Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প698 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. রাজু

    এখানে এর আগে আসেনি রাজু। বিরাটির ভেতর দিয়ে নিমতা যাওয়ার রাস্তার ওপর পড়ে এই জায়গাটা। নাম সেনহাটি। যশোর রোড থেকে বাঁ দিকে বেঁকে রাস্তাটা আঁকাবাঁকা হয়ে চলে গেছে সামনের দিকে। গাড়িটাও চলেছে সেই ভাবে।

    রাস্তাটা সামান্য খারাপ। একটু দূরে দূরে গর্ত আছে। সঙ্গে রিকশা ও টোটো এমন করে সারা জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে যে, মনে হচ্ছে যেন ছোট বাচ্চারা খেলার পরে সারা ঘরে খেলনা ছড়িয়ে রেখে গিয়েছে। গাড়িটা লাফাচ্ছে মাঝে মাঝে। সামনের সিটে বসে জানলার ওপরের হাতলটা ধরে রয়েছে রাজু। পেছনে না তাকিয়েও বুঝতে পারছে, ওখানে বসে থাকা লোকজনের মুখের অবস্থা কী!

    এমনিতেই রাজুর মনের অবস্থা ভাল নেই। সারাক্ষণ মাথার মধ্যে ঝিঁঝি ডাকছে! সব কেমন যেন শূন্য লাগছে ওর। বুকের মধ্যে কিসের যেন হাহাকার। খাদ! যেন ঘন কুয়াশা জমে রয়েছে তার ওপর। মনে হচ্ছে খাদের ওই ঢালু দিয়ে গড়িয়ে পড়ে যাবে ও। হারিয়ে যাবে চিরতরে।

    কিন্তু তাও নিজেকে শক্ত রাখছে প্রাণপণে। মনে মনে নিজেকে বোঝাচ্ছে যে, শক্ত থাকতেই হবে ওকে। ভাই যত দিন না দাঁড়াচ্ছে, ওকে ঠিক থাকতেই হবে। না হলে সংসারটা ভেসে যাবে একদম। সেটা হতে দিতে পারে না ও। একটা মেয়ে ওকে ঠকিয়েছে বলে ও তো সেটার শাস্তি নিজের মা আর ভাইকে দিতে পারে না।

    মাঝে মাঝেই চোখে জল চলে আসছে রাজুর। কিন্তু চোয়াল শক্ত করে নিজেকে সামলাচ্ছে। ঢোঁক গিলে নিয়ে নিচ্ছে সমস্ত যন্ত্রণার ছোট ছোট খণ্ড। কাউকে বুঝতে দিচ্ছে না কিছু। আজকাল কষ্ট, যন্ত্রণা, আনন্দ, হাসি, দুঃখকে কেমন যেন নানা জ্যামিতিক আকারে দেখতে পাচ্ছে ও। যেন তাদের ছুঁয়ে ছুঁয়ে বুঝতে পারছে।

    গত কয়েক দিন যাবৎ কিছু খেতেও ইচ্ছে করছে না রাজুর। পার্টি অফিসেও যায়নি। কারও সঙ্গে কথাও বলছে না। উর্জা কতবার যে ফোন করেছে, মেসেজ করেছে তার ঠিক নেই। কিন্তু একবারও ফোন ধরেনি রাজু। মেসেজের উত্তরও দেয়নি। কী হবে উত্তর দিয়ে! ও নিজের চোখে যা দেখেছে, তার চেয়ে বড় সত্যি আর কী হতে পারে! যে-মেয়ে ওকে সকালবেলা ফোন করে বলে যে, বিয়ের ব্যাপারে পাত্রর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে। আর, বলে যে, এটা জাস্ট ফর্মালিটি। এটা কোনও ব্যাপার নয়। ও যেন নিশ্চিন্তে থাকে। যেন টেনশন না করে। সে-ই কিনা রেস্তরাঁ থেকে বেরিয়ে গালে চুমু খেতে দিচ্ছে!

    রাজু সে দিন উর্জার ফোনটা পাওয়ার পর গোটা সময় ধরেই খুব অস্থির হয়ে ছিল। মনে হচ্ছিল ওর সারা শরীরের চামড়া ফুঁড়ে যেন কাঁটাগাছ বেরিয়ে আসবে বাইরে। কিছুতেই নিজেকে শান্ত করতে পারছিল না। তাই আর থাকতে না পেরে চুপিচুপি চলে গিয়েছিল রেস্তরাঁর সামনে। উর্জাই তো বলেছিল কোথায় যেন যাবে ও!

    কিন্তু সেটাতেও যে মনে শান্তি আসছিল, তা নয়। ওই খারাপ লাগার সঙ্গে যোগ হয়েছিল একটা অপরাধবোধ। মনে হচ্ছিল এটা ঠিক করছে না। এটুকু বিশ্বাসও কি করে না ও উর্জাকে! যে-মেয়েটা চার বছর বাইরে থাকল রাজুকে ছেড়ে, আর সে সময় রাজু ওকে বিশ্বাস করতে পারল, আর এখন পারছে না!

    কিন্তু জীবনে কিছু কিছু ঘটনা ঘটে, যা মানুষ শত চেষ্টা করেও সামলাতে পারে না। তার মধ্যে নিজের মনটা বোধহয় অন্যতম। রাজু বুঝেছিল যে, সত্যিই ও নিজেকে সামলে রাখতে পারছে না। নিজের কাছে তো আর মানুষ মিথ্যে বলতে পারে না। নিজেকে তো আর ধোঁকা দিতে পারে না। তাই ওই মানসিক অবস্থায় নিজেকে আটকাতে পারেনি ও। প্রেমের জন্য মানুষ কত কী করে! সেখানে এইটুকু করলে কেউ ছোট হয়ে যায় না। নিজেকে এটাই বুঝিয়েছিল রাজু। সে জন্য সময় মেপে ঠিক পৌঁছে গিয়েছিল রেস্তরাঁর সামনে। কিন্তু তার পর সেখানে যা দেখল, তাতে আর অপরাধবোধ কাজ করেনি মনে।

    ছেলেটি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উর্জা এগিয়ে এসেছিল ওর কাছে। ওর হাত ধরে এটা-ওটা নানা কথা বলছিল। কিন্তু ও পাত্তা দেয়নি। মাথা, কান সব ঝাঁ ঝাঁ করছিল। মনে হচ্ছিল শরীরের মধ্যে মাইলের পর মাইল কেউ ইলেকট্রিকের পাওয়ার গ্রিড পেতে দিয়েছে। আর তার ঝিঁইইই শব্দে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে সব কিছু। উর্জা হাত নাড়িয়ে ওর দিকে ঝুঁকে কী সব যেন বলছিল। কিন্তু না, রাজু সত্যি শুনতে পায়নি কিছু!

    তবে রাস্তায় কোনও সিন ক্রিয়েটও করেনি। চোয়াল শক্ত করে দাঁড়িয়েছিল। আর সব শব্দের তলায় মনে মনে ঠিক করে নিয়েছিল এবার কী করবে। ঠিক করে নিয়েছিল যাই হয়ে যাক, উর্জার সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখবে না।

    গতকাল সন্ধেবেলা রাজুর বাড়িতে চলে এসেছিল উর্জা। কিন্তু রাজু ভাইকে দিয়ে সামলেছিল ব্যাপারটা। বলেছিল, “ভাই, তুই বল আমি বাড়ি নেই।”

    বাইরে উর্জার গলা শুনতে পাচ্ছিল ও। ভাবছিল এই তো দাঁড়িয়ে আছে বাইরে। সামনে গিয়ে একবার দাঁড়িয়ে হাসলেই তো সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু তার পরেই মনে হয়েছিল, সত্যি কি ঠিক হবে! সত্যি কি ঠিক হতে পারে কিছু! উর্জাকে যে ও আর বিশ্বাস করতে পারছে না। তাই যাকে বিশ্বাসই করতে পারছে না তার সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কী লাভ! বিশ্বাস ছাড়া ভালবাসা যে অর্থহীন। কাঁটার মুকুট।

    ভাই যখন বাইরে কথা বলছিল, তখন নিজের ঘরে বালিশে মাথা গুঁজে কাঁদছিল রাজু। আর চাইছিল মনে-মনে এই কষ্টটাকে টপকে যেতে। চাইছিল এমন একটা সকাল আসুক, যেখানে ঘুম থেকে উঠে ও দেখবে, উর্জা হল যে-কোনও একটা মেয়ের নাম। বুঝবে, উর্জার নাম শুনলে আর রক্তের মধ্যে সাইক্লোন উঠছে না।

    “রাজুদা, কী হবে বলো তো?” পিছন থেকে জিকো জিজ্ঞেস করল। জিকো ছেলেটাকে বেশ কয়েক বছর ধরে চেনে রাজু। বিনির মাসতুতো ভাই হয় জিকো। বিনি কলেজে পড়ার সময় যাদবপুরে পেইং গেস্ট হিসেবে থাকলেও চাকরি পাওয়ার পরে বাগুইআটিতে নিজের মাসির বাড়িতে থাকত। রাজু যেত মাঝে মাঝে। তখনই জিকোর সঙ্গে আলাপ।

    বিনি এখন হায়দরাবাদে থাকে। তবে যোগাযোগ আছে রাজুর সঙ্গে। খুবই ভাল মেয়ে বিনি। এমন প্রচারহীন ও নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে সবাই পারে না। তাই ওর যে-কোনও দরকারে রাজু ওকে সাহায্য করে।

    এই যে আজ ও এসেছে এখানে, সেটা বিনি ফোন করেছিল বলেই। না হলে থোড়াই আসত। বাড়ি থেকেই বেরোত না। মনমেজাজ খুব খারাপ হয়ে আছে ওর। কিন্তু বিনি ফোন করেছিল বলে ধরতেই হয়েছিল ফোনটা।

    বিনি ফোন করে বলেছিল যে, জিকোরা খুব সমস্যায় পড়েছে। যে ভাবেই হোক, রাজু যেন সাহায্য করে জিকোদের। বলেছিল, জিকো এখনই ফোন করবে, ও যেন ফোনটা ধরে।

    বিনি ফোন রাখার দু’মিনিটের মধ্যেই জিকো ফোন করেছিল। আর জিকোর সেই ফোন পেয়েই রাজু তড়িঘড়ি তৈরি হয়েছিল বাগুইআটিতে যাওয়ার জন্য।

    মা একটু অবাকই হয়েছিল। যে-ছেলে ক’দিন একদম বাড়ি থেকেই বেরোচ্ছে না, সে এ ভাবে না খেয়ে দেয়ে, শুকনো মুখে কোথায় চলল! মা জিজ্ঞেসও করেছিল, “কোথায় যাচ্ছিস তুই?” রাজু ছোট্ট করে বলেছিল, “কাজ আছে।”

    “সে তো কত্ত কাজ করে তুমি দেশ উল্টে দিচ্ছ বোঝাই যায়! ক’দিন তো একদম মরার মতো পড়ে রইলে! এখন এমন লেজ তুলে কোথায় চললে? বাড়ির জন্য এই উদ্যম থাকলে আমাকে চোখ খুইয়ে এমন কাজ করতে হত না!”

    রাজু কোনও উত্তর দেয়নি। এমন গঞ্জনা ওকে নিত্য শুনতে হয়।

    ভাগ্যিস যে দিন উর্জা এসেছিল মা একটু দোকানে গিয়েছিল, না হলে কী যে হত কে জানে!

    মা আবার বলেছিল, “কাল রাতেও খাওনি। সকালেও না। এবার অসুস্থ হলে কে দেখবে? তোমার ওই সেতুদা? না গুরান? আমায় উদ্ধার করো, রুটি তরকারি দিচ্ছি খেয়ে যাও। অনশন করে এই দেশে কিছু হবে না।”

    রাজু মায়ের দিকে তাকিয়ে বলেছিল, “আমি ফিরে আসি। তার পর না-হয় আরও বোলো। তাতেও আশ না মিটলে জুতো দিয়ে মেরো যত খুশি। এখন কাজে যাচ্ছি। এ সব ভাল লাগছে না।”

    রাজু সচরাচর এমন করে পাল্টা বলে না। তাই মা সামান্য ঘাবড়েই গিয়েছিল যেন। চুপ করে তাকিয়েছিল রাজুর দিকে।

    রাজু আর কথা না বাড়িয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল বাড়ি থেকে।

    বাগুইআটির মেন রোড থেকে সামান্য ভেতরে জিকোদের আস্তানা। ছোট্ট দু’কামরার ফ্ল্যাট। সঙ্গে দেশলাই বাক্সকে একটু ঠেললে যেমন করে ভেতরের কাঠি রাখার জায়গাটা উঁকি দেয়, সেরকম একটা বারান্দা। এখানে বিনি কী করে সবার সঙ্গে থাকত কে জানে!

    রাজু ফ্ল্যাটে পৌঁছে সময় নিয়ে শুনেছিল পুরো ব্যাপারটা।

    জিকোর বাবা মানে সুনীলবাবুর এক দাদা ছিলেন। কিন্তু প্রায় কুড়ি বছর জিকোদের সঙ্গে, মানে শুধু জিকোদের সঙ্গেই শুধু নয়, ওদের গোটা ফ্যামিলির কারও সঙ্গেই কোনও যোগাযোগ রাখতেন না। একরকম বলা যায় যে, তাঁরা নিজেদের এই ফ্যামিলি থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন।

    আজ সকালে আচমকা খবর আসে যে, সেনহাটিতে সেই দাদা মারা গিয়েছেন। যেহেতু তিনি নিঃসন্তান ছিলেন, তাই তাঁর স্ত্রী মানে জিকোর জেঠিমার আর কেউ নেই। পাড়ার লোকেরা, ভগবান জানে, কোথা থেকে জিকোদের ফোন নাম্বার পেয়ে ওদের ফোন করেছে। জিকো এ সবে ঢুকতে চায়নি। কিন্তু সুনীলবাবু দাদার জন্য কাতর হয়ে পড়ে বলেছেন যে, ওঁরা যাচ্ছেন। এখন পাড়ার লোকেরা বারবার ফোন করে বলছে যে, জিকোরা যেন এখনই যায়। না হলে বিশাল অশান্তি হবে। থানা-পুলিশ, নারী সমিতি সবাই মিলে নাকি এসে হুজ্জতি করবে। ফোন নাম্বার থেকে এখনকার দিনে ঠিকানা বের করা কঠিন কিছু নয়।

    এত দিন যেখানে যোগাযোগ নেই, সেখানে স্বাভাবিক ভাবেই জিকোরা জানে না কী অবস্থায় জেঠিমা রয়েছে। আচমকা এত বছর পরে এমনি এমনি তো আর ওদের মনে পড়েনি। কোনও ঝামেলায় আছে বলেই না পড়েছে।

    তা ছাড়া সত্যি বলতে কী, জেঠিমাকে জিকোর স্পষ্ট মনেও নেই! সেখানে কথা নেই বার্তা নেই আচমকা কেউ যদি এমন উটকো হুমকি দেয়, তা হলে তো মুশকিল। তাই জিকো খুব ভয় পেয়ে গিয়েছে। ও বলেছে রাজু ওদের সঙ্গে গেলে ভাল হয়!

    সবটা শুনে রাজু বুঝেছিল যে, মৃত্যু ছাড়াও কিছু একটা তো গোলমাল আছেই। না হলে পাড়ার লোকেরা এ ভাবে উজিয়ে নাম্বার খুঁজে, ফোন করত না।

    ওদের বাড়ি থেকেই রাজু, সেতুদাকে ফোন করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেতুদাকে পাওয়া যাচ্ছে না ফোনে। কী একটা কাজে সেতুদা দিল্লি গিয়েছে। হতেই পারে। আর সামনের বছর ভোট। এখন সব জায়গাতেই রাজনৈতিক নেতাদের দৌড়োদৌড়ি বেড়েছে। সেতুদাও তাই মাঝে মাঝেই দিল্লি যাচ্ছে। কে জানে কোথায় আছে সেতুদা! মোবাইল বন্ধ মানে কোনও দরকারি কাজেই আছে নিশ্চয়ই।

    আর কাউকে ফোন করার কথা ভাবতে পারে না রাজু। সেতুদাকে যতটা ও বলতে পারে, সেটা আর কাউকে পারে না। তবে পারত। সবচেয়ে বেশি যাকে বলতে পারত সে তো উর্জা। ওকে বললেই ওর বাবার মাধ্যমে সব এক সেকেন্ডের মধ্যে ঠান্ডা হয়ে যাবে। কিন্তু কেন ফোন করবে উর্জাকে! উর্জা কে হয় ওর যে, সাহায্য চাইবে? উর্জার কথা মনে আসতেই আবার বুকের মধ্যে একটা অস্বস্তি হয়েছিল রাজুর। গলা দিয়ে ছোট ছোট কষ্টের খণ্ড উঠে আসতে চাইছিল যেন! চোয়াল শক্ত করে আবার সে সব গিলে নিয়েছিল রাজু।

    জিকো বলেছিল, “কী হবে রাজুদা?”

    রাজু ওর পিঠে হাত রেখে বলেছিল, “তুই ভয় পাচ্ছিস কেন?”

    জিকো পাশে বসা সুনীলবাবুকে দেখিয়ে বলেছিল, “বাবা তো দুম করে ‘আমরা আসছি’ বলে দিল। কিন্তু জেঠিমাকে এনে রাখব কোথায়? আমাদের জায়গা আছে? সেরকম আর্থিক সঙ্গতি আছে? আর আমি তো কোনও দিন সে ভাবে দেখিওনি জেঠিমার মুখ। জানিও না সে কে! কেন গোটা ফ্যামিলির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করল ওরা! সে সব কি ওই পাড়ার লোকজন জানে? জানে না। আর এখন সব জাজ হয়ে এসে ভারডিক্ট শোনাচ্ছে। মানে আমাদের দেশে কোনও উচিত অনুচিত বলে কিছু নেই। সবার ‘প্যাক মেন্টালিটি’! যে দিকে ভিড় আর সেন্টিমেন্ট, সেদিকে গিয়েই ধান্দা গোছানো, লজিক কেউ শোনে না। আর বাবাকেও বলহারি! আপনি শুতে ঠাঁই পায় না শঙ্করাকে ডাক!”

    গাড়িতে ওঠার আগে রাজুর হাতে ঠিকানা লিখে একটা কাগজ ধরিয়ে দিয়েছে জিকো। কোথায় যেতে হবে তার ঠিকানা। রাজু যাতে ড্রাইভারকে পথ বলে দিতে পারে।

    গাড়ির পিছনের সিটে জিকো, সুনীলবাবু আর জিকোর এক বন্ধু বসে আছে। সবার মুখেই চিন্তা। স্বাভাবিক। এত বছর যোগাযোগ নেই যাদের সঙ্গে, তারা হঠাৎ এমন করে জীবনে উদয় হলে তো মানুষ বিব্রত হবেই। বিশেষ করে যেখানে তার দায়িত্ব নিতে হতে পারে এই বাজারে।

    রাস্তার পাশের একটা পানের দোকানের সামনে গাড়ি দাঁড় করাতে বলল রাজু। গাড়িটা জিকোর বন্ধুর। ছেলেটা ভাল। জিকোর কাছ থেকে এমন ঘটনা শুনেই গাড়ি ও ড্রাইভার সমেত চলে এসেছে।

    রাস্তায় নেমে দোকানে বসে থাকা লোকটাকে ঠিকানা জিজ্ঞেস করল রাজু। দোকানি লোকটা পান তৈরি করছিল। রাজুকে সে ভাবে পাত্তা না দিয়ে কোনও মতে দেখিয়ে দিল পথ। সামনের দিক থেকে বাঁ দিকে গিয়েই আবার ডান দিকে বাঁক নিতে হবে। ব্যস, তা হলেই গন্তব্যে পৌঁছে যাবে। রাজু বুঝল, ওরা চলেই এসেছে প্রায়!

    রাজু গাড়িতে উঠে ড্রাইভারদাদাকে সেটা বুঝিয়ে দিল কী ভাবে যেতে হবে। তার পর পিছন ফিরে সুনীলবাবুকে বলল, “আপনি বুঝে কথা বলবেন কিন্তু! অচেনা পাড়া। আর আজকাল সবাই খুবই রেগে থাকে সারাক্ষণ। একটা কিছু অজুহাত পেলেই ঝামেলা বাঁধিয়ে দেয়। আর লোকজন এ সব ব্যাপারে খুব ইমোশনাল আর অ্যাগ্রেসিভ হয়। কেউ মানতে চাইবে না যে, আপনাদের সঙ্গে এত বছর ওদের যোগাযোগ নেই। মানে, বুঝলেও মানতে চাইবে না। কারণ, দায় কেউ নিতে চায় না। সবাই অন্যের ঘাড়েই ফেলতে চায়। নিশ্চয়ই খুব সমস্যা বলেই আপনাদের এ ভাবে খুঁজে বের করেছে। তাই যা বলবেন, বুঝে বলবেন!”

    সুনীলবাবু ঢোঁক গিলে তাকালেন। বললেন, “নিজের দাদা মারা গিয়েছে। শোনার পরেও কী বলব বলো? ‘যাব না’ বলব? ‘চিনি না’ বলব? এটা হয়! আমাদের ছোটবেলা এক সঙ্গে কেটেছে কোডার্মায়। কী ভাল ছিলাম আমরা সবাই। সেখানে কী ভাবে চুপ করে বসে থাকব?”

    জিকো গজগজ করে বলল, “এই জন্য বলে বেশি সেন্টিমেন্টাল হতে নেই। মানুষ ম্যাক্সিমাম বাঁশ খায় সেন্টিমেন্টাল হয়ে গিয়ে। নাও, এবার সামলাও!”

    গলির মুখে গাড়িটা দাঁড় করাল ওরা। তার পর গাড়ি থেকে নেমে ওরা চারজন সামনে এগোল। সরু গলি। অপরিচ্ছন্ন রাস্তা। আশপাশে ভাঙাচোরা বাড়ির মাঝে দু’-একটা নতুন বিল্ডিং উঠছে। রাস্তার এক পাশে ডাঁই করে রাখা আছে বালি আর স্টোন চিপস। পড়ে আছে শাটারিংয়ের কাঠ। বেশ কিছু লোকজন দাঁড়িয়ে রয়েছে ভিড় করে। সবারই মুখচোখে উদ্বেগ আর চাপা উগ্রতা!

    রাজু নিজেও সমাজের এমন একটা অর্থনৈতিক ধাপেই থাকে। ও জানে এমন ধরনের মানুষের মনোভাব কী হতে পারে। সারাক্ষণ কেমন একটা ‘বঞ্চিত হচ্ছি’ মনোভাব কাজ করে এদের মধ্যে। “ভিকটিম মেন্টালিটি’। সামান্যতেই এরা যেমন খুশি হয়ে যায়, তেমন সামান্য কারণেই রেগে উঠে মারামারি করতেও দ্বিধাবোধ করে না। গোলমালে ঝাঁপিয়ে পড়া এদের আপাত নিস্তরঙ্গ জীবনে একটা আমোদের মতো। কোনও কিছু ঘটলে ভিড় করে সার্কাস দেখা এদের কাছে বিনোদন।

    রাজুদের আসতে দেখে কয়েকজন বয়স্ক মানুষ এগিয়ে এল। একজন লম্বা সামান্য কুঁজো মানুষ সুনীলবাবুকে বলল, “সুনীল ঘোষ আপনি? অনিলবাবুর ভাই?”

    সুনীলবাবু হাতজোড় করে নমস্কার করলেন। তার পর লোকগুলোর দিকে এগিয়ে গেলেন। পিছন পিছন জিকো আর ওর বন্ধুও গেল। রাজু চারিদিকটা দেখল একবার। ওরা এসেছে বলে লোকজন আরও বাড়ল যেন। সবারই মুখচোখ শক্ত। ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে আছে। রাজু বুঝল কিছু একটা গোলমাল হবে। এবার ও নিজেও এগোল সামনের দিকে।

    রাস্তার পাশেই একটা চারতলা বাড়ি। সামান্য পুরনো। তার নীচের তলায় দুটো ঘর আর একটা ছোট্ট রান্নাঘর। এক পাশে বাথরুম। এরই একটা ঘরে অনিলবাবুর মরদেহ শোয়ানো আছে। পাড়ার কয়েকজন মহিলা ছলছল চোখে ঘিরে বসে রয়েছে তাঁকে।

    জিকোরা ওই ঘরের সামনে দাঁড়াল একটু। রাজু দেখল সুনীলবাবু চশমা খুলে চোখ মুছছেন। রাজু পাশে গিয়ে দাঁড়াল। হাত রাখল কাঁধে। সুনীলবাবু তাকালেন ওর দিকে। বললেন, “খুব ভাল ফুটবল খেলত, জানো! আমায় সাইকেল করে স্কুলে পৌঁছে দিত। নিজের টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে আমায় ব্যাডমিন্টনের র‍্যাকেট কিনে দিয়েছিল।”

    জিকো বাবাকে ধরে কড়া গলায় বলল, “হ্যাঁ, তার পর কুড়ি বছর তোমার মুখও দেখেনি! থামো তুমি!”

    দরজার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে দু’জন মহিলা। তাদের মধ্যে বেঁটে আর রোগা মতো মহিলা বললেন, “আমার নাম মালতী। আমি দাদার ছোট শালি। আমার দিদি পাশের ঘরে আছে।”

    রাজু সবটাই দেখছে পিছন থেকে। সুনীলবাবুরা এবার পাশের ঘরে গেলেন। রাজুও দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। দেখল, একজন ভদ্রমহিলা একটা চৌকিতে শুয়ে আছেন। ঘরের মধ্যে কেমন একটা বোঁটকা গন্ধ। মহিলার চুল ছোট করে কাটা। রুক্ষ। গায়ের রং ফ্যাকাসে আর চামড়ায় যেন খড়ি উঠছে। ভদ্রমহিলা শুয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন। একটা ক্যাথিটারের পাইপ আর ইউরিন ব্যাগ ঝুলছে চৌকির পাশে।

    সুনীলবাবু বললেন, “বৌদি!”

    “সুনীল!” ভদ্রমহিলা কেমন একটা ধরা গলায় বললেন, “তোমার দাদা… তোমার দাদা আর নেই…”

    “দিদির অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল। কোমর ভেঙে গিয়েছিল। অপারেশন হয়েছে। কিন্তু চার মাস পরেও এখনও হাঁটতে পারছে না। গায়ে জোর নেই! জামাইবাবু যে আচমকা এমন সেরিব্রাল হয়ে চলে যাবে, আমরা ভাবতে পারিনি!” মালতী বলল কোনও মতে।

    “দাদা, শুনছেন? একটু আসুন এ দিকে।”

    সেই সামান্য কুঁজো মতো লোকটি এবার বাইরে ডাকল ওদের। সুনীলবাবু-সহ সবাই বাইরে বেরিয়ে এল। রাজু দেখল আরও লোকজন ভিড় করেছে!

    অবস্থা যে ভাল নয় সেটা বেশ বুঝতে পারছে ও। শুধু যে দাদা মারা গিয়েছে বলে সুনীলবাবুদের খবর দিয়েছেন, তা কিন্তু নয়। রাজু বুঝতে পারছে যে, অসুস্থ ভদ্রমহিলাটিকে নিয়ে সবাই বিব্রত হয়ে আছে। একে নিয়ে কী করা হবে সেটার জন্যই মূলত ওদের ডাকা হয়েছে।

    সামান্য কুঁজো লোকটা যে এখানকার মাতব্বর, সেটা বুঝতে পারছে রাজু। মাথার সাদা চুল ঢাকতে লোকটা কলপ লাগিয়েছে। কিন্তু পাকা চুলের গোড়া, পেঁয়াজকলির ফ্যাকাসে গোড়ার মতো বেরিয়ে পড়েছে। লোকটার পরনে সাদা প্যান্ট। পায়ে একটা সাদা চটি। বুকের বোতাম খোলা। সেখানে একটা রুপোর চেন ঝুলছে। তাতে কার একটা ঘষে যাওয়া ছবি। পেটে তিন নম্বর ফুটবলের সাইজের একটা ভুঁড়ি। লোকটার চোখ দেখে বোঝা যাচ্ছে জলপথে ভালই বিচরণ করে!

    ওরা বাইরে এসে দাঁড়াতেই আশপাশের লোকজন এসে গোল করে ঘিরে ধরল ওদের। ব্যূহ রচনা করল একটা।

    লোকটা বলল, “আমার নাম পিলু। এখানকার লোকজন আমাকে মানে আর কী। তা আপনি কী ভাবলে অনিলদার সৎকার করতে হবে এখন। তার জন্য তো মালকড়ি লাগবে। নিমতলায় নিয়ে যাব। সঙ্গে ছেলেপিলেরা যাবে। ম্যাটাডোর লাগবে। আর মালা, কাপড়, ধূপ ইত্যাদি নানা জিনিস লাগবে। ও আর হ্যাঁ, ছেলেপিলেরা একটু খাবেও। বুঝতেই তো পারছেন!”

    পিলু এক চোখ টিপে বুড়ো আঙুল তুলে একটা ইশারা করল। সুনীলবাবু কিছু না বলে পকেট থেকে দশ হাজার টাকা বের করে দিয়ে দিলেন।

    জিকো এতক্ষণ মোবাইলে কাকে যেন মেসেজ করছিল। এবার মোবাইলটা পকেটে ঢুকিয়ে বলল, “আরে, তুমি এত টাকা দিচ্ছ কেন?”

    পিলু চট করে টাকাটা ছিনিয়ে নিয়ে পকেটে ঢুকিয়ে নিয়ে বলল, “এত কই ভাই! দশে কিছু হয়? আর খচ্চা নেই! তোমরা খবর নেবে না। যোগাযোগ রাখবে না। দুটো মানুষ কুকুর বেড়ালের মতো পড়ে থাকবে, আর এখন এই ক’টা টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে এত টাকা!”

    জিকো বলল, “দেখুন, আপনি জানেন না যা, তা নিয়ে কথা বলবেন না। আমার জেঠুরা আমাদের ফ্যামিলির কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখত না। কারও সঙ্গে না। সারা জীবন নিজের শ্বশুর বাড়ির লোকেদের টেনে গিয়েছে জেঠু। আচ্ছা, বেশ করেছে টেনে। কিন্তু তারা এখন কই! সারা জীবন জেঠুকে চুষে খেয়ে এখন আসল বিপদের সময় পালিয়ে গিয়েছে। আর আমাদের ডেকে এনে এ সব বলা হচ্ছে।”

    “শ্যামলীদি, এদিকে আসুন তো!” পিলু এবার ভিড়ের থেকে একটু দূরে দাঁড়ানো একজন মহিলাকে ডাকল।

    শ্যামলী নামে ভদ্রমহিলার বয়স মধ্য চল্লিশ। ফর্সা। বেঁটে। পান খেয়ে দাঁত তরমুজের বিচি রঙের হয়ে আছে। মহিলার নাকের ওপর একটা আঁচিল। মাথার চুল সিঁথির কাছে পাতলা।

    শ্যামলী এগিয়ে এসে খরখরে গলায় বলল, “পিলুদা, এরা কি ত্যান্ডাই ম্যান্ডাই করছে?”

    “হ্যাঁ,” পিলু দাঁত খিঁচিয়ে বলল, “এরা বলছে অনিলদার বৌয়ের দায়িত্ব নেবে না।”

    “বললেই হল!” শ্যামলী রেগে গেল আচমকা। চারিদিকে তাকিয়ে জোরে জোরে চেঁচিয়ে বলল, “নেবে না? মামার বাড়ির আবদার! আমি ডাকছি লোকজন। থানাতেও খবর দিচ্ছি! বলে কিনা নেবে না!”

    রাজু আর থাকতে পারল না। বলল, “আরে, দাঁড়ান দাঁড়ান। কী বলছেন দিদি? এই পিলুবাবু সবার সামনেই দশ হাজার টাকা নিলেন সৎকার করার জন্য। এত টাকা কি লাগে, বলুন তো! আর এখন এ ভাবে চাপ দিচ্ছেন! আপনি ভেবে বলুন আপনার সঙ্গে যার কুড়ি বছর সম্পর্ক নেই, আচমকা দশ মিনিটের নোটিসে যদি তার সারা জীবনের দায়িত্ব আপনাকে নিতে হয়, আপনি নেবেন? তাও এমন মেডিক্যাল কন্ডিশনে! সব কিছুর তো একটা লজিক থাকবে, না কি? যা খুশি তাই বললেই হয়?”

    “খুব লজিক মারাচ্ছ তো বাঞ্চোত! ধরে শালা এমন ক্যালাব না! লজিক? লজিক দেখবে? পেছনে বাঁশ দিয়ে লজিক ঢুকিয়ে দেব!” পিলু আচমকা রাজুর কলারটা চেপে ধরল, “হারামি! বয়স্ক মহিলাকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার ধান্দা! মাস্তানি!”

    “আপনি গায়ে হাত দিলেন কেন?” রাজু এক ধাক্কায় পিলুকে সরিয়ে দিল। ওর মাথার মধ্যে যেন আগুন জ্বলে উঠল হঠাৎ। সব জায়গায় এমন করে অপমানিত হতে হবে নাকি? সত্যি তো! এটা মামার বাড়ি নাকি? যে আসবে সে-ই অসভ্যতা করে যাবে! রাজু আর কিছু না ভেবে ধাঁই করে একটা ঘুষি চালিয়ে দিল পিলুর মুখে।

    ফ্যাঁৎ করে একটা শব্দ হল। আর “বাবারে” বলে পিলু নাক চেপে বসে পড়ল। রাজু দেখল পিলুর নাক দিয়ে গলগল করে রক্ত পড়ছে!

    “শুয়োরের বাচ্চা!” চিৎকার করে চার-পাঁচজন ছেলে ভিড়ের মধ্য থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল রাজুর ওপর। কিছু বোঝার আগেই মাথায় কী দিয়ে যেন একটা মারল ওকে। নিমেষে সারা পৃথিবী দুলে উঠল রাজুর। আর মনে হল কে যেন পৃথিবীর সমস্ত আলো একটা সুইচ টিপে নিভিয়ে দিল এক সঙ্গে। কুয়াশার চাদর বিছানো অতল কোনও এক খাদের গভীরে ধীরে ধীরে তলিয়ে গেল ও। দেখল সেই খাদের ধারে, ওই ওপরে, ছোট থেকে আরও ছোট হয়ে যাওয়া উর্জা যেন তাকিয়ে রয়েছে ওর দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)
    Next Article কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }