Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প698 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. ঝিরি

    ঝিরি কুমার মুখুটি! এটা কোনও নাম হল! ছোটবেলায় লোকে ওর নাম শুনে হি হি করে হাসত। বলত, “এর মানে কী রে?” ঝিরি কোনও উত্তর দিতে পারত না। শুধু বলত, “জেনে বলব।”

    তা এই জানাটা আর কোনও দিন হয়ে ওঠেনি। বাড়ির বড়রা কেউই বলতে পারেনি। শুধু মায়ের কাছ থেকে এটা জেনেছিল যে, ওর জন্মের সময় নাকি এক দূর সম্পর্কের ঠাকুরমা এসেছিল ওদের বাড়িতে। তার মাথার একটু সমস্যা ছিল। ছেলে হওয়ার পর সে-ই নাকি নাম রাখে ঝিরি কুমার। বয়স্ক মানুষ এমন নাম দিয়েছে। তাকে কেউ দুঃখ দিতে চায়নি বলে এই নামটাই সবাই মেনে নিয়েছে।

    ছোটবেলায় ঝিরির মনে হত কে এক অসুস্থ মানুষ কী নাম রাখল সেটাই বাবা-মা মেনে নিল! ওদের স্কুলে কী সুন্দর সুন্দর নামের ছেলেরা পড়ে! অয়নাংশু, মৃগাঙ্কশেখর, সৌপ্তিক, আর্যবন্ধু। আর সেখানে ও? ঝিরি কুমার! যেন রেল কলোনির মাঠে বসে সারা দিন আড্ডা মারা বখাটে ছেলে!

    ওর স্কুল লাইফের বন্ধু রূপবান ওকে বলত, “তুই বড় হলে নামটা এপিঠ ওপিঠ করে পালটে নিস বুঝলি। তখন একটা দারুণ নাম রাখিস।”

    ঝিরি জিজ্ঞেস করত, “কী নাম রাখব?”

    “কী নাম?” রূপবান চিন্তিত হয়ে পড়ত। তার পর খানিকটা ভেবে বলত, “এই ধর বেশ ভারিক্কি একটা নাম।”

    “আঃ, কেমন ভারিক্কি নাম? একটা উদাহরণ দে,” ঝিরি আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকত।

    রূপবান হেসে বলত, “এই ধর সিলভেস্টার স্ট্যালোন

    “অ্যাঁ! কী!” ঝিরি হাঁ হয়ে তাকিয়ে থাকত।

    “হ্যাঁ, সিলভেস্টার স্ট্যালোন, এটাই ঠিক নাম,” রূপবান মাথা নেড়ে বিজ্ঞের মতো বলত, “খুব আনকমন নাম কিন্তু। সেদিন সিনেমায় দেখলাম এর একটা বই। কী ঝাড়পিট! ‘র‍্যাম্বো’ নাম। একাই সবাইকে কেলিয়ে পাট করে দিয়েছে। ইয়া ইয়া হাতের গুলি। বুকের পাটা যেন লাহিড়ীদের দুর্গা পুজোর চাতাল! এই নামটাই দারুণ। এটাই রাখবি। ভাল হবে।”

    ঝিরি হাঁ করে তাকিয়ে বলত, “সিলভেস্টার স্ট্যালোন মুখুটি! দুটো টাইটেল!”

    “তাতে কী হয়েছে? এমন হয় না? মান্না দে। গোটা নামটাই তো সারনেম! তোর হলে অসুবিধে কী? তুই কি মান্না দের চেয়েও কেউকেটা নাকি?” রূপবান ভুরু কুঁচকে তাকাত।

    ঝিরি তাও গজগজ করত, “না না, মা মানবে না। অসুবিধে হবে। পরীক্ষায় নাম লিখতেই চল্লিশ মিনিট কেটে যাবে। অ্যাডমিট কার্ডে নামের বানান ভুল আসবে। না, এটা ঠিক দেখাবে না।”

    “তা হলে স্ট্যালোনটা বাদ দিবি। সিলভেস্টার মুখুটি। ব্যাপক নাম! লোকজন অন্য রকম ইজ্জত দেবে। পাগলা খাবি কী, গন্ধেই মরে যাবি টাইপ!”

    রূপবান নিশ্চিত হয়ে বলত, “এপিঠ ওপিঠ করার সময় বানানটা দেখে নিস কিন্তু! তুই বানানে হেব্বি কাঁচা!”

    এপিঠ ওপিঠ ব্যাপারটা বুঝত না ঝিরি। মানুষের নাম কি রুটি না পরোটা না মাছ যে, এপিঠ ওপিঠ করবে! পরে বড় হয়ে বুঝেছে ব্যাপারটা কী। এফিডেভিটকে গ্রামের কিছু লোকজন ওরকম বলত। এখন ভাবলে ঝিরির হাসি পায়। সেই জায়গার সাদাসিধে লোকজন কত কী না বলত। স্পোকেন ইংলিশ-কে স্মোকিং ইংলিশ! কমপার্টমেন্টালকে কমপার্টমেন্ট! সেন্ট্রাল এক্সাইজ়কে সেন্ট্রাল এক্সারসাইজ়! আরও কত কী!

    কিন্তু বড় হওয়ার পরে নাম পাল্টানোর কথা আর মনে হয়নি ঝিরির। আসলে নিজের নামটার ওপর এখন কেমন যেন মায়া পড়ে গিয়েছে। বাবা এই নামে ডাকত একদম ছোটবেলায়। মা এই নামে ডাকত। বন্ধুরা এই নামে ডাকত। এক-একটা নামের সঙ্গে কত মানুষের স্মৃতি জড়িয়ে থাকে। কত ঘটনা জড়িয়ে থাকে। স্মৃতিই তো মানুষের আসল সঞ্চয়। সেটা চলে গেলে আর কী-ই বা থাকে এই জীবনে!

    ঝিরি ঘড়ি দেখল। সাড়ে ছ’টা বাজে! কলকাতার রাস্তা আলোয় ঝলমল করছে। ওই সামনে, ফুটপাথের উল্টোদিকে একটা মণিহারি দোকানে দাঁড়িয়ে রয়েছে লালু। দোকানে ভিড় বেশ। তাই লালু এখনও কিছু কেনার সুযোগ পায়নি। এই লালু এখান থেকে বেরিয়ে কোথায় যাবে, সেটাই এখন দেখার।

    ঝিরি পকেট থেকে একটা চুয়িংগাম বের করে মুখে দিল। মনে পড়ল, ফেরার পথে প্রতুলবাবুর স্ত্রী মানে কাকিমার জন্য জর্দা কিনতে হবে। শিয়ালদা স্টেশনের কাছে যে-মার্কেট আছে, সেখানে বলাই নামে একটা ছেলের থেকে জর্দা কেনে ঝিরি। লুজ জর্দা। বলাই নিজে কী সব দিয়ে যেন বানায়। কাকিমার ফেভারিট। কাকিমার নেশা বলতে পান-জর্দা। তবে প্রতুলবাবু সেটা নিয়েও কাঁইমাই করেন। তাই কাকিমা লুকিয়ে এটা আনতে দেন ওকে। রিপা এসে বলে দিয়ে যায় যে, মায়ের জর্দা ফুরিয়ে গিয়েছে!

    না, এর জন্য টাকা নেয় না ঝিরি। সামান্য ক’টা টাকা। সে সব কেউ নেয়! আর সত্যি বলতে কী, টাকার অভাব ওর নেই। ও যাদের হয়ে কাজ করে, তারা মাস গেলে অনেক টাকা দেয় ওকে। কিন্তু যেহেতু খুব সাধারণ জীবন যাপন করে ঝিরি, তাই কাঁড়িকাঁড়ি টাকা জমে যায়।

    মাসে একবার হোটরে যায় ঝিরি। সেখানে বাচ্চা মেয়েদের একটা অনাথাশ্রম আছে। কিছু টাকা আর জিনিসপত্র দিয়ে আসে। ওর আর কে আছে! এত টাকা নিয়ে ও কী-ই বা করবে!

    লালুকে আবার দেখল ঝিরি। এখনও সুযোগ পাচ্ছে না জিনিস কেনার। ঝিরি মনে মনে বলল, ‘এই ছেলেটাই কাজের জন্য ঠিক। একেই ধরতে হবে!

    এর মধ্যে বীরেন্দ্রদের বাড়ির লোকেদের সম্বন্ধে খবরাখবর নিয়েছে ও। কিন্তু কেউ ঠিক ওর কাজে লাগবে না। উর্জাকে তো ছেড়েই দিল। সে নিজের কাজ আর বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে ব্যস্ত। কবির ব্যাপারেও খোঁজ নিয়ে দেখেছে। ও বড্ড সৎ আর একরোখা ছেলে। ওকে দিয়েও কাজ হবে না।

    বিন্দি বলে একটা মেয়ে আছে। কিন্তু ওকে দিয়েও সরাসরি কোনও কাজ হবে না। সেই মালমশলা নেই ওর মধ্যে। তাই ওকে অন্য ভাবে কাজে লাগাচ্ছে ঝিরি।

    ঝিরি বিশ্বাস করে, যে-কোনও কাজ করতে হলে আবহাওয়া লাগে। বিন্দি সেই আবহাওয়া তৈরি করবে। আসলে ঝিরি জানে, কোনও গাছে ফুল ধরাতে গেলে শুধু মাটিতে জল দিলেই হয় না। তার জন্য আরও জিনিস, যেমন রোদ, সার এ সবও লাগে। বিন্দি মেয়েটা এই কাজটাই করবে। চৌকস মেয়ে বিন্দি। আর ব্যাপারটা যে সবার থেকে গোপনে করতে হবে, সেটা ও নিজেই বুঝেছে। ঝিরি জানে সবটা ঠিক পারবে বিন্দি। আসলে ওকে পারতেই হবে। না-পারাটা ওর কাছে কোনও অপশন নয়।

    তবে মূল গাছটি হল এই লালু। বিন্দির সঙ্গে কথা বলেই বুঝেছিল। তবে শুধু কথায় ভরসা করলে তো হয় না। তাই ক’দিন দূর থেকে দেখেছে লালুকে। বুঝেছে কাজের ছেলে। কিন্তু আরও স্টাডি করতে হবে। কারণ, যে কাজটা করাতে হবে, সেটাতে যাতে কোনওরকম গোলমাল না হয়, তার জন্য একশো শতাংশ নিশ্চিত হতে হবে। তবে ও এটাও বুঝতে পারছে যে, কাজে লাগলে একমাত্র এই লালুই লাগতে পারে। কিন্তু কাজটাই এমন যে, সরাসরি বললে এ ছেলে সেই কাজ করবে না। উপরন্তু সব পরিকল্পনা বেরিয়ে পড়ে গোলমাল হয়ে যেতে পারে। তাই আবহাওয়া তৈরি করিয়ে ওকে ঠিক জায়গায় পুশ করে কঠিন কাজটা পরোক্ষ ভাবে করিয়ে নিতে হবে। আর সেই কারণে ক’দিন হল লালুকে চোখে চোখে রাখছে ও। আসলে পুশ করতে হলেও ‘কোথায় পুশ করবে, সেই বোতামটা তো খুঁজে বের করতে হবে।

    গত সপ্তাহে লালুর গ্রামে গিয়ে সব খোঁজখবর নিয়ে এসেছে ঝিরি। বুঝেছে, সেখানে লালুর কোনও টান নেই। সেখানে সম্পত্তি বলতে কিছুই নেই ওর। তার মানে টাকার জোর যে নেই, সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু ছেলেটার টাকা দরকার কতটা, সেটাই জানতে হবে।

    ক’দিন আগে লালুকে ফলো করে হাজরা মোড়ে গিয়ে দেখেছে, লালু একজনের সঙ্গে খুব বিপন্ন অবস্থায় কথা বলছিল। একটা বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে এসেছিল দু’জন। তাদের মধ্যে একটি মেয়ে অল্পবয়সি। আর অন্যজন তিরিশের কাছাকাছি। মহিলাটি একটা দোকানের সিঁড়িতে বসে কাঁদছিল। লালুও কথা বলতে বলতে বসে পড়েছিল ফুটপাথের ওপর। পাশ দিয়ে দু’-একবার হেঁটে গিয়েছিল ঝিরি। তাতে যেটুকু শুনেছে তাতে বুঝেছে যে, কিছু একটা ব্যাপারে এদের টাকার দরকার। যেহেতু মহিলাটি ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়েছিল, তাই ঝিরি অনুমান করেছিল যে, ব্যাপারটা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত। কিন্তু ঠিক কী, সেটা বুঝতে পারেনি। তবে লালুকে দেখে বুঝতে পারছিল যে, ব্যাপারটা গুরুতর।

    এবার ব্যাপারটা ঠিক কতটা গুরুতর, সেটাই বুঝতে হবে। সে দিন লালুকে ফলো করেই কেটেছিল দিন। আর সেটাই ভুল হয়েছিল। সে দিন মহিলাটিকে ফলো করলে বরং কাজের কাজ হত।

    যাই হোক, ভুল হয়েছে ওর। কী আর করবে! তাই আজও ফলো করছে লালুকে। যদি লালু সেই মহিলাটির কাছে যায়। আসলে সেই মহিলাটি কোথায় থাকে এখনও জানে না ও। সেটা জানা জরুরি। এটাও জানা জরুরি যে, মহিলাটির প্রতি লালুর কতটা টান।

    ঝিরি দেখল, লালু একটা বড় চকোলেটের বাক্স কিনল। বাহ্, এটা ভাল। যে-ক’দিন লালুকে ফলো করছে ঝিরি, তাতে কখনওই সে ভাবে রাস্তায় কিছু খেতে দেখেনি ওকে। কালেভদ্রে সিগারেট কিনে খেয়েছে। সেই ছেলে আজ দামি চকোলেটের বাক্স কিনছে কেন! কোনও বাচ্চার জন্য কি? কোন বাচ্চা? সেই বাচ্চাটা?

    ঝিরি সোজা হয়ে দাঁড়াল। ওই তো লালু বেরোল দোকান থেকে। এবার হাঁটছে বড়রাস্তা ধরে। ঝিরি একটু দূরত্ব রেখে পিছু নিল ওর।

    সন্ধে কলকাতায় বেশ ভিড় এখন। নর্থের দিকে ফুটপাথে নানা খাবারের দোকান আছে। তার ফাঁক দিয়ে এঁকেবেঁকে যাচ্ছে লালু। ফোনে কাকে যেন একটা ধরার চেষ্টা করছে, কিন্তু ধরতে পারছে না। নিজের মনেই লালু মাথা নাড়ছে। ও কি বিরক্ত?

    কোথায় যাচ্ছে লালু? সামনে তো সোনাগাছি? সেইখানেই কি যাচ্ছে? আচ্ছা, সেই মহিলা কি ওইখানে থাকে?

    ভাবতে ভাবতেই ঝিরি দেখল লালু ডান দিকে বাঁক নিল। ঝিরি বুঝল ওর অনুমান ঠিক।

    ফুটপাথে নানা পোশাকে মহিলারা দাঁড়িয়ে রয়েছে। একটা মাতালকে দেখল ঝিরি। টলতে টলতে রাস্তার ঠিক মাঝখান দিয়ে চলেছে। কোনও গাড়িঘোড়া যে ওকে ধাক্কা দিচ্ছে না সেটাই আশ্চর্যের!

    আশপাশ থেকে কয়েকজন দালাল-গোছের লোক এগিয়ে আসছে ঝিরির দিকে। কিন্তু ঝিরি পাত্তা না দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ওর চোখ লালুর দিকে।

    লালুর পায়ে একটা সমস্যা আছে। তাই ছেলেটা খুঁড়িয়ে হাঁটে। হাঁটার জোরও তেমন নয়। ঝিরিও ধীরেসুস্থে হাঁটছে।

    ওই লালু বাঁ দিকে বেঁকে একটা গলির মধ্যে ঢুকল এবার। ঝিরিও ঢুকল। এই গলিটা সরু। দু’দিকে মহিলারা খুব সাজগোজ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পাশেই একটা ড্রেন। আর তার পাশে ময়লা পড়ে রয়েছে ডাই হয়ে। লালুর দিকে কেউ এগোচ্ছে না। কিন্তু ঝিরির হাত ধরে টানছে কেউ কেউ। কেউ আবার ডাকছে। ঝিরি পাত্তা দিচ্ছে না একটুও।

    এই গলিটাতে আলো কম। রাস্তাও ভাঙাচোরা আর নোংরা। লালু এই সব পার করে একটা বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়াল। সন্ধের আবছায়ায় বাড়ির রংটা বোঝা যাচ্ছে না। লালচে মতো হবে হয়তো। বাড়িটার এক তলায় কয়েকটা মেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সাজপোশাক খুবই উগ্র। পাশেই একটা চায়ের দোকানে কয়েকটা লোক বসে চা খাচ্ছে।

    দোকানদার লোকটা লালুকে দেখে হাত তুলে “লালু ভাই” বলে ডেকে উঠল। ঝিরি দেখল লালুও হাত তুলে লোকটার দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল। বাড়িটার পাশ দিয়ে একটা সরু প্লাস্টার-খসা সিঁড়ি উঠে গিয়েছে ওপরের দিকে। সেখানেও কিছু মেয়ে সিঁড়ির রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রয়েছে। লালু সিঁড়িতে উঠে দাঁড়িয়ে থাকা একটা মেয়েকে জিজ্ঞেস করল, “এই বৈশাখী, অঞ্জনা আছে ঘরে? তখন থেকে ফোন করছি ফোন ধরছে না!”

    বৈশাখী নামের মেয়েটা কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে আছে মুখে রং মেখে। একটা পাতলা শিফনের শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে। বলল, “কমলাদির সঙ্গে মহিলা সমিতিতে গিয়েছে। ছুটির ডাক্তারি পরীক্ষার কাগজপত্র নিয়েছে সঙ্গে। যদি কিছু পাওয়া যায়! তুমি অপেক্ষা করো।”

    লালু বিরক্ত হয়ে বলল, “তা হলে ফোন ধরছে না কেন!”

    “তা আমি কী জানি!” বৈশাখী বিরক্ত হল, “ওপরে গিয়ে অপেক্ষা করো, না হলে কাটো। ফালতু দিমাগ খেয়ো না। আমার কি এখানে তোমার সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিপ ফেললে মাছ উঠবে? দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মাজা ব্যথা হয়ে গেল!”

    লালু দাঁড়িয়ে কিছু একটা ভাবল। তার পর পা টেনে টেনে উঠে গেল ওপরে। ঝিরি দেখল। ওপরে উঠে আর লাভ নেই। কিন্তু ব্যাপারটা মোটামুটি বুঝতে পারছে। কিন্তু আরও জানতে হবে। স্পষ্ট করে বুঝতে হবে লালুর জীবনের ক্রাইসিস পয়েন্টটাকে।

    বৈশাখী নামে মেয়েটা নেমে এসেছে নীচে। গলি পেরিয়ে নিশ্চয়ই বড় রাস্তার দিকে যাবে। ঝিরি এগোল সামনে। মেয়েটা ওকে দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল। আবছায়ার মধ্যে মেয়েটার মুখের চড়া রংটা কেমন যেন ভূতুড়ে লাগছে। মেয়েটা ওকে দেখে হাসল সামান্য।

    ঝিরি আরও এক পা এগোল। বোঝাল যে, ওর আগ্রহ আছে। বৈশাখী এবার হাসল বড় করে। হাত দিয়ে শাড়ির আঁচলটাকে সামান্য সরিয়ে, এগিয়ে এল সামনে।

    ঝিরিও হাসল পাল্টা। মেয়েটা কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। সস্তা প্রসাধনের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এমন জায়গায় আবছায়া গলির মধ্যে এ ভাবে একটা মেয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আচমকা ঝিরির রিপার কথা মনে পড়ল। রিপা যদি ওকে এই ভাবে দেখত!

    “কী, যাবে? পাঁচশো লাগবে। পার শট,” বৈশাখী সোজাসুজি বলল। ঝিরি হাসিটা বজায় রেখে নরম গলায় বলল, “আমি আর-একটু বেশিই দেব…”

    “কেন?” বৈশাখী সতর্ক হয়ে গেল। ওকে শেষ করতে না দিয়ে বলল, “বেশি কেন দেবে? আরও কিছু করবে নাকি? ভিডিয়ো করবে নাকি ফোনে? তা হলে তিন হাজার নেব।”

    “না না,” ঝিরি ব্যাপারটা সামাল দিতে বলল, “ও সব না। একটু কথা বলব জাস্ট!”

    “কথা!” বৈশাখী সতর্ক হল, “কেন? কে তুমি? পুলিশ?”

    “না পুলিশ নই। তোমায় হাজার টাকা দেব,” ঝিরি সোজা বৈশাখীর চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “জাস্ট কয়েকটা প্রশ্ন!”

    “কয়েকটা কথার জন্য হাজার!” বৈশাখী বলল, “বারোশো নেব!”

    “বাদ দাও তা হলে। আমি অন্য জায়গা থেকে জেনে নেব,” ঝিরি মুখ ঘুরিয়ে হাঁটা দিতে গেল।

    “আরে!” বৈশাখী হাত ধরে টানল ওকে, “ঠিক আছে ওতেই হবে। চলে যেয়ো না।”

    ঝিরি হাসল, “এখানে না বলে অন্য কোথাও গেলে হবে?”

    “বড় রাস্তায় বুড়োদার রোলের দোকান আছে। আমায় রোল খাওয়াবে? ওখানে দাঁড়িয়ে কথাও বলা যাবে।”

    ঝিরি বলল, “ঠিক আছে, চলো। কিন্তু একটা কথা। যা জিজ্ঞেস করব তা আমাদের মধ্যেই থাকবে। আর কাউকে বলবে না।”

    “ঠিক আছে,” বৈশাখী মাথা নাড়ল।

    “তোমায় বিশ্বাস করা যায় তো?” ঝিরি সতর্ক হল।

    বৈশাখী রাগের সঙ্গে তাকাল ওর দিকে। বলল, “না বিশ্বাস করার কী আছে! কত লোকে কত কী করতে আসে এখানে। আমরা কি সে সব পাঁচ কান করে বেড়াই! সব বলে বেড়ালে তোমরা ভদ্রলোকেরা টিকতে পারবে সমাজে! যা বলবে আমাদের মধ্যেই থাকবে। কাউকে বলব না, ঠিক আছে?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)
    Next Article কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }