Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প698 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. ঝিরি

    জায়গাটা বেশ বড়। বাগান ঘেরা। গেট দিয়ে ঢুকে সামনে অনেকটা ছড়ানো লন। তার এক পাশে দোতলা বাড়ি। এখন যদিও রংচটা অবস্থা, কিন্তু ঝিরি জানে এটাকে সারিয়ে, রং করিয়ে, গুছিয়ে নিলে দারুণ দেখতে লাগবে। বাগানটাও আগাছায় ভরা। এটাকেও পরিষ্কার করে সুন্দর করে নিতে হবে। গোটা বাড়ি আর বাগানটা ঠিকঠাক করার পরে কেমন অবস্থায় আসবে, মনে মনে সেটা ভেবে ভাল লাগল ঝিরির।

    কলকাতা থেকে এত দূরের জায়গা, তার ওপর বাড়িটা সামান্য ভাঙাচোরা অবস্থায় আছে। তাও দামটা একটু বেশিই লাগছে। কিন্তু অত ভাবছে না ঝিরি। অনেক টাকা তো জমে গেল। এবার একটু খরচ করাও দরকার।

    ঘড়ি দেখল ও। সকাল দশটা বাজে। এই বাড়িটা থেকে প্রভারানি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দূরত্ব হেঁটে পাঁচ মিনিটের মতো। ও জানে সাড়ে এগারোটায় ছুটি হয় স্কুলের। মানে রিপারও। এখানেই তো পড়ায় ও। মর্নিং স্কুল।

    কিন্তু হোক না ছুটি তাতে ঝিরির কী! ঝিরি আর রিপা পরস্পরের কী হয়? কে হয়?

    ঝিরি মন ঘোরানোর জন্য কানুর দিকে তাকাল। দেখল, লোকটা দু’আঙুলে বিড়ি ধরে এখনও ফোনে কথা বলে যাচ্ছে।

    কানু লাহিড়ী বাড়ির দালালি করে। সঙ্গে মাখনপুর স্টেশনের কাছে একটা লটারির টিকিটের দোকানও চালায়। লোকটার বয়স বছর পঞ্চান্ন মতো। মাথায় বড় টাক। কিন্তু তাও যে-ক’টা চুল অবশিষ্ট আছে, তাতে যত্ন করে রং করা। দাড়ি-গোঁফ কামানো। বার্নিশ করা মেহগনি কাঠের মতো গায়ের রং। তাতে আবার ছোপ ছোপ পাউডার লাগিয়ে কেমন একটা অদ্ভূত সেজে থাকে। দেখলে মনে হয় বাটিক প্রিন্ট করা মানুষ!

    গত দু’দিন আগে কানুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ঝিরির। তখন কানুকে বলেছিল একটা বাড়ি কিনতে চায় ও। যদি কাছাকাছি কোথাও তেমন থাকে ওকে বলে। আর তার সঙ্গে নিজের বাজেটও বলে দিয়েছিল।

    যেন আর গতকাল রাতেই খবর দিয়েছিল কানু। বলেছিল প্রভারানি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কাছে নদীর পাশে একটা বাড়ি আছে। বাগান ঘেরা। তবে যা বাজেট দিয়েছে, ঝিরি তার চেয়ে পাঁচ লাখ বেশি চাইছে।

    এমনটা যে হয় জানত ঝিরি। তাই বাজেট বলার সময় সে ভাবেই কমিয়ে বলেছিল। বাড়ির দাম, রেজিস্ট্রেশনের খরচ, টু পারসেন্ট দালালির টাকার সঙ্গে বাড়িটা সারানোর খরচও আছে। সব যোগ দিলে হয়তো একটু বেশিই হয়ে যাবে, ঝিরি জানে। কিন্তু ঠিক আছে। বাড়ি যখন কিনবে তখন হাত খুলেই কিনবে।

    কিন্তু আচমকা কেন যে এমন বাড়ি কেনার ইচ্ছে চাগিয়ে উঠল, সেটা নিয়েই চিন্তা হচ্ছে ঝিরির। এ সব তো ভাল লক্ষণ নয়। ওর যা কাজ সেটা সোজা পথের কাজ নয়। নানা রকম খারাপ লোকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। তাদের সঙ্গে নানা বাদ-বিবাদেও জড়িয়ে পড়তে হয়। সেই ক্ষেত্রে নিজের কোনও দুর্বলতা তৈরি হওয়াটা কাজের কথা নয়। কারণ, বিপক্ষ সেই দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে। কিন্তু এখন যেন সেই অকাজের ব্যাপারটাই ঘটছে।

    কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, এ সব কারও হাতে থাকে না। তাই এত বছর ঠিক থেকেও আচমকা মনটা কেমন যেন বেগড়বাই করছে। চিন্তা হচ্ছে ঝিরির, নিজের জন্য চিন্তা হচ্ছে খুব।

    কানু ফোনটা কেটে পকেটে ঢুকিয়ে, ভাঙাচোরা দাঁত বের করে, আলো-বাতাস খেলানো হাসি ঝুলিয়ে এসে দাঁড়াল ওর সামনে। বলল, “বোসবাবুদের সঙ্গে কথা বলে নিলাম। বললাম যে, আপনার পছন্দ হয়েছে বাড়ি। এখন দলিলের ফোটোকপি দিলেই সার্চিংটা করিয়ে নেওয়া যাবে। কী বলেন!”

    বোসবাবু মানে সুধাময় বসু। এই বাড়ির মালিক। এখন থাকেন পাণ্ডুয়ায়। এই বাড়ি বিক্রি করে নাকি পাকাপাকি ভাবে বেঙ্গালুরুতে শিফট করে যাবেন। বাগানবাড়ি হিসেবে এই বাড়িটা শখ করে বানিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলেমেয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় এখন গলার কাঁটা হয়ে গিয়েছে! গলার কাঁটা! সত্যি তাই। জগন্নাথমামা বলত, “ক্যাপিটালিজমের ব্যাড এফেক্ট সবচেয়ে বেশি পড়ে মনে। মেন্টাল হেলথ-এ। এই দিকটা চট করে ভেবে দেখে না কেউ। আরে বাবা, যতটুকু দরকার তার চেয়ে বেশি টাকাপয়সা থাকলে লাইফে ঝামেলা আসতে বাধ্য! তাই দেখ না, আমি কেমন ঝাড়া হাত-পা নিয়ে থাকি! তোকেও বলে দিলাম ঝিরি, এমন করে থাকবি। দশের জন্য দেশের জন্য কাজ করবি। কিন্তু জড়াবি না কিছুতেই। সেই ঠাকুরের বলা পাঁকাল মাছ। সেটা হয়ে থাকতে হবে, বুঝলি?”

    ঝিরি তাকাল কানুর দিকে। লোকটা করিতকর্মা আছে। তবে সেটাই স্বাভাবিক। কম টাকা তো পাবে না এখান থেকে।

    ঝিরি বলল, “তা হলে সেটাই আনার ব্যবস্থা করুন তাড়াতাড়ি। আমি পজেশন নিতে চাই দ্রুত। তার আগে বাড়িটা ঠিকঠাকও তো করাতে হবে।”

    “নিশ্চয়ই সার। আপনি একদম চিন্তা করবেন না এই নিয়ে। সেই লোকও আছে আমার কাছে। ময়দানবের মতো লোক। যা বানিয়ে দেবে না! একদম ইন্দ্রপুরী!” কানু আবারও হাসল। তার পর একটু সিরিয়াস হয়ে বলল, “আমি আবার রাতে কথা বলব। ফোটোকপিটা কুরিয়ার করে দিতে বলব দ্রুত। আজকাল তো ই-মেলও হয়েছে। সেখানেও পাঠাতে পারে। আপনার ই-মেল থাকলে দেবেন। আমি সেই ভাবে বলে দেব। মোদ্দা কথা হল, আপনি একদম চিন্তা করবেন না। ঠিক পেয়ে যাবেন।”

    ঝিরি মাথা নাড়ল।

    কানু জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি আর একবার ভেতরটা দেখবেন? এখানে কাছেই মালো পাড়ায় বোসবাবুদের একজন পরিচিত থাকেন। তাঁর কাছেই চাবি থাকে। তাই… মানে চাবিটা নিয়েছি তো, আবার দিয়ে দিতে হবে। বার বার তো চাওয়া যাবে না! কারণ, নানা লোক দেখতে আসছে। তাই বলছিলাম আর কী…”

    “আমি এক লাখ যদি দিয়ে রাখি আপাতত?” ঝিরি জিজ্ঞেস করল। “এক লাখ?” কানু মাথা নাড়ল, “বুঝেছি। মানে বুকিং আর কী। সার্চিং ক্লিয়ার হয়ে গেলেই বাকিটা, তাই তো সার?” ঝিরি হ্যাঁ বলল।

    “কোনও অসুবিধে নেই। আমি সেটাও বলে নেব। তা হলে এখন কি আর একবার দেখবেন?”

    “না,” মাথা নাড়ল ঝিরি। বার বার কী দেখবে! যা দেখার ও দেখে নিয়েছে।

    “তা হলে এখন যাওয়া যাক। আর ইয়ে, আমার…” কানু আবার আলো-বাতাস খেলানো হাসিটা দিল।

    ঝিরি পকেট থেকে পাঁচশো টাকার একটা নোট বের করে ধরাল ওর হাতে। কানু টাকাটা নিয়ে পকেটে ঢোকাল।

    মেন গেটের তালা বন্ধ করে কানু বলল, “তা হলে স্যর আমি আসি?” “জানাবেন কিন্তু,” ঝিরি বলল, “আমি মধ্যমগ্রামের দিকেও একটা বাড়ি দেখেছি। যারা আগে জানাবে, তাদেরটা টাকা দিয়ে বুক করে নেব।”

    “না না, আরে!” কানু একটু ঘাবড়ে গেল, “মধ্যমগ্রামে নদী কই! খালি গাড়ি-ঘোড়া। ঘিঞ্জি জায়গা! হাইপার টেনশন হয়ে যাবে আপনার। হার্টের প্রবলেমও হবে। বাড়ির দামের চেয়ে জীবনের দাম অনেক বেশি, তাই না স্যর! আপনি এখানেই থাকুন। আমি পাণ্ডুয়ায় ফোন করে ই-মেলে দলিল আনিয়ে নিচ্ছি। কুরিয়ার বাতিল। আপনি একদম চাপ নেবেন না। ই-মেল – এর ঠিকানাটা শুধু… হে হে।”

    কানু এত কথা বলে! নিজের ই-মেল আইডি লোকটাকে দিল ঝিরি। লোকটা আবার বড় করে হাসল। তার পর চলে গেল।

    লোকটা চলে যেতে চারিদিকটা খুব শান্ত লাগছে ঝিরির। মফস্সল শহর এমনিতেই ফাঁকা। আর এ দিকটা তো আরও বেশি নির্জন। সার্চিংয়ে সব ঠিকঠাক থাকলেই হয় এখন।

    ঝিরি দেখল রাস্তা দিয়ে স্কুলের মেয়েরা বাড়ি ফিরছে। মানে, ছুটি হয়ে গিয়েছে স্কুল। তবে তো রিপারও ছুটি হয়েছে। স্কুলের সামনের একটা স্ট্যান্ড থেকে ডিজেল অটো ছাড়ে। তাতে করেই রিপা যাতায়াত করে। রিপা কি চলে গিয়েছে?

    নিজের অজান্তেই ঝিরির হাঁটার গতিবেগ বাড়ল। এ সব কী হচ্ছে! কেন হচ্ছে! নিজেকে দেখে অবাক লাগছে ঝিরির। এ কোন ঝিরি!

    ওই স্কুল দেখা যাচ্ছে। আর তার একটু দূরেই ডিজেল অটোর স্ট্যান্ড। বাস স্টপও রয়েছে। তবে সেটা আর-একটু দূরে। ঝিরির পকেটে ফোনটা গোঁ গোঁ করে ডেকে উঠল এবার। আঃ, জ্বালাতন! লোকের কি এখনই সব কাজের কথা মনে পড়ে!

    অচেনা নাম্বার। ঝিরি ফোনটা ধরল, “বলছি।”

    “আমি,” ও দিক থেকে একটা গলা এল।

    “আরে সানুদা! এই নাম্বার থেকে?” ঝিরি অবাক হল।

    “এটা কাল নিয়েছি। আসল নাম্বার সব ট্যাপ হচ্ছে মনে হয়। জানিসই তো সারাক্ষণই আমাদের ওপর নজর রাখা হয়। তুই ডেটা অন রাখবি। তা হলে নেটে কল করতে পারব। ওতে ট্যাপের চান্স কম,” সানুদা যেন সামান্য বিরক্ত।

    “বলো,” ঝিরি সরাসরি মূল কথায় আসতে চাইল।

    “বলবি তো তুই!” সানুদার গলায় বিরক্তিটা আরও প্রকট হল, “একটা সেটিং করতে এত টাইম লাগছে কেন? এ দিকে মাইরি ভাইরাস তো ছড়াচ্ছে! এ দেশে মহামারি শুরু হয়ে গেলে কী যে হবে! সবার পেছনে যাবে। তুই কী করছিস ঝিরি?”

    ঝিরি বলল, “সহজ কাজ নয় সানুদা। ডাইরেক্ট গিয়ে দেখলে তো কী হল! ইনডাইরেক্টলি করতে হবে। প্রেশার পয়েন্টে হাত দিয়ে। তুমি ভেবো না একদম।”

    “জানিস তো, অসুখকে যত বেশি ছেড়ে রাখবি সে তত শক্তি গ্যাদার করবে। আর এ ভাবে বাইরে থেকে ইনডাইরেক্টলি কি কাজ হবে আদৌ? দেখ, টাকা খরচ করতে আমার আপত্তি নেই। তোকেও আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু টাকা যেন নষ্ট না হয়। তুই না পারলে এখনও বল। আমি অন্য ব্যবস্থা করব,” সানুদা সোজাসুজি বলল।

    “হয়ে যাবে,” ঝিরি শাস্ত গলায় বলল, “গাছ লাগানো হয়ে গিয়েছে। কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তুমি শুধু লোক রেডি রেখো। যখন নোটিস আসবে, তখন যেন কাজে লাগানো যায় সেটা দেখো।” সানুদা বলল, “ঠিক আছে। তবে জলদি কর।”

    ফোনটা কেটে দীর্ঘশ্বাস ফেলল ঝিরি। সানুদার সবেতে তাড়া! এ সব লোকের সঙ্গে কাজ করতে হয় ওকে। বিন্দি তো কাজ করছে। এক লাখ দিয়ে এসেছে ও। বাকিটা ওই মাধুকে দিতে হবে। সেটাও মেয়েটা পরের দিন ফোন করে বলেছে।

    মেয়েটা লালুকে অনেকটা তৈরি করে এনেছে। এমনকি, ওর দেওয়া টাকাটাও লালুকে দেখিয়ে উস্কেছে। লালু এখন অ্যাক্টিভ হলেই হয়। বাইরে থেকে বীরেন্দ্রকে কিছু করা যাবে না। তাড়াহুড়ো করে সুন্দররা করতে গিয়েছিল। তাতে বীরেন্দ্র নিজের সিকিওরিটি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন ব্রুট ফোর্স দিয়ে বাইরে থেকে ওই নিরাপত্তার চাদর ভেদ করে মারা যাবে না কিছুতেই। তা হলে এমন শুট আউট হবে যে, চারিদিকে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। আর বীরেন্দ্র যে তাতে মারা পড়বে তারও গ্যারান্টি নেই। প্রথমবার হামলার পর বীরেন্দ্র নিজের সিকিওরিটি বাড়ালেও প্রতিশোধমূলক কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। কারণ, স্তর ছাড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে যেতে চায় ও। তাই চায় না কোনও ঝামেলায় জড়াতে। চায় না নতুন করে কোনও দাগ লাগুক ওর কেরিয়ারে। কিন্তু দ্বিতীয়বারও যদি মিস হয়, তা হলে কিন্তু বীরেন্দ্র ছেড়ে কথা বলবে না। তাই মাথা খাটিয়ে আটঘাট বেঁধে কাজ করতে হবে। সাদা একটা গোঁয়ার। কিছু ভাবে না।

    আর শুধু তাই নয়, এর মধ্যে সানুদা একদিন বলেছিল স্নাইপার আনাবে। এটা কি সিনেমা! স্নাইপার! পাগল নাকি! আসলে সানুদাদের সবটাই এক্ষুনি চাই। সব চাই। ঝিরি জানে, এরা বিষধর সাপের চেয়েও বিষাক্ত লোক। সমাজের মাথা হয়ে বসে এরা সমাজকেই শেষ করে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষকে এরা চায়ের ভাঁড়ের মতো দেখে। ব্যবহার করে ফেলে দেয়।

    এদের হয়ে কাজ করতে হয় ওকে। তাও আইনের বাইরের কাজ । রোজগারের জন্য মানুষকে কত কী যে করতে হয়! ঝিরি জানে অঞ্জনার কাজ আর ওর কাজের মধ্যে তেমন কোনও পার্থক্য নেই।

    অঞ্জনার কথা মনে আসতেই ঝিরির মনে হল, ওকে একটা ফোন করতে হবে। এত সুন্দর সকালটা কেমন যেন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ঝিরি ভাবল আর দু’-একটা বছর চোখ-কান বুজে কাজ করে আরও কিছু টাকা জমিয়ে, তার পর এ সব ছেড়ে দেবে। তখন ও নার্সারির ব্যবসা করবে। গাছ আর ফুলের ব্যবসা। তাতে যেটুকু যা হওয়ার হবে।

    “এ কী! মেয়েদের স্কুলের সামনে তুমি ঘুরঘুর করছ কেন? বুড়ো বয়সে এ কী রকম ভীমরতি!”

    কথাটা শুনে মুখ ঘুরিয়ে ঝিরি দেখল, সামনেই রিপা দাঁড়িয়ে আছে। মুখ-চোখ বিরক্তিতে কুঁচকে আছে।

    ঝিরি হাসল। বলল, “এই এসেছিলাম কাছের একটা বাড়ি দেখতে।” “বাড়ি? কেন? আমাদের বাড়ি আর ভাল লাগছে না? নতুন জায়গায় উঠে যাবে?” রিপা এখনও ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে রয়েছে।

    “আসলে একটা বাড়ি কিনব। স্কুলের কাছেই। হেঁটে একটুখানি। তাই দেখতে এসেছিলাম,” ঝিরি বলল।

    “ও!” রিপা থমকে গেল একটু। তার পর বলল, “বুঝলাম। তা ভালই। অন্যের বাড়িতে পড়ে থাকবেই-বা কেন! আমিও তো চলে যাব কিছু দিন পরে।”

    ঝিরি নিজেকে আটকাতে চাইলেও পারল না। জিজ্ঞেস করে ফেলল, “কোথায়?”

    “কেন, মা বলেনি এখনও?” রিপা অবাক হল সামান্য ।

    “না, কাকিমার সঙ্গে দু’দিন কথা হয়নি,” ঝিরি বলল, “একটু ব্যস্ত ছিলাম তো!”

    “আমার বিয়ে হয়ে যাবে। সে দিন বললাম না?”

    “স্পষ্ট করে তো কিছু… মানে….” ঝিরি কী বলবে বুঝতে পারল না। বিয়ে হয়ে যাবে রিপার! তাই! সে দিন কথার মধ্যে একটা হিন্ট ছিল বটে, কিন্তু স্পষ্ট ছিল না। আচমকা কেমন একটা তেতো স্বাদ লাগল যেন মুখে ।

    বুকের মধ্যে মনে হল বিশাল একটা দ্বীপখণ্ড তলিয়ে গেল সমুদ্রে! এই যে বাসন্তী রঙের রোদ দেখে এতক্ষণ মন ভাল হচ্ছিল, সেটাই কেমন যেন জন্ডিস রোগীর চোখের মতো লাগছে! হাওয়ায় কেমন যেন মনখারাপের রেণু মিশে যাচ্ছে কোনও গোপন নরকের ফুল থেকে বেরিয়ে। রিপা বলল, “একটি পাত্র দেখে গিয়েছে আমায়। নাম রাধানাথ । জেনেওছে আমার শ্বাসের কষ্ট আছে। মানে, আমিই বলেছি আর কী, যেমন বলি। তাতে ওর আপত্তি নেই। ছেলেটা ভাল। একটা নামী গাড়ি কোম্পানির সার্ভিস সেন্টারের ম্যানেজার। বাড়িতে বাবা-মা আর এক বোন আছে। বোন ভাল গান গায়। আমায় মেসেজে বোনের গান পাঠিয়েছে। মেয়েটা রেডিয়োতে গায় মাঝে মাঝে। এর মধ্যে রাধানাথ দু’দিন দেখা করেছে আমার সঙ্গে। স্টেশনের কাছে একটা হোটেল আছে না ‘ফুড ফ্যাক্টরি’? সেখানে। শুধু একটাই প্রবলেম, বিয়ের পরে একটু দূরে যেতে হবে আমায়। মানে শ্বশুরবাড়ি এখান থেকে একটু দূরে। স্কুলে আসতে বেশ টাইম লেগে যাবে।”

    চোয়াল শক্ত করে ঝিরি তাকিয়ে রইল রিপার দিকে। বুকের মধ্যে কী যে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে ওর! রাধানাথ! দু’দিন দেখা করাও হয়েছে। বোনের গান পাঠিয়েছে মেসেজে। মানে, মেসেজে ভালই কথাবার্তা হয়। ঝিরির সারা শরীরে কষ্ট হচ্ছে আচমকা। মনে হচ্ছে একশো শ্রমিক কোদাল দিয়ে বুকের ভেতরে ঝুপঝুপ করে মাটি কুপিয়ে চলেছে। কী তৈরি করছে ওরা? সহ্যের বাঁধ? নাকি হিংসের নদী? সত্যি, হিংসের মতো ক্ষতিকারক ফিলিং আর কিছু হয় না। এর চেয়ে খারাপ আগুন মানুষের জন্য কিছু নেই। চিরকাল এই একটা জিনিসের থেকেই বাঁচতে চেয়েছে ঝিরি আর দ্যাখো এমন কপাল যে, আজ সেটাতেই পুড়ে যাচ্ছে ও।

    ঝিরি নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করল। কিন্তু আবার সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কের মতো মনে হল, এর মধ্যে দু’দিন দেখা করেছে। ফুড ফ্যাক্টরি-তে গিয়েছে। আর কোথায় গিয়েছে? কী কী করেছে? হাত ধরেছে? আর? আর কিছু করেনি ?

    ঝিরির মাথার মধ্যে যেন গোটা পৃথিবীর সমস্ত স্টিলের বাসন এক সঙ্গে ঝনঝন করে পড়ল! ওর মনে হল এক্ষুনি ওই সব ফ্যাক্টরি না কী ছাই, সে সব তুলে দেয় গিয়ে। বাইরের খাবারের বিরুদ্ধে একটা বড়সড় ক্যাম্পেন করার জন্য মনটা আকুল হয়ে উঠল।

    ওকে চুপ করে থাকতে দেখে রিপা বলল, “ভালই হল। সামনের বৈশাখে বা শ্রাবণে ওরা দিন দেখছে। বাবা-মায়ের কষ্ট ছিল এত দিন। আর থাকবে না।”

    ঝিরি নিজেকে সামলাল অনেক কষ্টে। নিজেকে এ ভাবে বয়ে দিয়ে যেতে পারে না ও। এতগুলো বছর কাউকে ছাড়াই তো কাটিয়েছে। বাকিটাও না-হয় কাটিয়ে দেবে। মনের মধ্যেকার একা কুম্ভকে ও জোরে ঠেলা দিল। বলল, ‘লড়াই কর। লড়াই ছাড়বি না বলে দিলাম!’ তার পর সংযত গলায় বলল, “ ভালই তো। প্রতুলবাবুর চিন্তা কমবে!”

    “যাক গে। তা কোন বাড়িটা কিনবে?” রিপা জিজ্ঞেস করল।

    ঝিরির মধ্যে হঠাৎ কেমন একটা গা-ছাড়া ভাব এল যেন। কী হবে আর এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলে! আর সত্যি বলতে বাড়ি কিনেই-বা কী হবে! অত বড় জায়গা-সহ বড় একটা দোতলা বাড়ি কিনে কী করবে ও? একা ভূতের মতো বসে থাকবে? আর-একটা স্বার্থপর দৈত্যের বাগান তৈরি করবে?

    ঝিরির গলা দিয়ে যেন আওয়াজ বেরোচ্ছে না। তা-ও ও জোর করেই বলল, “ওই বসু ভিলা!”

    “ওরে বাবা! সে তো বিশাল বাড়ি!” রিপা অবাক হয়ে তাকাল, “অনেক টাকার ব্যাপার! আচ্ছা, কী করো তুমি? স্মাগলিং নাকি ? বাড়িতেই তো অনেকটা সময় শুয়ে-বসে থাকো। এত টাকা পাবে কোথা থেকে?”

    “কী করবে জেনে?” ঝিরি এবার সামান্য কঠিন গলায় বলল, “আমি আসি। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।”

    “যাবে? আমি ভাবলাম …”

    রিপা তাকাল ওর দিকে। “কী ভাবলে ?”

    রিপা বলল, “না, আমি একটু টিচার্স রুম থেকে ব্যাগটা নিয়ে আসতাম। তার পর এক সঙ্গে যেতাম।”

    ঝিরি জোর করে হাসল সামান্য। জিভ দিয়ে ঠোঁটটা চাটল একবার। তার পর বলল, “সেটা ঠিক হবে না। মাখনপুর ছোট জায়গা। লোকের মনটাও অত প্রসারিত নয়। সামনে বিয়ে তোমার। সেখানে আমার সঙ্গে যাওয়াটা ভাল দেখাবে না। আমি আসি।”

    ঝিরি আর অপেক্ষা না করে অটো স্ট্যান্ডের দিকে হাঁটা দিল। ও না-তাকিয়েও বুঝতে পারল, রিপা অবাক হয়ে ওর দিকেই তাকিয়ে আছে।

    মনের মধ্যে একটা জ্বালা করছে। নাঃ, এটাকে বাড়তে দেওয়া ঠিক হবে না। জগন্নাথমামা সেই যে বলত, “কিছু তোর নয় রে ঝিরি। কিচ্ছু তোর নয়।” সেই কথাটাই বার বার মনে পড়তে লাগল ওর। কিন্তু তাতে খুব কিছু সফল হল না। বুকের মধ্যেকার সেই হিংসা-বিষের নদী যেন সময়ের সঙ্গে আরও স্রোতস্বিনী হয়ে উঠছে। এত জোর কী করে বাড়ছে এর। পৃথিবীতে কার চক্রান্তে যে এ সব হয়! যে করেই হোক এর থেকে মন ঘোরাতে হবে ওকে। বাড়িতে থাকলে আরও মাথাখারাপ লাগবে। কলকাতায় ব্যাঙ্কের কাজ আছে কিছু। এখন গেলেও করা যাবে সে সব। নিজেকে এনগেজেড রাখতে হবে।

    কিন্তু তার আগে সেই ফোনটা করা দরকার। সানুদার কাজটাতে চাপ বাড়ানোর সময় এসেছে। আর তাতে নিজের মনটাও কিছুটা ব্যস্ত থাকবে।

    মোবাইল বের করে কলটা করল ঝিরি। চারবার রিং হওয়ার পরে ফোন ধরল লালু।

    ঝিরি বলল, “কী ভাবলে? আর বেশি দিন সময় দিতে পারব না কিন্তু! ছুটির শরীর কেমন আছে?”

    “ছুটি!” লালুর গলায় ভয়!

    ঝিরি বলল, “তোমার বাবার মামার বাড়িও গিয়েছিলাম। সবটাই জানি লালু। কিন্তু তুমি জানো না। তাই বলছি কাজটার কী হল!”

    লালু কাঁপা গলায় বলল, “আর-একটু সময়… প্লিজ… আমি তো সরাসরি পারব না। কিন্তু একজন… মানে আর একটু সময়…

    ঝিরি কড়া গলায় বলল, “চুটির কথা মনে রেখো। ওকে বাঁচাতে চাও? নাকি ওর মৃত্যুটা দেখবে?”

    ফোনটা কেটে চোয়াল শক্ত করল ঝিরি। মনের মধ্যে অস্বস্তি আর কষ্টটা বাড়ছে। এটাকে কাটাতে হবে। যে করেই হোক !

    ও সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অটোর পেছনে উঠে বসল। শুনল, ড্রাইভার ছেলেটা জোরে জোরে বলছে, “বালিমোড়, চাঁপাকল, পাম্প হাউস, টকি সিনেমা, ফুড ফ্যাক্টরি…

    “ফুড ফ্যাক্টরি!” ঝিরি চোয়াল শক্ত করল। সামান্য একটা নাম যে এমন গুলির মতো এসে বুকে লাগতে পারে, ও ভাবতে পারেনি কোনও দিন।

    ও চোয়াল শক্ত করে শুনল ছেলেটা বলেই যাচ্ছে, “বালিমোড়, চাঁপাকল, পাম্প হাউস, টকি সিনেমা, ফুড ফ্যাক্টরি…

    ধুস শালা! যাবেই না অটো করে।

    অটো থেকে নেমে হাঁটা দিল ঝিরি। আর তখনই দেখল, ওকে একদম উপেক্ষা করে ওই অটোতেই গিয়ে বসল রিপা। তার পর ড্রাইভারকে বলল, “এই ভাই, ফুড ফ্যাক্টরি যাবে তো? জলদি করো, আমার তাড়া আছে।”

    ঝিরি কী করবে বুঝতে পারল না। দেখল, কথাটা বলেই ওর দিকে তাকাল রিপা। তার পর হাতের সানগ্লাসটা পরে মুখ ঘুরিয়ে নিল।

    ঝিরি ভাবল, সত্যি জগন্নাথমামাই ঠিক বলত। একা থাকাটা জরুরি। বন্ধনহীন হওয়াটা জরুরি। মোহমুক্তির কথা কি এমনি বলা আছে ধর্মের বই-টইতে! এই মোহ-র আইডিয়াটা যে প্রথম দিয়েছিল, সে-ও শিয়োর কাউকে ভালবেসেছিল। সত্যি, খারাপ অভিজ্ঞতাই কিন্তু মানুষকে শেখায়। কোনও কিছুর ওপর মায়া বাড়িয়ে দুর্বলতা তৈরি করেছ কী মরেছ! ইস মামা বেঁচে থাকলে কী যে ভাল হত! কে যে মামাকে হঠাৎ খুন করে দিল! তাকে এখন একবার পেলে না মজা দেখিয়ে দিত ঝিরি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)
    Next Article কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }