছুটা এগিয়ে আর-একটা গলিতে ঢুকতে হয়। বাড়িটা ওই গলির একদম শেষে। আশপাশে আরও দু’-একটা বাড়ি আছে। কিন্তু তাদের উপস্থিতি তেমন জোরালো নয়। মোটের ওপর পাড়াটা একদম শান্ত। চুপচাপ।

    ওর বুকের মধ্যে কেমন একটা করছে। এই বাড়ির চাবিটা ওর কাছে বছরখানেক হল আছে। মাঝে মাঝে লোক নিয়ে এসে পরিষ্কার করে যায় ও। কিন্তু এ ভাবে নিজের জন্য ব্যবহার করেনি কোনও দিন। তাই কেমন একটা লাগছে। আসলে নিজের ব্যক্তিস্বার্থে কোনও কিছু করতেই কেমন একটা বাধো বাধো ঠেকে রাজুর। ও জানে, এটা এখনকার দিনে দুর্বলতা। এটাকে কাটিয়ে উঠতে হবে ওকে। না হলে জীবনে কিছু করতে পারবে না। পৃথিবী চিরকালই বীরভোগ্যাদের। কিন্তু এখন বীরের সঙ্গে দু’কান কাটা নির্লজ্জ, সেয়ানা আর তেলবাজ-ভোগ্যাও হয়েছে! সেটা অন্তত কিছুটা না হতে পারলে চিরকাল ‘সাল্ক’ করে আর খিটখিটে মেজাজ নিয়ে সারা পৃথিবীর হাতে নিপীড়িত হতে হবে।

    পাড়ায় একটা আলো খারাপ হয়ে আছে। বেশ অন্ধকার রাস্তা। ও এগিয়ে গিয়ে মেনগেট খুলে ঢুকল। বাড়িটার চারিদিকে পাঁচিল দেওয়া। ফলে ভেতরটাও আবছায়া হয়ে আছে।

    গেট থেকে ছোট্ট একটা মাটির রাস্তা গিয়েছে মূল বাড়ি অবধি। সেই পথ পার করে ও আস্তে আস্তে ছোট্ট বারান্দাটায় উঠল। চোখ-সওয়া অন্ধকারে হাত বাড়াল তালার দিকে। না, তালা নেই। মানে এসে গিয়েছে ও। রাজু আলতো করে কড়া নাড়ল।

    একটু পরেই দরজা খুলে গেল সামনে। আর এক ঝলক সুন্দর গন্ধ এসে ধুয়ে দিল রাজুকে। ওর মনে হল এবার সত্যিই সারা দিনের ক্লান্তি চলে গিয়েছে ওর!

    রাজু ওই আবছা অন্ধকারের মধ্যে দাঁড়িয়ে দেখল দরজা খুলে দিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে উর্জা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)
    Next Article কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }