Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প698 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক. জগন্নাথ (বড় দিনের ঠিক এক দিন আগে)

    আজকাল মাঝে মাঝেই প্রচণ্ড কাশি হয়, তবু বিড়িটা কিছুতেই ছাড়তে , পারছে না জগন্নাথ। মিনিট দশেক না খেলেই মনে হয় বুকের মধ্যে যেন একটা কারখানা আস্তে আস্তে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছে! মাথার মধ্যে অদ্ভুত একটা ভোঁতা শব্দ শুরু হয়। শিরায় শিরায় রক্তকণিকা সব ঝিমিয়ে পড়ে। চোখের সামনে কেমন যেন ছোট ছোট পোকার মতো কী সব নড়ে। সারা পৃথিবী টলমল করে। তাই বাধ্য হয়েই তখন আবার বুক-পকেটে হাত দিয়ে বিড়ির বান্ডিলটা বের করতে হয়। প্রায় তেতাল্লিশ বছর বয়স হল জগন্নাথের। বিয়ে-শাদি করেনি ।

    দাদার সংসারে থাকে। কাছের একটা উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে পড়ায়। মানে, ঠিক পড়ায় না, লাইব্রেরিয়ান। তবে সেটা নামকাওয়াস্তেই। স্কুলে-টুলে যায়-টায় না বিশেষ। পার্টির কাজ করতে হয়, ফুরসত কই! আর স্কুলেও কেউ এই নিয়ে কিছু বলে না। জগন্নাথ ঘোষকে কিছু বলবে সেই হিম্মত ক’জনের আছে এই মুড়াপোঁতায়!

    জগন্নাথের দাদা, মানে হারু ঘোষের চারটে বিশাল চালকল আছে। সঙ্গে জমিজমাও কম নেই। তার ওপর আজকাল আরও কী সব নতুন ব্যবসা খোলার তাল করছে নাকি! টাকার তো অভাব নেই কোনও! এখানকার বাড়িটাও বিশাল বড়। মানে, দূর থেকে দেখলে রাজপ্রাসাদ বলেই মনে হয় ৷

    সেখানে জগন্নাথ, পুঁজির এই ধরনের এক হাতে একত্রিত হওয়ার বিরুদ্ধে কথা বলে। তার থেকে উদ্ভুত ক্ষমতার যে বিষ, তার বিরুদ্ধে কথা বলে। ক্যাপিটালিজমের বাড়বাড়ন্তের বিরুদ্ধে কথা বলে। দাদার চালকলের শ্রমিকদের হয়ে দাদার কাছেই দরবার করে।

    হারু এতে রেগে যায় খুব। কিন্তু লীলার জন্য কিছু বলতে পারে না। লীলা হল জগন্নাথের বৌদি। হারু ঘোষের স্ত্রী। হারু জগন্নাথকে যতই উচিত শিক্ষা দিতে চাক না কেন, লীলা ঠিক আটকে দেয় হারুকে ।

    হারু রেগে বলে, “তোমার জন্য জগাটার এত বাড় বেড়েছে। ওকে এতটা লাই দিয়ো না। ও একদিন আমাকে সর্বস্বান্ত করে ছাড়বে বলে দিচ্ছি!” জগন্নাথ জানে লীলা ওকে আগলাবেই। কারণ, লীলার সঙ্গে সামাজিক ভাবে ওর দেওর-বৌদি সম্পর্ক হলে কী হবে, আসলে তলায় তলায় ওদের সম্পর্কটা অনেক আদিম! এই যে লীলার দুই সন্তান, তারা কার? হারু ঘোষের নাকি?

    হারু প্রায়ই বর্ধমান, বাঁকুড়া ইত্যাদি জায়গায় যায় সেখানকার চালকলগুলোর তদারকি করতে। লীলার রাতগুলো তখন কাটে জগন্নাথের সঙ্গেই ।

    সেখানে জগন্নাথ, পুঁজির এই ধরনের এক হাতে একত্রিত হওয়ার বিরুদ্ধে কথা বলে। তার থেকে উদ্ভুত ক্ষমতার যে বিষ, তার বিরুদ্ধে কথা বলে। ক্যাপিটালিজ়মের বাড়বাড়ন্তের বিরুদ্ধে কথা বলে। দাদার চালকলের শ্রমিকদের হয়ে দাদার কাছেই দরবার করে।

    হারু এতে রেগে যায় খুব। কিন্তু লীলার জন্য কিছু বলতে পারে না। লীলা হল জগন্নাথের বৌদি। হারু ঘোষের স্ত্রী। হারু জগন্নাথকে যতই উচিত শিক্ষা দিতে চাক না কেন, লীলা ঠিক আটকে দেয় হারুকে ।

    হারু রেগে বলে, “তোমার জন্য জগাটার এত বাড় বেড়েছে। ওকে এতটা লাই দিয়ো না। ও একদিন আমাকে সর্বস্বান্ত করে ছাড়বে বলে দিচ্ছি!” জগন্নাথ জানে লীলা ওকে আগলাবেই। কারণ, লীলার সঙ্গে সামাজিক ভাবে ওর দেওর-বৌদি সম্পর্ক হলে কী হবে, আসলে তলায় তলায় ওদের সম্পর্কটা অনেক আদিম! এই যে লীলার দুই সন্তান, তারা কার? হারু ঘোষের নাকি?

    হারু প্রায়ই বর্ধমান, বাঁকুড়া ইত্যাদি জায়গায় যায় সেখানকার চালক- লগুলোর তদারকি করতে। লীলার রাতগুলো তখন কাটে জগন্নাথের সঙ্গেই ।

    লীলা বলে, “তোমার দাদার টাকা ছাড়া কিছু নেই। কিচ্ছু না। ব্যাটাছেলে নাকি ও? ওর দ্বারা কোনও কাজ হয় না। কেন বিয়ে করেছিল আমায়! আমার ওপর উঠে একটু নড়াচড়া করেই সব শেষ হয়ে যায় ওর! আমার ওতে হয় নাকি!”

    লীলার যে ওতে হয় না সেটা জানে জগন্নাথ। মানে যাকে বলে হাড়ে হাড়ে জানে। বিড়ি খেয়ে দম কমে গিয়েছে জগন্নাথের। তাই আজকাল রীতিমতো কষ্ট হয় লীলাকে সামলাতে। লীলা আঁচড়ে- কামড়ে শেষ করে দেয় ওকে। সেই সব মুহূর্তে আহত বাঘিনির মতো হয়ে যায় লীলা!

    আদরের সময় লীলা উত্তেজিত হয়ে বলে, “আমাকে বাঁধো, আমাকে বেঁধে করো। কামড়ে দাগ করে দাও… জোরে কামড়াও… মাগো… এবার এইখানে… হ্যাঁ, এ ভাবে…”

    জগন্নাথের ইদানীং কষ্ট হলেও সে সব সামলে আদর-টাদর ভালই পারে এখনও । লীলার মনমতো আদর করতে পারে। তাই লীলা সময় পেলেই এসে জগন্নাথের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর শরীরের বৃত্তি শেষ হয়ে গেলে বলে, “অন্য কোনও রাক্ষসীর কাছে যদি যাও, তা হলে দেখো কী করি?”

    হাঁপিয়ে, ঘেমে, চিত হয়ে শুয়ে জগন্নাথ হাসে। প্রাণপণে শ্বাসবায়ু শুষে নিতে নিতে জিজ্ঞেস করে, “কেন, কী করবে?”

    লীলা হিসহিসে গলায় বলে, “জগন্নাথ ঘোষ খুন হয়ে যাবে আমার হাতে।”

    “তাই?” জগন্নাথ আরও হাসে।

    লীলা চিত হয়ে শুয়ে থাকা জগন্নাথের ওপর ওঠে আবার। এলো চুল বুকের ওপর থেকে পেছনে সরিয়ে সাপের মতো ফোঁস ফোঁস করে শ্বাস ছাড়ে। তার পর জগন্নাথকে নিজের মধ্যে গেঁথে নিয়ে বলে, “আসুক কোনও রাক্ষসী, দেখবে!”

    জগন্নাথ বুক পকেট থেকে বিড়ির প্যাকেটটা বের করল। তার পর চোয়াল শক্ত করল। ভাবল, লীলা জানে না যে, ওর রাক্ষসী এসে গিয়েছে। জানে না সেই জন্য আজকাল লীলাকে আদর করতে এত পরিশ্রান্ত লাগে, বিরক্ত লাগে ওর!

    বেশ কয়েক বছর হল রতি নামে একটি মেয়ে পার্টিতে যোগ দিয়েছে। তবে আগে অন্য অঞ্চলে কাজ করত।

    কয়েক মাস আগে মুড়াপোঁতার প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পেয়েছে রতি, তাই এখন এখানেই থাকে। ফলে এখানে পার্টির কাজে পাওয়া যাবে বলে ওকে কিছু বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পার্টির তরফ থেকে।

    রতির বয়স তিরিশ। মালোপাড়ায় একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বিয়ে করেনি বলে একাই থাকে সেখানে। একজন কাজের দিদি আসে দু’বেলা কাজকর্ম করে দেওয়ার জন্য।

    পার্টির সকলের সঙ্গে আলাপ হওয়ার ক’দিন পরে জগন্নাথ খেয়াল করেছিল যে, রতি যেন ওর দিকে একটু বেশিই তাকিয়ে থাকে। ওর কথায় যেন একটু বেশিই হাসে। এমনকি, সকলের আড়ালে ওর জন্য রান্নাও করে নিয়ে আসে।

    বাচ্চু, জগন্নাথের খুব ঘনিষ্ঠ। তাই হয়তো সকলের চোখের আড়ালে এ সব হলেও বাচ্চুর চোখে ঠিকই পড়েছিল ব্যাপারটা।

    তাই বাচ্চু মাঝে মাঝেই একা থাকলে গলা নামিয়ে গোপন কথা বলার মতো করে বলেছে, “জগাদা,

    মেয়েটা তোমায় হেভি সিগনাল দিচ্ছে। তুমি লাইন ক্লিয়ার করে দাও একবার, তার পর দেখো মজা!”

    জগন্নাথ পাত্তা দেয়নি। উত্তরে বলেছে, “তোর খালি বাজে কথা।”

    বাচ্চু হেসে বলেছে, “মধ্য চল্লিশ চলছে তোমার। এবার চোখের নিমেষে ষাট-পঁয়ষট্টি হয়ে যাবে। আর কতদিন এমন সন্ন্যাসীর মতো কাটাবে? মেয়েটা বয়সে অনেকটা ছোট তোমার চেয়ে। কিন্তু আজকাল এ সব কেউ দেখে না। তুমি এবার কিছু একটা করো।

    পার্টি তোমায় বুড়ো বয়সে দেখবে না। সব শুষে নিয়ে ছিবড়ে করে সাইড করে দেবে। তাই বলছি নিজেরটা নিজে দ্যাখো। এমন মেয়ে রোজ আসে না। লেগে পড়ো সময় থাকতে।”

    বাচ্চু শুধু জগন্নাথের ঘনিষ্ঠই নয়, ওদের পার্টিও করে। সভা-সমিতিতে জগন্নাথের সঙ্গে যায়। ওর টুকটাক ফাইফরমায়েশ খেটে দেয়!

    বাচ্চুর সেই কথাটা তখন পাত্তা দেয়নি জগন্নাথ। কিন্তু ক্রমশ যেন বুঝতে পারছিল, ওর মনও টাল খাচ্ছে। কোনও কারণ ছাড়াই রতির শ্যামলা মুখটা মনে পড়ছে। হাসির সময় বেরিয়ে পড়া সেই পড়া সেই গজদাঁতটা মনে পড়ছে। খুব সাধারণ দেখতে মেয়েটা হাসলেই কেন যে ওরকম শরৎকালের নদীর পারের মতো সুন্দর হয়ে ওঠে! এই বয়সে এসেও এমন একটা মেয়ে ওকে মনোযোগ দিচ্ছে! তা হলে কি ওর মধ্যেকার খেলা শেষ হয়ে যায়নি এখনও! তা হলে কি এখনও প্রেম হতে পারে ওর! কী ভাবে যেন হারিয়ে যাওয়া এক কিশোর বুকের মধ্যে জেগে উঠেছে জগন্নাথের।

    রতি ওর কাছাকাছি থাকার সময়, জগন্নাথের সারাক্ষণ কেমন যেন একটা অস্বস্তি হত। রতির গা থেকে ভেসে আসা সামান্য পাউডারের গন্ধও অবশ করে দিত ওর মাথা। সবার মধ্যে বসেও ও শক্ত হয়ে উঠত। কাঁধের ব্যাগটা টেবিল থেকে তুলে নিয়ে কোলের ওপর রাখতে হত ওকে।

    এ ভাবেই চলছিল দিন। কিন্তু তার পর একদিন রাতে একটা কাণ্ড হয়েছিল।

    দরজা বন্ধ করে বিছানায় এসে শুয়েছিল জগন্নাথ। শরীরের অস্বস্তি হচ্ছিল খুব। কিছুতেই ঘুম আসছিল না। কেবলই রতির মুখটা মনে আসছিল।

    ওর দিকে রতির সেই অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা মনে আসছিল। গরম লাগছিল জগন্নাথের।

    কব্জি উল্টে ঘড়ি দেখল জগন্নাথ। বাচ্চুটা যে কোথায় থাকে! কাজের সময় মাঝে মাঝেই হাওয়া হয়ে যায়! চা খেয়ে আসতে এত সময় লাগে কারও? এদিকে যেখানে যাওয়ার, সেখানে যে যেতে দেরি হয়ে যাচ্ছে, সেই বিষয়ে হুঁশ নেই!

    জগন্নাথ বিড়ি থেকে মন ঘোরানোর জন্য টেবিলে রাখা ব্যাগটা টেনে কাছে নিয়ে, তার মধ্য থেকে ম্যাগাজ়িন বের করল একটা। পুনু বলে একটা ছেলে এসেছিল কয়েক দিন আগে। ওরা ম্যাগাজ়িন বের করে। লিটল ম্যাগাজ়িন। তার একটা কপি দিয়ে গিয়েছে ওকে।

    এ সব বুর্জোয়া গল্প, কবিতা পড়ে না জগন্নাথ। কিন্তু পুনুকে কিছু বলে না এই নিয়ে। ছেলেটা করে কী, ওদের ম্যাগাজ়িনের কোনও নতুন সংখ্যা বেরোলেই নিয়ে আসে জগন্নাথের কাছে। মুখে কেমন একটা আনমনা ভাব। উস্কোখুস্কো চুল-দাড়ি নিয়ে পাজামা-পাঞ্জাবি পরে ঘুরে বেড়ায় পুনু। কাঁধে একটা ঝোলা। দেখে হাসি পায় জগন্নাথের। এটা হল ইন্টেলেকচুয়াল বাঙালিদের পোশাক। ভেক না ধরলে ভিখ জোটে না বলেই বোধহয় এরা এরকম পোশাক পরে!

    তাও পুনুকে পছন্দ করে জগন্নাথ । সাদাসিধে ছেলে। ধান্দাবাজ নয় ৷ নিজে লেখালিখি করলেও কলকাতায় গিয়ে নামী কবি-সাহিত্যিকদের তেল মেরে লেখা ছাপাতে চায় না। নিজের মতো লেখে, কাগজ করে। তাতে যেটুকু যা হয়, তাই নিয়েই পুনু খুশি থাকে। বলে, “জগন্নাথদা, ‘আমি’-টা আমার কাছে একদম ইমপর্ট্যান্ট নয়। আমরা সবাই নিজের মতো করে যে বাংলা ভাষা নিয়ে কাজ করছি সেটাই আসল ।’

    জগন্নাথ হাসে। কিছু বলে না। তবে বিনে পয়সায় ম্যাগাজ়িন নেয় না । কিনে নেয়। মোটা পত্রিকা। দাম করেছে কুড়ি টাকা। পুনু লজ্জা লজ্জা মুখে টাকাটা নেয়।

    এখন সেই ম্যাগাজিনটা খুলল জগন্নাথ। মনটাকে ঘুরিয়ে না রাখলে আবার বিড়ি খেতে ইচ্ছে করবে।

    নির্দিষ্ট কোনও লেখা নয়, এমনিই বইটা খুলল জগন্নাথ। আর দেখল, একটা গল্পের পাতা খুলেছে। নাম ‘বৃষ্টির শব্দ’। ওঃ, এই বৃষ্টি নিয়ে লোকের ন্যাকামোর আর শেষ নেই!

    নামের নীচেই একটা ছবি। হাতে আঁকা । সাদা-কালো রেখায় ফুটে উঠেছে একটা মেয়ের মুখ ৷ আচমকা যেন ছ্যাঁকা খেল জগন্নাথ! মেয়েটার মুখটা যেন অবিকল রতির মতো! এটা কী করে সম্ভব!

    চোয়াল শক্ত করে ছবিটার দিকে তাকাল জগন্নাথ। আজকাল সব মেয়ের মুখেই কেন যে রতিকে দেখতে পায় ও! এমন কী করে হয়! প্রেমে পড়লে এম- নটাই হয় নাকি!

    মনের মধ্যে কেমন একটা উচাটন হল। নিজের ওপরই যেন নিজের আর নিয়ন্ত্রণ নেই। মেয়েটা বড্ড বেঁধে ফেলেছে ওকে। বইটা বন্ধ করে দিল জগন্নাথ। তার পর ঢুকিয়ে রাখল ব্যাগের মধ্যে। শ্বাস ঘন হয়ে আসছে। ও চোখ বন্ধ করল, আর আবার সেই , দিনের কথাটা মনে পড়ে গেল ওর।

    হারু সে দিন বাড়ি ছিল না। যথারীতি ছেলে আর মেয়ে ঘুমিয়ে পড়ার পর লীলা এসেছিল ওর কাছে। জগন্নাথ ঘরের দরজা খোলা মাত্র লীলা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওর ওপর।

    তার পরের কুড়ি মিনিট লীলা রীতিমতো যুদ্ধ করেছিল ওর সঙ্গে। সবশেষে লীলার ওপর শুয়ে ওঠাপড়ার মাঝে, মিলনের শীর্ষে পৌঁছোনোর সময় চোখ বন্ধ করে নিয়েছিল জগন্নাথ । তার পর কেঁপে উঠে স্খলন হওয়ার মুহূর্তে যেন মনে মনে দেখেছিল ওর বুকের নীচে লীলা নয়, শুয়ে আছে রতি! আর সেই পাউডারের গন্ধটা আচমকা ভেসে উঠেছিল স্মৃতিতে!

    মনের মধ্যে কেমন যে করছিল জগন্নাথের! সেই শিহরনের সঙ্গে সঙ্গে বালিশে মুখ গুঁজে ও সামলানোর চেষ্টা করছিল নিজেকে। আশ্লেষে মুখ দিয়ে রতি নামটা বেরিয়ে আসতে চাইছিল বারবার । আর সেটাকে আটকে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করছিল।

    লীলা কিছুক্ষণ পরে আবার ওকে ধরে নানা ভাবে চেষ্টা করছিল। কিন্তু কিছুতেই উত্তেজিত হচ্ছিল না জগন্নাথ। বরং কেবলই যেন দেখতে পাচ্ছিল, ওর দিকে চোখ তুলে কেমন একটা মুখ করে তাকিয়ে রয়েছে রতি!

    বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পরে হাল ছেড়ে দিয়েছিল লীলা ।

    মুখ তুলে বিরক্ত হয়ে বলেছিল, “কী হল তোমার? এমন ম্যাদা মেরে আছ কেন? আর পারবে না? তোমার দাদা চলে আসবে কাল। তার পর তো আর মাসখানেক হবে না। এমন করছ কেন?”

    জগন্নাথের বিরক্ত লাগছিল লীলাকে । এই যে সামনে নগ্ন হয়ে বসে রয়েছে! বয়সের থাবা বসানো মুখের রেখা। পেটে চর্বি। শিথিল স্তন। সব দেখে কেমন যেন খারাপ লাগছিল বুঝতে পারছিল এটা জগন্নাথের। অন্যায় হচ্ছে। যে-মহিলার সঙ্গে এত বছর ধরে সহবাস করেছে, তার প্রতি এমন বিতৃষ্ণা আসাটা উচিত নয়। কিন্তু আবার এ-ও মনে হচ্ছিল, ওদের এই সম্পর্কটাই তো অবৈধ! এটা তো সারা জীবন চলতে পারে না! বাচ্চুর মুখটা মনে পড়ছিল ওর। মনে পড়ছিল বাচ্চুর কথাগুলো, “নিজেরটা দেখো!” সত্যি, ওর কী হবে? ওকে যদি এই বয়সেও কোনও যুবতী ভালবাসতে পারে সেটা কি সামান্য কথা? লীলার সঙ্গে তো মূলত ওর শরীরের সম্পর্ক! লীলার প্রতি তো ও কোনও দিন তীব্র ভাবে মানসিক আকর্ষণ টের পায়নি! তা হলে? আচ্ছা, রতির প্রতি কি ওর সত্যি সত্যি , মানসিক টান তৈরি হয়েছে? রতির মুখটা আবার মনে পড়েছিল জগন্নাথের। আর সঙ্গে সঙ্গে দৃঢ় হয়ে গিয়েছিল ও। নিজেরই অবাক লেগেছিল। লীলা এত চেষ্টা করেও যা পারল না, সেটা কী করে এমন নিমেষে হয়ে গেল শুধুমাত্র একটা মেয়ের মুখ মনে পড়ায়!

    লীলা ওই আবছা ঘরে নগ্ন হয়ে বসে তাকিয়েছিল ওর দিকে। তার পর জিজ্ঞেস করেছিল, “কী হয়েছে তোমার?”

    জগন্নাথ কোলবালিশে নিজেকে আড়াল করে দুর্বল গলায় বলেছিল, “আজ এত পরিশ্রম গিয়েছে যে, খুব ক্লান্ত লাগছে । ঘুম পাচ্ছে।”

    লীলা সন্দেহ নিয়ে দেখছিল ওকে। তার পর বলেছিল, “আমায় গাধা ভাবো? ক’দিন ধরেই দেখছি, শরীরে এখানে আছ, কিন্তু মনটা নেই? কোথায় তোমার মন? কার কাছে? কী হয়েছে তোমার? সত্যি করে বলো আমায়।”

    বিরক্ত হয়ে লীলাকে ঠেলে সরিয়ে লুঙ্গি পরে নিয়েছিল জগন্নাথ। তার পর বলেছিল, “আমার ঘুম পাচ্ছে! তুমি এখন এসো।

    লীলা চোয়াল শক্ত করে কিছুক্ষণ তাকিয়েছিল ওর দিকে। চোখে কী যে অদ্ভুত একটা দৃষ্টি ছিল! এর পর আর কথা না বাড়িয়ে দ্রুত হাতে পোশাক পরে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল লীলা ।

    দরজা বন্ধ করে বিছানায় এসে শুয়েছিল জগন্নাথ। শরীরে অস্বস্তি হচ্ছিল খুব। কিছুতেই ঘুম আসছিল না। কেবলই রতির মুখটা মনে আসছিল। ওর দিকে রতির সেই অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা মনে আসছিল। গরম লাগছিল জগন্নাথের । গলা শুকিয়ে আসছিল । শরীরে জমে থাকা বিষ ওকে ঘুমোতে দিচ্ছিল না। শ্বাস ঘন হয়ে আসছিল দ্রুত। ও বুঝতে পারছিল, এই বিষ মোচন না করলে ওর নিস্তার নেই। আর না থাকতে পেরে কোমরের কষি আলগা করে খুলে ফেলেছিল লুঙ্গি । তার পর ডুব দিয়েছিল কল্পনায়।

    পরের দিন সকালে উঠে তীব্র এক পাপবোধ ঘিরে ধরেছিল জগন্নাথকে । মনে হয়েছিল এটা কী করছে ও! লীলার দুই সন্তানকে দেখছিল দূর থেকে। বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে ওরা। হাসছে।

    কথা বলছে। কলেজে, স্কুলে যাচ্ছে। মনে হয়েছিল পৃথিবী যাই জানুক, আসলে এরা কারা সেটা তো ও জানে সবচেয়ে বেশি ।

    আর রতির কত অল্প বয়স! সারা জীবন পড়ে আছে ওর। এমন একটা মেয়ের পেছনে, এমন করে পাগল হওয়ার বয়স কি আর আছে জগন্নাথের! নিজের ওপর ঘৃণা হচ্ছিল ওর। মনে হচ্ছিল এর পর যদি রতি কিছু আনে, ও খাবে না কিছুতেই। বরং বুঝিয়ে দেবে ওদের মধ্যে একটা পাঁচিল থাকা জরুরি।

    এর সপ্তাহ দুয়েক পরে একদিন পার্টি অফিসে একাই বসেছিল জগন্নাথ । বাইরে মুষলধারায় বৃষ্টি হচ্ছিল সে দিন। বাচ্চু ছিল ওর সঙ্গে। পার্টির নানান বিষয় নিয়েই কথা হচ্ছিল। কিন্তু বাড়ি থেকে একটা ছেলে এসে খবর দিয়েছিল যে, বাচ্চুর ছেলেটার নাকি জ্বর এসেছে। তাই আলোচনা বন্ধ রেখে বাচ্চু চলে গিয়েছিল তাড়াতাড়ি।

    ক’দিন পরেই পার্টির একটা মিটিং ছিল উত্তর চব্বিশ পরগনায়। জগন্নাথকে সেখানে গিয়ে বক্তৃতা দিতে হবে। তাই সেই নির্জনতার সুযোগ নিয়ে একা একা বসে বক্তৃতার একটা খসড়া তৈরি করছিল ও। আশপাশে কেউ নেই বলে কাজ করতে সুবিধে হচ্ছিল। মন দিতে পারছিল।

    আচমকা দরজার কাছে কিসের একটা শব্দ হয়েছিল। লেখা থেকে মুখ তুলে তাকিয়েছিল জগন্নাথ। আর সঙ্গে সঙ্গে কেঁপে উঠেছিল ওর শরীর।

    জগন্নাথ দেখেছিল, দরজার কাছে ভেজা লাল ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে রতি। রতির দিক থেকে চোখ সরাতে পারছিল না জগন্নাথ। ছোট্ট ছাতা রতিকে সম্পূর্ণ আড়াল করে রাখতে তো পারেইনি, বরং এমন করে ভিজিয়ে দিয়েছে যে, সেটা আরও বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    রতির মুখে, ভুরুতে, ঘাড়ের কাছে ভেঙে পড়া চুলে অভ্রর কুঁচির মতো চিকচিক করছিল বৃষ্টির ছাঁট ।

    “তুমি?” জগন্নাথের গলা গলা কেঁপে উঠেছিল ।

    রতি কিছু না বলে ঘরে ঢুকে ছাতাটা বন্ধ করে একটা প্লাস্টিকের বালতির মধ্যে ঢুকিয়ে রেখেছিল । তার পর জগন্নাথকে অবাক করে দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিল দরজাটা।

    জগন্নাথ কী বলবে বুঝতে পারছিল না। হাঁ করে তাকিয়ে থেকেছিল শুধু। হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল পেন!

    রতি কোনও কথা না বলে এগিয়ে এসেছিল ওর দিকে। তার পর একদম সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল। বসে থাকা জগন্নাথের মুখের কাছে রতির দুটো বুক, মেঘ ভেদ করে ভেসে ওঠা চূড়ার মতো ভেজা শাড়ির মধ্য থেকে জেগে ছিল ।

    রতি জিজ্ঞেস করছিল, “আপনি আজকাল আমায় এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন জগন্নাথদা?”

    জগন্নাথ কিছু না বলে মাথা নামিয়ে নিয়েছিল। বুকের ভেতরে কেমন যেন একটা করছিল ওর। মনে হচ্ছিল একটা প্রাগৈতিহাসিক ফড়িং ফড়ফড় করছে পাঁজরের মধ্যে। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল। রক্তের ভেতরে ঝড়ের মধ্যে পড়া জাহাজ নাচছিল প্রবল ভাবে। ও সেই কালান্তক পাউডারের গন্ধটা পাচ্ছিল!

    রতি আচমকা আরও সরে এসেছিল ওর দিকে। তার পর ওর পাঁচ-ছ’দিনের না কামানো কাঁচা-পাকা দাড়ি ফুটে থাকা থুতনি ধরে মুখটা তুলেছিল নিজের দিকে। চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করেছিল, “কী হল, বলুন?”

    জগন্নাথ মাটির কয়েক হাজার ফুট ভেতর থেকে নিজের গলার স্বর খুঁড়ে বের করে অস্ফুটে জিজ্ঞেস করেছিল, “তুমি কী পাউডার লাগাও?”

    রতি থমকে গিয়েছিল এক মুহূর্ত। তার পর দ্রুত হাতে শাড়ির আঁচল ফেলে দিয়ে ব্লাউজ়ের হুক খুলে দিয়েছিল। এক মুহূর্ত থেমে তাকিয়েছিল জগন্নাথের দিকে। দেখেছিল, জগন্নাথ অপলক তাকিয়ে রয়েছে ওর বৃত্ত দু’টির দিকে ।

    রতি আচমকা জগন্নাথের মুখটাকে টেনে নিয়ে ডুবিয়ে নিয়েছিল বুকের মধ্যে। তার পর ঘন শ্বাসের ওঠাপড়ার সঙ্গে আবছা গলায় বলেছিল, “তুমি বলো দেখি কী পাউডার!”

    তার পর বৃষ্টি আর বৃষ্টি! ঘরে, বাইরে ও সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে এক মহাপ্রলয়! লেখার সেই পাতা, পেন, ব্যাগ কোথায় যে ছিটকে গিয়েছিল গ্রহ নক্ষত্রের তীব্র আকর্ষণে, তা আর মনে ছিল না জগন্নাথের।

    অনেকক্ষণ পরে জগন্নাথের যেন হুঁশ এসেছিল। দেখেছিল, বড় টেবিলের ওপর শুয়ে রয়েছে ও। আর ওর ওপর নিজেকে বিছিয়ে রেখেছে রতি।

    জগন্নাথ রতিকে সরিয়ে উঠে বসেছিল। জামাকাপড় পরতে পরতে বলেছিল, “এটা ঠিক হল না রতি।”

    রতি বলেছিল, “সব ঠিক হয়েছে! বেশ হয়েছে! আরও হবে!” বলেছিল, “আমি চাই বারবার এমন হোক!”

    সেই দিন আর আজকের দিন। এর আরও মধ্যে রতির সঙ্গে জগন্নাথের সম্পর্ক গভীর হয়েছে। শরীরের দেওয়াল টপকে এখন মন খুঁজে পেয়েছে শান্তি। রতিকে শুধু জড়িয়ে ধরে থাকলেও জগন্নাথের ভাল লাগে। ওর গায়ের সঙ্গে লেপটে থাকতে ইচ্ছে করে সারাক্ষণ। রতি কাছে না থাকলে কেমন একটা শূন্য হলঘর যেন বুকের মধ্যে থমথম করে! বাতাসে কমে আসে অক্সিজেন! রাতে ঘুমের মধ্যে রতিকে দেখতে পায় যেন! জীবনের এই জায়গায় এসে এ ভাবে যে কারও সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে, সেটা স্বপ্নেও ভাবেনি জগন্নাথ । রতি বলেছে জগন্নাথকে ভালবাসে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, জগন্নাথকে ওকেই বিয়ে করতে হবে ।

    শুধু ওকে কাছে রাখলেই হবে। কিন্তু জগন্নাথ বিয়ে করতে চায় রতিকে। এমন লুকোচুরি আর ভাল লাগে না। লীলাকে আর ও আসতে দেয় না ওর ঘরে। নানান অজুহাতে দূরে রাখে। লীলা রাগ করে। খিটখিট করে। এম- নকি, কান্নাকাটিও করে। মাঝে মাঝে ভয় দেখায় বিছানায় অন্য ছেলেকে তুলবে বলে ।

    কিন্তু তাতে জগন্নাথের আর কিচ্ছু আসে-যায় না। যা খুশি করুক লীলা। মন ঘুরে গিয়েছে মানে, মন ঘুরেই গিয়েছে। আর লীলাকে সহ্য হচ্ছে না ওর। জীবন জীবন ওকে একটা সুযোগ দিয়েছে। কেন নেবে না সেটা? ও জানে লীলা দু’দিন এ সব করবে, তার পর নিজেই চুপ করে যাবে। লীলা তো আর হারুকে বলতে যাবে না যে, কী সব চলেছে এত বছর ধরে!

    তবে জগন্নাথ এটাও বুঝতে পারছে যে, এই মুড়াপোঁতার পাট ওকে ওঠাতে হবে। ওর ইচ্ছে আছে মুড়াপোঁতার পাশের গ্রাম, মানে মুক্তদহে গিয়ে বাড়ি ভাড়া নেবে। কারণ, এখানে থাকলে লীলা ওকে শান্তিতে থাকতে দেবে না ।

    লীলা মুক্তদহর মেয়ে। ওখানেই ওর বাপের বাড়ি। চেনা লোকজনও আছে চারিদিকে। এমনকি, লীলার বোন শিউলির বিয়েও ওখানেই হয়েছে। এত চেনাশোনার মধ্যে লীলা ওখানে বেগড়বাই করতে পারবে না। সবটা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে ওর।

    রতিকে এত সব খুলে বলেনি জগন্নাথ। শুধু বলেছে, “এখানে থাকলে তোমায় বিয়ে করায় আমার অসুবিধে আছে। তুমি আমার সঙ্গে মুক্তদহে থাকতে পারবে? একটা না-হয় স্কুটি কিনে নিয়ো। পাঁচ-ছয় কিলোমিটার দূরে তো স্কুল! সুবিধে হবে।”

    রতি একবারও ওকে পাল্টা জিজ্ঞেস করেনি, কেন এখানে থেকে ওর রতিকে বিয়ে করার ব্যাপারে অসুবিধে আছে! বরং ওর সঙ্গে ঘন হয়ে বলেছিল, “ঠিক আছে। শুধু একটা কথা।”

    “কী?” জিজ্ঞেস করেছিল জগন্নাথ ।

    রতি ওর বুকের কাঁচাপাকা লোমে আলতো করে আঙুল বুলিয়ে বলেছিল, “বিড়িটা আর খেয়ো না ।”

    বাচ্চুকে ঘরে ঢুকতে দেখে জগন্নাথ বলল, “বাচ্চু চল, অনেক দেরি হয়ে গেল ।”

    বাচ্চু অনিচ্ছের সঙ্গে তাকাল ওর দিকে ।

    পকেট থেকে বিড়ির প্যাকেটটা বের করেও আবার ঢুকিয়ে রাখল জগন্নাথ।

    খুব ইচ্ছে করছে ওর। কিন্তু মনকে শক্ত আগে দিনে চল্লিশ- করতে হবে। আগে পঞ্চাশটা বিড়ি খেত ও। সেটা এই মাস খানেকে কমিয়ে এনেছে কুড়িটায়। । আরও কমাতে হবে। এখনই একবারে ছাড়তে পারবে না। কিন্তু আস্তে আস্তে ছেড়ে দেবে। নিজের সঙ্গে এই যে যুদ্ধ চলছে ওর, সেটাতে ওকে জিততেই হবে।

    মুড়াপোঁতার পশ্চিম দিকে একটা নদী আছে। মণি নদী। তার পাশে বিহারির বাড়ি। বিহারি ওদের দলের লোক। কিন্তু শুনছে, বিরোধী দলের লোকদের সঙ্গে খুব মেলামেশা করছে আজকাল । সেখানে নাকি যোগও দেবে। এত বাড় যে ভাল নয় সেটা বোঝাতে হবে বিহারিকে। কয়েক মাস পরে পঞ্চায়েত ভোট। বিহারির একটা ভাল ‘পুল’ আছে। ওকে যে বিরোধীরা ভাঙানোর চেষ্টা করবে, সেটা তো স্বাভাবিক।

    জগন্নাথ ভাবল বিহারির সঙ্গে বোঝাপড়ার ব্যাপারটা ওর মনে একটা কাঁটার মতো বিঁধে আছে। আজকে কথা বলে ব্যাপারটা মিটিয়ে নিলে ওর মাথার ওপর থেকে একটা ভার নামবে। তার পর কাল একবার শান্তিপুর ঘুরে আসবে। লতাদি আগের সপ্তাহেই বলেছিল যেতে, কিন্তু সময় করতে পারেনি।

    লতা মানে লতা মুখুটি। লতাকে জগন্নাথ দিদি বললেও আসলে ওরা প্রায় সমবয়সি। লতাদির স্বামী বরুণদার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জগন্নাথের। পার্টিরই লোক বরুণকুমার মুখুটি। কিন্তু বেশ কয়েক বছর আগে একটা ভোটের আগে লোকটা খুন হয়ে যায়। এই সব অঞ্চলে রাজনীতি খুবই হিংসাত্মক রূপ নেয় ভোটের আগে। কিন্তু কিছু করার নেই। এমনটাই হয়ে এসেছে বছরের পর বছর ধরে। আর সত্যি বলতে কী, জগন্নাথও তো এরকম রাজনীতিরই অংশ। কালার কথা কি ও ভুলে গিয়েছে!

    লতাদি একটা প্রাইমারি স্কুলে পড়ায়। শান্তিপুর শহরের ওপরেই একটা ভাড়াবাড়িতে মা আর ছেলে থাকে। লতাদি খুবই ভাল মানুষ। দারুণ রান্না করে। গেলেই নিমেষে কিছু না- কিছু তৈরি করে ওকে খাওয়ায় ।

    লতাদির ছেলে ঝিরির সঙ্গে জগন্নাথের খুব গল্প হয়। ছেলেটা চুপচাপ, কিন্তু বুদ্ধিমান। প্রায় সারাক্ষণ পড়াশোনা করে। নানান দেশের খবরাখবর রাখে। কথা বলে আরাম হয় ৷ জগন্নাথ নিজের মতো করে ঝিরিকে জীবনের অনেক কথা বলে । ঠিক ভুল, ভালমন্দের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করে ।

    জগন্নাথ ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে ভাবল পুনুর এই ম্যাগাজিনটা কাল ঝিরিকে দিয়ে আসবে। ও নিজে এই বয়সে এ সব বুর্জোয়া সাহিত্য বর্জন করেছে বটে, কিন্তু ঝিরির যা বয়স তাতে এখন ওর মন খোলা রেখে জীবনের সব দিকটাই নেড়েচেড়ে দেখা উচিত।

    পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে বাইরে এসে দাঁড়াল জগন্নাথ। রাস্তায় এখন বেশ অন্ধকার। লোডশেডিং হয়ে আছে চারিদিকে। এখানে এ সব রোজকার ব্যাপার। তার মধ্যে এবার শীতটাও পড়েছে জব্বর।

    সারা দিন খুব যে ঠান্ডা থাকে তা নয়। কিন্তু শেষ বিকেল থেকেই ঝুপ করে ঠান্ডা পড়ে যায়। মাটি থেকে কিছুটা ছেড়ে একটা কুয়াশার আস্তরণ কে যেন সাদা চাদরের মতো টাঙিয়ে দিয়ে যায় মাঠে মাঠে। গাছপালাদের গোড়া আর মুড়োটাই দেখা যায় শুধু ।

    অন্ধকার যত ঘনায়, শীত যেন তত আঁকড়ে ধরে মুড়াপোঁতাকে। আজও তার অন্যথা হয়নি।

    বাচ্চুর সাইকেলটা জগন্নাথই চালায়। পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে পাশের বারান্দা থেকে সাইকেলটা নিল জগন্নাথ ।

    বাচ্চু বলল, “তুমি যাও জগন্নাথদা । আমার শরীরটা আজ ভাল নেই! আমি আর যাব না! ছেলেটাও ঘ্যানঘ্যান করছিল। জানোই তো ওর মা থেকেও নেই!”

    “ইয়ার্কি হচ্ছে? হচ্ছে? খালি ছেলের বাহানা দেওয়া, না!” জগন্নাথ বিরক্ত হল, “বিহারির বন্ধু তুই। আমি নেতা হলেও এ সব কথাবার্তা বলার ব্যাপারে পার্সোনাল টাচটা থাকা দরকার। জানবি আন্দোলন, দল এ সব মানুষ আর মানবিকতা বাদ দিয়ে হয় না। শরীর কতবার তোদের বলব? খারাপের ঢপবাজি, ছেলের ঘ্যানঘ্যানানি অনেক দিয়েছিস! কাল বড়দিন। ছুটি আছে। বাড়িতে শুয়ে রেস্ট নিবি। আমি কি জানি না যে, তুই এখন গিয়ে হয় বাংলার ঠেকে বসবি, নয়তো ন্যাপার সাট্টার ঠেকে মাথা দিবি। সংযম বলে কি কিচ্ছু নেই তোর! ওঠ ক্যারিয়ারে! যাব না! মামার বাড়ির আবদার!”

    বাচ্চু অনিচ্ছার সঙ্গে সাইকেলের পেছনে উঠল ।

    সাইকেলে বসে জগন্নাথ প্যাডেল ঘুরিয়ে বলল, “হ্যাঁরে, গত সপ্তাহে তুই আমাদের বাড়ি গিয়েছিলিস কেন রে? দাদার ঘরে দেখলাম তোকে!”

    বাচ্চু সময় নিল একটু। তার পর গলা খাঁকারি দিয়ে বলল, “ওই আমার মামাতো ভাইয়ের কাজের জন্য আর কী!”

    জগন্নাথ সাইকেল চালাতে চালাতে বলল, “দাদার মিলে কাজ করিস নিজে। ভাইকেও ঢোকাবি? হারু ঘোষ আমার দাদা হলেও জানবি একটা আস্ত পিশাচ। জানিস না কী ভাবে টাকা মারে কর্মচারীদের? কী ভাবে ওভারটাইম না দিয়ে খাটায়?”

    বাচ্চু এর উত্তরে কিছু না বলে কথা ঘুরিয়ে আবার বলল, “আমায় নামিয়ে দাও জগন্নাথদা। আমার সত্যি ভাল লাগছে না শরীর। পেটের মধ্যে উস্তুম কুস্তুম করছে। বমি হবে মনে হচ্ছে!”

    সামনের রাস্তাটা মাটির। দু’দিকে খেত। কিন্তু ধান কাটা হয়ে যাওয়ায় এখন ফাঁকা। আকাশে কুয়াশা আছে অল্প। তার মধ্য দিয়েও তারা দেখা যাচ্ছে। চারিদিক অন্ধকার হলেও আকাশ থেকে অদ্ভুত একটা আলোর ভাপ এসে ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। তাতেই অস্পষ্ট ভাবে এই মাঠ, গাছপালা, ঝোপঝাড় দেখা যাচ্ছে। আসলে এখন চোখ সয়ে গিয়েছে জগন্নাথের। চারিদিক একদম ফাঁকা বলেই ঠান্ডাটা বেশ জমাট এখানে । যেন পুরনো শীতল পাথর কেউ ছুঁইয়ে রেখেছে গায়ে! রাস্তায় লোকজনও নেই। জগন্নাথ সাইকেলের প্যাডেলে জোরে চাপ দিল । তাড়াতাড়ি পৌঁছোতে হবে।

    বাচ্চু আবার বলল, “আমার মনে হয় জ্বর আসবে।

    “ননীর পুতুল আমার! জ্বর আসবে!

    আবহাওয়ার খবর পড়িস নাকি আজকাল? এই নিয়ে পলিটিক্স করবে! বিপ্লব করে সমাজ পাল্টাবে! চুপ করে বসে থাক। জানিস না আমাদের এখানকার কী হাল! সুন্দর দল পাল্টে ওই দিকে চলে গিয়েছে। ও ছিল শক্ত খুটি। তা ছাড়া ওদের ওই মাধো, শমীক, , সেতু কী ভাবে ক্যাম্পেন করছে! কলকাতা থেকে বীরেন্দ্র নামে একটা লোকটা তো আছেই। ওই মালটা টাকা ঢালছে কাঁড়িকাঁড়ি। জানিস না, ওর সঙ্গে আমার একবার ঝামেলাও হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে বিহারিকে আমাদের ধরে রাখতেই হবে। ওর হাতে অনেক ভোট। আর, তার সঙ্গে ওর মাসল পাওয়ারটাও আমাদের জন্য জরুরি।’

    জগন্নাথ মুখে আদর্শের কথা বললেও জানে, ও সব মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আর প্রবন্ধ লেখার জন্য ঠিক আছে। মাঠে নেমে লড়াই করতে হলে মাসল পাওয়ারটাই পাওয়ারটাই এখানে আসল। জগন্নাথ জানে, কী গ্রাম কী শহর, সাধারণ মানুষ অত তত্ত্ব-ফত্ত্ব বোঝে না। তারা দিনের শেষে হাতে কী পেল সেটাই বোঝে। আর বোঝে কে বেশি শক্তিশালী। যার শক্তি বেশি, তার কাছেই লোকে ভিড় করে। বছর দেড়েক আগে বিরোধীদের একটা ছেলে, কালাচাঁদ, খুব চেগে উঠেছিল। লোকজন আস্তে আস্তে ঘুরে যাচ্ছিল ওর দিকে। কলকাতা থেকে এখানে এসে জগন্নাথের তৈরি করা গাছের ফল নিজে তুলতে চাইছিল । জগন্নাথ বুঝতে পেরেছিল, ওর সাজানো খেতে এই কালাচাঁদ একটা পরগাছা। একে সমূলে তুলে ফেলতে হবে, না হলে ওর খেতের বারোটা বেজে যাবে।

    তাই ব্যাপারটা নিয়ে বিহারির সঙ্গে পরামর্শ করেছিল ও। তার পর এমনই এক শীতের রাতে বিহারি ধরেছিল কালাকে। অপ্রস্তুত কালা কিছু বোঝার আগেই কাস্তে দিয়ে গলাটা টেনে নামিয়ে দিয়েছিল নিমেষে। বড় রাস্তার এক দিকে কালার ধড়টা ফেলে রেখে, অন্য দিকের একটা বাবলা গাছে বিহারি ঝুলিয়ে দিয়েছিল কালার মুন্ডুটা! আসলে শুধু খুন নয়, খুনের পদ্ধতি ও প্রদর্শনের মধ্য দিয়েই বিরোধীদের বার্তা দেওয়া হয়েছিল যে, কী হবে ওদের বিরোধীতা করলে! জীবনের সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন জরুরি। সেই রাতেই কাজ সেরে বিহারি এসে খবর দিয়েছিল জগন্নাথকে । বলেছিল, “জগাদা, শেষ করে দিয়েছি।”

    জগন্নাথ বলেছিল, “ক’দিন বাইরে চলে যা। ঠান্ডা হলে আমি ডেকে নেব। মাস চারেক লেগেছিল ব্যাপারটা ধামাচাপা দিতে। তার পর বিহারি আবার ফিরে এসেছে।

    জগন্নাথ সাইকেলে প্যাডেল করতে করতে ভাবল, এবার বিরোধীরা বিহারিকেই ভাঙিয়ে নিতে চাইছে। বিহারিকে নিজেদের কাছে রাখতে হলে পার্টির লোকাল কমিটিতে কিছু একটা পদ দিতে হবে আর তার সঙ্গে সরকারি কাজের কনট্রাক্টও পাইয়ে দিতে হবে ওকে। এ সব ছুটকো গুন্ডাদের একটু সম্মান দিলেই এরা চেগে যায়! তার পর এই বিহারিকে দিয়ে এই মাধো, শমীক আর সেতুকে সরাতে হবে।

    জগন্নাথ বলল, “বাচ্চু…”

    কিন্তু কথা শেষ করার আগেই পাশের ঝোপ থেকে একটা তীব্র টর্চের আলো এসে চোখে ধাক্কা মারল জগন্নাথের।

    চোখ কুঁচকে কোনও মতে সাইকেলটা ব্রেক কষল জগন্নাথ। বুঝল, পেছন থেকে বাচ্চুও নেমে দাঁড়িয়েছে মাটিতে।

    জগন্নাথ চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কোন শুয়োরের বাচ্চা রে?”

    ঝোপের ভেতর থেকে উত্তর এল, “তোর বাপ, শুয়োরের বাচ্চা!”

    তার পর জগন্নাথ কিছু বোঝার আগেই ঝোপ থেকে তিনটে মানুষ বেরিয়ে এসে দাঁড়াল ওর সামনে। টর্চের আলোয় সব কিছু কেমন কালো আর ভূতুড়ে লাগছে। তাও একটা লম্বা ছেলেকে দেখে চিনতে পারল জগন্নাথ। সেতু। পাশে মোটা বেঁটে ছেলেটা মাধো। আর অন্য একজ- নকে ঠিক চিনতে পারল না!

    জগন্নাথ সাইকেলে বসে মাটিতে এক পা রেখে কড়া গলায় জিজ্ঞেস করল, “কী চাস? এ ভাবে রাস্তা و আটকালি কেন?”

    সেতু কিছু না বলে আচমকা ডান হাতটা তুলল । আর জগন্নাথ দেখল, ওর হাতে একটা পিস্তল ।

    “কী করছিস? কী করছিস এটা?” জগন্নাথ চেঁচিয়ে উঠল। গলা শুকিয়ে গিয়েছে ওর! সেতু এটা কী করছে!

    “কালাদাকে তুই যা করেছিলিস,” সেতুর গলা কাঁপছে ।

    জগন্নাথ বুঝল এদের সঙ্গে কথা বলে লাভ নেই। মাথায় খুন চেপেছে এদের! কোনও যুক্তিতর্ক কাজ করবে না এখন!

    ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিল। তার পর সাইকেলের ব্রেকটা ছেড়ে জোরে প্যাডেল করে ছেলেগুলোর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে গেল। কিন্তু পারল না ৷ পিছনে কী যেন আটকে আছে।

    নিমেষে পিছনে ঘুরল জগন্নাথ। আর অবাক হয়ে দেখল, বাচ্চু সাইকেলের ক্যারিয়ারটা টেনে ধরে রেখেছে দু’হাত দিয়ে! ও এগোতে দিচ্ছে না জগন্নাথকে ।

    “বাচ্চু, তুই! প্রথমে সুন্দর, তার পর তুই… তোরা সবাই…” বিহ্বল হয়ে বাচ্চুর দিকে তাকাল জগন্নাথ ।

    বাচ্চু কাঁপা গলায় বলল, “ক্ষমা করে দাও জগন্নাথদা । কিন্তু উপায় নেই!”

    ভয়ে এবার সামনের দিকে তাকাল জগন্নাথ। দেখল, লক্ষ্য নিশ্চিত করতে সেতু আরও কাছে এগিয়ে এসেছে। পিস্তলটা কাঁপছে সেতুর হাতে।

    জগন্নাথ বলল, “আমায় মারিস না! প্লিজ়, মারিস না আমায়! আমি সব ছেড়ে দিচ্ছি! সব ছেড়ে আমি চলে যাচ্ছি এখান থেকে। বিশ্বাস কর, রাজনীতিতে আমি আর থাকব না । মারিস না না আমায়… পায়ে পায়ে পড়ছি তোদের…

    সেতু চোয়াল শক্ত করে বলল, “কালাদাকে গিয়ে ‘প্লিজ়’-টা বলিস শুয়োরের বাচ্চা! আজ তোকে…”

    জগন্নাথ বুঝল আর কথা বলে লাভ নেই! এ ভাবেই তবে সব শেষ হল! ও বড় করে শ্বাস নিয়ে চোখ বন্ধ করল এবার। হাল্কা একটা পাউডারের গন্ধ পেল যেন! আর দেখল, একটা মেয়ে ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে। ছোট্ট ঠোঁটের ফাঁকে গজদাঁতের হাসিটা কেন যে এত সুন্দর, কে জানে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)
    Next Article কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }