Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প698 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. বীরেন্দ্র

    পাখিটা ডাকে। রোজ সকালবেলায় বড় জামগাছের আড়ালে বসে ডাকে পাখিটা। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে শুধু বলে, ‘খোকা হোক!’ ‘খোকা হোক!” অন্য কিছু হয়তো ডাকে, কিন্তু সেই শব্দ শুনে খোকা হোক-ই মনে বীরেন্দ্রর। আর সঙ্গে সঙ্গে মনের মধ্যেটা কেমন যেন করে ওর। যেন হয় দেখতে পায় অনেক অনেক দূরে কে যেন বসে হাতছানি দিয়ে ডাকছে ওকে! কুয়াশায় আবছা হয়ে আছে চারিদিক। তার মধ্যে কোন এক দূরের বাড়ির বারান্দায় বসে ছোট্ট ছোট্ট হাত নেড়ে কে যেন ডাকছে বীরেন্দ্রকে । চোখ জ্বালা করে বীরেন্দ্রর। নিজের অজান্তেই দীর্ঘশ্বাস পড়ে ওর। মনে হয় কোনও দিন যদি কুয়াশাটা পার করে ওই দিকে যেতে পারত! নিজের হাতের মুঠোয় ধরতে পারত ওই ছোট্ট দুটো হাতের মুঠোকে ।

    কেন যে এমন মনে হয় ওর, বীরেন্দ্র জানে না। সামান্য একটা পাখির ডাকের মধ্যে কী এমন লুকিয়ে আছে যে, তা শুনলে মনটা এমন হয়ে যায়!

    বীরেন্দ্র রোজ সকালে নিজের বিছানায় শুয়ে ডাকটা শোনে। তার পর এক সময় পাখিটা থেমে যায়। কিন্তু তাও ওর কানের মধ্যে রণিত হতে থাকে সেই ডাক। মনের মধ্যে ভেসে থাকে কুয়াশায় ঢাকা সেই বারান্দা। ছোট্ট দুটো হাতের মুঠো।

    এই গ্রামে চারিদিকে কত পাখি! কত রকমের ডাক তাদের! শুনতে কী যে ভাল লাগে বীরেন্দ্রর! আর কাক-চড়াই দেখতেও! কলকাতায় বা ইষ্টিকুটুম বলেও নাকি ডাকা হয়। কলকাতায় যে সাদা কালো পাখি দেখা যায়, সেগুলো দোয়েল। আর ওই মাথায় ঝুটিওয়ালাগুলো হল সিপাই বুলবুল ।

    শিউলি ওকে কত কী যে শেখায়! কী করে এত সব জানল শিউলি! জিজ্ঞেস করে বীরেন্দ্র। শিউলি উত্তর দেয় না । লাজুক মুখ করে হাসে । শিউলি এই গেস্ট হাউসে আসে রান্না করতে। গেস্ট হাউসের চৌকিদার, বংশীর কাছ থেকে শুনেছে বীরেন্দ্র যে, শিউলি বড় বাড়ির মেয়ে, কিন্তু অবস্থার গতিকে ওকে এই কাজ করতে হচ্ছে! শিউলির বরের একটা ছোট্ট দোকান আছে। সেটা খুব একটা চলে না। লোকটা ভোলেভালা ধরনের। বয়সে শিউলির চেয়ে বেশ কিছুটা বড়। আর মানুষ হিসেবে নাকি খুব ভাল। আবার কবিতাও লেখে! শিউলির কাছ থেকেও ওর বরের ব্যাপারে শুনেছে বীরেন্দ্র। লোকটার হার্টে কী একটা যেন দোষ আছে। তা ছাড়াও আরও নানান শারীরিক সমস্যায় ভোগে মানুষটা।

    শিউলির জন্য কষ্ট হয় বীরেন্দ্রর।

    পাত্র সম্বন্ধে সে ভাবে খবরাখবর না নিয়েই বিয়েটা দেওয়া হয়েছিল ওর। বাবা-মা নেই শিউলির। তাই হয়তো এমন অবহেলা করা হয়েছিল। বাড়ির লোকেরা মাঝে মাঝে যে কী দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো কাজ করে ফেলে! তার জন্য মানুষকে ভুগতে হয় সারা জীবন ।

    শিউলি নানান রকমের পাখি চেনে। গাছ চেনে। ফুল চেনে ৷ রান্না করতে করতে গুনগুন করে গানও গায়। গেস্ট হাউসের টানা বারান্দায় বসে বীরেন্দ্র শুনতে পায় সেই সুর। ওর মনে হয় শিমুল তুলোর বীজের মতো হাওয়ায় উড়ছে গান। ভেসে যাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে আলোয়। যেন প্রকৃতির জিনিস মিলিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির মধ্যেই।

    আজ সকালে পাখির ডাকটা শুনে শিউলির মুখটাই মনে পড়েছে বীরেন্দ্রর। নিরুপায় একটা কষ্ট কেমন যেন কাঁটার মতো ফুটে আছে বুকের গোপনতম কোণে।

    পাখিটা আর ডাকছে না। উড়ে গেছে নিশ্চয়ই। বীরেন্দ্র উঠে বসল বিছানায়। তার পর দু’হাত দিয়ে মুখটা ঘষল ভাল করে। এটা রোজ করে বীরেন্দ্র। ঘুম থেকে ওঠার পরে ওর মনটা কেমন যেন শান্ত আর নরম হয়ে থাকে। সেই ভাবটাকে ঘষে ঘষে মন থেকে তুলে ফেলে ও ।

    এমন শান্ত আর নরম হয়ে থাকলে জীবন খুব কষ্ট দেয়। এটা ভাল করেই জানে বীরেন্দ্র। পৃথিবী চিরকাল লাঠির জোরের কাছে নত হয়ে থাকে। অসভ্য, মারকুটে, খারাপ লোকেদের সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকে। তুমি নরম হয়েছ কী, এই পৃথিবী তোমায় গিলে নেবে! তাই সকালের নরম মনকেমন করা বীরেন্দ্রকে ঘষে তুলে দেওয়াটাই ঠিক কাজ মনে হয় ওর ।

    বিছানা থেকে নেমে এবার চটি পরল বীরেন্দ্র। চেয়ারের ওপর রাখা একটা পাতলা উলের চাদর তুলে নিয়ে গায়ে জড়াল। তার পর দরজা খুলে বেরোল ঘর থেকে। কাজ আছে। সাড়ে সাতটায় সুন্দরকে নিয়ে আসবে বীরেন্দ্রর লোকজন । ডিসেম্বরের শেষ এখন। হাওয়ায়, ভিতু বিড়ালের মতো জড়িয়ে আছে ঠান্ডা। রাতে ঘড়ি পরেই ঘুমোয় ও। দীর্ঘদিনের অভ্যেস। খুব দামি ঘড়ি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে বীরেন্দ্র কব্জি উলটে সময় দেখল। সকাল সাতটা বাজে। চুনজলের মতো কুয়াশার পাতলা একটা সর পড়ে আছে চারিদিকে। কোথায় যেন টুপ করে শিশির পড়ার শব্দ হচ্ছে। বীরেন্দ্র বুঝল ওর মনটা আবার নরম হতে চাইছে। মনের মধ্যে ফিরে আসছে সেই পাখির ডাক।

    কুয়াশার বারান্দা। নাঃ, নিজেকে আর আশকারা দেবে না। কাজের ক্ষতি হবে এতে।

    বীরেন্দ্র বারান্দা থেকে আবার ঘরের মধ্যে ফিরে এল। তার পর ঘরের অন্য দিকের একটা দরজা ঠেলে বাথরুমে ঢুকল ।

    কিছু পরে বাথরুম থেকে বেরিয়ে মুখচোখ ভাল করে তোয়ালে দিয়ে মুছে, একটা সোয়েটার গায়ে দিল বীরেন্দ্র। চুলটা আঁচড়াল। তার পর আবার খোলা বারান্দায় এসে দাঁড়াল। মনটা এখন অনেক পোক্ত লাগছে। পাখির ডাকটাকে সরিয়ে দিতে পেরেছে ও। বুক ভরে শ্বাস নিল সে।

    সারা দিনের জন্য এবার ও তৈরি।

    বারান্দার সামনেই লন । সেই লনে নামার জন্য তিন ধাপ সিঁড়ি রয়েছে। ধীর পায়ে লনে নামল বীরেন্দ্র। গোটা গেস্ট হাউসটাই ভাড়া করে নিয়েছে ও। এখান থেকেই আপাতত পার্টির কাজকর্ম দেখাশোনা করছে।

    আসলে কলকাতা থেকে এখানে মানে মুক্তদহে বীরেন্দ্রকে পাঠানো হয়েছে একটা বিশেষ কাজে। এই গ্রামটা বর্ডারের কাছে। তাই কিছুটা হলেও উপদ্রুত । চোরাচালান এখানকার একটা নিত্যদিনের ঘটনা।

    সেই নিয়ে ঝামেলা লেগেই আছে । সে সব পুলিশ আর বিএসএফ দেখে। কিন্তু এখন সমস্যা অন্য জায়গায়। সেটা হল, ওদের পার্টির নাম জড়িয়ে যাচ্ছে এই ঝামেলায়। এমনকি, পার্টির নিজেদের মধ্যেকার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও সবার সামনে প্রকট হয়ে পড়ছে। সুন্দর মাইতি নামে পার্টির এখানকার একজন উঠতি লিডার খুব ঝামেলা করছে।

    ছেলেটা আসলে পাশের গ্রাম মুড়াপোঁতার। ওখানেই বিরোধী দলে ছিল। জগন্নাথ ঘোষ নামে ওদের যে- লিডারটা আছে, তার কাছের মানুষ ছিল। কিন্তু একটা চুরির কেসে সুন্দর ফেঁসে যায়। জগন্নাথ ওকে ছাড়াতে চাইলেও ওদের পার্টির মাথারা চায়নি সুন্দরকে ছাড়া হোক । কে জানে পার্টির অনেককেই হয়তো চটিয়ে দিয়েছিল! মানুষের স্বভাব তো সহজে পাল্টায় না ।

    ছ’মাসের জেল হয়েছিল সুন্দরের।

    তার পর বেরিয়ে এসেই বীরেন্দ্রদের পার্টিতে জয়েন করে। বীরেন্দ্রই ওকে এখান থেকে কলকাতায় নিয়ে গিয়ে রেখেছিল। ওকে পার্টির কাজে লাগিয়েছিল।

    কিন্তু বছর দুয়েক আগে পার্টিই ওকে এখানে পাঠিয়েছিল এই অঞ্চলের কয়েকটা গ্রামের কাজ দেখাশোনা করার জন্য। আর এই দু’বছরেই ছেলেটা এমন বাড় বেড়েছে যে, ওকে সামলানো যাচ্ছে না।

    এদিকে বিরোধী পক্ষ এই নিয়ে হল্লা শুরু করেছে খুব। পাশের মুড়াপোঁতা গ্রামটা বিরোধী পক্ষের দখলে। ওখানেই বিরোধী পক্ষের নেতা জগন্নাথ ঘোষ থাকে। জগন্নাথ খুবই ইনফ্লুয়েনশিয়াল নেতা এই অঞ্চলের। সে তো রীতিমতো কালঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছে বীরেন্দ্রদের!

    এ সব এখনই না সামলাতে পারলে মুশকিল হবে খুব। সামনের বছরই লোকসভা নির্বাচন। সেখানে পার্টিকে ঠিক জায়গায় আনতে হলে সুন্দরের মতো এই সব গুন্ডাকে আপাতত দমিয়ে রাখা দরকার। না হলে বদনামের আর শেষ থাকবে না ।

    কলকাতায় বীরেন্দ্রর অধীনেই পার্টির হয়ে কাজ করত সুন্দর। কিন্তু এখানে এসে মাতব্বর হয়ে গিয়েছে। এই সব জায়গায় কাঁচা পয়সা ওড়ে। পার্টির কিছু পান্ডা গোছের লোকও সুন্দরের কাছ থেকে টাকার ভাগ পায়। কিন্তু ভোট বড় বালাই। তাই ভোটের মুখে এখন পার্টির সেই লোকগুলোই বুঝতে পারছে পারছে যে, সুন্দরকে এবার থামানো দরকার। না হলে ভোটে ল্যাজেগোবরে হবে সবাই। তাই নিজেদের ভাবমূর্তি ঠিক রাখতেই বীরেন্দ্রকে এখানে পাঠানো হয়েছে সুন্দরকে সামলানোর জন্য । এই মুক্তদহে মাস তিনেক আছে বীরেন্দ্র । সুন্দরের সঙ্গে কথাও বলেছে কয়েকবার। সুন্দর নামেও যেমন, কথাতেও তেমনই ৷ অন্তত বীরেন্দ্রর সামনে তো বটেই।

    সুন্দর বলেছে, “দাদা, আমি তো তোমার দাস, যা বলবে হয়ে যাবে। তুমি জাস্ট এখানে এসেছ। ভাল করে ছুটি কাটাও। আমি তো আছি। যখন যা লাগবে জাস্ট হাঁক দেবে একটা। সব পৌঁছে যাবে।”

    না, ছুটি কাটাতে এই গ্রামে এসে পড়ে নেই বীরেন্দ্র। এটা ওর ছুটি কাটানোর জায়গা নয়। ও এখানে এসেছে পার্টির কাজে। আর এবার সেটা সুন্দরকে বোঝাতে হবে। আসলে এতদিন ভাল কথায় কিছু করা যায়নি। কারণ, সুন্দর ভাল কথা শোনার মানুষ নয়। তাই আজ অন্য ব্যবস্থা করা হবে!

    “স্যর, চেয়ার এনে দেব?” বংশী এসে দাঁড়িয়েছে পাশে ।

    “না,” মাথা নাড়ল বীরেন্দ্র।

    “তা হলে চা এনে দেব?” বংশী আবার জিজ্ঞেস করল।

    “পরে। কাজ সেরে আমি ভেতরেই যাব। তখন খাব যা খাওয়ার! তুই যা এখন ৷

    “স্যর, আসলে জনাদারা এসে গিয়েছে। বাইরে দাঁড়িয়ে আছে,” বংশী আমতা আমতা করে বলল ।

    ঘড়ি দেখল দেখল বীরেন্দ্র আরে, সময়ের আগেই এসে গিয়েছে ওরা!

    ও বলল, “আগে বলবি তো! পাঠিয়ে দে ওদের।”

    বংশী দ্রুত চলে গেল ।

    লনটা গেস্ট হাউসের পেছনের দিকে। সমান করে ছাঁটা, নরম ঘাসে মোড়া। বেশ সুন্দর গাছ দিয়ে ঘেরা। এখানে থাকলে বীরেন্দ্রর মনে হয় পৃথিবীর কোথাও কোনও সমস্যা নেই। কোনও মনখারাপ, কষ্ট বা অত্যাচার নেই।

    পায়ের শব্দ শুনে এবার ঘুরে তাকাল বীরেন্দ্র। জনা আসছে। সঙ্গে আরও চারজন সঙ্গী রয়েছে। বীরেন্দ্র দেখল, জনা সুন্দরকে একরকম ঘাড় ধরে টানতে টানতেই নিয়ে আসছে। সুন্দরের মুখচোখ ফোলা । নীলচে, কালো ছোপ পড়েছে মুখে। ও বুঝল, ভালই মারধোর দেওয়া হয়েছে ছেলেটাকে।

    জনা, সুন্দরকে নিয়ে এসে প্রায় ছুড়ে ফেলল লনের ঘাসে! সুন্দর শব্দ করে উপুড় হয়ে পড়ল মাটিতে। তার পর কাত হয়ে শুয়ে পড়ল। সুন্দরের বুকটা হাপরের মতো উঠছে আর নামছে।

    জনা, বীরেন্দ্রর সঙ্গেই থাকে সারাক্ষণ। কুড়ি-একুশ বছর বয়স। তবে দুর্দান্ত ছেলে! ভয়ডর বলে কিছু নেই। নিজের ছায়াময় যা কিছু কাজ সে সব জনাকে দিয়েই করায় বীরেন্দ্র ।

    বীরেন্দ্র তাকাল জনার দিকে। জিজ্ঞেস করল, “খুব মেরেছিস নাকি?”

    “হ্যাঁ দাদা,” জনা দাঁতে দাঁত ঘষল, “শুয়োরের বাচ্চা আমায় মা-বোন তুলে গালি দিচ্ছিল। আপনার মা-বোন তুলে গালি দিচ্ছিল। ওর সাহায্যেই বর্ডার দিয়ে কাফ সিরাপ, হেরোইন, চরস এ সব পাচার হচ্ছে। মেয়ে পাচারেও মদত দিচ্ছে শুয়োরের বাচ্চাটা। আর সব কাট নিজে খাচ্ছে। কাল হাতেনাতে ধরেছি। সাড়ে আট লাখ টাকা নিচ্ছিল। ধরার পরে বলে বেশ করেছে। বলে পার্টি হেডকোয়ার্টারে নালিশ করবে। তার পর অকথ্য গালি দিয়েছে সব। আমিও পাল্টা দিয়েছি শালাকে ।

    “নালিশ করবই তো!” সুন্দর শোওয়া অবস্থা থেকে এবার উঠে বসল, জনার দিকে তাকিয়ে বলল, “টাকা কি আমি একা খাই? পার্টির মাথারা খায় না? সব সাধু সেজে বসে থাকা, না? হারামির দল। এখন ভোট বলে শালা আমার রোজগার বন্ধ করা! কেন রে, তোদের ভোট করতে টাকা লাগবে না! সেটা পাবি কোথা থেকে?”

    “তোকে আমি বলেছিলাম চুপচাপ থাকতে, শুনিসনি কেন?” বীরেন্দ্র চোয়াল শক্ত করল, “হ্যাঁ, ভোট তো আছেই। সামনের বছর এপ্রিলে লোকসভার ভোট। পার্টির একটা ভাবমূর্তি তো আছে না কি? এ সব নিউজ় হলে কী হবে বুঝতে পারছিস?” “পার্টির ভাবমূর্তি!” সুন্দর মুখ বেঁকাল, “সবাই জানে কে কী করে! এখানে মাসে কোটি টাকার কাছাকাছি লেনদেন হয়। সে সব ছেড়ে দেব? তোমরা কেন রাজনীতি করো জানি না আমি? তুমি আর তোমার বাবা তো এত বড় ব্যবসা চালাও রাজনীতির জোরেই! শোনো, সবাই রাজনীতিতে আসে ক্ষমতা আর টাকার জন্য। সবাই এই ক্ষমতা আর টাকাটাই চায়। আমি ও তাই চাই। কারও দেশের বা দশের ভাল করার ইচ্ছে নেই। যে যেটুকু করে সেটাও নিজের ইমেজের জন্য আর ভবিষ্যতে যাতে ভোটে জিতে ক্ষমতায় থাকতে পারে সেই স্বার্থে ।

    দেশের সাধারণ লোকজন কী ভাবে আছে, আর তুমি-আমি কী ভাবে আছি দ্যাখো না! আমাদের এই লাইফ স্টাইল কি বাড়তি টাকা ছাড়া হত! পাবলিককে আমরা সবাই মুরগি করছি!”

    “পাবলিককে বোকা ভাবিস না!”

    বীরেন্দ্র চোয়াল শক্ত করল, “তারাই ঠিক করে কে ক্ষমতায় আসবে কে আসবে না। তেমন অসন্তোষ হলে তারা এসে অভাব অভিযোগের কথা বলে আমাদের কাছে।

    “কিচ্ছু বলে না! নেতারা যখন ভোটের আগে বাড়ি বাড়ি বা পাড়ায় পাড়ায় যায় ভোট চাইতে, সঙ্গে তোমার-আমার মতো গুন্ডাগুলোকে সঙ্গে করে নিয়ে যায়। তাদের সামনে সাধারণ পাবলিক কিছু বলতে পারে? পারে না। ভয়ে সব গুটিয়ে থাকে। নেতার সামনে দাঁত বের করে ধন্য হয়ে গেছে ভাব করে। আমায় পাবলিক দেখাচ্ছে! আগেকার মতো সেই চন্দ্রগুপ্তের সময় আছে নাকি যে, পাবলিক কেমন আছে জানার জন্য রাতের অন্ধকারে রাজা ছদ্মবেশে বেরোবে রাস্তায়! কিচ্ছু নেই! সব লুঠতে এসেছে। তুমি তোমার মতো লুঠছ, আমিও আমার মতো লুঠব। কেস খতম। বেশি সাধুপনা মারিয়ো না তো!” সুন্দর একটানা কথাগুলো বলে দম নিল। এত মার খেয়েও ছেলের তেজ যায়নি!

    “তোকে এত কথা বলতে কে বলেছে? পার্টি থেকে বলা হয়েছে তুই একদম চুপচাপ থাকবি। সেটা শুনেও তুই পাত্তা দিচ্ছিস না! এর শাস্তি জানিস?” বীরেন্দ্র বলল, “তোকে আজ থেকে সাসপেন্ড করা হল উইথ ইমিডিয়েট এফেক্ট। চিঠি আমি নিয়েই এসেছি। আর বেশি কিছু করলে সোজা ভেতরে ভরে দেব।”

    “সাসপেন্ড করবি? সাসপেন্ড! মাজাকি হচ্ছে?” সুন্দর আচমকা চিৎকার করে উঠল, “আমি ছাড়ব না তোকে। শুয়োরের বাচ্চা তোকে আমি…”

    কথা শেষ করা আগেই জনা সপাটে লাথি মারল সুন্দরের পেটে। সুন্দর আঁক শব্দ করে চিত হয়ে পড়ল মাটিতে।

    বীরেন্দ্র জনার দিকে তাকিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, “ওকে এমন ব্যবস্থা করে দে যাতে মিনিমাম ছ’মাস হসপিটাল থেকে বেরোতে না পারে! সেই সঙ্গে পুলিশকে বলে ওকে আমি আরও বড় কেস দিচ্ছি, দাঁড়া!”

    সুন্দর শুয়ে শুয়েই বলল, “ঠিক করছিস না বীরেন্দ্র। তুই ঠিক করছিস না বলে দিলাম ।”

    “চল, চল…” জনা আর ওর সঙ্গের লোকজন মাটি থেকে তুলে টানতে টানতে সুন্দরকে নিয়ে সামনের গেটের দিকে এগোল ।

    সুন্দর ওই অবস্থার মধ্যেও চিৎকার করে বলল, “এটা এখানেই শেষ হল না কিন্তু বীরেন্দ্র। আমি মনে রাখব এটা! তোকে ছাড়ব না! আমার কিন্তু হাতির মতো মেমরি! ছাড়ব না…

    আরও হয়তো কিছু বলার ইচ্ছে ছিল সুন্দরের, কিন্তু জনারা ওর মুখ চেপে নিয়ে গেল। ছটফট করলেও অতজনের চাপে কিছু করতে পারল না সুন্দর।

    বীরেন্দ্র হাতের মুঠো শক্ত করে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করল । মাথার ভেতরটা রাগে দপদপ করছে ওর। ওকে হুমকি দিচ্ছে! গালাগালি করছে! তুই-তোকারি করে কথা বলছে! বড্ড বাড় বেড়েছে ছেলেটার! সুন্দরকে যে এখনই মেরে ফেলছে না সেটাই ওর বাপের ভাগ্য। বলে কিনা হাতির মতো স্মরণশক্তি! সব মনে রাখবে! রাখুক মনে। যা করার করুক । বীরেন্দ্র থোড়াই কেয়ার করে এ সব পেঁচো মাস্তানদের! জানোয়ারটার জন্য এত সুন্দর সকালটাই খারাপ হয়ে বীরেন্দ্র চোখ চোখ বন্ধ করে গেল। দীর্ঘশ্বাস ফেলল । শান্ত করতে হবে, ও জানে নিজেকে শান্ত করতেই হবে। একবার ওর রাগ বাড়তে থাকলে ও নিজের লোক পরের লোক ভাবে না । সব ছারখার করে দেয়।

    জনারা চলে যাওয়ার পরে আবার শান্ত হয়ে গিয়েছে চারিদিক! । বীরেন্দ্র চোখ মেলে দেখল এবার। দেখল এবার। ঠান্ডা হাওয়ার মাঝে গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিচ্ছে রোদ। পাতিলেবু রঙের আলো আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। কুয়াশা কাটছে। বীরেন্দ্র জানে ঘাসের ওপর পড়ে থাকা শিশির এবার মিলিয়ে যাবে হাওয়ায়। ও ঝুঁকে পড়ে ঘাসের গায়ে হাত বোলাল একটু। হাতে জল লাগল। নাকের কাছে এসে শিশিরের গন্ধ শুঁকল ।

    কলকাতায় আলিপুরে ওদের বিশাল বড় বাড়ি। বাড়ির সামনের লনটা বেশ ছড়ানো। কিন্তু সেখানে কোনও দিন শিশির পড়ার ব্যাপারটা নিয়ে মাথা ঘামায়নি ও। মনেও আসেনি এ সব ব্যাপার! বাবার সঙ্গে ব্যবসা আর পার্টির কাজ নিয়েই ব্যস্ত থেকেছে সারাক্ষণ। টাকা আর ক্ষমতার সিঁড়ি বেয়ে ওঠার জন্য ট্রাপিজের খেলা দেখিয়ে গিয়েছে নিরন্তর! ওটাই তো ওর আসল জীবন। আর সত্যি বলতে কী, ওই সবই দারুণ লাগে ওর। সারাক্ষণ ওই যে একটা উত্তেজনা, এটা না থাকলে যে ও কী করত! ক্ষমতার চেয়ে সুস্বাদু জীবনে কিছুই নেই ওর কাছে। কিন্তু এখানে এসে এই ক’মাস কেমন যেন লাগছে বীরেন্দ্রর। বুঝতে পারছে খুব ধীরে হলেও কোথাও একটা বদল ঘটছে ওর মধ্যে। আর, এটা যে শুধু গ্রামের আবহাওয়ার জন্য ঘটছে, তা নয়। এই বদলের কারণ যে আসলে শিউলি, সেটা বেশ বুঝতে পারছে ও। কিন্তু মানতে মনে মনে বেশ অসুবিধে হচ্ছে। কেবলই মনে হচ্ছে, শিউলি অন্যের স্ত্রী। এ সব ঠিক হচ্ছে না একদম ৷

    কিন্তু সত্যি বলতে কী ‘অন্যের স্ত্রী’ এই যুক্তি ওর নিজের মনের কাছে টিকছে না। বিবাহ তো আসলে সামাজিক একটা নিয়ম। সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য হাজার হাজার বছর আগে মানুষ প্রচলন করেছিল। কিন্তু প্রেম তো প্রাকৃতিক ঘটনা । সমাজের শুকনো চোখরাঙানো কবে তাকে আটকাতে পেরেছে! বীরেন্দ্রও তাই আটকাতে পারেনি নিজেকে। আর শিউলিও ওকে অনুমতি দিয়েছে।

    আজ পর্যন্ত কোনও মহিলার প্রতি দুর্বল হয়নি বীরেন্দ্র। এই প্রেমটেম ব্যাপারগুলো ওর ন্যাকামো লাগে । ওর ধাতে নেই ও সব। কিন্তু সেখানে কেন যে শিউলিকে দেখে ওর এমনটা হল! শিউলির সঙ্গে আগে দেখা হলে হয়তো শিউলিকে নিয়েই বাকি জীবনটা কাটাতে পারত। কে বলতে পারে! কিন্তু এই যে ভুল সময়ে শিউলির সঙ্গে ওর দেখা হল, তাতেই সব গোলমাল হয়ে গেল । মনের মধ্যে সারাক্ষণ কিসের কিসের যেন উচাটন । অস্বস্তি। কিন্তু এতে বীরেন্দ্রর দোষ কোথায়! কাউকে ভাল লাগাটা তো আর ওর নিজের হাতে নেই!

    আজকের পরে মুক্তদহে ওর কাজ আপাতত শেষ। বীরেন্দ্র ঠিক করল আর এখানে থাকবে না। থাকলে ও নিজেকে ঠিক রাখতে পারবে না। শিউলির কাছ থেকে ওকে দূরে চলে যেতে হবেই । ওর রাজনৈতিক কেরিয়ার, ব্যবসা, ওর জীবন— এ সব না হলে ঘেঁটে নষ্ট হয়ে যাবে ।

    ভাব-ভালবাসার মতো পাতি জিনিসে জড়িয়ে পড়লে ওর হবে না। এ সবের চেয়ে অনেক ওপরে উঠতে হবে ওকে। জীবনে অনেক সাফল্য পেতে হবে। সামান্য প্রেমের জন্য এত কিছু ছাড়ার মতো বোকা ও নয়! হ্যাঁ, এর জন্য হয়তো কষ্ট হবে। কিন্তু কষ্ট তো অনেক কিছুতেই হয় মানুষের। মানুষ আবার তা কাটিয়েও ওঠে। ও নিজেও কাটিয়ে উঠবে। নিজেকে আশকারা দেবে না একদম ৷

    বীরেন্দ্র ঠিক করল, কাল সকালেই বেরিয়ে পড়বে এখান থেকে। আচমকা পিছন থেকে একটা রিনঠিন শব্দ শুনল বীরেন্দ্র। আর তার পরেই কেমন একটা ফুলের গন্ধ পেল। ও জানে কে এলে এমন গন্ধ ভেসে আসে হাওয়ায়।

    বীরেন্দ্র পিছন ঘুরল । দেখল, চায়ের কাপ হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিউলি। সকালের আলোয় শিউলির মুখটা যে কী অদ্ভুত সুন্দর লাগছে! বড় বড় চোখ দুটো স্থির পদ্মের মতো যেন! বীরেন্দ্রর বুকের মধ্যে যেন বিশাল বড় এক জাহাজ ডুবে গেল নিমেষে! আর তার অভিঘাতে সারা শরীরে কেমন এক অজানা কষ্টের তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ল আচমকা! বীরেন্দ্র চোয়াল শক্ত করে নিজেকে সামলাল। এমন কষ্ট নিয়েই কি সারা জীবন থাকতে হবে ওকে! কী পাপ করেছে ও! এই অদৃশ্য যন্ত্রণার বীজ, কোন পাপের শাস্তি হিসেবে ঈশ্বর পুঁতে দেন মানুষের মনে! এই কষ্ট কি তাকে সারা জীবনের মতো আচ্ছন্ন করে রাখে! ভেতরে ভেতরে সবার অলক্ষ্যে শেষ করে দেয়!

    বীরেন্দ্র নিজেকে সামলানোর জন্য সময় নিল একটু। তার পর এগিয়ে গিয়ে শিউলির হাত থেকে চায়ের কাপটা নিল। জোর করেই সামান্য হাসল ।

    শিউলি কিন্তু হাসল না একটুও। বরং ঠোঁট টিপে দাঁড়িয়ে রইল মাথা নিচু করে ।

    বীরেন্দ্রর অবাক লাগল। শিউলি কি কিছু বলবে?

    ও জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে? কিছু বলবে তুমি?”

    শিউলি এবার মুখ তুলে তাকাল বীরেন্দ্রর দিকে। আর বীরেন্দ্র দেখল, শিউলির চোখে ভোরবেলার পাপড়ির ওপর শিশির-ফোঁটার মতো টলটল করছে জল!

    বীরেন্দ্রর ইচ্ছে হল এই শিশিরটুকুও হাত দিয়ে স্পর্শ করে একবার। ঘ্রাণ নেয়। কিন্তু চারিদিকে দিনের আলো যে। সন্ধের আঁধারে ও যা পারে, দিনের আলোয় সে সব কিছু সম্ভব নয় এই জীবনে। বীরেন্দ্র বুঝতে পারল, এই শিশির বিন্দু চিরকালই অধরা থেকে যাবে ওর!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)
    Next Article কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }